ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর: ২।
১৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮
২ নং প্রশ্নটি ছিল:
"পুরুষদের একাধিক বিয়ের অনুমতি থাকলেও নারীদের নেই কেন?"
স্বাভাবতই আমাদের মনে প্রশ্ন আসে যে, যদি পুরুষদের বহুবিবাহের অনুমতি থাকে তবে নারীদের নেই কেন? কারন, ইসলামের মুল ভিত্তিই হল সমতা ও ন্যায়বিচার। আল্লাহতা'লা সমতা রক্ষা করেই নারী ও পুরুষ সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু নারী ও পুরুষের সামর্থ্য ও দায়িত্ব আলাদা। শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই নারী ও পুরুষ ভিন্ন। ইসলামে নারী ও পুরুষকে সমান দৃষ্টিতে দেখা হয় কিন্তু তারা নিশ্চয়ই এক নয়।
সুরা নিসায় (৪:২২-২৪) এমন নারীদের তালিকা দেয়া আছে যাদের মুসলমান পুরুষ বিয়ে করতে পারে না। সেখানে বিবাহিত নারীদের কথাও বলা আছে। অর্থ্যাৎ, বিবাহিত নারীদের বিয়ে করা মুসলমান পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ।
একজন পুরুষ যদি একাধিক বিয়ে করে তাহলে সহজেই তার সন্তানের পরিচয় পাওয়া যায়। অর্থ্যাৎ, আলাদাভাবে সেই সন্তানের পিতা-মাতা সনাক্ত করা সম্ভব। কিন্তু যদি একজন নারী যদি একাধিক বিয়ে করে তাহলে জাত সন্তানের পিতার পরিচয় নিয়ে সংশয় হতে পারে। ইসলামে মাতা-পিতা উভয়েরই সণাক্তকরণের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, যে সন্তান তার মাতা-পিতা এবং বিশেষত পিতার পরিচয় জানে না তারা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। জীবনের প্রতি পদক্ষেপেই সন্তানের তার পিতার নামের প্রয়োজন হবে।
সেক্ষেত্রে সেই সন্তানের পিতার নাম কি একাধিক হবে? যদিও আমরা জানি যে, বর্তমানে বিজ্ঞান যথেষ্টই উন্নতি সাধন করেছে এবং আজকাল নিভূলভাবে পিতা-মাতার সণাক্তকরন সম্ভব। সেক্ষেত্রে হয়তো বিষয়টি বর্তমানের জন্য প্রযোজ্য নয়।
প্রকৃতিগতভাবেই বহুবিবাহের ক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পুরুষেরা বেশি আগ্রহী। একইকারনে, একজন পুরুষ একের অধিক স্ত্রীর প্রয়োজন পূরণে সক্ষম। কিন্তু একজন নারী সাধারনত এই সক্ষমতার অধিকারী নয়। আলাদা আলাদা পুরুষের প্রয়োজন পূরণ করতে গিয়ে একজন নারী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারে।
শারীরিক প্রয়োজন পূরণের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। শারীরিক প্রয়োজন মেটানোর তাগিদ নারীর চেয়ে পুরুষের বেশি। যদি নারীর একাধিক স্বামী থাকে তবে দেখা যাবে, একই সময়ে তাকে একাধিক পুরুষের প্রয়োজন পূরণ করতে হতে পারে। আর এভাবে যৌণবাহিত বিভিন্ন রোগের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভবণা অত্যধিক। কিন্তু বিপরীতক্রমে, একজন পুরুষের একাধিক স্ত্রী থাকার ক্ষেত্রে এই সমস্যার উদ্ভব হয় না। এই সাধারন কারনগুলো সহজেই বোঝা যায়, তবে হয়তো আরও বহু কারন রয়েছে যার জন্য নারীদের বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে যা আমাদের পক্ষে জানা দুঃসাধ্য।
মুল গ্রন্থ: Answer's to the Non-Muslims common Questions about Islam.
Written by: Dr. Zakir Abdul Karim Naik.
