আমার প্রিয় পোস্ট

The most beautiful thing is to see a person smiling And even more beautiful is, knowing that you are the reason behind it!!!

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৮

শেয়ারঃ
0 0 0



ডিসেম্বরে গাজায় হামলার ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল৷ বৃহস্পতিবার এক রিপোর্টে এই মানবাধিকার সংস্থা অবশ্য হামাসের দিকেও অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে৷

রিপোর্টে সবচেয়ে বড় হয়ে যে সত্যিটা বেরিয়ে এসেছে তা হলো, প্যালেস্টাইনের সাধারণ মানুষের নিদারুণ অসহায়ত্ব৷ গত ডিসেম্বরের ২২ দিনের ওই যুদ্ধের খুঁটিনাটি দিক বিশ্লেষণ করে মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, ইসরায়েল একাধিক উপায়ে যুদ্ধাপরাধ করেছে৷ একটু অন্যভাবে হলেও, হামাসও একই অভিযোগে অভিযুক্ত৷ তবে দুই পক্ষের অপরাধেরই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ শিকার ছিল প্যালেস্টাইনের সাধারণ মানুষ৷



ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যু্দ্ধাপরাধের বেশ কিছু প্রমাণ পেয়েছে অ্যামনেস্টি৷ প্রথমটি হলো, ফিলিস্তিনিদের কোনো ঘরে আটকে রেখে মানবপ্রাচীর হতে বাধ্য করা৷ তাদের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ, বেসামরিক লোক হত্যা করা৷ রিপোর্টে দাবি করা হয়, কিছু মৃত্যুকে ইচ্ছাকৃত হত্যাকান্ড মনে করার কারণ খুঁজে পাওয়া গেছে৷

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের অস্ত্র বিশেষজ্ঞ মার্ক গার্লেস্কো-ও মনে করেন সব বেসামরিক লোকের মৃত্যু অনিচ্ছাকৃত হতে পারেনা৷ তিনি বলেছেন, অপারেশনের সময় কমপক্ষে ৮৭ জন সাধারণ প্যালস্টাইনী ইসরায়েলের আইনবহির্ভূত গুলিবর্ষনে মারা গিয়েছিল৷অথচ যেসব গোলাবারুদ তারা ব্যবহার করেছে, যেরকম ঘাঁটি থেকে তারা গুলি চালিয়েছে সেগুলো একেবারে নিখুঁত এবং স্বতন্ত্র ছিল৷ কোনো সেনাবাহিনী এর চেয়ে ভালো কিছু আসলে আশা করতে পারেনা৷ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জন্য লক্ষ্যবস্তু ঠিক করাও ছিল সহজ৷ কোথায় আঘাত হানা হবে, বেসামরিক লোকজনকে নাকি প্রতিপক্ষ বাহিনীকে ব্যবহারকারীকে তার নিখুঁত দিকনির্দেশনা দেয়ার ব্যবস্থা ওই অস্ত্রগুলোতেই ছিল৷



ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের আরেকটি অভিযোগের কারণ ঘনবসতিপূ্র্ণ এলাকায় সাদা ফসফরাস শেল ছোঁড়া৷

অন্যদিকে হামাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা দক্ষিণ ইসরায়েলের দিকে শত শত রকেট ছুঁড়েছে৷ একে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে রিপোর্টে আরো বলা হয়, আবাসিক এলাকায় অস্ত্র, গোলাবারুদ মজুদ করে, সেখান থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করে হামাস ফিলিস্তিনি জনগণের জীবন ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিয়েছিল৷



ইসরায়েল অবশ্য বরাবরের মতই বলেছে, এ রিপোর্ট ভারসাম্যহীন, বিকৃত৷ অন্যদিকে হামাস বলছে, রিপোর্টে খুনী এবং খুনের শিকার --- দু পক্ষকেই এক কাতারে দাঁড় করানো হয়েছে৷

প্যালেস্টাইনের এক রাজনীতিবিদ এবং চিকিৎসক মুস্তাফা বারগুতি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘‘ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক আইন মানতে বাধ্য করা উচিত৷ তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমরা আসল সত্যিটা জানতে চাই, তবে সঙ্গে এ-ও চাই যে সত্যটা জানার পর বিশ্বসম্প্রদায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করুক৷ ইসরায়েল এমনভাবে কাজ করে যাচ্ছে যেন তারা আন্তর্জাতিক আইনের ঊর্ধ্বে৷ এটা মেনে নেয়া যায়না৷ আন্তর্জাতিক এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত আইনের প্রতি ইসরায়েলের এই অবজ্ঞা কারো কাছেই মেনে নেয়ার মতো হতে পারেনা৷ আমি তো বলবো, এমন চলতে থাকলে আমাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাবে৷''

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১০
দ্যা ডক্টর বলেছেন: বাহ! একসাথে দুইটা সাইটে এইটা এই মাত্র প্রাকাশিত হল:D
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন: ekbarei dilam

২. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১৪
আহছানউল্লাহ বলেছেন: ইসরাইল তো জন্মলগ্ন থেকে যুদ্ধপরাধের সাথে জড়িত।কই বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা এতদিন কি করেছে।এই রির্পোট প্রকাশের কারনে হয়ত আবার ইসরাইল নিরীহ ফিলিস্তিন বাসীর উপর ঝাপিঁয়ে পড়বে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭০৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি তানহা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই