somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... প্রজন্মান্তর ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৬

ঢাকা এয়ারপোর্ট

আট বছর পর দেশীয় কোলাহলটা ঝাটকা দেয় কানের ভেতর, ঠিক দেশটার গরমের মতই। আরো একবার ভাবে, এই সময়ে দেশে আসাটা কি ঠিক হলো?
এয়ারপর্টের লাগেজ কনভয় বেল্টের সামনে চার বছরের ছোটো মেয়েকে কোলে নিয়ে স্ত্রী আর এমনকি ছেলেটার কাছ থেকেও মানসিক ভাবে হারিয়ে যায় কিছু সময়ের জন্য হারুন, হারুন রশীদ।
আট বছর আগে শেষবার যখন এসেছিলো, একাই, তখন ফিরে যাওয়াটাও উল্লেখযোগ্য নাটকীয়তা ছাড়াই পার করতে পেরেছিলো। দেশ ছেড়ে যাবার মমতা যতটা না ছিলো, তার চাইতে বেশিই ছিলো নিজের আরামের কর্মক্ষেত্র, স্ত্রী আর ছেলেটার কাছে ফিরে যাবার তাগিদ। তাই বাবার গাম্ভীর্যের আড়ালে স্নেহ ছিলো কিনা সেই খোঁজ নেয়া হয়নি তখন আর। এই জীবনে কোনোদিনই জানা হয়নি, বাবার স্নেহ জিনিষ টা সাথে ছিলো কিনা...অন্য ছেলেপিলেদের বাবা'র সাথে আদিখ্যেতে দেখে আফসোস হবার দিনও তাই খুব বেশি দিন স্থায়ী হয়নি...

:...পাপা, আমরা কি এখন বান্‌লা বলবো?

চশমা ধরে টান দিয়ে জানতে চায় রিমঝিম।

"আহ, মামুনি, পাপার চশমা নিয়ে খেলতে নেই, আম্মু বলেনি?"..বিচ্ছিন্ন হয় হারুনের চিন্তার উল্টোস্রোত ।

:খেলিনিতো, তুমি তো কথা বলো না..পাপা, আমরা এখন বান্‌লা বলবো সবাই?
:হুম, বাংলা বলোবো।
:সব সময় বলবো?
:হ্যা মা, সবসময়..
:আমরা দেশে যাবার পরও বানলাই বলবো, পাপা?
হোঁচোট খায় হারুন। যখন দেশে থাকতো, তখন, দেশ বললে মানুষ গ্রামের বাড়ীর কথাই বুঝাতো।
তাই দেশে যাওয়ার কথা বলতেই মাথায় এলো গ্রামের বাড়ীর কথাই। কিন্তু মেয়ে নিশ্চই দেশ বলতে বুঝিয়েছে তার নিজের জন্ম নেয়া শহর পাভিয়া'র কথাই, তার বেড়ে উঠা যেই ইটালীতে।

আচ্ছা, তার মেয়ের কি একটাই দেশ? ইটালী? বাবার দেশটা কি তার দেশ নয়? এমনকি ২২ বছর আগের রিমঝিমের মায়ের দেশ টাও তো ছিলো বাংলাদেশ।

সংবিত ফিরে পেতে দেখে, ছেলে শায়েখও উৎসুক চোখে তাকিয়ে আছে বাবার দিকে, উত্তরটা পাবার আশায়। আগামী দেড়/ দুই মাস প্রতিনিয়ত বাংলা বলতে হবে, এই টেনশনে ছেলেটা কিছু চিন্তিত।
: এইতো, এলো এতক্ষনে, দেখতো, পাশাপাশি তিনটাই তো আমাদের না? বাকী দুটো দেখো ।
যে দেশের যে ভাব। লাগেজ বেল্ট নাকি আবার নষ্ট হয়ে থাকে অপারেটরের অভাবে।

তাড়া লাগায় মিলি, হারুনের স্ত্রী, হারুনকে আপাতত ছেলেমেয়ের প্রশ্নের হাত থেকে বাঁচিয়ে।


দুই


"হারুন মিয়া, টাকা পয়সা তো আল্লাহ'র রহমতে ভালোই কামাইতাছো, ঠিক না?"

হারুনের গ্রামের বাড়িতে বসে মনে মনে হাসে হারুন। কিছু জিনিষ কখনোই বদলায় না একটা সমাজের মানুষের স্বভাব থেকে। তার নামে মিয়া না থাকলেও, নামের পরে মিয়া বলে সম্বোধন করে মুরুব্বী ভাবটা বুঝাতে পছন্দ করে লোকজন। আর আলোচনার শুরুতেই, বা শুরুর কাছাকাছি সময়েই বিদেশে অবস্থানরত অবস্থায় টাকা উপার্জনের পরিমানটা আন্দাজ পাওয়ার এ্যটেম্পট নেয় লোকজন।

:জ্বি, মোটামুটি। কিন্তু ঐখানেতো খরচও অনেক,ছেলেমেয়ের পড়ালেখার খরচ আমাদের দেশের তুলনায় অনেক বেশি।
চাতুরীতে অভ্যস্ত হতে খুব বেশি সময় নেয়না হারুনও, অন্তত তাই সে ভাবে। কোনোভাবেই টাকার অংকটা জানায় না। তার ভদ্রতা বোধ তাকে টাকার অংক জানাতে বাঁধা দেয়, আবার সরাসরি না করারও উপায় নেই এখানে। দেশের মানুষের ভদ্রতা বোধ আবার উল্টো। তারা চাতুরী করতে চায়, কিন্তু কোনো প্রশনের উত্তর পাবেনা, এটাকে অভদ্রতা আর বেয়াদবী ছাড়া কিছু ভাবেনা ।

এমন সময় রিমঝিম বের হয়ে আসে ভেতরের ঘর থেকে, হাতে ইঞ্চিখানেক সাইযের একটা কাঁচা আম, সদ্য বোঁটা ছাড়ানো, এখনো কষ গড়িয়ে পড়ছে
হা হা করে ছুটে গিয়ে মেয়েটার হাত থেকে আমটা নিয়ে নেয় হারুন।
:ছিহ, মামুনি, বলেছিনা, যা খুশি তাই ধরবে না, আগে পাপাকে বা মামুনিকে জিগ্ঞেস করে নেবে?
: বুবুটা দিলো যে, পাপা? আর দেখো পাপা, কি সুন্দর উম..(হাতটা নাকের কাছে নিয়ে আমের লেগে থাকা গন্ধ শুঁকে বলে, গন্ধের বাংলা টা না জানাটা আটকাতে পারেনা, ভাব বিনিময়ের।)
বাবাকেও শোঁকার জন্য ছোট্ট ছোট্ট হাত দুটো বাড়িয়ে দেয় রিমঝিম, চোখমুখ অদ্ভুত কিছু আবিষ্কারের আনন্দে চকচকে।
আলগোছে গন্ধটা শুঁকে নেয় হারুনও। সে পুন:আবিষ্কার করে, তার শৈশবের স্মৃতি আরেকবার। অনেক কাল পরিপাটি জীবনে হারিয়ে গিয়েছিলো অগোছালো শৈশব কৈশর।


মিলিও বের হয়ে আসলো উত্তেজিত হয়ে,
: দেখো, ছেলেটার কোনো খবর নাই। মা পর্যন্ত বললো, আকাশের অবস্থা ভালো না, ছেলেটাকে বাইরে না নিতে। কিন্তু নিয়ে গেলো ছেলেটাকে।

হারুন জানে, ছেলেটা তার ছোটো ভাই মহসিনের ছেলেটার সাথে গ্রাম দেখতে বের হয়েছে। আরো জানে, তার মা কেনো সেই সময় যেতে না করেছিলো। এক নাতি আরেক নাতির সাথে বাইরে যাবে, এটাতে মায়ের আপত্তি থাকার কথা না, কিন্তু বিদেশ ফেরৎ ছেলে আর বিশেষত ছেলের বউ এর চাপা রাগের অস্ব:স্থিকর পরিবেশের সম্মুখিন হতে চায়না। এম্নিতেইও প্রথম দিন খাবার নিয়ে জোরাজুরি করা নিয়ে সামান্য মন কষাকষি হয়ে গেছে। অল্প শিক্ষিত মা'ও বুঝে গেছেন, ওরা পরিবার না যতটা, তার চেয়ে বেশি, প্রবাসী আত্মীয়। প্রবাস টা অনেক খানি, আত্মীয়টা খানিক টুকু ইদানীং, এতদিন পর।

:এখন, ঝড় বাতাস শুরু হয়েছে, বাংলাদেশি চৈত্র মাসের ঝড়, এর মাঝে ছেলে কোথায় আছে, খবর নেই।

:হুম, দেখছি..

:তাইলে হারুন, আমরা আজকা উঠি, আকাশে অবস্থা তো ভালো না। তোমার পোলারে দেখলে পাঠাইয়া দিবোনে । আর অতি অবশ্যই বৌরে নিয়া, ছেলেমেয়ে নিয়া আমার বাড়িতে একবেলা.....


