আমার প্রিয় পোস্ট
- ছবি থেকে মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় অংশ - হাসান জোবায়ের
- Nasca Lines: পেরুর রহস্যময় ন্যাযকা সভ্যতা এবং তাদের ততোধিক রহস্যময় ভূ-চিত্রগুলি - হোরাস্
ইন্টারনেটে ফ্রি বাংলা TV চ্যানেল সহ আরও অন্যান্য চ্যানেল দেখতে চান, তা হলে পোষ্ট টি আপনার জন্য।
- বোরহান উদদীন
- "“আমার খুব পছন্দের একজন Actor 'Adam Sandler' এবং অভিনীত প্রিয় ১৮টি মুভির রিভিউ”" - নাফিজ মুনতাসির
- হ্যালোউইন (Halloween) - বীরেনদ্র
- মাসুদ রানার বই অবলম্বনে ৫০ টি মুভি । MR-9 এর ফ্যানরা, এখন ভিজুয়ালে পাবে রানার স্বাদ। । - দিপ
- মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং স্রষ্টার অস্তিত্ব (পর্ব১০) - মেহেদী আনোয়ার
- ইনকাদের সেই হারিয়ে যাওয়া শহর - সহজ সরল মানুষ
- এইডস! এর সব পোস্টার-এর মেগা কালেকশনসহ ইতিহাস (সবাই পড়তে পারেন ) - অনির্বাণ রায়।
- 'Film Noir' কি ? ১৫০ এর বেশি 'Film Noir' মুভি

কোনটা দেখেছেন মিলিয়ে নিন।
কোনটা দেখেননি ডাউনলোড
দিন!!!! - দিপ
- ৭০০ বাংলা বই ডাউনলোড করুন রেজিষ্ট্রেশন ছাড়াই - বই পাগল
- !টেকি পোস্ট! পেন ড্রাইভ থেকে উইন্ডোজ ইন্সটল দিন খুব সহজে - রুসাফী আলম
- আনিসুল হকের ১৪টি বই পড়ুন - বই পাগল
- একটি সফল বানিজ্যিক রহস্য - বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল - ত্রিভুজ
- ***গেমস*** কচ্ছপ গতির নেট ব্যবহারকারীদের জন্য নয়!!! - মোঃ তৈমুর রেজা
- চোখের পলকে আপনার 2D ফটোকে রুপান্তর করুন 3D ছবিতে+জেনে নিন 3D চশমা বানানোর পদ্ধতি!

- হাসান জোবায়ের
- একা একা লাগে ভ্যালেন্টাইনস ডে তে ?মেয়ে পটাতে চান?তাহলে দেখুন তো এই টিপস গুলো কাজে লাগাতে পারেন কিনা ! 18- ও ইভটিজারদের প্রবেশ নিষেধ। - পুশকিন
- Windows Keyboard Shortcuts for Mozilla Firefox - শরীফ মরকার
- বিড়াল: প্রাচীন মিশরে - ইমন জুবায়ের
- ১০০ বছর আগে ঢাকার কিছু দুর্লভ ছবি (ছবি ব্লগ)। - বাহারুল ইসলাম বাহার
- বুখারী শরীফ পূর্ন ডাউেলাড - আবু ইউসুফ সুমন
- মিডিয়াফায়ার লিঙ্কে ডাউনলোড করুন জনপ্রিয় ২৫০ টি হাই কোয়ালিটি “ইংলিশ মিউজিক ভিডিও”… এবং ২০০ টি “ইংলিশ এ্যাকশন মুভি” !!!
- না বি ল
- ফ্রি এসএমএস পাঠান পথিবীর যেকোন মোবাইলে যতখুশি ইচ্ছা, আপনার মোবাইল থেকে কিংবা কম্পিউটার থেকে... - জবরুল আলম সুমন
- অনলাইন বাংলা-ইংরেজী অভিধান (সংসদ) - বায়েজীদ
- বাংলা আইনের বই এবং বাংলাদেশের সংবিধানটি দরকার।নেট এ কই পাব।দয়া করে জানালে উপকৃত হব। - নিলআকাশেরদুঃখ
- ✓ বাংলা নাটক, গান ডাওনলোডের ভাল সাইটগুলো ♪♠☺ - হাশেম
- মাত্র ১০ মেগাবাইটে ডাউনলোড করুন ১৬৫ টি ছোট্ট ও কাজের সফটয়্যার !!! - না বি ল
- • ম্যাজিক !!! সাদা-কালো ছবিকে রঙ্গিন করুন মাত্র ৩ মেগাবাইটের সফটয়্যার দিয়ে… - না বি ল
- কৌতুক [ শুধু ১৮+ অন্যরা প্রবেশ নিষেধ ] - এমটিএ৫৬৭
- আমার প্রিয় কিছু ১৮+ জোক্স (শেষ পর্ব) - কোর আই সেভেন
- বস আসবার আগেই দেখে নিন কিছু চমতকার এনিমেশন! - বুড়ো
- কিছু বিশ্ববিখ্যাত ও সুন্দর চলচিত্র যা সবার দেখা উচিত-আমার সংগ্রহশালা:১ - মনপবন
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- এ্যাকশন মুভি বিষয়:সেরা দশ(মিডিয়াফায়ার লিংকসহ)। এগুলি না দেখলেন তো আর কি দেখলেন - আদনান_ফিরদাউস
- প্রিয়তমা ঠোঁট পেতে দাও, আমি আর কিছুই চাইনা - সোমহেপি
- ই-বুক কালেকশনঃ পর্ব-৯ --[শুধুমাত্র ১৮+ দের জন্য] - বিডি আইডল
- জাফর ইকবাল স্যারের যত বই, প্রায় ৬৪টি বই ডাউনলোড করুন এদম ফ্রী - বখতিয়ার হোসেন
- ফেরদৌসির শাহনামা: ইসলামপূর্ব পারস্যের লোককথা এবং ইতিহাস-১মপর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- নারী নিয়ে হুমায়ুন আজাদের পরিশ্রমসাধ্য কাজকে যারা অনুকরন বা নকল বলে তাচ্ছিল্য করছেন তাঁদের প্রতি জিজ্ঞাসা - দস্যু বনহুর
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ, সবগুলি(২০০)প্রবচন একসাথে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- মুভির ইতিহাসে সবচেয়ে লাভজনক মুভিঃ Deep Throat (১৮+) - বিডি আইডল
- আমার পছন্দের সেরা কিছু মুভির রিভিউ ............ (পর্ব- ৩ ) ( ডাউনলোড লিঙ্ক সহ ) - নিশাচর ছেলে
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- ফ্রি PC TOOLS INTERNET SECURITY ১ বছরের লাইসেন্স ! ! ! - আরিফ বল্গ
- রারীন্দ্র প্রকর্ষ ফটোগ্রাফি (না দেখলে মিস্ করবেন!) - তানভীর চৌধুরী পিয়েল
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- বারকোড তৈরি করুন আপনার নিজের নামে !!!
- তারেকবিডি
- কাপাকাপি একটা ডেস্কটপ থিম - ডট কম ০০৯
- নবীনদের জন্য - নাদান
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- গুগল ইমেজ ডাউনলোডার - ছবি পাগল এবং সংগ্রাহকদের জন্য একটি কার্যকরী সফটওয়্যার।
- নির্ভয় নির্ঝর
- ঈদের জন্যে এসএমএস সমগ্র... - বৃষ্টি এবং নীলা
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- প্রিয় মুভির লিষ্ট - শূন্য আরণ্যক
- এই ওয়েস্টার্ন মুভি গুলো দেখেছেন কি ???????? - বন্ধু কই কৈ
- অতি জরুরী সাহায্য চাই- পোস্ট...HTML, XHTML, and CSS বইটা দরকার - শিবলী
- আপনার ভিএলসি প্লেয়ারে শুনতে থাকুন ২৪ ঘণ্টা বাংলা গান - মুছাব্বির
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- এদুয়ার্দ মানে: আধুনিক চিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ - ইমন জুবায়ের
- শব্দ-রাজ্যে অভিযান (৪): Accolade - ম্যাভেরিক
- গাথাসপ্তশতী: সতের ’শ বছর আগেকার প্রেম ও অপ্রেম - ইমন জুবায়ের
ক্রীতদাস, সভ্যতার অন্ধকার
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২২
ক্রীতদাস। নামটি শুনলেই মনে আসে শিকলে বাঁধা, ক্ষুধার্ত, অত্যাচারিত একদল মানুষের মুখ। কিন্তু বাস্তবের চিত্রটি মোটেও সহজ নয় এত। অত্যাচার এবং অসভ্যতার চূড়ান্ত নিদর্শন এই ক্রীতদাস প্রথার সত্যিকারের ভয়াবহ রুপটি শুধু লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মানুষের আর্তনাদ, কান্না আর অচিন্তনীয় কষ্টের এই ইতিহাস শুধু জানবার নয়, অনুভবেরও। ক্রীতদাসদের কাহিনী শুনলে যে কারও মনে প্রশ্ন জাগবে, আমরা কি মানুষ? এই কি সভ্যতা?
ক্রীতদাস প্রথার ইতিহাস অতি প্রাচীন। যতদূর জানা যায়, খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ থেকে ৩০০০ সালে মেসোপটেমিয়ায় প্রথম ক্রীতদাস প্রথার চালু। তারও হাজার খানেক বছর পর থেকে এই প্রথা ছড়িয়ে পড়ে মিশর আর ভারতে। তারও অনেক অনেক পরে চীনে জাঁকিয়ে বসে অমানবিক এই প্রথা । ৮০০ থেকে ৭০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিসে এবং ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমে শুরু হয় ক্রীতদাস প্রথার যে চিত্রটির সাথে আমরা সাধারণভাবে পরিচিত তার জয়যাত্রা। এ যেন সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে অসভ্যতার আর অমানবিকতার শীর্ষে উঠবার প্রক্রিয়া। এভাবে প্রায় পুরো বিশ্বজুড়েই ছড়িয়ে পড়ে ক্রীতদাস প্রথা। ওদের কান্না ধ্বনিত হতে থাকে সবখানে, সবসময়। ক্রীতদাস প্রথার প্রথমদিকে এর বিস্তার ছিল কম। উৎপাদনের মূল চালিকা তখনও হয়ে ওঠেনি ক্রীতদাসেরা, দাস বেচাকেনার ব্যবসাটিও শুরু হয়েছে অনেক পরে। কিন্তু মানুষ বরাবরই ভীষণ ‘বুদ্ধিমান’-অমানবিকতার নতুন নতুন কৌশল শিখে নিতে একটুও দেরি হয়নি আমাদের ।
১৪৯৪ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস পাঁচশো রেডইন্ডিয়ানকে দাস করে পাঠিয়েছিলেন স্পেনের রানী ইসাবেলাকে। ওদের বদলে চেয়েছিলেন শূকর! রানী ইসাবেলা ছিলেন অবশ্য কোমল মনের মানুষ। তিনি এহেন প্রস্তাবে রাজি হননি, ক্রীতদাসদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাবার ব্যবস্থা করেছিলেন। ১৭০০ সালে গিনিতে স্পেন আর পর্তুগালরা তো রীতিমত কোম্পানি খুলে বসেছিল, আমেরিকান আর ক্যারাবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে বছরে দশ হাজার টন দাস সরবরাহ করবে বলে! মানুষও মাপা হত টনে, নিতান্তই সাধারণ মালপত্রের মত। ১৬৮০ থেকে শুরু করে মাত্র কুড়ি বছরে ইংরেজরা কমসে কম ১,৪০,০০০ মানুষকে রুপান্তরিত করেছিল দাসে। এই সময়কালে অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও নিয়োজিত ছিল লাভজনক এই ব্যবসায়। তারাও দাসে পরিণত করেছিল ১.৬০.০০০ মানুষকে। চালাক-চতুর ব্যবসায়ীরা সে সময় আফ্রিকায় গিয়ে সহজ-সরল মানুষদের প্রতারিত করত। আফ্রিকার নানান গোত্রের দলপতিকে তারা দাওয়াত দিয়ে করত ব্যাপক আপ্যায়ন। দিত নানান উপহার। এ সব পেয়ে সব ভুলে নিজ গোত্রের মানুষদেরই ত্রীতদাস বানাতে সহায়তা করত ওই দলপতি। প্রাচীন রোমে তো রীতিমত আইনই করা হয়েছিল যে দাসদের বিক্রি করা যাবে ইচ্ছে মত! পরিসংখ্যান মতে ১৮৬০ সালে দক্ষিণ আমেরিকায় জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশই ছিল ক্রীতদাস। নিজ সমাজ, গোত্র বা ধর্ম সবকিছু নির্বিচারে মানুষ মানুষকে পরিণত করেছে দাসে। দাস ব্যবসা হয়েছে রমরমা। সোনার খোঁজে রেড ইন্ডিয়ানদের কাজে লাগানো হয়েছিল দাস হিসাবে। দুর্ভাগা দাসেরা অবশ্য বিনা প্রতিবাদে মেনে নেয়নি ওই অত্যাচার, তারা বিদ্রোহ করেছিল। এরপর ১৪৯৫ সালে কলম্বাস কঠোর হাতে দমন করেছিলেন ওই বিদ্রোহ, রক্তে লাল হয়ে উঠেছিল ওই অঞ্চল। আফ্রিকার উপকূলের পাশাপাশি দাস বিক্রির হাট বসত ব্রিটিশ বন্দরেও। ব্যবসা ছিল লাভজনক। উইলিয়াম থিমে নামক এক ব্যবসায়ীর জবানে জানা যায় ১৬১৭ সালে তিনি একাই চালান দিয়েছিলেন ৮৪০ জন দাস। এই দাসদের কেউ কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ ছিলনা, ছিল শ্বেতাঙ্গ। যুদ্ধবন্দীরা তো চিরকাল ধরেই নিগৃহীত, দাস হিসাবেও তাদের ব্যবহার ছিল যেন অবশ্যম্ভাবী। ১৬৫২ সালে ডানবার যুদ্ধে স্কটিশ বন্দীদের মধ্যে ২৭০ জনকে বিক্রি করে দেওয়া হয় বোস্টনে। দাসদের মধ্যে সাদা-কালোর বালাই তখন উঠে গিয়েছিল। যেখানেই মুনাফা সেখানেই হাত বাড়াত লোভী ব্যবসায়ীরা। কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ ভেদাভেদ করে কি হবে।
১৭৫০ থেকে ১৭৫৫। এই পাঁচ বছরে এক নিউ ইয়র্কেই নাকি জাহাজ থেকে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল রোগে-শোকে অত্যাচারে মৃত দু’হাজার শ্বেতাঙ্গ দাসের দেহ। মৃতদেহই যদি হয় দু’হাজার, দাসের সংখ্যা যে কত ছিল সে কথা ভাবতেও ভয় করে। যুক্তরাষ্ট্রের খবরের কাগজগুলোতে প্রকাশিত হত দাস বিষয়ক নানান বিজ্ঞাপন। ১৭১৪ সালে প্রকাশিত হয় একটি বিজ্ঞাপন। যাতে বলা ছিল- ‘ক’জন আইরিশ দাসী আর নিগ্রো বালক বিক্রি হবে!’ তারপর দেওয়া ছিল যোগাযোগ করবার ঠিকানা। ১৭৪৯ সালে বেরিয়েছিল একটি নিখোঁজ সংবাদ। বিজ্ঞাপনটিতে বলা হয়-‘আইজাক ক্রমওয়েল নামে একজন নিগ্রো দাস আর একজন শ্বেতাঙ্গিনী দাসী গ্রীসে পালিয়ে গেছে, কেউ সন্ধান দিতে পারলে দেওয়া হবে পাঁচ পাউন্ড পুরস্কার’। চড়া দামে বিক্রী হত ক্রীতদাস। সিজারের আমলে একজন দাসের দাম ছিল দশ পাউন্ড। আর সে যদি হয় সুন্দরী মেয়ে তা হলে দাম বাড়ত হু-হু করে। একশো পাউন্ড মূল্যেও বিক্রি হত সুন্দরী মেয়ে। তা সত্ত্বেও ধনী আর অভিজাত লোকেদের কমতি ছিল না দাসের। ইতালিতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ তে মোট জনসংখ্যার ১৫ ভাগই ছিল ক্রীতদাস। এই সংখ্যা বাড়তে থাকে দিন দিন। খ্রিস্টপূর্ব ১০০ অব্দে দেখা গেল দেশের অর্ধেক মানুষই ক্রীতদাস। ক্লডিয়াসের আমলে দাসের সংখ্যা যেখানে ২,০০,৮৩,০০০, সেখানে স্বাধীন মানুষের সংখ্যা মাত্র ৬৯,৪৪,০০০।
১৮০৮ সালের দিকে ,দাস ব্যবসা নিষিদ্ধ ঘোষিত হয় বহুদেশে । কিন্তু তাতে কী, চোরাবাজারে হরদম বেচাকেনা হতে থাকে। দাসের চালান আসত জাহাজের খোলে ভরে । যাত্রার আগে দাসদের সবাইকে খোল থেকে বাইরে এনে মেয়ে-পুরুষ নির্বিশেষে দাড় করানো হত উলঙ্গ করে। তারপর মাথা মুড়িয়ে, লবণ মেশানো পানিতে শরীর ধুইয়ে বসানো হত খেতে। যৎসামান্য খাবার। এরপর বুকে সিলমোহর গরম করে ছ্যাঁকা দিয়ে বসিয়ে দেওয়া হত বিশেষ চিহ্ন। বিক্রি হয়ে যাবার পর দাসের মালিক আরও একটি চিহ্ন বসাবেন কপালে, একই পদ্ধতিতে, তপ্ত সিলমোহর কপালে বসিয়ে। এভাবে অব্যক্ত যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে মানুষের গায়ে খচিত হত ক্রীতদাসের চিহ্ন। এরপর একজনের পা আর একজনের পায়ে বেঁধে সারি সারি ফেলে রাখা হত ক্রীতদাসদের । শিকলের আরেক প্রান্ত বাঁধা থাকত জাহাজের দেয়ালে, নড়াচড়ার উপায় ছিল না একফোঁটা। দিনে দু’বার দেওয়া হত সামান্য খাবার আর পানি । সামান্যতম প্রতিবাদ করবার চেষ্টা করলেই গায়ে পড়ত নির্মম চাবুক। সপ্তাহে একদিন লোক আসত দাসদের নখ কেটে দিতে। কেউ যাতে নিজেদের মধ্যে মারামারি করে মরতে না পারে কিংবা ধারাল নখ দিয়ে শিরা কেটে আত্মহত্যা করতে না পারে। মৃত্যু তো রুখতেই হবে, কারণ দাস মানেই কাঁচা পয়সা, দাসের মৃত্যু মানেই লোকসান । জাহাজের খোলগুলো ছিল মাত্র দু’ফুট উঁচু। তার ভিতর অবিশ্বাস্য ভাবে গাদাগাদি করে থাকতে হত ক্রীতদাসদের । ১৮৪৭ সালে ‘মারিয়া’ নামের একটি জাহাজের পঞ্চাশ ফুট দীর্ঘ আর পঁচিশ ফুট চওড়া একটি খোলে পাওয়া গিয়েছিল ২৩৭ জন দাস। ‘ব্র“কস’ জাহাজের একশো ফুট লম্বা আর পঁচিশ ফুট চওড়া একটি খোলে ঢোকানো হয়েছিল ৬০৯ জন দাস। ব্র“কস-এর ক্যাপ্টেন খোলের ভিতর বসিয়েছিলেন আরও একটি তক্তা, তাতে দু’ফুট উঁচু খোলে ধরানো হয়েছিল দু’প্রস্থ মানুষ। সোজা হয়ে শোয়া তো দূরের কথা, পাশ ফিরবারও উপায় ছিল না কোনও। এভাবে ব্র“কস-এর দাসদের থাকতে হয়েছিল টানা দশ সপ্তাহ । মল-মূত্র-কফ-থুথু-বমি সব জড়ো হত ওখানেই। দোযখ কী একেই বলে?
এমন অনাচার সহ্য না করতে পেরে অনেক সময়ই আত্মহত্যা করতে চাইত ক্রীতদাসেরা। তারা খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিত মরবে বলে । কিন্তু এত সহজে তো লোকসান দিতে রাজি নয় জাহাজের ক্যাপ্টেন। তাই প্রত্যেক জাহাজেই রাখা হত বিশেষ একটি যন্ত্র, যার সাহায্যে দাসের ঠোঁট কেটে দাঁত ভেঙে পেটে নল ঢুকিয়ে খাইয়ে খাইয়ে বাঁচিয়ে রাখা হত তাদেরকে। একবার এক শিশু দাস কোনমতেই খেতে রাজি না হওয়ায় চাবুক মেরে হত্যা করা হয় তাকে। তারপর ওই শিশুর মাকে বাধ্য করা হয় সন্তানের মৃতদেহটিকে সাগরের বুকে নিক্ষেপ করতে। শাস্তি দেবার জন্য খোলের ভিতর বন্দী দাসেদের শরীরে নল দিয়ে ছিটিয়ে দেওয়া হত ফুটন্ত পানি। ১৮৪৪ সালে ‘কেন্টাকি’ জাহাজের দাসেরা বিদ্রোহ করলে নির্মম ভাবে দমন করা হয় ওই বিদ্রোহ। কাউকে গলায় দড়ি দিয়ে, কাউকে গুলি করে মেরে কিংবা জীবন্ত অবস্থাতেই স্রেফ সাগরের পানিতে ছুঁড়ে ফেলে। এমনতর কাহিনীর যেন শেষ নেই কোনও। ‘ব্রিলান্ত’ জাহাজের ক্যাপ্টেন হোমানস দাস ব্যবসা করত লুকিয়ে-চুরিয়ে। কেননা তখন দাস ব্যবসাকে করা হয়েছে বে-আইনী। এমনই এক চালানের সময় তার জাহাজের পিছু নিল ব্রিটিশ নৌবাহিনীর চারটি জাহাজ। হোমানস দেখল মহা বিপদ, তার জাহাজের খোল ভর্তি ক্রীতদাস, ধরা পড়লে তো আর রক্ষা নেই। বিপদ থেকে রক্ষা পাবার জন্য যে কাণ্ডটি ঘটাল ক্যাপ্টেন হোমানস, ইতিহাসে নির্মম ঘটনার তালিকা তৈরি করলে সেটি নিঃসন্দেহে এগিয়ে থাকবে সামনের দিকে। ৬০০ জন দাসকে পরপর মালার মত বাঁধলেন একে অন্যের সাথে, তারপর জাহাজের সবগুলো বড়বড় নোঙর বেঁধে তাদেরকে ডুবিয়ে দেওয়া হলো সাগরের পানিতে। নৌ-বাহিনীর লোকেরা জাহাজ পরীক্ষা করে ফিরে গেল সন্তুষ্ট হয়ে-নাহ! ওই জাহাজে কোন ক্রীতদাস নেই! পেছনে পরে রইল ৬০০ মৃত মানুষের মালা। তবে, নানান সময়ে বিদ্রোহ করেছে ক্রীতদাসেরা। সিসিলি দ্বীপের ইউনোস আর ক্লেওন-এর বিদ্রোহ, চীনের ‘লালভ্র“ বিদ্রোহ’, ইতালির স্পার্টাকাসের রুখে দাড়ানো-এমনতর নানা বিপ্লবের কথা ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। এমনকী আমাদের সবার চেনা নাম ‘রাজিয়া’ যার পুরো নাম রাজিয়াতউদ্দিন, তিনি অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন দিল্লীর মসনদে। দিল্লীর মসনদে প্রথম মহিলা তিনি। এই সুলতানা রাজিয়ার পিতা ছিলেন একজন ক্রীতদাস। ইলতুতমিস। ইলতুতমিসের পূর্বসুরি কুতুবউদ্দিন আইবেকও ছিলেন একজন ক্রীতদাস, যিনিও বসেছিলেন দিল্লীর মসনদে।
১৭৫৩ সালে কৃষ্ণাঙ্গ দাসদের মূল্য ছিল গড়ে পঁয়ত্রিশ পাউন্ড। ১৭৮৬ সালে লিভারপুলের একটি কোম্পানির ৩১,৬৯০ জন দাসকে বিক্রি করে লাভ হয়েছিল ২, ৯৮,৪৬২ পাউন্ড। দাম দিন দিন বাড়তে থাকে দাসদের। ১৭৮০ সালে দক্ষিণ আমেরিকায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ ক্রীতদাসের দাম ছিল যেখানে দু’শো ডলার, সেটি ১৮১৮ সালে হয়ে দাঁড়ায় এক হাজার ডলার, ১৮৬০ সালে দাম বেড়ে হয় আঠারোশো ডলার। এহেন লাভজনক ব্যবসা কেই বা হেলায় হারাতে চায়। এজন্য ১৫১৯ থেকে ১৮০৭ সাল পর্যন্ত আমেরিকার উপনিবেশগুলোতে আফ্রিকা থেকে দাস আনা হয়েছে কমসে কম ৫০,০০,০০০। মানুষ বেচাকেনার জন্য হাট-ও তো চাই। এথেন্স, রোমের পাশাপাশি দিল্লী, গোয়া, কলকাতা, হুগলীতেও বসত ক্রীতদাসের হাট। দিল্লীতে যখন চোদ্দ সের গমের দাম তিন আনা, তখন একজন ক্রীতদাস শ্রমিকের দাম ছিল দশ-পনের টাকা। দাস যদি হয় শিক্ষিত-সুদর্শন বালক তা হলে তার মূল্য কুড়ি টাকা। রুপসী মেয়ে দাসের দাম বেশি, কুড়ি থেকে চৌত্রিশ টাকা। দারিদ্রের চাপে পড়ে কিংবা ঋণ শুধতে না পেরে অনেকে তাদের নিজেদের বিক্রি করে দিত দাস হিসাবে। ১৮৬২ সালের হিসাবে আসামে ছিল ২৭,০০০ দাস, চট্টগ্রামে ছিল ১,২৫,০০০ দাস। দাম ছিল গড়ে কুড়ি টাকা। এ অঞ্চলের বেশির ভাগ দাস ছিল এখানকারই নিজস্ব অধিবাসী। কিছু বিদেশী ক্রীতদাসও আসত। কলকাতাতে প্রতিবছর আসত প্রায় ১০০ ভিনদেশী দাস। ১৮৩০ সালের এক সংবাদপত্রের প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায় যে অযোধ্যঅর নবাব চড়া দামে কিনেছিলেন ৫ জন সুন্দরী বিদেশী মেয়ে আর ৭ জন ভিনদেশী পুরুষ। দাম পড়েছিল কুড়ি হাজার টাকা। ১৭৮০ সালে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপনে লেখা হয়েছিল -‘কলকাতা নিবাসী এক ভদ্রলোকের জন্য দু’টি তাম্র বর্ণের সুন্দরী আফ্রিকান রমণী চাই’। পলাতক ক্রীতদাস ধরে দেবার জন্য পুরস্কার ঘোষণারও নজির রয়েছে অনেক। ওয়ারেন হেস্টিংস সাহেব তো রীতিমত নিয়ম করে দিয়েছিলেন যে কোন দাস কিনবার সময় আদালতে রেজিস্ট্রি করাতে হবে। কলকাতয় এই ফি ছিল প্রতি দাস প্রতি ৪ টাকা ৪ আনা। এই অঞ্চলের বেশির ভাগ দাসই হয় দুর্ভিক্ষের কারণে নিজেদের বিক্রি করে দিয়েছিল অথবা ছিল নিচু শ্রেণীর মানুষ, কিংবা ছেলে ধরার হাতে ধরা পড়া বাচ্চারা। বাংলার সুলতানেরা অবশ্য আফ্রিকা, তুর্কিস্তান, পারস্য আর চীন থেকেও কিনে আনাতেন দাস। ১৮৩০-এর সশকের শেষভাগে আফ্রিকা থেকে আনা ‘হাবসী’ আর ‘কাফ্রি’ ক্রীতদাসদের দাম ছিল সবচেয়ে বেশি । হিন্দু সমাজে টাকা দিয়ে কেনা দাসদের ডাকা হত ‘ক্রীতদাস’ বা ‘দাস’ নামে আর মেয়ে ক্রীতদাস-এর নাম ছিল ‘দাসী’। মুসলিম সমাজে পুরুষ ক্রীতদাসদের নাম ছিল ‘গোলাম’ বা ‘নফর’ আর মেয়ে ক্রীতদাসের পরিচয় ছিল ‘বাঁদী’ নামে। তাছাড়া সুন্দরী বাঁদীদের দাম আর চাহিদাও বেশি। যৌন সম্ভোগের উপকরণ হিসাবে বাঁদীদের গর্ভের সন্তানও হত দাস। মহাজনদের দেনা শোধ করতে না পেরেও অসংখ্য মানুষ নিজেদের বিক্রি করে দিত দাস হিসাবে। সিলেট, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম আর ঢাকা অঞ্চলে ১৮৩৯ সালের আইন কমিশনের রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে ওখানকার এক পঞ্চমাংশ মানুষই ছিল এমনতর ক্রীতদাস। অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে এসে ক্রীতদাস প্রথা বন্ধ হতে থাকে। আমাদের এই অঞ্চলে ১৮৪৩ সালের পাঁচ নম্বর অ্যাক্ট-এর মধ্য দিয়ে ক্রীতদাস প্রথা বন্ধের পথটি সুগম হয়।
কাগজে-কলমে ক্রীতদাস প্রথা এখন আর নেই। কিন্তু ধনী মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আজীবন ধরে ঋণগ্রস্ত থাকবার প্রক্রিয়া চলে বংশ পরম্পরায়। এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাতিন আমেরিকার অনেক দেশের এমন প্রথাকে বলা যেতে পারে ‘নতুন মোড়কের ক্রীতদাস’। তা ছাড়া কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি আচরণ এখনও অনেক দেশেই ক্রীতদাস প্রথারই নামান্তর মাত্র। অনেক বর্ণ বা গোত্রের মানুষ এখনও বহন করে দাসের মত দুঃসহ জীবন। সৌদী আরবে ১৯৬২ সালে ক্রীতদাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়ে, কিন্তু ১৯৬৩ সালে সৌদী সরকার ঘোষণা দিয়ে নির্ধারণ করে দেয় ক্রীতদাসের দাম। সেখানে ঠিক করা হয় যে পুরুষ ক্রীতদাস আর মেয়ে ক্রীতদাসের মূল্য হবে যথাক্রমে সর্বোচ্চ ২৫০ পাউন্ড স্টার্লিং এবং ৩৫০ পাউন্ড স্টার্লিং। এমনতর নানান বৈপরীত্য এখনও চলছে সমান তালে।
যেসব অতীত নিদর্শন দেখে আমরা মোহিত হই, বিস্মিত হই সভ্যতার অগ্রযাত্রায়, তার অনেকগুলোতেই লেগে থাকে ক্রীতদাস শ্রমিকের ঘাম, রক্ত আর মৃত্যুর করুণ ইতিহাস। ভারত আর রোমের অনেক স্থাপত্য, রোমের বিখ্যাত সব রাস্তা, থিয়েটার, চীনের গ্রেটওয়াল, মিশর আর মেক্সিকোর পিরামিড-এসব কিছুই নির্মিত হয়েছে ক্রীতদাসদের হাতে। এই সব স্থাপত্যের প্রতিটি গাঁথুনিতে মিশে আছে ক্রীতদাসের হাহাকার। এই সব চোখ ধাঁধানো স্থপত্যগুলো আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে সভ্যতা মানে শুধু ঝলমলে আলোই নয়, কখনও কখনও নিকষ কালো অন্ধকারও।
তথ্যসূত্র:
১. ক্রীতদাস: শ্রীপান্থ।
২. পৃথিবীর ইতিহাস-প্রাচীনযুগ: ফিওদর করোভকিন।
৩. Bangla pedia: Asiatic Society of Bangladesh.
৪. What is political economy? : Ilyin, Motylev.
৫. Fundamentals of political Economy: Ryndina, Chernikov.
৬. Political Economy-Capitalism: Kozlov.
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নকীবুল বারী বলেছেন:
এখন বেচাকেনা হয় কর্পোরেট ক্রীতদাস.........
অলস ছেলে বলেছেন:
লেখা ভালো লেগেছে
বলশেভিক বলেছেন:
পোস্ট।প্রিয়তে রাখলাম।দাস বিদ্রোহের উপর El Reino de este Mundoনামে Alejo Carpentier এর একটি চমৎকার উপন্যাস আছে।পড়ে দেখতে পারেন।
জূয়ারি বলেছেন:
জটিল লিখেছেন ভাই।আরো চাই।
মুঘল সম্রাট বলেছেন:
এগুলো কি সত্যি ঘটনা নাকি হুমায়ন আহমেদের উপন্যাস।
মদন ক বলেছেন:
চমংকার লেখা +
আরেফিন জিটি বলেছেন:
অনেক কিছুই জানলাম, আমাদের দেশেও যে এত দাস ছিল শুনে অবাক হলাম। চমৎকার পোস্ট।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
ক্রিতদাসদের ইতিহাস আমার মনে হয় আরো অনেক অনেক করুন, নির্মম এবং অমানবিক।পুজিবাদ থেকে উত্তরণ না হওয়া পর্যন্ত মানুষ ক্রিতদাস থাকবেই - বিভিন্ন ফর্মে।
পোস্ট প্রিয়তে।
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
প্রথমে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ একটি তথ্যবহুল পোস্ট দেওয়ার জন্য। আমি ব্যক্তিগতভাবে অন্যদের সাথে সহমতক্রীতদাস প্রথা এখনও রয়ে গিয়েছে তবে তার বাহ্যিক দিকে একটু পরিবর্তন এসেছে কেবল।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
বুকে লাগল বস। ৬০০ মানুষকে মালা বানিয়ে মৃত্যুর ব্যাপারটা আঘাত দিল। পুরা পোস্টটাই আঘাত দিল খুব। মানুষ আসলে কত নিচ। আসলেই অনেক নিচ। আরেক জনের চোখের পানি, তার জন্য কিছুই না।
++
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
.................
জটিল বলেছেন:
এখনো আছে , তবে গোপনে
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
দীপান্বিতা বলেছেন:
পড়তে পড়তে শিউড়ে উঠতে হয়!!!...... ক্রিস্টোফার কলম্বাস!...তিনিও!যেসব অতীত নিদর্শন দেখে আমরা মোহিত হই, বিস্মিত হই সভ্যতার অগ্রযাত্রায়, তার অনেকগুলোতেই লেগে থাকে ক্রীতদাস শ্রমিকের ঘাম, রক্ত আর মৃত্যুর করুণ ইতিহাস.......সত্যি! অসাধারণ পোস্ট .....
পাভেল০৮১ বলেছেন:
দুঃখ ভারাক্রান্ত
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
+
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
নিঃসন্দেহে একটা "পড়তেই হবে" গ্রুপের পোস্ট। ধন্যবাদ ক্রীতদাসপ্রথার উপর এই তথ্যগুলো জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
ভাবসাধক বলেছেন:
+++++++++ গুড পোস্ট ।
প্রতিবাদী কন্ঠস্বর বলেছেন:
সত্যান্বেষী বলেছেন: ক্রিতদাসদের ইতিহাস আমার মনে হয় আরো অনেক অনেক করুন, নির্মম এবং অমানবিক।পুজিবাদ থেকে উত্তরণ না হওয়া পর্যন্ত মানুষ ক্রিতদাস থাকবেই - বিভিন্ন ফর্মে।
+।
পোস্ট প্রিয়তে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















গুড পোস্ট।
আরো লিখা চাই।