অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
আউলা মাথার বাউলা পোলা।
আর এস এস ফিড

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

আমার প্রিয় পোস্ট

আউলা মাথার বাউলা পোলা।

জুম্মার নামাজের সময় মজার অভিজ্ঞতা !!! :) :)

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩৯ |

শেয়ারঃ
0 0


ঘটনা গত শুক্রবারের নয়। তাহারও কিছুদিন আগের। লিখিয়াছি নামাজ পড়িয়া আসার সাথে সাথেই। কিন্তু কি এক অজ্ঞাত কারনে পোস্ট করিব করিব করিয়া করাই হইতেছিলনা। যাক শেষ পর্যন্ত পোস্ট করিয়াই দিলাম।

--------*----------*---------*----------*----------*----------*--------

খানিক্ষন আগেই আজিকের জুম্মার নামাজ আদায় করিলাম। নামাজে যাইয়া অনেক দিন পর একখানা মজার অভিজ্ঞতা অর্জন করিয়া আসিলাম। ব্যাপার হইল যে, স্থানীয় এক ভদ্রলোক তাহার ছোট্ট (বয়স ৩ কি ৪ হইবে) ছেলেকে সাথে আনিয়াছেন। উদ্দেশ্য তাহাকে ধর্ম কর্মের সহিত কিঞ্চিত পরিচয় ঘটানো। কিন্তু তাহার শিশুপুত্র মসজিদে আসিয়া ধর্ম কর্ম বাদ দিয়া স্বভাববশতঃ চঞ্চলতা প্রকাশ করিতে লাগিল, যেমনটি সচরাচর হইয়া থাকে।

যাহাই হউক, নামাজের সময় যখন মুসুল্লিগণের কাতার বিন্যাস করা হইতেছিল তখন আমি এই অধম ভদ্রলোকের ডানপাশে স্থান পাইলাম। তাহার চঞ্চলতা প্রকাশকারী পুত্রকে তিনি বামে রাখিলেন। কিন্তু পুত্রের এইরূপ সুশৃঙ্খল মনুষ্য বিন্যাস পছন্দ হইলনা। সে স্বীয় স্থান ত্যাগ করিয়া কাতারের সম্মুখে ছুটিয়া বেড়াইতে উদ্যত হইল। আমি মাত্র আমার অন্ধের যষ্ঠী চশমাখানা সম্মুখে রাখিয়াছি, চঞ্চল পুত্র আসিয়া একদম ঠিক উহারই উপরে তাহার একখানি পদ রখিল। আমি ত্রস্ত ব্যাস্ত হইয়া “এই এই ” বলিয়া তাহাকে সরাইয়া দিয়া দেখিতে লাগিলাম অন্ধের যষ্ঠী আস্ত রহিয়াছে কিনা! দুর্ভাগ্যবশতঃ উহার একখানা ডান্টি সামান্য বাঁকিয়া গিয়াছিল, উহা সোজা করিয়া এইবার নিজের কাছে পাঞ্জাবির পকেটে রাখিলাম।

যথারীতি নামাজ আরম্ভ হইল। প্রথম রাকাত নির্ঝঞ্ঝাটে কাটিয়া গেল। কিন্তু দ্বিতীয় রাকাতে আসিয়া ভদ্রলোকের চঞ্চল পুত্রটি আর চুপ থাকিতে পারিলনা। আমরা দাড়াইয়াছিলাম কাতারের মাঝামাঝি। হঠাৎ কি মনে হইল, চঞ্চল শিশু সুন্দর করিয়া কচি পায়ে কাতারের সম্মুখ দিয়া বামে দৌড় দিল। পুরা কাতার ভ্রমন করিয়া ফিরিয়া আসিয়া ফের ডানে দৌড়ের উদ্যোগ গ্রহণ করিতেই তাহার পিতা তাহাকে খপ ধরিয়া যায়গামত বসাইল। কিন্তু পুত্র নাছোড়বান্দা। সে পিতার এহেন বৈপিত্রেয় আচরনে বিরক্ত হইয়া তাহার টুপিখানা আমার সম্মুখে ছুঁড়িয়া মারিল এবং তাহা লইবার উদ্দেশ্যে আমার সম্মুখ হইতেও ভ্রমন করিয়া গেল।

