somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আচ্ছা কেন মানুষগুলো (রেঁনেসার গান) এমন হয়ে যায়?
চেনা জানা মুখগুলো সব
কেমন হয়ে যায়!
দিনবদলের খেলাতে
মনবদলের মেলাতে
মানুষগুলো দিনে দিনে
বদলে কেন যায়?

সুখের দিনে ভালবাসা
দেয় যে কত জন
কাছে আসে ভালবাসে
দেয় যে ভরে মন
দিনবদলের খেলাতে
মনবদলের মেলাতে
মানুষগুলো দিনে দিনে
বদলে কেন যায়?

দুখের দিনে কাছে আসে
পথ ভুলে কি কেউ
একা ঘরে পড়েই রবে
জানবে না তো কেউ
দিনবদলের খেলাতে
মনবদলের মেলাতে
মানুষগুলো দিনে দিনে
বদলে কেন যায়?

এখানে শুনুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Swapnikblog/28807612 http://www.somewhereinblog.net/blog/Swapnikblog/28807612 2008-06-09 01:56:42
দক্ষিন আফ্রিকার দিনগুলি - ২
প্রথম পর্ব
পরদিন রবিবার, সকালে ইয়ান আসলো। তার সাথে বের হলাম সবাই। দিনের আলোতে প্রিটোরিয়া দেখার সুযোগ হল। মোটামুটি পরিচ্ছন্ন, প্রচুর গাছ আছে। রাস্তা বলতে গেলে ফাঁকা। মাঝে মাঝে প্রচন্ড দ্রুতগতিতে ছুটে যাওয়া কিছু গাড়ি ছাড়া। এখানকার ট্রাফিক ব্যবস্থা বেশ ভাল। তবে শহরের মাঝেই অনেক দ্রুতগতিতে গাড়ি চলে।
প্রথমে অফিসে গেলাম। আমাদের ফ্লাটের পাশের কম্পাউন্ডেই অফিস, সাজানো, ছুটির দিন বলে লোকজন নেই। বাড়িতে ফোন করে জানালাম। তারপর গেলাম হ্যাটফিল্ড প্লাজায়। আমাদের সবচেয়ে কাছের শপিং প্লেস। প্রায় ৫০০ মিটার দুরে। যেতে যেতে রাস্তার পাশের বাড়িঘর, চার্চ, খাবরের দোকান চোখে পড়ল। আসার আগেই এখানকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে অনেক নেতিবাচক কথা শুনেছি, বাড়িঘর দেখে সেটা আরো প্রকট হল। প্রতিটা বাড়িতেই আছে রিমোট কন্ট্রোল গেট, ইলেকট্রিক ফেন্স, অটোমেটিক অ্যালার্ম সিস্টেম। কিছু কিছু বাড়িতে কুকুরও আছে। 'আর্মড রেসপন্স' লেখা সাইনবোর্ড শোভা পাচ্ছে সব গেটেই, সাথে কোন এক সিকিউরিটি কোম্পানির নাম। এখানকার প্রতিটি বাড়িই কোন না কোন সিকিউরিটি কোম্পানির সুপারভিশনে থাকে। কোন কারনে অ্যালার্ম বাজলে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।
হ্যাটফিল্ড প্লাজা খুব বড় শপিং কমপ্লেক্স না, তবে মোটামুটি সব ধরনের দোকান আছে। একটু ঘুরে আমরা ঢুকলাম 'পিক এন্ড পে' তে। এটা একটা চেইন সুপারমার্কেট। নিত্যপ্রয়োজনীয় সবই পাওয়া যায়। হ্যাটফিল্ডের পিক এন্ড পে এখানকার হিসেবে মাঝারি হলেও আমাদের জন্য বেশ বড়ই। চাল, মুরগি, সবজি আরো কিছু কেনাকাটা করা হল। কাল খাবারের লবণাক্ততা দেখে আর বাইরে খাওয়ার উৎসাহ নেই কারো। ফ্লাটে ফিরে রাহেদ ভাই প্রধান শেফের দায়িত্ব নিল, আর আমরা তার সহকারী হিসেবে রান্নায় লেগে গেলাম। বিকেলে বের হব ভেবে দুপুরে খাওয়ার পর একটু বিশ্রাম নিতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম ভেঙ্গে দেখি রাত সাড়ে আটটা।
সোমবার অফিসে প্রথম দিন। ডেস্ক প্রস্তুত হতে সময় লাগলেও সবার উষ্ণ অভ্যর্থনায় ভালোই লাগছিল। সবার সাথে পরিচিত হলাম। আগে এদের ৩ জনকে চিনতাম। লাঞ্চের সময় একজন ডিরেক্টরের সাথে কথা হচ্ছিল। টুকটাক কথা প্রসঙ্গে ক্রিকেট চলে এল, ক্রিকেটে আগ্রহ আছে জেনে বলল, "স্যরি অ্যাবাউট দ্য ম্যাচ টুডে"। তখন বাংলাদেশের সাথে দক্ষিন আফ্রিকার টেস্ট চলছিল, আর বাংলাদেশ ওই দিনই ১১৯ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস পরাজয় বরন করছে। মেজাজ খারাপ হল। শান্ত গলায় বললাম, কোন সমস্যা নাই, এরকম হতেই পারে, বিশ্বকাপের জন্য আমরাও স্যরি আছি। বিশ্বকাপের কথা শুনেই বেচারার মুখ কালো হয়ে গেল। আলোচনাও অন্য দিকে মোড় নিল। আশায় ছিলাম, বাংলাদেশ ওয়ানডেতে জিতবে আর আমি ঐ ব্যাটাকে গিয়ে স্যরি বলে আসব। যদিও তা হয়নি।

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Swapnikblog/28806655 http://www.somewhereinblog.net/blog/Swapnikblog/28806655 2008-06-05 23:39:29
দক্ষিন আফ্রিকার দিনগুলি - ১ জোহানসবার্গ থেকে প্রিটোরিয়া প্রায় এক ঘন্টার রাস্তা। রাতের অন্ধকার আর ক্লান্তি মিলিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখার আর তেমন ইচ্ছা ছিলনা তখন। পথে ম্যাকডোনাল্ডে থামলাম রাতের খাবার খাওয়ার জন্য। সেখানে দুটো জিনিস ভালভাবে টের পেলাম। একটা হল সংস্কৃতির ভিন্নতা, কিউতে সামনে দাড়ানো এক কাপল আমাদের রীতিমত অস্বস্তিতে ফেলে দিল; অন্যটি হল খাবারের স্বাদ, এরা লবণ বেশি খায়। এরপর সোজা ফ্ল্যাটে।
ছোট একটা ডুপ্লেক্স ফ্লাটে আমাদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে। নিচতলায় রান্নাঘর আর বসার ঘর, উপরতলায় দুটি শোবার ঘর, বাথরুম আর টয়লেট। তিনজন থাকব এখানে আর অন্য তিনজন আরেকটা ফ্ল্যাটে। তবে আজ রাতে সবাই এখানে থাকব। ইয়ান বাসা বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেল, আমরা লাগেজ ছড়িয়ে বসে পড়লাম। রাত দেড়টা বেজে গেছে, সবাই মোটামুটি বিধ্বস্ত। এর মাঝেই আমাদের মধ্যে সবচেয়ে ধার্মিক মহি ভয়াবহ একটা আবিস্কার করল- টয়লেটে ফ্লাশ ছাড়া পানির কোন ব্যবস্থা নাই, এমনকি কোন পাত্রও নাই। আমাদের জন্য মহা সমস্যা বৈকি। উপায়ান্তর না দেখে সমাধানটা মহিই বের করল- এক বোতল পানি নিয়ে টয়লেটে ঢুকে গেল। আমরা টিভি ছেড়ে সোফায় গা এলিয়ে দিলাম। কিন্তু টিভিতে ছবি আসার সাথে সাথে আবার সোজা হয়ে গেলাম। রাহেদ ভাই অন্যদিকে মুখ ঘুরালো, আর অন্যরা চোখ বড় বড় করে ফেলল। টিভিতে তখন স্যাটারডে নাইট চলছে। চ্যানেল ঘুরিয়ে একটা স্পোর্টস চ্যানেলে এসে থামলাম। কিছুক্ষন পর ফ্রেশ হয়ে ঘুমাতে গেলাম।

(চলবে)
পরের পর্ব ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Swapnikblog/28803526 http://www.somewhereinblog.net/blog/Swapnikblog/28803526 2008-05-27 22:05:07
অনির্বাণ-৩ (নচিকেতার গান) ও বলল "দিব্যি আছি।"
নানা কথার পর জিজ্ঞেস করলাম "অনির্বাণের কি খবর?"
ও বলল "জানি না, ওকে তো জানিস, তিন বছর আগে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রত্যন্ত একটা গ্রাম থেকে একটা চিঠি লিখেছিল, ব্যস।"
আমার খুব কৌতুহল হয়, চিঠিটা চাই। ও আমায় পাঠিয়েও দেয়। এখন আমি যে গানটা গাইব এই গানটা কোন গান নয়, এটা অনির্বাণের চিঠি শতরূপার উদ্দেশ্যে...

তোকে নিয়ে ঘর বাঁধবার
স্বপ্ন আমার অন্তহীন,
রাত্রিদিন।
তবু বাঁধ সাধে আরেক আশা,
ফুটপাতে যাদের বাসা
আগে তাদের জন্য একটা ঘর বানাই,
তারপরে তোর সিঁথিতে
তারার সিঁদুর রাঙিয়ে দিতে
করব ঋণ।
তোকে নিয়ে ঘর বাঁধবার
স্বপ্ন আমার অন্তহীন,
রাত্রিদিন।

তোর দুচোখ দেখে আমায়
আমার দুচোখ দেখে আকাশ,
সে আকাশ কালো করে
মানুষের দীর্ঘশ্বাস।
জানি তোর আমি অপরাধি
তুই বাদী তুই বিবাদী
তুই সিদ্ধি শক্তি
অপরিসীম।
কিস্তু যারা গঞ্জে গাঁয়ে,
বঞ্চনার উজান বাঁয়ে,
আগে তাদের জন্য,
যৌথ খামার বানাই।
তারপরে তোর সিঁথিতে
তারার সিঁদুর রাঙিয়ে দিতে
করব ঋণ।
তোকে নিয়ে ঘর বাঁধবার
স্বপ্ন আমার অন্তহীন,
রাত্রিদিন।

ফেলে আসা দিনের স্মৃতি
আমার বুকে বাড়ায় ক্ষত,
দুহাত তুলে আকাশপানে
শুধোই মহকাল আর কত?
হয়ত ফেরা যায় ঘরে,
পিঠ দেখানো রাস্তা ধরে,
কিন্তু মুখ দেখাবো
কি করে তোকে?
আজও মানুষ এ ভূখন্ডে,
বাঁচছে বোবা দ্বিধা দ্বন্দ্বে,
আগে তাদের মুক্তির
ভাষা শেখাই।
তারপরে তোর সিঁথিতে
তারার সিঁদুর রাঙিয়ে দিতে
করব ঋণ।
তোকে নিয়ে ঘর বাঁধবার
স্বপ্ন আমার অন্তহীন,
রাত্রিদিন।

এখানে শুনুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Swapnikblog/28789106 http://www.somewhereinblog.net/blog/Swapnikblog/28789106 2008-04-18 22:35:26