somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... কাঁদছে মানবতা নীরবে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে খুন, চলে হিংসা প্রতিপদে।
নিজেদের কেউ কখনও পড়লে বিপদে
তেড়ে আসে পশুরাও তার প্রতিরোধে
আসে না মানুষ শুধু বাঁচাতে স্বজাতে!

কাক কোনোদিন খায় না কাকের মাংশ
মানুষেরা মানুষের খায়
গ্রেনেড গুলি, বুকেতে ছুরি, শিরশ্ছেদে
কতো আদমের প্রাণ যায়!

দ্যাখো বিশ্ব চরাচরে মানুষে বিদ্বেষ
বাড়ছে নিষ্ঠুর নৃশংসতা
কাঁদছে নীরবে মানবতা একা ঘরে
নামছে মৃত্যুর শীতলতা।

শেখ জলিল ১৪.১০.২০১১
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29476097 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29476097 2011-11-01 08:11:01
দারুচিনি দ্বীপটা যাচ্ছে সরে যাচ্ছে খুলে শত অজানা ঝড়ে
সূতোর ওপার থেকে তুমি মারো টান
স্বপ্ন-বাসর তাই বড়ো নড়বড়ে
ঐ দারুচিনি দ্বীপটা যাচ্ছে সরে।।


যাই না এখন আর রূপকথা দেশে
মেঘের ভেলায় চড়ে রাজার বেশে
জমাট আঁধার মেঘ দিগন্ত নীড়ে
আমি চিরচেনা অচেনা থাকছি পড়ে।।


অদেখা তোমার রূপ সন্দেহ ছবি
গড়ছে মনের ভুল হৃদয় কবি
বাসর রচনা যেন ধূ ধূ প্রান্তরে
তুমি নিশিদিন অধরা জনম ভরে।।



শেখ জলিল ২৯.০৮.২০১১
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29462057 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29462057 2011-10-08 11:47:09
কখনো বা আশা, কখনো হতাশা শূন্যের উপর বাড়ি
জোছনার রাতে মেঘেদের সাথে
স্বপ্নেরা নিয়েছে আড়ি।।


কখনো বা হাসি, জাগে মন-বাঁশি
বিনিদ্র প্রহর
করে ঘোরাফেরা এ হৃদয়চোরা
নিদারুণ রাতভর।


কখনো বা সুখ করে ধুকপুক
একটু ছোঁয়ায়
যাকে চেয়ে দেখি আসল না মেকি
থাকি ধোঁয়াশায়।


কখনো বিরহ কী যে দুঃসহ
কাটে নাকো ক্ষণ
কে তারে খোঁজে কী মনে বাজে
উন্মত্ত বন্ধন।


এই তো এ ক্ষণ যখন যেমন
স্বপ্ন ও বাস্তব খেলা
কিছু কিছু সুখ, কিছু কিছু দুখ
দুলছে জীবন ভেলা।



শেখ জলিল ২৬.০২.২০১১]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29440797 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29440797 2011-08-30 02:38:54
জন্ম নেবো কোনো এক ভরাট মৌসুমে ঘর্ষণে-বর্ষণে শিলায় শিলায় দলিত-মথিত হোক সব আজ
কালান্তরের ফসিল ক্ষয়ে যাক সভ্যতার নিরেট নিভাঁজে
একতারে বেঁধেছি জীবন-
অসময়ে তুমি দোতারাটা বাজিও না আর!

যতোটা বলো ততোটা উপরে উঠতে পারবো না আমি
হিমালয়ের এভারেস্ট, আলপসের মন্টব্ল্যাংক কিংবা রকি মাউন্টেনের এলবার্ট
তোমার সূচাগ্র ভূ-ভাগের কাছে ম্রিয়মান অন্য সব জাগতিক সুখ
এই ক্ষণে নির্বাক আমার ইচ্ছেগুলো রেখে দিলাম পায়ের কাছে
সবুজের সোমত্ত বাগানে তুমি আমি একদিন জন্ম নেবো ঘাসফড়িং হয়ে।


ক্ষণিকের জীবন, মাটির সোঁদা গন্ধে ভরপুর বৃষ্টিস্নাত রাতদিন
সবুজের ক্যামোফ্লেজে শিকারী পাখির চোখ ফাঁকি দেয়া আরও কিছুক্ষণ
তোমার আমার দ্বিধাহীন একটানা মিলন বাসর
এভাবেই এঁকে দেবে চিত্রকলা আগামীর নিষ্পলক ক্যানভাসে।

একতারে বেঁধেছি সময়- এই ঘোরলাগা নিশিদিন
যাক ক্ষয়ে যাক মনুষ্য জীবন কংক্রিটে রক্তাক্ত পায়ে
মনে রেখো কোনো এক ভরাট মৌসুমে নতুন অংকুরোদগমে
প্রণয়ের টানে জন্ম নেবো শুধুই মানিকজোড় হয়ে।


শেখ জলিল
২২.০৮.২০১১

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29436994 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29436994 2011-08-23 01:42:17
বিরহ উদাম দৃষ্টির পাখিরা বিপর্যস্ত দিগ্বিদিক ঝড়ে
ভাঙচুর সময় হাঁটে কণ্টক পথে বেসামাল
জানে না সে কতো দূরে নীলাঞ্জনাদের বাড়ি!

একটা কাজলা দিঘি ছিলো এই পথে হেঁটে যেতে
বুক জুড়ে ছিলো অগণন শ্বেতপদ্মের হাসি
হাওয়ায় মেঘেরা উড়ে এসে দিতো ছায়া দিনভর
হিজলতলায় পাশাপাশি বসা দুজনার চোখেমুখে।

জানে কি সে কতো ঝড় গেলে মিলবে শিমুলতলী গ্রাম
প্রণয়ের শাড়ি খুলে দেখো সব আজ বিরহ উদাম!

শেখ জলিল ১৪.০৬.২০১১
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29400651 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29400651 2011-06-22 09:58:03
কোকিল ডেকেই চলে কোকিলারা আসে না শিমুলতলে!

আজকাল কোকিলারা বড়োই সংসারী
ভাল্লাগে না কোকিলের বাউলেপনা স্বভাব
নির্মল বাতাসে বসন্তের গান পৌঁছে না হৃদয়কোণে
গাছে গাছে ওড়াওড়ি, দিনভর একটানা গান- আদিখ্যেতা
বরং কাকের কা কা ডাক অনেক মধুর, অনেক সুরেলা
ছিমছাম পরিপাটি বাসায় এলানো যায় ক্লান্ত দেহ
পরিশ্রান্ত দিনের শেষে আনন্দ প্রহর, পরিতৃপ্ত সঙ্গম
কোকিলের কি আছে সে মুরদ বানাতে বাসা?

