অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
আমি সচেতন হতে চাই সকল বিষয়ে।
আর এস এস ফিড

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

আমার প্রিয় পোস্ট

ঈদে শিশুকে কোন প্রশ্নটা করবেন না

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:০৬ |

শেয়ারঃ
18 0

বড় হয়ে গেছি। আর তাই ঈদ আর আগের মতো লাগেনা। কিন্তু যখন ছোট ছোট শিশুদের ঈদের আনন্দে মাতামাতি করতে দেখি মনটা জুড়ায় যায়। কি সুন্দর পোষাক, সুন্দর সাজুগুজু, নতুন জুতা, ফিতা, আবার চোখে রংএর চশমা, নানা সাজে সাজে শিশুরা। কিন্তু এই সুন্দর মনের শিশুকে আমরা বড়রা নষ্ট করি। ঈদে বা ঈদের আগেই আমরা সবাই শিশুদেরকে একটা কমন প্রশ্ন করি। আমার মতে সেটা একদমই করা উচিত নয়।

‘সুনাতা, এবার ঈদে তুমি কয় সেট জামা কিনেছো?’
‘সুনাতা, কে কে তোমাকে কয়টা করে জামা দিয়েছে?’
‘সুনাতা, তুমি কি শুধু জামা-ই কিনেছো, জুতা কিননি?’
ইত্যাদি ইত্যাদি…

আমার এই ধরনের লেখায় অনেকেই আমাকে আঁতেল বলবেন হয়তো, কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি কোন শিশুকে এই ধরনের প্রশ্ন করিনা, করাটা পছন্দও করিনা। আমার মনে হয়, এই ধরনের প্রশ্ন (আমি ঈদকে কেন্দ্র করে বললেও আসলে বিভিন্ন সময়েই আমারা এই ধরনের কথা বলি) একটা শিশুকে ভোগ্য করে তোলে। তাকে এই শিক্ষা দেয় যে তার অনেক সেট জামা পাবার উচিত ছিলো। আর তাই বড় হবার সাথে সাথে যেন এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে সেই প্রস্তুতি মনে মনে শিশুটি পালন করতে থাকে। আর তাই শিশু হতে যখন কিশোর-কিশোরী হয়, তখন মা-বাবাকে চাপ দেয় অধিক সেট ঈদ পোষাকের জন্য। ‘নানু কি দিয়েছে? দাদু কি দিয়েছে? মামা-খালা কি দিয়েছে? চাচা-চাচী কি দিয়েছে? মা-বাবা কি দিয়েছে?’ এই ধরনের প্রশ্ন করে একটা শিশুকে বুঝিয়ে দেই যে ওদের সবার কাছ থেকেই কিছু একটা পাওয়া ওর অবশ্যই উচিত ছিলো। আর এই ধরনের প্রতিযোগীতায় যখন একটা শিশু বড় হতে থাকে তখন যে মা-বাবারা পারেনা তার সন্তানকে সন্তুষ্ট করতে, তারা অনেক কষ্ট পায়। আশা করি পাঠক বুঝতে পেরেছেন আমার কথা।

আমি শুধু সমস্যা নিয়ে কথা বলা পছন্দ করিনা। সাথে বলতে চাই সমাধান কি হতে পারে। আমি অনেকটা এইভাবে একটা শিশুর সাথে কথা বলে থাকি:
আমি: সুনাতা, তোমাকে এই পোষাকে খুবি সুন্দর লাগছে! এটা কি তোমার পছন্দের ড্রেস?
সুনাতা: হা, আমার পছন্দের!
আমি: (তার কয়টা পোষাক সেদিকে না গিয়ে) তো, তুমি ঈদে কেমন করে মজা করলে?
সুনাতা: অনেক কিছু খেয়েছি। খালামনির বাসায় বেড়াতে গিয়েছি। খালামনি আমাকে একটা পিংকুশ জামা দিয়েছে।
আমি: (খালামনি দিয়েছে সেটা অবশ্যই ভালো কথা কিন্তু আমি জানতে চাইনা আর কে কে কি দিয়েছে। শুধু ‘তাই’ বলে ঐ বিষয়টা শেষ করি) তাই
আমি আবার: কি কি খেলা করেছো?
(এভাবে চলতে পারে কথাবার্তা)

