পোস্ট আর্কাইভ
- মার্চ,২০১৩(৫)
- ফেব্রুয়ারী,২০১৩(৩)
- নভেম্বর,২০১২(৩)
- আগস্ট,২০১২(১)
- জুলাই,২০১২(২)
- জুন,২০১২(৯)
- মে,২০১২(৪)
- এপ্রিল,২০১২(২)
- মার্চ,২০১২(৩)
- ফেব্রুয়ারী,২০১২(২)
- জানুয়ারী,২০১২(৬)
- নভেম্বর,২০১১(৬)
- অক্টোবর,২০১১(৯)
- সেপ্টেম্বর,২০১১(২)
- আগস্ট,২০১১(২)
- জুলাই,২০১১(৪)
- জুন,২০১১(৭)
- এপ্রিল,২০১১(৭)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
কোন বিভাগ নেই
আমার প্রিয় পোস্ট
- ল্যাপটপ কিনতে চান? কয়েকটা স্যাম্পল দেখে যান। মাথা ঘুইড়া পইড়া গ্যালে আমার দোষ নাই - প্রিন্স হেক্টর
- থ্রিডি প্রিন্টার, প্রযুক্তির আরেক বিষ্ময় - চারশবিশ
- 'হেফাজত' এর অণু-পরমাণু: শিউরে ওঠার উপাখ্যান - গোলাম দস্তগীর লিসানি
- ২০১২ সালের ইউটিউব 'শীর্ষ ১০০' গানের 'এমপি-৩' এক লিন্কে
সিমিত সময়ের জন্য। ঝাপাইয়া ডাউনলোড করুন। - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- (নাটিকা) ত্রিঘাত সমীকরণের অভিশাপ - ম্যাভেরিক
- Cipher : A secret way of writting বার্তা আদান-প্রদানের এক গোপন বিদ্যা - টিনের সেপাই
- বৈধ ও শালীন ২য় বিয়ের নিন্দা করে অশ্লীল ব্যভিচার, পরকীয়া আর সমকামের সাপোর্ট দেয়, এরা কারা? ভালো মন্দের মাপকাঠিতে হুমায়ূন আহমেদের ২য় বিবাহ - পর্ব ৩ - মূসা আলকাজেম
- যারা কোরানে শুধু বিজ্ঞান খোঁজেন বা যারা বিজ্ঞান দিয়ে কোরআনের ভুল ধরেন তারা সবাই একটু দেখুন। সাইন্টিফিক মেথড সম্পর্কে আগে জানুন। - মূসা আলকাজেম
- দাড়ি কি রাখতেই হবে ? একটু ছোট রাখলে কি হবে না ? নাকি পুরোটাই রাখতে হবে ? - সাইদুর রহমান মুন্না
- অত্যন্ত চমৎকার একটি লেখা খুঁজে পেলাম নেটে। প্লীজ সবাই একটু পড়ুন। কথা দিচ্ছি ভালো লাগবেই ইনশাআল্লহ। - মূসা আলকাজেম
- আমার প্রিয়তে থাকা মুভি বিষয়ক পোস্ট গুলি।(১৮+ মুভি থাকলে লেখক দায় আমি না।) - রাশান শাহরিয়ান নিপুন
- সাহাবী গাছ [একটি ইসলামিক কাহিনী] - আধোয়া
- নিজের পায়ে দাড়ান- ব্যবসা করুন- ১ - শিপু ভাই
- আসেন মজা করি কম্পিউটার এর সাথে দেখি কে ক্লান্ত হয়



- মাহীন jm
- বিদেশী পত্রিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শাসনামল - ফারহানা শারমিন
- আল্লাহ সুবহানু তায়ালার বিস্ময়কর নেয়ামত- কালো চাল এখন বাংলাদেশে - রবিনের প্রান "বাংলাদেশ"
- হাউ টু কন্ট্রোল এ টিপিক্যাল গার্লফ্রেন্ড - ভুল উচ্ছাস
- ফাস্ট ফুড বিক্রির নামেদেশে চলছে জমজমাট প্রতারনা ব্যাবস্য দেখার যেন কেই নাই......... - অশ্রুহীন মন
- ইতিহাসের অন্তরালের সাক্ষ্য বহন করা সাধারণ কিছু অসাধারণ ঐতিহাসিক ক্ষণ - ইমরাজ কবির মুন
- কক্সবাজার যেতে চাইলে অবশ্যই হেল্পফুল। বিভিন্ন জনের দেয়া তথ্য থেকে সংগৃহীত একটি তথ্যভান্ডার। - মি: জন
জুম্মার নামাজের সময় মজার অভিজ্ঞতা !!!

