আমার প্রিয় পোস্ট
- তাহাদের একুশ, আমাদের আট / তাহাদের ক্রুশ, আমাদের ছায়াঢাকা পুকুরঘাট - কোলাহল
- এক নিঃসংগ সারথির জন্ম জন্মান্তরের ভালোবাসা/বিহংগ। - বিহংগ
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- বেনজামিন যেফানিয়া'র সাম্রাজ্যবাদের মুখোশ উন্মোচক কবিতা - সারওয়ারচৌধুরী
- বিবর্তনের ভ্রান্ত দর্শন - ২ - বইপাগল
- আমার প্রিয় কবিতা - ৩ নেড়া বেলতলায় যায় ক'বার? - কবি মন কাব্য প্রান
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- ৭১ এর উদ্বাস্তু : (ফটোব্লগ) - মেহরাব শাহরিয়ার
- রহস্য সাহিত্যের ক্যাপ্টেন- কাজী আনোয়ার হোসেন - নিশাত
- জানতে চাই - ২৭ - বইপাগল
- ফতোয়া ২১ - প্রসঙ্গ - বিউটি পার্লারে যাওয়া এবং উইগ লাগানো - বইপাগল
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
- প্রত্যেক ঘটনায় অন্তর্নিহিত আছে কল্যাণ - বইপাগল
- কালবৈশাখী... সিডরের জন্য - বিবেক সত্যি
- আমেরিকা!!! - লাল দরজা
- হে প্রভু - সত্যদা
- জেনে নিন কোন ওয়েব সাইট কোন দেশের - নাজিরুল হক
- আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি
- সামী মিয়াদাদ
- একুশের প্রথম কবিতা,"আমি কাদতে আসিনি,আমি ফাসির দাবী নিয়ে এসেছি" ১ - আরিফুল হোসেন তুহিন
- আমি নিজেই যখন ঈশ্বর হয়ে যাই /বিহংগ। - বিহংগ
- মিথিলার চিঠি - বইপাগল
- জাগৃতি - দেবদারু
- তার জন্য - জিহাদ
- তুমি কোন কাননের ফুল (পর্ব-২) সারওয়ার চৌধুরী - সারওয়ারচৌধুরী
- তুমি কোন কাননের ফুল গো (পর্ব-১) সারওয়ার চৌধুরী - সারওয়ারচৌধুরী
- জানতে চাই - ১২ - বইপাগল
- কা'বা শরীফে জুমার খুতবায় রাসূল (সা.) এর প্রতি অসম্মানের প্রতিবাদ - বইপাগল
- আজ আমার মন ভালো নেই (পুনঃপ্রকাশ) - নীলাঞ্জনা
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ইবাদত-বন্দেগীতে ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের শিক্ষা - বইপাগল
- বিশ্ব কুদস দিবসঃ নব্য ক্রুসেডের বিরুদ্ধে মুসলমানদের মহাজাগরণের দিন - আশরাফ রহমান
- গুগল কথন ৫ - কর্মীরা যেখানে রাজা - রাগিব
- ইসলামী ব্যাংক : কিছু প্রশ্ন ও উত্তর-১ - ফালাক
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- মুখ ঢাকি লজ্জায়...... - সিঁদুরে মেঘ
- আমরা এখন অনেক প্রযুক্তিমনস্ক, তবে বিজ্ঞানমনস্ক নই - অনিশ্চিত
- আযানঃ অকল্পনীয় কিন্তু সত্য - আশফাকুর রহমান
- শবে বরাত - ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১ম কিস্তি) - আব্দুর রহমান রাযীন
- উত্তম কাজের বিবিধ পন্থা বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের শিক্ষা - বইপাগল
- রিলিজিয়াস ফ্রিডম রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান - মাহিরাহি
- বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা কি কি? - মাহিরাহি
- বাংলাদেশবিরোধী নানামুখী অপপ্রচার - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- ইসলাম মানে ১৪-শ বছর আগের আদর্শ, ১৪-শ বছর আগের টেকনোলজির ব্যবহার নয় - বিবেক সত্যি
- আল্লাহর কাছে দোয়া করুন আল্লাহরই শেখানো ভাষায় - এক পশলা বৃষ্টি
- সকল বাংলাদেশী ভাইদের প্রতি,আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। - কায়েস মাহমুদ
- মজার কিছু প্রবচন। সংগ্রহ- ব্লগার মিষ্টার বাংলাদেশ । - অপূর্ব
- অতীব গুরুত্বপূর্ণ- ফলের ঔষধি গুণ - আশফাকুর রহমান
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আত্বসম্মানবোধ!!! - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
জীবনের প্রয়োজনে জীবন যেখানে পরাজিত।(চতুরভূজ)
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৫
সবারই থাকে শেঁকড় আর সেই শেঁকড় কেবলই মানুষকে নিজের দিকে টানে আমরণ। আমার শেঁকড়েরা গ্রামে থাকার কারণে গ্রামের পথের ধুলো আমিও বেশ মেখেছি। সেই সোঁদা মাটির গন্ধ আজও আমার নাকে লেগে আছে। সেই হলুদিয়া বাজার, গ্রামের মাতব্বরদের শালিস; সন্ধ্যাবেলার হাঁট। সেখানে মুড়কি-নিমকি ভাজা আরও কত কি! জমজমাট হাঁটবেলা শেষে ছোট খালার সাথে ফিরে আসতাম বাড়ি। মামাদের তাসের আসরেও কতবার মামার গা ঘেঁষে বসে থেকেছি। তখনও ইলেক্ট্রিসিটি ছিলোনা। কারও ঘরে জ্বলছে কুপি তো অন্যের ঘরে হারিকেন। সেই টিমটিমে আলোয় স্কুল পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবই সুর করে পড়ার শব্দ- এসকল কিছু আজও কানে বাজে যেন। আবারও ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই উঠোনে- যেখানে গাঁয়ের বধূরা গোসলের পর পিঁড়ি পেতে বসে চুল শুকোয়, যেখানে বৃদ্ধাদের পান খাবার আসর বসত, যেখানে দুরন্ত কিশোরেরা বাবলার ডাল চেঁছে ডাংগুলির গুটি বানায়, যেখানে নববধূ তার স্বামীর চিঠি সবার অলক্ষে নিয়ে গিয়ে ঘরের কোনে চুপটি করে পড়ত আর চোখের জল ফেলত, যেখানে ঘর্মাক্ত চাষী একটু জিরিয়ে নিত গাছের ছায়ায়; রাখালের বাঁশির সুর শুনতে শুনতে।
সকাল বেলা চুলে সর্ষের তেল মেখে ভদ্র সেজে স্কুলে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীর সারী। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতাম আর ভাবতাম কেন আমি ওদের সাথে স্কুলে যেতে পারিনা, কেন আমি ঐ শহুরে দালানের ভেতর বসে পুতুল পুতুল ছেলেমেয়েদের সাথে পড়তে যাই, পিঠে থাকে বিশাল বইয়ের বোঝা! আম্মু কেন তুমি আমাকে ওদের সাথে পড়তে পাঠাওনা! মনের সেই আক্ষেপ মেটাতে আমায় নিয়ে যেত হত বাজারে, বাতাসা আর গান্ধী ঘোঁষের মিষ্টি খাইয়ে তবেই শান্ত করা হত আমায়। আহ! কিযে স্বাদের ছিলো সেই মিষ্টি! আমার সেই গান্ধী ঘোঁষ আর নেই, নেই তাঁর বিখ্যাত সেই মিষ্টিও। কেবল পড়ে আছে আঠালো রসে মুখ মাখামাখির স্মৃতি। আজ হাজার মিষ্টি খেয়েও পাইনা ঐরকম তৃপ্তি! জানিনা, আমার জিভের পরিবর্তন ঘটেছে নাকি ঘটেছে সময়ের পরাজয়।
হাঁট থেকে ফেরার পথে ছোটমামাকে দেখে বেদেনীদের মুচকি মিষ্টি হাসি- ওটা ছিলো মামার কাছে আরও বেশি মিষ্টি। দল বেঁধে ওরা চলত কোমরে বিছা আর পায়ে নুপুর নিয়ে রিনিঝিনি শব্দে। উঁচু করে বাঁধা খোঁপায় থাকতো বেলী ফুলের মালা। মনে মনে ভেবেছিলাম, বড় হয়ে বেদেনী হব। মামাকে বললাম- মামা , ওরা তোমায় দেখে হাসছে কেন? আমার তরুন মামা লাল হয়ে গিয়ে বলেছিলো,
"আমি কেমনে কমু?মনে হয় ওগো হাসি রোগ হইছে।"
- তাইলে ওরা কালিজীবন ডাক্তারের কাছে যায়না ক্যান? কালিজীবন মামাতো খুব মিষ্টি মিষ্টি গোল গোল ঔষুধ দেয়। ঐ ঔষুধ তো তিতা না, ওরা ঔগুলি খায়না ক্যান?
মামা আমার কট কট থামাতে বলে, "চুপ কর, এত কথা শুনলে ওরা ওগো বাক্সের সাপ ছাইড়া দিবোনে, ওরা কিন্তু অনেক পাঁজী।"
চুপচাপ হেঁটে চলতে চলতে ঘুঘুর ডাক শুনতাম আর মনে হত, আমাদের চিটাগাং এর বাসায় কেনো ঘুঘু ডাকেনা এমন করে , কেন পথের মাঝে এক শালিক দেখা যায়না, তাহলে আমি মামার মত বলতে পারতাম - "এহহেরে এক শালিক দেখলাম , আইজকা দিন খারাপ যাইবো।" কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাবার সময় অজানা এক ভয়ে চোখ বন্ধ করে রাখতাম, মামা পড়তেন দোয়া,"আসসালমুআলাইকুম ইয়া আহলাল কবুর"। আমাকেও বলতেন, দোয়া পড় দেখবি ডর করবোনা। আজ আর আমার ডর করেনা, আজ আর মনে হয়না শ্মশান থেকে নীতাই মিষ্ত্রীর ভূতটা বুঝি উঠে এসে বলবে "আম্মা,আপনে দেখতে ঢাকার পাউরুটির মত।" নিতাই মিস্ত্রী মরেছে অচীন রোগে। মৃত্যর আগে তাকে আমার ভয় করত না কিন্তু মরার পরে কেবলি মনে হত সে বুঝি এই আমাকে ধরে কোলো নিয়ে বলবে তার সেই পুরাতন কথা, ভয় করত খুব। আজ আর সেই ভয় নেই, এখন আমি অনেক বড় হয়েছি অনেক বুঝি।
এতকিছু বুঝতে গিয়েই নিজের ভেতর লুকিয়ে থাকা শিশুটাকে গলাটিপে নিজের হাতেই হত্যা করেছি, সবাই যেমন করে! প্রতিটা মানুষের ভেতরই লুকিয়ে থাকে কোমল একটা শিশু। জীবনের প্রয়োজন সেই শিশুটাকে ধীরে ধীরে হত্যা করতে থাকে আর নিজেকে ভুলতে থাকে। তবুও মাঝে মাঝে সেই শিশুটিই জেগে উঠতে চায় সব কিছু ছিঁড়ে ছুড়ে দিয়ে, ভেসে বেড়াতে চায় তার আপন ভুবনে। কিন্তু হায়রে জীবন! হায়রে জীবনের প্রয়োজন! বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষ কতদূর চলে আসে , কত বড় হতে চায়! আর কত বড় হব! আমি যে বেদেনী হতে চেয়েছিলাম। আমি বেদেনীই হতে চাই, সভ্যতা আমি চাইনা।
সাইফুর বলেছেন:
আপনার তো প্রায়ই টপরেটেড পোষ্ট হয়..এটাও হবে মনে হয়...