যদি কোনভাবে এমনি-এমনি সুনাতা বলেই দেয় যে, সে ৫ সেট জামা পেয়েছে তবে সিম্‌প্লী সেটাকে ইগনোর করি। এভাবে প্রকাশ করিনা, “ও! তাই! পাঁ—চ সে—ট! তো কে কে কি দিলো সুনাতা?” বরং আমি ওর সাথে একটু অন্যভাবে কথা বলে প্রসংগ পাল্টাই। যেমন:
সুনাতা: আমি না ৫ সেট ড্রেস পেয়েছি!
আমি: আমি ছোট বেলায় ঈদে কি করতাম জানো?
সুনাত: কি করতেন?
আমি: অনেকের সাথে দেখা করতে যেতাম, বন্ধুদের সাথে খেলা করতাম, আর যখন বন্ধুদের বাসায় বেড়াতে যেতাম সেমাই খেতাম, এভাবে খুব্বি মজা করতাম।
সুনাতা: আপনি নতুন নতুন জামা পরতেন না।
আমি: পরতাম, তবে বন্ধুদের সাথে খেলা করেই আমরা বেশি মজা পেতাম। (এই কথাটা বলেও আমি আবারো পোষাকের উপর বা এর পরিমানের উপর গুরুত্ব দেইনা)

পরিশেষে বলি, আমি জানি আমরা সবাই আমাদের সন্তানকে প্রানের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। আর তাই সকল শ্রেণীর অর্থনৈতিক ক্ষমতা সম্পন মা-বাবারাই তার সন্তানকে উৎসবে অবশ্যই উপহার দেয়। সেটা ঠিকও আছে। সন্তানকে দিয়ে আসলে আমরাই খুশি হই, আনন্দ পাই। কিন্তু আমি মনে করি একটা শিশুকে শুধুই ‘কয় সেট জামা পেয়েছো?’ এই ধরনের প্রশ্ন করে তাকে ভোগবাদী করে তোলার সুড়সুড়ি দেয়া অনেক বড় অন্যায়। প্রতিটি শিশুই সুন্দর, আসুন তাদেরকে সুন্দরই থাকতে দেই। আমাদের আচরন বা শুধুই একটা কথার দ্বারা তাকে নষ্ট না করি।

সর্ব শেষ কথা। যদি কোনভাবে বুঝেই যান যে ঐ শিশুটির পোষাক নতুন নয় ভুলেও তার পোষাক নিয়ে বেশি কথা বলবেন না। ‘তোমার ড্রেসটাতো নতুন মনে হচ্ছেনা’ 'ঈদে নতুন জামা কিননি?' – এই ধরনের প্রশ্নতো করবেনই না বরং তখনও বলুন যে তাকে সুন্দর লাগছে।

-----------------------------------------------------------
এই লেখাটি গতবছর পোষ্ট দিয়েছিলাম। আবার ঈদ আসছে, আর তাই, রি-পোষ্ট দিলাম যেন আমরা বিষয়টি ভুলে না যাই। শিশুর সাথে আচার আচরন বিষয়ক আরো লেখা পড়তে এখানে ক্লীক্‌ করুন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শিশুশিশুরযত্ন ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


২৫টি মন্তব্য

১. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:১৪

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট। সম্পূর্ন সহমত। প্লাস।

২. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:১৬

নিশাচর০০ বলেছেন: ভাই আসলেই ঠিক বলেছেন । ছোট বেলায় আমাকেও অনেকে এই টাইপ প্রশ্ন করত আমি উত্তর দিতাম । কিন্তু এখন বুঝতে পারছি টা আমার মনের উপর অনেক বিরূপ প্রভাব ফেলেছে ।

৩. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:১৭

অভয় ইসলাম বলেছেন: ভালোতো অনেক ভুল করেছি মনে হয় আগে। আজকে থেকে আর এ কাজগুলো করব না। কথা দিলাম। ধন্যবাদ।