ফ্যাশনে ফ্যাশনে ঢেকে গেছে কতো নির্মল মুখের ছবি
কাক লাগিয়ে কোকিল বেশ নাচছে বসন্ত ডালে
জীবনের জয়গান যেন কাকেদের করায়ত্বে আজ
পরিপাটি বাসা, দিনান্তের আশ্রয় কোকিল স্বভাববিরুদ্ধ
তবুও সে কেন একা বসে ডাকে মগডালে
কোকিলারা আসে না রক্তাক্ত শিমুলে!

একটা সুখের সংসার তোমার প্রয়োজন ছিলো খুব
আর আমার বাউল গান, মেঠোপথে একতারের ক্রন্দন
এ অতৃপ্ত চরাচরে যেন আমি কোকিল তুমি কোকিলা
দ্যাখো, বসন্ত বাতাসে বাজে সেই সম্পর্কের দোলা।

শেখ জলিল ২৯.০৪.২০১১
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29381401 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29381401 2011-05-15 11:42:56
এ দেহ জমিন অনন্ত সমাধি ঢেকে দিলে দেহের ফসিল
এ প্রাণের বায়ু মিশে থাকে মাটির নিভাঁজে
উর্বরা ধরিত্রী তাকে পোষে মায়াবতী বুকের কন্দরে
দ্যাখো, প্রাত্যহিক পরিত্যক্ত বিষ্ঠাও ফলায় সোনার ফসল
পরিতৃপ্ত সবার জিহ্বা ভরায় তাতে স্বাদের নহর!

এ দেহের নিকানো উঠোন, রক্তমাংস, অস্থিমজ্জা, হাড়গোড়
সবই বিলিয়ে দিয়েছি সম্প্রদানের চুক্তিতে এক স্বাক্ষরে
যে ডাক্তার তোমার হাতের নাড়ী ধরে করবে চিকিৎসা
তার জন্য দিয়েছি শরীর ব্যবচ্ছেদের টেবিলে মেলে
সে সুঠাম পুরুষ অনিমেষ দৃষ্টিতে দেখবে তোমাকে প্রতিদিন
তার জন্যও রেখেছি প্রিয় দুই চোখ মরণোত্তর দৃষ্টির আশায়
ব্যবচ্ছেদ শেষে অবশিষ্ট দেহভাগ তোমার চলার পথে
ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিতে বলেছি আমার চিকিৎসক বন্ধুদের।

মনে আছে খরায় পোড়া কৃষক দাঁড়িয়েছিলো সামনে
বুভুক্ষু এ আমি পেতেছিলাম দুহাত তোমার দুয়ারে
এক মুঠো সোনার ফসল প্রয়োজন ছিলো খুব বেশি
কাঠা, বিঘা বা একরের হিসেবে নয়, পরিত্যক্ত কিছু
শুধু দুই প্রস্থ জমি চেয়েছিলো এক সুদক্ষ কৃষক
তোমার দ্বিধায় লাঙ্গলের ফলা থমকে গিয়েছিলো পাথরে
অথচ কী অবলীলায় একদিন আট রিক্টার স্কেল ভূমিকম্পে
অকাল সুনামি এসে ভাসিয়ে দিলো তোমার জমিন
তুমি এতোটুকুও অমত করোনি সেদিন!


শেখ জলিল ১১.০৪.২০১১
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29372066 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29372066 2011-04-29 22:54:06
আমিতো চেয়েছি মাধবী জোস্নার আলো, নীল নীল রাত
হৃদয়ে উঠেছে ঝড়, ঝরেছে প্রপাত
বাড়াওনি তবু তুমি সখ্যতার হাত!

নির্ঘুম প্রহর গেছে, কেটেছে প্রভাত
দু'ভাগ করেছে বুক কষ্টের করাত
আাসোনিকো তবু তুমি কেটে গেছে রাত
ভেঙেছো সুখের ঘর বিরহে হঠাৎ-
আমিতো চেয়েছি শুধু এক ফালি চাঁদ
মাধবী জোস্নার ছোঁয়া, মধুময় রাত।

শেখ জলিল ১৯.০১.২০০৪
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29366502 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29366502 2011-04-21 09:45:28
আগ্নেয়গিরির মতো উঠতাম জ্বলে বুকপকেটে কলম বয়ে নিয়ে আসা ঠিক হয়নি তখন
ঠিক এটার জন্যই এখনো লিখছি যা তা!

গোল্লাছুট, ডাংগুলি, লাটাই-ঘুড়ির দুর্দান্ত দিনে
এক্কা-দোক্কা করে ছড়া কেটে লেখার খাতার
কলম হারিয়ে গেলে কৈশোরে কেঁদেছিলাম একবার
একটানা পাঁচটি বছর বন্ধ ছিলো যা তা লেখা।

হাতের কাছে কলম থাকলেই লিখতে হবে শব্দের গাথা
এরকম ভাবনাগুলো ঝেটিয়ে তাড়াতে পারলে ভালো হতো
আরও ভালো হতো অসাবধানে হঠাৎ হারিয়ে গেলে
স্বযত্নে রক্ষিত পরিপাটি বাঁধাই ঐ লেখনীর খাতা।

আমার ভাবনাগুলো আপাতত বন্ধ থাকতো হৃদয় কুঠরীতে
তারপর একদিন আগ্নেয়গিরির মতো উঠতাম জ্বলে!

শেখ জলিল ১০.০৪.২০১১

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29361273 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29361273 2011-04-12 07:18:20
ক্ষীণ আশায় ভালোবাসায় আশার অপর নাম শ্বাস- বুকের ভেতর যাওয়া-আসা
উড়ায়ে রঙিন ঘুড়ি প্রতিদিন শক্তহাতে না ছাড়ি নাটাই
জীবন ছাড়ে না পিছু, বেঁচে থাকবার ঘোড়াটা ছোটাই
যাচ্ছে চলে নাছোড় ঘুড়িটা একেবারে দিগন্ত ওপারে
মাঝখানে ধূ ধূ মাঠ অবিরাম ওই পথের কিনারে
ফিরবে কি ফিরবে না এই প্রশ্ন এখন বাতাসে
প্রতীক্ষার তারা জ্বলে ঘোরলাগা অমার আকাশে
যে ছিলো হৃদয়কোণে খুঁজি তারে অচেনা প্রান্তরে
না-পাওয়ার দীর্ঘশ্বাস অহোরাত্রি বুকের কন্দরে
আমাকে যে করেছে বিরহী আমি তার রই সেবাদাস
ক্ষীণ আশায় ভালোবাসায় এ অন্তরে যার বসবাস।