কথা শেষ করতে পারেন না, গাঁয়ের চাচা, টার আগেই উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বলে উঠে মিলি,


:পাঠিয়ে দিতে হবেনা চাচা, যদি দেখতে পান, তাহলে আপনাদের বাড়িতে বসিয়ে রাখবেন, ঝড়টা শেষ না হওয়া পর্যন্ত, প্লীজ।

:ঠিকাছে মা, বসাইয়া রাখবো, ঝড়ে বের হওয়াটা ঠিক হবেনা । আসি তাইলে, আমি তাড়াতাড়ি দেখি...

বের হয়ে গেলেন, গ্রাম সম্পর্কীয় চাচা।
আচ্ছা, শুধু প্রবাসী বলেই কি ছেলটা সম্পর্কে বল্লেন চাচা, ঝড়ে বের হওয়া ঠিক হবেনা? নাইলে বাংলা দেশে, গ্রামে, কে কবে শুনেছে, ঝড়ে ছেলে মানুষ বের হতে পারে না, বা বের হওয়াটা ঠিক হয়না?
আমার ছেলে-মেয়ের কি কোনো শেকড়ই আর নেই এখানে?
আবার হুলুস্থুল শৈশবের আক্রমন ঠেকান হারুন, নিজের ছেলের ফার্মে পোষা নিরাপদ শৈশবটা বাঁচানোর তাগিদে। ছোটো ভাইকে নিয়ে ছোটেন বাইরে। পেছনে পাখির মাকে বসিয়ে রেখে...
আমাদের ছেলেমেয়েদের তো কেবল পাখির মা আর বাবাই, দিদা-দাদুর, ফুফু-চাচুর দিন তো নেই ওদের আধুনিক জীবনে।




তিন


দিদার কোলে বসে রিমঝিম কাঁচা আম নিয়েই পড়ে আছে। বারবার নাকের কাছে নিয়ে আমের গন্ধ নিচ্ছে। একটু কালো আভা এসেছে গায়ে। সারাদিন টইটই করে ঘুরিঘুরির ফলাফল। ছেলেটা শুয়ে আছে পাশেই কাঁথা পায়ের কাছে ফেলে। নরম কাঁথাটা নিয়ে শুরুতে মা আর ছেলে, দুইজনের মনেই কিছুটা আপত্তি ছিলো, কিন্তু হারুনের মায়ের নিশ্চয়তায় সংশয় দূর হয়েছে, মা-ছেলের। ছেলেটা কি জানে, ব্ল্যাংকেটের চাইতে কতটা মায়ায় জড়িয়ে থাকে কাঁথাটা, পরমাত্মীয়ের আদর হয়ে? কাব্য করে নিজের মনে নিজেই হাসে হারুন। একটু জ্বর ভাব শরীরে ছেলেটার। অথচ নাজুক মেয়েটা রাজ হাসের পিছে ছুটে, ঝড়ের পর আমকুরানি দেখে কিংবা সারাদিন দিদার সাথে রান্না ঘরে গিয়েও, গায়ের রং কালো করা ছাড়া অসুস্থতার কোনো লক্ষন দেখায়নি। গ্রামের বাড়ি এত ভালো লেগে যাবে মেয়েটার, বুঝেনি হারুন নিজেও।




চার





যাবার দিন ঘনিয়ে আসছে। এবারও মায়ার বাঁধনে আটকা পড়েনি পুরো পরিবারের কেউই।


:রাতে কি খাবে বাবা?

শান্ত স্বর নিয়ে ঘরে ঢুকেন মা। এতদিন তো ছেলের স্ত্রীর কাছেই খাবারের কথা পাড়তেন মা, আজ তার কাছে জান্তে চাওয়ার কি কারন থাকতে পারে ? দিদার আচল ধরে দাড়িয়ে আছে রিমঝিম, হাতে মনে হচ্ছে পাটিসাপ্টা পিঠা। বাড়িতে পিঠা হচ্ছে তাহলে?

:আপনার বউমাকে জিগ্ঞেস করুন না আম্মা।

:হ্যা, করছি বাবা। কিন্তু তোমার কি কোনো পছন্দ নাই?

আচ্ছা, মা কি আগে "তুমি" বলেই ডাকতেন? আর আমি "আপনি" করে? ভাবে হারুন ।

:আমি কবুতরের ঝোল খাবো দিদা, চালের রুটি দিয়ে।

মাঝখান থেকে আব্দার করে উঠে রিমঝিম, একদম আপন লোকের অধিকার নিয়ে।

:ঠিকাছে দিদা, আজকে রাইতে হবেনে তোমার জন্য কবুতরের ঝোল আর চাইলের রুটি।

অবাক হয় হারুন, এই দুই প্রান্তিক প্রজন্মের যোগাযোগটা কখন হলো, টের পায়নিতো সে। চালের রুটি কিংবা কবুতরের ঝোল হারুনের ছোটবেলার প্রিয় খাবার, আর জিনিষটা কি সেই সম্পর্কে ধারনাই থাকার কথা না রিমঝিমের।

ঝড়ের পরে আমকুড়ানিদের দেখে, কিংবা গতরাতের অনেক রাত্রি জাগা যাত্রা আসর দেখেও যেই ছেলেবেলা ফিরিয়ে আনতে পারছিলোনা হারুন, এখন দেখতে পায়, দুই পপ্রান্তিক প্রজন্মের গল্পে, তার ছেলেবেলা হুটোপুটি করে জায়গা করে নিয়েছে।

বুঝতে পারে, তারা চলে যাবার আগে মা, ছেলে ভালোবাসা আর উপড়ানো শিকড়ের দ্বন্দে, ঠিক মত আদর করেও দিতে পারেনা ছেলেক। খুব ইচ্ছা হয় হারুনের, সেও নির্বিকার আব্দার করে, কোনো কিছুর, কোনো ঝামেলার রান্নার। কিন্তু, কেটে যাওয়া তাল আর জোড়া লাগাতে স্বস্থি হয়না।
খুব আফসোস নিয়ে দেখে, নতুন প্রজন্মের মত আর মিশতে পারে না সে, পুরানো'র সাথে। তবুওতো, শেকড় ছিঁড়ে যায়নি, তার আত্মজের তার শেকড়ের সাথে, এইটুকু স্বান্তনা রইলো।




দুবাই এয়ারপোর্ট, ওয়েটিং লাউঞ্জ




:বাবা, আমরা আবার কবে দেশে ফিরবো?



মাকে না শুনিয়ে ফিশ ফিশেয়ে বলে রিমঝিম।

আবারো কানে লাগে হারুনের। মেয়ে পরিষ্কার বাংলায় বাবা বলছে, আর, বলছে দেশে কবে ফিরবো । এই বেলা দেশ বলতে মেয়ে বাংলাদেশ কেই বুঝালো। এত অল্প সময়ে, জীবনে প্রথমবার দেখা বাবার দেশটা কি তার নিজর করে নিলো?



:ফিরবো, মা। আবার যখন তুমি নিয়ে আসবে, আমাকে।


:আমি নিয়ে আসবো বাবা? তোমাকে?

:হ্যা, মা।

:যখন আমি বড় হবো বাবা, তখন?

:হ্যা, মামুনি, তখন।

:তখন কিনতু বাবা, আমাদের পুকুরে বেশি কাঁদা থাকবে না কিন্তু, হ্যা, বাবা?

:তখন মামুনি তুমি তোমার মত করে নিবে পুকুর, বাড়ি, দেশ। যতটুকু দরকার বদলে নিও। কিন্তু অনেকখানি কিন্তু বদলে দিওনা মা- ছেলেবেলা, শহর-গ্রাম, তোমার দিদা..পুরানো সম্পর্কের টান।

হ্যা সূচক মাথা কাত করলো রিমঝিম। খুব বেশি কিছু বুঝলো কিনা কে জানে। শুধু বুঝলো, বাবা এখন একটু মন খারাপ, একটু একটু ।





পরবর্তী প্রজন্মে সমাপ্য


প্রজন্মান্তর



আজকাল, ইদানীং, স্বপ্ন দেখার বাড়াবাড়ি
স্বপ্ন দেখে আজব শরীর - শরীর, সমুদ্র কিংবা সম্পর্ক পাড়ি..
হঠাৎ তাই মধ্যরাতে অচেনা স্বপ্নের মহামারী।



এইসব কর্পোরেট উঠোনে, ক্রমান্বয়ে ক্রীতদাস মগজে
নির্বিকার বিক্রি করি বাকীসব, শুধু,
আমার পাঁজরে আগলে থাকি আত্মজার স্বপ্নবেলা...আর
আমার আত্মজার চোখে, আমার ছেলেবেলা।


আমরা বন্ধু ব্লগের "স্বপ্নের বাংলাদেশ" ই-বুকের জন্য লেখা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29117016 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29117016 2010-03-15 21:26:22
বৃষ্টির পুরানো কবিতা মনে পড়ে এমনই কোনো দিনে
মায়ের পাশে কাঁথা মুড়ি।
মন দিয়ে শোনা গল্প কোনো রূপকথার...
রাজকুমারীর দু:খ ব্যাথার।

চোখ বুঝে শুয়ে শুয়ে
কল্পনার পথে পথে ওড়ানো ঘুড়ি
একদম একদম অনেক দুরে
এই পরিচিত লোকালয় ছাড়ি.....



