somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... facebook'a timeline activate korsi deactivate korum kemne? http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29506630 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29506630 2011-12-20 18:29:27 SOMEWHEREINBLOG.NET http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29505832 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29505832 2011-12-19 14:31:31 ১টা কথা
০৯/১০/২০১১ থেকে ধর্মঘট ডাকসে একটা প্রাইভেট পোপ্রার্টি ধংব্স করার টেরাই করলে হোতায়া দেয়া হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29461135 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29461135 2011-10-06 17:02:07
একটি হত্যা মামলার অপমৃত্যু রুখে দাড়াবো আমরা? http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29360952 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29360952 2011-04-11 17:55:38 ব্লগ-জরিপঃ জামাত ব্যান খাইলে আপনার কতটা লাগবে?
আপনার অভিব্যাক্তি কি হইবে? আপনি কতটা দুক্ক পাইবেন। আপনার অভিমত এখানে ছাড়িয়া যান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29358180 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29358180 2011-04-06 19:24:19
বর্ষা নাম যুক্ত গানের তালিকা জরুরী http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29324547 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29324547 2011-02-11 20:35:23 জিন্দা হু মে কিসকে লিয়ে ! " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29297184 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29297184 2010-12-27 19:56:18 যদি আল্লাহর দেখা চাওগো প্রেম রাখিও অন্তরের ভিতর " style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29233099 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29233099 2010-08-31 20:04:22 YOUTUBE VIDEO DOWNLODER ১০০% কার্যকর ওয়েবলিংক/সফটওয়্যার চাই http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29232578 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29232578 2010-08-30 21:23:46 পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করলেন অপূর্ব-প্রভা Click This Link]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29225952 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29225952 2010-08-19 20:07:38 বধ্যভূমির অভিজ্ঞতা
১৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টা। শান্তিবাগে আমার বাসায় শুয়েছিলাম। হঠাত বাইরে ভারি পায়ের শব্দ পেলাম। বেড়ার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে দেখি কয়েকজন রাইফেলধারী লোক আসছে। রাস্তার দরজায় এসে তারা জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। কর্কশ স্বরে তারা বলছিল- ‘ঘরে কে আছো, দরজা খোলো।’

তারপর নানা কথাবার্তার পর তারা আমাকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে গেল। বাসার পাশের একটি মেসের একটি ছেলেকেও তারা ধরে নিয়ে এল। আমাদের তারা মালিবাগ মোড়ে দাঁড় করানো একটি বাসে নিয়ে তুলল। বাসে তুলেই তারা আমার গায়ের জামা খুলে ফেলল এবং একটি কাপড় দিয়ে চোখ শক্ত করে কষে বেঁধে ফেলল। এছাড়া হাত দুটো নিয়েও পেছন দিকে শক্ত করে বেঁধে ফেলল। তারপর বাস ছেড়ে দিলো। পথে আরো কয়েক জায়গায় তারা বাসটি থামালো। আমি ঠিক বুঝতে পারছিলাম না আমরা কোথায় যাচ্ছি। অনুমানে মনে হলো মোহাম্মদপুর, সেকেন্ড ক্যাপিটাল (শেরে বাংলা নগর) কিংবা ক্যান্টনম্যান্টের দিকে যাচ্ছে।

এমনিভাবে ঘণ্টাখানেক চলার পর বাস এক জায়গায় থামল। তারপর আমাদের হাত ধরে একটি ঘরে নিয়ে যাওয়া হলো। ততক্ষণে কথাবার্তায় আমি টের পেয়েছি আমি বদর বাহিনীর হাতে পড়েছি। খানিকক্ষণ পর আমাকে ও আরো একজনকে উপরতলায় নিয়ে গেল। দরজা খুলে একটি রুমের মধ্যে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। হুমড়ি খেয়ে পড়লাম মেঝের উপর। ঠিক পাকা মেঝের উপর নয়, কিছু লোকের উপর। অনেক কষ্টে সোজা হয়ে বসলাম। আমি ঠিক বুঝতে পারছিলাম না কক্ষের আর সব লোকেরো আমার মতো হাত-চোখ বাধা কিনা। শুধু বুঝতে পারছিলাম ঘরে আমার মতো আরো লোক আছে। এদিকে কষে বাঁধার জন্য আমার চোখ ও কানে দারুণ যন্ত্রনা হচ্ছে। আমি সহ্য করতে না পেরে কাঁদতে শুরু করেছি। মাথায় শুধু একটাই চিন্তা- কি করে এই বর্বর পশুদের হাত থেকে বাঁচতে পারি। আমি কি সত্যি বাঁচতে পারব?

আল্লাহ আল্লাহ বলে আমি উচ্চস্বরে কাঁদতে লাগলাম। ভাবছিলাম বদর বাহিনীর লোকরা তো শুনেছি মাদ্রাসা ও ইসলামী শিক্ষা লাইনের ছেলে। আল্লাহর আহাজারিতে যদি বদর বাহিনীর লোকদের দয়া হয়। যদি দয়াপরবশ হয়ে চোখের ও হাতের বাঁধন একটু খুলে দেয়, নিদেনপক্ষে একটু ঢিলে করে দেয়। অনেকক্ষণ কাঁদার পর কে যেন আমার হাতের বাঁধন খুলে দিল। ফিসফিস করে বলল- সাবধান। হাত খোলা দেখলে আপনাকে পিটিয়ে মেরে ফেলবে।’ কচি কণ্ঠ। বুঝলাম অল্পবয়সী কোনো ছেলে এবং সে বদর বাহিনীর কেউ নয়। আমি তাড়াতাড়ি চোখের বাঁধন ঢিলে করে দিলাম। বাঁধন এমনভাবে রাখলাম, যাতে- আবছা আবছা দেখা যায়। এর মধ্যেই দেখে নিয়েছি, যে আমার হাতের বাঁধন খুলে দিল আট-নয় বছর বয়সী একটি ছেলে। তার দুহাতের চামড়া কাটা। হাত ফোলা। সারা কক্ষে শুধু রক্ত আর রক্ত। এখন সেখানে ইতস্ততভাবে ছড়িয়ে রয়েছে রক্তে রঞ্জিত জামা ও গেঞ্জি। আমার মতো প্রত্যেকের গায়েই গেঞ্জি। তাদের দেহের বিভিন্ন অংশে কাটাছেড়ার দাগ। হাতের বা পায়ের আঙুল কাটা। কারো দেহে দীর্ঘ ও গভীর ক্ষত। কারো হাতে হাত-পায়ের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে।

ছেলেটি আমার হাতে আবার কাপড় জড়িয়ে বাঁধনের মত করে দিল। আমি ভাবছিলাম- আমি কি করে এই জল্লাদদের হাত থেকে বাঁচব। কক্ষটিতে শুধু একটি কাঁচের জানালা, তবে মনে হলো বেশ মজবুত। এল-টাইপের ত্রিতল অথবা চারতলা বাড়ি। বিরাট এলাকা দেয়াল দিয়ে ঘেরা। বাড়িটি সম্ভবত মোহাম্মদপুরের নিকটবর্তী এলাকার কোথাও হবে।

এমনিভাবে সারাদিন কেটে গেল। সন্ধ্যার দিকে বদর বাহিনী বা রাজাকারের দলের লোকজন আরো কিছু লোককে ধরে নিয়ে এল। সন্ধ্যার পর তিন-চারজন লোক আমাদের কক্ষে এলো জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। একেক করে সবাইকে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করল। শুনলাম, কেউ বলছে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, কেউ বলল আমি ডাক্তার, আমি সাংবাদিক, আমি চিফ একাউন্টেন্ট, আমি কম্বাইন্ড মিলিটারি হাসপাতালের সার্জনের ছেলে। লোকগুলোর একজন বলে উঠল, শালা, তুমি ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হয়ে এদ্দিন মন্ত্র পড়িয়েছো, আজ আমি তোমাকে পড়াব। তুমি তো গভর্মেন্ট অফিসার, সরকারের টাকা খেয়েছ আর গাদ্দারি করেছ। এবার টের পাবে।

জিজ্ঞাসাবাদের পর শুরু হলো প্রহার। এমনি ধুমধাম মার দেয়া শুরু হলো যে নিঃশ্বাস ফেলারও জো নেই। সবাই চিৎকার করে কাঁদছে। কেউ জোরে জোরে দোয়া দরুদ পড়ছে, আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাচ্ছে। কিন্তু পশুগুলোর সেদিকে ভ্রুক্ষেপও নেই। মারধোর করে প্রায় আধঘণ্টা পরে লোকগুলো চলে গেলো। মার খেয়ে অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েছে। রাত তখন অনুমান দশটা। এক অধ্যাপক সাহেব আমার পাশে এসে দাঁড়ালেন। দেয়ালে হেলান দিয়ে বললেন, ভাই, আপনার হাত কি খোলা? আমার বাঁধনটা একটু ঢিলে করে দেন। লুঙ্গিটা হাটু থেকে নিচে নামিয়ে দেন। খানিকপরে কোনোক্রমে দেয়াল ঘেষে বসে তিনি অচেতন হয়ে পড়লেন।