শেখ জলিল ০৮.০৩.২০১১
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29353544 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29353544 2011-03-30 05:00:13
ফুলতোলা রুমাল ঝিঁঝিঁ পোকা বাঁধে বাসা মগজের পলে
একটানা সুর হৃদয়ের তারে- আসবে কি সে?
ছুটন্ত ঝর্ণার গাথা লিখে অবিরাম পাহাড়ের বুকে
মিল্কিওয়ের ওপারে কালপুরুষের তীরের ফলক
আঁধারকে ফালি করে ছুটে আসে মাটির ধরায়।

সাদা পালে ভাসায়ে সাম্পান আকাশের কোলে
এসেছিলো একা সে আলোর সিঁড়ি বেয়ে এই ঘরে
মখমলে নেমেছিলো পূর্ণিমার চাঁদ, সাগরের জল
জোয়ারে জোয়ারে ভেসেছিলো প্রতীক্ষার ঢেউ-
নির্দ্বিধা ওহাতে ছিলো এক ফুলতোলা রঙিন রুমাল
আমার শরীর জুড়ে ছিলো উষ্ণতা- কাশ্মীরি শাল!

শেখ জলিল ০৬.০৩.২০১১]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29341705 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29341705 2011-03-10 12:21:28
এখন আমি প্রবাসী ব্লগার
জানি না কবে পাবো কবিতার বইটি আমার। তবে ব্লগের পাঠকদের এ খবর জানাতে পারি
অন্তত। বইটি এখন পাওয়া যাচ্ছে অমর একুশে গ্রন্থমেলায়।

বইয়ের নাম- স্বপ্ননীল রেলগাড়ি
বইয়ের ধরন- কবিতা
প্রকাশক- মোজাম্মেল হক নিয়োগী
প্রকাশনা সংস্থা- সাকী পাবলিশিং ক্লাব
মূল্য- ৭৫.০০ টাকা
স্টল নম্বর- ৪৪৬, অমর একুশে গ্রন্থমেলা

ভালো থাকুন সবাই কবিতার স্বপ্নের মতো।


Click This Link
শেখ জলিল
ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১১]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29321067 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29321067 2011-02-06 02:13:31
কেমন আছো শৈল্লা বিল কেমন আছো জেলেপল্লী, চরপাড়া, খায়েরপাড়া
কেমন আছো সাইটশৈলা, খাঁপাড়া, মিয়াপাড়া
কেমন আছো বন্ধুরা সব ছোট্টমাথা ন্যাড়া
কেমন আছো জয়নূল স্যার, রফিক, দীলিপ, জুরান
কেমন আছো স্কুল বোর্ডিং, হেডমাস্টার হারান
কেমন আছো এতোকাল পর কে বা আছো কোন্ খানে
ছুটে যেতে চায় মনটা আবার লাটাই-ঘুড়ির টানে।।

কেমন আছো রোকেয়া, মীরা, ভারতী, স্বরস্বতী
কেমন আছো মঞ্জু, দুলাল ন্যাংটাবেলার সাথী
কেমন আছো ঠাকুরবাড়ি, পাড়ার হাটের গদি
কেমন আছো ঘোড়ামারা দহ, লৌহজঙ্গ নদী
কেমন আছো ছিপ বড়শী, ঠেলা জাল আর পলো
এতোকাল পর স্মৃতির ভাঁড়ার হচ্ছে এলোমেলো।

কেমন আছো দূর্গাপূজা, ঈদের চাঁদের হাসি
কেমন আছো বুড়ো বটগাছ, চরকী, পাতার বাঁশি
কেমন আছো মার্বেল টিপ, গোল্লাছুট, ডাংগুলি
কেমন আছো যাত্রাপালা, গল্পদাদুর ঝুলি
কেমন আছো শৈশব দিন, ছোট্ট বালকবেলা
এতোকাল পর চোখের পাতায় ভাসছে রঙের মেলা।।

শেখ জলিল ২৩.০১.২০০১
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29313215 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29313215 2011-01-24 07:14:42
বাস স্টপ আমার বাস থামে অজানা স্টেশনে।

নির্জন রাত, সুনসান নীরবতা
পাশ থেকে কে যেন বলে- হ্যালো
ছড়ি হাতে বৃদ্ধ পথিক ফিরছে ঘরে
জীবনের প্রশ্নবোধক জড়িয়ে গায়ে।
কী যেন আহ্বান ছিলো আমাকে ঘিরে
ফিরে চাই আমি নিষ্পলক চোখে
কিছু কি বলবে সে?

কিছুই বলে না নিশীথ রাতের সাথী
অবশিষ্ট জীবনের আশীর্বাদ জড়িয়ে চোখেমুখে
হেঁটে যায় সম্মুখে
আর শুধু বলে যায়- হ্যালো।

০৩.১০.২০১০
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29283932 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29283932 2010-12-05 10:07:36
মনটা উড়াল পাখি যে হয় যোজন যোজন দূরে তবু স্বপন তোমায় ঘিরে
উদাস দুপুর রুক্ষ বালু তপ্ত শ্বাস এই বুকে
তবুও আশার বাতাস ছড়াও ভালোলাগা সুখে।

কোন্ ঠিকানায় কোথায় বসত যদিও জানি না
পাখি হয়ে খুঁজছি শুধুই তোমার ঠিকানা
মৌনতার এক লগ্ন ঘিরে ডাকে মিলন সোহাগ
খুশির জোয়ার ঢেউ তুলে যায় কাঁপে বুকের ভূভাগ।

কী যে জাদু ছড়িয়ে আবেশ জাগে চোখেমুখে
তুমিই আমার স্বপ্নছবি প্রথম প্রেমের সুখে!

২৯.০৪.২০০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29120468 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29120468 2010-03-20 23:48:53
এলাহি কারসাজি
এলাকার বেবাক লোকেরা এলাহি চেয়ারম্যানরে বাহবা দিলো কিন্তু তলে তলে এইহানের পানি ঐহানে গেলো গড়াইয়া- ধীরে ধীরে সুযোগসন্ধানী ছিচকে চোরেরা বাইর অইয়া আইলো মিশা গেলো চেয়ারম্যানের বিরোধী পাট্টির লগে- এলাহির মাতব্বরী বুঝি এইবার শ্যাষ অইয়া গেলো গা

এলাহি বড়ই ধূর্ত লোক- সেও সুযোগ বুইঝা দুষ্কৃতকারীগোর খোঁয়াড়ে গিয়া চুপি চুপি আতাঁত মিটিং বসাইলো- কইলো আপোষ মীমাংসা সবকিছুই করবো সে নিজ খরচায় আইনি লড়াই কইরা জামিন আনবো সবার

একে একে সবাই আইলো বার অইয়া এলাহি কারসাজিতে- আগামী ইলেকশনে এলাহি চেয়ারম্যানের কুনোই চিন্তা থাকলো না আর

