somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সি. সি. টিভি স্হাপন এবং হজ্জ নষ্টের সূক্ষ ষড়যন্ত্র (৪)

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সি. সি. টিভি স্হাপন এবং হজ্জ নষ্টের সূক্ষ ষড়যন্ত্র (৩)

সি. সি. টিভি স্থাপন ইহুদী-নাছারা ও তাদের গোলাম সৌদী ওহাবী সরকারের গভীর এক ষড়যন্ত্রঃ মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআন শরীফের সূরা মায়িদা-এর ৮২তম আয়াত শরীফে ইরশাদ করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদীদেরকে। অতঃপর যারা মুশরিক তাদেরকে।”
অর্থাৎ ইসলাম ও মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো প্রথমতঃ ইহুদীরা, দ্বিতীয়তঃ মুশরিকরা, আর তৃতীয়তঃ হচ্ছে নাছারারা। এক কথায় সকল বিধর্মীরাই ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রু। তাই বলা হয়- “সমস্ত কাফিরেরা মিলে এক ধর্ম।” অর্থাৎ কোন কোন বিষয়ে তাদের নিজেদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতিসাধনে তারা সবাই একজোট। ইহুদী-নাছারা, হিন্দু-বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিক তারা সবাই মিলে সর্বদাই চেষ্টা করে থাকে কি করে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা যায় এবং তাদের ঈমান-আমল নষ্ট করে কাফিরে পরিণত করা যায়। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক সূরা বাক্বারা-এর ১০৯তম আয়াত শরীফে ইরশাদ করেন, “ইহুদী-নাছারা তথা আহলে কিতাবদের মধ্যে অনেকেই প্রতিহিংসাবশত চায় যে, মুসলমান হওয়ার পর তোমাদেরকে কোন রকমে কাফির বানিয়ে দিতে।”
কাজেই বিধর্মীরা যেহেতু ইসলাম ও মুসলমানদের চরম ও পরম শত্রু তাই তারা হিংসার বশবর্তী হয়েই মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করে কাফির বানানোর লক্ষ্যেই ইসলাম ও মুসলমানের নামে বা ছূরতে প্রথমতঃ বাতিল ফিরক্বাগুলো আবিষ্কার করে। যে বাতিল ফিরক্বা সম্পর্কে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাস্‌সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “অতি শীঘ্রই আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে, ১টি দল ব্যতীত ৭২টি দলই জাহান্নামে যাবে। তখন ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যে একটি দল নাযাতপ্রাপ্রাপ্ত, সে দলটি কোন দল? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি ও আমার ছাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনাহুমগণের মত ও পথের উপর যারা কায়িম থাকবে, (তারাই নাযাতপ্রাপ্ত দল)।” ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি ইহা বর্ণনা করেন। আর মুসনাদে আহমদ ও আবূ দাউদের বর্ণনায় “হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, ৭২টি দল জাহান্নামে যাবে, আর ১টি জান্নাতে যাবে। মূলতঃ সে দলটি হচ্ছে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত।”
উল্লিখিত হাদীস শরীফ দ্বারা মূলতঃ এটাই বুঝানো হয়েছে যে, “কলেমা গো মুসলমানই” ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। তন্মধ্যে ৭২টি দলই জাহান্নামী, গোমরাহ ও বাতিল। আর ১টি মাত্র দল জান্নাতী। সেটা হচ্ছে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত। যেহেতু ৭২টি জাহান্নামী, গোমরাহ ও বাতিল দলই ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা সৃষ্ট ও অসংখ্য কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী আক্বীদায় বিশ্বাসী। অর্থাৎ ৭২টি বাতিল ফিরক্বা সৃষ্টি করে তারা অসংখ্য মুসলমানকে ছহীহ আক্বীদা ও আমল থেকে ফিরায়ে কুফরী আক্বীদা ও শরীয়ত বিরোধী আমলে মশগুল করে জাহান্নামী করে দেয়। (নাঊযুবিল্লাহ)
স্মর্তব্য, ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের ষড়যন্ত্র এখানেই থেমে যায়নি। এরপর তারা সৃষ্টি করলো বাহাই ও কাদিয়ানী ফিরক্বা যার মাধ্যম দিয়ে অসংখ্য মুসলমানকে “খতমে নুবুওওয়াত”-এর মত একটি গুরুত্বপূর্ণ আক্বীদা থেকে সরিয়ে কাফির ও চির জাহান্নামী বানিয়ে দিয়েছে। কারণ ইসলামী শরীয়তের ফায়ছালা মুতাবিক যারাই খতমে নুবুওওয়াতকে অস্বীকার করবে তারাই কাফির ও চির জাহান্নামী হবে।
উল্লেখ্য, মুসলমানদের ঈমান-আমল বিনষ্ট করে চির জাহান্নামী করার বিধর্মীয় ষড়যন্ত্র এখনও অব্যাহত আছে। ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীরা এখন কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ নিয়ে পড়াশুনা করে, ইউরোপ-আমেরিকায় অনেক ইহুদী-নাছারা রয়েছে যারা কুরআনে হাফিয ও হাফিযে হাদীস। প্রশ্ন হচ্ছে তারা ইহুদী-নাছারা হয়ে কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ পড়ছে কেন? আর তার উপর গবেষণাই বা করছে কেন? কি তাদের উদ্দেশ্য?
মূলতঃ এর মধ্যেও রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র! তারা কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ গবেষণা করে এমন বিষয়গুলো বের করে যে বিষয়গুলো দিয়ে মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করে কাফির ও জাহান্নামী করা যায়। একটি উহাদরণ দিলেই বিষয়টি সকলের নিকট স্পষ্ট হয়ে উঠবে। যেমন হাদীস শরীফে রয়েছে, “দাইয়ূছ কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (নাসায়ী, মুসনাদে আহমদ)
ইহুদী-নাছারারা উক্ত হাদীস শরীফ গবেষণা করে সিদ্ধান্ত নিল যে, যেকোন মূল্যে মুসলমানদেরকে দাইয়ূছ বানিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ বেপর্দা করে দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তারা কাজ শুরু করেছে এবং অনেকটা সফলও হয়েছে। আজ সারাবিশ্বের অধিকাংশ মহিলারাই চরম বেপর্দা। তারা আজ পুরুষের সাথে একই অফিসে চাকুরী করছে, লেখা-পড়া করছে, সিনেমা করছে, গান গাইছে, রাজনীতি করছে, খেলাধূলা করছে। অর্থাৎ নানানভাবে আজকে মহিলাদেরকে বেপর্দা করা হচ্ছে। আর এক্ষেত্রে ইহুদী-নাছারারা রয়েছে পরোক্ষভাবে, আর প্রত্যক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে ইহুদীদের আরেক এজেন্ট ওহাবী সম্প্রদায়। ইহুদীদের এজেন্ট ওহাবী মতাবলম্বী উলামায়ে ‘ছূ’রা ইহুদীদের পরিকল্পনা অনুযায়ী মুসলমানদের ঈমান-আমল ধ্বংস করার লক্ষ্যে হারাম টিভি চ্যানেল, পত্র-পত্রিকা, কিতাবাদী ও বক্তব্য বা বিবৃতির মাধ্যমে একের পর এক হারামকে হালাল, হালালকে হারাম, জায়িযকে নাজায়িয, নাজায়িযকে জায়িয বলে প্রচার করছে। যেমন- তারা প্রচার করছে ফরয নামাজের পর মুনাজাত করা বিদ্‌য়াত ও হারাম। নিয়ত করে রওজা শরীফ ও মাযার শরীফ যিয়ারত করা বিদ্‌য়াত, শবে বরাত পালন করা বিদ্‌য়াত, তারাবীহ নামাজ জরুরী কোন নামাজ নয়, ৮রাকায়াত তারাবীহ পড়লেই চলে ইত্যাদি ইত্যাদি। (নাঊযুবিল্লাহ)
অথচ উল্লিখিত প্রতিটি বিষয়ই শরীয়তসম্মত এবং তন্মধ্যে কোনটা সুন্নত আবার কোনটা মুস্তাহাব। পক্ষান্তরে উলামায়ে ‘ছূ’ তথা দুনিয়াদার মাওলানারা টেলিভিশন, সিনেমা, নাটক, নোবেল, বেপর্দা হওয়া, নারী নেতৃত্ব মানা, ভোট দেয়া, রোযা অবস্থায় ইঞ্জেকশন নেয়া, মহিলাদের জামায়াতের জন্যে মসজিদে যাওয়া, মহিলাদের বাইরে যাওয়ার সময় হাত ও মুখ খোলা রাখা, হরতাল করা, লংমার্চ করা, গণতন্ত্র করা, ব্লাসফেমী আইন চাওয়া, মৌলবাদী দাবী করা, কুশপুত্তলিকা দাহ করা, টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠান করা ইত্যাদি নাজায়িয কাজগুলোকে জায়িয বলে প্রচার করছে। (নাঊযুবিল্লাহ)
অর্থাৎ তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, মুসলমানদেরকে ইসলাম থেকে সরিয়ে, ইবাদত থেকে সরিয়ে অনৈসলামিক ও হারাম কাজে মশগুল করে দিয়ে বেঈমান করে দেয়া। ঠিক এরূপ আরেকটি সূক্ষ ষড়যন্ত্র হচ্ছে ছবির বিষয়টি। কারণ তারা (বিধর্মীরা) হাদীস শরীফে পেয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমি আল্লাহ পাক-এর হাবীব পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আল্লাহ পাক ঐ ব্যক্তিকে কঠিন শাস্তি দিবেন, যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি তোলে বা আঁকে।” (বুখারী শরীফ)
“হযরত আবু তালহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ঐ ঘরে রহমতের ফিরিস্তা প্রবেশ করে না, যে ঘরে প্রাণীর ছবি বা কুকুর থাকে।” (বুখারী শরীফ, কিতাবুল লিবাছ, বাবুত তাছবীর, ২য় জিলদ্‌ ৮৮০ পৃষ্ঠা)
অর্থাৎ ছবির আমলটা যদি মুসলমানদের মধ্যে জারী করে দেয়া যায় তবে সহজেই তাদেরকে আল্লাহ পাক-এর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে লা’নতগ্রস্থ করে জাহান্নামী করে দেয়া সম্ভব। তাই তারা আজ মুসলমানদের মাঝে ছবির ব্যাপক প্রচলন করার ও প্রতি ক্ষেত্রে ছবিকে বাধ্যতামূলক করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তাদের দালাল ও গোলাম রাজা-বাদশাহ ও ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘ছূ’দের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে ও ফতওয়া দেয়াচ্ছে যে, “ছবি তোলার ব্যাপারে ধর্মীয় কোন নিষেধাজ্ঞা নেই এবং পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য ছবি তোলা জায়িয।” (নাঊযুবিল্লাহ)
এই ইহুদী-নাছারাদের নির্দেশেই তাদের গোলাম সৌদী ওহাবী সরকার মুসলমানদের পবিত্রতম স্থান মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফে হাজার হাজার সি. সি. টিভি স্থাপন করেছে। উদ্দেশ্য হলো মুসলমানদের সম্পদ নষ্ট করা, মুসলমানদেরকে ২৪ঘন্টা হারাম কাজে মশগুল রাখা এবং হজ্জসহ মুসলমানদের যাবতীয় ইবাদতসমূহ নষ্ট করে দেয়া। যেমন-
(১) ইসলামে প্রাণীর ছবি হারাম, কিন্তু তারা এ সি. সি. টিভির মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ইচ্ছায় ও অনিচ্ছায় হারাম করিয়ে দিচ্ছে।
(২) যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমতের ফিরিস্তা আসে না, এতে করে মুসলমানরা রহমতী স্থানে অবস্থান করে রহমত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
(৩) নামাযীর আশে-পাশে ছবি থাকলে নামায মাকরূহ তাহরীমী হয়ে যায়। যা দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব হয়। সি. সি. টিভির মাধ্যমে মুসলমানদের পবিত্রস্থানে থাকার পরও নামাযগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
(৪) মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফকে মুসলমানরা আর্দশ্য হিসেবে মনে করে থাকে। এমন স্থানে হারাম কাজ করতে দেখলে সর্বসাধারণ মুসলমান মনে করে পবিত্রস্থানে যখন তা সংঘটিত হচ্ছে, হয়তোবা তা জায়িয আছে। (নাঊযুবিল্লাহ)
(৫) হারামের মাধ্যমে পবিত্রস্থানকে অপবিত্র করা হচ্ছে।

অতএব বলার অপেক্ষা রাখে না যে, মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফ-এ শক্তিশালী সি. সি. টিভি স্থাপনের পিছনে মূলতঃ মুসলমানদের চির শত্রু ইহুদী-নাছারাদের সূক্ষ ষড়যন্ত্র রয়েছে। তাই পৃথিবীর ২৬০কোটি মুসলমান নর-নারীর উচিৎ ইহুদী-নাছারাদের উল্লিখিত ষড়যন্ত্রসহ প্রতিটি ষড়যন্ত্র থেকে সাবধান বা সতর্ক থাকা এবং এগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করা। (শেষ)
১৯টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×