নৈঃশব্দের পাঁজরে রেখেছি গেঁথে আমার নির্মল একাকীত্ব
সব সম্পর্কের সূতা ছিঁড়ে বেছে নিয়েছি অচিন বাস বহুদূরে
হাসি নেই, কান্না নেই- আছে শুধু নৈঃশব্দের রিক্ত হাহাকার
উদাসী স্বপ্নেরা হাসে বেদনার সুনীল দিগন্তে মিলেমিশে।
নিরালায় মৌনতার ঘুম ভাঙে স্মৃতির পাখিরা ডাকে
যতোদূর চোখ যায় উড়ে উড়ে ডানা ঝাপটায় অতীতে
তার নরম পালক ওম জাগায় হৃদয় কন্দরে যতনে
চোখ বেয়ে আসে জল আষাঢ়ের টুপটাপ বৃষ্টিধারা
সরাতে পারি না তার স্মৃতির পাথর বুকের চাতালে
সে আমার নৈঃশব্দের সুখ আজন্ম মিলন অভিসারে।
এই ঘোর সন্ধ্যার মেঘমালায় ডাকে দেয়া ঢাক গুড় গুড়
সব সুখ ঝরে যায় মাটির অন্তরে বিরহে ভাসিয়ে দিয়ে
তার সাথে দেখা নেই, কথা নেই পুরো আঠোরো বছর
তবুও সে রয়ে যায় লেখায় কবির খেরোখাতার পাতায়।
সে কি বোঝে তার হতে গিয়ে নিয়েছি একাকী বাস
কবিতার পরতে পরতে এঁকে যাই শুধু বিরহ নির্যাস!
২০.০৬.২০০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