চতুরভূজ বলেছেন:
সাইফুর, ধন্যবাদ। আপনারা রেটিং না দিলে টপরেটেড হতনা।
সামী মিয়াদাদ বলেছেন:
প্রিয় পোষ্টে যোগ করে রেখে গেলাম। আগামীকাল এসে পড়ব। এখন মাথা গরম আছে। দুঃখিত।
মানুষ বলেছেন:
সবার একই অবস্থা। অতীত স্মৃতি রোমন্থন। ৫
অন্যআনন বলেছেন:
শুনলাম, রেটিং সিস্টেম নাকি উঠাইয়া দেয়া হইবো!! তখন কি সিস্টেম হইবো, খোদাই জানে!!যাক, প্রোফাইলের ছবিটার জন্য ৫। ধন্যবাদ।
মারুফ রাশেদ বলেছেন:
পোস্টের ছবিটা আমার দুরন্ত শৈশব ও কৈশোরের কথা মনে করিয়ে দিল। এরকম মাঠের মধ্য দিয়ে ঘুড়ি নিয়ে দৌড় আর দেওয়া হয় না। আমি আপনাকে ৫ দিলাম।
চতুরভূজ বলেছেন:
মানুষ-মাঝে মাঝে অতীত স্মৃতী রোমন্থন করতে ভালই লাগে, কষ্টও হয় খুব।রুধীন- ধন্যবাদ।
সামী মিয়াদাদ- মাথা গরম কেন?
অন্যআনন-রেটিং নিয়ে আপনি এত চিন্তিত কেন?
চতুরভূজ বলেছেন:
ছায়ার আলো- ধন্যবাদ ভাই।মারুফ রাশেদ- আবারো মাঠের মধ্যে ঘুড়ি নয়ে দৌড় দিন, দেখবেন আপনি আসলেই সেই কিশোরই আছেন আজও!
পেত্নী - রাগাপু কে?
মিরাজ বলেছেন:
এখনো গ্রামে গেলে মনে হয় কিছু শুদ্ধ মানুষের দেখা পাওয়া যায়। এক এক ঋতুতে গ্রামের এক এক রকম ঘ্রাণ। বর্ষার পাট ধুয়ে শুকাতে দেবার ঘ্রাণ কিংবা শীতের বিস্তীর্ণ সরষে ক্ষেতের ঘ্রাণ - কোন কিছুর সাথেই তুলনা হতে পারেনা।
ভালো লাগল আপনার লেখা পড়ে।
ফোটায় ফোটায় সেখানে জমে,স্বচ্ছ পানি,রুপদিঘীর!
রুপদিঘীতে আকাশটা ফুটতো,পানি রং এর আকাশ!
আমি রুপদিঘী হয়ে যাই,শ্যাওলার সবুজ গন্ধ মেখে
ফারহান দাউদ বলেছেন:
নস্টালজিক লেখা,মন খারাপ করে,আবার ভালো।
অভিক শাওন বলেছেন:
ছবি বদলাই দিয়া তো সবাইরে ঠান্ডা কইরা দিলা।বড় উদ্দিপক ছবি ছেলো ওইডা।শালুয়ারের লগে কেমুন চলতাসে?আচ্ছা টপরেটেড হওয়ার আনন্দ আপনি কুন কুন অঙ্গে ধারন করেন?
শীখা বলেছেন:
ছোটবেলার কথা মনে পড়লেই দাদু বাড়ি যেতে মন চায়। আমি অবশ্য গ্রামে তেমন যাইনি তবে সরষে ক্ষেত দেখেছি । আমাদের বাসায় দাদু বাড়ি থেকে লোকেরা এলে গুড় আর মুড়ি আর পিঠা নিয়ে আসত । গ্রামের লোক গুলো খুব সোজা সরল হয় কেন?
চতুরভূজ বলেছেন:
@ফারহান দাউদ, ধন্যবাদ। অতীত যতই সোনালী হোকনা কেন তবুও কেমন যেন বিমর্ষ!@রিজভী, টিটকিরি করলে কান মলে দেয়া হবে!
@বিবেক সত্যি ভাই, ধন্যবাদ।
@উম্মু আব্দুল্লাহ, আপনার ভালো লেগেছে শুনে আমারও ভালো লাগলো।
@শীখা, গ্রামে যাবেন এবং গ্রামের মানুষদের সাথে মিশবেন, দেখবেন জীবন কত রঙ্গীন! আর আমার গ্রামের বাড়ি বিক্রমপুর।
শীখা বলেছেন:
আপনি বিক্রমপুরের? ওখানে আমার বোন বিয়ে দিয়েছি। জীজার বাড়ি বিক্রমপুর।
চতুরভূজ বলেছেন:
আপনি কোথায় পড়েন? এবং বাড়ি কোথায়?
মদন বলেছেন:
৫
চতুরভূজ বলেছেন:
ধন্যবাদ , মদন। আপনি কেবল নামেই মদন কামে নন।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
যে মন ছবি তেমন লিখা...এক কথায় "অনন্য"
আর "অনন্য" লেখাগুলোতো অবশ্যই টপরেটেড পোষ্ট হওয়া উচিত!
৫
চতুরভূজ বলেছেন:
ভাস্কর চৌধুরী,অনেক ভালো লিখাই টপরেটেড হয়না এখানে, আপনার অনেক পোষ্টই আমি পড়েছি যেগুলো অসাধারণ বোঝা যায় জাত লেখিয়ের লিখা,কিন্তু সেগুলোর পাঠকই কম! তাই টপরেটেড ব্যাপরটা ভূয়া মনে হয়!
শীখা বলেছেন:
thanks.
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
চতুরভূজ এখানে অনেক ভালো লিখাই টপরেটেড হয়না তা আমিও জানি। তবে আমার লিখাগুলো কতটুকু মান সম্পূন তা আমি নিজেও জানিনা...। তারপর একটু লিখার সাহস করি।
কিন্তু এখানে অসংখ্য লেখকের অসাধারণ লেখা থাকে যা টপরেটে যায় না আর পাঠকও পাওয়া যায় না। আমার কাছে এটা খুব দুঃখজনক!
আসলেই টপরেটেড ব্যাপরটা ভূয়া মনে হয়!
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ চতুরভূজ।
বিহংগ বলেছেন:
সেই ধূলাময় শৈশব,মিশে গেছে ধূলায়,
প্রানময় সেই উৎসব
বারে বারে শুধুই কাঁদায়।
অসম্ভব সুন্দর লিখেছেন।৫++
আবূসামীহা বলেছেন:
অনেকদিন হয়ে গ্যাছে নিজের গ্রামে যাওয়া হয়নি। সুযোগ আসেনি, কবে আসবে তাও বলতে পারছিনা। শুধু অপেক্ষায় আছি। ঝামেলার পালা যদি তাড়াতাড়ি শেষ হত?৫
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
যথারীতি চমৎকার এবং ৫।
ইেলারা বলেছেন:
আপুনি তুমি এতো বালো লেখ কিকরে? আমায় এট্টু বলনাগো সোনা? ৫
আমার প্রিয়'র ছোট্ট লিস্টটায় যোগ করলাম..
গল্প লেখেন না কেন? জলদি বই টই বের করেন।
আগামী মাসে বিক্রমপুর বেড়াতে যাব... বজ্রযোগিনীতে পাখি দেখতে.. ঐ অঞ্চলটা আমার কাছে অসাধারণ লাগে.. ঐখানে আমার একটা শিশুতোষ নাটকের শুটিং করার প্ল্যান আছে।
চতুরভূজ বলেছেন:
মেহরাব শাহরিয়ার, অনেক ধন্যবাদ, মেধাবীদের কমেন্ট আসলেই আনন্দের।বিহংগ, জাত কবি!