সেই রূপকথা রুপ হারিয়েছে কবে.............
সুতা কেটে উড়ে গেছে ঘুড়ি।
লোকালয় আজ নিজের মাঝে।
কতদিন হয়না মায়ের পাশে বসা,
নেই কাঁথার যুগ, কাঁথামুড়ি।
তবু আজও আছে সেই...
পাতা ভেজানো, মন খারাপ করা...
বৃষ্টি গুড়ি গুড়ি।



মে, ২০০৩


এটাও একটা পুরানো কবিতা...শুধু টাইপ করছি....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29092249 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29092249 2010-02-06 13:39:18
আড্ডা দেওনের মুড নাই, খেলাডার নাম----রস, কষ, সিঙ্গারা, বুলবুলি, মস্তক...<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />
এম্নে যখন খেলতে চাইবেন, তখন কাউরে বলতে হবে, রস,কষ,সিঙ্গারা বুলবুলি খেলবি? তখন কিন্তু মস্তক শব্দটা আসেনা..এটা আমাদের জানা থাকা দরকার...
খেলাডা হৈলো, যত জন খেলবেন(সর্বোচ্চ চাইর জন, সর্বনিম্নও তাই),
..... সবাই
.........................................রস ..........................................
..............................................কষ........................................
....................................সিঙ্গারা.................................................
..............................................বুলবুলি............................................

থেইকা যেকোনো একটা নাম বাইছা নিবেন। তারপর পিছন থেইকা হাত টাইনা আইনা মাডিতে বিছাবেন, উপুড় কৈরা, এক হাত বা দুই হাত,হাতের যেই কয়টা আঙ্গুল খুশি বন্ধ রাইখা বা খোলা রাইখা....


এরপর সবার আঙ্গুল গুনা হবে, রস কষ সিঙ্গারা বুলবুলি মস্তক....
খুব খেয়াল কৈরা, আঙ্গুল নামানির সময় সবাই সমস্বরে বলতে হবে, রষ, কষ.....ডট ডট ডট...

তারপর, আঙ্গুল গোনা হবে, ১,২,৩,৪,৫ কৈরা না,
১=রস
২=কষ
৩=সিঙ্গারা
৪=বুলবুলি
৫=মস্তক
এইরাম কৈরা....
সর্বশেষ আঙ্গুলে যেই নাম উঠবো(উঠলো সিঙ্গারা, তাইলে সিঙ্গারা নামটা যে নিছে তারে বুঝাইলো)সে ছেপ(সেইফ) হৈলো, একে একে সবাই সেইফ হৈতে হৈতে লাস্টে যেই বান্দা ধরা খাইলো, সেই বান্দারে তার আগের বান্দা বাইন্দা পিডাইবো....
সেডা কিকরে?
একজনে হাতের তালু পাতালি কৈরা রাখবো, আরেকজনে সেই তালুতে ধুমাইয়া চটকানা, ফাডাইয়াল্বো...
যে চটকানা মারবো, সে যদি যারে চটকানা মারবো, তার কাছে তিনবার ডজ খায়, তাইলে নতুন কৈরা খেলা শুরু হৈবো....



পোষ্ট টা ড্রাফ্টানির আগে কারো খেলা টা শিখতে মন্চাইলে শিখা ফালান তাড়াতাড়ি, এডার মেয়াদ অতি সাময়িক কিন্তু.../<img src=" style="border:0;" />


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29044430 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29044430 2009-11-16 16:53:53
আমার ভার্সিটি জীবনের টুকিটাকি...এডা একটা মধু কাহিনী..<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />
Click This Link


আজকে এক্টু কৈরা দুষ্টামীর কাহিনী বলি..<img src=" style="border:0;" />

আমরা ছিলাম মধুর কাহিনীতে, আমাদের ক্লাসের মধু...

আগেই জানাইয়া নেই, মধু আমারে বড়ই ডিসলাইক করে, কিন্তু আমারে ফাঁপোড় দিতে পারলে তার আর কিছুই লাগতো না -- জীবন স্বার্থক টাইপ আনন্দ...হিমেল রে কিছু কৈতো না, বেশি ডর..সবার সাম্নে হিমেল এমন একটা কিছু কৈয়া দিবো, যে ইজ্জত সরাসরি গভীর কুয়ায়...

প্যাচাল কম পাড়ি...

একবার রমজানের ঈদে বাড়ি ফিরুম সব একসাথে...সিলেট স্টেশনে বিশেষ বন্ধের টিকেট পাওয়া যে কি দুস্কর, তা ভুক্তোভুগীরাই কেবল জানে...সেহেরী সাইরা গিয়া লাইনে দাড়াইতে হৈতো, তাও একজনে ৪ টার বেশি কাটা যাইবোনা...
এত ঝামেলা কৈরা আমরা প্রায় ১৫-১৬ জনের টিকিট কাটলামার্কি...
বাকীরা আল্লাহ-ভরষা..<img src=" style="border:0;" />

সঙ্গী সাথিদের মাঝে আমি ছিলাম, মধু ছিলো, ইমরান, রাকু, চান্স মোহাম্মদ ছিলো...বান্ধবীরাও ছিলো কয়েকজন...
আর আমরা তো জানি, বান্ধবীরা থাকলে মধু সেমাঠ হবার একটা ট্রাই নিবেই....
বান্ধবীদের মাঝে ছিলো জিন্স(আমাদের দেয়া নাম<img src=" style="border:0;" />), জিন্স হৈলো আমাদের সবচাইতে কড়া মানুষ...কাউরে লাইক না করলে, তার কপালে শনি আছে....একবার লাঠি নিয়াও তাড়া করছে কাউরে....
একবার আমার কথা পছন্দ না হওয়ায়, ৮-১০ কেজি ওজনের একটা শক্ত মলাটের বৈ দিয়া আমার মাথায় বাড়ী দিছিলো (মাথা ২ দিন ব্যাথা ছিলো..:-*)
সে টাল্টু বাল্টু একদম সহ্য করতে পারতোনা...

যাই হোক, আমরা ট্রেনে চড়ি এইবার...
রোজার মাস, নাইট জার্নি, তাই সেহেরীর কি ব্যাবস্থা?
এডার দায়িত্ব রাকু নিলো...যেহেতু তাদের মেস থেকে সর্বাধিক যাত্রি, তাই নিলো আর কি...কিন্তু সে মাংস-খিচুড়ি মিক্সড আইটেম করবে আগে জানলেকি আর তারে নিতে দিতাম??/<img src=" style="border:0;" />

সিট এ্যারেন্জমেন্ট হৈলো....
মুখোমুখি শোভন সিট(চেয়ার পাওয়া যায়নাই)...তিনজন তিনজনের সিটে চাইর জন তিন জন বসলো..মেয়েরা একলগে তিন জন একটায়...


সিটের উপরে ছিলো র‌্যাক, গাট্টি বোঁচকা রাখার জন্য...জেলখানার রেকের মত, ফাঁকা কাঁকা...আমার টার্গেট ঐ টাতে উইঠা, চাদর বিছাইয়া ঘুম পাড়া...<img src=" style="border:0;" />
উঠলাম, ইমরান উঠলো...মেয়েদের উপরের রেকে কেডা জানি উঠলো...

এখন ১/২ টা বাজতে বাজতে আমার আর ইমরানের মনে হৈলো, সেহেরী করলে খারাপ হয়না, বাকী কেউ রাজি হৈলোনা..
আমরা কৈলাম, ঠিকাছে, আমরাই খামু..<img src=" style="border:0;" />

কয়েক প্যাকেটে আর টিফিন বাটিতে খাবার আনছিলো রাকু..
খুল্লাম একটা...খাইতে গিয়া দুইজনে মোডে ৩ টা মাংশ পাইলাম...
বুঝলাম, বাডি চয়েস ভুল হৈছে...
এইরকম অবিচারের ডিস্ট্রিবিউশন কেনো? রাকুরে ঝাড়লাম খানিক, তার পরে আরেক বাটি খুইলা মাংশ নিলাম, সেইখানেও অল্প কয়টা...তারপর আরেকটা...পরে মনে হৈলো, বাকীরা তো খাইবো, তাদের জন্য থাকা উচিৎ...

এখন, খাইয়া দাইয়া তো হাত ধোঁয়া দরকার....তাইলে জায়গা ছাড়তে হবে আর একবার ছাড়লে দখল!!..তাও গেলাম..আইসা দেখি, ঠিক, জায়গা দখল!!
ভাগ্যিস, তখন মেয়েদের উপরের রেকে যে ছিলো, সেও গেছিলো টয়লেটে...
দখল দখল...

আমার আর ইমরানের বকবকানিতে ততক্ষনে জিন্সের মাথা ব্যাথা শুরু হৈয়া গেছে নাকি...ক্ষেপছে ভীষন বুঝলাম, কাউরে ঘুমাইতে দেইনাই..কিন্তু আমি ধোরাছোঁয়ার ইট্টু বাইরে আছি, আর জিন্স আমারে ভালা পায়, মারবো না ইদানীং...<img src=" style="border:0;" />

তো, আবারো খানিক পরে উঠতে হবে...ট্রেনে একটানা বৈসা থাকতে ভালো লাগেনা...
কিন্তু এখন ওঁৎ পাইতা রৈছে, একাধিক জন, কারন সবাই ঘুমে ঢুলুঢুলু তখন..একটু বিশ্রাম চায়..
ঘুইরা আইসা দেখি ঠিকই জায়গা দখল কৈরা ফেলছে, আর কেউ না, আমাদের মধু!!!
হালকা ঝাড়ি দিয়া কাজ উদ্ধার হয় কিনা দেখতে চাইলাম...
" ঐ মধু, ঐখানে আমি আগে বৈছি"
মধু: যাহ, দিমুনা
নেও, আমার তো আর ভালো লাগেনারে ভালো লাগেনা..বাংলা ছিনেমার ভিলেন হৈতে মন্চায়...
এখন কিছু তো করা লাগে..
মধুও ঐখানে নিরিবিলি রৈছে, বেশি নড়াচড়া করাটা ঠিক হবেনা, নীচে জানালার পাশে জিন্স বিরক্ত হবে...

ঠীকছে, দেখা যাক...
আমি পাশের রেকে চান্স মোহাম্মদরে কৈলাম, আমারে একটু চান্স দিস, কাজ সাইরা চৈলা যামু...
সময় গেলো, সব ঘুমের ঘোরে ঢুলু ঢুলু...মধুও ঘুম, নীচে বান্ধবীরাও ঘুম, বাকীরা যারা ঘুমে নাই, তারা এদিক সেদিক..আমি আর চান্স মোহাম্মদ..
রেকে উঠলাম...চাদর বিছাইয়া শুইলাম...
পানির বোতলের পানি আধা আধা করলাম, খুব হিসাব কৈরা..
মুখ খুল্লাম..
মধুর ঘুমন্ত হাতের নীচে বোতল টা কাইত কৈরা দিলাম....বোতলের পানি এমন গলার কাছে যে, নাড়া লাগলে পড়বে আরকি<img src=" style="border:0;" />

মধুর হাত বোতলের গায়ে জড়াইলাম..
তার পর বোতলের গায়ে ধাক্কা..রেকের ফাঁকা দিয়া পানি সব জিন্সের মাথায়..
আমি কি জানাইছি, তখন প্রচন্ড শীতকালের ঘটনা?<img src=" style="border:0;" />
জিন্স ধড়মড় কৈরা জাইগা দেখে, মধুর হাতে বোতল, সে ঘুমের ভান কৈরা পৈরা আছে...ইয়া বড় কালা ব্যাগটা ঘুরাইয়া সুইং শটে জিন্স নিখুঁত এইমে ধুড়ুম কৈরা বাড়ি দিয়াল্লো...
(তখন আমি ধড়মড় কৈরা ঘুম থেইকা উঠলাম যেনো..<img src=" style="border:0;" />)

মধুও লাফ দিয়া উঠলো, রিফ্লেক্স এ্যকশনের কারনে বোতল হাতে নিয়াই উঠলো..
উইঠা দেখে জিন্স রনাঙ্গিনী বেশে, মাথা চাদর সব পানিতে ভেজা, আর মধুর নিজের হাতে মুখ খোলা পানির বোতল...


চান্স মোহাম্মদ পরে আমারে ফাঁসাইয়া দিতে চাইছিলো, কিন্তু ঘটনা এতই চমৎকার খাপ খাইছিলো...Seeing Was decieving"<img src=" style="border:0;" />


মধুর সেই বোতল হাতে ভ্যাবাচ্যাকা মুখ, আমি এখনো ভুলিনাই...<img src=" style="border:0;" />

আমি জানি, আমি খুব খারাপ আছিলাম..

এই ঘটনার পর সবার ঘুম চটে যায়, উঠে সেহেরী খাইতে নিয়া দেখে, কোনো বাক্সেই কোনো মাংশ নাই....
এডা আমার আর ইমরানের কোনো দোষ নাই...
রাকু ৩ কেজি চালে মাত্র আধা কেজি মাংশ ডিছিলো, বেকুব কুনহানকার..
তারপরও সবাই কেনো যে আমাদের দোষ দিছিলো..<img src=" style="border:0;" />



আবার আরেকদিন..







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29041614 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29041614 2009-11-11 12:18:06
আমি এইখানের কেউ নই, আমি এখানকার ছিলাম না কখনো... ডিপার্টমেন্টের উত্তর দিকের দরজায়

জমাট কুয়াশা ভরা পাহাড়ী ক্যাম্পাসে আস্ত রাতটা যেনো অনেক নীচে নেমে বসেছে অতিকায় বুড়ো কোনো পাখির মত। শহরের মত আলোর অনেক উপর দিয়ে হালকা ইতস্তত ঘুরে বাড়েনোর দরকার নেই...যেনো গ্রামের লোকটা নিজের গ্রাম, দাওয়ায় বসে.


ল্যাম্প পোষ্টের হলুদ আলোয় কিনা, রাতটাও হলদেটে...


কুয়াশার মাঝে দুর থেকে দুরবর্তী ল্যাম্প পোস্টের আলোর ঝাপসা থেকে ঝাপসা হয়ে হয়ে যাওয়া প্রাচীন চলচিত্রের মত একই দৃশ্যের, দৃশ্য বদলের হিম হিম চেষ্টা।
পাহাড়ের উপর বিশালাকার বিল্ডিংটায় চার তলা কিংবা পাঁচ তলার একটা মাত্র রুমে একটা জানালা দিয়া একটা মাত্র আলো দূরবর্তী রহস্যময়ী হয়ে জেগে আছে, আর আমি...



ধুসর রংয়ের স্টেশন ওয়াগনটাকে যেনো কুয়াশা ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে...ঠিক সেইরকম কুয়াশা, প্যাট্রেসিয়া হ্যলম্যান রবার্ট লোকাম্পের কোটের হাত খামচে ধরে পার্কের বেঞ্চিতে বসে আঁকুতি জানায় : আমাকে খুব শক্ত করে ধরে রাখো রবি, নাইলে কুয়াশা আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে...

কোন আলোতে? রাতের না গোলাকার ল্যান্প পোষ্টের? পাতাছাড়া গাছ গুলার এমন কিম্ভুত আকৃতি? একটু বাম দিকের টা যেনো কোনো মিউজিয়ামে রাখা প্রাগৈতিহাসিক এক প্রানীর কংকাল...আর আমার বরাবর একটা আধাআধি গুড়ির উপর দু'ভাগ হয়ে যাওয়া কান্ড...ভাইকিংয়ের শিরোস্ত্রানের শিংয়ের মত ঠিক....

ডান পাশে খুব কাছের ল্যাম্পের আলো, আমার গায়ে না পরার ক্ষোভ ভুলে যায় সহজেই, আলো বাঁধা দিয়ে রাখা পাইনের পাতায় ভারী হয়ে ঝুলে থাকে শিশির কনায় প্রতিফলন দিয়ে....
এটা কি কোনো কুশলী ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন? ঘোলাটে চরাচরে প্রতিফলনের কন্ট্রাস্ট?

জমে বসে থাকা নীরবতা,,,,
জানি, মিনিট বিশেক হেঁটে গেলেই লোকালয়ের মিলিত কলোরব এখনো হয়তো পাওয়া যাবে, রাতের বারগুলোতে...নারী পুরুষের একান্ত সময় গুলো, লাল গোলাপী চুম্বন হয়ে ভেসে বেড়াবে ভিনদেশি মুখে...

ঐতো, ভিনদেশি সুখ!! তাই যাইনা আর ঐদিকে....তাছাড়া, তাড়াও তো কম না...সময় কোথায় বিষন্ন বিষন্ন বলগেমের?

এর চেয়ে বিল্ডিংয়ের সামনে বসে সিগেরেট ধোঁয়া করে উড়িয়ে দেই...কিছু ধোঁয়াই...
হলদে আলোতে সাদা রংয়ের ধোঁয়া, একটু ভেসে বেড়িয়েই মিলিয়ে যায়...ভিনদেশি ভাব নিয়ে, কাঁচুমাচু।

ভারী রাতের হলদে আলোয়, সিগেরেটের সাদা ধোঁয়া কেউ নয়..
আমার মতই ঠিক
আমি এইখানের কেউ নই, আমি এখানকার ছিলাম না কখনো...




ভোর ৭:০০ টা
ডিপার্টমেন্টের উত্তর দিকের দরজায়

কুয়াশাটা তুলে নিয়েছে কেউ, খুব অযত্নে..কুয়াশার রং এখনো লেগে আছে এখানে সেখানে অসাবধানী তুলির পোঁচের মত..
আরেকটা দিন শুরু হয়।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29040326 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29040326 2009-11-09 09:49:21
গতরাতের স্বপ্নের অনর্থকতা-আধিবোধ...


আর কখনো এমন কেনো যে হলোনা..

যোজন দূরের উপমাটা কেমন ভেসে বাড়ালো মাঝখানের বাতাসে সাবলীল
তুই "যাই" বলে গেলি অনায়াসে...
আমি পেঙ্গুইন হয়ে বসে থাকলাম।

দুটি হাতের শুকনো ক'খানা আঙ্গুল
আমার হতে গিয়েও কিংবা
মগ্ন সন্ধ্যায় পদ্মিনি সুঘ্রান..
পীতাম্বর সুখের স্নান ।

"কতকালের স্বপ্ন" উপমাটা, কি অনায়াসেই ফিকে হয়ে গেলো মাঝখানের বাতাসে..
তুই উড়োজাহাজে ভর করলি সাবলীল ধীরে।

আমার অর্ধ চৈতন্য কোলে করে নিয়ে গেলি ...
কয়েক রাতের পীতাভ স্বপ্নের খোরাক শুধু বাকী আধেকে ।

আর কখনো এমন কেনো যে হলোনা..
গতরাতের মত!..শুধু সন্ধ্যা-সন্ধ্যা ভোরটুকু দূরে রেখে।

Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29026165 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29026165 2009-10-15 13:57:22
চোখের জলের বাধ মানেনা-a stream of tears - Nada sou sou
জাপানীজ ফোক আর জ্যাজ সংগীত শিল্পী।
ধারনা করা হয়, তার ভাই যখন মারা যায়, উনি গানটা লিখেন...সবচেয়ে আপন মানুষটাকে কাছে না পাবার একটা আকুলতা নিয়ে গানটির বিষয়বস্তু..


নাদা সও সও : অশ্রু বয়ে যায় চিরন্তর (A Stream of Tears)






ইটালিক করা অংশটুকু জাপানি ভাষার উচ্চারন, ঐটুকু না পড়লেই চলে..


Transliteration furui arubamu (album) mekuri arigatou tte tsubuyaita itsumo itsumo mune no naka hagemashite kureru hito yo harewataru hi mo ame no hi mo ukabu ano egao omoide tooku asete mo omokage sagashite yomigaeru hi wa nada sousou ichiban hoshi ni inoru sore ga watashi no kuse ni nari yuugure ni miageru sora kokoro ippai anata sagasu kanashimi ni mo yorokobi ni mo omou ano egao anata no basho kara watashi ga mietara kitto itsuka aeru to shinji ikite yuku harewataru hi mo ame no hi mo ukabu ano egao omoide tooku asete mo samishikute koishikute kimi e no omoi nada sou sou aitakute aitakute kimi e no omoi nada sou sou


ইংরেজী অনুবাদ :


I whisper “thank you”, as I leaf through this old photograph album,
to one who always cheered me on, within my heart
And should the memories of that smile I think of, *1
come rain or shine, fade away into the distance
They return in the days I search for a glimpse of your face, a stream of tears
Almost a habit now, I wish upon the very first star *2
Looking within the evening skies for you with all my heart
The memories of that smile I think of, in sorrow or joy
And if you can see me, from where you are
I’ll live on, believing that someday we’ll meet again
And should the memories of that smile I think of,
come rain or shine, fade away into the distance
In loneliness and yearning – my feelings for you, a stream of tears
If only we could meet, if only we could meet – my feelings for you, a stream of tears


নাদা সও সও ( Nada Sou Sou) গান টা, গায়িকা রিমি নাতসুকাওয়া, ব্যান্ড Begin। Click This Link



আমার করা বাংলা অনুবাদ :

পুরানো এ্যলবামের পাতায় যখন দীর্ঘশ্বাস, তোমার জন্য শুধু ভালোবাসা..
তোমার শত অনুপ্রেরনা..
স্মৃতিতে ভেসে ওঠা তোমার শত হাসি..
আবার নাহয় ফিরে আসো একবার বৃষ্টি হয়ে, কিংবা সূর্যোধোয়া,
তারপার নাহয় হারিয়ে যেয়ো আরেকবার।
তোমার ফিরে পাবার এতটা আকুতি যখন, প্রতিটি ক্ষন,
তোমার মুখ খুঁজে ফিরি।

চোখের জলের যে বাধ মানেনা (Nada sou sou)

প্রতিটা সন্ধ্যায়, প্রতিবার সন্ধ্যা তারায়..
আমার প্রতিটা পলে, সব-গুলো সুখে দু:খে,
তোমার সে হাসি ভরা ভরসা মুখটুকু খুঁজে মরি।

দেখে নিও তুমি, থাকো যেখানেই,
বেঁচে আছি অফুরান, আবার কখনও
তোমার দেখা পাবো বলেই,
তুমি থাকো যেখানেই।

তবুও
আবার নয় ফিরে আসো একবার বৃষ্টি হয়ে, কিংবা সূর্যোধোয়া,
তারপার নাহয় হারিয়ে যেয়ো আরেকবার।

আমার একা বেলা কিংবা তোমাকে খুব খুব চাওয়া..

চোখের জলের যে বাধ মানেনা (Nada sou sou)

আরেকবার যদি ফিরে পেতাম তোমায়, আর একটি মাত্র বার..

চোখের জলের যে বাধ মানেনা (Nada sou sou)।

..............................................
..............................................


একই থীমের কাছাকাছি ঘটনা দিয়া এরপর তৈরি হয় ছিনেমা, সেই একই নামে (Nada sou sou) ।

Nada sou sou : মুভি :


ইয়োতা, তার মায়ের মৃত্যু শয্যায় কথা দেয়, যেকোনো উপায়েই হোক সে তার ছোটো বোনের দেখা শোনা করবে। তাই করে সে...
ছোটো বোন দ্বীপে দাদীর কাছে বড় হতে থাকে, আর ভাই জীবন সংগ্রাম ইত্যাদি ইত্যাদি..
বোনের ইউনিতে পড়ার সময় দ্বীপ থেকে মূল শহরে ভাইয়ের কাছে এসে থাকবে, লেখাপড়া করবে..
সেই সময়ে ভাইয়ের ইয়োতা'র উৎসাহ দেখে বোনের প্রতি টানটা বোঝা যায়..
বোন ও ভাই অন্ত প্রান...ছোট্ট ঘরে ফিরে ফিরে আসে ছেলেবেলার সব ভালো লাগা স্মৃতি...
ইয়োতা'র(ভাইটার) স্বপ্ন, একদিন নিজের একটা ভালো রেস্তোরা খুলবে..তখন ছোটো বোনের আর কোনো অসুবিধা হবেনা..
তাই প্রানপনে কাজ করে চলে, রেস্তোরাতেই ।

এর মাঝে তাদের জীবনে নেমে আসে গুরুতর জটিলতা, জমানো টাকা শেষ হয়ে যায়..ইয়োতাকে নামতে হয় কঠোর জীবন সংগ্রামে..দিনরাত পরিশ্রমে শুধু বোনের জন্য ...এমনকি এর জন্য তার বাগদত্তার সাথেও ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলো...

বোন বড় হয়েছে, ভর্তির জন্য পড়ালেখা...কিন্তু ভাইয়ের কষ্ট সহ্য হয়না..তাই পার্ট টাইম জব আর ভাইয়ের কাছ থেকে সেটা লুকিয়ে রাখা..

কিন্তু একসময় দুজনেই দুজনের গোপনীয়তা টের পায় আর অতি ভালো বাসার জটিলতা..

এই সময় ছোটো বোন ছোটোবেলার আপছা স্মৃতি ঘেঁটে হাযির হয় একটা বারে(Bar), এইখানে সে খুঁজে পায় তার বাবাকে, জান্তে পারে, তার বাবা মারা যায়নি, আর তার ভাই এবং ভাইয়ের মা, তার আপন নয়, সৎ মা ও ভাই..
অতি ভালোবাসায় তখন জটিলতা অন্য মাত্রা পায়...
বোন চায় আলাদা হয়ে যেতে, ভার্সিটির কাছাকাছি কোথাও থেকে পড়ালেখা করবে..ইয়োতা অবাক হয়, দু:খ পায়..কিন্তু যখন জানতে পারে তার সৎ বাবা বেঁচে আছে, এবং ছোটো বোন সেটা জানতে পারছে, তখন সেও রাজী হয়ে যায়.......ইমোশনাল মোচড় মুভির।
তারপর আলাদা হয়ে যায়..
এর পর অনেক দিন তাদের যোগাযোগ নেই...
তারপর মুভির আর খুব বেশী বাকীও নেই..


মুভিটার সাবটাইটেল সহ স্ট্রীমিং ভিডিও খুব সহজেই পাওয়া যায়..
চাইলে দেখা যায়..



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29016348 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29016348 2009-09-27 10:19:59
ওপেন্টি বাইস্কোপ, নাইন-টেইন টেইস্কোপ...






ওপেনটি বাইস্কোপ, নাইন টেইন টেইস্কোপ.... এর পর কি "চুলটানা" বেবিয়ানা, নাকি, "সুলতানা" বেবিয়ানা, সেইটা আমি এখনো জানতে পারিনাই... আর "চুলটানা" হৈলে বেবিয়ানা টা "কে" কিংবা "সুলতানা" হৈলে বেবিয়ানাটা "কি"


আর শেষমেষ মুক্তার মালাটা রেনুবালাকেই দেয়া হৈলো কেনো?
ঐ নামধারীর কি অধিকার?


আসেন একটা আলোচনা হৈয়ে যাক সাময়িক...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29015982 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29015982 2009-09-26 14:54:10
একটা ঘুমের গতরাত ঘুম বাসা বেঁধে বসেছিলো বিছানাতে
তাই তোমাকে আর নেয়া হয়নি সাথে।

বরং মোজাটাও পায়েই ছিলো
তোমার পায়ের মত
হাড় ছিলোনা ওতে।
আর একটা পূর্ণাঙ্গ হাত-পা ছড়ানো সুখ
পাশ বালিশটা পাল্টা শ্বাস ফেলে মনে করায়নি..
“সাথে আছি"”।
কাঁথাটাও কেমন চুপচাপ পড়েছিলো
গায়ে ওম জড়াতে
অষ্টে-পৃষ্ঠে জড়িয়ে না ধরে।

ভাগ্যিস ঘুম এসেছিলো গতরাতে
এমনকি, তুমি না থাকাতেও।







১৩.০৬.০৯
(অন্যকোথাও পূর্বপ্রকাশিত)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29003362 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/29003362 2009-09-02 10:28:34
অ-সভ্যতা



তোমাদের নীলচে কোমল ভালোবাসায়,
ন্যাকা ন্যাকা আদুরে কথায়,
শরীরে খুব জ্বালা ধরে যায়!

মেঘলা কোমোল আলোয়
ধ্বংসের বীজ অংকুর হয় কি করে?
যে ওষ্ঠে র-লিকারের তেষ্টায় কষ জমে,
দু-এক জগ জল সেখানে
গড়াবার আগেই উবে যায়।

তোমরা পুতু পুতু ভালোমানুষ
অধীনস্ত থেকে স্বাধীন হতে চাও…
একটা কড়ে আঙুলের মায়ায়
একটা আস্ত শরীরের দাবী ছেড়ে দাও।

তোমাদের লক্ষ বছরের শৈল্পিক কুঠারাঘাতে
পৃথিবিটা একটা আস্ত অজান্তা-ইলোরা হয়নি কোনোদিনও
বরং কোয়াশিমোদো আকার নিয়ে,
সভ্যতার কচকচানি।

বলি, বরং নরকের তল থেকে
সকল পাপ খুঁড়ে আনি।
সমাজতান্ত্রিক গননায় সকল পাপ বিলিয়ে
সকলে একযোগে অমানুষ হয়ে যাই।
শৈল্পিক কুঠার ফেলে, বুলডোজার নিয়ে
পৃথিবী দাবড়ে বেড়াই।







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28999118 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28999118 2009-08-24 19:03:32
শহর

একটা আজব শহরে
যেখানে বিশুদ্ধতাও কিনতে পাওয়া যায়
কয়েক ইউনিট কপটতার দামে…

সেই শহরটাতে, যেখানে
বাতাস পাওয়া যায় মিউজিয়াম বা চিড়িয়াখানায়..
যেখানে ইঁদুরের চেয়ে মানুষ বেশি জন্মায়
তোমার-আমার জন্ম যেখানে।

একদম নির্ভুল ধোঁকাবাজিতে
চাকা ঘোরে শহরের শরীরে শরীরে।


.................................................
.................................................


কিন্তু এইরকম একটা শহরেও
ভালোবাসারা আড্ডা দেয় বখাটে ছেলেদের মত
গলি ঘুপচিতে,
রাতের ফুটপথে।

...............................................

উৎসর্গ : আমার জন্ম শহর ঢাকা কে।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28996299 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28996299 2009-08-19 11:09:16
.......শিকার(একটা গল্প লেখার ট্রাই নিছিলাম<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" />...)
…উঁহু, মনোযোগ হারাইলে তো চলবে না। বাত্তিওয়ালারা বাইর হইয়া পড়ছে ইতিমধ্যেই। এই বেলা শিকারগুলাও বাইর হইবো একে একে। জুনাকীর আলোয় শিকারের মজাটাই আলাদা । জিহ্বাটা সুড়ুৎ কইরা ছুঁইড়া দিয়া মুখের ভিতর গুটাইয়া নিলাম আবার। ট্রিগার ম্যাকানিজম ঠিকই আছে।
আহারে, জিহ্বাটা আজকে আমার, একটা ঘাসফড়িংয়ের জন্য সুলাইতাছে আর এইদিকে মশা গুলান ভন ভন কইরা ঘুরতাছে।
সড়াৎ কইরা জিহ্বার ট্রিগার টাইনা কয়টা মশক এ্যাপাটাইযায় ঢুকাইয়া নিলাম মুখে। এইবার বড় কিছু খাদ্য…

বাহ্‌, আইজকা দিনটা মনে হয় শুভ!! একটু সামনেই বাদিকে মরা পাতার নীচ থেইকা গুটি গুটি মাথা বাইর কর্তাছে গুবরে পোকাটা। সরকারী অফিসের ভুঁড়িওয়ালাটা এখোনো টের পায়নাই মনে হয়– যমের দুয়ারের কত কাছে ব্যাটা। ঠিক আছে, আরো কাছে আসো, এখনই নড়াচড়া কইরা তোমারে আবারও পাতার নীচে ঢুকানের কোনো ইচ্ছাই নাই আমার। পরে পাতা উল্টাইয়া খাওয়া আরেক ভেজাল!
আসে-পাশের সব দিক থেইকাই খচড়-মচড় শব্দ আসতাছে। এইখানটায় শিকার পাওয়া মনে হয় সোজাই। ক্যান যে এলাকাটা আগেই দখল হইয়া যায়নাই সেইটাই আশ্চর্য্য ।

এই রে, হালকা বাম দিকে মোচোড় দিতেই গুবরে ব্যাটা টের পাইয়া ফালাইলো, শালার মাথাটা নিয়া সুড় সুড় কইরা ঢুইকা যাইতাছে পাতার নীচে। তাড়া করুম নাকি এখোনই? পরে আবার পাতা উল্টানের ঝামেলা!!

নাহ্‌, ব্যাটা ঢুইকাই গেছে। শিকারের আধিক্য দেইখা এত অমনোযোগী হওয়াটা ঠিক হয়নাই।

কিন্তু ওকি, লাল কালো বুটিদার লেডি বাড বিটল না? লেডির রুপ তো বড় মোহনীয়!! মধু মধু।
তয় বাবায় যখন শিকার শিখাইতে নিয়া যাইতো, বারবার কইতো, “যেই শিকার দেখবা যত বেশি সুন্দর, সেইটা তত ভয়ন্কর, বিষাক্তও হইতে পারে, খুব সাবধান।”

অবশ্য এতদিনের শিকারের অভিগ্যতায় আমি এখন জানি, লেডি বিষাক্ত না। যদিও স্বাদ খুব জঘন্য। প্রোটিনের জন্য খাওয়া চলে, কিন্তু খাবার বাছাইয়ের যে আর্ট, ধৈর্য্য নিয়া মজাদার খাবার বাছাই করা, সেইটাই নাই। বরং লেডিরে আজকা ছাইরা দেই। লেডিও পুরা পান্খা, এত কাছে চইলা আসছে, যে চাইলেই জিহ্বাটা উল্টাইয়া খাইয়া ফেলা যায়।থাক, লেডিরে, আইজকা তোরে জীবন দিলাম..একটা ইশ্বর ভাব নিলাম। আজকা প্রচুর শিকার আছে।

.
…………………………………………………………

………………………………………………………….

……………………………………………………………

লেডি চইলা যাবার পর ঠায় বইসা আছি কতক্ষন – শিকার তো আর আসেনা? লেডিরে ছাইড়া দেয়াটা কি ঠিক হয়নাই?

ধৈর্য্য বাপু ধৈর্য্য — নিজেরেই বুঝ দেই এখন। ধৈর্য্য ধরার ইনট্যুশন আমারে হতাশ করেনাই কখোনো।
যেমন এখন, ঠিক চাইর গজ সাম্নেই — সবুজ সুন্দরী।
আজকা জিহ্বার খায়েশটা অপূর্ণ থাকবে না আর। সকল স্নায়ু একত্রে মনোযোগের কাজে লাগাইলাম। টসটসে ঘাসফড়িংটা আগাইয়া আসতাছে এইদিকেই….মণ্ত্রমুগ্ধের মত তাকাইয়া আছি..আর মনে হয় তিন গজ।
শরীরের একটা পেশীও নাড়ানো চলবেনা এখন।
আমার একদম ফুটখানেকের ভিতরেই কিছু রসালো ঘাসের ডগাই মনে হয় আপাতত ফড়িংটার টার্গেট। খুব ছোঁচা হয় এই সব ধাড়ি ঘাসফড়িং গুলা। বাইছা রাখা ঘাসে বসার আগে আশে পাশে জরিপ কইরা দেইখা নেয়, আরো ভালো কিছু পাওয়া যায় কিনা!! এত অস্থিরমতি হইলে হয় নাকি?
স্থির বইসা থাইকা শিকারের অপেক্ষা করার যে আর্ট, সেইটাই জানা নাই ধাড়িগুলার।

এই যেমন বইসা আছি, অনন্তকাল। আমার শিকারী একাগ্রতায় যেনো চরাচরও থম্‌কাইয়া আছে হঠাৎ।
নিথর হইয়া বইসা আছি, ফড়িং টা আর পাঁচ/ছয় ফিট দুরত্বে…
একদম পাশ দিয়া উইড়া গেলো কি যেনো, আমলেই আনলাম না…
সকল ধ্যান এখন ঐ ঘাসফড়িংটায়..
আরো আগাইয়া আসে ঐটা…
আরো খানিকটা…
আরো…

মুখের ভিতর অনুভব কইরা নেই জিহ্বাটা আরেকবার, একবারেই কাজ সারতে হবে।

প্রায় নাগালে চইলা আসছে…

কি যন্ত্রনা, ঘাসফড়িং আর আমার মাঝখানে ঘাসের ভিতে আবার নড়াচড়া । ওফ্‌………….

ধীরে ধীরে জাইগা উঠলো মাথাটা। আমার চোখ আটকাইয়া গেলো, ঐটার চোখের ভিতর।................................
কি?




সাপের চেরা জিহ্বাটা বাইর হইয়া আসতাছে বারবার লক লক কইরা….
ঘাড়ের পিছনের গ্ল্যান্ড থেইকা তরল নি:স্বরন শুরু হইলো আমার, নিজের পিঠ বাইয়াই নামতে লাগলো শিরশির কইরা।
মন্ত্রমুগ্ধ হইয়া তাকাইয়া আছি(ঠিক এই কথাটাই আগেও কই যানি শুনছিলাম, এখন কিছুই যায় আসেনা..)

নড়ার উপায় নাই। অবশ হইয়া গেছি।
আর ধৈর্য্য ধইরা অনন্তকাল অপেক্ষা করতাছি — কখন তীব্র গতিতে আইসা আঘাত করবে আমার শিকারী।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28992855 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28992855 2009-08-12 20:01:39
অলস সময়



উড়নি হাওয়ার ঘুর্নিস্রোতে
ছোটো ছোটো সব ঘটনার অন্ত:স্রাব..

এড়িয়ে আসা বিকেল ছিলো..
ক্লেদ ভরা মধ্যরাতে,
আয়তাকার-বর্গাকার শোক গড়িয়ে
তাস- পাশা খেলা
এবং তারপরও, থিক থিকে মধ্যবেলা..

উড়নি হাওয়া তবু থেমে থেমে..

চুড়ির শব্দ ছিলো কোনো সকালে..
সুখের দিনের মত সুখ
পলিব্যাগে মোড়ানো সুখ,
এক বা একাধিক পাশাপাশি অন্ত:মুখ।

অস্থির বাতাস, অগোছালো ঘর..
তবু, সবটুকু সময় সিগেরেটের ছাই করে ওড়ানো হয়নি আর…
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28991192 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28991192 2009-08-09 16:11:04
নকল করে কোরিয়ান পরীক্ষা দিছি.... " style="border:0;" />
আমারো দিতে হইছিলো, ইংলিশ টেষ্ট...কোনো সমস্যা?? ..হবার কথা হইতো না....যদিনা টেস্ট টা হইতো কোরিয়ান লোকাল ছাত্রদের সাথে একই প্রশ্নপত্রে...মাইরা ফালাইছে।

প্রশ্ন নাকি এতই মারাৎমক যে, আগেই প্রশ্নপত্র দিয়া দেয়....<img src=" style="border:0;" />

কিন্তু পরীক্ষার ৩/৪ দিন আগে প্রশ্নপত্র পাইয়া তো আমাগো তিনজনের মাথায় হাত তো হাত, পাও উইঠা যাওয়ার অবস্থা....<img src=" style="border:0;" />
প্রশ্নে ৬০ টা এম.স.কিউ, যার মইধ্যে থেইকা ৩০ টা আসবো...ব্যাপারনা..

আর সাথে ৫ টা ইংরেজী প্যারাগ্রাফ, যার মইধ্যে থেইকা ২ টা আসবে এবং কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদ করতে হবে...আর এই দুইটা এ্যন্সার না করলে পরীক্ষায় পাশ করা যাবেনা....<img src=" style="border:0;" /> এলা কি হইবো??
(বইলা রাখি, আমরা যারাই এই ইউনিতে আছি, তাদের জন্য কোরিয়ান ভাষা শিখার কোনো কোর্স নাই)...

গেলাম ফুরেন স্টুডেন্টের দায়-দায়িত্বে যে মহান পুরুষ আছেন, সেই মুন চ্যাং সু'র কাছে...সোনাযাদু আবার ইংরেজীতে "A" লেটার কাউ মিট("ক" অক্ষর গোমাংস)...যতই বুঝাই, ততই হালায় পিছলা খাইয়া ডেস্কের পিছনে লুকায়..কি আপদ....!!
ঠিকাছে, ইমরান কইলো...ইংলিশ প্রফেসরের কাছে যাই, কাক্কু যদি কিছু কর্তারে...
কিসের কি? হালায় কয়, এইবারের মত তারে মাফ কইরা দিতে....
ওরে বেকুব, এইবার আপনেরে মাফ করলে কি আপনে আমাগো পরীক্ষা মাফ করবেন??...এই ব্যাডাও লিফ্টের দিকে দৌড়ায়..মাথাডা ছ্যাইচ্চা দিতে পারলে শান্তি পাইতাম...



ক্রমশ.............................শেষ পর্ব..
Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28988581 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28988581 2009-08-04 13:49:02
বানরওয়ালা মাত্রই খাওয়া বসের ঝাড়িগুলা চাবাতে চাবাতে--
চার রাস্তার মোরে দেখি-
এক বানর ওয়ালা।

বানরটা কাঁধে বসে নারকেল পাতার চশমা চোখে,
কাছে গিয়ে আলাপ শুরু করতেই..
মুখ ঘুরিয়ে নেয় বানরটা ভাবগম্ভীর মুখে।
যেনো আমাদের কথা নিতান্তই বাহুল্য,
শুনে নেই কোনো সুখ--
ঠিক আমার বসটার মতই।

আমার তো বেজায় রাগ-
বানরের অপমান বলে কথা।

বানরওয়ালার ডুগডুগিতে নিতান্ত্যই অনিচ্ছায়
"খেইল" দেখাতে নামে কাঁধ থেকে বানরটায়..
পাড়ার বজলু ভাইয়ের মত।
যেমন পোলাপাইনেই সব কাজ করবে,
তবু বজলু ভাই ছাড়া কি কোনো কাজ ঠিকমত হবে!!!

কিছুক্ষন লাফঝাঁপ
পায়ে হাত, মাথায় সালাম-
টাকা বের করতেই শালা বাড়ীওয়ালি হয়ে গেলো??

এইসব দেখেশুনে পরদিন থেকে
চাকরি ছেড়েদিয়ে, বানরয়ালা হয়ে যাই।

রোজ রোজ রাস্তার মোড়ে, বস, বাড়ীওয়ালি আর পাড়াত ভাইয়ের
ডুগডুগি বাজিয়ে, পিন্ডি চটকাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28971357 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28971357 2009-06-29 18:57:04
সেদিন গেছিলাম....কোরিয়ার চুংজু লেকের পাড়.... সেদিন গেছিলাম....কোরিয়ার চুংজু লেকের পাড়....
আমার ল্যবমেটদের দাবী অনুযায়ী বিশ্বের বৃহত্তম মনুষ্য নির্মিত মাল্টিপারপাস লেক...সত্য-মিথ্যা যাচই করিনাই....না হইলেই কি??
গত বুধবার আর শুক্রবার ল্যাবের কাজে লেকের পাড় চইষা বেড়াইতে হইলো....
অনেকেই ঘুরতে যায় লেকে - মাছ ধরা, পিকনিক কিংবা শুধুমাত্র যাতায়াতের জন্য(পুরাই মাল্টি পারপাস..<img src=" style="border:0;" />)

ফিশিং'র জন্য
কিন্তু তাদের সাথে আমার পার্থক্য হইলো, তারা যেসব জায়গায় যাওয়ার কথা কল্পনাও করতে পারবেনা, আমাকে সেইখানেই যাইতে হইছে..
প্রযেক্টের কাজ অনুযায়ী আমাদেরকে খুঁইজা বাইর করতে হইবো, লেকের পাড়ের অতি ক্ষুদ্র কিছু এলাকা যেখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ২/৩ ঘর ...তার চেয়েও মজাদার ব্যাপার হইলো.....লোকেশন দেয়া অনুযায়ী কিছু কিছু যায়গার ইদানীং আর অস্তিত্ব নাই(কাপ্তাই লেক কেইস..<img src=" style="border:0;" />)

পাহাড়ের মাঝখান দিয়া প্রায় পরিত্যাক্ত পথে....পুরাটাই জঙ্গলের মাঝ দিয়া...গাড়ি চলতে চলতে চিপাচুপা দিয়া হঠাৎ হঠাৎ পথ খুঁইজা পাওয়া....
কখোনো সেই পথের শেষে কিছু নাই <img src=" style="border:0;" />(মেজাজ বিলা)

পাহাড়ী রাস্তা থেকে তোলা..

