প্রথম আন্ডার ওয়ার পরার স্মৃতি অনেকেরই মনে আছে নিশ্চই?
বঙ্গবাজারে যারা জিন্স প্যান্ট কিনতে যান সেখানে কোন ট্রায়াল রুম থাকেনা , প্রকাশ্যে ন্যুড হয়েই ট্রাউজার ট্রায়াল দিতে হয় অনেককেই। সে যাই হোক সেখানে অবশ্য আন্ডার ওয়্যার পরা থাকে। কিন্তু গতকাল আমি সুনা বাথ করতে গিয়ে কিছু বিলাতিদের কায়দা দেখে হতভম্ব না হয়ে পারলোন অলক।
গতকাল বেশ ক্লান্ত থাকায় , সলিল ভাই বললো চল একটু ফ্রেশ হয়ে আসি, ক্লান্তি কেটে যাবে।কথা মত কাজ ওনার সখের পাজারোটা নিয়ে দুজনে চলে এলো হিলটন হোটেলে। সলিল ভাই প্রায়ই আসেন,অলকের অভিজ্ঞতা এবারই প্রথম। ছেলেদের চেঞ্জ রুমে দেখে সবাই মোটামুটি কোন প্রকার জামা কাপর নেই । মাঝ বয়সী বলি আর ৫০ উর্ধ্ব কারো কোন লজ্জা নেই .......
গায়ে একটা সুতা ও নেই...
অলক তো একটা বড় টাওয়েল জড়িয়ে তার নীচে তো আন্ডাওয়ার আছেই...তবু এপাশ ওপাশ তাকাচ্ছিল অলক..
যাই হোক আলোচনা স্বল্প বস্ত্র নয় আলোচনা সনার আভিজ্ঞতা নিয়ে।
৩০/৩২ ডিগ্রী তাপমাত্রা হলে গরমে বাঁচা দায় পরে যায়, ১৭০ ডিগ্রী তাপমাত্রার ছোট্র একটা কক্ষে রিল্যক্স মুডে বসে থাকা !!!
টানা ১৫ মিনিট!!
অলক লক্ষ্য করলো তার সারা শরীর বেয়ে দর দর করে ঘাম ঝরছে..
অলক অনবরত ঘেমেই যাচ্ছে... তার চোখ দুটো বন্ধ..
সলিল ভাই পাশেই বসে ছিলেন।
সলিল ভাই নাক তো পুড়ে যাচ্ছে,করি কি?
আরে ব্যটা কিস্যু হবেনা । বসে থাকো।
১৫ মিনিট পরে অলক যখন বের হলো তখন মনে হলো কাঠ ফাটা রোদে এক বিঘা জমির ধান কেটে এসেছে অলক,সেরকম ঘাম ঝরছে। সারা দিনের ক্লান্তি কোথায় যে চলে গেলো ...
সারা জীবনে এতটা ঘামেনি অলক। ব্লগের কেউ কি সনার অভিজ্ঞতা নিয়েছেন?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ৩:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