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩৯ |
ঘটনা গত শুক্রবারের নয়। তাহারও কিছুদিন আগের। লিখিয়াছি নামাজ পড়িয়া আসার সাথে সাথেই। কিন্তু কি এক অজ্ঞাত কারনে পোস্ট করিব করিব করিয়া করাই হইতেছিলনা। যাক শেষ পর্যন্ত পোস্ট করিয়াই দিলাম।
--------*----------*---------*----------*----------*----------*--------
খানিক্ষন আগেই আজিকের জুম্মার নামাজ আদায় করিলাম। নামাজে যাইয়া অনেক দিন পর একখানা মজার অভিজ্ঞতা অর্জন করিয়া আসিলাম। ব্যাপার হইল যে, স্থানীয় এক ভদ্রলোক তাহার ছোট্ট (বয়স ৩ কি ৪ হইবে) ছেলেকে সাথে আনিয়াছেন। উদ্দেশ্য তাহাকে ধর্ম কর্মের সহিত কিঞ্চিত পরিচয় ঘটানো। কিন্তু তাহার শিশুপুত্র মসজিদে আসিয়া ধর্ম কর্ম বাদ দিয়া স্বভাববশতঃ চঞ্চলতা প্রকাশ করিতে লাগিল, যেমনটি সচরাচর হইয়া থাকে।
যাহাই হউক, নামাজের সময় যখন মুসুল্লিগণের কাতার বিন্যাস করা হইতেছিল তখন আমি এই অধম ভদ্রলোকের ডানপাশে স্থান পাইলাম। তাহার চঞ্চলতা প্রকাশকারী পুত্রকে তিনি বামে রাখিলেন। কিন্তু পুত্রের এইরূপ সুশৃঙ্খল মনুষ্য বিন্যাস পছন্দ হইলনা। সে স্বীয় স্থান ত্যাগ করিয়া কাতারের সম্মুখে ছুটিয়া বেড়াইতে উদ্যত হইল। আমি মাত্র আমার অন্ধের যষ্ঠী চশমাখানা সম্মুখে রাখিয়াছি, চঞ্চল পুত্র আসিয়া একদম ঠিক উহারই উপরে তাহার একখানি পদ রখিল। আমি ত্রস্ত ব্যাস্ত হইয়া “এই এই ” বলিয়া তাহাকে সরাইয়া দিয়া দেখিতে লাগিলাম অন্ধের যষ্ঠী আস্ত রহিয়াছে কিনা! দুর্ভাগ্যবশতঃ উহার একখানা ডান্টি সামান্য বাঁকিয়া গিয়াছিল, উহা সোজা করিয়া এইবার নিজের কাছে পাঞ্জাবির পকেটে রাখিলাম।
যথারীতি নামাজ আরম্ভ হইল। প্রথম রাকাত নির্ঝঞ্ঝাটে কাটিয়া গেল। কিন্তু দ্বিতীয় রাকাতে আসিয়া ভদ্রলোকের চঞ্চল পুত্রটি আর চুপ থাকিতে পারিলনা। আমরা দাড়াইয়াছিলাম কাতারের মাঝামাঝি। হঠাৎ কি মনে হইল, চঞ্চল শিশু সুন্দর করিয়া কচি পায়ে কাতারের সম্মুখ দিয়া বামে দৌড় দিল। পুরা কাতার ভ্রমন করিয়া ফিরিয়া আসিয়া ফের ডানে দৌড়ের উদ্যোগ গ্রহণ করিতেই তাহার পিতা তাহাকে খপ ধরিয়া যায়গামত বসাইল। কিন্তু পুত্র নাছোড়বান্দা। সে পিতার এহেন বৈপিত্রেয় আচরনে বিরক্ত হইয়া তাহার টুপিখানা আমার সম্মুখে ছুঁড়িয়া মারিল এবং তাহা লইবার উদ্দেশ্যে আমার সম্মুখ হইতেও ভ্রমন করিয়া গেল।
এইবার অসহায় পিতা নিতান্তই নিরুপায় হইয়া তাহাকে নিজের সামনে ধরিয়া বসাইল। তো খানিক বাদে নামাজের পরিসমাপ্তি ঘটিল। যদিও অবুঝ শিশুর এই কর্মকান্ডে বুঝ-বিদ্বান অনেকেই বিরক্ত হইতেছিলেন কিন্তু ভদ্রতার খাতিরে কেহই কিছু কহিলেননা। কেবল শিশুর বামপাশের ভদ্রলোক কহিলেন, ”বাচ্চা লইয়া আসেন কেন? কাহারও কি নামাজ হইবে?” উত্তরে অসহায় পিতা কাষ্ঠ হাসিলেন।
এই হইল মজার অভিজ্ঞতা। তবে আমার সৌভাগ্য যে আমার অন্ধের যষ্ঠী খানা বহাল তবিয়তে রহিয়াছে।
আজিকের ঘটনা দর্শন করিয়া আবার সেই সুদূর অতীতের নিজের পুটুকালের/ গ্যাদাকালের কথা মনে পরিয়া গেল। তখন প্রতি শুক্রবারে শ্রদ্ধেয় মাতা গোছল করাইয়া নিজের হাতে জামা কাপড় টুপি পরাইয়া, খুশবু লাগাইয়া নামাজের নিমিত্ত সাজাইয়া দিতেন। পিতার হাত ধরিয়া মসজিদে গমন করিতাম।
ধর্ম কর্ম কি তাহা তখনও মাথায় আসে নাই। তাই মসজিদে গমনের প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল নামাজের আগে ও পরে অন্য পিচ্চিদের সহিত মসজিদময় খানিক দৌড়াদৌড়ি করা। ইহার ভেতরেই অপার আনন্দ নিহিত রহিয়াছিল।
তবে পিতার অত্যধিক সতর্কতার ফল স্বরুপ এই অধম কোনদিন নামাজের আভ্যন্তরে দৌড় দিয়াছে এমনটা শুনিনি।
-----------------------------------------------
উক্ত গল্প হইতে কি শিখিলেন? পিচ্চি পুলাপানদের বেশি করিয়া জুম্মার নামাজে সাথে লইয়া আসুন। উহারাও ধর্ম কর্ম শিখুক। দৌড়াদৌড়ি তো খানিক হইবেই। তাহা নিঃসন্দেহে ক্ষমার যোগ্য।
/\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\//\\///\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\\//\
আপনাদের নিজেদের কোন মজার অভিজ্ঞতা থাকিলে তাহাও বলুন। শ্রবণে মোরা কিঞ্চিত পুলকিত হই।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রোবান মাহমুদ বলেছেন:
বুজিলাম। কিন্তু এক খান কথা আমার মাথায় কিছুতেই জায়গা লইতেছেনা। সেইটা হইল গিয়া, নামায চলাকালিন আপনি স্বীয় নামাযে মননিবেশ না করিয়া বর্ণিত বাচ্চার দুষ্টামি দেখার কাজ এ নিয়োগ দিয়াচিলেন কেন??
