আমার প্রিয় পোস্ট

ভালোবাসার ঊর্বশী বুকে লেখা আছে এক নাম- সে আমার দেশ, আলগ্ন সুন্দর ভূমি- বিমূর্ত অঙ্গনে প্রতিদিন প্রতিরাত জেগে ওঠে তার উদ্ভাসিত মুখ

ফিফ্টি-ফিফ্টি কবিতা ভাবনা

১৮ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:১৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

কবিতার শব্দপরী একবার যাকে ছুঁয়ে যায় সারাজীবন তার কাছে ফিরে ফিরে আসে। যারা তাকে ধ'রে রাখে তারা হয় কবি; আর যারা তাকে ছেড়ে দেয়- তারাও হারিয়ে যায় কবিতার জগত থেকে। কবিতা এমনই অধরা চিরকাল- যার পেছনে লেগে থাকতে হয়, লিখে যেতে হয়। এসব কথা আমার একান্ত নিজের নয়, অনেক শীর্ষস্থানীয় কবিরাই বলে গেছেন। কবি জীবনানন্দ দাশ বলেছিলেন- যারা কবিতা লেখে সবাই কবি না, কেউ কেউ কবি।

সদ্যপ্রয়াত কবি শামসুর রাহমান বলেছিলেন- আমি কেরানি হতে পারতাম, হতে পারতাম অধ্যাপক কিংবা কুলি; কিন্তু আমি তা হইনি, সারাজীবন কবিতা লিখেছি। এই লেগে থাকা বা লেখাই তাঁকে করেছে এই বাংলার প্রধানতম কবি। একজন কবির সমস্ত লেখাই উত্তীর্ণ হতে হবে এমন কোনো কথা নেই, তবু তাকে লিখে যেতে হয়। এই বাংলার দুই প্রধান কবি শামসুর রাহমান এবং আল মাহমুদ দু'জনই লিখেছেন পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ধরে। তাঁদের দু'জনেরই বইয়ের সংখ্যা পঞ্চাশাধিক। শুধুমাত্র রাজনৈতিক বা ধর্মবিশ্বাসের কারণে একদল একজনকে ফেলবেন আর একজনকে গ্রহণ করবেন- এটা কাব্যবিচারে গ্রহণযোগ্য হবে না। কারণ তাঁদের দু'জনের শ্রমের ফসলকে নাস্তিকতা বা কবির অপমৃত্যু বলে উড়িয়ে দেবার ধৃষ্টতা কারো নেই। এ প্রবণতা অনেক পত্রিকার বড়ো সমালোচকদের লেখাতেও দেখেছি। একজন কবির ব্যক্তিগত জীবন, রাজনৈতিক দর্শন বা ধর্মবিশ্বাস লেখার মানদন্ড হতে পারে না; তার লেখার বিষয়বস্তুই লেখার উপজীব্য।

অনেক তরুণ কবিই রাতারাতি বনে যান কালিদাস- কথাটা একজন বড়ো কবির, আমার নয়; তবে এর সাথে আমিও পুরোপুরি একমত। কিছু কবিতা লিখেই বা একটি বই বের করেই সিনিয়র কবিদের বাতিল ঘোষণা করেন! কারো সাথে রাজনৈতিক বেরিতা বা মতাদর্শের অমিল হলেই তার অপমৃত্যু ঘোষণা করতে হবে- এর পক্ষে আমি নই। কিন্তু ওপার বাংলা মানে পশ্চিম বঙ্গের কথাই ধরুন। কবি শামসুর রাহমানের মৃত্যুতে তাদের যে আহাজারি- তা কিন্তু সত্যিই অন্তর থেকে। আবার কবি আল মাহমুদের জনপ্রিয়তার ঘাটতিও সেখানে নেই- যেটা আমি দেখেছিলাম পত্র-পত্রিকায় তাঁর 'বখতিয়ারের ঘোড়া' কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের পর।

আমি এক জায়গায় বলেছিলাম- যারা নতুন কবিতা লেখেন বা যারা দু'একটি বইও বের করেছেন কবিতার- তাদের মধ্যে কবি হবার সম্ভাবনা থাকে ফিফ্টি-ফিফ্টি। বলেছিলাম- তরুণ কবিদের মধ্যে নিজেকে কালিদাস ভাবা বা কাউকে বাতিল ঘোষণার প্রবণতা দেখে। অনেকেই নিজের প্রতিভার অবমূল্যায়ণ করে শুধু ঘোর সমালোচনায় ব্যস্তও থাকেন। যেটা অতীতে করেছিলেন কবি মোহিতলাল। অন্যের লেখা পড়ে সমালোচনা বা জ্ঞান বৃদ্ধির পাশাপাশি নিজের হাতকে পাকানোও জরুরী। পাশাপাশি এ-ও দেখেছি অনেকে লেখেন কম অথচ প্রচুর ভালো এবং শৈল্পিক তাদের লেখার মান। মোদ্দা কথা হলো- লেখক হতে হলে লিখতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। আজকে যারা ভালো লিখছেন- সময়ের বিচারে তারাই যে টিকে থাকবেন এমন কোনো কথা নেই; আসল কথা হলো লেগে থাকা, হাত খুলে লিখে যাওয়া। তাই ফিফটি-ফিফটি কবিতার ভাবনা দিয়েই শেষ করলাম আজকের লেখা। সবার মধ্যেই ফুটে উঠুক লেখনীর ফুল- কবিতার হোক জয়-জয়কার!

19.08.2006

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরীকবিতা বিষয়ক  বিভাগে ।

 

  • ১১ টি মন্তব্য
  • ২৯২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৫:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: এ সুন্দর বিশ্লেষণটি ভাল লাগলো। ভাল লাগলো একজন কবির কাছ থেকেই। কবিতার বা সাহিত্যের সমৃদ্ধিতে ভরপুর; কিন্তু জীবন ও জগতের অতি চুড়ান্ত যেসব বিষয়কে ওনারাও তাদের কাব্যবিষয় হিসেবে নিয়েছেন, সেসবকে আমরা কোন ভাবেই অগ্রাহ্য করতে পারবো না। কিন্তু তাই বলে কারো প্রতিভাকে অবমূল্যায়ণ করাও ঠিক নয়। সুকান্ত আমার আদর্শের সম্পূর্ণ বিপরীতের একজন ছিলেন। কিন্তু তার কবিতায় গণমানুষের কথাগুলোকে এবং তার প্রতিভাকে কোনভাবেই অস্বীকার করতে পারবো না; যদিও তা ব্যবহার হচেছ বা হবে আমার আদর্শের বিরুদ্ধে। সে হিসেবে আমিও আদর্শিকভাবেই বিরোধিতা করবো, কিন্তু কেউ ভাল কিছু রেখে গেলে তাকে ভাল বলতে না পারাটাই সংকীর্ণতা।

সদ্যপ্রয়াত শামসুর রহমানও অনেক ভাল প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। তার টিভির পর্দায় তাকে মুমুর্ষ দেখে ব্যথিত হয়েছি এই ভেবে যে, সারা জীবন কার বিরুদ্ধাচরণ করেছেন, এমনকি তাঁর মহনত্বঘোষণাকে "বেশ্যার আহবানের" সাথেও তুলনা করেছেন; কি জবাব দিবেন এখন তাঁর সম্মুখে গিয়ে?

