আমার প্রিয় পোস্ট

না হইলাম দেশী না বিদেশী লোকে বলে প্রবাসী।

২৪ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২

শেয়ারঃ
0 0 0

বন্ধুরা তাচ্ছিল্যের সুরে বলে দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছো দেশ নিয়ে এত গবেষণার কি আছে ? নিজের দেশ নিয়ে ভাবো। আসলে নিজের দেশ কোনটি ? ব্রিটেনের কথাই যদি ধরি,যারা যুগ যুগ ধরে এদেশে পরে আছেন তারা তো বৃটেনের নাগরিকত্ব নিয়েছেন তাহলে বাংলাদেশতো সে অর্থে তাদের দেশনা , তাহলে বাংলাদেশ সম্পর্কে বাস্তবিক অর্থে তাদের মাথা না ঘামানই উচিৎ । আর যারা কিছু দিনের জন্য পড়াশুনা কিংবা চাকুরির সুবাদে এসেছেন তাদের নাহয় একটা যুক্তি আছে তারা নিদিষ্ট সময় শেষে দেশে ফিরে যাবেন। এখন কথা থেকে যায়, ডুয়াল পাসপোর্ট নিয়ে, যাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে তারা দুই দেশ নিয়ে মাথা ঘামাবে এটাই স্বাভাবিক। আর আপাদমস্তক যারা চীর কালই বাঙালি , যাদের ধমণীতে বাংলাদেশের রক্ত প্রতিনিয়তই টগবগ করে তাদের তো বাংলাদেশকে নিয়ে না ভেবে উপায় নেই।আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্ম তারা বাংলাদেশী অরিজিন হলেও বাংলাদেশ নিয়ে তাদের ভাবনা চিন্তা গুলোও খুব সীমিত। ২২ জুন ঢাকায় একটি সমাবেশে প্রবাসীদের বিদেশে বসে দেশীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা নিয়ে বিতর্কের সুত্রপাত করেছেন টিআইবির চেয়ারপার্সন মুজাফ্ফর আহমেদ। একদিকে নির্বাচন কমিশন বলছে রাজনৈতিক দলগুলোর দেশের বাইরে কোন শাখা থাকতে পারবেনা, অন্যদিকে দুই নির্বাচন কমিশনার সহুল হোসাইন ও বিগ্রেডিয়ার অব: এম শাখাওয়াত হোসনে গত বছর বিলেতে এসে বিভিন্ন সভা সম্মেলনে বলছেন প্রবাসীদের ভোটাধিকার দেয়া হবে, এবং এই বছরই সেটি কার্যকর হবার সুযোগ রয়েছে। কথা হচ্ছে, প্রবাসীরা যদি দেশীয় রাজনীতিতে অংশ নিতে না পারে তাহলে ভোট দেবারই বা দরকার কি ? তাহলে কেনই বা প্রবাসী প্রতিনিধিদের নির্বাচনে নমিনেশন দেয়া হচ্ছে ?

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল এর বাংলাদেশের চেয়ারপার্সন মোজাফ্ফর আহমেদ খানিকটা রুঢ় ভাবেই বলেছেন, ’যারা আমার দেশের পার্সপোট ত্যাগ করে বিদেশী পার্সপোর্ট নিয়েছেন তাদের কেন আমার দেশের ভোট দিতে হবে?’ কথাটা এতটা রুঢ় ভাবে না বলে হয়তো প্রবাসীদের অবদানের কথাগুলো স্বীকার করে , যৌক্তিক প্রশ্ন উত্থাপন করা যেত। লন্ডনে এসে জেনেছি, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিলেত প্রবাসী বাঙালিরা মাস শেষে যে বেতন পেতেন কোন রকমে চলার অর্থটা রেখে বাকী টাকা বাংলাদেশে পাঠিয়েছে সহায়তা হিসাবে। ট্রাফলগার স্কয়ারে, হাইড পার্কে গনআন্দোলনের মাধ্যমে আন্তজার্তিক সমর্থন আদায়ে সহায়তা করেছিলো এই প্রবাসীরাই। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের যেকোন দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রবাসীরা যেভাবে পাগলের মতো ফান্ড রেইজ করে দেশে পাঠান সেগুলো বাংলাদেশে বসে জানবার কথা নয়। সম্প্রতি সাইক্লোন সিডরের সময়ে ব্রিটেন প্রবাসী বাংলাদেশীদের টাকার অংকটা বিদেশী দাতাদের চেয়ে কোন অংশে কমনয়। এই বিষয়গুলোকে সম্মানের সাথে বিবেচনা করতে হবে। তাছাড়া সদ্য পাশ করা বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা চাকুরির জন্য হাপিত্বেষ না করে প্রবাসে এসে অন্তত তার বেকারত্বটা ঘুচাতে পারছে সেই সাথে একটা পরিবারের অবলম্বন হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে এটাওবা কমকি ? এতে দেশ প্রেম কমে যাবার প্রশ্ন আসেনা। বরং বিভিন্ন পরিস্থিতি আর প্রতিকুল অবস্থার কারনেই মানুষ কেবল প্রবাস যাপন করে। দেশের প্রতি পিছুটানটা আসলে থেকেই যায়।
শেখ রেহানা দীর্ঘ দিন ব্রিটেনে বসবাস করছেন, এমন যদি হয় তাহলেতো তাঁর কোন দিন বাংলাদেশে গিয়ে রাজণীতি করা বা নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ থাকেনা। সেই সাথে শেখ হাসিনার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয় আমেরিকান নাগরিক ও রেহানা পুত্র রেজোয়ান সিদ্দীকী ও কন্যা টিউলিপ সিদ্দীকীও ব্রিটিশ নাগরিক তাদের ক্ষেত্রে কি নিয়ম প্রযোজ্য হবে ? এই সুত্র ধরে তাদেরকি বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে উৎসাহ দেখানো উচিত ?

এবার কিছু যুক্তির কথা বলি, জনপ্রতিনিধী নির্বাচন করবে কারা ? ধরা যাক আমি কুমিল্লা ৮ নির্বাচনী এলাকার ভোটার। নির্বাচনে আমি যদি আমার এলাকার জনপ্রতিনিধিকে ভোট দিতে যাই তাহলে আমাকে অবশ্যই সেই এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে হবে, কথা হলো আমি গত ৪ বছর ধরে প্রবাসে অবস্থান করছি, প্রবাসে এত ব্যস্ততার মঝে প্রার্থীদের সাথে পরিচিত মাধ্যম হলো সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন চ্যানেল। তাও ৩০০ আসনের নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের খবর গনমাধ্যমে ঘুরে ফিরে আসতে আসতে অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যপার। বাকী থাকে টেলিফোনে বা ইন্টারনেট। মাঝে মাঝে বন্ধু বান্ধব আতœীয় পরিজনের সাথে যোগাযোগের সময় নিজের এলাকার খবর নেয়া কিংবা বছরে দু’একবার হলিডেতে দেশে বেড়াতে গেলে এক পলক দেখা। এখন কথা হলো এইটুকুই কি একজন প্রার্থী নির্বাচনের জন্য যথেষ্ঠ ? ধরে নিলাম কোন না কোনভাবে যোগ্য প্রার্থীকে প্রবাসীরা সনাক্ত করতে পারলো। তাছাড়া নির্বাচিত হলে জনপ্রতিনিধিরা যেহেতু একটি নিদিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচিত হবেন সেক্ষেত্রে তার পুরো প্রবাসীদের বিষয়গুলো নিয়ে ভাবার সুযোগ কম থাকবে। তারপরও প্রবাসীদের ভোট নির্বাচনের জন্য যতটানা জরুরী তারচেয়ে মনেহয় জরুরী প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো নিরসনে প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয়কে কার্যকর করা। প্রয়োজনে প্রাবসীদের সমস্যাগুলো দেখার জন্য প্রবাসীদের মধ্য থেকে টেকনোক্রেট পার্লামেন্টারিয়ান নির্বাচিত করা যেতে পারে। অথবা প্রত্যেক দেশ থেকে প্রবাসী উপদেষ্টা নির্বাচন করা যেতে পারে। প্রবাসে বসেই তারা প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে মতামত দেবেন। তিনি তার কাজের জন্য প্রবাসীদের কাছেই দায়বদ্ধ থাকবেন। প্রতিবছর প্রবাসীরা ভোট দিয়ে প্রয়োজনে তাকে সেই দেশের উপদেষ্টা বানাবেন। তাহলে সবার মধ্যে গ্রহনযোগ্যতা থাকবে।


কিন্তু প্রাবাসীরা দাবী তুলতে পারেন,আমরা প্রতি বছর ৮ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠাই যা বিদেশী সাহায্যের চেয়ে বেশী, আমি ভোট দেবোনা তো কে দেবে ? দেশ পরিচালনায় আমাদের অংশ গ্রহনও থাকতে হবে। এই প্রশ্নের উত্তর হলো, প্রবাসীদের কল্যানের জন্য যে বিষয়গুলো উত্থাপন করা যায় সেই বিষয়গুলোতে সরকারের নজর বাড়ানোর জন্য সরকারকে প্রস্তাব দেয়া যেতে পারে। প্রবাসীদের মনোনিত উপদেষ্টা যিনি প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয়ের অধীনে সরকারের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করবেন তার মাধ্যমেই সকল দাবী দাওয়া পৌঁছে যাবে।

বাংলাদেশী কমিউনিটিতে সাংবাদিকতার সুবাদে যে সমস্যাগুলো প্রতিনিয়ত আমাদের নজরে আসে তার মধ্যে অন্যতম , প্রবাসীদের জায়গা জমি জোর করে দখল, আত্নীয় স্বজনদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে সমস্যা , ভূয়া জমি বা ভূয়া ফ্লাট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের খপ্পরে পরে টাকা গচ্চা যাওয়া ,বাড়ী কিংবা ব্যবাসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজির স্বীকার হওয়া, বিমান বন্দরে হয়রানী, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের আরোহন ও অবতরণ কার্ড পূরণে জটিলতা, রেমিটেন্স প্রেরণে ব্যংক গুলোর দীর্ঘ সূত্রিতা এই সব। আর কিছু লোক আছেন বিদেশে আসবার আগেই দালালের খপ্পরে পড়ে অর্থ খুইয়ে সর্বশান্ত হওয়া। মোট কথা ঘুরে ফিরে এই সমস্যাগুলোর মধ্যেই প্রবাসীরা ঘুরপাক খায়। এই সমস্যাগুলোকে নিরসনের উদ্যোগ নিতে হলে প্রবাসীদের মধ্য থেকে উপদেষ্টা নিয়োগ করে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়কে শক্তিশালী করতে হবে।

আরো একটি বিষয় আলোচনা হয়েছে সম্প্রতি, ’বেসরকারী ব্যংকগুলো বিদেশে একচেঞ্জ খুলতে চায়’ (১০ জুলাই , প্রথম আলো) এটি সম্ভব হলে হুন্ডি ব্যবসা অনেক কমে যাবে। সেই সাথে প্রবাসীরাও নিশ্চয়তা পাবে। তবে প্রবাসে একচেঞ্জগুলোকে অবশ্যই বাংলাদেশ ব্যংকের ছায়া তলে থেকেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। তাহলে প্রবাসীদের একটা শেষ আশ্রয়স্থল থাকবে। অতীতে ব্যক্তিগত মালিকাধীন বেশ কিছু রেমিটেন্স কোম্পানী মিলিয়ন পাউন্ড অর্থ নিয়ে উধাও হয়েছে। তাই এখনও প্রবাসে সোনালী ব্যংক ই ভরসা। তবে স্বল্প সংখ্যক শাখা আর দূর্বল ব্যবস্থাপনা দিয়ে সোনালী ব্যংক্ও সঠিক সেবা দিতে পারছেনা।

কয়েকদিন আগে সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধূরী লন্ডনের একটি অনুষ্ঠানে দারুন একটা কথা বলেছেন,”আপনারা নিজেদেরকে ব্রিটিশ বাংলাদেশী বলেন কেন ? আপনারাতো বৃটিশ , তবে আপনাদের সুন্দর একটা বাংলাদেশী হেরিটেজ আছে যা গর্ব করার মতো, নিজেদেরকে কেন আপনারা এথনিক মাইনরিটি বলে দাবী করে সুবিধা চাইতে যাবেন, আপনি বৃটিশ , বৃটিশ নাগরিক হিসাবেই আপনার দাবী উত্থাপন করবেন।” আসলে আমরা প্রবাসে থেকেও না হতে পারলাম ব্রিটিশ না বাংলাদেশী , হয়ে রইলাম প্রবাসী !

 

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: হায়রে প্রবাসী!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: করুনা করলেন ?

২. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭
শিমু নুমান বলেছেন: প্রবাসী ভাইয়রাই আমাদের গর্ব
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: ভাইয়েরা গর্ব আর বোনেরা ....?

২৪ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: দিন রাত কুড়ি ঘন্টাইতো বাংলাদেশের খবর নিয়ে থাকি, ঘুমানোর সময় খালি বিছানায় পড়ে থাকি।

৪. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন আপনি.....অনেক ভাবার মত বিষয় উঠে এসেছে।
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: লেখা পড়বার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আর লেখাটি আপনার ভাবনার খোড়াক যুগিয়েছে সেটি জানতে পেরে আরো ভালো লাগলো।

৫. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯
নতুন বলেছেন: এখন আমাদের সময় আসছে ... বিদেশে বাঙ্গালি রপতানি করার...

বিদেশের চাকুরির বাজারের জন্য আমাদের ছেলে/মেয়ে দের তৌরি করতে হবে....

১৫ কোটি লোক আছে দেশে থাকার জন্য....

আমাদের দেশে এটা যথেস্থ... আমি মনে করি...

এখনই দরকার এই জন্য কাজ শুরু করা...
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: বিদেশে বাঙালি রপ্তানী করবার বিষয়ে আপনার ভাবনাগুলো কি আলোচনা করলে আরো পরিস্কার হবে।

২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: গুড, তবে আপনার নির্বচনী এলাকার জন প্রতিনিধিদের নিয়ে কিভাবছেন তা নিয়ে আলোচনা করুন আরো ভালো লাগবে।

৭. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে বিদেশীরা যদি ক্ষণে ক্ষণে হস্তক্ষেপ করতে পারে, নানা রাজনৈতিক ইস্যুতে তারাই পদক্ষেপ নিতে পারে তাহলে প্রবাসী বাংলাদেশীরা কেন দেশীয় ব্যাপারে কথা বলতে পারবে না !!!

যদি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা যদি এতটাই নিজেদের নিয়ে গর্ববোধ করেন তবে রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ করে দিলেই তো হয় ...

যারা আসলেই দেশের উন্নতি চান তারা কোন শুভ উদ্যোগকে এভাবে অবহেলা করবেন না বলেই মনে করি, আর যারা করেন তাদের বিশ্বাস,কর্ম, জ্ঞান-বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সন্দেহ হয়..

তবে এটাও ঠিক. আমরা মানুষকে অযথাই খোঁচা দিতে পছন্দ করি ...এই জন্য এই যদি নিজের মনের ইচ্ছাটা সৎ থাকে তাহলে বাকী কে কি বলল, সেগুলো নিয়ে মাথা না ঘামানোই ভাল...এবং আপনারা প্রবাসীরা যদি একত্রিত থাকেন তাহলে আপনাদের দাবীগুলোও বাস্তবায়িত হবে ধীরে ধীরে....
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: প্রবাসীদের ছাড়া আমাদের রাজনৈতিক দলের নেতারা তো চলতে পারেনা। বিদেশ ভ্রমনে আসলে এয়ার পোর্টে মার্সিডিস কিংবা জাগুয়ার নিয়ে প্রবাসীরা তৈরী থাকেন, হ্যারোডসের মতো নামী দামী সপিং সেন্টার থেকে কোট টাই আর গহনা কোনটাই তো নিতে ভুলেনা। তবুও বিমানে উড়লে সব ভুলে যান এক পলকে...

৮. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৫৭
রুখসানা তাজীন বলেছেন: পৃথিবী এতটাই ছোট হয়ে গেছে যে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে দেশ-বিদেশ ফারাকটা বড় করে দেখার কিছু নেই। আপনার লেখা ভালো লেগেছে
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: লেখা ভাললাগার আনন্দ আগে উপভোগ করি। এই জন্য ধন্যবাদ।
আর অবদান রাখার কথা বলছেন। চাইলেই প্রবাসীরাই বাংলাদেশে বিনিয়োগের জোয়ার বইয়ে দিতে পারে , করতে পারে অজস্র কর্মসংস্থানের সুযোগ। কিন্তু রাজনৈতিক দূরদর্শীতার অভাবে আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এই সব প্রস্তাব ফাইল চাপা পড়ে থাকে।

৯. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:০৮
ইয়াহিয়া বলেছেন: প্রবাসি দের অবশ্যই দেশ নিয়ে ভাবার অধিকার আছে।তবে,প্রবাসে গিয়ে চাকুরি করে আর দেশে কিছু টাকা পাঠিয়েই দায়মুক্ত না হয়ে যারা ভালো অবস্থানে আছেন তারা দেশে অর্থ বিনিয়োগ করে চাকুরি সৃষ্টিতে অবদান রাখলে দেশের জন্য অনেক ভালো হবে।
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: প্রবাসে এত ব্যস্ততার মাঝেও যে প্রবাসীরা দেশ নিয়ে ভাবেন এটাও অনেক কিন্তু এর বিনিময়ে সরকারের তরফ থেকে সব তেমন কোন সাড়া পাওয়া যায়না।তবে সম্প্রতি প্রবাসীদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নাগরিক মর্যাদা দেয়ার ব্যপারটি নিসন্দেহে প্রসংশার।

১০. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:০৫
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আপনার বিশ্লেষণ ভালো লেগেছে।
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আমার বিশ্নেষণ ভালো লেগেছে ! আর আমাকে ??
ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ ।

১১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩৭
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন +

প্রিয়তে রাখলাম
২৫ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: কারো প্রিয় পোস্টে স্থান পাওয়া অনেক আনন্দের । আপনার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা।

১২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: আমার মনে হয় যে দেশের রাজনীতিতে তৎপর লোকজন প্রবাসীদের হস্তক্ষেপ চায় না।

কোন একটা কারনে প্রবাসীদেরকে তারা 'রেমিটেন্সের উৎস' হিসেবেই দেখতে অভ্যস্ত।

প্রবাসীদের উচিৎ ধীরে ধীরে দেশীয় রাজনীতিতে স্থান করে নেয়া।

কারন দেশের বাইরে থেকে যেসমস্ত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা তারা অর্জন করেন তা দেশে প্রয়োগ করলে সোনা ফলতে বাধ্য।

একটা ছোট্ট ব্যাবসায়িক উদাহরন মনে হয় নন্দন। ভালোই তো চলছে!
২৫ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: শুধু নন্দন নয়। এমন অনেক কিছুই আছে দেশে। প্রবাসীদের অর্থায়নে বাংলাদেশে প্রায় কয়েক হাজার ট্রাষ্ট চলে। এগুলো প্রতিবছর যে কত গরীব দুখিদের সাহায্য সহযোগিতা করে তার হিসাব সরকারের খাতায় নেই।

আপনাকে ধন্যবাদ আরিফ।

১৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:৫২
রামন বলেছেন: আপনার লেখাটি পড়ে ভাল লেগেছে । দেশের প্রতি প্রবাসীদের অবদান সুন্দরভাবে বিশ্লেষন করেছেন। তবে জনাব মোজাফ্ফর আহমেদের উক্তিটি ছিল দুঃখ জনক । অনেক প্রবাসী দেশের পাসপোর্ট ত্যাগ করেছে কিনতু সেটির পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। এদেশের অনেক নাগরিক দূর্নীতি করে দেশের চরম ক্ষতি করেছে পক্ষান্তরে প্রবাসীগণ তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে প্রেরণ করে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে চলেছে, দেশের বহু পরিবার এ থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপকৃত হচ্ছে । অমত্য সেন সে দেশের ৩ হাজার লোককে বিদেশে কর্মসংস্হানের ব্যবস্হা করছেন বলে সভায় উল্ল্যেখ করছেন যদি এ বিষয়ে কোন প্রমান উপস্হাপন করতে পারেন নাই।দেশের জন্য প্রবাসীদের অবদান আপনার লেখায় স্পষ্ট ফুটে উঠেছে কাজেই আমার নতুন করে বলার কিছুই নাই তবে এ টুকু বলতে চাই যিনি স্বনামধন্য হিসেবে সমাজে প্রতিষ্টিত আর সে বদৌলতে মিডিয়াতে এসে দুরদর্শিতাহীন বক্তব্য প্রদান করবেন এটি কোন অবস্হায় গ্রহনযোগ্য নয়।তিনি কোন অবস্হায় প্রবাসীদের অধিকার হরণ করতে পারেন না কেননা দেশের জন্য প্রবাসীদের অবদান তার থেকে বেশী বই কম নয় ।ভাই লেখক আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
২৫ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:২৩

লেখক বলেছেন: আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্যে অনেক নতুন তথ্য এসেছে।

১৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:৫২
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: লেখাটি ভালো লাগছে।
অনেক সুন্দর লিখেছেন।
১৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:১৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: লেখাটি ভাল লেগেছে।
আরিফভাইএর কমেন্টের জবাবটাও।
১৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:২৮
পথিক মানিক বলেছেন: হুমম........অনেক না বলা কথা উঠে এসেছে আপনার পোস্টে। ভালো লাগলো আপনার চমৎকার উপস্হাপনায়।
১৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০
থার্ডআই বলেছেন: শফিউল আলম, রন্টি ও পথিক মানিক আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
১৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ছোট একটি তথ্যবিভ্রাট আছে।রেমিটেন্স(প্রবাসী আয়) ৮ কোটি নয়, ৮ বিলিয়ন ডলার হবে।
২৫ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
লাল দরজা বলেছেন: আপনার তৃতীয় নয়নের পর্য্যবেক্ষন ভালো লাগল, মাঝে সাঝে নানা ভাবে এ বিষয় গুলোর মুখোমুখি হতে হয়। এ পোষ্টটি আমার পর্য্যবেক্ষনে রাখলাম, মাঝে মাঝে চোখ বুলাতে আসবো। আবারো বিষয়টি নিয়ে ভাববার জন্য লিখবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
২৫ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: এই রকম হাজারো সমস্যা আছে আমাদের । আমি হয়তো কয়েকটি দিকের কথা তুলে এনেছি। দেখেন আপনাদের তরফ থেকে নতুন কিছু যোগ করা যায় কিনা।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩
লাল দরজা বলেছেন: আপনার তৃতীয় নয়নের পর্য্যবেক্ষন ভালো লাগল, মাঝে সাঝে নানা ভাবে এ বিষয় গুলোর মুখোমুখি হতে হয়। এ পোষ্টটি আমার পর্য্যবেক্ষনে রাখলাম, মাঝে মাঝে চোখ বুলাতে আসবো। আবারো বিষয়টি নিয়ে ভাববার জন্য লিখবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
২১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৬
শয়তান বলেছেন: সময় এসেছে সঠিক স্থানে সঠিক মাত্রায় প্রবাসীদের বিনিয়োগ ক্ষেত্র তৈরির । আর বৈদেশিক রেমিটেন্সের দুধ দোয়ায়ানো গরুর ভুমিকায় নয় । এগিয়ে আসুন সফল বিনিয়োগকারী রুপে ।
২৫ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: সফল বিয়োনকারী হিসাবে এগিয়ে গিয়ে কি বাঁধা সেটি নিয়ে অন্য কোন একদিন আলোচনার ইচ্ছে আছে।

২২. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪৭
মারুফ আহমেদ বলেছেন: অসাধারন!!!!!!!!!!
ভাই আমিও আপনার মতই প্রবাসী.....( গত ৩মাস ১৭ দিন ধরে)।
আমি MANCHESTER এ থাকি....আপনি কোথায় থাকেন?????
জানালে খুশি হব.....
২৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন এটি।
আবার পড়লাম।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৫১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