১৪.০৯.২০০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29114879 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29114879 2010-03-12 14:19:29
তুমি আমার তুমি আমার সত্যি ভালোবাসা
তুমি আমার বসন্তের ফোটা ফুল
তুমি আমার জীবন নদীর কূল
তুমি প্রেম, তুমি আশা
বুক ভরা ভালোবাসা
তুমি জীবনে প্রথম।।

তুমি প্রথম পড়া প্রেমের কবিতা
তুমি প্রথম চিঠি সুখের বারতা
তুমি প্রথম নায়িকা অচিনপুরের
তুমি প্রথম গায়িকা গানের সুরের
তুমি গান, তুমি ছবি
চেয়েছি যা যেন সবই
তুমি ছুঁয়ে যাও মন।।

তুমি প্রথম দেখা এক পার্বতী
তুমি প্রথম যতি ভুলের ক্ষতি
তুমি প্রথম লাইলী মজনু মনের
তুমি প্রথম শিরী এক ফরহাদের
তুমি ভুল, তুমি হাসি
তোমাকেই ভালোবাসি
তুমি দুচোখে স্বপন।।

১৬.০৩.২০০৪
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29114090 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29114090 2010-03-11 06:50:10
প্রেম সফেদ শরীরে তার কালো অলঙ্কার
সোমত্ত নিভাঁজে মেলে আছে নগ্ন বুক
তার মাঝে মুখ বুঁজে অচিন সন্যাস;
দৃষ্টির অদৃষ্ট আলো চিরচেনা পথে
এইমাত্র ছুঁয়ে গেলো হৃদয়ের প্রাণ!

২.
খুব সাদা নিরেট শরীরে পড়ে আছি অপেক্ষায়
ঘর্ষণে একাত্ম হবো মিশে যাবো দু’জনার গায়,
কী যে ইচ্ছে হলো তার!
অলৌকিক হাতে কমিয়ে দিলেন ব্যবধান, আর
সেই থেকে লেখা হলো স্বচ্ছ দু’টি নাম।

৩.
আলো নয় অন্ধকার তার মাঝে জ্ব’লে থাকা তারা
না না, অন্ধকার নয় আলো- হৃদয় পাগলপারা।

৪.
দু’চোখে স্বপ্নের নেশা রঙে ভরে সামনের দিন
বোশেখি ঝড়ের লীলা তবু কেন করে যায় লীন!

৫.
সাবেরার বুকে ফুল ফুটেছে সুরভি নিয়েছে কে?
মনের তুলিতে হৃদয়ের পটে ছবি এঁকেছে যে।

২৫.০৯.১৯৮৪
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29112527 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29112527 2010-03-08 17:21:52
স্মৃতি ঝর্নার চলার ধ্যান
ভাঙে কোন্ শ্যামল পাহাড়?
সমস্ত শরীরে যার
এলোকেশী নৃত্যের বাহার।

২.
সেই যে আলোর ছোঁয়া
বিঁধে গেলো চোখের তারায়
যতোই এড়াতে চাই
দৃষ্টিধ্যান ততোই বাড়ায়।

৩.
ধুলোর উঠোনে মাখামাখি করে
দৌড়ঝাঁপে মগ্ন স্নিগ্ধ শিশু
ঘুমের শিথানে স্বপ্ন খুঁড়ে যায়
মর্তমান হৃদয়ের যিশু।

৪.
দু'পাশে শালের বন
মাঝখানে পায়ে চলা পথ
পাতার মর্মরে বাজে
ঝ'রে যাওয়া সোনালি শপথ।

১২.১০.১৯৮৪
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29111646 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29111646 2010-03-07 11:56:31
ওকে মনে পড়ে ও এখন দূর সাগরের নীল নীল ঢেউ
আমগ্ন জলের চৈতন্যে নির্ঘুম জলপরী-
থেমে রাখে বাতাসের ক্রুদ্ধ আস্ফালন!

ও এখন কোন্ পথে?
সময়ের হাঙর দাপটে ও কি ধ্যানছুট জলজ শরীর
নাকি জলের বাগানে নৃত্যপর জলের কুমারী?

ও কি কুশলেই আছে?
মাধবী জ্যোৎস্নার রাতে ওকে এখন ভীষণ মনে পড়ে!

১৯.০৪.১৯৮৫
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29110190 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29110190 2010-03-04 23:57:35
তার কথা মুখেই ভাষাই ভালোবাসা, ঘৃণার কারণ হয়'

অনর্গল কথা বলা মানুষের মুখের দিকেই চোখ থাকে বেশি। কখন পড়বে ভাঁজ ঠোঁটের কোণায়, ভ্রু কুঁচকিয়ে বা দুঠোঁট বাঁকিয়ে কতো রকম ঢঙে ফুটবে কথার তুবড়ি, আসবে ছুটে থুথুর কণা শরীরে সে ব্যাপারে সজাগ থাকি সবসময়।

মাঝে মাঝে মনে হয় কথা নয় কেউ কেউ উগলে দিচ্ছে বমি। মুখ ফিরিয়ে নিই অন্যদিকে; এই বুঝি নাড়িভুড়ি উল্টে যাবে পেট থেকে আচমকা আমারও!

খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। শুধুমাত্র কথা শুনেই যার প্রেমে পড়েছিলাম তার কথাও তিক্ত লাগে নিমনিশিন্দার মতোন। মনে হয় সে ফোনে শুধু কথাই বলে না, ঢেলে দেয় বিষ!

শুনেছি কথার নাকি মরণ নেই, সব কথা জমে থাকে ইথারে ইথারে। বৈজ্ঞানিকরা শত কোটি বছর আগের কথাও ফিরিয়ে আনবেন পৃথিবীতে একদিন!

এরকম সুযোগ পেলে আমিও তার আগের এবং এখনকার বলা কথাগুলো পরপর বাজিয়ে শোনাতাম তাকে সিডি প্লোয়ারে। খুবই মজা হতো বুঝিবা তখন!

২৪.০২.২০০৯

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29108741 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29108741 2010-03-02 21:17:00
হালকা রসাত্মক আঞ্চলিক ভাষায় গূঢ় তত্ত্বের গল্পের বই আবু মুস্তাফিজ-এর 'লুহার তালা'
হালকা রসাত্মক ঢঙে 'লুহার তালা'র গল্পে টাংগাইলের আঞ্চলিক ভাষার কারিশমা আবু মুস্তাফিজ-এর এ বইটি না পড়ে আস্বাদনের উপায় নেই। সাথে পাবেন লেখকের বাস্তবনির্ভর জীবনের গূঢ় তত্ত্বের দিক নির্দেশনা। ছোট ছোট গল্পের টুকরো কথায় তিনি তুলে এনেছেন সমাজের নানান অসঙ্গতি, দৈনন্দিন জীবনাচার; তুলে এনেছেন অধুনা নাগরিক ভাবনা, বুদ্ধিভিত্তিক পেশাজীবিদের ভণ্ডামিসহ নিম্নবিত্তের নানান দুঃখগাথা।

লুহার তালা, স্বপ্ন, মাল বানানি, পিকাসো ও রম্ভা, সুভদ্র বাঘ এবং বেলেহাজ বিড়াল, হুরমুজ বিএসসি আর তার ছুটো ভাই মঞ্জু ভুনা খিছুরি আর গরুর গুস্ত খাইয়া মইল, একটা শক্তিশালী বাঘের গল্ফ, টকেটের ভিতর পকেট আর পকেটের ভিতর টকেট, একটা ঘাসখাইকা বাঘ এবং ভুদাই ঘুড়া- এই নয়টি গল্প নিয়ে লেখা হয়েছে 'লুহার তালা'। প্রতিটি গল্পই সংঘবদ্ধ, সুখপাঠ্য ও মজার। তবে সবচেয়ে ভালো লেগেছে লুহার তালা, স্বপ্ন, সুভদ্র বাঘ এবং বেলেহাজ বিড়াল, হুরমুজ বিএসসি আর তার ছুটো ভাই মঞ্জু ভুনা খিছুরি আর গরুর গুস্ত খাইয়া মইল, একটা শক্তিশালী বাঘের গল্ফ এবং একটা ঘাসখাইকা বাঘ এবং ভুদাই ঘুড়া গল্পগুলো।

বেশির ভাগ গল্পের চরিত্রে বাঘ, ঘোড়া, বিড়াল, খরগোশ কিংরা হরিণ চরিত্র প্রতীক হিসেবে উঠে এলেও এ বইয়ের প্রতিটি গল্পই আমাদের সমাজের নানান অসঙ্গতি ও বাস্তব চিত্র নিয়ে। 'লুহার তালা' গল্পে আধুনিক প্রেমের নষ্টামি ও যুবক-যুবতীর ভাবনা, 'সুভদ্র বাঘ এবং বেলেহাজ বিড়াল' গল্পে নিচু শ্রেণির প্রতি সমাজপতি ও উচ্চবিত্তের মনোভাব, 'হুরমুজ বিএসসি আর তার ছুটো ভাই মঞ্জু ভুনা খিছুরি আর গরুর গুস্ত খাইয়া মইল' গল্পে রাজনৈতিক চরিত্রের অকাল পরিণতি ও আমাদের ভাবনা, 'স্বপ্ন' ও 'একটা শক্তিশালী বাঘের গল্ফ' গল্পে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের জনচেতনা এবং 'একটা ঘাসখাইকা বাঘ এবং ভুদাই ঘুড়া' গল্পে শোষিতের মনোলোভা কথায় শোষিতের সর্বনাশ ফুটে উঠেছে।

আর সমালোচনার কথায় যদি আসি- আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধিতে( যদিও আমি গল্পের তেমন কিছুই বুঝি না!) অনেক ভালো গল্পের মাঝে 'মাল বানানি', 'পিকাসো ও রম্ভা' কিংবা 'টকেটের ভিতর পকেট আর পকেটের ভিতর টকেট' গল্প ক'টি এ বইয়ে সংক্ষিপ্ত ও বেমানান ঠেকেছে। সম্পূর্ণরূপে টাংগাইলের ভাষায় রচনা সফল মনে হলেও মাঝে মাঝে গল্পের বর্ণনায় লেখককে প্রমিত ভাষার আশ্রয়( যেটা আমার কাছে কাঙ্ক্ষিত মনে হয়!) নিতে হয়েছে ঠিকই।

সবশেষে বলবো - আবু মুস্তাফিজ-এর 'লুহার তালা' বইটি গল্পপিপাসুদের জন্য একটি পুরোপুরি সফল প্রকাশনা। পাঠক এ বইটি না পড়লে বঞ্চিত হবেন একটি হালকা রসাত্মক আঞ্চলিক ভাষায় গূঢ় তত্ত্বের গল্পের বই পড়া থেকে। আমি আবু মুস্তাফিজ-এর 'লুহার তালা'র বিস্তর প্রচার ও প্রসার কামনা করছি ।
বইটি প্রকাশ 'শুদ্ধস্বর'- অমর একুশে গ্রন্থমেলা স্টল নং ২৪০। প্রচ্ছদ এঁকেছেন আহমেদ অরূপ কামাল।

২৬.০২.২০১০]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29105721 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29105721 2010-02-26 02:30:19
লিমেরিক! লিমেরিক!!‍ বিষ্ঠা গিলে সব মাছেতেই- ঘাউরা মাছের নাম হয়
তলে তলে চুনোপুটির সর্বনাশের কাম হয়
হোক সে ফেলা যতই না জাল
রয় অধরা রাঘব বোয়াল
সুযোগ বুঝে বনের রাবণ দেশের পতি রাম হয়!

২.
মজা মারে ফজা ভাই- ভাবে কারো দুঃখ নাই
সকল সময় নগদটাই চায় যে ষোল আনাই
পৌষের পরে মাঘ এলে
শীতে কি আর বাঘ মেলে
গহিন বনে যায় পালিয়ে বনের রাজাটাই!

২৪.০২.২০১০

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29104848 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29104848 2010-02-24 21:31:05
ব্লগার শুভ,ঔপন্যাসিক আলী মাহমেদ-এর 'জীবনটাই যখন নিলামে' ''জীবনটাই যখন নিলামে' উপন্যাসের-এর গল্পের শুরু নায়িকা লোপার ভাবনা দিয়ে-
''একবার দেহ থেকে যখন বার হয়ে যাব
আবার কি ফিরে আসব না পৃথিবীতে?
আবার যেন ফিরে আসি
কোনো এক শীতের রাতে
একটা হিম কমলালেবুর করুণ মাংস নিয়ে
কোনো এক পরিচিত মুমূর্ষুর বিছানার কিনারে।''
জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুভাবনার এসব কবিতার উদ্ধৃতি লেখক তাঁর বইয়ের মুখবন্ধেও দিয়েছেন। উপন্যাসের একবারে শেষ প্রান্তে নায়ক-নায়িকার শেষ অনুভবে, সমাপ্তিতেও মিশে আছে এই মৃত্যুচিন্তা।