এইবার অসহায় পিতা নিতান্তই নিরুপায় হইয়া তাহাকে নিজের সামনে ধরিয়া বসাইল। তো খানিক বাদে নামাজের পরিসমাপ্তি ঘটিল। যদিও অবুঝ শিশুর এই কর্মকান্ডে বুঝ-বিদ্বান অনেকেই বিরক্ত হইতেছিলেন কিন্তু ভদ্রতার খাতিরে কেহই কিছু কহিলেননা। কেবল শিশুর বামপাশের ভদ্রলোক কহিলেন, ”বাচ্চা লইয়া আসেন কেন? কাহারও কি নামাজ হইবে?” উত্তরে অসহায় পিতা কাষ্ঠ হাসিলেন।
এই হইল মজার অভিজ্ঞতা। তবে আমার সৌভাগ্য যে আমার অন্ধের যষ্ঠী খানা বহাল তবিয়তে রহিয়াছে।

আজিকের ঘটনা দর্শন করিয়া আবার সেই সুদূর অতীতের নিজের পুটুকালের/ গ্যাদাকালের কথা মনে পরিয়া গেল। তখন প্রতি শুক্রবারে শ্রদ্ধেয় মাতা গোছল করাইয়া নিজের হাতে জামা কাপড় টুপি পরাইয়া, খুশবু লাগাইয়া নামাজের নিমিত্ত সাজাইয়া দিতেন। পিতার হাত ধরিয়া মসজিদে গমন করিতাম।
ধর্ম কর্ম কি তাহা তখনও মাথায় আসে নাই। তাই মসজিদে গমনের প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল নামাজের আগে ও পরে অন্য পিচ্চিদের সহিত মসজিদময় খানিক দৌড়াদৌড়ি করা। ইহার ভেতরেই অপার আনন্দ নিহিত রহিয়াছিল।

তবে পিতার অত্যধিক সতর্কতার ফল স্বরুপ এই অধম কোনদিন নামাজের আভ্যন্তরে দৌড় দিয়াছে এমনটা শুনিনি।
-----------------------------------------------
উক্ত গল্প হইতে কি শিখিলেন? পিচ্চি পুলাপানদের বেশি করিয়া জুম্মার নামাজে সাথে লইয়া আসুন। উহারাও ধর্ম কর্ম শিখুক। দৌড়াদৌড়ি তো খানিক হইবেই। তাহা নিঃসন্দেহে ক্ষমার যোগ্য।
/\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\//\\///\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\
আপনাদের নিজেদের কোন মজার অভিজ্ঞতা থাকিলে তাহাও বলুন। শ্রবণে মোরা কিঞ্চিত পুলকিত হই।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


৫৬টি মন্তব্য

১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৪৯

রোবান মাহমুদ বলেছেন: বুজিলাম। কিন্তু এক খান কথা আমার মাথায় কিছুতেই জায়গা লইতেছেনা। সেইটা হইল গিয়া, নামায চলাকালিন আপনি স্বীয় নামাযে মননিবেশ না করিয়া বর্ণিত বাচ্চার দুষ্টামি দেখার কাজ এ নিয়োগ দিয়াচিলেন কেন??

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: আরে ভাই আমি ভয়ে ভয়ে ছিলাম যে শিশু না আবার আমারই সামনে আসিয়া পড়ে।

মাশা আল্লাহ সে আমার সামনে হইতেও ভ্রমণ করিয়া গিয়াছে।

:)

২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৫৪

নীল-দর্পণ বলেছেন: একবার রোজার ঈদের সময় ছোট কাকা তার পিচ্চি ছেলেকে নিয়ে গিয়েছেন ঈদের নামাজ পড়তে। কিছুক্ষন পরেই দেখি দৌড়াদৌড়ি করে কাকা পিচ্চির হাত ধরে চলে এসেছেন। দেখেত অবাক নামাজ শেষ হবার আগেই চলে আসলেন...পরে শুনি পিচ্চির বাথরুম পেয়েছে...তাই :P :P
সেই পিচ্চি এখন সিক্সে পড়ে।