রাত দশটা থেকে অনুমান একটা পর্যন্ত বেশ কয়েকবার বদর বাহিনীর জল্লাদরা আমাদের খানিক পরপর দেখে গেল। রাত প্রায় সাড়ে বারোটায় আমাদের উপরতলা থেকে কয়েকজন মহিলার আর্তনাদ ভেসে এল। সেই আর্তনাদের বর্ণনা দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। মাঝে মাঝে রাস্তায় গাড়ির শব্দ শুনতে পেলাম। মারের চোটে প্রায় সবাই অচেতন হয়ে পড়ে রয়েছে। আমি জ্ঞান হারাইনি। আমি আল্লাহকে ডেকে যাচ্ছি। শেষবারের মতো আল্লাহর কাছে আমার যদি কোনো গুনাহ হয়ে থাকে, তার জন্য পানাহ চাইছি।

রাত প্রায় একটার সময় পাশের ঘরে রাইফেলের গুলি লোড করার শব্দ এবং লোকজনের ফিস ফিস করে আলাপের শব্দ শুনতে পেলাম। সারা শরীরে আমার ভয়ের হিমস্রোত চকিতে ভরে উঠল। খানিকপর একটা লোক এসে আবার আমাদের দেখে গেলো। তারো খানিকপর কয়েকজন লোক আমাদের ঘরে ঢুকল। তারাই আমাদের ঘরের বাইরে নিয়ে এল।

এরপর বদর বাহিনীর একেকটি পশু আমাদের দুজন দুজন করে ধরে সিড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে আনল। তিনটি বাসে তারা আমাদের সবাইকে নিয়ে তুলল। তাদের হাবভাব, ফিসফিস করে কথাবার্তা শুনে মনে হলো- আর রক্ষা নাই। বাস ছেড়ে দিল, বাসের সব কটি জানালা উঠানো। বুঝতে পারলাম, আমাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর বাস এসে থামল কতগুলো ঘরের পাশে। ঘরের দরজা বেশ বড় বড় এবং কোনাকুনি লাঠি দিয়ে আটকানো। কিন্তু তারা আমাদের ঘরে না ঢুকিয়ে ধরে নিয়ে চলল। কৌশলে চোখের বাঁধন আলগা রাখার সুযোগ হলো বলে দেখতে পেলাম সামনে বিরাট এক বটগাছ, তার সমুখে একটি বিরাট বিল, মাঝে মাঝে কোথাও পুকুরের মত রয়েছে। বটগাছের আরো কাছে গিয়ে দেখতে পেলাম ১৩০ থেকে ১৪০ জন লোককে বসিয়ে রাখা হয়েছে। এর মাঝে এক ফাঁকে সুযোগ বুঝে আমি আমার পরনের লুঙি হাটুর উপর উঠিয়ে রেখেছি। চোখ বাধা অবস্থায়ও আমি যে দেখতে পাচ্ছি তা বদর বাহিনীর লোকেরা বুঝতে পারেনি। বদর বাহিনীর লোকজনের হাবভাবে স্থির নিশ্চিত হলাম, আমাদের হত্যা করার জন্যই এখানে নিয়ে এসেছে। আমি এখন আমার সমগ্র চেতনা কেন্দ্রীভূত করে ভাবছি- কি করে বাঁচা যায়।

দেখতে পেলাম- বদর বাহিনীর পশুরা আমার সামনের লোকদের হাত দড়ি দিয়ে বাঁধছে। আমাদের মতো বন্দি একজন চিৎকার করে বলে উঠলেন- আপনারা বাঙালী হয়ে আমাদের মারছেন! কোনো পাঞ্জাবি যদি মারত তাহলেও না হয় বুঝতে পারতাম, কেন আমাদের হত্যা করতে যাচ্ছেন? আমরা কি অন্যায় করেছি? ভদ্রলোকের গায়ে রাইফেলের এক ঘা দিয়ে বদর বাহিনীর এক জল্লাদ গর্জে উঠল- চুপ কর শালা। কে যেন একজন বলে উঠল- আমাকে ছেড়ে দিন, দশ হাজার টাকা দেব। কোন এক মহিলা চিৎকার দিয়ে বলে উঠলেন- আপনারা আমার বাপ, ভাই। আমাকে মারবেন না। চারিদিকে মাতম, আহাজারি, তা বর্ণনার ভাষা আমার নেই। সামনের লোকদের দলে দলে ভাগ করে তারা ফাকা মাঠে নিয়ে যাওয়া শুরু করল। আমার সারা শরীর যেন ভয়ে জমে যাচ্ছে। কিন্তু এরই মধ্যে আমি বাচার আশায় পালাবার সম্ভাব্য সব উপায় ভাবতে শুরু করে দিয়েছি। মনে হচ্ছে- কোন উপায় আর নেই।

আবার মনে হচ্ছে, বাচার কি কোনো উপায় নেই! জল্লাদদের একজন আমার কাছে এসে দাঁড়াল। আমার পেছনের লোকের গেঞ্জির সঙ্গে সে আমার গেঞ্জি ভালো করে বেধে দিল। হঠাৎ সে সময় পেছনের লোকটি বলে উঠল- আজিজ ভাই তুমি! তুমি আমাকে মারতে নিয়ে এসেছো! তুমি থাকতে আমাকে মেরে ফেলবে! আপসোস। রাইফেলধারী লোকটি কোন কথা না বলে চলে গেল।

এদিকে বেয়নেট দিয়ে জল্লাদের দল তাদের হত্যালীলা শুরু করে দিয়েছে। ছুড়ছে গুলি। চারদিকে আর্তচিতকার, মাঝে মাঝে জল্লাদদের কেউ চিতকার করে বলে উঠছে- শালাদের খতম করে ফেল। সব ব্যাটাদের খতম করে ফেলব। মাঝে মাঝে ভেসে আসছে আর্তচিৎকারের সঙ্গে পৈশাচিক হাসি। এমন নারকীয় তান্ডবলীলার মধ্যে আমি জীবনপণ করে আমার হাতের বাঁধন খুলে ফেললাম। আমার সামনের প্রায় তিরিশজনকে ততক্ষণে সামনের মাঠে খতম করে ফেলেছে বদর বাহিনীর পশুরা। এক হাতে আমি আমার গেঞ্জির গিট খুললাম। বাঁহাতের দড়ির বাঁধন খুলে দড়িটা হাতের নিচে চাপা দিয়ে রাখলাম। হাত আবার পেছনে দিয়ে রাখলাম। বদর বাহিনীর এক দস্যু আমার সামনের কয়েকজন লোক নিয়ে তখন ব্যস্ত। কে যেন বলে উঠলেন- আল্লাহর কাছে তোরা দায়ী থাকবি। লাইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলাল্লহ। মাগো...।

আমি আমার চোখের বাধনের কাপড়টি সরিয়ে ফেলে খুব জোরে দৌড় দিলাম। প্রায় হাত কুড়ি যাওয়ার পর এই এই বলে হাঁকডাক শুনতে পেলাম। আমার তখন কোনো দিকে খেয়াল নেই। শুনতে পেলাম গুড়ুম গুড়ুম করে দুটো আওয়াজ। অন্ধকারে প্রায় ৪০ গজ যাওয়ার পর সামনে পড়ল কাদা। কর্দমাক্ত জায়গাটি পার হওয়ার সময় আবার দুটি গুলির আওয়াজ শুনলাম। কিন্তু অন্ধকারে তাদের লক্ষ্যভ্রষ্ট হলো। আমি কাদার মধ্যে পড়ে গেলাম। প্রায় ৩ ফুট গভীর পানি। সমস্ত শক্তি নিয়োগ করে আমি পানি ঠেলে সামনে এগিয়ে যেতে লাগলাম। খানিকক্ষণ চেষ্টার পর শুকনো জায়গা পেলাম। উঠে আবার দৌড়ানো শুরু করলাম। দূর থেকে আমার দিকে টর্চের এক ঝলক আলো ভেসে এলো। আবার দুটি গুলির শব্দ। সাথে সাথে আমি কাত হয়ে পড়ে গেলাম। গড়াতে গড়াতে পড়ে গেলাম আবার পানির মধ্যে। প্রাণপনে সাতার কেটে এগিয়ে চললাম।

এরপর শুকনো বিল আর নদী পেরিয়ে এগিয়ে চললাম। গায়ে শক্তি নেই, কিন্তু তখন আমি দিকভ্রান্ত। নিরাপত্তার জন্য নদীর পারে না উঠে উজানে এগিয়ে চললাম। রাতের তখন বেশি দেরি নেই। খানিক পর উঠে পড়লাম নদী থেকে। বাকি রাতটা কাটিয়ে দিলাম নদীর তীরে এক ঝুপড়িতে। সকালে রোদ ওঠার পর চারদিকে তাকিয়ে দেখলাম। বুঝতে পারলাম না কোথায় এসেছি। গ্রামের আভাস যেদিকে পেলাম সেদিক পানে এগিয়ে চললাম। খানিকপর শুনলাম কারা যেন আমাকে ডাকছে। প্রথমে ভয় পেলেও পরে বুঝলাম এরা গ্রামবাসী। তাদের সব বললাম। বটগাছের বিবরন দিতে তারা বলল- ওটা রায়ের বাজার ঘাটের বটগাছ। সেখান থেকে পরে আমি আটির বাজারে মুক্তিফৌজের কমান্ডারের সাথে দেখা করি। তিনি আমার থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করলেন। দু’দিন পর ফিরে এলাম স্বাধীন বাংলার রাজধানীতে। তখনো বুঝিনি, এখনো বুঝতে কষ্ট হচ্ছে যে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে সত্যি কিভাবে আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়েছেন।



::::http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/28751211:::
:::http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/28751395:::]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29128402 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29128402 2010-04-03 18:15:46
গণতদন্ত কমিশনের রিপোর্ট : কামারুজ্জামান
১৯৭১ সালের ১৬ আগস্ট দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের ২৫তম আজাদী দিবস উপলক্ষ্যে গত শনিবার মোমেনশাহী আলবদর বাহিনীর উদ্যোগে মিছিল ও সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মুসলিম ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এই সিম্পোজিয়ামে সভাপতিত্ব করেন আলবদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক জনাব কামারুজ্জামান। এক তারবার্তায় প্রকাশ সিম্পোজিয়ামে বিভিন্ন বক্তাগন দেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত দুশমনদের সম্পর্কে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।

জামালপুরে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী হিসেবে আলবদর গড়ে ওঠার সাথে সাথে জামাত নেতৃত্ব হৃদয়ঙ্গম করতে পারে যে ছাত্র সংঘকে তারা সশস্ত্র করে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী তৎপরতা ছাড়াও বুদ্ধিজীবি হত্যার জন্য বিশেষ স্কোয়াড হিসেব ব্যবহার করতে পারবে। প্রথমত পরীক্ষামূলকভাবে সারা ময়মনসিংহ জেলার ইসলামী ছাত্র সংঘের কর্মীদের আলবদর বাহিনী হিসেবে সংগঠিত করে সশস্ত্র ট্রেনিং দেওয়া হয়। এই সাংগঠনিক কার্যক্রমের পরিচালক ছিলেন কামারুজ্জামান। কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে মাসখানেকের মধ্যেই ময়মনসিংহ জেলার সমস্ত ছাত্র সংঘ কর্মীকে আলবদর বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় (তথ্যসূত্র : একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়, মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র, পৃ: ১১১-১১২)

শেরপুরের একজন শহীদের পিতা ফজলুল হক গণতদন্ত কমিশনকে জানিয়েছেন, তার ছেলে শহীদ বদিউজ্জামানকে মুক্তিযুদ্ধের সময় আষাঢ় মাসের একদিনে তার বেয়াইর বাড়ি থেকে কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে ১১ জনের একটি দল ধরে নিয়ে যায়। শহীদ বদিউজ্জামানকে আহমদ নগর পাকিস্তানী বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতার পর শহীদের বড় ভাই হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে নালিতাবাড়ি থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলার ১৮জন আসামীর অন্যতম ছিলেন কামারুজ্জামান। মামলাটির নম্বর -২(৫)৭২। জিআর নং-২৫০(২)৭২।

শেরপুর জেলার শহীদ গোলাম মোস্তফার চাচাত ভাই শাহজাহান তালুকদার জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের ২৪ আগস্ট আলবদররা গোলাম মোস্তফাকে শেরপুর শহরের সড়ক থেকে ধরে বলপূর্বক তাদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়। শেরপুর শহরের সুরেন্দ্রমোহন সাহার বাড়িটি দখল করে আলবদররা তাদের ক্যাম্প বানিয়েছিল। সে ক্যাম্পে গোলাম মোস্তফাকে ধরে নিয়ে আলবদররা তার গায়ের মাংস ও রগ কেটে, হাত বেধে হাটিয়ে নিয়ে যায় শেরী ব্রিজের নিচে। সেখানে তারা গুলি করে হত্যা করে গোলাম মোস্তফাকে। কামারুজ্জামানের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল। শহীদ গোলাম মোস্তফার হত্যাকাণ্ড যে কামারুজ্জামানের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল এই তথ্য শেরপুরের আরো অনেকেই দিয়েছেন।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শেরপুর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি শহীদ পিতার সন্তান তাপস সাহা জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কামারুজ্জামান ও তার সহযোগীরা শেরপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আলবদর ক্যাম্পে নারী-পুরুষ-যুবক ধরে নিয়ে তাদের উপর অত্যাচার চালাত। আলবদররা তাদের চাবুক দিয়ে পেটাতো। কামারুজ্জামান বাহিনী শেরপুর পৌরসভার সাবেক কমিশনার মজিদকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল টর্চার ক্যাম্পে। সকালে ধরে নিয়ে পুরোদিন তাকে টর্চার ক্যাম্পের অন্ধকার কূপে আটকে রাখে।

১৯৭১ সালের মে মাসের মাঝামাঝি এক দুপুরে শেরপুর কলেজের তৎকালীন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ আবদুল হান্নানকে খোলা গায়ে, মাথা ন্যাড়া করে, গায়ে মুখে চুনকালি মাখিয়ে, গলায় জুতার মালা পড়িয়ে প্রায় উলঙ্গ অবস্থায় চাবুক দিয়ে পেটাতে পেটাতে কামারুজ্জামান ও তার সহযোগীরা শেরপুর শহর প্রদক্ষিন করায়।

শেরপুর জেলার আওয়ামী লিগের সাবেক নেতা জিয়াউল হক জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের ২২ আগস্ট বিকেল ৫টায় কামাড়িচরে তার নিজের বাড়ি থেকে গাজির খামারে যাবার সময় ৩জন সশস্ত্র আলবদর তাকে ধরে নিয়ে শেরপুর শহরে আলবদর টর্চার ক্যাম্পে নিয়ে যায়। তিনি সেই ক্যাম্পে কামারুজ্জামানসহ তার সহযোগীদের দেখেন। তারা জিয়াউল হককে দুদিন টর্চার ক্যাম্পের অন্ধকার কূপে আটকে রাখে। এরপর শেরপুর ছেড়ে যাবার শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্যথায় তারা তাকে হত্যার হুমকি দেয়।

শেরপুর জাতীয় পার্টির নেতা মুক্তিযোদ্ধা এমদাদুল হক হীরা জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই কামারুজ্জামানের সহায়তায় পাকিস্তানীরা তার বাড়ীঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। সেখানে তারা পাঁচটি বাঙ্কার করেছিল। তার বাড়ির লিচুগাছের নিচে মানুষ ধরে এনে হত্যা করেছে।
অপর একজন প্রত্যক্ষদর্শী বর্তমানে শেরপুরের নকলার হাজী জালমামুদ কলেজের শিক্ষক মুসফিকুজ্জামান জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময় তিন আনি বাজারস্থ বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলি লুট করা হয়েছিল কামারুজ্জামানের নির্দেশে ও উপস্থিতিতে।

শেরপুরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী, রাজাকার ও আলবদর কর্তৃক নিরীহ লোকজনদের ধরে আনা এবং তাদের লাশ বহন করার জন্য ব্যবহৃত ট্রাকগুলোর একজন ড্রাইভার জানিয়েছেন কামারুজ্জামান নকলার মুক্তিযোদ্ধা হন্তার বাড়ি পোড়ানোর জন্য পাকিস্তানী বাহিনীকে রাস্তা দেখিয়ে নিয়ে যান। তখন হন্তার বাড়ি থেকে কামারুজ্জামান প্রায় ১০০ মন চালও লুট করে। এছাড়াও কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে আলবদররা সাধারণ মানুষের গরু-ছাগল ধরেন নিয়ে আসত এবং পরিত্যক্ত সম্পত্তিসহ অন্যান্য জমি সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিত বলে জানিয়েছেন এই ট্রাক ড্রাইভার। কামারুজ্জামানের নেতৃত্ব সে সময় ডাকাতির অভিযোগ পাওয়া গেছে





:::http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/28754660:::]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29128051 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29128051 2010-04-02 23:55:14
যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-২ -৩
স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার যে পাঁচসালা কর্মসূচী নিল, তাতে গুরুত্ব দেওয়া হলো মাতৃত্বের শিকার নারীদের গর্ভপাত এবং সন্তান জন্মদানের। সরকারীভাবেই তাদের উৎসাহ দেওয়া হলো এ ব্যাপারে। যুদ্ধকালীন ঘটনাপ্রবাহের একটা রূপক সূচকই যেন ফুটে উঠলো মাতৃত্বের শিকার এসব নিগৃহিতা নারীদের শরীরে।