মন্তব্য:
১ নং প্রশ্নের উত্তর নিয়ে অনেকগুলো মন্তব্য করা হয়েছে। সময়ের অভাবে আমি অধিকাংশেরই উত্তর দিতে পারিনি। তবে কিছু প্রশ্ন ছিল যেগুলোর উত্তর আমি আদৌ জানি না। বিশেষত,
নিরুদ্দেশ নীহারিকা
আরিফুর রহমান
জুনায়েদ
এমিল
....
বেশ কিছু প্রশ্ন করেছিলেন যেগুলো যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত। বিষয়গুলো নিয়ে আমি পড়াশোনা করছি। এবং ভবিষ্যতে আপনাদের প্রশ্নগুলোর যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে পারব, ইনশাআল্লাহ।
অকেগুলো ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছামূলক মন্তব্যের কোন উত্তর দিতে পারিনি এবং এজন্য আমি দুঃখিত। আমার খুব একটি প্রিয় উক্তি আপনাদের জন্য উল্রেখ করছি,
"If you believe then
No proof is required,
If you don't believe then
No proof is enough."
একটি প্রশ্ন পেয়েছিলাম যে, আমি যখন ব্লগে লিখব তখন যদি আপনি ব্লগে না থাকেন তবে কিভাবে সেই লেখা পড়বেন?
উত্তরে বলছি, যদি কোন পর্ব পড়তে না পারেন তবে
http://www.somewhereinblog.net/blog/Tausiq
লিংকে প্রবেশ করলে আপনি আমার নিজস্ব ব্লগে প্রবেশ করতে পারবেন। সেখানে সবগুলো প্রকাশিত লেখা আপনার অপেক্ষায় থাকবে। ধন্যবাদ।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
জ্বী ধন্যবাদ, আপনার পড়াশুনার ক্ষেত্র তৈরি হবে, আগের থেকে অনেক বেশি ইন্টারেস্ট নিয়ে পড়বেন সন্দেহ নেই। হয়ত এভাবেই আল্লাহ পাক বিশ্বাসীদের ঈমানে মজবুতি দিয়ে থাকেন।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
বিষয়গুলি নিয়ে পড়াশোনা করে তারপরে নিজের মাথায় কিছু থাকলে লেখ। একজন মিথ্যাবাদী ও সন্ত্রাসের প্রশ্রয়দানকারী যাকির নায়িকের লেখা অনুবাদ করে মগবাজার থেকে হয়তো মাসোহারা পাবে, কিন্তু আখেরে ইসলামের ক্ষতি করবে তুমি।
কারন যাকির নায়িক কথার চাতুরীতে অশিক্ষিত লোকজন হয়তো ভুলবে কিন্তু ব্লগে মোটামুটি জ্ঞানবুদ্ধি সম্পন্ন লোকজনই আসে।
তাদের চোখে তোমার চরিত্র একটা ফালতু তে পরিনত হচ্ছে।
অবশ্য সেই জ্ঞান তোমাদের থাকলে তো কথাই ছিলো!
