ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর: ৩।
১৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮
৩ নং প্রশ্নটি ছিল:
নারীদের বোরকার আড়ালে রেখে অবমাননা করা হয় কেন?
মুসলিম নারীরা প্রায়ই তথাকথিত মিডিয়ার রোষের শিকার হয়। ইসলামী নিয়মানুসারে, নারীদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক এই নিয়ে সমালোচনার শেষ নেই। আসলে, ইসলামে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই হিজাব বাধ্যতামূলক তবে দুজনের ক্ষেত্রে হিজাবের ধরন আলাদা। প্রথমে দেখা যাক, ইসলামপূর্ব যুগে নারীদের সামাজিক অবস্থা কেমন ছিল?
১. ব্যবিলীয়নীয় যুগে, নারীরা সকল ধরনের অধিকার ও সুবিধাবঞ্চিত ছিল।
২. প্রাচীন সভ্যতাগুলোর মধ্যে গ্রীক সভ্যতার মহিমা সবচেয়ে বেশি। এই মহিমাময় সভ্যতায়, নারীরা সকল সুবিধা বঞ্চিত ছিলই তাদেরকে নীচ্ বলে গণ্য করা হত।
গ্রীক পুরাণতত্ত্বে, এক কাল্পনিক নারী, যার নাম 'পান্ডোরা' তাকে মানবজাতির যাবতীয় দুর্ভাগ্যের জন্য দায়ী করা হত। এছাড়া পতিতাবৃত্তি সকল স্তরের মধ্যে একটি সাধারন ব্যধিতে পরিণত হয়েছিল।
৩. স্বনামধন্য রোমান সভ্যতার কথা ধরা যাক। যেকোন পুরুষ ইচ্ছে করলেই তার স্ত্রীকে হত্যা করতে পারত। পতিতাবৃত্তি ও নগ্নতা খুবই সাধারন বিষয়ে পরিণত হয়েছিল।
৪. মিশরীয় সভ্যতায় নারীদের, শয়তানের রাস্তায় প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হত।
৫. ইসলাম পূর্ব আরবীয় সভ্যতায় কন্যা শিশুকে জীবন্ত কবর দেয়া হত।
ইসলাম নারীদের তাদের সুষম মর্যাদায় অধিষ্টিত করেছে। এবং এই মর্যাদা যেন বলবৎ থাকে তার ব্যবস্থাও ইসলাম করেছে। লোকেরা সাধারণত নারীদের হিজাবের কথা বলে। কিন্তু কোরআনে প্রথমে পুরুষদের হিজাবের কথা বলা হয়েছে:
"মুমিনদের বলুন, তারা যেন দৃষ্টি নত রাখে এবং যৌণাঙ্গের হেফাজত করে। এতে তারা পবিত্রতা অর্জন করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল বিষয়ে অবহিত আছেন।" [সুরা আন-নূর (২৪:৩০)]
যে মুহুর্তে কোন পুরুষ কোন নারীর দিকে তাকাবে এবং তার মনে যদি কোন অযাচিত চিন্তা আসে তবে সে তৎক্ষণাত তার দৃষ্টি নত করবে। কোরআনে আরও বলা হয়েছে:
"মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন দৃষ্টি নত রাখে এবং যৌণাঙ্গের হেফাজত করে। যা সাধারণত প্রকাশমান, তা ছাড়া তারা যেন সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে, তারা যেন মাথার ওড়না বক্ষদেশে ফেলে রাখে। তারা যেন স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাদী, যৌণকামনামুক্ত পুরুষ বা বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতিত কারও কাছে সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। গোপন সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য তারা যেন জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগন, তোমরা আল্লাহর সামনে তওবা কর যেন সফলকাম হতে পার।" [সুরা আন-নূর (২৪:৩১)]
কোরআন ও সুন্নাহ অনুসারে হিজাবে ছয়টি ধাপ রয়েছে:
১. শরীরের যেটুকু ঢেকে রাখা উচিত তা ঢেকে রাখা। এই ধাপটি নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা। পুরুষদের জন্য, নাভি হতে হাটু পর্যন্ত এবং নারীদের জন্য, সমস্ত শরীর ঢেকে রাখতে হবে, শুধু মুখ ও হাতের কব্জি বাদে, তবে ইচ্ছা করলে এই অংশও ঢেকে রাখা যায়।
বাকী ধাপগুলো নারী ও পুরুষের জন্য সমান।
২. পোশাক যথেষ্ট ঢিলেঢালা হবে যাতে শরীরের গড়ন প্রকাশ না পায়।
৩. পোশাক স্বচ্ছ হবে না যাতে শরীর দেখা যায়।
৪. পোশাক আকর্ষণীয় হবে না যা বিপরীত লিঙ্গকে আকৃষ্ট করে।
৫. বিপরীত লিঙ্গের অনুরুপ পোশাক পরিধান করা যাবে না।
৬. যেসব চিহ্ন অবিশ্বাসীদের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত সেগুলো ধারন করা যাবে না।
এই ছয়টি ধাপ ছাড়াও নৈতিক আচরন, ব্যবহার, উদ্দেশ্য ইত্যাদিও হিজাবের অন্তভূক্ত। শুধু পোশাকেই নয়, সাথে চোখের, চিন্তার, উদ্দেশ্যের এবং অন্তরাত্নার হিজাবও পালন করতে হয়। একজন ব্যক্তি কিভাবে চলাফেরা করে, কি ধরনের ব্যবহার করে ইত্যাদিও হিজাবের অন্তভূক্ত।
হিজাবের অত্যাবশ্যকীয়তা নিয়ে কোরআনে বলা হয়েছে:
"হে নবী, আপনি আপনার পত্নীগণ, কন্যাগণ, ও মুমিন স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের অংশ নিজেদের ওপর টেনে নেয়, এতে তাদের চেনা সহজ হবে এবং তারা উত্যক্ত হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালূ।" [সুরা আল-আহযাব (৩৩:৫৯)]।
দুজন যমজ বোনের কথা ধরা যাক। তারা দুজনই সমান সুন্দরী। রাস্তায় হেটে যাবার সময় তাদের একজন ইসলামী হিজাব পরিধান করেছে অর্থ্যাৎ সম্পূর্ণ দেহ কাপড়ে আবৃত শুধু মুখ ও হাতের কব্জি বাদে। এবং অন্যজন পাশ্চাত্যের মিনি স্কাট ও শটস পরেছে। রাস্তার পাশে কিছু বখাটে ছেলে বসে আছে। আপনার কী মনে হয়, তারা এই দুই বোনের মধ্যে কাকে উত্যক্ত করবে? যে ইসলামী হিজাব পরিধান করেছে তাকে নাকি যে পাশ্চাত্যের পোশাক করেছে তাকে। নিঃসন্দেহে যে পাশ্চাত্যের পোশাক পরেছে তাকে। আসলে এই ধরনের পোশাক বিপরীত লিঙ্গকে আগ্রাসী হবার পরোক্ষ আমণ্ত্রণ জানায়।
শরীয়ত অনুসারে যে ব্যক্তি ধর্ষণ করে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। অনেকেই এই শাস্তিকে অমানবিক হিসেবে উল্লেখ করেন। আমি শত শত অমুসলিম ভাইদের প্রশ্ন করেছি, যদি আপনার স্ত্রী, মা, বোন, ধর্ষিত হয় এবং সেই ধর্ষককে আপনার সামনে আনা হয় তাহলে আপনি তাকে কী শাস্তি দেবেন? প্রায় সকলেই সেই ধর্ষককে মৃত্যুদন্ড দেবেন বলে রায় দিয়েছেনে। কেউ আবার, ধর্ষককে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে হত্যা করার কথা বলেছেন। আমি জিজ্ঞেস করেছি, আপনার মা, বোন, স্ত্রীকে কেউ ধর্ষণ করলে তাকে মৃত্যুদন্ড দিতে চান আর একই ঘটনা অন্য কারও মা, বোন, স্ত্রীর ক্ষেত্রে হলে বলছেন, মৃত্যুদন্ড অমানবিক শাস্তি। এই দুমোখো নীতির অর্থ কী?