১৯৭২ সালে ২৯ মে নিউইয়র্ক টাইমস লিখল : মার্কিন সমাজকর্মীদের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানী সেনাদের হাতে ধর্ষিতা মেয়েদের শিশুদের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে দত্তক দেওয়ার একটা কর্মসূচী নিয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এ এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ, কারণ তাদের সমাজে অচেনা কাউকে সন্তান দত্তক দেওয়ার রেওয়াজ নেই। ইন্টারন্যাশনাল সোসাল সার্ভিস আমেরিকান ব্রাঞ্চের জেনারেল ডিরেক্টর ডব্লু সি ক্লেইন জানিয়েছেন দত্তক দেওয়াটা একটা বিকল্প উপায়। গর্ভপাত, শিশুহত্যা এবং ভিখিরিদের কাছে সন্তান বিক্রি করা ঠেকাতেই (তারা এদের দেখিয়ে সহানুভূতি আদায় করে কামানোর চেষ্টা করত) এই উপায় ভেবে বের করেছে বাংলাদেশ সরকার।

ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যানড প্যারেন্টহুড (আইপিপি), ইন্টারন্যাশনাল অ্যাবরশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার এবং স্থানীয় অনেক ক্লিনিকে সরকারী সহায়তায় গর্ভপাতের ব্যবস্থা নেওয়া হলো। আইপিপি সেসময় গঠিত কেন্দ্রীয় নারী পুনর্বাসন সংস্থাকে সাহায্য করতে ঢাকায় এবং দেশের আরো ১৭টি জায়গায় বিশেষ ক্লিনিক খুলল নির্যাতিতাদের মুক্তি দিতে। যদিও আমাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডঃ ডেভিস সঠিক সংখ্যাটা স্মরণ করতে পারেননি, কিন্তু তার আগের এক উদ্ধৃতিতে দেখলাম প্রায় ৫ হাজার বাঙ্গালী মেয়ে গর্ভপাত করেছেন। এবং এর বেশিরভাগই বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে নয়।

মাদার তেরেসাও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন কলকাতা থেকে। যেসব মেয়ে তাদের নবজাতককে দিয়ে দিতে ইচ্ছুক, তাদের আশ্রয় দেবার ঘোষণা দিলেন তিনি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পারিবারিক চাপ ছিল এসব শিশুকে যেভাবেই হোক বর্জনের। স্বচ্ছল কিছু পরিবার গোপনে কলকাতায় তাদের মেয়েদের পাঠিয়ে দিল গর্ভপাত সেরে আসতে।

নীলিমা ইব্রাহিম জানিয়েছেন পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রথম নীতিই ছিল গর্ভপাত। এরপর সরকারীভাবে দ্বিতীয় নীতিতে নির্ধারণ করা হতো জন্ম নেওয়া এসব জারজ শিশুদের ভাগ্য। তার ভাষায়, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম বিদেশী কোনো দেশ এসব শিশুকে দত্তক নিতে চাইলে দিয়ে দেব... অনেক মেয়ে অবশ্য কান্নাকাটি করেছে, তারা বাচ্চাদের ছাড়তে চায়নি। আমাদের এমনকি তাদের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তারপর বাচ্চাগুলো সরিয়ে ফেলতে হয়েছে... এক মেয়ের বয়স ছিল মাত্র চৌদ্দ। অল্পবয়সী মেয়েগুলো আবেগের কারণেই ওমন করত। কিন্তু বয়সীরা তাদের পরিণিতবোধ দিয়েই বুঝেছিল এ ধরণের শিশু রেখে পায়ের নিচে মাটি হারাবে তারা।
ইব্রাহিম আরো জানাচ্ছেন, সেসব মেয়েদের সন্তান রাখার বা না রাখার কোনো বিকল্প দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট সমাজকর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন এসব মেয়েকে সাহায্য করার। কিন্তু রাষ্ট্রের শুদ্ধতার কাছে ধর্ষিতাদের মানসিক চাপ ও আবেগের কোনো কদর ছিল না। এটাই ছিল বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিক সিদ্ধান্ত। সে সময়কার সমাজকর্মীদের একজন মালেকা খান জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের নীতি ছিল দু’রকম। প্রথমত গর্ভপাত, দ্বিতীয় হচ্ছে সন্তান জন্ম নিলে তাকে দত্তক দেওয়ার জন্য আইন প্রণয়ন। কিন্তু তিনিও সঠিক জানাতে পারেননি ঠিক কজন ধর্ষিতা গর্ভপাত করিয়েছিলেন, কতজন দত্তক দিয়েছেন।



নীলিমা ইব্রাহিম এও জানিয়েছেন, মোল্লারা সেসময় বেশ সরব হয়ে উঠেছিল এই দত্তক নীতির বিরুদ্ধে। তাদের কথা, শিশুদের সব খৃষ্টান দেশে পাচার করা হচ্ছে! এদিকে পরিবারে পুনর্বাসিত হতেও সমস্যায় পড়ছিল মেয়েরা। মালেকা আলী জানাচ্ছেন, ‘ধরুন একটা মেয়ে জন্ম দিল। প্রসবের আগে সে বলেছে বাচ্চা দত্তক দিয়ে দেবে। কিন্তু সময় যখন এল, তখন তার সে কী কান্না। কেউ সাহায্যে এগিয়ে এল না... কেউ বলল না যে সে মা ও বাচ্চার দায়িত্ব নিতে ইচ্ছুক। এমন অমানবিকতা আমি দেখিনি।’

যুদ্ধশিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে শেখ মুজিবের সঙ্গে দেখা করেছিলেন নীলিমা ইব্রাহিম। জবাব পেলেন, ‘না আপা। যে সব বাচ্চার বাবার পরিচয় নেই, তাদের বিদেশে পাঠিয়ে দিন। মানুষ হিসেবে ওরা সস্বম্মাণেই বড় হোক। তাছাড়া এই দেশে এসব দুষিত রক্ত রাখতে চাই না আমি।’

আগেই বলা হয়েছে ’৭২ সালে ডঃ জিওফ্রে ডেভিস বাংলাদেশের নিপিড়িতাদের সাহায্য করতে এসেছিলেন। সে বছর একটি পত্রিকা (দৈনিক বাংলা) তার কাজের খুটিনাটি তুলে ধরে। সেই প্রবন্ধে ডেভিসের ভাষ্য দিয়ে বলা হয় এসব মেয়ের একটা বড় অংশই জীবনে কখনোই মা হতে পারবে না। এও জানান যে সরকারীভাবে কর্মসূচীটি শুরু হওয়ার আগেই অনেক মেয়ে স্থানীয় দাই এবং অদক্ষ চিকিৎসক দিয়ে গর্ভপাত করিয়েছে। তার হিসেবে দেড় লাখ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার মেয়ে সরকারীভাবে গর্ভপাত কর্মসূচী শুরু হওয়ার আগেই তা সেরে ফেলে। তিনি নয় মাসের ওই যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তান আর্মির ধর্ষণের শিকার মেয়েদের সঠিক সংখ্যা লুকিয়ে যাওয়ার জন্য দোষারোপ করেন বাংলাদেশ সরকারকে। সারা বাংলাদেশে তখন ৪৮০টি থানা। ডেভিস আমাকে তার সাক্ষাৎকারে অপ্রতুল প্রমাণাদির তথ্যও উল্লেখ করেন। তবে এটা স্বীকার করেন যে সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তা ও সমাজকর্মীরা এসব মেয়েদের ব্যাপারে সত্যিকার ভাবেই আন্তরিক ছিলেন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন (আমরা তাকে এ বলে সম্বোধন করব) মাদার তেরেসার অনুরোধে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন ২১ জানুয়ারি (১৯৭২)। যুদ্ধশিশুদের দত্তকের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন ভদ্রমহিলা। এসব শিশুর বেশিরভাগই কানাডার নানা পরিবারে আশ্রয় পেয়েছিল। এছাড়া ফ্রান্স এবং সুইডেনেও। উনি একজন মেয়ের কথা বলেছিলেন, ‘অপরূপ সুন্দরী ছিল মেয়েটা, ওর বাবা ইঞ্জিনিয়ার। তার বাচ্চাটাকে দত্তক দিতে বাধ্য হয়েছিল সে।’ যোগ করেছেন, ‘আমার ধারণা যে পাক আর্মির ঔরসজাত এসব শিশুদের বিভিন্ন ক্লিনিকে খালাস করা হয়েছিল। এছাড়া বাবা-মা তাদের মেয়েদের ঘরে নিতে পারতেন না। আর তারা কখনোই স্বীকার করতেন না কে অত্যাচারিত হয়েছিল, কে হয়নি। যখনই জেনেছেন মেয়ে সন্তানসম্ভবা, তাড়াতাড়ি গর্ভপাত করিয়েছেন। তাই ব্যাপারটা যে খুব প্রচার পেয়েছিল, এমন নয়।’
তার কথাতেই পরিষ্কার রাষ্ট্র ও পারিবারিক সম্মানটা পরিপূরক ছিল এক্ষেত্রে। যদিও আমি তর্ক করেছি যে ‘যুদ্ধশিশু’ বিশেষণটা ব্যবহার করেই এসব মেয়েদের আসলে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। তারা সরকারী নির্দেশনার অধীনস্থ হয়েছেন। এবং সমাজ কর্মী ও চিকিৎসকরাও রাষ্ট্রযন্ত্রের নির্দেশের ব্যত্যয় ঘটাননি। আগের এক আলাপচারিতায় উনি হালকা চালেই আমাকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একটি বিশেষ রেপ ক্যাম্পের উল্লেখ করেছিলেন। যখন পরে তার কাছে খুঁটিনাটি জিজ্ঞেস করলাম, জানালেন উনি নিজে দেখেননি তবে মাদার তেরেসার কাছে শুনেছেন এর কথা। বলেছেন, আমরা তো ঢাকঢোল পিটিয়ে গেলাম যুদ্ধনিগ্রিহিতা মেয়েদের নিয়ে কাজ করব বলে। বলতে গেলে কোনো মেয়ে পাইনি, তবে শিশু পেয়েছি প্রচুর। এদের অনেককেই দত্তক দেওয়া হয়েছে। ঢাকায় এর রেকর্ড আছে। নার্সিংহোমগুলোকে বলে রেখেছিলাম বাচ্চারা জন্মালে বা গর্ভপাত ঘটালে ডাস্টবিনে না ফেলে আমাদের কাছে নিয়ে আসতে, ওরা কান দিত না। তাদের যত ভাবনা ছিল মায়েদের নিয়ে। বাচ্চাদের ঠাঁই হতো ডাস্টবিনে।

এটা ডেভিসের কথার বিপরীতে যায়। উনি 'এ’র অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং জোর দাবি করেছেন কোনো শিশুকেই কখনোই ছুড়ে ফেলা হয়নি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29127610 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29127610 2010-04-02 03:44:06
যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-১
দোটানার শুরুও এখানে। আমি কী কম্পাইল করে একটা স্টোরি দাঁড় করাবো? সেটাতে কী আমার আরোপিত অনেক বাক্য ঢুকে পড়বে না! বায়াসড হয়ে যাবে না লেখাটা? তারচেয়ে কী ভালো নয় বীনা এবং ডেভিসের লেখাগুলো অনুবাদ করেই তুলে ধরি। তারা বিদেশী, তাদের চোখে এবং বিচারে সবকিছুই যে স্বাধীনতার পক্ষে যাবে এমনটি নয়। তারপরও এই পথটিই বেছে নিলাম। লেখাগুলো বেশ বড়। কিছু জায়গা একেবারেই কাব্যিক বিশ্লেষণ বলে উপেক্ষা করা হয়েছে মূল তথ্যের গাথুনিতে আচড় না কেটেই। পাঠকদের ধৈর্য্যের ওপর আস্থা রাখার ঝুঁকি নিচ্ছি। কারণ তারা আমাকে নিরাশ করেননি আগে। ধারাবাহিক হবে তারপরও। আর আমার ইংরেজি তেমন সুবিধার নয় বলে অনুবাদে ভুলটা ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখার জন্য পাঠকদের প্রতি আর্তি রইল)

ওয়ার বেবিজ : দ্য কোয়েশ্চান অব ন্যাশনাল অনার / বীনা ডি'কস্টা

ইতিহাস নিয়ে তার সেই বিখ্যাত মূল্যায়নে নিয়েজশে লিখেছেন, 'আমরা আগের প্রজন্মের উত্তরসূরী বলেই তাদের দোষত্রুটি, ভুলভাল, আবেগ এবং নিঃসন্দেহে অপরাধের দায়ভারেরও ভাগীদার। এই শেকল থেকে পুরোপুরি মুক্তির সম্ভাবনা একেবারেই অসম্ভব।' ইতিহাসকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি দেখেছেন ব্যাপারটা হচ্ছে 'ইট ওয়াজ' বচনটাকে বুঝতে পারা। কিন্তু ইতিহাস সচেতনতা একটা জটিল বিষয়। তাই সতর্ক করে বলেছেন, 'ঐতিহাসিক এবং এর বিপরীত ব্যাপারটা একই সঙ্গে একজন ব্যক্তি ও একটি সংস্কৃতির পুরো ছবিটা তুলে ধরে।' এভাবেই নিয়েজশে 'ভুলে যাওয়ার' মূল্যটাও বুঝেছিলেন। এটা তখনই হয় যখন মানুষ তার অতীতের বন্ধন থেকে পালিয়ে নতুন করে সব শুরু করে- কল্পনা ও বিনির্মাণ। বোঝার চেষ্টা করে যা সে আগে কখনও বোঝেনি। নিয়েজশে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন স্মৃতিভ্রষ্টতা নিয়েও বেচে থাকা সম্ভব, আমাদের অনেকেই তা করে। কিন্তু সব কিছু ভুলে গিয়ে বেচে থাকাটা সার্বিকভাবেই অসম্ভব।

স্বাধীন বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জটা এই জটিল পরবাস্তবতার ঘেরাটোপেই বন্দী। একটি দেশ এবং একটি জাতি হিসেবেই তার অতীত ভুলে যাওয়াটা উচিত নয়। একই সঙ্গে তাকে কিছু ব্যাপার ভুলতেই হবে। তাকে মেনে নিতে হবে নিষ্ঠুর সেই নিয়তিকে, কোনো কিছু ভোলার আগে তার কথা স্মরণ করতে হয়।

1971 সালের স্বাধীনতার যুদ্ধ বাঙ্গালীর উপর জঘণ্য এক হিংসাচার। ভিটেছাড়া হওয়া থেকে শুরু করে ব্যাপক আকারে গণহত্যার মতো ব্যাপারগুলো তাদের সইতে হয়েছে। বিজয়ের পর সেই য়তির তালিকাও ব্যাপক। আমাদের আলোচনা সেই ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিশেষ একদলকে নিয়ে। প্রশ্ন হচ্ছে যারা ইতিহাসে উপেক্ষার শিকার, তাদের কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়? বিপন্না নারী থেকে শুরু করে অধস্তন সৈন্যদের সবার স্মৃতিকথা লিপিবদ্ধ করাতেই কী 1971 সালের পূর্ণাঙ্গ ছবিটা পাওয়া সম্ভব? বাংলাদেশের প েক্ষ কী আসলেই সম্ভব অতীতকে পুরোপুরি ভুলে গিয়ে সেই ক্ষত থেকে সেরে ওঠা? যদি নতুন করে ইতিহাস লেখা হয়, সেখানে কী সেটা কী শেষমেষ সম্মিলিত অতীতভ্রষ্টতায় রূপ নেবে?

যুদ্ধে গণহত্যার পাশাপাশি ধর্ষণের ব্যাপারটাও একটা স্বীকৃত আচার। বাংলাদেশই শুধু নয়, যে কোনো যুদ্ধেই একটি জাতির অস্তিত্ব ও পরিচয়কে বিপন্ন করতেই ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। নারী এবং তার শরীরকে নিয়েই পুরুষরা তাদের জঘণ্যতম প্রতিহিংসাগুলো চরিতার্থ করতে পারে। শুধু ভোগেই নয়, তার মননকে চিরতরে দুঃস্মৃতিময় করে দিয়েও। এই অর্থে বীরাঙ্গনারা (স্বাধীনতা যুদ্ধে ধর্ষিতা) শুধু সেই যুদ্ধের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থই নন, নির্মমতার স্বাক্ষীও। এই প্রান্তিক নারীদের ক্ষেত্রে ধর্ম-সংস্কৃতি-আত্মপরিচয়-ইতিহাসের অবমাননা ও স্মৃতির এক জটিল সংযুক্তি ভূমিকা রাখে। এই নারীরা দুর্বল। পক্ষ ও বিপক্ষের শক্তির কাছে তারা বরাবরই অসহায়। যদিও জাতীয় ভাবমূর্তি নির্মাণের ক্ষেত্রে এদের গুরুত্ব ফেলনা নয়, কিন্তু ইতিহাসে ব্রাত্য রাখার প্রয়াসটাও অবিরাম। যুদ্ধ বিধ্বস্ত এক জাতির পুনর্গঠণে অনেক সময় তারা বোঝাও হয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা, সমাজকর্মী, বীরাঙ্গনা ও সমাজের নানা স্তরের মানুষের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। দুটো সাক্ষাৎকার আমি প্রকাশ করছি। তবে সে প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে বাঙ্গালীদের ঐতিহ্য ও লোকাচার সম্পর্কে কিছুটা আভাস না দিলেই নয়।