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
জ্ঞানী মানুষকে একস্প্লয়েট করা সম্ভব নয়, এ কারণে রাসুল সা. নারী পুরুষ নির্বিশেষে জ্ঞান অর্জন ফরজ বলেছেন। কুরআনের প্রথম বাণী ইক্বরা....... জ্ঞান সংক্রান্ত কুরআনে হাজারের উপরে আয়াত আছে।তবে, ইন্টারেস্টিংলি মেয়েদের একাধিক পুরুষ গ্রহণ করতে না পারার মধ্যে তাদের স্বাধীনতা বেশি নিহিত আছে। কোন পুরুষ বিবাহিত মেয়েকে গ্রহণ করতে চাইলে পারবে না, কিন্তু কোন বিবাহিত মেয়ে কোন পুরুষকে গ্রহণ করতে চাইলে তার আগের স্বামীর কাছে তালাক নিয়ে বিয়ে করতে পারে।
একটা উদাহরণ দেই, ধরুন রহিম নামের এক ভদ্রলোক রহিমা নামের কোন মেয়ের প্রেমে পড়ল। তার ইচ্ছা হলো, রহিমাকে বিয়ে করবে। কিন্তু প্রস্তাব দিয়ে জানল রহিমা বিবাহিত, তার ইচ্ছা অধরায় থেকে গেল। অপরদিকে ধরুন করিমা নামের এক মেয়ে করিম নামের এক ভদ্রলোকের প্রেমে পড়ল। বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার সময় সে জানল করিম বিবাহিত, এর পরও করিমের প্রতি প্রেম থাকলে এবং করিম রাজী হলে সে তাকে বিয়ে করতে পারে।
এমিল বলেছেন:
জনাব নায়েক কিন্তু গ্রহন যোগ্য কোন উত্তর দিবার পারে নাই। অযৌক্তিক অপালাপের জন্য মাইনাসভ
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ঠিক যে কারনে একজন পুরুষ তার 'সম্পত্তি' নারী(দের)কে হিজাব নামের প্যাকেজিঙে আবৃত করে রাখতে চায়,
তার ওপর অসন্তুষ্ট হলে তাকে শারীরিক আঘাত করে
তাকে সম্পদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে
ঠিক সে কারনেই পুরুষ নারীকে সম অধিকার দিতে চায় না।
ঠিক সে কারনেই পুরুষের অত্যাচারের ধর্ম ইসলামে গায়েবী হুকুমের উছিলায় অসংখ্য নারী ভোগের পথ পরিষ্কার করে।
ঠিক সে কারনেই নিজে একাধিক বিবাহ করার অধিকার আদায় করে নিলেও নারীকে সেই অধিকার দিতে নারাজ...
এই পোস্টের লেখক. অনুবাদক. সকলেই পুতিগন্ধময় মানসিকতার।
ঘৃনা তাদের জন্য।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আপনাকে কিছু কথা বলি।
এখন পর্যন্ত যতগুলো আপত্তি পেয়েছি তারা প্রায় সকলেই অমুসলিম। এবং তাদের পক্ষ থেকে সকল আপত্তিই গ্রহণযোগ্য। কারন, আমাদের স্বভাবই হল, অন্যকে ছোট করে দেখা এবং নিজেকে বড় করে দেখানো। যাই হোক, তাদের সকল প্রশ্নগুলো আমি নামসহ নোট করে রাখছি, যাতে করে পরবর্তীতে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি। কিন্তু যখনই আপনার নাম আসছে তখনই খানিকটা থমকে যাই। আপনার নাম আরিফুর রহমান। ধরে নিই, আপনি মুসলমান।
ইসলাম সম্পর্কে যদি আপনার এতই বিতৃষ্ণা থাকে তবে আপনি ধর্মান্তরিত হয়ে যান না কেন?
নাকি বাংলাদেশে থাকতে হবে এবং এখানে মুসলামদের কিছু বিশেষ সুবিধা দেয়া হয় এমন বিবেচনায় অনিচ্ছাসত্ত্বেও মুসলমান সাজার ভান করে আছেন?
এধরনের লোকদের মুনাফিক বলা হয়। এবং মুনাফিকরা দুমুখো নীতিতে চলে। যা যথেষ্ট অবমাননাকর।
আপনি যদি ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে ঘৃণা পোষণ করে থাকেন তবে আপনাকে বলছি,
ধর্মান্তরিত করে তুলনামুলক আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য ধর্ম পালন করুন।
যে মতে বিশ্বাস করেন না সেই মতে অনিচ্ছা সত্ত্বেও চলার কোন মানে হয় না।
আর আপনি যদি মুসলমান না হয়ে থাকেন তবে আপনার নাম পরিবর্তন করা উচিত। নাম মানুষের পরিচয় বহন করে। নাহলে দেখা যাবে নিজেই নিজের নামকে ঘৃণা করতে শুরু করবেন। ধন্যবাদ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
কেন?মাদ্রাসাপাস ছাগল? বলতো কেন 'ধর্ম পালন' করতেই হবে?
আমি যে নাস্তিক সেইটা এখনো বুঝ নাই? নামটা আরবী, মুসলমান নাম বলে কিছু নাই। ঠিক আছে?
তুমি কোথায় দেখলা যে আমি মুসলমান 'সাজার' চেষ্টা করছি?
শোন... দুনিয়াতে ধর্ম নামের বিষয়টার প্রয়োজন বহু আগেই ফুরিয়ে গেছে..
তোমাদের মতো কিছু তেলাপোকা সদৃশ্য জীব এটাকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে...
কারন..
১. তোমাদের হাতে ক্ষমতা থাকবে.. ফতোয়া দেবার, আইন বানাবার, নিজের ইচ্ছামতো মুহাম্মদের কথামালাকে ঘুরিয়ে পেচিয়ে 'আল্লার বাণী' নামে প্রচারের
২. নারীকে শয্যাদাসী, গৃহদাসী এবং নিজের সম্পত্তি'র মতো করে ব্যাবহার করতে পারবে, আইনগত ভাবেই (এই পোস্টই তার প্রমান)
৩. ধর্মের নামে মানুষ খুন, নিজের মা বোন কে শত্রুর হাতে ধর্ষিত হবার জন্য তুলে দিতে পারবে।
৪. ব্যাংকিং নামে 'সুদ' খাবে আবার বলবে সুদ হারাম (হিপোক্রেসি আর কাকে বলে!!)
আসলে পিপিলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে। দুনিয়াজোড়া সৌদি অর্থায়নে তোমাদের এই যে মাতম... তার মেয়াদ বেশিদিন নয়। (এই পোস্ট লেখার টাকাও নিশ্চয়ই সেই তেল বেচা টাকা থেকেই আসছে!!)
লেখক বলেছেন: হয়তো আপনার কথাই ঠিক। লেখা পড়লে সহজেই বোঝা যায়, আপনি যথেষ্ট চিন্তাশীল। নিশ্চয়ই আপনি ধর্ম বিষয়ে যথেষ্ট পড়াশোনা এবং চিন্তা করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, ধর্ম অপ্রয়োজনীয়।
আসলে কুয়োর ব্যঙ মনে করে যে, কুয়োটাই পৃথিবী। হয়তো আমাদের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। আমাদের মস্তিষ্ক জন্ম থেকেই এটা জানে যে, ধর্ম পালন করতেই হবে। তাই হয়তো আমরা এই বৃত্ত হতে রেরিয়ে আসতে পারি না। মুক্তভাবে চিন্তা করা সহজ নয়, আর আপনাকে ধন্যবাদ আপনি এই কাজটি করতে পেরেছেন।
আজন্ম আমরা জানি যে, স্রষ্টা আছেন। তিনি যে নাও থাকতে পারেন, এই বিষয়টা আমাদের মাথাতেই ঢুকে না।
যাইহোক, আপনার মতামত, চিন্তচেতনা, নাস্তিকতার যুক্তিসমূহ, ধর্মের অসামঞ্জ্যস্যতা, স্রষ্ট্রা নেই এমন প্রমান ইত্যাদি সম্পর্কে আমাদের জানাতে পারেন। বিশেষত আমি এ ব্যপারে জানতে আগ্রহী। যদি সম্ভব হয় এই বিষয়টি নিয়ে ব্লগে ধারাবহিকভাবে আপনার লেখা প্রকাশ করতে পারেন। আপনি যেটিকে সত্য বলে জানেন এবং মানেন সেটি শুধু আপনার মধ্যেই কেন সীমাবদ্ধ থাকবে। আমাদের কি সত্য জানার অধিকার নেই?
অহেতুক অকারণ বলেছেন:
অপেক্ষা করো সবাই........
তারা, আস্তিক যারা
যারা নাস্তিক তারা..........
পৃথিবীর ধংস্ব এটা নিশ্চিত.....।।
লেখক বলেছেন: বাংলা উইকির জন্য কিভাবে অনুবাদ করতে হবে? একটু বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব। ধন্যবাদ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
Click This Linkরাগিব ভাইয়ের এই পোস্টে গিয়ে দেখ।
প্রচুর কাজ বাকি আছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তোমারে মাথায় করে রাখবে!
----------------------------------
আর যাকির নায়িকের লেখা নিয়ে আসলে গালিই শুনবা খালি..! ঠিক আছে?
আশিকুর রহমান বলেছেন:
........ "আজন্ম আমরা জানি যে, স্রষ্টা আছেন। তিনি যে নাও থাকতে পারেন, এই বিষয়টা আমাদের মাথাতেই ঢুকে না।"আপনি মুনাফিক সম্বন্ধে আরিফুর রহমানকে জ্ঞান দিয়েছেন। কিন্তু আপনি নিজে উপরোক্ত উক্তিটি কিভাবে করলেন (আরিফুরকে) যদি আপনার মনে আপনার ধর্ম সম্বন্ধে পূর্ণ বিশ্বাস থাকে?
ধর্মপালন করাতো আসলে অনেক পরের ব্যাপার। সততাই মানুষের প্রধান ধর্ম আমার বিশ্বাস। আর সৃষ্টিকর্তা? আমি বিশ্বাস করি তিনি আছেন। যারা বলে সৃষ্টিকর্তার ধারণা অলৌকিক তাদেরকে বলব, আমাদের নিজেদের কথা ভাবুন। আত্মা বলে নিশ্চই কিছু একটা আছে যেটা দেহে থাকলে আমরা মানুষ, আর না থাকলে শুধুই লাশ। তাহলে আমরাই কি কম অলৌকিক নই?
লেখক বলেছেন: বিষয়টি প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ধন্যবাদ। আসলে ব্যক্তিবিশেষের জন্য মন্তব্য আলাদা হয়। আমি কারও ব্যক্তিগত অনুভুতির ওপর আঘাত করা পছন্দ করি না। আমি আস্তিক বলে, যিনি নাস্তিক তাকে চূড়ান্ত ভাষায় গালাগালি করব এমনটা নয়। যেহেতু ব্লগে আসেন এবং লেখালেখি বা মন্তব্য করেন তবে তিনি যথেষ্ট শিক্ষিত ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তার অনুভূতির ওপর আঘাত না করে, বরং সেটি সম্পর্কে তার মতামত, বিশ্বাস ইত্যাদি জানতে চাওয়াটাই আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়েছে।
আর আপনি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে যে কথা গুলো বলেছেন, নাস্তিকদের কাছে এর কানাকড়ি মূল্য নেই। খুব খারাপ শোনালেও এটিই সত্য। এমন মন্তব্যের জন্য আমি দুঃখিত।
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
"শোন... দুনিয়াতে ধর্ম নামের বিষয়টার প্রয়োজন বহু আগেই ফুরিয়ে গেছে.. "আরিফ ভাই,
ঠিক এ'করাণেই দুনিয়া থেকে শান্তিও বিদায় নিয়েছে। আপনারা যে উন্নতির পিছনে পাগলের মত ছুটছেন - নাস্তিকতা বৈজ্ঞানিক সত্য নয় - এটা জেনেও অন্ধ বিশ্বাসে নাস্তিকই থাকছেন - সেই তথাকথিত উন্নতি আর ধর্মহীনতা পৃথিবীটাকেই জাহান্নাম বানিয়ে ছেড়েছে।
পারিবারিক ব্যাবস্থার প্রায় বিলুপ্তি, ব্যাপক সংখ্যক কুমারী মাতা এবং পিতৃপরিচয়হীন সন্তান, যুদ্ধ-ধ্বংস-মৃত্যু, পরিবেশ বিপর্যয়ের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে মনুষ্যবাসের অনুপযোগী করে ফেলা, ধনী আর দরিদ্রের মাঝে সীমাহীন ব্যাবধান - এই তো আপনাদের তথাকথিত উন্নয়নের নমুনা। যদি মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন হতেন তাহলে হয়ত বুঝতেন কোন ধ্বংসের পথে ধাবিত হচ্ছেন - কিন্তু হায় ধর্মবিদ্বেষ থেকে মুক্ত হবার ক্ষমতা কি আপনাদের আছে?
কাঙ্গাল মুরশিদ, আপনি কেনো শুধু শুধু জাহান্নামে পড়ে আছেন। কম্পিউটার ব্যবহার তো আপনার জন্য না জায়েয। যান, ২০০ বৎসর পেছনে গিয়ে আপনার সোনালী অতীতে বাস করেন। পৃথিবী আজ কোথায় পৌঁছে গেছে সে খবর রাখেন? আপনি কোথায় থাকেন জানি না, ধরে নিচ্ছি দেশেই থাকেন। দেশে বসে চোখ কান বন্ধ করে বাকি পৃথিবী রসাতলে গেছে বলে আত্মতৃপ্তি লাভ করা যায়, কিন্তু বাস্তবতাকে এড়ানো যায় না। বাস্তবটা আসলে কি একটু জানার বা বোঝার চেস্টা করেন। চোখে ঠুলি পড়ে আর কতদিন থাকবেন...
ভালোকথা... বলেছেন:
হা হা হা হা হা ...খুব মজা পাইলাম...কি যুক্তি ...একইকারনে, একজন পুরুষ একের অধিক স্ত্রীর প্রয়োজন পূরণে সক্ষম। কিন্তু একজন নারী সাধারনত এই সক্ষমতার অধিকারী নয়। আলাদা আলাদা পুরুষের প্রয়োজন পূরণ করতে গিয়ে একজন নারী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারে।
হা হা হা হা ...
আফ্রিকান মাইয়া দেখসেন ...?আপনের মত ১০ টারে খায়া ফালাইব ...
হা হা হা হা ...
পরে আপনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাবেন ...আর সাথে আপনার বাই...ত জাকির নায়েক ...
সবুজ বলেছেন:
কোন তর্কে যাচ্ছি না ভাই, ইতিমধ্যে অনেক হয়ে গেছে।
কিন্তু
DNA test করে নাকি বাপ-মা ১৪ পূরুষের হিসাব করা যায়???
শয়তান বলেছেন:
ভন্ড ধর্ম ব্যাবসায়ী জোকার নায়েকের দালালীর জন্য মাইনাস ।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
ধর্মটারে আর পচাইস না রে বরাহ!
তোদের মতো তিনপাতা আমপারা পড়া মোল্লার জন্যে কতো লোক যে নিজের ধর্মটারে নিয়াও গর্ববোধ করতে পারে না, এইটা বুঝাই ক্যামনে?
নতুন বলেছেন:
ভালোকথা... বলেছেন: হা হা হা হা হা ...খুব মজা পাইলাম...কি যুক্তি ...একইকারনে, একজন পুরুষ একের অধিক স্ত্রীর প্রয়োজন পূরণে সক্ষম। কিন্তু একজন নারী সাধারনত এই সক্ষমতার অধিকারী নয়। আলাদা আলাদা পুরুষের প্রয়োজন পূরণ করতে গিয়ে একজন নারী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারে।
এইটা দেখেন >>>>
Gangbang 2000 came on December 28-29, 1999 by British porn star Sabrina Johnson. She allegedly reached 2000 sex acts over the course of two days in Belgium. After 1999,
Click This Link
=== এক মাইয়ার বিশ্বরেকড হইলো ২০০০ জন পোলা দুই দিনে... তাইলে আপনার থিউরি কি পাল্টাবেন? এক পোলা কতদুর জাইতে পারবো.. ???
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
তোমার প্রোফাইল থেকেঃ যে রকম ব্যবহার প্রত্যাশা কর, অন্যের সাথে সেই ব্যবহার কর।এইবার কও চাইরটা বিবাহ করবা?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















