আমার প্রিয় পোস্ট

ভালোবাসার ঊর্বশী বুকে লেখা আছে এক নাম- সে আমার দেশ, আলগ্ন সুন্দর ভূমি- বিমূর্ত অঙ্গনে প্রতিদিন প্রতিরাত জেগে ওঠে তার উদ্ভাসিত মুখ

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আমার বই 'জায়গীরনামা'

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১

শেয়ারঃ
0 0 0

তখনও অনেকের বাড়িতে কিছুটা ফাঁকা ছিল অন্যকে জায়গা দেবার
তখনও অনেকের মানসিকতায় কিছুটা স্থান ছিল অন্যকে প্রশ্রয় দেবার
এবং তখনই কিছু শিক্ষার্থী অন্যের বাড়িতে অন্যের প্রশ্রয়ে চালিয়ে যেতো নিজের পড়াশোনা;
জায়গীর কিংবা লজিং মাস্টার নামে পরিচিত সেইসব ছাত্ররা এখন আর প্রশ্রয় পায় না কোথাও

ষষ্ঠ শ্রেণীর এক কিশোর হাটকয়েড়া থেকে জায়গীর জীবন শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত এসে ময়মনসিংহের ট্রেনে উঠেন মেডিকেলে পড়তে যাবার জন্য

মাঝখানে কেটে যায় সাত সাতটা বছর

গল্পের মতো করে বলে যাওয়া সেই সাত বছরের ঘটনাই জায়গীরনামা

প্রকাশন: শুদ্ধস্বর
প্রচ্ছদ: সব্যসাচী হাজরা
মূল্য: আশি টাকা
Click This Link
Click This Link
Click This Link

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উপন্যাস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: একান্তই নিজের  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: এইটা এবারের বইমেলার একটা অসামান্য সংযোজন হবে ... জলিল ভাই, আপনার জায়গীরনামার জন্য শুভকামনা

ও, ফেইসবুকেই মনে হয়, প্রচ্ছদটা দেখলাম ... চমৎকার হয়েছে
২. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
প্রচেত্য বলেছেন: সাবজেক্টটি চমতকার
৪. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
নাজনীন খলিল বলেছেন:
বইটির সাফল্য কামনা করি/

শুভেচ্ছা/

( আমার কি-বোর্ডে দাঁড়ির বাটনটি কাজ করছেনা এজন্য এভাবে যতিচিহ্ন টানতে হচ্ছে)
৫. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯
নির্ভিকতা বলেছেন: ভাল একডা কাম হইচে
৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: অভিনন্দন ।

(আমার মেঝ খালু জায়গির থেকে লেখাপড়া করেছেন .... এখন কোথায় আছেন বলবো না ... গত নির্বাচিত সরকারের আমলে অর্থ মন্ত্রনালয়ের সচিব ছিলেন । এই লোকগুলোকে দেখলে অবাক হই .. একেবারে শূন্য থেকে নিজ কর্মে অনেকদুর উঠে আসা)
৭. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২
পারভেজ বলেছেন: মনে হচ্ছে ইন্টারেস্টিং হবে।
প্রিয় পোস্টে নিলাম। নাহয় ভুলে যেতে পারি।
৮. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৬
তারার হাসি বলেছেন:
অভিনন্দন আপনাকে।
৯. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০২
শেখ জলিল বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে।
সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসার আশায়...
১০. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৪
আবু সালেহ বলেছেন:
শুভ কামনা রইলো......আপনার এবং আপনার.................জন্য
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ব্লগার।

১১. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:


বইটি পড়ার জন্য উৎসুক হয়ে আছি।
বইটি সবার কাছেই ভালো লাগবে বলে আশা করছি।
১২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
শেখ জলিল বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে।
(আগামীকাল বিকেল ৪.৩০ টায় বাংলা একাডেমীর নজরুল মঞ্চে 'জায়গীরনামা'র মোড়ক উন্মোচন হবে)
১৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০২
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন: সফলতা কামনা করছি।
১৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৫
শেখ জলিল বলেছেন: ধন্যবাদ মৃন্ময়।
১৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৯
প্রাকৃত বলেছেন: অভিনন্দন!আপনার গল্পের বিষয়টা সত্যি আনকমন।পড়বো।

নাম এবং প্রচ্ছদ দুটোই সুন্দর।এবার বইটা পড়ার পালা:)
১৬. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৬
তারার হাসি বলেছেন:
আপনার জায়গীর জীবনের গল্প পড়লাম।

খুব কষ্ট হয়েছে বৃত্তি পাওয়া ছেলেটির চোখ মুছে মুগুর কাঁধে জায়গীরের ঘরে ফেরার কথা পড়ে।

হাসি পেয়েছে শুধু একটা লাইন পড়ে, রোজার সময় আপনার শৃংখলার মাঝে পড়ে যাবার কথা কল্পনা করে।

মিল পেয়েছি এক জায়গায়, আপনি ছিলেন মোহনলাল আর আমি ঘষেটি বেগম।

অনেক ভাল থাকবেন।
১৭. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৮
মুকুল বলেছেন: আরেকটু সময় পেলে জমিয়ে আড্ডা দেয়া যেতো। কিন্তু চলে আসতে হয়েছিলো।

সাফল্য কামনা করছি। :)
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৫

লেখক বলেছেন: শীঘ্রই আপনার বইটি সংগ্রহ করবো।

১৮. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩২
শুভ বলেছেন: জলিল ভাই,
আমি 'লেট লতিফ'। কেবল দেরি হয়ে যায়! ভাল লাগছে জেনে। দেরিতে হলেও বলি, অভিনন্দন।

১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: অসুবিধা নেই।
...অনেক অনেক ধন্যবাদ শুভ।

১৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০৭
শুভ বলেছেন: প্রথমেই গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, অনেক যন্ত্রণা করে বইটা পাঠিয়েছেন বলে। পাশাপাশি বিব্রত বোধও করছিলাম। ব্যক্তিগত জটিলতার কারলে ঢাকায়-মেলায় যেতে পারিনি নইলে আমি নিজেই যোগাড় করতাম।

আগেভাগেই ক্ষমা প্রার্থনা।
কোন একটা বই পড়ি, নিজের মত করে বোঝার চেষ্টা করি কিন্তু আলোচনা-সমালোচনা করার যোগ্যতা আসলে আমার নাই।

আমি খুব ভয়ে ভয়ে ছিলাম। অনেক দিন পড়া-টড়া হয় না। এখন আস্ত একটা বই বুকে ভয় ধরিয়ে দেয়। '
জায়গীরনামা' এক বসাতেই পড়ে শেষ করে বিস্মিত হয়ে ভাবছিলাম, সমস্যাটা কী! আপনি দ্রুত লিখেছেন নাকি আমি দ্রুত পড়েছি?

কয়েকটা বিষয় খুঁজে পেয়েছি। ছোট-ছোট পরিচ্ছেদ এটা একটা কারণ এবং এটাও, প্যারাতে অল্প-অল্প স্পেস (আমার ধারণা, এটা প্রকাশকের কৃতিত্ব)।
অন্যরা কী বলবেন আমি জানি না কিন্তু আমার কাছে এই স্পেসগুলো মনে হয় শ্বাস ফেলার জায়গা। পড়তে আরাম।
অনেক বইয়ের পৃষ্ঠা দেখবেন ঠাসবুনানি, একটা পৃষ্ঠায় যতগুলো অক্ষর ধরে তারচে একটা অক্ষরও কম নেই।
এই কদভ্যাস বলুন বা বদ অভ্যাস এটা অনেক বড় লেখকদেরও আছে। যত বড় লেখকই হোন তাঁর লেখা পড়তে আরাম পাই না- আমি লেখককে সমীহ করলে কী হবে আমার মস্তিষ্ক মহোদয় এটা মানতে চান না! চোখ-মনকে মস্তিষ্ক যা নির্দেশ দেয় তাই হয়, আমার করার কিছুই থাকে না।

লজিংনামা বা 'জায়গীরনামা' এটা নিয়ে ভাসা ভাসা জানতাম। এই ভুবনটা আমার কাছে প্রায় অচেনা। আপনি একটা অসাধারণ কাজ করেছেন এই বিষয়টা নির্বাচন করে। এখনকার রোবট বালক-বালিকারা জানবেই না লজিং কী, লজিং মাস্টার কাকে বলে!
এখন এই প্রথার তেমন চল নাই- অকালে ঝরে পড়ে মেধাবি সন্তানরা। অবশ্য হাঘরে মাদ্রাসা ছাত্রদের বাড়তি খানিকটা সুবিধা আছে- আখেরাতের নেকির কারণে অনেকে এটার হাল এখনও ছাড়েননি।

আমাদের দেশ এখন রোবট বানাবার কারখানা হয়ে গেছে- এতে কাঁচামাল যোগাচ্ছে বহুজাতিক কোম্পনিগুলো। এখন তো আবার এমবিএ ডিগ্রি না থাকলে জাতে উঠা যায় না। উঁচু ফির প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হাঁকুচপাঁকুচ করে একখানা এমবিএ ডিগ্রি বাগিয়ে চাকুরির বাজারে মাথা ঢুকিয়ে দেয়া। ব্যস, আর পায় কে- নিশ্চিন্ত জীবন! একেকজন চলমান রোবট।
ওদিন এক টিভি শোতে দেখলাম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করল, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কে? ওই সুসন্তান অনেক মাথা ঘামিয়ে বলল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই মহোদয় একদা রবীন্দ্র সঙ্গীত রচনা করবেন এতে অন্তত আমার কোন সন্দেহ নাই।
এখানে সখেদে বলাবলির আর কিছু নাই!

প্রসঙ্গ থেকে সরে এসেছি। বলছিলাম বিষয় নির্বাচন, এরপর আসে অকপট স্বীকারোক্তিগুলো-সংলাপগুলো।
একটা বলি, "বাবার প্রতি আমার ভীষণ রাগ হতো। শুধু মরে যেতে ইচ্ছা করত। আমাদের কেন অনেক জমিজমা হলো না। তাহলে তো আর ভাতের অভাব হতো না"।

আমাদের মধ্যে ভানের আধিক্য প্রবল। আপনি একটু লক্ষ করে দেখবেন, কোন কৃষকের সন্তান নেকাপড়া(!)করে উচ্চশিক্ষিত বা মাত্রাতিরিক্ত ধনবান হলেই হয়েছে আর কী ! সে কোমর বেঁধে নেমে পড়বে জনে জনে এটা বোঝাতে, তাঁর বাবা জমিদার ছিলেন। বাইজী নাচাতে নাচাতে ক্লান্ত হয়ে এই দেশে এসেছিলেন দেশউদ্ধার করতে।
তাহলে এই দেশে কৃষক কারা?

এখন আপনি অনেক ধনবান কৃষকের বাড়িতে গেলে দেখবেন সমস্ত কৃষি উপকরণ সে সুকৌশলে সরিয়ে ফেলেছে। একদা সে যে কৃষক ছিল বা তাঁর পরিবার, এটা জানাতে তার পরিবারের বড়ো লাজ! আমি সংগ্রহশালার জন্য আস্ত লাঙ্গলসহ অনেক কিছুই সংগ্রহ করেছি এদের কাছ থেকে- এরা এসব আমায় গছিয়ে হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন।
আফসোস, যে কৃষকরা এই দেশটাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন তাঁরা আজ আত্মপরিচয় দিতে কুন্ঠিত হন। কারণ আমরা অহংকারের দৃষ্টি নিয়ে তাঁদের দিকে চোখ বড় বড় করে তাকাতে পারি না। অথচ বাইরের এরা কী জাঁক করেই না বলে, আমার বাবা-দাদা ফার্মার... আমার ফার্ম-হাউজ...। আইসো, আমার ফার্ম-হাউজে বেড়াইতে।

একটা বিষয়ে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করব, কিছু বিষয় আপনি খানিকটা বিস্তারিত নিয়ে আসতে পারতেন। যেমন কামলাদের মুখের সংলাপ-লোকজ সংলাপ। জায়গীর বাড়ির বালিকাদের কথা (এ প্রজন্মের পাঠকদের এ জন্য আপনার উপর ক্ষোভ থাকা বিচিত্র না)।

আর দু-কলম লেখালেখি করি, এই সাহসে বলি, আপনি খুব সরল বর্ণনা দিয়ে গেছেন- লেখালেখির জন্য এটা খুব জরুরি কিন্তু একটু বেশি অলংকার বিবর্জিত।

পরিশেষে, প্রকাশক শুদ্ধস্বরকে হাত লম্বা করে ধন্যবাদ দেই যত্ন করে বইটা বের করার জন্য।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৪৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রথম লেখালেখির প্রচেষ্টা (ছড়া-কবিতা): ১৯৭৫ সালে বড়ো ভাইয়ের প্রেরণায়।

প্রথম লেখা প্রকাশ (কবিতা): ১৯৮৩ সালে ‌'পত্রমুকুল' নামক একুশে সংকলনে, কলাবাগান স্টাফ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