মাশা আল্লাহ সে আমার সামনে হইতেও ভ্রমণ করিয়া গিয়াছে।
নীল-দর্পণ বলেছেন:
একবার রোজার ঈদের সময় ছোট কাকা তার পিচ্চি ছেলেকে নিয়ে গিয়েছেন ঈদের নামাজ পড়তে। কিছুক্ষন পরেই দেখি দৌড়াদৌড়ি করে কাকা পিচ্চির হাত ধরে চলে এসেছেন। দেখেত অবাক নামাজ শেষ হবার আগেই চলে আসলেন...পরে শুনি পিচ্চির বাথরুম পেয়েছে...তাই সেই পিচ্চি এখন সিক্সে পড়ে।
আমি মেয়ে হলেও আব্বার সাথে মসজিদে যেতাম, আর এক কোনায় চুপচাপ বসে থাকতাম...যদিও মুসল্লিরা এতে বিরক্ত হতো
এত বাথরুম চেপেছে মাঠের এক কোনায় করে ফেলবে।
ইশ রে ঈদের নামাজ মিস গেল।
ঈদের দিন এই কাহিনী পিচ্চিরে চিঠিতে লিখে গিফট করবেন।
মুখচোরা বলেছেন:
ভ্রাতঃ লেখা উপাদেয় হইয়াছে। তবে বলিতেই হয়, চশমার ডান্টির কি কোন সাধু সংস্করন খুঁজিয়া পাওয়া গেল না?
বুঝিতেই পারিতেছেন এই অধম সাধু ভাষায় বড়ই কাঁচা।
অনেক তদবির করিয়াও সুরাহা করিতে পারিলাম না।
ভ্রাতঃ যদি কোন উপায় করিয়া দেন
শায়মা বলেছেন:
সে স্বীয় স্থান ত্যাগ করিয়া কাতারের সম্মুখে ছুটিয়া বেড়াইতে উদ্যত হইল। আমি মাত্র আমার অন্ধের যষ্ঠী চশমাখানা সম্মুখে রাখিয়াছি, চঞ্চল পুত্র আসিয়া একদম ঠিক উহারই উপরে তাহার একখানি পদ রখিল। আমি ত্রস্ত ব্যাস্ত হইয়া “এই এই ” বলিয়া তাহাকে সরাইয়া দিয়া দেখিতে লাগিলাম অন্ধের যষ্ঠী আস্ত রহিয়াছে কিনা! দুর্ভাগ্যবশতঃ উহার একখানা ডান্টি সামান্য বাঁকিয়া গিয়াছিল, উহা সোজা করিয়া এইবার নিজের কাছে পাঞ্জাবির পকেটে রাখিলাম। তোমার নামাজ তো হবেই না ভাইয়া।
তুমি ইবাদাত বন্দেগী ছাড়িয়া অতি নগন্য পার্থীব জিনিস ( চশমার ডান্টি) লইয়া বেশী মনোযোগী ছিলে।
তওবা তওবা এইবার শিশু কেনো কাতারের সামনে দিয়া হাতী চলিয়া গেলেও নামাজ ভঙ্গ করিবানা।
ইহা আমার মত একজন বড় আপুর উপদেশ।
ডান্টির ঘটনা ঘটিয়াছিল কাতার বিন্যাসের সময়।
তখনও নামাজ শুরু হয় নাই।
এস এইচ খান বলেছেন:
আপনি যার কথা বলছেন সেতো বহুত ভাল ছেলে! আমার ছেলেটিতো প্রথম সিজদার সময় তিন লাইন মারিয়ে এক দম ঈমাম সাব পর্যন্ত পৌঁছে আবার পরের সিজদায় এক দৌড়ে আমার পাশে এ যে দেখি বিদিক অবস্থা।
ওই মুহুর্তে ইমাম সাহেবের চেহারা খানা দেখিতে মন চাহিতেছে।
গোধুলী রঙ বলেছেন:
দু তিন বছর আগের রোজার সময়। গ্রামের মসজিদে ইফতারি দেওয়ার রেওয়াজ আছে। নানার ইফতারির দিন আমার মামাতো ভাইটা সাথে মসজিদে গেলো, বয়স বছর পাচেক হবে। ইফতারি শেষে সবাই মাগরিবের নামাজে দন্ডায়মান। সে দাড়ালো আমার পিছনে অন্য পিচ্চি পোচ্চার লগে। প্রথম রাকাতের দ্বিতীয় সেজদা হচ্ছে, পুরো মসজিদে পিন পতন নিরবতা। এর মধ্যে আমার ঐ বজ্জাত মামাতো ভাইটা মোটামোটি চিকন শব্দে বায়ু সরালো আহারে নামাজের দিকে সবার কত্ত মনযোগ।
আপনে হাসেন নি তো আবার?