কখোনো সেই পথের শেষে ১টা বাড়ি, পাহাড়ের ঢালে বাড়ির মালিকের নাশপাতি বাগান....আবার উপরি হিশেবে পাহাড়ি ফলের(মেশিল-ইংরেজী বা বাংলা নাম জানিনা...ফলটা আগে দেখিনাই...) হাতে বানো জুস....<img src=" style="border:0;" />


আবারো রাস্তা থেইকা...

যেইসব এলাকার অস্তিত্ব বিলীন, সেইসব জায়গার ছবি তুইলা আনতে গিয়া কিছু ছবি পাইলাম, যেগুলা তে আমাদের কর্মকান্ডের ছবি নাইক্কা...সেই ছবি গুলা ব্লগে আপলোড করার জন্য ছবির প্রপার্টি ছোটো করতে গিয়া(৭০০ মেগাপি। থেইকা ৬০/৭০ মেগা পি) ছবির মান কইমা গেছেগা/<img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /> তাও ছবি দেখেন...ভাল্নালাগ্লে নাই....


আরো দুর..


খালি চোখে দেখতে অনেক ভালা..


এইজায়গায় যা ক্যাডা চাষ করতে আসে??


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28955377 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28955377 2009-05-25 10:50:40
তিরিশ ছুঁই ছুঁই জীবন রাত্রিটা আর তত রোমান্টিক নয়...

ক্ষণিক সন্ধ্যাটা শুধু কখনো
আর একটু ঝুলে পড়তে চায় ।

এরপর পোকার মতো আলোর রাত,
আদিম সভ্যতার অনুরনন,
প্রার্থনার মতো খানিক বিনোদন।
উনুনে পোড়া মাংস..
ঘেঁষে ঘেঁষে থাকা শরীর-শরীর
স্পর্শ সুখ - গন্ধ সুখ।
পেয়ালার তরল একমাত্র অকৃত্রিম..
বাকি সব ঘোড়ার ডিম।


বহু বছর ধরে ঝুলে থাকা
অ-মানুষ, অ-জান্তব তিরিশ ছুঁই ছুঁই জীবন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28949147 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28949147 2009-05-11 07:15:41
তোর জন্য পর তবু ঘোরের ভেতর থেকে এখনো টুংটাং তোর ।
পাশে এলানো শরীর আরেকটা...
আপন হতে হতে পর হয়ে যায় ঘোরের ভেতর তোর ত্রাশে....

এখোনো এতোটা আকড়ে রাখিস,
এখোনো এতোটা চাই তোর??]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28947925 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28947925 2009-05-08 13:24:48
আসেন, আড্ডা দেই, নিদেন পক্ষে হুমাই....
আসেন, আড্ডা দেই, নিদেন পক্ষে হুমাই....

হুমম ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28940475 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28940475 2009-04-20 17:24:10
ছেলেমানুষি নেমন্তন্ন মেঘ নিয়ে যায় দূরে দূরে।

গড়িয়ে নামে, উড়িয়ে হাওয়ায়,
ছড়িয়ে পড়ে আমার গাঁয়।

অশতিপর শালিকযুগল
বাক্সে বসে ঝিম ধরে।
মটর ভাজে পুটুর পুটুর, গল্প কথায়
খুব শোরগোল...
ঘরের কোণে জাদুর বাক্স
কথার খৈ য়ে হুলুস্থুল।

জলের মাছের খুব সাঁতার,
মাছরাঙার কান্না পায়।

আমার গাঁয়ে মেঘ গড়ায় ।

গায়ে মেখে মেঘ খাবি খুব...
মেঘের খোঁজে আমার গাঁয়।
মেঘ কুড়াবি, সন্ধ্যা - দুপুর
মেঘ কুড়াবি শালিখ ডানায় ।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28940440 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28940440 2009-04-20 16:24:40
কয়টা অনুকবিতা
মাতাল ঘুমে কাব্য নামায়,
তল-কুঠুরীর যাচ্ছে কোথায়
একটা কবিতা অন্ধ ।
কাক-চড়াই প্রবাসী সব..
চায়ের কাপে থামলে ধোঁয়া...
কবিতার দরজা বন্ধ ।

(২)

ঘুম থেকে উঠে তুমি---
তরতাজা সরিষা ফুলের হলুদ রংয়ে...
তোমার চোখে ভালোলাগা-ভালোবাসা ঘোর ।
দুটি খোলা চোখ, দুটি খোলা ঠোঁট, নেমে আসা নিশ্বাস,
আর একটু প্রাবল্য
জড়ানো বাহুডোর ।

(৩)

ছাদের জলটুকু গড়ায় কার্ণিশের কোনায়,
কবিতার কাব্য গড়ায় পেন্সিলের আগায়..
কখনো সময় আসে, সময় গড়ায় ।
কেবল গড়ায় ।

(৪)

কবিতার "তুমি-আমি" - কতকাল পুরানো
কবিতার ভাঁজে সব, পুরানো কবিতা জমানো ।
আজাকাল কবিতার "তোমার-আমার"
আধুনিক উত্তরণে, ম্যাসাকার ।

(৫)

আলো থাকে নির্বাক,
তবু ছায়া তার যেনো
শত-হাজার কথা কয় ।
আলো যেনো মা,
ছায়া তার ছানা--
তাই, ছায়াতেই আলোময় ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28934268 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28934268 2009-04-06 11:29:33
কবিতা : হুদাই । তোমার গন্ধ নাই ।
ফুলের গন্ধ ভালো লাগেনা,
তাই নির্গন্ধ ফুল খাই ।
বসে থেকে থেকে, যাহ্‌ যাহ্‌ হুশ....
জানালার কোন থেকে
হলুদ রোদ তাড়াই।
বাইরে ঘাস পুরাই সবুজ,
তাই ঘাস ও মাড়াই ।
আমি বলছি আমি ঠিক আছি
তুমি বলো নাকি ....
আমার মন ভালো নাই । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28931328 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28931328 2009-03-30 17:00:26
আটপৌরে স্মৃতি একঘেঁয়ে ক্লান্তি খেলা ।
স্যাঁত স্যাঁত দিন তাড়ায়
দোমড়ানো ঘুমের রাত্রিবেলা ।
মিছে মিছি হাঁসি মুখ,
মেকি উৎসব,
আরোপিত মুখরতা ।
তবু, কখনো সময় আসে-
ঘরের এক কোনে, কর্কশ টেলিফোনে,
বন্ধুদের হুলুস্থুল কলরোল ।
একে একে বলে যায়, সবে মিলে ডেকে যায় --
চলে আয়, চলে আয়- - -
আড্ডা মোহে মাতাল হবি,
বিভোর হবি চায়ের কাপে টুং টাং---
যেনো মোড়ের দোকানের স্মৃতি গুলো উড়িয়ে পাঠায় ,
গড়িয়ে নামে রিসিভারে,
জড়িয়ে ধরে, জাপটে থাকে আমারে ।
বন্ধুর কতটা কোমলতা,
কতটা পরিহাস হয় দূরত্ব পেরিয়ে ।
তবু, কখোনো কোনো দিনের শেষে,
ব্ন্ধুর পরিহাস
আমায় ছুঁয়ে দেয়
শেষ রাতের বৃষ্টি হয়ে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28930565 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28930565 2009-03-28 18:43:58
পরিবর্তন হুটোপুটি করে আলো খামচে ধরে...
টানাটানি করে ।

যাই যাই করে তবু তাই,
আলো রয়ে যায় প্রদীপের গোড়ে ।

আলোর রাজকন্যা
মায়ের মুখ
নরোম কাঁথা,
ছায়া বিছানা
শিশুর সুখ ।

লেপ্টে থাকা, মায়ের সাথে....
আঁধ বোজা চোখ,
আমি, মা আর ঘুম ।

এরপর...

ধূলিচাপা পরে হাজার বছর..
আলো বেড়ে যায় বছর বছর..

ঘুমের পরেও কেমন করে,
সাঁঝের পরও কেমন করে..
আলো জ্বলে যায় প্রহর প্রহর ???

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28929245 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28929245 2009-03-25 12:25:31
প্রবাস অলস অলস ঘুম নেই সারাদিন--
"কি চমৎকার" কেজো মানুষ সব আমার মাথায় চড়ে. --
তবু রাতের বাতাসে বিয়ারের গন্ধ, ভালবাসা বিকল---
নিতান্তই একটা বিদেশি মফঃস্বল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28890409 http://www.somewhereinblog.net/blog/Shawon3504/28890409 2008-12-30 14:08:16