আমার প্রিয় পোস্ট
- হাজার বছরের পুরোনো রক্তে ভেজা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি, অমর একুশের চেতনা এবং ভিনদেশী সংস্কৃতির নগ্ন আগ্রাসন - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- একজন নাগরিক কবিয়াল প্রিয় লতিফুল ইসলাম শিবলি ভাইকে খুব মনে পড়ে! - কবি ও কাব্য
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- যুগে যুগে বাংলা সাহিত্য - বৃষ্টিধারা
- জায়গীরনামা---একটি বই , একটি ইতিহাস, একজন ডাক্তার/ব্লগার/লেখকের উত্থান কষ্ট - পথিক!!!!!!!
- শেখ জলিলের ‘জায়গীরনামা’-এক কিশোরের অন্য আবাস এর গল্প - সুনীল সমুদ্র
- ২০০৮ : সামহোয়্যারইন ব্লগের বর্ষসেরা কবিতা (ব্লগারদের মনোনয়ন) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- শীতার্ত সেমিনার - মুজিব মেহদী
- বাংলা ব্লগের বিবর্তন ও সম্ভাবনা - রেজওয়ান
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- কবির আত্মকথন ,কবিতার সুষম সাম্রাজ্য - ফকির ইলিয়াস
- কবিতার কৃত্য - রায়হান রাইন
- সুনীল সমুদ্রের কবিতা - শেখ জলিল
- ব্লগারদের বই নিয়ে ব্লগব্লগর- ১ - শেখ জলিল
- । । বাবা ও তাঁর নি:শ্বাস এবং 'বু জি'র জন্য এলিজি । । - হাসান মোরশেদ
- চির-দুঃখিনী মা আমার - শেখ জলিল
- বাবাকে মনে পড়ে! - শেখ জলিল
- ব্লগীয় স্মৃতিচারণ ২০০৭ ( পর্ব ২ ) - মাহবুব সুমন
- পড়লাম ব্লগার শেখ জলিল ভাইয়ের গল্পের বই -' অতৃপ্ত আকাঙ্খা' - পথিক!!!!!!!
- । । কবি শেখ জলিলের সাথে কবিতা বিষয়ক আলাপচারিতা । । - হাসান মোরশেদ
- শেখ জলিলের লেখা কেমন লাগে? (৪) - এস এম মাহবুব মুর্শেদ
ভালোবাসার ঊর্বশী বুকে লেখা আছে এক নাম- সে আমার দেশ, আলগ্ন সুন্দর ভূমি- বিমূর্ত অঙ্গনে প্রতিদিন প্রতিরাত জেগে ওঠে তার উদ্ভাসিত মুখ

গদ্য কবিতার ছন্দ
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৩
গদ্য কবিতার ছন্দ/ শেখ জলিল
বাংলা কবিতার ইতিহাস অনেক প্রাচীন। যুগে যুগে এর বিষয়, আঙ্গিক, ছন্দেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। সেই যে চর্যাপদ থেকে যার যাত্রা শুরু তা এখন ঠেকেছে অতি আধুনিকতায়। আর এ আধুনিক কবিতার মূল বিবর্তন এসে স্থিত হয়েছে গদ্যছন্দে। তাইতো গদ্যছন্দেই লিখতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন আধুনিক কবিরা।
আসলে গদ্য কবিতাই বা কী, গদ্যছন্দই বা কী? এককালে আমরা ছন্দোবদ্ধ অন্তমিলযুক্ত বর্ণনাকে পদ্য বলে জেনেছি। কিন্তু বর্তমানে কবিতার বিশালতায় এর ছন্দ, অন্তমিল, উপমা, চিত্রকল্প কিংবা শারীরিক গঠনে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। স্বরবৃত্ত্, মাত্রাবৃত্ত বা অক্ষরবৃত্ত ছন্দ নিয়ে কতো বিচিত্র প্রয়োগই না করছেন আধুনিক কবিরা। অক্ষরবৃত্তের পয়ার থেকে চতুর্দশপদী, অমিত্রাক্ষর, মুক্তক ছন্দের যে বিবর্তন, সে বিবর্তনের ধারায়ই এসেছে গদ্যছন্দ।