আমি মেয়ে হলেও আব্বার সাথে মসজিদে যেতাম, আর এক কোনায় চুপচাপ বসে থাকতাম...যদিও মুসল্লিরা এতে বিরক্ত হতো :P

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: পুরাই হা হা প গে।

এত বাথরুম চেপেছে মাঠের এক কোনায় করে ফেলবে।

ইশ রে ঈদের নামাজ মিস গেল।

ঈদের দিন এই কাহিনী পিচ্চিরে চিঠিতে লিখে গিফট করবেন। :P :P

৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:০৪

মুখচোরা বলেছেন: ভ্রাতঃ লেখা উপাদেয় হইয়াছে। তবে বলিতেই হয়, চশমার ডান্টির কি কোন সাধু সংস্করন খুঁজিয়া পাওয়া গেল না?

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: সকল ভ্রান্তি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখিলে মর্জি হয়।

বুঝিতেই পারিতেছেন এই অধম সাধু ভাষায় বড়ই কাঁচা।

অনেক তদবির করিয়াও সুরাহা করিতে পারিলাম না।

ভ্রাতঃ যদি কোন উপায় করিয়া দেন :#) :#)

৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:০৫

শায়মা বলেছেন: সে স্বীয় স্থান ত্যাগ করিয়া কাতারের সম্মুখে ছুটিয়া বেড়াইতে উদ্যত হইল। আমি মাত্র আমার অন্ধের যষ্ঠী চশমাখানা সম্মুখে রাখিয়াছি, চঞ্চল পুত্র আসিয়া একদম ঠিক উহারই উপরে তাহার একখানি পদ রখিল। আমি ত্রস্ত ব্যাস্ত হইয়া “এই এই ” বলিয়া তাহাকে সরাইয়া দিয়া দেখিতে লাগিলাম অন্ধের যষ্ঠী আস্ত রহিয়াছে কিনা! দুর্ভাগ্যবশতঃ উহার একখানা ডান্টি সামান্য বাঁকিয়া গিয়াছিল, উহা সোজা করিয়া এইবার নিজের কাছে পাঞ্জাবির পকেটে রাখিলাম।



তোমার নামাজ তো হবেই না ভাইয়া।:(


তুমি ইবাদাত বন্দেগী ছাড়িয়া অতি নগন্য পার্থীব জিনিস ( চশমার ডান্টি) লইয়া বেশী মনোযোগী ছিলে।


তওবা তওবা এইবার শিশু কেনো কাতারের সামনে দিয়া হাতী চলিয়া গেলেও নামাজ ভঙ্গ করিবানা।


ইহা আমার মত একজন বড় আপুর উপদেশ।:)


:P

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: শ্রদ্ধেয়া বড় আপু, বিনীত নিবেদন এই যে দয়া করিয়া পুস্ট খানা এক এক দুই চক্ষু মেলিয়া আরো একবার পড়িয়া দেখুন। ;)

ডান্টির ঘটনা ঘটিয়াছিল কাতার বিন্যাসের সময়।

তখনও নামাজ শুরু হয় নাই।

B-)) B-)) B-))

৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১২

এস এইচ খান বলেছেন: আপনি যার কথা বলছেন সেতো বহুত ভাল ছেলে! আমার ছেলেটিতো প্রথম সিজদার সময় তিন লাইন মারিয়ে এক দম ঈমাম সাব পর্যন্ত পৌঁছে আবার পরের সিজদায় এক দৌড়ে আমার পাশে =p~ সে দিনতো ও আমার নামাজটাই বরবাদ করে দিয়েছিল!