এপ্ট কম

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: এই ধরনের কথা/মন্তব্য/কথাদেয়া/প্রতিজ্ঞা আমার অসম্ভব ভালো লাগে! আমরা অনেকেই বলি, 'সুন্দর হয়েছে' 'পোষ্টে প্লাস' 'ভালো লেখা' ইত্যাদি... কিন্তু খুব কম মানুষ বলি 'আমি এখন থেকেই আর এই কাজ করবো না' বা আপনি যেমনটি বললেন। আপনাকে অভিনন্দন।

৪. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:১৮

গাজী মোহাম্মদ সায়ীদ বলেছেন: ভাল পোস্ট। :)

৫. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:২২

কলম.বিডি বলেছেন: আপনার সাইটটাতে গেলাম।ফেসবুকে শেয়ার করেছি।খুব ভালো লেগেছে।আপনি কি করেন?এই বিষয়গুলো নিয়ে একটা বই বের করেন না প্লীজ।যা হোক আমার মেয়ের পক্ষ থেকে অনেক অনেক দোয়া আপনার জন্য

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: আপনার মেয়ের সুন্দর দুয়াগুলি যেন কবুল হয়। ভাই, বই ছাপাতে পারিনাই কিন্তু আমি বুকলেট আকারে প্রিন্ট করে, তারপর ফটোকপি করে আগ্রহি পরিচিতদের বিলি করেছি অল্প আকারে। পরিকল্পনা আছে একটু অর্থ যোগান (স্পন্সর) পেলে নতুন মা-বাবাদের নিয়ে কর্মশালা করবো। আরো কিছু সেবা দেবার চিন্তা ভাবনা করছি সেই কয়েক মাস ধরেই। দুয়া করবেন যেন, পজেটিভ কিছু একটা করতে পারি বড় সড় আকারে। :)

৬. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:২২

লর্ড আতিকুল জুয়েল বলেছেন: নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট। সম্পূর্ন সহমত। প্লাস।

৭. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:২৪

হামীম বলেছেন: খুব সুন্দর লিখা , শিশুদের জন্যে হ্যাঁ বলুন। আপনার সাথে একমত। ঈদের শিশুদের আনন্দই প্রকৃত ঈদের আনন্দ।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: ঠিক তাই, সেই আনন্দ যেন হয় নির্মল, সেই আনন্দে যেন শিশুটির ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর না হয়। শুভেচ্ছা রইলো...

৮. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:২৮

সাধারণমানুষ বলেছেন: আরেকটা জিনিস এ্যাড দেন, সেলামির টাকা নিয়া প্রশ্ন না করাই ভালো । এতে পোলাপানদের মাঝে টাকার লালসা বাড়ায়ে দেয়।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: এই বিষয়টি যে এ্যড করতে চাইনি তা কিন্তু নয়। কিন্তু আমি সব সময় চাই শিশুদের নিয়ে আমার প্রতিটি লেখা যেন হয় ছোট। কারন অনেকেই বড় লেখা পড়তে চায়না। আর তাই সেলামীর বিষয়টি এই লেখায় এড়িয়ে গেছি। তবে যারা বোদ্ধা (যেমন নি:সন্দেহে আপনি একজন) তাদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট, কি বলেন? তবে আপনার পরামর্শ অনুযায়ী না হয় এ্যড করে দেবো অথব নতুন পোষ্ট দেবো, কি বলেন? আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা, সাধারন মানুষ... :)

৯. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:৩৬

শফিউল আলম চৌধূরী বলেছেন: মনের অনেকগুলি কথা বললেন।

ধন্যবাদ।

১০. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:৪৭

কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: মানুষ হয়ত কথা বলার টপিক হারিয়ে ফেলছে আজকাল, কার কয়টা কি আছে, কার চেয়ে বেশি আছে...এইসব নিয়েই যত আলোচনা!

টোটালি সিক!