হাসিন ঐশী বলেছেন:
রোবান মাহমুদ বলেছেন: বুজিলাম। কিন্তু এক খান কথা আমার মাথায় কিছুতেই জায়গা লইতেছেনা। সেইটা হইল গিয়া, নামায চলাকালিন আপনি স্বীয় নামাযে মননিবেশ না করিয়া বর্ণিত বাচ্চার দুষ্টামি দেখার কাজ এ নিয়োগ দিয়াছিলেন কেন?? মাশা আল্লাহ সে আমার সামনে হইতেও ভ্রমণ করিয়া গিয়াছে।
আমি ধন্য।
~মাইনাচ~ বলেছেন:
অধমের ও একটা ঘটনা আছে, তবে আপনার মতো না, নামায ছাড়িয়া সামান্য চশমায় মন নিমজ্জিত করিলেন। আমি সেই লেখাখানা লিপিবন্ধ করি, আপনি নামায খানা পুনরায় পড়িয়া আসেন,
বলতে দিন বলেছেন:
আপনার অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, যিনি বলিয়া উঠিলেন বাচ্চা আনেন কেন, নামাজ হইবে? তিনি কি স্বয়ং মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) থেকে বড় নামাজী, নাউযুবিল্লাহ মিন জালেক। মহানবীর অতী আদরের নাতী ইমাম হাসান ও হোসেন যখন ছোট্ট ছিল তখন তিনি তাদেরকে সংগে করে নামাজ পড়তে আসিতেন এবং তিনি যখন সিজদা দিতেন তখন ওনার আদরের নাতী পিঠের উপর উঠিয়া বসিয়া থকিতেন, নাতী মজা পাইতেছে দেখিয়া আমাদের নাবী (সাঃ) একটু দেরী করে সিজদা হতে উঠিতেন তবে ওনাদের হাত দিয়া নামাইয়া রাখিতেন। উনি ছোট্ট বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে আসিবার জন্য সকলকে উপদেশ দিতেন যেন ছোট্ট বেলা হইতে উহারা নামাজের প্রতি অভ্যস্ত হইতে পারে। সুতরাং যে ভদ্রলোক বাচ্চার পিতাকে শাসাইলেন তিনি হাদীস জনিতেন না এবং বাচ্চার পিতাও মনে হয় জানিতেন না তাই লজ্জার হাসি হাসিলেন। ছোট্ট বাচ্চা কাতারের সামনে ছুটাছুটা করিলে কাহারো নামাজ হইবে না এমন কোন হসীহ হাদীস আমার জানা নাই। বরং সকলের উচিত তার নিজের ধ্যানে মগ্ন হওয়া বাচ্চা কি করিতেছে তাহা দেখিবার সময় কোথায়?