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: কন কি ভাইসাব??
এ যে দেখি বিদিক অবস্থা। ;)

ওই মুহুর্তে ইমাম সাহেবের চেহারা খানা দেখিতে মন চাহিতেছে।

৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৩

গোধুলী রঙ বলেছেন: দু তিন বছর আগের রোজার সময়। গ্রামের মসজিদে ইফতারি দেওয়ার রেওয়াজ আছে। নানার ইফতারির দিন আমার মামাতো ভাইটা সাথে মসজিদে গেলো, বয়স বছর পাচেক হবে। ইফতারি শেষে সবাই মাগরিবের নামাজে দন্ডায়মান। সে দাড়ালো আমার পিছনে অন্য পিচ্চি পোচ্চার লগে। প্রথম রাকাতের দ্বিতীয় সেজদা হচ্ছে, পুরো মসজিদে পিন পতন নিরবতা। এর মধ্যে আমার ঐ বজ্জাত মামাতো ভাইটা মোটামোটি চিকন শব্দে বায়ু সরালো =p~ =p~ =p~ =p~ তার সাথের পিচ্চি গুলা হাসতে শুরু করলো। একে একে দেখলাম একেক কাতারে হাসির সংক্রমন হইতেছে। ছেলে বুড়ো সব হাসি পেটের মধ্যে চাপতে না পেরে মুখের মধ্যে চেপে নামাজটা শেষ করলো।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: "প্রথম রাকাতের দ্বিতীয় সেজদা হচ্ছে, পুরো মসজিদে পিন পতন নিরবতা। এর মধ্যে আমার ঐ বজ্জাত মামাতো ভাইটা মোটামোটি চিকন শব্দে বায়ু সরালো তার সাথের পিচ্চি গুলা হাসতে শুরু করলো।"


আহারে নামাজের দিকে সবার কত্ত মনযোগ।

আপনে হাসেন নি তো আবার? ;)

৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৫

হাসিন ঐশী বলেছেন: রোবান মাহমুদ বলেছেন: বুজিলাম। কিন্তু এক খান কথা আমার মাথায় কিছুতেই জায়গা লইতেছেনা। সেইটা হইল গিয়া, নামায চলাকালিন আপনি স্বীয় নামাযে মননিবেশ না করিয়া বর্ণিত বাচ্চার দুষ্টামি দেখার কাজ এ নিয়োগ দিয়াছিলেন কেন?? B:-) B:-)

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আরে ভাই আমি ভয়ে ভয়ে ছিলাম যে শিশু না আবার আমারই সামনে আসিয়া পড়ে।

মাশা আল্লাহ সে আমার সামনে হইতেও ভ্রমণ করিয়া গিয়াছে।

আমি ধন্য।

৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৬

~মাইনাচ~ বলেছেন: অধমের ও একটা ঘটনা আছে, তবে আপনার মতো না, নামায ছাড়িয়া সামান্য চশমায় মন নিমজ্জিত করিলেন। আমি সেই লেখাখানা লিপিবন্ধ করি, আপনি নামায খানা পুনরায় পড়িয়া আসেন,

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: কি করিব ভাই ওয়াক্ত পার হইয়া গিয়াছে।
ইনশা আল্লাহ সামনের শুক্রবার চেষ্টা করিব।

৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৭

বলতে দিন বলেছেন: আপনার অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, যিনি বলিয়া উঠিলেন বাচ্চা আনেন কেন, নামাজ হইবে? তিনি কি স্বয়ং মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) থেকে বড় নামাজী, নাউযুবিল্লাহ মিন জালেক। মহানবীর অতী আদরের নাতী ইমাম হাসান ও হোসেন যখন ছোট্ট ছিল তখন তিনি তাদেরকে সংগে করে নামাজ পড়তে আসিতেন এবং তিনি যখন সিজদা দিতেন তখন ওনার আদরের নাতী পিঠের উপর উঠিয়া বসিয়া থকিতেন, নাতী মজা পাইতেছে দেখিয়া আমাদের নাবী (সাঃ) একটু দেরী করে সিজদা হতে উঠিতেন তবে ওনাদের হাত দিয়া নামাইয়া রাখিতেন। উনি ছোট্ট বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে আসিবার জন্য সকলকে উপদেশ দিতেন যেন ছোট্ট বেলা হইতে উহারা নামাজের প্রতি অভ্যস্ত হইতে পারে। সুতরাং যে ভদ্রলোক বাচ্চার পিতাকে শাসাইলেন তিনি হাদীস জনিতেন না এবং বাচ্চার পিতাও মনে হয় জানিতেন না তাই লজ্জার হাসি হাসিলেন। ছোট্ট বাচ্চা কাতারের সামনে ছুটাছুটা করিলে কাহারো নামাজ হইবে না এমন কোন হসীহ হাদীস আমার জানা নাই। বরং সকলের উচিত তার নিজের ধ্যানে মগ্ন হওয়া বাচ্চা কি করিতেছে তাহা দেখিবার সময় কোথায়?