২২ শে আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: সুন্দর বলেছেন, আসলেই যেন মানুষ আজকাল টপিক হারিয়ে ফেলেছে। যা কিছু চোখে দেখা যায় শুধু সেগুলি নিয়েই কথা। মানবিক গুনাবলিগুলি যে কি তা শুধু পুরোনো গল্পেই যেন থেকে যাবে।

১১. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ২:৩২

এমদেশ বলেছেন: আপনার এই লেখা আমাদের অনেককেই সচেতন করবে। এসব ভুলগুলো আমাদের কখনোই করা উচিত। আমরা ভুল করি বলেই শিশুরা জটিল ও কুটিল মানসিকতা নিয়ে বেড়ে উঠে।
শিশুদের আমরা ভালো কিছু দিতে পারলে সমাজ ও দেশ উপকৃত হবে।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: একদম সত্য কথা। আমিও বিশ্বাস করি যে, আমরা যদি শিশুদের ভালো দিতে পারি তো ওরাও আমাদের ভালোই দেবে। সমাজ ও দেশ উপকৃত হবেই হবে।

১২. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ সকাল ৮:০৬

মাইন্ড দ্য গ্যাপ বলেছেন: শিশুদেরকে উপহার দেওয়ার মধ্যেই সম্ভবত সবচে বেশী আনন্দ পাওয়া যায়, কেননা উপহার পেলে বাচ্চারা যে এক্সপ্রেশন দেয় বা যে উচ্ছ্বাস দেখায় সেটাতে প্রত্যেকেরই বুক-প্রান ভরে যায়। অথচ উপহার দেওয়ার মিনিটখানেক পরেই (মূলত ঈদ, পুজা বা জন্মদিনে) আমরা বাচ্চাটাকে জিজ্ঞেস করি, 'তুমি আর কার কার কাছ থেকে কি কি উপহার পেলে?' এটা আমাদের স্বভাবের মধ্যেই আসলে ঢুকে গেছে।

আমার নিজের মধ্যে এই প্রবনতা এতোটা নেই, কিন্তু মাঝে মাঝে যে করি সেটা স্বীকার করছি। দূর্ভাগ্যজনকভাবে এই আপাত নিরীহ ব্যাপারে কখনোই আপনার মত করে চিন্তা করি নাই। আপনার পোস্টের সাথে সম্পূর্ন একমত, এবং এই পোস্ট দেওয়ার জন্যে অনেক ধন্যবাদ।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: এমন মন্তব্য আমার খুব ভালো লাগে যেখানে কেউ তার ভুল বুঝতে পেরে কথা বলে এবং শোধরাতে চেয়েও কথা দেয়। এই যেমন আমি শিশুদের নিয়ে লিখছি বলেই যে, একটিও ভুল করিনা তা কিন্তু নয়। আমিও শিখছি, অনেক জানার জন্য বই পত্র পড়ছি, গবেষণা করছি, নিজের ভুল বুঝতে পারছি, অন্যের ভুলও দেখতে পারছি, তারপর চেষ্টা করছি যেন আরো অনেকেই সঠিকটা শিখতে পারে।

১৩. ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৩:৫৭

বড় বিলাই বলেছেন: সালামী নিয়েও বাচ্চাদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা হয়, কেউ বেশি কেউ কম পাবেই, কিন্তু যে কম পায় তার মনটা ছোট হয়ে যায়। এজন্য এই ব্যাপারেও প্রশ্ন না করাই উচিৎ বা এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ।

১৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:৫১

একলোটন বলেছেন: এখন আদু নি ক বাপমায়ের কানে গেলে অয় আর কি!!!
আর যদি আমরা বুঝি।

পোস্ট ভালো লাগলো। ছোটদের প্রশংসা করতে হবে সঠিবভাবে।
শেয়ার করলাম।

১৫. ২৩ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:৫৬

একলোটন বলেছেন: এখন আদু নি ক বাপমায়ের কানে গেলে অয় আর কি!!!
আর যদি আমরা বুঝি।

পোস্ট ভালো লাগলো। ছোটদের প্রশংসা করতে হবে সঠিবভাবে।
শেয়ার করলাম।

১৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৪:১২

মদন বলেছেন: +++++++++

১৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৪

হাম্বা বলেছেন: আগেই পড়েছি...

১৮. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৫

টুকিঝা বলেছেন: প্রতিটি শিশুই সুন্দর, আসুন তাদেরকে সুন্দরই থাকতে দেই। আমাদের আচরন বা শুধুই একটা কথার দ্বারা তাকে নষ্ট না করি। সহমত।
সুন্দর।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন