আমার প্রিয় পোস্ট
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটি ছবি (রিপোস্ট) - রাগিব
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( শেষ পর্ব ) - একরামুল হক শামীম
- ভ্যালেন্টাইনডে/ভালোবাসাদিবস নিয়ে ইসলাম কি বলে? - মনিটর
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- সবচেয়ে সুন্দর বান্দরবান - অচেনা বাঙালি
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- প্রফেসর গোলাম আযম একজন মহাপরুষের জন্ম ১ম খন্ড - পল্লব মুনতাকা
- আমার কিছু প্রিয় পোস্ট (জ্বিনের বাদশা'র সেরা লেখা সংগ্রহের প্রচেষ্টায় মুকুলে'র দুই পয়সা)
- মুকুল
- এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবী ও একটি রাজাকারী বিলাপ! আর ব্লগের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন। - এস্কিমো
- সো দেসকা-দের দেশে-১ (সারমেয় কাহিনী) - রুখসানা তাজীন
- মুক্তিযুদ্ধের আরো কিছু ভিডিও ফুটেজ - অমি রহমান পিয়াল
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- যেভাবে ভিডিও থেকে অডিও কনভার্ট করবেন - শাওন
- ১৯৭১ এর নভেম্বর ডিসেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ - ১ : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৭ - মিরাজ
- ভিডিও : গণহত্যা হয়েছে, বিচার সম্ভব : আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতামত - অমি রহমান পিয়াল
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
গুচ্ছ প্রেমের গল্প : পর্ব ০১
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৮
সাজিয়া সেঁজুতি ভালো নাম হলেও বাসায় সবাই সেজুঁতিকে স্বর্ণ বলেই ডাকে। তবে অলক আহ্লাদ করে স্বর্ণকে ডাকে খরগোশ। স্বর্ণের চোখ গুলো দেখতে অনেক খরগোশের মতো কিনা, তাই ও নামে ডাকা। তাছাড়া পাঁচ তলার ভাবি স্বর্ণকে এক জোড়া খরগোশ গিফট করেছে। পাশের বাসায় বেড়াতে গিয়ে গরগোশ দুটো স্বর্ণের খুব ভালো লেগে গেলে পরদিন ভাবী নিজে খরগোশ দুটো নিয়ে হাজির। অলক এই গল্প শোনার পর থেকে স্বর্ণকে খরগোশ বলেই ডাকে। স্বর্ন অলকের মুখ থেকে এখন নিজের নাম শোনার চেয়ে খরগোশ নাম শুনতে উদগ্রীব হয়ে বসে থাকে। খরগোশ ডাকতে ডাকতে অলকেরও অভ্যাসটা এমন হয়েছে যে টেলিফোন করলেই অলক বলে উঠে, কে.. খরগোশ ? কি করে আমার খরগোশটা ? কিন্তু আজ স্বর্ণের বড় ভাই সন্ধি ফোন ধরতে লেগে, অলক- স্বর্ণের ব্যপারটা বাসার আলোচনার বিষয় বস্তুতে পরিনত হলো। ফোন করেই অলক যথারীতি বলে ফেলেছে, কে খরগোশ? টেলিফোনের অপর প্রান্তে ফিরতি জবাব আসলো- কি, কাকে চান ?? খরগোশ নামে এখানে কেউ থাকে না !
সম্বিত ফিরে পেয়ে অলক যখন কোন উত্তর খুঁজে পাচ্ছিলনা , ততনে স্বর্ণের অবস্থা খারাপ!! মুহুর্তের মধ্যোই সন্ধি তার মাকে ফোন করে ফেলেছে, ”তোমার মেয়ের পাখনা গজিয়েছে, সারা দিন কম্পিউটারে বসে থাকে, কি সব চ্যাট করে, গুলশান থেকে কে যেন তাকে ফোন করে খরগোশ বলে ডাকে, সেদিন দেখলাম কম্পিউটারের ডেক্সটপে কোন এক ছেলের ছবি লাগিয়ে রেখেছে! মা,আমি বলে দিলাম তোমার মেয়েকে তুমি সামলাও । পরে কিছু হলে আমাকে দুষবে, বড় ভাই হয়ে আমি আমার দায়িত্ব পালন করিনি”। দায়িত্ববান ভাইয়েরর কান্ড কারখানা দেখে স্বর্ণ তার মাকে বলেই ফেলেছে, মা’ আমার একটা ছেলেকে অসম্ভব ভালো লেগেছে, যদিও এখনও আমাদের দেখা হয়নি। তবে আমরা কমিটেড। স্বর্ন অনেকটা কঠিন শাসনে বড় হলেও বাবা মায়ের সাথে অনেক ফ্রি। স্বর্নের মা শুধু এইটুকুই বললো, দেখ মা, যা কিছুই করো পড়াশুনাটা ঠিক রেখে করো। আমিও তোমার বাবাকে পছন্দ করে বিয়ে করেছি, কিন্তু আমাদের ল্যটা ঠিক ছিলো। আমি এখন চাকুরি করে নিজের পায়ে দ্বড়িয়েছি, তোমার বাবার উপর নির্ভর করে থাকতে হচ্ছেনা আমাকে। একটা শক্তি আছে আমার।
-'আচ্ছা এটা না হয় বুঝলাম, কিন্তু ভাইয়া গুলশান থেকে ফোন করেছে কেন বললো ?'
-'না, বাইরে থেকে তুমি যখনই ফোন করো আমার সেল ফোনে গুলশান দেখা যায়, মনে হয়ে যে একসেস নাম্বার দিয়ে তোমার ফোনগুলো ডুকে সেটা গুলশানের কোন নাম্বার হবে, সে জন্য গুলশান লেখা উঠে। তাই হয়তো ভাইয়া ভেবেছে তুমি গুলশানে থাকো।'
- 'আর ছবির ব্যপারটা বলো তো ?'
-'আসলে সে দিন ফেসবুক থেকে তোমান ছবি সেভ করতে গিয়ে আমি ছবিটা ভুলে ডেক্সটপে রেখে দিয়েছিলাম, ভাইয়্যা আমার পিসি ইউজ করতে গিয়ে সেই ছবি দেখেছে। আমাকে কিছু বলেনি , কিন্তু ছবিতে লিখে রেখেছে,হু ইস দিস'??
-'অলক খানিকটা চমকে গিয়ে বললো, এখন কি হবে?'
-'কি আর হবে, যা হবার ততটুকু হয়ে গেছে, আমি অনেক রাগী , মা আমাকে ঘাটতে আসবেনা। ভাইয়াওতো টাংকি বাজি করে বেড়ায় । সারাদিন চ্যাটিং করে , কই আমিতো তখন কিছু বলি না, শুধু আমার বেলায় সব দোষ না, তুমি দেশে আসো আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবো।'
-'কিভাবে যে কি হয়ে গেলো, অলক কিছুই বুঝে উঠতে পারছেনা।,
অলকের সাথে স্বর্ণের পরিচয় মাত্র কুড়ি দিনের। ইয়াহু মেসেঞ্জারে কোথা থেকে অলকের ফ্রেন্ড লিষ্টে সেঁজুতি আসলো সেটা অলকের মনে নেই। তবে অলক সেঁজুতিকে না চিনেই ফ্রেন্ড লিষ্টে এড করেছে। কোন মেয়ে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠিয়েছে অলক সেটা ইগনোর করবে এমন সাহস অলক সঞ্চয় করতে পারেনি। খবরের কাগজে ইমেইল নম্বর পেয়ে সেজুঁতি অলককে ইয়াহু মেসেনজারে এড করে রেখেছিলো। অলকও তেমন গুরত্ব না দিয়ে রিকোয়েষ্ট একসেপ্ট করে নিয়েছিলো। তারপর ফেস বুকে সেজুঁতির ছবি দেখে অলক সেঁজুতি কে মেসেজ পাঠায়। কথা বলতে বলতে কথা গড়ায় কথার পিঠে.. দিন রাত নাওয়া খাওয়া ছেড়ে ফোন, ইন্টারনেট আর ফেসবুক। খুব অল্প সময়ে অলক-সেঁজুতি একে অপরের কাছে চলে আসে। রিক্সা করে ঘুরেবেড়ানো অলকের খুব প্রিয়, ইচ্ছে হলেই মাঝ পথে রিক্সা থামিয়ে চা থাওয়া, চানখার পুল কিংবা নাজিম উদ্দীন রোডে গভীর রাতে গরুও চাপ খেতে যাওয়া অথবা নীল ক্ষেতের ১৫ টাকার বিরিয়ানী খাওয়ার মত ছোট খাটো চাওয়া পাওয়ার গল্প শুনে স্বর্ন রীতিমত মুগ্ধ ! পলাশী কিংবা ফুলার রোডের ছায়া ঘেরা পথটাতে রিক্সা থাকবেনা এই পথটাতে আমরা একজন আরেক জনের হাত ধরে হাঁটবো, অলকের এমন প্রস্তাবেও স্বর্ণের বাঁধা নেই। তবে শুরুতেই অলক স্বর্নকে বলে নিয়েছে, তাকে সে কখনই সেঁজুতি বলে ডাকবেনা। এই নামের পিছনে একটা ছোট্র গল্প আছে। অলক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বার সময় সেঁজুতি নামে এক মেয়ে অলকের পিছু নিয়েছিলো, অলক মেয়েটিকে পছন্দ করতো না তবুও মেয়েটা অলককে পাবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলো। যদিও অলকের এতে কোন সাঁয় ছিলোনা তবে অলক মাঝে মাঝে মেয়েটির সাথে রিক্সা করে বেড়াতে যেত। অলকের খুব মন খারাপ হলে সেঁজুতি রিক্সা করে বেড়াতে নিয়ে যেত। অলক যখন বুঝতে পারলো মেয়েটি ক্রমশ দূর্বল হয়ে পড়ছে , বিষয়টি অন্যদিকে গড়াচ্ছে, অলক বিষয়টির ইতি টানতে চাইলো। মেয়েটি তখন আরো ক্রেজি হয়ে উঠলো, এক সময় বিরক্ত হয়ে অলক সেঁজুতির ফোন পর্যন্ত রিসিভ করা বন্ধ করে দিয়েছিলো। সেই থেকে সেঁজুতি নামটা শুনলেই অলক চমকে উঠে! স্বর্নের স্বর্ণালী মুখে অলক সেজুতির মুখ কল্পনা করতে চায়না। তাই স্বর্নের কাছে নিজেকে পরিস্কার করে নিয়েছে অলক।
শুধু তাই নয়, অলক যেহেতু স্বর্নকে নিয়ে কিছুটা ভাবতে শুরু করেছে তাই অলকের জীবনে কোন মেয়ে ঠিক কতটা স্থান জুড়ে ছিলো সেই বিষয়গুলোও স্বর্ণের জানা প্রয়োজন বলে মনে করছে অলক, সেই দায়বদ্ধতা খেকেই অলকের জীবনের স্বর্নালী ভোর আসবার আগের সব ঘটনা শেয়ার করতে চায় অলক
দ্বিতীয় পর্ব পড়তে ক্লিক করুন
(- চলবে )
বিঃদ্রঃ ভালবাসা দিবস কে কেন্দ্র করে লেখা গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক, কারো নাম বা কোন ঘটনার সাথে মিলে গেলে ব্যক্তিগত জীবনের সাথে জড়িয়ে ভাবনার জাল বিস্তৃত করার দায়িত্ব পাঠকের নিজের।
মদনবাবু বলেছেন:
শুরুটা চমৎকার । ক পর্ব হবে??
লেখক বলেছেন: তিন পর্বের শেষ পর্বটা কিছুক্ষনের মধ্যেই আসবে। এডিটিং চলছে।
রাশেদ বলেছেন:
জটিল। চলুক...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শেষটায় কি হবে বুঝতে পারছিনা...
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
হাফ প্লেট ২৫ এখন
লেখক বলেছেন: আগে তো হালকা ফাও দিতো ... এখন ??
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
তা দেয়...তবে ওই যে ভাঙা দোকানটাতেও আগের স্বাদ পাইনি...তবে আগের ভীর আছে ঠিকই, পাশেরগুলোর ডেকর একটু আধুনিক করে ফেলেছে, ঢুকতেই ইচ্ছা করে না।
লেখক বলেছেন: হুম এটা ঠিক , টুলে বসে খাওয়ার মজাই আলাদা, এসি আর ফ্যানের বাতাস হলে তবে কেন আর নীল ক্ষেত, আমরা ঐতিহ্য ভাঙতে ওস্তাদ!

