আলী মাহমেদ-এর ''জীবনটাই যখন নিলামে' এমনই এক উপন্যাস যা শুরু করলে একবারে না পড়ে উঠতে চাইবে না পাঠক। বলার ঢং, ভাষা, কাহিনির টান এতো শক্তিমত্তার যে জরুরী প্রয়োজনে একবার আমার ঘরের বাইরে যাওয়াও ঠেকিয়ে রাখলাম আলী মাহমেদ-এর এ বইটি শেষ করার তাগিদে। অবশেষে শেষ করেই লিখতে বসেছি আলী মাহমেদ, শুভ'র এ তাজা খবরটি জানাতে।

''জীবনটাই যখন নিলামে' উপন্যাসের কাহিনি ঘিরে আছে কর্পোরেট শোষণ, পীড়ন ও দলন। গল্পের মূল চরিত্রে আছে কর্পোরেট কর্মী রাব্বি, তার স্ত্রী লোপা, অফিসের বস সৈয়দ বাসার, কলিগ শামসির, লোপার ভাই সুমন, তার বন্ধু জামি ও সুবির।

মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিগুলো কীভাবে এদেশের মেধাসম্পন্ন চাকরিজীবিদের মাথা কিনে রাখছে, বানাচ্ছে দাসানুদাস, করছে পীড়ন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ আলী মাহমেদ-এর এবারকার অমর একুশে গ্রন্থমেলার বই ''জীবনটাই যখন নিলামে' । শুধু যে সাম্রাজ্যবাদী শোষণ এদেশের মেধাকে শোষণ, পীড়ন করছে তা নয়- তাদের সাথে যোগ দিচ্ছে সৈয়দ বাসার-এর মতো অযোগ্য, দুর্নীতিবাজ কর্পোরেট প্রধানরা।

সৈয়দ বাসার, শামসির-এর মতো দেশিয় বেনিয়া সুবিধাবাদী দুর্নীতিবাজদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব খুইয়ে রাব্বি-লোপার মতো দম্পতিরা তাদের জীবন নিলামে তুলে দিচ্ছে, জীবনের সমাপ্তি টানার ইচ্ছেয় বলছে-
''কখনও কি মনে হয় এমন
মৃত্যুর গা ছুঁয়ে বলি
তোকে ছুঁয়ে দেই, কেমন?''

আলী মাহমেদ-এর উপন্যাসের মূল আকর্ষণ তাঁর লেখার স্টাইল ও গদ্য। এর আগে সামহোয়্যারইন ব্লগের প্রথমদিকে শুভ নামের ব্লগারের গদ্যে আমি ছিলাম একনিষ্ঠ ভক্ত, এখনও আছি। তবে এবারকার বই পড়ে আমার ধারণা পাল্টে গেছে। বাংলাদেশের নব্যধারার উপন্যাস লেখক হুমায়ূন, মিলন, সাবেরদের লেখনী তিনি ধরতে পেরেছেন। যদিও অঞ্চলিক কিছু কথা চলে এসেছে গল্পের বর্ণনায় তথাপি সবচেয়ে ভালো লেগেছে রাব্বির খিস্তিখেউড়ের ভাষা ও নায়িকা লোপার মননে জীবননান্দ চেতনার বিকাশ।

আমি ব্লগার পাঠকদের বলবো একবার হলেও ''জীবনটাই যখন নিলামে' পড়ুন। বইটির প্রকাশক জাগৃতি, প্রচ্ছদ আহমেদ ফারুক।

২২.০২.২০১০]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29103062 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29103062 2010-02-22 11:44:51
অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আমার কবিতার বই- সভ্যতা, থামাও যাত্রা আগামী ফেব্রুয়ারি ১৮, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় আমার কবিতার বই 'সভ্যতা, থামাও যাত্রা'-র মোড়ক উন্মোচন হতে যাচ্ছ।
আপনি আমন্ত্রিত।

বই পরিচিতি-
বইয়ের ধরন- কবিতা
লেখক- শেখ জলিল
প্রকাশক- আহমেদুর রশীদ চৌধুরী
প্রচ্ছদ- সুমন
আলোকচিত্র- সালমা জাহান
প্রকাশনা- শুদ্ধস্বর
স্টল নং- ২৪০
বইয়ের পৃষ্ঠা- ৬৪
মূল্য- ১০০ টাকা

ফ্যাপে যা লেখা আছে-
গাঁয়ের অভিমানী কিশোর প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ বুকে নিয়ে নগরের রাজপথ ধরে হাঁটছে। দেখছে সুনীল স্বপ্ন। স্বপ্নে ঘুরেফিরে আসে তার মনের গহিনে ঘুমিয়ে থাকা মানুষের জলছবি, আসে নদী মেখলা বাংলার ইলিশ, আসে হাস্নুহেনার ঘ্রাণ, আসে ফিরোজা রং শাড়ির আঁচল। আর স্বপ্ন ফুরালেই মিলিয়ে যায় সব। জেগে থাকে ফাগুনের আগুনে পোড়া নৌকার গলুই। মথিত হৃদয় খাঁ খাঁ করে। আক্রোশ জেগে ওঠে সভ্যতার মেকি আস্তরণে, যাকে মরিচীকা বলে মনে হয়। মনে হয় মাধবী জ্যোৎস্না রাত সত্য নয়।
যদি সত্য হয় কাব্যময় পৃথিবীর আখ্যান, তাহলে সেখানে থাকবে না অশিা, ুধা, দারিদ্র্য। থাকবে না অস্ত্রের ঝনঝনানি। থাকবে না সভ্যতার সন্ত্রাস। তাহলেই গাঁয়ের প্রেমিক কিশোর সব ফাঁড়া কাটিয়ে খুঁজে পাবে সুস্থ জীবন, খুঁজে পাবে প্রেমময় জীবনের শপথ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29099763 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29099763 2010-02-17 16:22:47
সভ্যতা, থামাও যাত্রা সভ্যতা, থামাও যাত্রা
ফলবতী পৃথিবীর নিষ্পাপ হাসির জ্যোৎস্না থেকে
এইবার সরিয়ে নাও রাহুর ছায়া।

অধীন বিশ্বের কাদাজলে হেঁটে সকালের চিক্চিক্ রোদে
শের আলীর দু’চোখ থেকে খসে যায় স্বাধীন সুরুজ;
দুপুরে ঘুঘুর ডাক ছেয়ে গেলে ঘুম ঘুম চোখ
আচম্বিত পুড়ে যায় জলপাই বন।
উড়ন্ত পায়রার মেঘনীল ঝাঁক থেকে বোমারু বিমান, থামাও মহড়া
সবুজের বুক জুড়ে দাসত্বের রোলার, থামাও যাত্রা।

ফাগুন পেরিয়ে ফাগুন না আসতেই সখিনার হাতে মোছে মেহেদীর রং
প্রমীলার সাধের বাসর ঢেকে দেয় অন্ধ গলি
চাঁদনি মুখের থেকে কলঙ্কের ঢেউ, থামাও আসর
বিত্তবান ব্যারাক থেকে বলড্যান্স, থামাও নেশা।

স্রোতের কিনারে কাশবনে থোকা থোকা ফুলে
ফুটে ওঠে যখন মুখর হাসি-
ঘাসের শরীরে বাজে অনাথের শোকগাথা
নিঃস্বের দু’চোখ ঢেকে নদীজলে ভেসে যায় বাস্তুভিটা;
দুর্গতের হাত থেকে কুটিল চক্র, থামাও থাবা
নিরর জমিন থেকে স্বার লাঠি, থামাও সংঘাত।

পৃথিবীর মায়াবন ছেয়ে দুঃস্বপ্নের স্রোতে
দুর্ভিরে তাণ্ডবে ভাসে ইথিওপিয়া;
দুরাশার ঘোরে কেঁদে কেঁদে মরে ফিলিস্তিন।
আকাশের সুনীল জুড়ে পরাশক্তি ঝড়, থামাও তাণ্ডব
তৃতীয় বিশ্বের দ্বারে কুটিল সাম্রাজ্যবাদ, থামাও তোমার মন্ত্র।

প্রসূতি মায়ের ঊর্বশী বুকে মারণ অস্ত্র, ক্ষান্ত হও
সভ্যতার সভ্য লগ্নে বিজ্ঞান তোমার নাপাম বোমা, থামাও ক্রোধ
শান্তির পতাকা ছিঁড়ে সভ্যতার সন্ত্রাস, থামাও যাত্রা
থামাও যাত্রা, থামাও যাত্রা।

২৫.০৭.১৯৮৫
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29095056 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/29095056 2010-02-11 01:31:27
সুলতানা শিরীন সাজি: কবিতায় জীবনের গল্প লিখেন যিনি
এই কবির লেখা এতোই জনপ্রিয় যে তাঁর ব্লগের পরিসংখ্যান এমন-
পোস্ট করেছেন: ২০৭টি
মন্তব্য করেছেন: ১১৬৬৭টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ১৪২৯৩টি
ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ৩ মাস
ব্লগটি মোট ১৩৫৫৫৬ বার দেখা হয়েছে।

বইমেলায় কথা হচ্ছিলো সুলতানা শিরীন সাজির সাথে। খুব ছোট্টবেলা থেকেই তিনি লেখেন। মূলত বড় ভাই কবি ডা. জাকিউল ইসলাম ফারুকীর অনুপ্রেরণায় তাঁর লেখা শুরু। প্রথমে ছড়া, তারপর কবিতা, গল্প, ভ্রমণকাহিনী নানান বিষয়ে লিখেন তিনি। পরাবাসের নিভৃত সময় কাটান নেটে পড়াশোনা ও লেখালেখি করে। এর সুবাদে সামহোয়ারইনব্লগ তারপর প্রথম আলো ব্লগে লেখালেখি। সবখানেই তাঁর লেখা পাঠকের প্রাণ ছুঁয়ে যায়। কী কবিতা, কী ডায়েরী বা ব্লগকথন নজর কাড়ে পাঠেকের।

তাঁর প্রথম কবিতার বই ' এক জোছনায় তুমি আর আমি' গ্রন্থে মোট ৮৩টি কবিতা আছে। প্রায় কবিতায়ই গল্প বলার ঢঙে তিনি তুলে এনেছেন জীবনের গূঢ় কথা। প্রকটভাবে প্রকাশ পেয়েছে প্রেম-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ, মিলন-বিরহ ও ঘাত-প্রতিঘাতের যাপিত জীবন। মূলত কবিতায় তিনি জীবনের গল্প লেখেন তুলির আঁচড়ে নানান রঙে। এ ছবি মন থেকে মুছে যায় না কখনো, একবারে রং মেখে যায় পাঠকের হৃদয়পটে। ফুলপাখি, মেঘবৃষ্টি, নদীসমুদ্র কিংবা প্রকৃতির নিটোল রূপ তাঁর কবিতার বিষয়বস্তু। সমকালীন ঘটনার প্রাণস্পর্শী বর্ণনাও এসেছে তাঁর কবিতায়। তাঁর প্রায় সব কবিতায় পাই জীবনের আশাবাদ-
'...........
গাছেরা জানে
পাতারা জানে
ফুলেরা জানে
পাতা ঝরার বেলা শেষ হতে না হতেই
আসবে বরফ ছাওয়া হিমেল দিন
এবং তারপর
সেই বসন্ত।....'( ঝরা পাতা এবং আমার চলে যাওয়া বোধেরা লুকোচুরি খেলে, পৃষ্ঠা ৩৯)

আবার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের আশাও জেগেছে তাঁর কাব্যিক বর্ণনায়-
'..............
একদিন আবারও বাংলাদেশ হবে
মুক্ত চেতনার নাম।
শুদ্ধতার নাম।
বাংলাকে ভালোবেসে বাংলাদেশ হাসবে নিরন্তর।' (ওরা বলেছিলো,পৃষ্ঠা ৯১)

প্রেম-ভালোবাসার অনুভূতিও তাঁর কবিতাতে প্রখর, একেবারে নির্জলা প্রাণের বাণী। যেমন-
'ভালোবাসার কাছে গেলেই এমন হয়
হাঁটুতে কাঁপন লাগে।
দু'চোখে অস্থিরতা।
বুকের মধ্যে দ্রিমদ্রিম হাতুড়ীর শব্দ।...'(ভয়, পৃষ্ঠা ৩৬)

এবং শেষ কবিতা পর্যন্ত ফুঠে উঠেছে তাঁর জীবন ও প্রেমের আশাবাদ-
'কত সুখ ছবি
কত ভালোবাসা
কত নীরবতা।
তবু ভালোবাসা
তবু কাছে আসা
জোছনার সাথে মিশে মিশে।..' (এক জোছনায় তুমি আর আমি, পৃষ্ঠা ১১২)

এরকম প্রায় সব কবিতার পাঠকরা খুঁজে পাবেন জীবনের গল্প, বেঁচে থাকার বাণী। সুলতানা শিরীন সাজি হাতশাবাদী কবির ভীড়ে নন, বেঁচে থাকেন জীবনের জয়গানে, অদম্য সাহসে, নতুন দিনে নতুন স্বপ্নের প্রত্যাশায়।

আমি তাঁর কবিতার বই 'এক জোছনায় তুমি আর আমি'র বহুল প্রচার কামনা করছি। পাওয়া যাবে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় 'জাগৃতি প্রকাশনী'র স্টলে।

২১.০২.২০০৯]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/28914191 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/28914191 2009-02-21 11:41:39
কবি নাজনীন খলিল: অবাক বিস্ময় ও মুগ্ধতার আরেক নাম
এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় তাঁর কবিতার বই 'বিষাদের প্রখর বেলুনগুলো' গতকাল কিনলাম। হাতে পেয়েই প্রায় পড়ে ফেলেছি সবগুলো কবিতা। যতোই পড়ছি ততোই মুগ্ধ হচ্ছি তাঁর কবিতার ভাষায়, শব্দচয়নে আর অনুভবে। নিটোল শব্দগাঁথুনি, বিমূর্ত চিত্রকল্প, পরিপক্ক আধুনিক ভাষা তাঁর কবিতার বৈশিষ্ট।

কবি নাজনীন খলিল সামহোয়ারইনব্লগের এক শক্তিশালী কবির নাম। প্রায় তিন দশক ধরে লিখলেও অন্তর্জালে তাঁর প্রবেশ ইদানিং। তিনি নিজের স্বীকার করেন কবিতাই তাঁর পুষ্টি, তৃপ্তি আর উল্লাস। কবিতায় নিবেদিত এই প্রাণ পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতা করেছেন অনেক বছর। সিলেট থেকে প্রকাশিত সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক 'মাসিক সমীকরণ' এর সাথে যুক্ত ছিলেন পনের বছর। অধুনালুপ্ত 'সাপ্তাহিক জনধারা'(পরে দৈনিকে রূপান্তরিত)-তে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রকাশিত প্রথম কবিতার বই 'পাথরের সাঁকো'বের হয় ১৯৯৯ সালে।

তাঁর দ্বিতীয় কবিতার বই 'বিষাদের প্রখর বেলুনগুলো' পড়ে কবিতার প্রতি এক আলাদা আগ্রহ তৈরি হচ্ছে মনে। একবার পড়ে সাধ যেন মিটছে না। ভেতর থেকে বারবার তাগিদ দিচ্ছে আবারও পড়ার। পাতার পর পাতা যতোই উল্টাচ্ছি ততোই মুগ্ধ হচ্ছি কবির কবিতার পরিপক্কতায়। কী অবলীলায় তিনি উচ্চারণ করেন-

সমুদ্র কখনো জানে কাকে বলে নিস্তব্ধতা?
নিজেরই প্রবল তরঙ্গ উচ্ছাসে আত্মমগ্ন
আনন্দ-আক্রোশে ভেঙ্গে ভেঙ্গে চলে...
.........................
জলের নিয়ম না জেনে
যে যায় সমুদ্রে--সে আর ফেরে না। (সে আর ফেরে না- পৃষ্ঠা ২৮)
অথবা,

দরজার ওপাশে মৃত্যু
এপাশে আত্মহনন।
...............................
মধ্যরাতের মাতাল করাঘাতে সংঘাত বাড়ে
শ্বে-কপোতের ঘরে কপোতারি-আঁচড় লেগে থাকে
...............................
আয়নায় ভেসে ওঠে হন্তারক ছবি। (আয়নায় হন্তারক ছবি- পৃষ্ঠা ৩২)

কিংবা 'দুই ফোঁটা নুন' কবিতায়-
................
চাতকেরা বৃষ্টি ছোঁয়নি
বৈরাগ্য--ছুঁয়ে ফেলেছিল তাঁদের। (দুই ফোঁটা নুন- পৃষ্ঠা ৪০)

এরকম হাজারো ভালোলাগা অনুভূতির কবিতা পাওয়া যাবে তাঁর বর্তমান গ্রন্থের ৫৭টি কবিতায়। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এক ডজন সিরিজ কবিতায় সবাই কাঁদবেন, উদ্দীপ্ত হবেন স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনায়। কবি নাজনীন খলিল এক ভালোলাগা কবির নাম, মুগ্ধ বিস্ময়ের নাম। তাঁর কবিতা আপনাকে মুগ্ধ করবেই। যারা এখনও সংগ্রহ করেননি বইটি তাদের বলবো সংগ্রহ করতে। শারমীন আফসানা শুচি'র আঁকা সুন্দর প্রচ্ছদের বইটি পাওয়া যাবে শুদ্ধস্বর প্রকাশন, স্টল নং ১৯৪, অমর একুশে গ্রন্থমেলায়।


২০.০২.২০০৯]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/28913799 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/28913799 2009-02-20 13:57:03
বসন্ত দিবসে অমরত্বের চন্দন কুড়ে খায় বৈষয়িক ঘূণপোকা।
এক পা বাড়িয়ে চলি দু'কদম পড়ে যাই পিছে
স্বপ্নের খরায় পুড়ে বেঁচে থাকা যেন শুধু মিছে!

অন্তরে অন্তর ভরে খুলে যায় সুখের দুয়ার
অনেক নিয়েছি তবু কী যেন পাইনি তার!
ধরা ও ছোঁয়ার মাঝে এ যেন আজন্ম সেতুবন্ধ
এখনও রয়েছি বেঁচে তাই বিরহে হইনি অন্ধ।

তোমাকেই চাই আবার তোমার থেকে যাই ফিরে
আমৃত্যু তুমিই আমার দুঃখ ও সুখ নদী তীরে।
তোমার মিলন সুখে আমি নিয়েছি সন্ন্যাস বাস
এ আমার ভালোবাসা আর না-পাওয়া দীর্ঘশ্বাস!

১৩.০২.২০০৯
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/28911276 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/28911276 2009-02-14 22:22:28
অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আমার বই 'জায়গীরনামা' তখনও অনেকের মানসিকতায় কিছুটা স্থান ছিল অন্যকে প্রশ্রয় দেবার
এবং তখনই কিছু শিক্ষার্থী অন্যের বাড়িতে অন্যের প্রশ্রয়ে চালিয়ে যেতো নিজের পড়াশোনা;
জায়গীর কিংবা লজিং মাস্টার নামে পরিচিত সেইসব ছাত্ররা এখন আর প্রশ্রয় পায় না কোথাও

ষষ্ঠ শ্রেণীর এক কিশোর হাটকয়েড়া থেকে জায়গীর জীবন শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত এসে ময়মনসিংহের ট্রেনে উঠেন মেডিকেলে পড়তে যাবার জন্য

মাঝখানে কেটে যায় সাত সাতটা বছর

গল্পের মতো করে বলে যাওয়া সেই সাত বছরের ঘটনাই জায়গীরনামা

প্রকাশন: শুদ্ধস্বর
প্রচ্ছদ: সব্যসাচী হাজরা
মূল্য: আশি টাকা
Click This Link
Click This Link
Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/28904836 http://www.somewhereinblog.net/blog/SheikhJalilblog/28904836 2009-01-31 16:31:59