পাশ্চাত্যে নারীর স্বাধীনতার কথা বলে তাদের নগ্ন করা হয়, সম্মানহানি করা হয় এবং এভাবেই নারীদের নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটে। নারীদের উচ্চমর্যাদা দানের কথা বলে তারা নারীদের হাতের পুতুল বানিয়ে অবৈধ সম্পর্কে বাধ্য করে। এই বিষয়গুলোই তখন হয়ে যায় শিল্প, সংস্কৃতি।
যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথিবীর সর্বাধিক উন্নত দেশগুলোর মধ্যে গণ্য করা হয়। ধর্ষণের সংখ্যার দিক থেকেও যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে। ১৯৯০ সালে এফ.বি.আই-এর রিপোর্ট অনুসারে প্রতিদিন গড়ে ১৭৫৬ টি ধর্ষণের ঘটনা শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেই ঘটে। এই রিপোর্টের ২-৩ বছর পরে এই সংখ্যা বেড়ে দাড়ায় দিনে ১৯০০ টি। ধরা যাক, যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামী হিজাব প্রবর্তন করা হল। অর্থ্যাৎ, কোন নারীকে দেখামাত্র পুরুষ তার দৃষ্টি নত করবে, নারীরা ইসলামী হিজাব পরিধান করবে এবং এরপরও যদি কোন ব্যক্তি ধর্ষণ করে তবে তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে। এখন প্রশ্ন হল, যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষনের সংখ্যা,
১. কমে যাবে
২. আগের মতই থাকবে।
৩. বেড়ে যাবে।
যদি ইসলামী হিজাব ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয় তবে হাতে নাতে ফল পাওয়া যাবে। পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে এই হিজাব ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হলে সেখানকার মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলবে। হিজাব, নারীদের অবমাননা করা নয় বরং তাদের উচ্চমর্যাদায় আসীন করা ও তাদের শালীনতা, সম্ভ্রম রক্ষা করা।
-তৌসিক আহম্মেদ। ছাত্র।
মুল: Answers to the Non-Muslims Common Questions about Islam. by: Dr. Zakir Abdul Karim Naik.
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
র্যাভেন বলেছেন:
জাকির নায়ের নামক ভাড় বা জোকার টারে মাইনাস
র্যাভেন বলেছেন:
জাকির নায়েক
মহা পাজি বলেছেন:
প্রতি দিন জাকির আব্দুক করিমের কপি পেস্ট না মাইরা নিজে থিকা কিছু লেখেন.............এক কাজ করেন আপনার পোস্টের নিচে যেই পোস্টটা আছে তার উত্তর দেন গিয়া।দেকি আপনি কত বড় মহা পন্ডিত.লেখক বলেছেন: আমি কোন পন্ডিত নই। লেখার নিচে বলা হয়েছে যে, আমি ছাত্র।
যাইহোক, আপনার মন্তব্যের উত্তরে বলছি,
শিশুরা প্রথমে অন্যকে দেখে, অন্যের কথা শোনে, সেগুলো বোঝার চেষ্টা করে, তারপর কথা বলে। আমিও অনেকটা সেই পথে হাটতে চাইছি। দু'একটা অনুবাদ কর্মের পর আমি আমার নিজের লেখা প্রকাশ করব, ইনশাআল্লাহ।
আমার নিচের পোষ্টের লেখকের কিছু মন্তব্য সঠিক নয় তবে তার ভাবনাটাকে একেবারেই ফালতু বলা যায় না। আমাদের বিকল্প ব্যবস্থার কথা বিবেচনা করা উচিত।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
আপনি হিজাব মেনে চলেন? যদি মেনে না চলেন তাহলে আপনার এই পোষ্ট দেয়া ঠিক হয়নি ...
র্যাভেন বলেছেন:
জাকির নায়েক নামক ছাগলটার হাস্যকর যুক্তিগুলা পইড়া হাসলাম কিচুক্ষন
লেখক বলেছেন: হাসি আমাদের জন্য খু্বই উপকারী। হাসলে নাকি আয়ু বাড়ে, যদিও এটি একটি শোনা কথা, জোর দিয়ে বলতে পারছি না। তবে সাধারনত হাসিকে নির্মলতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। আর কিছু না হলেও আমার পরিশ্রম আপনার হাসির খোরাক হয়েছে এটুকু ভেবেই আমি আনন্দিত। ধন্যবাদ।
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
ইসলাম নিয়া আপনারে কেউ প্রশ্ংুলো জিগাইছে??
লেখক বলেছেন: ধরে নিলাম, কেউ আমাকে প্রশ্নগুলো জিজ্ঞাসা করেনি। তাহলে আপনার প্রশ্ন হল, আমি কেন আগ বাড়িয়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখছি। আমি তো আপনাকে আমার লেখার ওপর মন্তব্য করতে বলিনি তারপরও আপনি মন্তব্য করেছেন। কারন, এটা আপনার স্বাধীনতা। ব্লগে আমরা নিজেদের ধারন, মতামত প্রকাশ করি এবং অন্যের মন্তব্য জানতে চাই। এটা কাউকে বলতে হয় না। কারন এটাই নিয়ম। যাইহোক, সবগুলো না হলেও আমি ৪-৫ টি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি তবে সেগুলো ব্যক্তি পর্যায়ে। ধন্যবাদ।
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
জাকির নায়েককে যে অনেকেই পছনন্দ করবে না এটাই স্বাভাবিক। যুগে যুগে যারাই আল্লাহর একত্ববাদের প্রতি মানুষকে আহ্বান করেছেন তাদের সবাইকে এ'রকম বা এর চেয়েও তীব্র প্রতিবাদ প্রতিরোধ সহ্য করতে হয়েছে - ইতিহাস এর সাক্ষি। আই.আর.এফ এর মত একটি গবেষনা প্রতিস্ঠান এবং পিস টিভিরমত একটি আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট টিভি প্রতিস্ঠা এবং পরিচালনার মাধ্যমে ড. জাকির নায়েক ইসলাম প্রচারে যে নতুন ধারা সৃস্টি করেছেন তাকেও অবশ্বই হাজারো বাঁধা-নিন্দা-গালি সহ্য করেই তা টিকিয়ে রাখতে হবে।সুতরাং ভীত হবেন না - গালমন্দ শুনে বিভ্রান্ত হবেন না। আপনার কাজ চালিয়ে যান। এই প্রশ্নগুলির উত্তর ব্যাপকহারে প্রচারিত হওয়া দরকার। যারা সত্যিকার অর্থে মুক্তচিন্তার লোক তারা ঠিকই বুঝবে।
যীনাত বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটি দেবার জন্য। ++++
সম্পূর্ণ একমত আপনার সাথে।
ভাল একটি জিনিস শেয়ার করেছেন আপনি।
আবদাল্লাহ বিন মাহবুব বলেছেন:
বন্ধুরা কোন মানুষের নামে এই ভাবে বলা ঠিক না ..আমার তো মনে হয় আপনারা অশিক্ষিত .... কেউ কাউকে এই ভাবে ছাগল বা অন্য কিছু বলে সম্বোধন করতে পারেন না .......আর জাকির নায়েক আনেক কিছু জানেন আপানাদের থেকেও বেশি ...
উনার দখলে কোরআন শরীফ, গীতা, বাইবেল, ইত্যাদি সব ওনার মুখস্ত এখন ...এইগুলো নিয়ে সে গবেষণা করেছে .........
মানুষকে সম্মান দিতে শিখেন ......................
কেউ আমার কথায় কষ্ট পেলে মাফ করে দিবেন ....
যে এই লেখাটি দিয়েছে আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই..... এত কষ্ট করে পোষ্ট টি দেয়ার জন্য ....ভাই পাছে লোকে কিছু বলে আপনি কান না দিয়ে আপনি চালিয়ে যান ....আর কেউ না খাকুক আল্লাহ আছে আপনার সাথে ..............
দুঃখিত বাংলায় ভূল করার জন্য ...প্লিজ ভাই আগের লেখাটা মুছে দিবেন..........দয়া করে
মীতু বলেছেন:
ভাল কাজ এবং পবিত্র কাজ করতে গেলে প্রতিটা মানুষ ই বাধাঁ বিপত্তির, সমালোচনার সম্মুখিন হয়েছেন। তাই বলে তা প্রচার করা থেকে কেউ বিরত থাকেন নি। তৌশিক আপনাকে বলছি আপনি চালিয়ে যান শত অপমান অপবাদ বাধাঁ বিপাত্ত যাই আসুক পিছ পা হবেন না।
লেখক বলেছেন: আমি সাধারনত পজিটিভ মন্তব্যের কোন উত্তর দেই না। এটাকে অভ্যাসই বলুন বা বদভ্যাস। পজিটিভ মন্তব্য আমাকে উৎসাহ দেয় সত্য তবে তারা কোন উত্তর আশা করে না।
আপু দয়া করে আমার নামের বানানটা কষ্ট করে একটু দেখে নেবেন প্লিজ। আমি মোটেই আপনাকে অসম্মান করে কোন কথা বলছি না। আসলে আমার নিজের নামটা আমরা খুবই পছন্দের এবং স্বাভাবতই নামের বানানটাও। কেন পছন্দের সেটি না হয় আরেকদিন বলব। আর আমাকে উৎসাহ দেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
মনচাষা বলেছেন:
জাকির নায়েককে যে অনেকেই পছনন্দ করবে না এটাই স্বাভাবিক। যুগে যুগে যারাই আল্লাহর একত্ববাদের প্রতি মানুষকে আহ্বান করেছেন তাদের সবাইকে এ'রকম বা এর চেয়েও তীব্র প্রতিবাদ প্রতিরোধ সহ্য করতে হয়েছে - ইতিহাস এর সাক্ষি। আই.আর.এফ এর মত একটি গবেষনা প্রতিস্ঠান এবং পিস টিভিরমত একটি আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট টিভি প্রতিস্ঠা এবং পরিচালনার মাধ্যমে ড. জাকির নায়েক ইসলাম প্রচারে যে নতুন ধারা সৃস্টি করেছেন তাকেও অবশ্বই হাজারো বাঁধা-নিন্দা-গালি সহ্য করেই তা টিকিয়ে রাখতে হবে।সুতরাং ভীত হবেন না - গালমন্দ শুনে বিভ্রান্ত হবেন না। আপনার কাজ চালিয়ে যান। এই প্রশ্নগুলির উত্তর ব্যাপকহারে প্রচারিত হওয়া দরকার। যারা সত্যিকার অর্থে মুক্তচিন্তার লোক তারা ঠিকই বুঝবে।
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
প্রাচেত্যের মেয়েরা বেপর্দা, হিজাব পরিধান করে না, সত্য কথা ।আপনি আমাকে উত্তর দিন, আমাদের দেশের পত্রিকায় ধর্ষনের খবর বেশী ছাপা হয় , না ওদের দেশে ?
ভালোকথা... বলেছেন:
আবদাল্লাহ বিন মাহবুব বলেছেন:আর জাকির নায়েক আনেক কিছু জানেন আপানাদের থেকেও বেশি ...
উনার দখলে কোরআন শরীফ, গীতা, বাইবেল, ইত্যাদি সব ওনার মুখস্ত এখন ...এইগুলো নিয়ে সে গবেষণা করেছে .........
গবেষনা করসে কি কারনে জানেন? যাতে সে প্রমান করতে পারে তার ধর্মই বড়... গীতা, বাইবেল এর অর্ধেক কয় আর বাকী অর্ধেক কয় না ...
অন্যের ধর্মরে ছোট দেখানো গ্যানীর লক্ষন না ...বাটপারীর লক্ষন ...
বাইন...ত পুরা ...
ভালোকথা... বলেছেন:
আরেকটা কথা ...অই বাইন ...ত জাকির নায়েকের বউরে দেখসেন?মাথা ঘুরায়া পইরা জাবেন...
হিজাব তো দুরের কথা ...
থাক ,জাকির নায়েকের ব্যবসা সে করুক ...
সক্রেটিস বলেছেন:
দুঃখিত, কিছু বুঝি নাই... হিজাব বোরখা সতর-ঢাকা সব কিচু একসাথে বয়ান কইরা সব আউলায়া দিসেন।
যা লিখসেন আবার পড়েন তারপর নিজে মাথা খাটায়া কিচু লেখেন।
শয়তান বলেছেন:
ভন্ড জোকার নায়েকের দালাল কে মাইনাস
নতুন বলেছেন:
একটা প্রশ্ন:- *** ) পুরুষ বেহেস্তে গেলে ৭০টা হুর পাবে.... নারী তার স্মামীরে... তার মানে নারী পাবে ৭০ তা সতীন...
***) শরাব বেহেস্তে ফ্রী ????
লেখক বলেছেন: ধরা যাক, এই সব বাজে এবং ফালতু কথা।
বেহেস্তের হুর, শরাব সব বোগাস।
তারপরও যদি আপনি বেহেস্তে এসব পাবেন বিশ্বাস করে. পৃথিবীতে যাবতীয় খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখেন সেটা আপনার জন্যই ভাল হবে।
খালদুন বলেছেন:
"দুজন যমজ বোনের কথা ধরা যাক। তারা দুজনই সমান সুন্দরী। রাস্তায় হেটে যাবার সময় তাদের একজন ইসলামী হিজাব পরিধান করেছে অর্থ্যাৎ সম্পূর্ণ দেহ কাপড়ে আবৃত শুধু মুখ ও হাতের কব্জি বাদে। এবং অন্যজন পাশ্চাত্যের মিনি স্কাট ও শটস পরেছে। রাস্তার পাশে কিছু বখাটে ছেলে বসে আছে। আপনার কী মনে হয়, তারা এই দুই বোনের মধ্যে কাকে উত্যক্ত করবে? যে ইসলামী হিজাব পরিধান করেছে তাকে নাকি যে পাশ্চাত্যের পোশাক করেছে তাকে।"এই উত্যক্ত করাটা সংস্কৃতি ভেদে ভিন্ন হবে। যে সমাজে মিনি স্কার্ট ও শর্টস একটি স্বাভাবিক পোষাক হিসেবে ব্যবহৃত ও স্বীকৃত কিন্তু হিজাব নয়, সেখানে হিজাবধারীকে উত্যক্ত করা হতে পারে। আর যে সমাজে হিজাব স্বাভাবিক, শর্টস ও মিনি অব্যবহৃত সেখানে উল্টো ঘটনা ঘটবে।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
নীচের ভিডিওগুলো একটু দেখেন, (আরো র' ছিল- কিন্তু সেগুলো হয়তো আপনাদের হজম হবে না বলে দিচ্ছি না)- দেখে আমাকে বলেন- এই সব ন্যাংটো-আধা ন্যাংটো ট্রাইবাল নারীদের বুক পাছা দেখে আপনাদের যেমন অনুভূতি হয়- তাকি ওদের মধ্যকার পুরুষদেরও হয়?
শুধু একটা তথ্য আপনাকে দিতে পারি- এইসব ন্যাংটো মেয়েদের দিনে রাতে দেখেও ওদের পুরুষেরা উত্যক্ত করার কথা কল্পনাও করতে পারেনা, এরা হয়তো- অন্যদের (যারা নিজেদের সমাজে লজ্জা নিবারনের পোষাকে অভ্যস্ত) হাতে রেপড হতে পারে- কিন্তু এখানকার পুরুষেরা তাদের নারীদের রেপ করার কোন নজির নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের গল্প শোনাচ্ছেন- কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য বা আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে নারীর সেক্সুয়াল এবিউজমেন্টের হার কি কম? এইসব অঞ্চলে- বেশীরভাগ ঘটনাই প্রকাশ পায় না- আড়ালে থেকে যায়। সেদিন একটি রিপোর্টে পড়ছিলাম- শিশুকন্যার সেক্সুয়াল হ্যারাজমেন্ট নিয়ে- আমাদের মতো দেশগুলোতে ৬০ ভাগেরও বেশী শিশুকন্যা সেক্সুয়ালি কোন না কোন ভাবে হ্যারাজড হয় (শিশুকন্যা বলতে ১২/১৪ বছর বয়সের পূর্বে বাচ্চাদের বুঝিয়েছে)। আরো মজার কাহিনী হচ্ছে- এদের ৯০ ভাগেরও বেশী হ্যারাজড হয় না কি ফ্যামিলি মেম্বারদের দ্বারা- কাজিন, চাচা-মামা-দাদা কেউ সেই লিস্ট থেকে বাদ নেই! ঐ বাচ্চাগুলোকে আপনি বোরখা দিয়ে ঢেকে রাখলেই এসব বন্ধ হবে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