জীবন্মৃত০১ বলেছেন:
অবুঝ শিশুদের নিয়া কেনো যে পিতারা মসজিদে গমন করেন তাহা আমার বুঝে আসে না। ঐ অবুঝ শিশুকে ভালো করিয়া বাসায় তালিম দিয়া তবেই মসজিদে আনয়ন করা উচিত।
~মাইনাচ~ বলেছেন:
আমার একটা ঘটনা মনে পড়িয়া গেল।একবার এক বাপ তার সুযোগ্য বাবুটিকে নিয়ে মসজিদে গমন করিয়া ঠিক মাঝকানেই স্থান গ্রহন করিলেন। নামায আরম্ভ হইলে বাবুটিও ভদ্র ভাবেই দাড়াইয়া পড়িল। কিন্ত অল্পক্ষন পড়ে কি জানি কি হইলো সে আকস্মাত তার প্যান্ট খানা খুলিয়া গলায় বাধিঁয়া ফেলিল। তারপর তার ওইটা ধরিয়া নুনু নুনু বলিয়া জিকির করিতে লাগিল। আমরা কেউ কিন্তু হাসি থামিয়ে রাখিতে সক্ষম হইনাই
আমার জীবনে শোনা নামাজের ভেতর সবচেয়ে মজার ঘটনা মনে হইতেসে আপনের টাই।
"তারপর তার ওইটা ধরিয়া নুনু নুনু বলিয়া জিকির করিতে লাগিল।"
এইটা পড়িয়া আমি ৫ মিনিট যাবত হাসিয়াছি। কি দিনকাল আসিল রে বাবা।
আবুল হাসান নূরী বলেছেন:
পিচ্চি পুলাপানদের বেশি করিয়া জুম্মার নামাজে সাথে লইয়া আসুন। উহারাও ধর্ম কর্ম শিখুক। দৌড়াদৌড়ি তো খানিক হইবেই। তবে এতো পিচ্চি পুলাপান মসজিদে আনা ঠিক নয় যাহারা মসজিদের আদব বুঝে না। পিচ্চি পুলাপান মসজিদে আনার পূর্বেই তাহাদিগকে মসজিদের আদব বিষয়ে ধারণা দিতে হইবে। পিচ্চি পুলাপানকে কেন অফিসে লইয়া যাই না- এই বিষয়টি উহাদের অভিভাবকগন একটু চিন্তা করিলে সহজে বুঝে আসিবে।
কিন্তু এই যুগের মাতা পিতা দুনিয়াবি কাজ নিয়ে এতোই ব্যস্ত থাকেন যে বেশিরভাগ পরিবারের বাচ্চারাই এই তালিম পায়না।
উপরঅলা বলেছেন:
রোবান মাহমুদ বলেছেন: বুজিলাম। কিন্তু এক খান কথা আমার মাথায় কিছুতেই জায়গা লইতেছেনা। সেইটা হইল গিয়া, নামায চলাকালিন আপনি স্বীয় নামাযে মননিবেশ না করিয়া বর্ণিত বাচ্চার দুষ্টামি দেখার কাজ এ নিয়োগ দিয়াচিলেন কেন??
তাই আরকি একটু লক্ষ্য রাখিতেছিলাম।
দা লর্ড বলেছেন:
আমার এক খালাত বোনের ছেলে মসজিদ থেকে বাসায় ফিরে তার মাকে জিজ্ঞেশ করেছিল, "আম্মু, ওখানে একজন গান গাচ্ছিল কেন??"
সবুজ সাথী বলেছেন:
পিচ্চি পোলাপাইন নামাজের আগে দিয়া গেলে নামাজ ভঙ্গ হয়না বলেই জানি।@বলতে দিন, ভালো বলিয়াছেন।
ইমরান খান সবুজ বলেছেন:
অবুঝ শিশু নিয়ে মসজিদ বা ইদগাহে গিয়ে অন্যদের বিরক্তির সৃষ্টি করা লোক দেখানো ন্যাকামো ছাড়া আর কিছু হতে পারেনা।
এসব অভিবাবককে কোনভাবেই ক্ষমা করা যায় না।
পুরাপুরি মানতে পারলাম না ভাই। কেউ
বাচ্চা নিয়ে যাক কিন্তু তখন তার উচিত পিছনের দিকের কাতারে কোন এক কোনায় দাঁড়ানো। তাহলে বাচ্চাকে নামাজের ভেতর দৌড়ের হাত থেকে ঠেকানো সহজ।
গুপ্তঘাতক007 বলেছেন:
মাঝে মাঝে এই জিনিসগুলা চরম বিরক্তিকর হয়া দাড়ায়,মনে পড়তাসে এক জুমায় একটা পিচ্চির ভয়াবহ চিত্কারসহ কান্নার নামে নির্যাতনের কথা!
