আমার প্রিয় পোস্ট

ভোটের গাড়ী

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৩

শেয়ারঃ
0 0 0

আর মাত্র কয়েক দিন বাকী, দিন বদলের অপেক্ষায় পুরো জাতি। গনমাধ্যমে জনসভায় সমর্থক দেখে অনুমান করা যাচ্ছে না শেষ হাসি কে হাসবেন। প্রচার চলছে গলা ফাটিয়ে , মাইক বাজিয়ে কিংবা ব্যানার পোস্টার দিয়ে , চলছে প্রচার ফেসবুকেও।

সেই প্রচারাভিযানকে অনুস্মরণ করে ছুটে চলেছে গনমাধ্যম কর্মীরাও। ভোটকে ঘিরে নেয়া হয়েছে নানা ধরণের অনুষ্ঠান মালার। চলছে রাত ভর টক শো । জোড়ালো হয়েছে যুদ্ধাপরাধীদের 'না' বলার দাবী।,ভোটের সংবাদের জন্য এনটিভির শাহেদ আলম ছুটেছেন নির্বাচনের পথে পথে আর এটিএন বাংলার জ. ই . মামুন চষে বেড়াচ্ছেন ভোটের গাড়ী নিয়ে। ক্যামেরার কল্যাণে আর প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় মুহূর্তের মধ্যে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত অলিগলির মিছিল মিটিংয়ের সংবাদ উঠে আসছে গনমাধ্যমে।

এই যে এতো এতো মানুষ , আমি অবাক হয়ে দেখি, নির্বাচন নিয়ে মানুষের এতো উৎসাহ !! এই মানুষগুলোকি তাদের নেতা নেত্রী নির্বাচন করে প্রতারিত হবে, নাকি ভোট দিয়ে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখবে ? প্রায় সব কটি গনমাধ্যমকে দেখা যাচ্ছে নেতা নেত্রীদের অনুস্বরণ করে সংবাদ সংগ্রহ করছেন। বিষয়টি এমন যে খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা কিংবা এরশাদের গাড়ী বহর যে দিকে যাচ্ছে গনমাধ্যম কর্মীরাও আরেকটি গাড়ী বহর নিয়ে তাদের অনুস্বরণ করছেন , যেখানেই গাড়ী থামছে পথ সভা হচ্ছে সেখানেই গনমাধ্যম কর্মীর্রাও সেখানে থেমে ক্যামেরায় ভিডিও দৃশ্য ধারণ করছে। কিন্তু এমনকি হয় না, যেখানে গনমাধ্যম কর্মীরা আগে পৌঁছে যাবেন , যেখানে পথ সভা হবে বা জনসভা হবে সেই মানুষ গুলোর সাথে কথা বলেছেন, কিংব নির্বাচনকে ঘিরে সেই এলাকার জনগন কি ভাবছেন যিনি নেত্রী কিংবা জন প্রতিনিধিকে দেখতে মিছিলে কিংবা খোলা ময়দানে গিয়ে বসে থাকছেন না তার অভিমত কি ? অথবা যিনি মিছিলে যাচ্ছেন তার সাথে বিনিময়টা কি হচ্ছে, অভিযোগ রয়েছে মিছিলে যাবার জন্য প্রতি সমর্থক দিন হিসাব করে টাকা পান প্রার্থীর কাছ থেকে। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় সিন্ডিকেট থাকে মানুষ জোগার করার জন্য। জনসভায় বাস দিয়ে মানুষ জড়ো করাই সেই সিন্ডিকেটের কাজ । মোটার সাইকেল কিংবা বাস ভর্তি করে প্রতি গ্রাম মহল্লা ও থানা থেকে লোক জড়ো করে নিয়ে আসা হয় জনসভার জন্য। নির্মম হলেও সত্য এই একই মানুষ শেখ হাসিনার মিছিলেও আসেন আবার খালেদা জিয়ার মিছিলেও যান, দুই বার গেলে দুইবার পয়সা পাওয়া যায়। এই বিষয়গুলো কোন গনমাধ্যম কর্মীকি খুঁজে দেখেছেন ??

প্রত্যেক থানা ও জেলা শহর গুলোতে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন । সাথে থাকবেন দলীয় এজেন্টরাও । ভোটের আগে এই সকল কর্মকতারা কোন চাপের মধ্যে রয়েছেন কিনা, কেউ তাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে কিনা,তাদের সাথে কোন সমঝোতা হচ্ছে কিনা এবিষয়গুলোর প্রতি সর্তক দৃষ্টি রাখাও গনমাধ্যমের কর্মীদের দায়িত্বের বাইরে নয়।

একই সাথে নির্বচনের দিন ভোটার নিয়ে টানা হ্যঁচড়া নতুন ঘটনা নয়।প্রত্যেক প্রার্থীদেন এলাকা ভিত্তিক এজেন্টরা সব ভোটারদেও বাড়ী বাড়ী রিক্সা পাঠিয়ে দেয় , কোথাও গাড়ী যেন ভোটাররা নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসতে পারে। যদিও অনেক ভোট কেন্দ্র পায়ে হাঁটা পথ , তবুও প্রত্যেক এলাকায় প্রার্থীদের কর্মী বাহিনী নিযুক্ত থাকে যেন ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে, আর ঠিক এই সুযোগে ভোটরদেও প্ররোচিত করে। কিংবা ভয় ভীতি দেখিয়ে তাদেও নিদিষ্ট প্রার্থীকে ভোট দিতে বলা হয়। এই বিষয়গুলো অভিযোগ আকারে আসছে । তাই হাজার জনতার ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে রিপোর্টের পাশা পাশি গনমাধ্যম কর্মীদেও এই বিষয়গুলোর সত্যতা অনুসন্ধান করা উচিত।

নির্বাচন কে কেন্দ্র করে কি পরিমান মোটর সাইকেল বিক্রি হয়েছে , কিংবা হঠাৎ করে কমদামী শাড়ী , লুঙ্গি বিক্রী বেড়ে গেলো কিনা এই তথ্য গুলোও খুজে বেড় করা যেতে পারে। চায়ের স্টলগুলোতে রাত ভর আড্ডা আর চা কাপে ধোয়া উড়ে , এই টাকা কি প্রার্থীরা দিচ্ছেন কিনা সেই প্রশ্ন করা যেতে পারে চা বিক্রেতাকে। নির্বাচনী আচরণ বিধীমালায় প্রার্থীদের চা- খাওয়ানো যদিও তুচ্ছ একটি বিষয় কিন্তু সাধারণ মানুষযেন প্ররোচিত হয়ে ভোট না দেয়ার বিষয়গুলোর প্রতি সর্তক দৃষ্টি দেওয়াই মিডিয়ার অন্যতম ভূমিকা। সেই স্টোরিগুলোতো আসছে না বিদ্রোহী প্রার্থীদেও দমনে কতটাকা ব্যয় হলো ? কত টাকার বিনিময়ে বিদ্রোহী প্রাথীরা আসন ছেড়ে দিলেন সতীর্থদের জন্য !


জ.ই মামুন তাঁর ভোটের গাড়ী নিয়ে যখন চট্রগামের পথে তখন গাড়ীর চাকার পাংচার হয়ে গেলো ! ভাবনা কি, স্পেয়ার চাকা ছিলো উনার কাছে। চাকা বদলে আবার নতুন করে তিনি ছুটে চলেছেন গন্তব্যে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বচনে দিন বদলের পথে ভোটারদের কাছে সেই বাড়তি চাকাটা কি তবে 'না' ভোট ?


ছবি কৃতজ্ঞতা : জ.ই মামুন ও শাহেদ আলম।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমার দিনকাল  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৮
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: চারিদিকে ভোট আর জোট ।

তবে নির্বাচনী বৈতরনী পার হবে আ'লীগ জোট।

আ'লীগ জোট পাশ করিলে মোমবাতি জ্বালাব সাম-ইন এ ।

তবে আ'লীগ কে ভোট দিব না ।


২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: নির্বাচনী বৈতরনী পার হবে আ'লীগ জোট ? আপ্নি ক্যমনে বুঝলেন ?? গনক নাকি ??
তবে মোবাত্তি বড়ই সৌন্দয্য।

২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৪
মিলটন বলেছেন: ভালো লিখেছেন। অনেক গুলো মেসেজ একসাথে দিয়েছে।

আসলে একেবারে চাইলেই আমরা হয়ত সব পাবো না। কারণ আমাদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা এখন কিশোর পর্যায়ে। পরিপূর্ণ হয়নি। একই মানুষ বিভিন্ন সভা ও মিছিলে অংশ নিচ্ছে এটা হয়ত সবাই জানে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি এই বোধ হয়ত মানুষের মাঝে তৈরী হবে না। আরো সময় লাগবে।

আসলে আমরা তো অশিক্ষিত ও ক্ষুধাপীড়িত। তাই হয়ত যারা এগুলো করছে তারা নিতান্তই পেটের দায়ে এগুলো করছে। এটা দুরীভুত হতে আশা করি আরো সময় লাগবে। তবে এটা তো আশা কথা মানুষের মাঝে বোধ আসা শুরু করেছে মনে হয়। এ ধারা অব্যহত থাকুক এই কামনা করি।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: স্বাধীনতার পর থেকে হিসাব না করে বরং ৯০ এর পর থেকেই যদি গুনি গনতন্ত্র আর কিশোর থাকলো কই ...??
গনতন্ত্র তো ১৯ বছরের টগবগে তরুণ ।

৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এবার হয়ত লুঙ্গী, শাড়ি বা টাকার খেলা কমই হবে। ততটা সময় পাচ্ছেননা নির্বাচনে যারা অংশ নিচ্ছেন তারা। আর ইদানিং যেসকল নির্বাচনী জনসভা হচ্ছে সেগুলোও আগের মত ঢালাও টাকা বাহিনী দিয়ে হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। কেননা এবারকার জনসভা গুলো ছোট আকারের হচ্ছে। বড় আকারের জনসভায় সাধারনত আশপাশের এলাকা, থানা থেকে বাস ভর্তি লোক নিয়ে আসা হয়।


একটা কথা, বাংলাদেশের নির্বাচনী আমেজকে হঠাৎ করে আসলে পরিবর্তন করা যাবে না। চা খাওয়া, পাড়ার মোড়ের নির্বাচনী অফিসগুলোতে কি পরিমান খরচ করা হচ্ছে তার হিসাব বা একে আটকাতে যাওয়া আসলে হুট করে করা যাবে না। এটি দেশের কালচারের অংশ হয়ে গেছে।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: পাড়ার নির্বাচনী অফিসগুলোতে কতটাকা খরচ হচ্ছে বা চা খাওয়ার টাকা দেয়া হচ্ছে ভোটের জন্য ভোটারদের প্ররোচিত করার জন্য এই কালচার বন্ধ করতে হলে তো এই কথাগুলো গনমাধ্যমে উঠে আসতে হবে। সেই কাজটাই শুরু করার কথা বলছি। আপনাকে ধন্যবাদ।

৪. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৬
মিলটন বলেছেন: ১৯ বছরের টগবগে তরুন হলেও তার মনের বিকাশ কিন্তু ঘটেনি এটা তো সত্য। সেদিক থেকে চিন্তা করতে গেলেতো "শিশু" বলা উচিত। কিশোর বলা মনে হয় আমার উচিত হয়নি। তাইনা? ")
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন: তরুন কে কিশোর কিংবা শিশু বানিয়ে রাখার মধ্যে বীরত্ব নাই । বরং গনন্ত্রের বিকাশের পথে বাঁধা দূর করে তরুণকে তরুণ বলতে পারার পথ তৈরী করতে হবে।

৫. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হুমম...
নির্বাচনে খরচ কি জিনিস বুঝেছি ২০০১ সালে আমাদের আসনের নির্বাচনে। হবিগন্জ সদর থেকে মরহুম শাহ এম এস কিবরিয়া নির্বাচন করেছিলেন।
এর আগে হবিগন্জের আসন থেকে নির্বাচনে এত টাকা খরচ হয় নি। প্রতি মিছিলের পরে সাদা খামে ভরে একশ টাকা দেয়া হত। তরুন ভলান্টিয়ারদের হাতে বান্ডিল বান্ডিল খাম দেয়া হত মিছিলে অংশ নেয়া মানুষের কাছে টাকা বন্টন করার জন্য। তা নির্বাচনী অফিসের দায়িত্ব নিয়ে অনেক লাখপতি হয়ে গেছে। হাজার হাজার টিশার্ট বিলি হয়েছে।

৩ থেকে ৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল তার নির্বাচনে। এত বিশাল খরচ করলে আসলেই সমস্যা। কেননা প্রতিদ্বন্দির এত টাকা না থাকলে সে খরচ করবে কই থেকে?

সেদিক থেকে আসলেই ঠিক আছে এসব বন্ধ করা।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: এইতো ঝাইরা কাশলেন, আমার লেখার মূল সূরটা ধরতে পেরেছেন। আমি এই স্টোরি গুলোর কথা বলছি। আমাদের বাঘা বাঘা সাংবাদিকরা কেন এই স্টোরিগুলো তুলে আনছেন না। এই নির্বাচনে এই সংস্কৃতির বন্ধ না হলেও এই সত্যগুলো প্রচার হওয়াতো জরুরী। কোন টিভি ক্যমেরায় কি একটা দুইটা সাদা খাম ধরা পড়ে না ??

৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৫
মিলটন বলেছেন: এখানে আমার আপনার হাতে যে চাবি আছে সেটা নিয়ে নিজেকে বীর ভাবার কোন কারণ নাই। কারণ সব চাবির মাষ্টার কপিটা আমরা আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের হাতে তুলে দিয়েছি। ওরা যেমন পারছে তেমন ব্যাবহার করছে। আমরা শুধু কথা বলে মাঠই করতে পারি। কিন্তু নাগরিক হিসাবে আমাদের যা দায়িত্ব সেটা আমরা কখনই ঠিক ভাবে পালন করি না বলেই আজ এতটা বছরে গণতন্ত্রের সঠিক বিকাশ ঘটেনি। আমাদের ইচ্ছা শক্তির অভাব রয়েছে যথেষ্ট। আমরা তো স্বাধীনতার এতটা বছর পার হয়ে গেলেও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারছি না। যে যার মত করে বলছে। কারটা গ্রহনযোগ্য। আমরা তো স্বাধীনতার পরের প্রজন্ম।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৮

লেখক বলেছেন: সাধারণ মানুষের দায়িত্ববোধ নিয়ে লেখাটা লিখি নাই। পুরো লেখাটার উপজিব্যই ছিলো গনমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে। যারা মাষ্টার কপি বানায়। তাদের কথাই বলছি।

৭. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সাদা খাম ধরা পড়ল না কেন?
কেননা সব সাংবাদিকের বাসাও সাদা খামের মোটা বান্ডিল গেছে।

পত্রিকায় অনুদান গেছে। বিশাল টাকা উৎসব ছিল সেটা। দুতিনজন ছোটখাট পর্যায়ের লোকান নেতা তো সেই নির্বাচনে লাখপতি হয়ে গিয়েছিলেন। কলেজে সেকেন্ড ইয়ারে পড়া ছেলেটিও তার হাতে সাদা খামের বান্ডিল পেয়েছে তার সাথে নিয়ে আসা অন্যান্য ছাত্রদের দেবার জন্য। সে হয়ত সাথে এনেছে ২০ জন, বান্ডিল নিয়েছে ২০০টি।

পুরা উৎসব ছিল রে ভাই। নিজের চোখে দেখেছি। কিন্তু সাংবাদিকরা দেখেন নি।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন: বসে থাকলাম .....দেখি ঢাকার কোন সাংবাদিক আপনার এই মন্তব্যের উত্তর দেন কিনা।

৮. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৪
রাফা বলেছেন: আমরা ভোটার -দের অন্তরের কথাই জানতে চাই।কোন শো -ডাউন দেখতে চাই না।শো-ডোউনের রাজনিতীর অবসান চাই।ধন্যবাদ
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: এক্ষেত্রে 'ভোটের গাড়ী' কিংবা 'নির্বাচনের পথে পথে'র মাধ্যমে এটিএন বাংলা ও এনটিভি বেশ কিছু ভালো রিপোর্ট পরিবেশন করছে। মুন্নি সাহার রিপোটে যেমন উঠে এসেছে যৌণ কর্মীদের কথা, শাহেদ আলম যেমন তুলে এনেছেন মাইক ব্যবসার দূর্দশা আর সুতলির সম্ভাবনার কথা। তেমনি আহরার হোসেন তুলে এনেছেন চা শ্রমিকদের কথা। প্রিন্ট মিডিয়ায় এসব অনুসন্ধানী রিপোর্টের সুযোগ বেশী। তাদের এই বিষয়টি আরো গুরুত্ব দিয়ে বিস্তারিত রিপোর্টের প্রয়োজন বোধ করছি।

৯. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: চা শ্রমিক।

একটা কথা মনে পড়ল। আমাদের এখানে তো সব চা বাগান। তারা প্রায় সবাই নৌকায় ভোট দেয়। নৌকার ভোট ব্যাংক। নৌকার প্রার্থীরা তাদের নগদ কিছূ অর্থ আর পানীয় দেয় ভৌটের দিনের সময়গুলোতে। আর ধানের শীষ পার্টি চা শ্রমিকদের চিন্তা ধারা এলোমোলে করতে ড্রাম ড্রাম বাংলা মদ দিয়ে আসে নির্বাচনের শেষ দিনে। আর বলে আসে ধানের শীষে ভোট দিতে, তাদের আশা থাকে অন্তত মাতাল হয়ে এরা নৌকায় ভোট না দিয়ে ধানের শীষে দিবে, অথবা এমনই মাতাল হবে যে ভোট সেন্টারে যেতেই পারবে না।

তবে কাজ হয় না খুব একটা । সারারাত পেটপুরে মদ খেয়েও চা শ্রমিকরা নৌকাতেই ভোট দেয় :)

তবে আমাদের এলাকায় অতি স্বাভাবিক এ ঘটনাটিও মনে হয় কোন কালে কোন মিডিয়াতে আসেনি।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৯২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