গদ্যকবিতা বা গদ্যছন্দের শুরু হয় রবীন্দ্র যুগেই। রবীন্দ্র বলয় থেকে বেরিয়ে এসে যে ক'জন সমাজতন্ত্রী কবি গদ্যছন্দের প্রবর্তন করেন তাদের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত-ই সবচেয়ে সফল। অবশ্য এর মধ্যেই বিষ্ণু দে প্রবর্তিত এক ধরনের গদ্যরীতি প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। মূলত ত্রিশের দশকের কবিদের হাতেই ঘটে গদ্যছন্দের ব্যবহার।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম এবং জীবনানন্দ দাশ প্রথম প্রথম এর বিপক্ষে ছিলেন। প্রতিবাদস্বরূপ রবীন্দ্রনাথ তাঁর সম্পাদিত একটি পত্রিকায় গদ্যছন্দের কবিতা প্রকাশ বন্ধ রাখেন। কাজী নজরুল ইসলামতো ব্যঙ্গ করে একটি কবিতাই লিখে ফেলেন। অথচ জীবদ্দশাতেই রবীন্দ্রনাথ একে অনুমোদন দিয়ে গেছেন। কাজী নজরুল ইসলামের হাতেও ঘটেছে কবিতায় গদ্যরীতির সাধুবাদ। রবীন্দ্রনাথের 'রূপনারানের কূলে জাগিয়া উঠিলাম', নজরুলের 'লাথি মার, ভাঙরে তালা' কিংবা জীবনানন্দের 'যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি চোখে দেখে তারা' বাংলা কবিতায় গদ্যরীতির সফল প্রয়োগ। বিশ্বকবির 'হঠাৎ দেখা' বা বিদ্রোহী কবির 'আমার কৈফিয়ত' উৎকৃষ্ট সুন্দর গদ্যকবিতা।
যা বলছিলাম ত্রিশের কবিদের কথা- বিষ্ণু দে, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু সবাই ছিলেন গদ্যকবিতার অগ্রযাত্রী। এর মধ্যে সুধীন্দ্রনাথের গদ্যরীতিই কবিতায় সফলতা এনেছে। পঞ্চাশের দশকে বাংলাদেশের দু'জন কবি হাসান হাফিজুর রহমান এবং শহীদ কাদরী কবিতায় গদ্যরীতির প্রবর্তন করেন। এর মধ্যে শহীদ কাদরীর গদ্যরীতি সবচেয়ে সফল, আটসাঁট এবং উল্লেখযোগ্য।
গদ্যকবিতার ছন্দ বা গদ্যছন্দ আসলে কী? নতুন কবিরা যখন আধুনিক কবিতা পড়েন তখন এর অন্তর্নিহিত ছন্দ খুঁজতে গিয়ে হিমশিম খান। অনেকে গদ্যকবিতাকে ছন্দহীন কবিতা ভাবতে থাকেন। কিন্তু গদ্যকবিতার ইতিহাস অনেক বিশাল। শুরুতেই বলেছিলাম পয়ার থেকে এর যাত্রা শুরু। অক্ষরবৃত্তের মুক্তক ছন্দে এসে এর নতুন বিবর্তন হয়েছে গদ্যছন্দে। তাই গদ্যছন্দের মূল স্বাদ আস্বাদনে সব কবিকেই চষতে হয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দের বিশাল জমিন।
গদ্যকবিতার রীতি একেক কবির কাছে একেক রকম। আধুনিক যে কবিরা গদ্যছন্দে সফলতা পেয়েছেন তারা সবাই প্রথম অক্ষরবৃত্তে লিখে হাত পাকিয়েছিলেন। আর তার ফলশ্রুতিতে তারা পেয়েছেন কবিতায় তাদের নিজস্ব গদ্যরীতি। হাসান হাফিজুর রহমান, শহীদ কাদরী ছাড়াও শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, সৈয়দ শামসুল হক, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, সাইয়িদ আতিকুল্লাহ প্রমুখ কবি গদ্যকবিতার অন্যতম পথিকৃত। ষাট ও সত্তর দশকের আবুল হাসান, রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং আবিদ আজাদ ছিলেন বেশ সফল।
কেউ বলেন, উপমাই কবিতা। কেউ বলেন চিত্রকল্প, কেউ বলেন অতীন্দ্রিক ভাবনা; আবার কেউ বলেন বাস্তবের সাথে কল্পনার সংমিশ্রণ। আবার নতুন করে কাউকে কাউকে বলতে শুনি- যা গদ্য নয় তাই কবিতা। এ কথার সাথে অবশ্য ছড়া, পদ্য বা লিরিকের একটা দ্বন্দ চলে আসে তখন। আসলে কবিতা অনেক বিমূর্ত, অনেক ভাবনাবহুল। গদ্যকবিতার বা গদ্যছন্দের কথা বলতে গিয়ে কবি, গবেষক আবদুল মান্নান সৈয়দ বলেছিলেন নাচের আসরের নর্তকীর দেহের অস্থি-মজ্জার কথা। আমি বলবো প্রতিটি মানুষের শারীরিক গঠনের কথা। প্রত্যেক মানুষই হাঁটে তার নিজস্ব ভঙ্গিতে। এ হাঁটা তার একান্তই নিজের। এ চলায়ও আছে তার নিজস্ব স্টেপ বা পদক্ষেপ এবং চলার নির্দিষ্ট দূরত্ব বা তাল। এ তাল- চলনই হলো একজন কবিতা লেখায় তার গদ্যরীতি। সুন্দর হাঁটা যেমন ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে, সুন্দর গদ্যরীতিও তাই। আর চলতে চলতে যদি ক্লান্তি আসে হঠাৎ-ই থেমে পড়তে হয়- তবে চলারও যেমন ছন্দপতন হয়, কবিতায়ও তেমনি। আসলে পাঠককে ধরে রাখাই গদ্যকবিতার মূল বৈশিষ্ট্য। পড়তে পড়তে পাঠক যাতে ক্লান্ত না হয় সেদিকে খেয়াল করলেই কবিতার গদ্যছন্দে আসবে কবির স্বার্থকতা।
১৩.০৬.২০০৬
** ব্লগের পোস্ট দেখে আধুনিক কবিতা নিয়ে দু'কলম লেখার ইচ্ছে হয়েছিলো। কিন্তু সময়াভাবে আর নতুন লেখা হলো না। তাই এ লেখাটিই আবার পোস্ট দিলাম।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গদ্য কবিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিষয়ক বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কালপুরুষ বলেছেন:
যথার্থ লিখেছেন। অনেক তথ্য জানা গেল।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
ফ্রী ভার্স মানে যে সবসময় যে মুক্তক অক্ষরবৃত্ত,তা কিন্তু নয়।বরনং তা না হয়ে কোনো জোড়ে জোড়,বিজোড়ে বিজোড় কিংবা শেষের ২মাত্রা অপূর্ণ বাখার রীতি নাও থাকতে পারে গদ্য ছন্দে।এক্ষেত্রে কবির যা খেয়াল তাই অনুসৃত হয়।যাহোক সুধীন্দ্রনাথ কিন্তু গদ্যরীতি ছাড়াও আরো অনেক নতুন ও পরীক্ষমধর্মী ছন্দে লিখতেন।তিনি আরো অনেক নতুন ছন্দেরও নির্মাতা।
জীবনানন্দ অনেক কবিতাই মুক্তক অক্ষরবৃত্তে লিখেছেন।তার কবিতায় আমি টি.এস.এলিয়টের ব্যপক প্রভাব দেখতে পাই।তিনি অবশ্য ছন্দের চাইতে তার কবিতায় গভীরতা ও পরাবাস্তবতার অন্যরকম প্রয়োগের জন্য নন্দিত।
যাহোক আলোচনাটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো।
মানবী বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেন। ভালো লেগেছে পড়ে, ধন্যবাদ শেখ জলিল।
বিহংগ বলেছেন:
"আসলে পাঠককে ধরে রাখাই গদ্যকবিতার মূল বৈশিষ্ট্য। পড়তে পড়তে পাঠক যাতে ক্লান্ত না হয় সেদিকে খেয়াল করলেই কবিতার গদ্যছন্দে আসবে কবির স্বার্থকতা।""চমতকার লিখেছেন। আমি মুগ্ধ হয়ে পড়লাম।
আদনান ফায়সাল বলেছেন:
খু-ব-ই ভালো লাগল - বেশ কিছু তথ্য জানলাম।আমি তো এত কিছু না জেনেই কবিতা লিখি! আমার লেখাগুলো আসলেই কবিতা হয় কিনা তা এখানে যারা কবিতাবিজ্ঞান সম্বন্ধে জ্ঞান রাখেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।
আমার কাছে যা শ্রুতিমধুর এবং মনের ভাব প্রকাশে সক্ষম তা-ই কবিতা।
কবিতাজ্ঞান সমৃদ্ধ করার জন্য কোন ই-বুক বা ভালো কোন লিঙ্ক জানা আছে নাকি কারো ভাই?
মুজিব মেহদী বলেছেন:
ভালো লেখা।একটা গৌণ তথ্য : রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং আবিদ আজাদ, আবুল হাসানের সমসাময়িক নন। এক দশক জুনিয়র।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি মুজিব মেহদী।
........ষাট ও সত্তর দশকের আবুল হাসান, রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং আবিদ আজাদ ছিলেন বেশ সফল।..........
আমি এভাবে লিখলে দুটি দশকই চলে আসে মনে হয়!
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো লেখাটা ......ভালো থাকবেন।আরো লিখবেন সময় করে।শুভেচ্ছা।
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন:
কবিতা কি সেটার আগেই কবিতা আসে। হয়তো সমস্ত শিল্পই তার সংজ্ঞার আগে জন্ম নেই শিল্পীর মনে। অনেক বছর কবিতা লেখার পর একদিন হলো কি হলো না এমন নির্মম প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় - বিশেষত যখন কবিতা নিজে থেকে ঘনিষ্টজন থেকে ক্রমে খোলা দরজা দিয়ে বড় সংখ্যক পাঠকের কাছে পৌছে যায়। ভাল লাগাই সব কিছু নির্ধারণ করে। ছন্দ এসেছে ভাল লাগার জন্মের বহু পরে। যখন সাফল্যটা যাচাই করার জন্য নানান উপায় খুঁজছিল মানুষ, তখন ছন্দ ভাল লাগার একটা সূত্র। ছন্দে মিললে উপমা বা ভাবে কমতি থাকলেও পাঠক কিছুটা ভাললাগায় পতিত হবে। সুতরাং পেশাদারদের ইঞ্জিনিয়ারদের যেমন পকেটে স্কেল ক্যালকুলেটর থাকে সফল কবিদের অবশ্যই ছন্দ সচেতন হওয়া দরকার। কিন্তু ছন্দটাই সব না এটা ভাল বলেছেন।
আমার কাছে মনে হয় প্রতিসম ডিজাইনের মতো ছন্দের খুব বেশী নির্ভরতা একঘেঁয়ে করে দেয়। মানুষ যেমন নিজেই এক উদাহরণ। শরীরের বাইরে ডানে বামে সে নিখুঁত ছন্দময়। কিন্তু শরীরটা চিড়ে ফেলরে পুরোটাই ছন্দহীন অথচ সেই অপ্রতিসম যকৃৎ পাকস্থলীর কোমল ছন্দহীনতায় জীবনের অধিকাংশ কর্ম চলে।
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্য। আমি বোধ হয় আপনার কথাগুলোও বলেছি।
আপনার মন্তব্যে...........আমার কাছে মনে হয় প্রতিসম ডিজাইনের মতো ছন্দের খুব বেশী নির্ভরতা একঘেঁয়ে করে দেয়। মানুষ যেমন নিজেই এক উদাহরণ। শরীরের বাইরে ডানে বামে সে নিখুঁত ছন্দময়। কিন্তু শরীরটা চিড়ে ফেলরে পুরোটাই ছন্দহীন অথচ সেই অপ্রতিসম যকৃৎ পাকস্থলীর কোমল ছন্দহীনতায় জীবনের অধিকাংশ কর্ম চলে। ....এ লাইন ক'টিতে একটু ভিন্নমত। বিজ্ঞান বলে- 'মানব দেহের সবই নিয়মতান্ত্রিক ও ছন্দময়। ছন্দপতন মানেই জরা আর অবশেষে মৃত্যু'।
সেজুতি_শিপু বলেছেন:
কবিতা ও ছন্দ সম্পর্কিত সুন্দর তথ্যবহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: গদ্য কবিতার ছন্দবিষয়ক এই পুরনো লেখা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