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক সুন্দর বলেছেন। :)
কমেন্টে ঝাঝা সহকারে প্লাস।

আমাদের জানার অনেক ঘাটতি আছে।

১০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২১

জীবন্মৃত০১ বলেছেন: অবুঝ শিশুদের নিয়া কেনো যে পিতারা মসজিদে গমন করেন তাহা আমার বুঝে আসে না। ঐ অবুঝ শিশুকে ভালো করিয়া বাসায় তালিম দিয়া তবেই মসজিদে আনয়ন করা উচিত।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: তালিমের ব্যপারে সহমত।

১১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২২

~মাইনাচ~ বলেছেন: আমার একটা ঘটনা মনে পড়িয়া গেল।



একবার এক বাপ তার সুযোগ্য বাবুটিকে নিয়ে মসজিদে গমন করিয়া ঠিক মাঝকানেই স্থান গ্রহন করিলেন। নামায আরম্ভ হইলে বাবুটিও ভদ্র ভাবেই দাড়াইয়া পড়িল। কিন্ত অল্পক্ষন পড়ে কি জানি কি হইলো সে আকস্মাত তার প্যান্ট খানা খুলিয়া গলায় বাধিঁয়া ফেলিল। তারপর তার ওইটা ধরিয়া নুনু নুনু বলিয়া জিকির করিতে লাগিল। আমরা কেউ কিন্তু হাসি থামিয়ে রাখিতে সক্ষম হইনাই =p~ =p~ =p~ =p~

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন:
আমার জীবনে শোনা নামাজের ভেতর সবচেয়ে মজার ঘটনা মনে হইতেসে আপনের টাই।

"তারপর তার ওইটা ধরিয়া নুনু নুনু বলিয়া জিকির করিতে লাগিল।"

এইটা পড়িয়া আমি ৫ মিনিট যাবত হাসিয়াছি। কি দিনকাল আসিল রে বাবা।

১২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২৫

আবুল হাসান নূরী বলেছেন: পিচ্চি পুলাপানদের বেশি করিয়া জুম্মার নামাজে সাথে লইয়া আসুন। উহারাও ধর্ম কর্ম শিখুক। দৌড়াদৌড়ি তো খানিক হইবেই।

তবে এতো পিচ্চি পুলাপান মসজিদে আনা ঠিক নয় যাহারা মসজিদের আদব বুঝে না। পিচ্চি পুলাপান মসজিদে আনার পূর্বেই তাহাদিগকে মসজিদের আদব বিষয়ে ধারণা দিতে হইবে। পিচ্চি পুলাপানকে কেন অফিসে লইয়া যাই না- এই বিষয়টি উহাদের অভিভাবকগন একটু চিন্তা করিলে সহজে বুঝে আসিবে।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: পুরাপুরি সহমত।

কিন্তু এই যুগের মাতা পিতা দুনিয়াবি কাজ নিয়ে এতোই ব্যস্ত থাকেন যে বেশিরভাগ পরিবারের বাচ্চারাই এই তালিম পায়না।

১৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২৬

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: যান ভাই দোয়া কইরা দিছি।

১৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪২

উপরঅলা বলেছেন: রোবান মাহমুদ বলেছেন: বুজিলাম। কিন্তু এক খান কথা আমার মাথায় কিছুতেই জায়গা লইতেছেনা। সেইটা হইল গিয়া, নামায চলাকালিন আপনি স্বীয় নামাযে মননিবেশ না করিয়া বর্ণিত বাচ্চার দুষ্টামি দেখার কাজ এ নিয়োগ দিয়াচিলেন কেন??