হেডস্যার বলেছেন:
৭/৮ বছর আগে এক জুম্মার নামাযের সময় এক পিচ্চি চিৎকার করে সুরেলা গলায় ডাকিয়া উঠিলঃ ছোট মামা, ছোট মাআআআআমা...সালাম ফিরাইয়া পুরা মসজিদের মানুষের মধ্যে হাসির রোল পড়িয়া গেল।
আপনার লেখার হাত ভালো। পোষ্টে +
স্যার মনে হয় + এর আগে একটা এ লেখতে ভুইলা গেছেন। ওইডা পাইলে নিজেরে আরেকটু বিদ্বান বিদ্বান মনে হইত। অহন আবার এ+ এর যুগ কিনা।
তয় ওই সুরেলা পিচ্চি কি তার ছোট্ট মাআআআমা রে খুঁইজা পাইছিল??
দেখি তো পারি কিনা..... বলেছেন:
ছোট বেলায় কেমন ছিলাম সেটা জানতে পারি নি। তবে এখন মসজিদের ভিতরে ছোট ছোট পিচ্চিদের দেখলে ভালো লাগে। যদিও মাঝে মাঝে ওদের দুষ্টুমিটা চরম মাত্রা অতিক্রম করে।
আর মসজিদে নামাজের আগে ওদের দৌড়ঝাপ দেখলে ঈদের দিন ঈদের দিন মনে হয়।
সত্য কইতাছি।
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন:
১৩তম ভালোলাগা, আগে যখন অনেক ছোট ছিলাম তখন অনেক দুষ্টুমি করতাম নামাজে যেয়ে
েমা আশরাফুল আলম বলেছেন:
বলতে দিন বলেছেন: আপনার অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, যিনি বলিয়া উঠিলেন বাচ্চা আনেন কেন, নামাজ হইবে? তিনি কি স্বয়ং মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) থেকে বড় নামাজী, নাউযুবিল্লাহ মিন জালেক। মহানবীর অতী আদরের নাতী ইমাম হাসান ও হোসেন যখন ছোট্ট ছিল তখন তিনি তাদেরকে সংগে করে নামাজ পড়তে আসিতেন এবং তিনি যখন সিজদা দিতেন তখন ওনার আদরের নাতী পিঠের উপর উঠিয়া বসিয়া থকিতেন, নাতী মজা পাইতেছে দেখিয়া আমাদের নাবী (সাঃ) একটু দেরী করে সিজদা হতে উঠিতেন তবে ওনাদের হাত দিয়া নামাইয়া রাখিতেন। উনি ছোট্ট বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে আসিবার জন্য সকলকে উপদেশ দিতেন যেন ছোট্ট বেলা হইতে উহারা নামাজের প্রতি অভ্যস্ত হইতে পারে। সুতরাং যে ভদ্রলোক বাচ্চার পিতাকে শাসাইলেন তিনি হাদীস জনিতেন না এবং বাচ্চার পিতাও মনে হয় জানিতেন না তাই লজ্জার হাসি হাসিলেন। ছোট্ট বাচ্চা কাতারের সামনে ছুটাছুটা করিলে কাহারো নামাজ হইবে না এমন কোন হসীহ হাদীস আমার জানা নাই। বরং সকলের উচিত তার নিজের ধ্যানে মগ্ন হওয়া বাচ্চা কি করিতেছে তাহা দেখিবার সময় কোথায়?সহমত,
আহমেদ সাব্বির পল্লব বলেছেন:
ভাল লিখছেন......পিচ্চিদের মসজিদে নেয়া আমি সাপোর্ট করি.... ওরা আসলেই এত পবিত্র যে ওরা নামাজে গেলে মসজিদেরই পবিত্রতা বৃদ্ধি পায়.....
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।