পর্দাপ্রথা ও পুরুষদের থেকে পৃথক বিচরণের ঐতিহ্যেই অভ্যস্ত বাঙ্গালী মেয়েরা। তাইবলে পশ্চিম পাকিস্তানের মতো অতোটা ধর্মীয় অনুশাসন কখনোই ছিল না তাদের ওপর, বিশেষ করে পর্দা নিয়ে। বাঙ্গালী মেয়েরা তাদের প্রাচুর্য্যপূর্ণ সংস্কৃতিতেই বেড়ে ওঠে যা তাদের গান, সাহিত্য ও অন্যান্য অনুষঙ্গে সমপৃক্ত রেখেছে বরাবর। তাই পাকিস্তানীদের সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ে মিল ছাড়া আর কিছুই ছিল না। সার্বিকভাবে পাঞ্জাবিরা লম্বা-চওড়া ফর্সা, বাঙ্গালীরা বেটে-শ্যামলা। শারীরিক এই পার্থক্যই যুদ্ধ শেষে গর্ভবতী ধর্ষিতা বাঙ্গালীদের মনে বাড়তি এক মনস্তাত্তি্বক চাপ সৃষ্টি করেছিল। কারণ যে শিশু জন্মাবে, তার শারীরিক বৈশিষ্টই তাকে আলাদা করে চিনিয়ে দেবে তার পরিচয়। (চলবে)

::::http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/24158::::]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29127263 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29127263 2010-04-01 15:19:15
জাতীয় সঙ্গীত আমাকে মনে করিয়ে দেয় সেই দিনগুলি
আমার স্মৃতিতে স্কুল এসেম্বলির আগে হৃদয়ে ডান হাত রেখে গাওয়ার স্মৃতি

বাজনা শোনা মাত্রই উঠে দাঁড়ানোর স্মৃতি

জাতীয় পতাকা ওড়ার স্মৃতি

মুক্তিযুদ্ধে পাওয়া অর্জনের স্বীকৃতি
তিরিশ লাখ শহীদের রক্তে ভেজা পতাকার স্বীকৃতি

ধিক জানাই, ঘৃণা জানাই সেইসব জারজদের যারা কেড়ে নিতে চায় আমার শৈশব, আমার আজীবন লালিত চেতনা। অভিশাপ দিই এই বাঙলার মাটি যেন তোদের গ্রহণ না করে দালালের দল

নিচে মুক্তিযুদ্ধের একটি ভিডিও ফুটেজ দিলাম। জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা। পরাজিতের দল আজ সেই স্মৃতিটাও কেড়ে নিতে চায়!



:::::http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/28761786:::]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29126663 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29126663 2010-03-31 14:40:47
মানুষের মন পশুদের জন্য কেনো কাঁদে না!
মুখ্যা এই পর্যন্ত লিখছে, আমি গিয়া উপস্থিত। তার ভাষায় কইলাম- ওহে নাস্তিক মুখফোঁড়, ইহা একটি চিপ জোক হইয়াছে। ঈশ্বর মানবিক গুণাবলী ধারণ করেন না। তাই তাহার মুড ভালো বা খারাপ হইবার অবকাশ নাই। বরং ঐতিহ্য মানিয়া তুমি ইহাতে তিনকোনাকে যুক্ত করো নাই দেখিয়া আমি যুগপত হতাশ ও ব্যাথিত হইয়াছি। মুখ্যা হাসে। কয়- আনার সুযোগ দিলেন কই? কয়দিন ধইরা দেখতেছি সামুতে ছাগু তার পুরানা নিক সব কয়টারে রিএক্টিভেট করছে। বিডিআরের পর এখন সেইটা নোমানী নিয়া আগুডুম বাগডুম বকতেছে।

কথা সইত্য কিনা চেক করতে ঢুকি। ওরে না রে! ফিরিছে তাহারা ফিরিছে!! বেশ ছাগলিক বিশ্লেষণ সবগুলা পুস্টে। একটায় আবার দেখলাম ব্লগারগো মনস্তত্ব বিশ্লেষণ করা হইতেছে। তারা নাকি মানবিক গুনাবলী হারাইয়া প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ডের পক্ষে বকবক করতেছে। হরে ভাই, কথা সত্য। মানুষের উপর কোরবানী নাজিল হওয়ার পর থাইকাই পশু হত্যায় তারা অস্বাভাবিক উল্লাস কইরা আসতেছে। এইটাও সত্য শতাধিক খুনের দায়ে ফাসিতে মরা এরশাদ শিকদারের প্রিয় গানও মানুষ মাথা দুলাইয়া শু্নে। কিন্তু তার ফাসিতে তারা উল্লসিত হয়। কিছু খুনী দল আছে যেগুলার নেতা হইতে হাতে কি পরিমাণ রক্ত মাখতে হয় সেইটা তো আমরা জানি। তাই এইসব খুনীর প্রয়ানে মানুষ তাদের স্বাভাবিক মনুষত্ব বোধ হারাইয়া ফেলে। ব্লগাররাও মানুষ। তাদের মন মানুষের জন্য কাদে ঠিকই, পশুদের জন্য না

:::::http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/28924746::::]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29126422 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29126422 2010-03-31 02:28:25
রাজাকার, জামাত এবং ইত্যাদি.... চরম ডান বা চরম বাম দলগুলোর মধ্যে একটা চমৎকার মিল আছে! তারা খুবই সুশৃংখল এবং সংগঠিত হয়, সেই সঙ্গে আদর্শের ব্যাপারে আপোষহীন। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি বা সমমনা দলগুলোকে আমি এদের মধ্যে ধরছি না। সর্বহারারা আসতে পারেন যদিও ডাকাতি, চাঁদাবাজি এবং নারীনির্যাতনেই তাদের আদর্শ এখন ডুব দিয়েছে। চরম ডান বলতে কী জামাতে ইসলামী আসবে? পুরোপুরি নয়। সমপ্রতি সারাদেশে একযোগে বোমা হামলা চালিয়ে শোর ফেলে দেওয়া তথাকথিত ইসলামপন্থী দলগুলো নিঃসন্দেহে এ তালিকায় ওপরে। কিন্তু বেশ কজন জঙ্গী ধরা পড়ার পর 'আগে শিবির বা জামাত করতাম' জাতীয় স্বীকারোক্তি দেওয়ায় এটা মোটামুটি পরিষ্কার জামাত-শিবির তাদের মোহভঙগ করায় অন্যপথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছে তারা। 'ইসলামী বিপ্লব জামাতের এজেন্ডায় এখন নেই। তারা এখন অন্য ধান্দায়। এতবড় ভূমিকা আমার মূল আলোচনায় প্রাসঙ্গিক কিনা এখনই নিশ্চিত নই। লিখতে থাকি, পড়তে থাকেন।
খ.
ব্লগে ইদানিং রাজাকার প্রসঙ্গটাই তুমুল হট আইটেম- সঙ্গে জামাত এবং পক্ষে-বিপক্ষে জমজমাট বিতর্ক। আমি কোন পক্ষে? উত্তর আসছে। তার আগে বলে নিই, এই উপমহাদেশেই শুধু নয়, গোটা বিশ্বেই মানুষের বিশ্বাস ও আবেগ নিয়ে ফায়দা লোটে একদল। অভিধানিক নাম ধর্ম ব্যবসায়ী। এরা আগেও ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। প্রেক্ষাপট যখন বাংলাদেশ, তখন বলতেই হয় প্রচণ্ড ধর্মভীরু জাতি আমরা। আর সেই বিশ্বাস ভাঙ্গিয়ে এবং একরকম ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে যারা আখের গুছিয়ে নিয়েছে তাদের সংগঠিত দলটির নাম হতে পারে জামাত। তবে '71র জামাত আর সামপ্রতিক জামাত এক নয়- এই বিশ্বাস যাদের তাদের সুখস্বপ্নে জল ঢালতেই হচেছ এই বলে যে 'এরা একটা নির্দিষ্ট আদর্শে বিশ্বাসে' এবং তা থেকে টলবার নয়। আওয়ামী লিগ বা বিএনপি বা জাতীয় পার্টির মতো বুর্জোয়া দলগুলো নিজেদের আদর্শ (যদি সেরকম কিছু আদৌ থাকে) বিসর্জন দিয়ে অবলীলায় ফুলের মালা নিয়ে বিপ দলে যোগ দিতে পারে। জামাত থেকে তা সম্ভব নয়। এ কারণেই তাদেও কর্মী, সমর্থক একেবারে অঙ্কের মতো হিসেব করা_ এক চুলও এদিক ওদিক হয় না। (দুয়েকটা ব্যাতিক্রম থাকতেই পারে, তা নিয়ম বলে ভাববেন না)
গ.
একাত্তরে জামাতের আদর্শ ছিল পাকিস্তান ভাঙ্গা যাবে না এবং ভারতের গোলাম হওয়া যাবে না। নতুন মিলেনিয়ামে তাদের ভাবনা মোড় নিয়েছে_ এদেশটাকেই আমরা পাকিস্তান বানিয়ে নিই না কেন! সম্ভব অসম্ভব পরের কথা- এ লক্ষ্যে তারা গুছিয়ে এগিয়ে গেছে বহুদূর। আর তাতে কখনো কাঁধ পেতে দিয়েছে আওয়ামী লিগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টি। '75 পরবর্তী পুনর্বাসনে গোলাম আযম তার নাগরিকত্ব উদ্ধারের পাশাপাশি যে কাজটি নিশ্চিত করেন তা হলো সারা দেশে তখন পর্যন্ত রাজাকার বলে নিগৃহিতদের একটা হিল্লে করা। আশির দশকের সাপ্তাহিক বিচিত্রার একটি প্রবন্ধ ডিটেলে তুলে ধরেছিল ব্যাপারটা- উদাহরণ হিসেবে ছবিসহ দিয়েছিল এক কানকাটা রাজাকারের প্লাস্টিক সার্জারি করিয়ে আনার ছবি।
ঘ.
মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় আমার বয়স সাড়ে তিন। সেইরকম কোনো স্মৃতি মনে নেই। আবছা মনে পড়ছে ব্রাক্ষনবাড়িয়ার পাইকপাড়ায় আমাদের বাসার সামনে রামকানাই স্কুলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যামপ, প্রথম স্টেনগান ছুঁয়ে দেখা, চোখ বাঁধা ট্রাক বোঝাই বাঙ্গালীর বধ্যভূমি যাত্রা, আমাদের ময়না মিঠুর 'জয় বাংলা' শ্লোগান, ট্যাঙ্কের পাড়ে হেলিকপ্টার থেকে মিত্র বাহিনীর শিখ কমান্ডারের অবতরন, বাবাকে না পেয়ে আমাদের বাসা লুট এবং চাকর কবিরকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া। মনে আছে বোম্বিং হবে এই ভয়ে আমাকে বুকে নিয়ে ট্রেঞ্চের দিকে ছুটছে আমার গর্ভবতী মা। রমজান মাসে কর্ণেল সাহেব ইফতারির দাওয়াত দিয়েছিলেন। বাবা কি মনে করে ঘুরপথে সেদিন বাড়ি ফিরেছিলেন। ফলে ভৈরব ব্রিজের ওপর দাঁড় করিয়ে মারা 32জন ডাক্তার-ইনজিনিয়ার ও বুদ্বিজীবির সঙ্গী হতে হয়নি তাকে। বাবা ডায়েরি রাখতেন। পরে এতে যোগ হয়েছে বিজয়ের পর প্রকাশিত পত্রিকাগুলোয় যুদ্ধকালীন প্রতিদিনকার ভয়াবহ সব কিপিং। বাবা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি পান্ডুলিপি করে গেছেন। বাংলা-ইংরেজি দুভাষাতেই। কিন্তু এর প্রকাশনা দেখে যেতে পারেননি টাকার অভাবে। আশা রাখি একদিন তা প্রকাশের সামর্থ্য আমার হবে।
ঙ.
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষের শক্তি, ও তা নিয়ে এখন দেশ বিভাজন চলছে বলে যারা বুলি কপচান, তারা হয় সত্যি জানেন না নয়তো তা স্বীকার করতে লজ্জা পান। '71-এ কারা লড়াই করেছে? 12 বছরের শহীদ যে বাঘা সিদ্দিকীকে বলেছিলেন 'গ্রেনেড দেন খানগো মারুম' কিংবা 65 বছরের কৃষক বশিরউদ্দিন যে চওড়া কাধে মর্টারের ভার নিয়ে অবহেলায় সতীর্থদের বলেছিলেন, 'কী যে কও ভাতিজারা, গরু না থাকলে এই কাধে জোয়াল বইছি, আর এইডা কী ভার?' কিংবা আমাদের চট্টগ্রাম মেডিকেলের তরুন ডাক্তার শাহআলম বীরোত্তমের কথা যিনি ক্যারিয়ারের চেয়ে দেশ বড় ভেবে খরস্রোতা কর্ণফুলি সাঁতরে উড়িয়ে দিয়েছিলেন শত্রুজাহাজ- তারাই কী শুধু! তারাও, যারা জানের মায়া না করে ঘরে আশ্রয় দিয়েছেন গেরিলাদের, না খেয়ে খাইয়েছেন সোনার ছেলেদের- ওরা একটি পতাকার জন্য জান লড়িয়ে দিচেছ, এই ভাবনায়। বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে তখন মুক্তিযোদ্ধা। এবং রাজাকার- তাদের পতাকা চাঁনতারা। মুখে পাকসারজমিনবাদ...।
চ.
আরেকটু পেছনে ফেরা যাক। '70র নির্বাচনে শেখ মুজিব ও তার দল বাঙ্গালীদের সংখ্যাগরিষ্ট ভোট পেয়েছিলেন। একটাই ডাকে- ভোট দাও আমি তোমাদের নিজের দেশ দেব। 25 মার্চ রাতে পাকিসতানি সেনাবাহিনী চরম হিংস্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ার পর, মুজিব বন্দী হলেন। তার সঙ্গীরা পাল্টা প্রতিরোধের বাণী নিয়ে ছড়িয়ে পড়লেন এদিক ওদিক, কেউ বা সীমানার বাইরে। তখন বন্দুকের নল খুঁজে বেরাচেছ আওয়ামী লিগ আর হিন্দুদের। এই সময় ফিল্ডে নামল যে দুটি দল তারা হচেছ মুসলিম লিগ ও জামাতে ইসলামি- পাকিদের কাছে বিহারিদের পর সাচচা মুসলমান ও পাকিস্তানি। তাদের কাজ দেশদ্রোহী যারা ভারতের দালালী করে পাকিস্তান ভাঙতে চায় তাদের চিহ্নিত করা ও ধরিয়ে দেওয়া। মুসলিম লিগ একটু মাঝামাঝি বিবেকের, সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করতে তারা গঠন করল শানতি কমিটি। জামাত এক কাঠি বাড়া- রাজাকার। কি সুন্দর নাম! স্বেচছা সেবক- আসল অর্থ ঘাতক-দালাল। কোন বাড়িতে সুন্দরী মেয়ে আছে, কার টাকা পয়সা আছে, হিন্দু কই, কোন বাড়ির ছেলে দেশের ডাকে ঝাঁপ দিছে, তালিকা করো, জ্বালাও পোড়াও। একেক জায়গায় অবশ্য একেক রকম। তুমুল যুদ্ধের সময় তাদের লুঙ্গির উপর খাঁকি ইউনিফর্ম জুটছে, আর থ্রি নট থ্রি রাইফেল। পাকিরা বাঙ্কারে মাইয়া লইয়া ফুর্তি করে, তারা বাইরে পাহারা দেয়- আর অপেক্ষায় থাকে যদি ঝুটা জুটে। হাজার হোক মালে গনিমত! শত্রু সমপত্তি- জায়েজ আছে! 10 লাখ বাঙ্গালী বীরাঙ্গনা তাদের দালালীতে সম্ভ্রম খুইয়েছেন। লাখখানেক যুদ্ধশিশুকে '72 সালে বিদেশে চালান করা হয়েছে। তাদের অনেকেই ফিরে এখন মাকে খোঁজে। কিন্তু কে স্বীকার করবে সেই অপমান!
ছ.
ব্যাতিক্রম ছিল শুনেছি। অনেকে জান বাঁচাতে রাজাকারের তালিকায় নাম তুলেছে। কেউবা ফায়দা লুটতে। কেউ কেউ নাকি গোপনে মুক্তিদের সাহায্যও করেছে। বিবেকবান রাজাকার! শহুরে পরিস্থিতি অবশ্য ভিন্ন। জামাত ও শিবির (তখন নাম ছিল ইসলামী ছাত্র সংঘ) মহানবী ও ইসলামের বিখ্যাত বিজয় বদর যুদ্ধের অপমান করে মাঠে নামে 'আল বদর' নাম নিয়ে। আল-শামস নামটা কোত্থেকে এসেছে জানি না। তবে এরা ছিল জেনুইন কিলার- তাও পারভার্ট ধরনের। বুদ্ধিজীবি হত্যার নীলনক্সা ও বাস্তবায়ন ঘটায় তারাই; যার প্রথম সারির নেতা ছিলেন এখন কার দুই জামাতি মনত্রী নিজামী ও মুজাহিদ। ফকিরাপুলে মুজাহিদ পাকিসতানের পতাকা হাতে সামরিক মার্চ করছে-এমন ছবি আছে। যুদ্ধ শেষে এরা কোথায় ডুব দিয়েছিল সেটা গবেষনার বিষয়। কিন্তু পাকরা তাদের দোসরদের পালাবার সময় সঙ্গী করেনি। বলা হয় তারা অনেকেই লুটের সোনাদানার কিছুটা বখরা দিয়ে জানের সদকা কিনেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদেও মাঝেও ঢুকে পড়েছিল কিছু। 16 ডিসেম্বর বেশ কিছু এ জাতীয় লোক কুড়িয়ে পাওয়া রাইফেল নিয়ে 'জয় বাংলা' শ্লোগান নিয়ে শরিক হয়েছিল বিজয় মিছিলে। তাদের রসিকতা করে বলা হতো 'সিক্সটিনথ ডিভিশন'। এবং অধঃপতিতরাও আছেন। মায়ার কথাই ধরুন। '71-এ রাজধানীর বুকে শত্রুসেনার ঘুম হারাম করা 'ক্র্যাক' প্লাটুনে'র সদ্যস্য ছিলেন তুমুল সাহসী এই যুবক। পেয়েছেন বীর বিক্রম খেতাব। অথচ ক্ষমতায় গিয়ে বিকিয়ে দিলেন তার চেতনা ও আদর্শ। উনি একটি উদাহরন মাত্র। আমরা কত সসতাতেই কমপ্রোমাইজ করি!
জ.
তাহলে শেখ মুজিব কেন এদের ক্ষমা করলেন- এই প্রশ্ন অনেক অর্বাচীনের। মানুষটার মায়া ছিল বড্ড, কারণ কলিজাটা বিশাল যে! বললেন, 'কাদের মারব? এরাই তো কারো ভাই, কারো বাবা।' ভুল করেছিলেন, বড্ড ভুল করেছিলেন রাক্ষসের রক্তবীজের ঝাড় শেষ না করে। তবে আমাদের গ্রামে খলিল চাচা ব্রাশফায়ারে নিজের বাবাকে মারতে দ্বিধা করেননি দালাল বিধায়, থু থু ছিটিয়েছিলেন মরা লাশের মুখে।
ঝ.
'75-র পরবর্তী সরকারের আনুকুল্যেই ফিরে আসে হায়েনাদের দল। বুক ফুলিয়েই। এরপর তো তাদের মিডাস টাচ- যেখানে হাত দেয় সেখানেই সোনা। আশির দশকের মাঝামাঝি চট্টগ্রাম-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তাদের দখলে। চট্টগ্রামে জাতীয় পার্টির ছাত্রনেতা হামিদ ভাইকে সালাম দিয়ে হ্যান্ডশেইক করল একজন, তারপর হাত ছাড়ে না। আরেকজন কিরিচ দিয়ে এক কোপ! সমানে রগকাটা। আর কী প্ল্যানিং! আশেপাশের গ্রামে প্রথম লজিং টিচার হিসেবে ঢুকে বিয়েশাদি আত্মীয়তা করা। ব্যাস এভাবেই জাহাঙ্গীর নগর পর্যনত দখল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ঘেরেই আছে, প্রগতিশীল ছাত্রদের কারণে (এমনকি ছাত্রদলও এই ব্যাপারে অনেকখানি আপোষহীন!) ডাইরেকট অ্যাকশনে অক্ষম। আর মহাবিদ্যালয়গুলো? ওগুলোও তাদের।
ঞ.
মহাশয়রা। নিশ্চিন্তে রাত্রি যাপন করেন। অচিরেই বাংলা হবে তালিবান। লক্ষণ সব দেখা যাচেছ! ছেলেরা কলেমা আবার রিভাইস দিয়ে নামাজ ধরেন, দাড়ি রাখার অভ্যাস করেন। মেয়েরা বোরকা। শরীয়া আইন সমপর্কিত বইগুলো বই মেলাতেই পাবেন। ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ।
'মা গো ভাবনা কেন, আমরা তোমার শানতি প্রিয় শানত ছেলে, তবু শত্রু এলে অসত্র হাতে ধরতে জানি। তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি...'
কে বলছে এটা মুক্তিযুদ্ধের গান। এইটা তো 'ক্লোজআপ ওয়ান' নোলক বাবু গাইছে। তাই না মলি?

:::::::http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/2415:::::]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29125297 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29125297 2010-03-29 04:18:23
মগবাজারে ভিডিও এডিটিং সংস্থা ওয়ানফ্রেম এর ঠিকানা দরকারর (" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29123433 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29123433 2010-03-25 23:49:03 INTERNATIONAL CREDIT CARD NEEDED PLACE: BANGLADESH TO USA
WEB ADDRESS : https://www.fmjfee.com/i901fee/
CALL- 01716290887]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29106742 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29106742 2010-02-27 18:42:01
চার বছর হয়ে গেলো অভিবাদন:
ঢালী (dhalablog)
কাউয়া নিতাই (nitaiblog)
অন্ধকার (ondhokarblog)
মাশীদ-অরূপ (aboltabolblog) (arupblog)
আস্তমেয়ে (AstoMeyeblog)
কালপুরুষ (KaLPurushblog)
খুসবু (পাগলী) (khushbublog)
মেঊ শাহানা (shahana)
রাগী কিন্তু শান্ত ইমন (valobashablog)
অমি রহমান পিয়াল (স্বাধীনতার চলমান ডাইরী) (omipialblog)
প্রাপ্তি ফাউন্ডেশন এর আরাফাত ভাই (arobd)
মিথিলা তালুকদার (mithilablog)
মেঘ- ব্যাংকার সুন্দরী বটে (meghkanyablog)
নওরীণ সুলতানা (nawrinbdblog)
মৃন্ময় আহমেদ (mreenmoyblog)
অহেতুক অকারণ (ohetuk_okaronblog)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29104608 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29104608 2010-02-24 15:42:47
বাসন্তী শুভেচ্ছা....... আন্দোলিত নবযৌবনপ্রাপ্ত কিশোরির মন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29096456 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29096456 2010-02-13 04:41:09
জাঃশির জানোয়ার Martyrs of Islami Chhatra Shibir

28 OCTOBER 2006, A MOURNING DAY (শোকাবহ দিন)

Tauhidi Janota (Janotar Songram)

Shahjahan Chowdhury ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29095826 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29095826 2010-02-12 05:06:14
ভাই হত্যার প্রতিশোধ নিবোই দল অনুমোদন না দিলেও ভোরের কাগজ
ভোরের কাগজ ০১
শিবিরের বর্রতা
রগকাটা শিবির
নিজামির নির্দেশে
শিবিরের কর্মসংস্থান
আমাদের সময়
খানকির বাচচা মাহমুদুর রহমান
জাররজজ সংগ্রাম
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29094459 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29094459 2010-02-10 03:50:43
ছবি http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29094440 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29094440 2010-02-10 02:29:48 মিথিলাকে মনে পড়ে?
তারপরে ব্লগে সে কি শোকের ঢল! কতো শোকবার্তা এলো দুনিয়ার চারদিক থেকে, কতো মর্সিয়া আর পেটমোচড়ানো পদ্য লিখলো অ্যামেচার পদ্যকাররা! আহা!

তবে কতিপয় কঠিন-প্রাণ সিনিক সেই শোকের ঢলে কিছু হৃদয়হীণ প্রশ্ন করতে শুরু করলো । যাতে আস্তে আস্তে খুলে যেতে লাগলো রহস্যের জট!

তারপরে মা. হা. রুবেলের মুখোশ খোলার পরে সে কি গালাগালি! সে কি কাইজ্যা আর খিস্তি খেউড়! এই ধুম্রজাল সৃষ্টি ও ছড়ানোর জন্য কাদের হাত আছে?!? বিচারসভা বসে গিয়েছিল একেবারে!

প্রিয় ভাই ও বোনেরা, প্রেমে পড়লে সাবধানে পড়বেন। মরদগণ! আপনার বায়বীয় পুতুলের প্রেমে পতিত হলে তার মুল্য শোধ করতে প্রস্তুত থাকবেন!

আর মহিলাগণ! রুবেলের মতন প্রেমিকের জালে পা দিলে তারা আপনাকে 'ক্যান্সার-ডাইলাইসিস ও তুষারপাতের' ফাঁদে ফেলে দেবে!

অতএব সাধু ও সাধ্বীগণ হুঁশিয়ার!


মিথিলা, তুমি কয়েক ঘন্টার জন্য হলেও মনে করিয়ে দিয়েছিলে আমরা মানুষ, অতি-বিশ্বাস-প্রবণ মানুষ, তবে আমরা অন্যের দুঃখে দুঃখে দুঃখিত হই । ভার্চুয়াল রিয়েলিটি যে কি জিনিস তা তুমি মরে দেখিয়ে গেছ ।

আমরা ভালো নেই, তুমি ভালো আছো তো মিথিলা ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29093809 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29093809 2010-02-09 03:38:13
২টা SD RAM 32MB Each বেচুম http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29083375 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29083375 2010-01-22 04:35:21 ২১/০৮ http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29082132 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29082132 2010-01-20 04:58:33 সামুর সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য। ব্লগ কে অনেক ধন্যবাদ। http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29058466 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29058466 2009-12-14 04:45:12 আজ কয় গোলে হারাবো ভারতকে? http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29057167 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29057167 2009-12-11 19:07:12 California,USA"র কেউ থাকলে আওয়াজ দিয়েন http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29053240 http://www.somewhereinblog.net/blog/TMSblog/29053240 2009-12-04 03:53:21