আবূসামীহা ভাই, মানুষ হয়ে জন্মানোর প্রথম শর্তই হল ঝামেলায় জড়ানো। তবুও জীবনের প্রয়োজনে নাড়িকে ভুলে যাওয়া চলবে না।
মাহবুবা আক্তার, আপনার মত সুন্দর লিখতে পারলে তৃপ্তি পেতাম!
ইলোরা, ধন্যবাদ। কিন্তু অনুরোধ একটাই- যেখানে সেখানে গিয়ে আমাকে পঁচানোর পন্থাটা বাদ দিন দয়া করে। আবূসামীহা ভাই আপনাকে ব্লক করেছেন। আজেবাজে কমেন্টের জন্য।
ধন্যবাদ ভাবীর আত্নকথা লেখার জন্য।
তবে ভাবীর ছবিটা প্রোফাইল থেকে নামিয়ে দেয়াটা মনে হয় ভাল হয় নি।
ভাবীকে আমার সালাম দেবেন। পরশু বনানী আসছি। সময় পেলে দেখা করব।
চতুরভূজ বলেছেন:
@ফয়সল,লজ্জা পেলাম!! বই টই বের করার কথা বলেছেন বলে!! ওটাতো ভাই আপনারা করবেন। আপনার যা লিখুনি দেখলাম , মাশআল্লাহ! সেখানে আমি আদার ব্যাপারি হয়ে জাহাজের খবর নেয়েটাকে অসন্মানের ভাবছি। হা হা হা ।
বিক্রমপুরের প্রতিটি ধূলিকণা আমার রক্তের লোহিত রক্তকনিকা যেন!
শিশুতোষ নাটকের শুটিং মানে? আপনি হিরো নাকি??? হুমম....
চতুরভূজ বলেছেন:
বিহংগ,৭ বার পড়ে নিশ্চই ৭০০ ভুল পেয়েছেন!! তবুও নিজের মহানুভবতা জাহির রেখেছেন বলে প্রনাম।
@আরিফুল হোসেন তুহিন, আপনার কি মনে হয়??!!!
চতুরভূজ বলেছেন:
মাথামোটা, আমার জানাশোনা খুব ভালো একজন কাঠমিস্ত্রী আছেন। এককাজ করুননা, সেখানে গিয়ে বাটালি দিয়ে চেঁচে একটু চিকন করে নিয়ে আসুন আপনার মাথাটা! তবে দেখবেন দিবাস্বপ্ন দেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আহহারে আপনার জন্য খুবই কষ্ট হয়,চুক চুক চুক, বেচারা!!
চতুরভূজ বলেছেন:
মাথামোটা- আপনার ৫ এ আমিও ৫ দিলাম। মোনাফেক।
তীক্ষ্ণতা প্রয়োজন খুব, নাহলে নিজেকেই কেটে যেতে হয়!
চতুরভূজ বলেছেন:
হুমম, কিন্তু এটাও দেখতে হবে- তলোয়ারের দুই দিকে ধার থাকলে, একদিকের ধার দিয়ে নিজেরই গলা কাটার সম্ভাবনা থাকে!!
কালপুরুষ বলেছেন:
যথারীতি মুগ্ধ হলাম পড়ে। কেউ একজন আমার একটা লেখা পড়ে বলেছিল সোনার কলম দিয়ে লিখি নাকি! আজ আমি তোমাকে বলছি, তুমি হীরের কলম দিয়ে লেখ নাকি? প্রিয়তে যোগ করলাম। ৫
চতুরভূজ বলেছেন:
@কালপুরুষআমি বারবার অবাক হই একজন মানুষের লিখায় কি করে এতটা ভালবাসার প্রকাশ থাকতে পারে! সাহিত্য যদি কেউ শিখতে চায় তবে তাকে আমি আপনার ঠিকানা দেব। চোখ ভিজে গেল!
@তুহিন, যখন কারও জীবন ভুলে ভুলে ধুলপরিমান হয় তখন হয়ত নিজের সিদ্ধান্তকে মাতাল মনে হয়, তখন হয়ত ব্যাকফায়ার করে!!
তবুও একাকি... বলেছেন:
পর্লাম ৫
the club of people who can do only one thing right "endless regretting"....
জীবন নিজেকে দন্ডিত,পরাজিত ভাবতে চাই না,কিন্তু চিন্তারা ফিরে ফিরে আসে .....
তাই গড়িয়ে যাচ্ছি বিরতিহীনভাবে পথে.....।
"like a rolling stone"
চতুরভূজ বলেছেন:
@ তুহিন,বব ডিলন আমাকেও ভাসায় মাঝে মাঝে, আমিও গড়িয়ে চলি , "like a rolling stone"
।
কি করার! Such indeed are the ways of the world!!
চতুরভূজ বলেছেন:
@তবুও একাকি, গনডার নীতি অবলম্বন করেছেন তবুও ধন্যবাদ দিলাম। হা হা হা ।@মাথামোটা, কাঠমিস্ত্রীর ঠিকানা জামাল খান জানে। হা হা হা।
চতুরভূজ বলেছেন:
How does it feelHow does it feel
To be on your own
With no direction home
Like a complete unknown
Like a rolling stone?
গড়াতে গেলে পুড়তে হয় ।আমার বাবা বলেন আগুনে না পুড়লে কিছুই সুন্দর হয় না,তাই দাহ্য হয়েও অপেক্ষায় আছি,কখোনো হয়ত আগুন ক্লান্ত হয়ে যাবে,
পোড়া সোনার মত উজ্জ্বল হয়ে যাবে সবকিছু ।
তবুও একাকি... বলেছেন:
"আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি" এই কথা রবীন্দ্রনাথ বলছেন দেখে কি আমি বলতে পারবোনা!!!
চতুরভূজ বলেছেন:
@তুহিন, মানুষ কখন দীপ্তিহীন অনলে পোড়ে আমি আজও বুঝতে পারিনি ! এটা একটা ব্যার্থতা। তবে জীবনের চৌদ্দ আনাকে আমি কুড়িয়ে পাইনি এর জন্য আমাকেও অনকে পুড়তে হয়েছে, এখনও খাঁটি হতে পারিনি, পাড়ি দিতে হবে আরও সুদীর্ঘ অনকে খানি পথ। বাবার অমোঘ বানী সত্য হোক আপনার মাঝে!@ তবুও একাকি, রবীন্দ্রনাথ যদি বুঝতে পারেন যে আপনি গনডার বিষয়ক আমার কথার জবাব দেবার জন্য উনার উদাহরণ টেনেছেন তবে আপনার মুন্ডুপাত করবেন!!
তবুও একাকি... বলেছেন:
আমারে পাইলে তো...
অনেকগুলো রং এর আগুন আছে....
বলতে গেলে অনেক বড় হবে,
একটা আগুনের কথা Click This Link এই খানে আছে(কাউকে জোর করে ব্লগ পড়ানোর চেয়ে pathetic আর কি হতে পারে,স্যরি সেজন্যে । )
কারিগর বলেছেন:
প্রিয় ব্লগার ব্ন্ধু, অনুপযুক্ত কমেন্ট করার জন্য দুখ্যিত। সম্ভব হলে আপনার সমমনা ব্লগারদের কমেন্ট করার সময় নিচের প্যারাটি পোস্ট করুন।আপনার উপরের লেখাটি সুন্দর হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিদের বলছি। নব্য বা পুরাতন রাজাকরদের এরিয়ে চলুন। তাদের পোস্টে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন। অনেকে টপরেটেড হওয়ার জন্য বুঝে নাবুঝে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পোস্ট দিয়ে থাকে। এদের প



