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আরে ভাই আমি ভয়ে ভয়ে ছিলাম যে শিশু না আবার আমারই সামনে আসিয়া পড়ে।

তাই আরকি একটু লক্ষ্য রাখিতেছিলাম।

১৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৩

দা লর্ড বলেছেন: আমার এক খালাত বোনের ছেলে মসজিদ থেকে বাসায় ফিরে তার মাকে জিজ্ঞেশ করেছিল, "আম্মু, ওখানে একজন গান গাচ্ছিল কেন??"

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা হা হা হা হা

পিচ্চি দেখি সেই মাপের ট্যলেন্ট। :P :P

১৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৫৫

একজন ছেলে বলেছেন: =p~ =p~

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ;) ;)

১৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০১

সবুজ সাথী বলেছেন: পিচ্চি পোলাপাইন নামাজের আগে দিয়া গেলে নামাজ ভঙ্গ হয়না বলেই জানি।

@বলতে দিন, ভালো বলিয়াছেন।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: যথার্থ।

১৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৪

ইমরান খান সবুজ বলেছেন:
অবুঝ শিশু নিয়ে মসজিদ বা ইদগাহে গিয়ে অন্যদের বিরক্তির সৃষ্টি করা লোক দেখানো ন্যাকামো ছাড়া আর কিছু হতে পারেনা।

এসব অভিবাবককে কোনভাবেই ক্ষমা করা যায় না।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন:
পুরাপুরি মানতে পারলাম না ভাই। কেউ

বাচ্চা নিয়ে যাক কিন্তু তখন তার উচিত পিছনের দিকের কাতারে কোন এক কোনায় দাঁড়ানো। তাহলে বাচ্চাকে নামাজের ভেতর দৌড়ের হাত থেকে ঠেকানো সহজ।

১৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৫

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন:
ভাইজান দেখি কাষ্ঠহাসি উপহার দিলেন।

২০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৩৭

গুপ্তঘাতক007 বলেছেন: মাঝে মাঝে এই জিনিসগুলা চরম বিরক্তিকর হয়া দাড়ায়,মনে পড়তাসে এক জুমায় একটা পিচ্চির ভয়াবহ চিত্কারসহ কান্নার নামে নির্যাতনের কথা!

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন:
ভাই রে
আপনার কাছেই মনে হইতেছিল নির্যাতন তাইলে তখন পিচ্চির কি অবস্থা বুঝেন।

২১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:৩৯

হেডস্যার বলেছেন:
৭/৮ বছর আগে এক জুম্মার নামাযের সময় এক পিচ্চি চিৎকার করে সুরেলা গলায় ডাকিয়া উঠিলঃ ছোট মামা, ছোট মাআআআআমা...সালাম ফিরাইয়া পুরা মসজিদের মানুষের মধ্যে হাসির রোল পড়িয়া গেল।

আপনার লেখার হাত ভালো। পোষ্টে +

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন:
স্যার মনে হয় + এর আগে একটা এ লেখতে ভুইলা গেছেন। ওইডা পাইলে নিজেরে আরেকটু বিদ্বান বিদ্বান মনে হইত। অহন আবার এ+ এর যুগ কিনা।

;)

তয় ওই সুরেলা পিচ্চি কি তার ছোট্ট মাআআআমা রে খুঁইজা পাইছিল??