তবুও একথা অনস্বীকার্য যে বাংলা সাহিত্যে তার অবদান অনেক। জলিল ভাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি বিশ্লেষণটির জন্য।
২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৩০
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমরা পূর্বসূরীদের ধারণা করি জেনেটিকালি। সেই পুথির আমল থাইকাই চরণ মিলানোর শুরু। এই বাংলার জল মাটি কবিতার সব অনুষঙ্গ পূরণ করে। বাঙালী তাই স্বভাব কবি। কেউ কেউ তাই অতিমানবীয় প্রতিভায় ছাড়াইয়া যায় বাকিসকল।
ভালো লাগা পোস্ট।
৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৩১
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধারণা নয়, ধারণ করি হবে কথাটা
৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ফজলে এলাহি,
সুন্দর বিশ্লেষনধর্মী মন্তব্য লিখেছেন। আমিও বিশ্বাস করি..আদর্শিক বিশ্লেষণ হোক লেখায়..ব্যক্তিগত আক্রমণ বা গালিগালাজে নয়।
ধন্যবাদ।
৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৫৮
comment by: অতিথি বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল,
আমার এ ছোট্ট লেখাটা সাদরে গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ।
আমি কবিতা পড়ি। আপনি কবিতা লেখেন কম; তবে লেখাগুলো আমার খুব ভালো লাগে।
৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১০:৩৩
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার বিশ্বাস কবিতা কবির ব্যক্তিগত বিশ্বাসের দর্পন। অন্তর্গত সব ভাবনা নিয়ে উঠে আসে, সেখানে কবির আদর্শকে বিচার করার প্রয়োজন আছে, কবির কবিতায় কবির আদর্শ ফুটে উঠবে এইটাই স্বাভাবিক।
যদি একজনের কবিতায় তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস ফুটে না উঠে তবে সে ভন্ড কবি, আর ভন্ড কবির কবিতা যতই গোছানো হোক পাঠ করা সুখকর না।
সুকান্তের কবিতা বলা হলেও আমার কাছে সুকান্তের বেশীর ভাগ লেখাই ছড়া মনে হয়, কিন্তু তার আদর্শ সহজাত ভাবেই প্রকাশিত বলে এই ছন্দমিল আর চটুল শব্দের ভেতরেও সেই গনগনে আঁচটা গায়ে লাগে-
কবি হওয়ার মধ্যে কোনো মধ্যম পন্থা নাই,
হয় ঘাটের এই পাশে আসে নাইতে হবে নইলে ঘাটেরঅন্য পাশে, 2 ঘাটের পানি গায়ে মাখা সম্ভব না, নিয়মিত চর্চা আসলে খুব একটা সুফল বয়ে আনে না, কবি মানস না থাকলে কবি হওয়া সম্ভব না, আর মানস গঠনের প্রক্রিয়াটা শব্দ সহবাসের নয়, ঘরে বসে প্রতিদিন 10 টা কবিতা লিখলেই একজন বড় মাপের কবি হয়ে যায় না,
নবীন কবিেেদর অতীতের কবিদের অভেলা করার বাসনা বা অবজ্ঞা নতুনের অহংকার।
আমার নিজের রবি ঠাকুরের বা নজরুলের কবিতা ভালো লাগে না, আমি পড়ার চেষ্টা করেছি, পড়ে সুখ পাই নাই, অোমার কাছে তাদের কবিতার মূল্য শুন্য, এটাকে যদি আমার অহংকার বিবেচনা করা হয় তাহলে তাই সই, কিন্তু নিজের ভালো না লাগলেও একজনের কবিতা পড়ে আহা উহু করার ভন্ডামি করা সম্ভব না।
৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল (........),
যদিও আমার লেখাতেই সব বলেছি এবং নেটে সময়ও দেই কম তবুও কিছু প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি-
1. ব্যক্তিগত দর্শন বা বিশ্বাস কবিতায় উঠে আসবে- এর সাথে একমত। যদিও পৃথিবীর নামকরা লেখকই অনেক সময় তাদের ব্যক্তিগত জীবনের ঊর্ধে উঠে লিখে গেছেন অনেক শাশ্বত সুন্দর লেখা। বিখ্যাত দার্শনিক বার্টান্ড রাসেল এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি যে ব্যক্তি-জীবন লিড করতেন তাঁর সাথে তাঁর লেখার বিরাট ফ্যারাক ছিলো; এমন কী আজ তিনি যে দর্শনের বাণী শোনাতেন আগামীকালই সেটা ভাঙার জন্য নতুন দর্শনের থিওরী দিতেন। বাংলাদেশের সৈয়দ হক আমার প্রিয় কবি- কবিতায় তাঁর নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য, যদিও তাঁর ব্যক্তি-জীবন আমার পছন্দ নয়।
2. সুকান্তের লেখা আমার আলোচনার বিষয় ছিলোনা- যদিও তিনি আমার প্রিয় কবি।
3. চরমপন্থী বা গরমপন্থীরা চিরকালই হারিয়ে যায়..যাবেই। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য!
4. রবীন্দ্র যুগে এক স্বভাব কবি ছিলেন গোবিন্দ চন্দ্র দাস- সে যুগ অনেক আগেই শেষ। এখন কবিতা নিয়ত চর্চার বিষয়- ব্যাপক অধ্যয়ন ছাড়া কবিতায় হাত পাকানো আশাহত চেষ্টা মাত্র।
5. পৃথিবীর কোনো কবি একদিনে 10টি কবিতা লিখেছেন কী না জানি না। এমন কী বাংলাদেশের কবিতার দুই প্রাণ-পুরুষ- যারা কবিতাকে নিয়েছিলেন পেশা হিসেবে তারাও মাসে 10 টি লিখেছেন কী না জানি না।
....আমার কথা তুললে বলতে হয়- এখানে পোস্ট করা কবিতাগুলো আমার দুই যুগ জীবনের ফসল, ব্ল্লগের 3 মাস সময়ের নয়- যা আমি নতুন -পুরাতন নামে পোস্ট করছি।
6. পুরাতনকে অস্বীকার করে নতুনের পদযাত্রা অসম্ভব- সভ্যতার বিকাশ তাই বলে। আজও আমি রবি ঠাকুরের নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ শুনলে আনমনা হয়ে যাই।
7. নিজের ভালো না লাগলো অবশ্যই পড়বো না- এ বিশ্বাসের সাথে আমিও একমত।
....সবশেষে রাসেল-কে অনেক ধন্যবাদ জানচ্ছি এইজন্য যে- দূর পরবাসে এতো ব্যস্ততার মাঝে থেকেও বাংলা ভাষা তথা কবিতার প্রতি এই মমত্ববোধ দেখে। প্রত্যেকের নিজস্ব মতামতকে আমি সম্মান জানাই।
৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৫:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: একটা আলোচনা কে একেবারে গায়ে মেখে নেওয়ার মানসিকতা থাকলে আলোচনা সম্ভব না জলিল সাহেব, আমি কাউকে কোনো কিছুর জন্য দায়ি করি নি, আপনি কবি হয়ে উঠার প্রক্রিয়াকে বলেছেন সচেতন নির্মান, আমিও এটাকে সচেতন নির্মানই মনে করি, তবে আমার বিশ্বাস, কবিতা লেখার মাল মশলা সব অনেক সময় ধরে ভেতরে তৈরি হতে থাকে, একটা মূহুর্তে তা নেমে এসে ধরা দেয়, সেই ধরা দেওয়ার বিষয়টা চর্চায় সম্ভব না, গনিত মেনে, বাংলা অভিধান থেকে 10টা শব্দ তুলে এসে বাক্য রচনা করলেই সেটা কবিতা হয়ে যায় না,
এ জায়গাটাতে বিরোধের সূচনা, আপনি দিনে 10টা কবিতা লিখেন কি লিখেন না এটা নিয়ে আমার মাথা ব্যাথ্যা নেই, তবে এক বসায় 10-12টা কবিতা নামানো পদ্য লেখক শক্তি আছেন, আছেন মহাদেব সাহা, যার যেদিন ইচ্ছা হয় একই ভাবনাকে 10 রকম ভাবে লিখে 10টা কবিতা হিসেবে চালিয়ে দেন, আমি একই কবিতার বইয়ে তার একই দিনে লেখা 3টা কবিতা পেয়েছি, বইমেলার চাপ বড় চাপ, অনেক কিছুই লিখিয়ে নিতে পারে, লিখিয়ে নেয়ও।

৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৪৮
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: খুবই ভালো একটা পোস্ট এবং কমেন্টগুলোও অসাধারণ। আমিও যেটা মনে করি কবির মধ্যে একটা সূক্ষ বোধ থাকতে হয় যেটা তার লেখায় ফুটে ওঠে। নাহলে চর্চা করে কবিতা (!) লেখা সম্ভব কিন্তু কবি হওয়া সম্ভব নয়।
১০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:১২
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল (........),
গণিত মেনে, বাংলা অভিধান থেকে 10 টা শব্দ তুলে দিলেই কবিতা হয় না..এ কথার সাথে আমিও একমত। কবির ভেতর লেখার সহজাত প্রবণতা না থাকলে লেখা অসম্ভব। বিশেষ করে কবিকে হতে হয় প্রখর বাস্তববাদী আর থাকতে হয় দেখার চোখ- যা অন্তর্ভেদ করতে পারে। অনেকে কবিদেরকে অসামাজিক বা কল্পনাবাদী বলে দূরে সরিয়ে রাখতে চান- আর এটাতেই আমার অনীহা। কবিরা প্রচন্ড বাস্তববাদী বলে একটু নিশ্চুপ বা একলা হয়ে যান, প্রখরভাবে দেখেন সমাজের সব কিছু। আর এ দেখাটাই হলো তার লেখার প্রেরণা।

আমাদের দেশে মহাদেব সাহার মতো কবিরা অবশ্যই আছেন; আছেন নব্য উপন্যাস লেখকরা। তারা মুক্তবাজার অর্থনীতির শিকার। তারা জীবিকার তাগিদে প্রচুর লিখেন- যা না হয় কবিতা, না হয় উপন্যাস। এ ব্যাপারে একমত পোষণ করলাম। তবে যে কথাটি আগেও বলেছি, আবারও বলছি- স্বভাব কবির দিনে শেষ। এ যুগে কবিতা, উপন্যাস, গল্প সব ধরনের লেখাতেই টিকে থাকার জন্য অবশ্যই চর্চা এবং অধ্যবসায় প্রয়োজন আছে। কালোত্তীর্ণের ব্যাপারটা না হয় নাই থাকলো!?

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝরাপাতা,
আপনি কবি শামসুর রাহমানকে কালের অভ্রভেদী ঈগল বলে সম্বোধন করেছেন আপনার কবিতায়। তাঁর এ ঈগলের চোখ ছিলো বলেই তিনি লিখতে পেরেছেন এতো সুন্দর সুন্দর কবিতা- যা সবার থাকে না; তাঁর ছিলো নিয়মিত চর্চা আর এটা ঐশ্বরিক দানও বটে।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

 



 


প্রথম লেখালেখির প্রচেষ্টা (ছড়া-কবিতা): ১৯৭৫ সালে বড়ো ভাইয়ের প্রেরণায়।

প্রথম লেখা প্রকাশ (কবিতা): ১৯৮৩ সালে ‌'পত্রমুকুল' নামক একুশে সংকলনে, কলাবাগান স্টাফ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৭১৭৪৬