বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বরাবরই যেকোনো সামরিক শাসন-অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ হয়ে থাকে। বিক্ষোভ হয়। স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্রবিক্ষোভ বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি স্বৈরশাসকেরও গদি ছিনিয়ে নেয়। শিক্ষকদের মুক্তির যে আবেদন আসছিল, তার প্রতি সরকারের এই হলো 'সম্মানপ্রদর্শন' ২জনকে মুক্তি। "শিক্ষকরা রাজনীতি করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অধঃপাতে নিয়ে যাচ্ছে", এই ফালতু কথা দয়া করে কেউ বলবেন না।মাঝে মধ্যে সুযোগ পেলে যারা বলে বসেন, শিক্ষকরা ক্লাশ না করিয়ে খালি রাজনীতি করায়, গোপনে ষড়যন্ত্র করে- তাদের কথার গ্রহণযোগ্যতা এ রায়ে ভীষণ কম। কারণ প্রথমতঃ কোনো ম্যাসাকারে শিক্ষকরা ইন্ধন দেননি। কোনো গোপন শলাপরামর্শও তারা করেননি। অথচ রাষ্ট্রপক্ষ থেকে শিক্ষকদের বিচার প্রকি্রয়া থেকে শুরু করে সব সময় শিক্ষক প্রসঙ্গ এলেই এই প্ররোচনা ও উস্কানির কথাটা উঠে আসে। তাহলে আদালতে যখন প্রমাণ হলো, তারা এই দু'য়ের কোনোটিই করেননি, এরপর নিশ্চয় এই অপবাদ থেকে অন্ততঃ তাদের রেহাই মিলবে। এবার আসুন মৌন মিছিলটির প্রসঙ্গে, যে মিছিলটিতে অংশ নেয়ার কারণে ৪ শিক্ষকের সাজা হলো। মিছিলটির উদ্দেশ্য ছিলো খুবই পরিষ্কার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ আগস্ট সংঘটিত ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদের বহিপ্রকাশ। লক্ষ্য করুন আদালত তার রায়েই কিন্তু সুস্পষ্ট বলে দিচ্ছে, ওই দিন মৌনমিছিল হয়েছিলো। তার মানে মিছিলে কোনো জঙ্গী শ্লোগান তো ছিলোই না, মিছিল ছাড়া মিছিলকারী শিক্ষকদের অন্য কোনো নীলনকশাও (উস্কানি বা প্ররোচনা) ছিলো না। আদালত এই মিছিলটির জন্যও হয়তো সাজা দিতেন না। কিন্তু মিছিলটি হয়েছিলো জরুরি অবস্থার মধ্যে এবং আদালত মনে করেছে, এই মিছিলে অংশ নেয়ার কারণে ৪ শিক্ষক জরুরি বিধিমালা ভঙ্গ করেছেন। ব্যস, বিষয়টির ইতি টানা যায়। আইনের দৃষ্টিতে শিক্ষকরা কতোটুকু অপরাধ করেছেন, তা তো পরিষ্কারই। এবার আসুন নিজেরা নিজেদের প্রশ্ন করি, রাষ্ট্রীর আইনের মারপ্যাচ বাদে নৈতিকতার দিক থেকে তাদের অপরাধটি কি একেবারেই আকাশ ছোঁয়া সাইজের?
আলোচিত ব্লগ
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।