২২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:০১

দেখি তো পারি কিনা..... বলেছেন: ছোট বেলায় কেমন ছিলাম সেটা জানতে পারি নি। তবে এখন মসজিদের ভিতরে ছোট ছোট পিচ্চিদের দেখলে ভালো লাগে। যদিও মাঝে মাঝে ওদের দুষ্টুমিটা চরম মাত্রা অতিক্রম করে।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: শিশু হইল পবিত্রতার প্রতীক।

আর মসজিদে নামাজের আগে ওদের দৌড়ঝাপ দেখলে ঈদের দিন ঈদের দিন মনে হয়।
সত্য কইতাছি।
:)

২৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:০২

স্বর্ণমৃগ বলেছেন: মজা পেলাম পড়ে! কিঞ্চিত দুষ্টুমী আমিও করেছিলাম...
+++++

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: শেয়ার করেন জলদি।

তখনকার দিনের আপনার কিঞ্চিত দুস্টামির ঘটনা কেমন ছিল তা জাতি জানতে চায়।

;)

২৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৩০

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: ১৩তম ভালোলাগা, আগে যখন অনেক ছোট ছিলাম তখন অনেক দুষ্টুমি করতাম নামাজে যেয়ে :`>

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: ইশতিয়াক ভাই অনেক ধন্যবাদ।

লজ্জা পাইতেছেন ক্যান? বলেন না কি করছিলেন? :)

২৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৪৮

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: বলতে দিন বলেছেন: আপনার অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, যিনি বলিয়া উঠিলেন বাচ্চা আনেন কেন, নামাজ হইবে? তিনি কি স্বয়ং মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) থেকে বড় নামাজী, নাউযুবিল্লাহ মিন জালেক। মহানবীর অতী আদরের নাতী ইমাম হাসান ও হোসেন যখন ছোট্ট ছিল তখন তিনি তাদেরকে সংগে করে নামাজ পড়তে আসিতেন এবং তিনি যখন সিজদা দিতেন তখন ওনার আদরের নাতী পিঠের উপর উঠিয়া বসিয়া থকিতেন, নাতী মজা পাইতেছে দেখিয়া আমাদের নাবী (সাঃ) একটু দেরী করে সিজদা হতে উঠিতেন তবে ওনাদের হাত দিয়া নামাইয়া রাখিতেন। উনি ছোট্ট বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে আসিবার জন্য সকলকে উপদেশ দিতেন যেন ছোট্ট বেলা হইতে উহারা নামাজের প্রতি অভ্যস্ত হইতে পারে। সুতরাং যে ভদ্রলোক বাচ্চার পিতাকে শাসাইলেন তিনি হাদীস জনিতেন না এবং বাচ্চার পিতাও মনে হয় জানিতেন না তাই লজ্জার হাসি হাসিলেন। ছোট্ট বাচ্চা কাতারের সামনে ছুটাছুটা করিলে কাহারো নামাজ হইবে না এমন কোন হসীহ হাদীস আমার জানা নাই। বরং সকলের উচিত তার নিজের ধ্যানে মগ্ন হওয়া বাচ্চা কি করিতেছে তাহা দেখিবার সময় কোথায়?
সহমত,

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: উনাকে বলতে দেয়ায় উনি খুব সুন্দর একটা কথা বলেছেন।

নামাজে মনোযোগ টাই আসল।

২৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৫৭

লিন্‌কিন পার্ক বলেছেন: মজা পেলুম ;) ;)

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: ধইন্যা লন। আপ্নের গান হুইন্যা মুইও খুবোই মজা পাই।

২৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:০৩

আহমেদ সাব্বির পল্লব বলেছেন: ভাল লিখছেন......পিচ্চিদের মসজিদে নেয়া আমি সাপোর্ট করি.... ওরা আসলেই এত পবিত্র যে ওরা নামাজে গেলে মসজিদেরই পবিত্রতা বৃদ্ধি পায়.....

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ পল্লব ভাই। বেশি করে পিচ্চিদের মসজিদে নিয়ে যাওয়া দরকার। না হলে শিখবে কি করে?

২৮. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৩৮

বিলুপ্ত বৃশ্চিক বলেছেন: ভালো লাগলো লেখা।ছুডোকালের কথা মনে পড়ে গেল ;) ;)

০১ লা মার্চ, ২০১২ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন:
তাইলে আপনিও কি পুটু কালে এইসব করতেন??

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন