somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অপেক্ষা! গডোর নয়,
একজন অপ্সরীর

ঝুল বারান্দাটাতে
ক্ষণ ক্ষণ অনেকক্ষণ

যে বলেছিল মেঘ হয়ে আসবে,
তার।

ওর কোন দোষ ছিল না।

এখানে যে মেঘেরা
গাড়ীর বিকট চিৎকারে,
চমকে চলে যায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29536458 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29536458 2012-02-07 11:13:20
অমর একুশে, আবদুল গাফফার চৌধুরী আর জ্বয়নাল হাজারী।
আব্দুল গাফফার চৌধুরীর মত বাংলা ভাষাকে এমন চরম অপমান করার ধৃষ্টতা আর কেউই দেখাতে পারেনি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29533218 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29533218 2012-02-01 12:58:26
পড়ে থাক বিবর্ণ যানজটের / এই বিষাক্ত নগর। সুন্দর করে তৈরি করলো
অথচ আমাকে তো তুমি
এক জোড়া ডানা দাওনি!
কি করে পৌঁছুবো তোমাতে
এই যানযটের ঢাকা শহরে?

যদি গাড়ি বাস সি এন জি
করে পৌঁছুতে চাই
নির্ঘাৎ লেগে যাবে
সাড়ে তিন ঘন্টা।
হেঁটে যেতে হলেও
এই বারো কিলোমিটার
দু’ ঘন্টা তো পেরুবেই।

এত্ত ইচ্ছে করছে
এক ঝলক দেখতে তোমায়!
তোমার অলৌকিক চোখ,
চোখের বিশাল পাপড়িগুলো
আর খোঁদানো চিবুকটা।
নিষ্ঠুর তুমি
অন্ততঃ একাসনের
ছোট্ট একটা হেলিকপ্টার তো
দিতে পারতে আমাকে।
সন কনোরির মতো
ঠিকই নেমে পড়তাম
তোমার উঠোনে।

তোমার পীত-শুভ্র-লাল
হাতের নখগুলো
ছুঁয়ে দেখি কিভাবে এখন?
একটা হোভারক্রাফটও
দাওনি যে আমাকে।
আমি জ্যামের তিন ফুট উঁচু দিয়ে উড়ে
ঠিকই তোমাদের বাসার সামনের
রক পর্যন্ত চলে যেতাম
সেল ফোনে ডেকে আনতাম
তোমাকে ঘরের বাইরে।

তোমার অসহ্য সুন্দর
পুড়ে যাওয়া যাওয়া
মরে যাবার জন্যে ঠোঁটে
কি করে আধ ঘন্টা ধরে
চুমু খাব আমি?
আমাকে যে শিখিয়ে দাওনি তুমি
কি করে শরীর থেকে বেরিয়ে
অশরীরে হাজির হতে হয়।

কে যেন এঁকেছিল তোমার গলা?
সেজান না ভ্যান গগ?
কে যেন গড়েছিল তোমার কাঁধ?
মাইকেল এঞ্জেলো নিশ্চয়ই।

সেই গলা আর কাঁধে
নাক আর থুতনি ঘষি
এখন কিভাবে?
ঘন্টা খানেক?
রাস্তা যে দখল করেছে
কটু গন্ধে ভরা
অচলাতন
শববাহী শকটেরা।

এই অপ্সরী!
চলনা মেঘনা পাড়ে চলে যাই,
ছোট্ট বেলার মত
হাতে হাত ধরে
ঝাঁপ দেই বার বার
মেঘনার প্রাণময়, কিশোরী জলে।

পড়ে থাক বিবর্ণ যানজটের
এই বিষাক্ত নগর,
দিনা ন্তে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29528442 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29528442 2012-01-24 16:06:44
মেজরদের ব্যার্থ অভ্যূত্থান বনাম সিপাই ছলিমুদ্দিদের সফল হত্যাযজ্ঞ
সেই সাথে একটি অত্যন্ত মূল্যবান প্রশ্ন আবার সন্মুখ সারিতে চলে আসছে। অভ্যুত্থনের প্রস্তুতিমূলক পর্যায়ে যখন সে সম্পর্কে জেনে তড়িৎ ব্যাবস্থা নেয়া সম্ভব বলে আজ প্রমানিত সেখানে ৫৭ জন অফিসারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত সিপাই ছলিমুদ্দি কলিমুদ্দি, ডি জি এফ আই, এন এস আই, সেনাবাহিনী ও বি ডি আরের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অগোচরে তাদের ঘৃন্য ষড়যন্ত্র সফল করেছিল কিভাবে?

এখানে আরো প্রশ্ন আসে যে বিডিআর হত্যাকান্ডের সময় চরমভাবে ব্যার্থ এই গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কর্ণধার ও সংস্ক্লিষ্ট ব্যাক্তি বর্গের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক/ প্রশাসনিক ব্যাবস্থা নেয়া হলনা কেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29525248 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29525248 2012-01-19 20:00:09
একটি নির্মান ও স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানের জন্যে একটি যথাযথ ও সপ্রতিভ নাম প্রয়োজন। http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29523347 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29523347 2012-01-16 15:12:06 টেকি হেলপ প্রয়োজন, কোনটা জোস? 40" Sony Bravia LCD না 40" Samsung Series 5 LCD?

40" Sony Bravia LCD আর 40" Samsung Series 5 LCDএর মধ্যে কোনটা বেশী জোস, অনুগ্রহ করে টেকি ভাইয়েরা একটু বলুন।

তাড়াতাড়ি করলে ভাল হয়। কাল কিনবো।

পরশু দাম বেড়ে যাচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29520112 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29520112 2012-01-10 22:06:20
গোলাম আজম, বন্ধু প্রতীম দেশ ও মুক্তিযুদ্ধ ।
গত রাতে এ টি এন নিউজে গোলাম আজমের সাক্ষতকার দেখে বার বার একাত্তুরকে ফিরে ফিরে দেখছিলাম।

তার সাক্ষাতকার শুনে মনে হচ্ছিল যে বাংগালীরা ভালবেসে এবং বিশ্বাসভরে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বাংগালীদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে পাকিস্তানের চির শত্রু ইন্ডিয়ার সাথে হাত মিলিয়ে পাকিস্তানকে দ্বিখন্ডিত করার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। পাকিস্তান সরকার এতে ক্ষুব্ধ হয় এবং কিছু সংখ্যক সেনা মোতায়েন করে রায়ের বাজার এবং আরো কিছু স্থানে । সেনা বাহিনী সব সময় সব দেশেই একটু বাড়াবাড়ি করে থাকে। ঢাকাতেও করেছিল এবং রায়ের বাজার জ্বালিয়ে দিয়েছিল। যেহেতু তখন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সব ইন্ডিয়াতে গিয়েছিল সে সময় পাকিস্তানকে দু’টুকরো করতে সেহেতু পাকিস্তান সরকারের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার রাও ফরমান আলী গোলাম আজম ও অন্যান্য আরো কিছু সমমনাদলের প্রধানদের ডেকে নিয়ে সেনা বাহিনী উদ্ভুত পরিস্থিতি সামাল দিতে কাজে লাগান।

বাংলাদেশের ১৪ কোটি লোকের ভেতর স্বাধীনতার পর জন্ম নিয়েছে ৯ কোটি ৮০ লক্ষ লোকেরও বেশী ( সুত্রঃ UNFPA)। এই ৯.৮ কোটি লোক মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি। আবার একাত্তরে যাদের বয়স তিনের কম ছিল সাধারনভাবে তাদের কারুরই স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি থাকার কথা নয়। লোক মুখে শুনে এবং বিকৃত ইতিহাস থেকে জেনেই তাদের জ্ঞান মুক্তিযুদ্ধের ওপর। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্মের বিশাল একটি অংশ একাত্তরে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলীর কিছুই জানে না বা জানার প্রয়োজন বা আগ্রহ বোধ করেনা। এর সাথে আছে স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের দোসরদের প্রপাগান্ডা।

দেশের সর্ব বৃহৎ দুটি রাজনৈতিক দলের একটি সরাসরি এবং সর্বজন সমক্ষে এই যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। সনদ পত্র প্রদান করছে তাদের নিষ্পাপ চরিত্রের । সেই দলটিতে মুক্তি যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী সদস্য সংখ্যাও কম নয়। ঢাকার সাবেক মেয়র খোকা নিজেই একজন অকুতভয় মুক্তিযোদ্ধা যিনি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকা নগরীর গেরিলা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।

অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে পরিচয়দানকারী আওয়ামী লীগ সংবিধানে প্রচুর কাটাছেঁড়া করলো। ধর্মকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করলো। কিন্তু ধর্ম ভিত্তিক রাজানীতি বহাল রাখলো।

তারা যুদ্ধাপরাধী বিচার শুরু করলো। কিন্তু সে বিচারও তারা প্রশ্নবিদ্ধ রাখলো। বিচারের আওতায় অনেক চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী নেই।

চিটাগাংএর কসাই, তৎকালীন চিটাগাংএর আল বদর প্রধান, দিগন্ত টিভির মালিক মীর কাশেম তার গায়ে সৈদি আতর মেখে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। চিটাগাং এ একাধিক গণহত্যায় তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে। অভিযোগ আছে চিটাগাং এর বুদ্ধিজীবী হত্যার তালিকা প্রনয়ণের।

এ টি এন হুজুর, মেহেদী রংগা আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে গ্রাম ঘেড়াও করে নিয়মিতভাবে সেখান থেকে মেয়েদের ধরে পাকি ক্যাম্পে সরবরাহ করার গুরুতর অভিযোগ আছে। তাকে দেখা গেছে তার কমলা রং এর মুখ নিয়ে বই মেলা’১১তে ঘুরে বেড়াতে। তিনি তার মসজিদ কাউন্সিল নিয়ে সুখেই আছেন। যে মসজিদ কাউন্সিলের বিজ্ঞাপন রোজই দেখা যায় আমার দেশ পত্রিকার অন লাইন সংখ্যায়।


এটি এন এ বার বার দেখানো ময়ময়নসিং এর মুসলিম লীগ নেতা যে তার বৈঠখানায় মুক্তি যোদ্ধাদের জবেহ করতো বলে অভিযোগ আছে তাকে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় ঢাকার অতি অভিজাত এলাকায়। গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদ কমিটির তিনি কর্ণধার।

ভুঁড়ি ভুঁড়ি উদাহরণ আছে এমন। এই উদাহরণে উদ্ভুদ্ধ হয়ে গ্রেফতারকৃত যুদ্ধাপরাধীদের সাংগপাংগরা যদি বলে শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দ্যেশ্য হাসিল করতে এই বিচারের ব্যাবস্থা করা হয়েছে তাহলে তাদের খুব একটা দোষ দেয়া যায় না। সেই সুত্র ধরে গোলাম আযম যখন বলে বি এন পি যাতে ক্ষমতায় যেতে না পারে শুধু সে জন্যেই তার মত ঈমানদার, শুধুমাত্র আল্লাহ ছাড়া যে কাঊকে ভয় করেনা, একাত্তরে যে কোন অন্যায়ই করেনি, তাকে ধরা হচ্ছে তখন কিছু মানুষের মনে তার এই বক্তব্য বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জন করতেই পারে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়ায় সেদিন অভিযুক্তির জন্যে যে সাক্ষীকে জেরা করা হয় তার বিবরন এই ব্লগেই দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর পক্ষের অনেকেই পোষ্ট করেছে এবং করেছে বোধগম্য কারনেই। কিন্তু এমন তো হবার কথা ছিল না। যে অর্থ বল, লোক বল, সাংগাঠনিক বলের প্রয়োজন ছিল এ বিচার কাজ চালাতে সেটা কি সরকার এই বিচারে নিশ্চিত করেছে? আসামী পক্ষের উকিল আর সরকারী পক্ষের উকিলের মান তুলনা করলেই সেটা দিবালোকের মত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ও জে সিম্পসনের মামলা যে তার পক্ষে গিয়েছিল তার পেছনে উকিলের জন্যে জলের মত অর্থ ঢালার ব্যাপারটা নিজামী গং ঠিকই বোঝে, সরকার বোঝে না। বিমান বন্দরের নাম বদলাতে সরকার যে টাকা খরচ করেছে তার সাথে এই যুদ্ধবন্দী বিচারে খরচের একটি তুলনা দাঁড় করাতে পারলেই স্পষ্ট বোঝা যাবে যে আসলেই যুদ্ধাপরাধী বিচার এ সরকারের কাছে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ।

দু’বছর পর আরেকটি নির্বাচন হবে। এই সব যুদ্ধাপরাধীদেরকে নিষ্পাপ ঘোষনা দেয়া খালেদা জিয়া সরকার প্রধাণ হবে বা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি যদি আমরা অতীত থেকে উদাহরণ টানি।। দেলোয়ার-নিজামী-সাকা গংদের বাড়িতে এবং গাড়ীতে আমাদের জাতীয় পতাকার অবমাননা শুরু হবে এবং হতেই থাকবে।

আর বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদতে থাকবে।

একাত্তুরে যাদের হত্যা করা হয়েছিল, যারা নির্যাতিত হয়েছিল, নির্যাতিত যে মায়েরা ষাট হাজার যুদ্ধ শিশু জন্ম দিয়েছিল, যাদের বাড়ি ঘর লুন্ঠিত হয়ে ছিল এবং আগুণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল তারা ছিল আম জনতা। আর আম জনতার বিচারের জন্যে যে পরকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় সেটা তো সবারই জানা।

আজ থেকে ঠিক চল্লিশ বছর আগে এই দিনে এই সময়ে চাপা উল্লাস নিয়ে আমি যখন চিটাগাং ইস্টার্ণ রিফাইনারির তেলের ট্যাংকে আগুন দেখতে দেখতে হরষে লাফালাফি করছিলাম তখন কি ভেবেছিলাম এই আমিই চল্লিশ বছর পরে এ কথাটি বলতে যে উন্নিশ শো একাত্তুরে ইন্ডিয়া পাকিস্তানকে দুর্বল অকরতে আমাদেরকে জন্ম দেয় নি, গৌরবময় একটি মুক্তি যুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের দেশ আমরা স্বাধীন করেছি। উন্নিশ শো একাত্তুরে আসলেই বাংগালী জাতির এক হাজার বছরের লিপিবদ্ধ ইতিহাসের সবচে’ গৌরবময় অধ্যায় রচিত হয়েছিল।

আজ থেকে চল্লিশ বছর পর কেউ কি মনে করবে যে সীমাহীন আত্মত্যাগ, কল্পনাতীত দেশপ্রেম এবং উদাহরনের অতীত বীরত্বের বিনিময়ে আমাদের দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছিল?

আমার সন্দেহ আছে। সম্ভবতঃ তখনকার মানুষেরা গোলাম আজমের মতই বলবে এবং বিশ্বাস করবে (যে বিশ্বাস গোলাম আযমও করেনা) যে জন্ম শত্রু পাকিস্তানকে ভাংগতে বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিল ভারত।


কোন এক অলৌকিক উপায়ে আমি যদি তখনো বেঁচে থাকি তাহলে আমিও নিশ্চয়ই ততদিনে গোলাম আজমের দেয়া তত্ত্বটাকেই বিশ্বাস করা শুরু করবো । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29502826 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29502826 2011-12-14 17:47:12
যকৃতে ছুরিকাঘাতে মৃতপ্রায় একটি ছাত্রীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।
মেয়েটি ঢাকার এপোলোতে আছে এখন।

ক্রমাগত রক্ত দেয়া হচ্ছে কিন্তু থাকছে না শরীরে।
অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন : রাজীব-01676 158 494.
সুফিয়ানীঃ 01842-606060
তানিমঃ 01710-825028
তাহমীদঃ 01676-459336
ইস্তিয়াকঃ 01675-669137
রিকিঃ 01674-397599]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29492983 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29492983 2011-11-29 19:22:44
বিশ্বের লিপিবদ্ধ ইতিহাসের ভয়াবহতম ঘুর্নিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস-১২ই নভেম্বর, ১৯৭০




১২ই নভেম্বরের রাত্রি

সে দিনটির কথা আমার মনে আছে স্পষ্ট।
আমি ছিলাম চিটাগাংএ। সপ্তম শ্রেনীতে পড়ি। আবাসিক স্কুলে পড়তাম। ১ কিমি সামনে সমুদ্র, ২০০ গজ পেছনে পাহাড়। সেদিন সকাল থেকে টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছিল। সন্ধ্যায় শুরু হয় সাইক্লোন। আমরা দোতলায় থাকতাম। ৮ জন এক ঘরে। এমন বাতাস আর ঝড়ের তান্ডব যে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। অবিরাম বজ্রপাত, বারান্দায় সামুদ্রিক পাখির স্তুপ। সারারাত সৃষ্টিকর্তাকে ডেকে (আর এক সতীর্থ সারারাত আজান দিয়ে) রাত পার করি। ভোরে পেছনের জানলা দিয়ে দেখি অভূতপূর্ব দৃশ্য। পেছনের পাহাড় আগে ছিল ঘন জংগলে ঢাকা- সে পাহাড়ে তো কোন গাছই নেই, এমনকি কোন ঘাসও নেই, সবুজ গাছ গাছালীতে ঢাকা পাহাড় এখন মুড়ানো খয়েরী রংএর টিলা। হোস্টেলের বেয়ারা কিছুক্ষন পর ডাকলো পাখী দেখতে, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। শামুক খচা (ভাংগা), কাঞ্চি চোরা, ওয়াক, স্নাইপ, গাংচিল, বক আরো অচেনা অনেক প্রজাতির পাখি। বড় সাইজের চার বালতিতেও কুলায় নাই, বারান্দার একপাশে জড়ো করা আছে বাকিগুলো। পাখিগুলো সমুদ্রের দিক থেকে এসে আছড়ে পড়ে মরছিল হোস্টেলের সাথে বাড়ি খেয়ে খেয়ে সারারাত ধরে।


জলচ্ছ্বাস নিহত ছোট্ট একটি মেয়ের মৃতদেহ সৎকারের চেষ্টা

এ ঘটনার বেশ কিছুদিন পর আমাদের শীতের ছুটি হয়। ছুটিতে বাবার শিকারের সংগী হয়ে একদিন শিকার কুড়োতে কুড়োতে উত্তর পতেংগা থেকে হালি শহর সৈকতে আসি। তখন সন্ধ্যা প্রায়। বীচ থেকে (তখন মাটির বাঁধ আর ম্যাংগ্রোভ ছিলনা) একসারি নারিকেল গাছ আমাদেরকে গ্রামের ভেতর দিয়ে সোজা সমুদ্র পাড় থেকে রাস্তায় নিয়ে আসতো (আমরা নাম দিয়েছিলাম তাহিতি)। বাবা উত্তর পতেংগায় নেমে গাড়িটিকে হালিশহরে পাঠিয়ে দিতেন। যেখানে বীচ শেষ এবং গ্রাম শুরু হ'তে যাচ্ছে ঠিক সেখানেই একটা ঝোপের মধ্যে কমলা রংয়ের কিছু একটা দেখে এগিয়ে যাই আমি। তিন চার বছরের একটা মেয়ে শিশুর মৃতদেহ -সমুদ্রের পানিতে ভেসে আসা ঘুর্ণিঝড়ের সংহার। বেশ কিছুদিন গত হয়েছে। কিন্তু তাতে না পচঁন ধরেছে না মুখটা একটুও বিকৃত হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছিল শিশুটি পুতুল খেলতে খেলতে ঘুমিয়ে পড়েছে। বাবা অনেক চেষ্টা করলেন সৎকারের। গ্রামের লোকদের অসহযোগিতায় তা আর সম্ভব হয়নি। তারা এক পর্যায়ে বলা শুরু করলো "শহরোত্তুন মাঁরি আনি খবর দিত ছায়" (শহর থেকে বাচ্চাটাকে মেরে এনে এই নির্জন জায়গায় কবর দিতে চাচ্ছে)।

সৈকতে অনেকদিন পর্যন্ত মানুষের লাশ ভেসে আসতো।
______________________________________________
১২ই নভেম্বর'৭০এর প্রলয়ংকারী ঘূর্নিঝড়ের চোখ



১২ নভেম্বর ঘুর্নিঝড়ের গতিপথ



আজ থেকে ঠিক ৪১ বছর আগের এইদিনে পৃথিবীর লিপিবদ্ধ ইতিহাসের ভয়াবহতম জলোচ্ছ্বাস আমাদের উপকুলে আছড়ে পরে।

এটা আরো ছিল বিশ্বের সবচে' প্রাণ সংহারী তিনটি প্রাকৃতিক দূর্যোগের একটি।


এক রাতের মধ্যে পাঁচ লক্ষ মানুষ (অনেক উপাত্তে দশ লক্ষ) নিহত হয় । সবচে' ক্ষতিগ্রস্থ হয় ভোলা। তজুমুদ্দিন থানার ৪৬.৩ শতাংশ মানুষ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

এলাকার ৮৫ শতাংশ ঘর বাড়ি, উপকূলের ৬৫ শতাংশ মাছ ধরার ক্ষমতা (fishing capabilities) ধ্বংস হয়, ৭৭ হাজার জেলে যারা ডাংগায় ছিল তখন তাদের মধ্যে ৪৬ হাজার নিহত হয়, ৩৬ লক্ষ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হয় এই দূর্যোগে।


পাঁচ লক্ষ মানুষের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুই ছিল আড়াই লক্ষের বেশী।


২ লক্ষ ৮০ হাজার গবাদিপশু মারা পড়ে এই দূর্যোগে।


অনেক রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার একটি নিয়ামক ছিল এই জলোচ্ছ্বাস । দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও দূর্যোগ উত্তর ত্রাণে সীমাহীন ব্যার্থতা সাধারন বাংগালীদের মনে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাষন যন্ত্রের প্রতি পুরোপুরি বীতশ্রদ্ধ করে তোলে।


ত্রিশে নভেম্বর, ১৯৭০, ভোলায় ক্ষুধার্ত শিশুরা খাবারের আশায় বসে আছে।



১৯৭১ এর জর্জ হ্যারিসন-বব ডেলেন আয়োজিত বাংলাদেশ কন্সার্টের একটা কারনও ছিল এই জলচ্ছাস।



ঘুর্নিঝড়ের পর গুটি বসন্তের টিকা
দেয়া হচ্ছে। এ প্রজন্মের কারো সাথে এই
বিভিষিকাময় মহামারীর পরিচয় নেই।



তোর কপালের সিঁদুরে টিপ মুছিয়ে দিল ঝড়


________________________________________________

ওপরের স্মৃতি চারনের দুটি অংশ আমি ২০০৯ এবং ২০১০ এ এই ব্লগে করেছিলামঃ

ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর, পর্ব-১

১৯৭০এর ১২ই নভেম্বর

উপাত্তগূলো এবার যোগ করলাম।
সূত্রঃ
The 10 deadliest storms in history

PAKISTAN: Top 10 natural disasters since 1935

NaturalDisaster.us

10 Biggest, Deadliest, Most Destructive Hurricane's EVER!!

10 The biggest disaster with most victims.

Category:Bangladesh Cyclones

1970 Bhola cyclone ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29481830 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29481830 2011-11-12 14:52:18
ক্রিটিক্যাল মাস-২: দুষনমুক্ত যান-সাইকেল, ঢাকা শহরে চলাচলের জন্যে যথেষ্ঠ

চতুর্মুখী পাওয়া

বসবাসের জন্য পৃথিবীর দ্বিতীয় অযোগ্যতম শহরে কি পরিমান সময় আপনাকে যানযটে নষ্ট করতে হয়?

নাগরিক জীবনে প্রতিদিনের যাতায়তে আপনি কি পরিমান কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করেন??

চব্বিশ ঘন্টার ক’'ঘন্টা আপনি কায়িক পরিশ্রম করেন???

প্রতিদিন যাতায়তে আপনার ব্যয় হয় কত????

কোন এক ঈদের গভীর রাতে উত্তরা থেকে সদর ঘাট পর্যন্ত যে কোন যান্ত্রিক যানে করে যদি আপনি যান, বুঝবেন আয়তনে ঢাকা আসলে কত ছোট শহর। আর হৃদয়ংগম করবেন যে প্রতিদিন ঢাকা শহরের যানজটে কি পরিমান সময় আপনার নষ্ট হয়।

সচরাচর যে সব বাহন আমরা ব্যাবহার করি তা পরিবেশের জন্যে মারাত্মক ক্ষতিকারক কার্বন ডাই অক্সাইড প্রচুর পরিমানে নির্গত করে।

একজন মানুষকে সুস্থ্য থাকার জন্যে সপ্তাহে নুন্যপক্ষে তিন দিন, প্রতিদিন একঘন্টা করে শারিরীক পরিশ্রম করার প্রয়োজন। এই নগরে আমরা ক’'জন এই সময়টুকু দেই বা দিতে পারি?

যাতায়ত ভাড়া যে হারে বেড়েছে সে হারে কি আমাদের আয় বা অভিভাবকের দেয়া ভাতার পরিমান বেড়েছে? না বাড়ার সম্ভাবনাই বেশী।

এই সমস্যাগুলো নিয়ে সবাই আমরা কম বেশী ভাবি। খরচের কথা তো প্রায় সবাই, সব সময়ই। কিন্তু বলতে গেলে কেউই মনে করিনা এগুলো সমাধান করা আমাদের পক্ষে সম্ভব।

একদল তরুণ তরুনী, যাদের কেউ কেউ প্রকৌশলী, চিকিৎসক, পদস্থ চাকুরে, উদ্যোক্তা, ব্যাবসায়ী আবার কেউ শিক্ষার্থী আমাদের মত শুধু ভেবেই থেমে থাকেনি। তারা এই সমস্যা চারটির একটি সরল, বাস্তব সম্মত ও গ্রহনযোগ্য সমাধান বের করেছে- সাইক্লিং। আর যার সাথে উপরি পাওয়া –সুস্থ্য বিনোদোন।


সময়

পুরান ঢাকার বাংলা বাজার থেকে তিন নেতার মাজার পর্যন্ত বাসে, গাড়ীতে বা সি এন জিতে যেখানে এক থেকে থেকে আড়াই ঘন্টা পর্যন্ত লাগে সেখানে সাইকেলে পনেরো মিনিটে সেটা মেরে দেয়া যায়। এভাবে হিসেব করুন মিরপুর থেকে ধানমন্ডি, ধানমন্ডি থেকে মতিঝিল, কাকলীর মোড় থেকে মহাখালি, আবদুল্লাহপুর থেকে বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশন বা শাহজাহানপুর থেকে যাত্রা বাড়ি। প্রতিদিন কমপক্ষে এক ঘন্টা থেকে ৬ ঘন্টা পর্যন্ত বাঁচানো যায় ক্ষেত্রভেদে।

পরিবেশ

সাইকেলে আপনি কোন জ্বালানী ব্যাবহার করেন না। জ্বালানী হল আপনার কায়িক শক্তি। এই যাতায়তে আপনি কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করেন না বা আপনার যাতায়তের জন্যে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয় না।

সুস্থ্যতা

সুস্থ থাকার জন্যে যে পরিমান শারিরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন নিয়মিত সাইকেল চালালে সে প্রয়োজন ভালভাবেই মিটে যায়।

কড়ি

আগের যে কোন সময়ের চেয়ে এই প্রসংগটি এখনকার সময়ে সবচে' অর্থবহ। আজ থেকে বছর সাতেক আগেও যাতায়তের খরচ নিয়ে কেউই আমরা তেমন চিন্তা করতাম না। কারন আমাদের মোট খরচের অল্প একটা অংশ ছিল যাতায়ত ব্যয়। এখন আর তা না। শুধুমাত্র এই একটা কারনেই সাইকেল চালানো যেতে পারে। এইতো গত মাসেই আরেক দফা বাড়লো যানবাহনের ভাড়া। সাইকেল চালিয়ে যাতায়তের ভাড়ার পুরোটাই বাঁচানো যায়। যা মাসে পাঁচশ টাকা থেকে দশ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।

আমার পরিচিত একজন সাইকেলে অফিসে যাতায়ত করা শুরু করার পর প্রনোদিত হয়ে অফিসের সাত আটজন সাইকেল ব্যাবহার করছে।

সাইক্লিং সংগঠন

ঢাকায় বেশ ক’টি সাইক্লিং সংগঠন আছে।
এই সংগঠনগুলো নিয়মিত অনেকগুলো রাইডের আয়োজন করে, যেমন দৈনিক, রাত্রিকালীন, সাপ্তাহিক শিক্ষা নবিশী ও দক্ষদের, দুরপাল্লার , ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় ক'’দিনের জন্যে ইত্যাদি।

মেয়েদের সাইক্লিং

আমাদের ঢাকায় মেয়েরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন অফিস করছে সাইকেলে। এটা বাস্তব, যদিও অবিশ্বাস্য। সংখ্যায় স্বল্প হলেও এটা শুভ সূচনা। মেয়েদের মানসিকভাবে সাবলম্বী হবার ক্ষেত্রে এটা একটা বিশাল পদক্ষেপ। এক্ষেত্রে সাইক্লিং সংগঠনগুলোর অবদান পরিসীম। সংগঠনগুলোর সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগের সবচে’ বড় মাধ্যম ফেইসবুক । প্রত্যেকটি সাইক্লিং সংগঠনের ফেইসবুক পেইজ বা গ্রুপ আছে। যখন একটি মেয়ে অফিসে সাইকেলে যাতায়ত করতে চায়, তখন যে সাইক্লিং সংগঠনের সদস্য সে, সেই সংগঠনের ফেইসবুক পাতায় তার বাসার কাছাকাছি থাকা এবং তার অফিসের কাছাকাছি অফিস করা কোন সংগী সাইক্লিস্টের খোঁজ করে এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে পেয়েও যায়। এছাড়াও এই সংগঠনগুলোর সদস্যেরা ব্যাক্তিগত উদ্যোগে সাইকেল চালানো শেখায়ও (ছেলেদেরকেও)।

ক্রিটিক্যাল মাস

ঢাকায় সাইক্লিংএর সবচে বড় ইভেন্ট হচ্ছে ক্রিটিক্যাল মাস। ঢাকার সাইক্লিং সংগঠন গুলো একসাথে মিলে এটার আয়োজন করে থাকে। প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার এরা সবাই মিলে সাইক্লিং করে, বিশেষ করে ঢাকার রাজপথগুলোতে। এই ইভেন্টের উদ্দেশ্য হল যাদের নিজস্ব গাড়ি (car) আছে তাদের দেখানো যে স্থানীয় প্রয়োজন মেটানোর জন্যে সাইকেলই যথেষ্ঠ (To demonstrate to the car-owning crowd that bicycles are completely adequate for their local needs)

ক্রিটিক্যাল মাস-১

ক্রিটিক্যাল মাস শুরু হয়েছে গত মাসে। প্রথমবারেই বিপুল সাড়া পাওয়া গিয়েছিল। অংশ নিয়েছিল ১৭৫ + রাইডার। রাইড, বিরতি, হুল্লোড়ে কেটেছে অপূর্ব সময়। ঢাকা শহরে গত মাসের শেষ শুক্রবারে যারা সকালের দিকে রাস্তায় বের হয়েছিলেন তাদের অনেকেরই চোখে পড়েছে।

ক্রিটিক্যাল মাস-১ এর কিছু আটকে রাখা সময়ঃ

রাইডিং, ঢাকা শহরে।




একটু বিরতি


আড্ডা অল্পস্বল্প

জ্বী, ওজন কমাতেও <img src=" style="border:0;" />

ফেরা


ক্রিটিক্যাল মাস-২


আগামী ২৮ শে অক্টোবর, শুক্রবার সকাল আটটায় ক্রিটিক্যাল মাস-২
শুরু হবে সংসদ ভবনের সামনে থেকে।
রুটঃ http://goo.gl/MpRx5

ক্রিটিক্যাল মাস-২ এর প্রোমোঃ


ঢাকার মানুষদের

সময় বাঁচাতে,

সাস্থ্য রক্ষা করতে,

অর্থ বাঁচাতে,

আর পরিবেশ বান্ধব হতে

সচেতন করুন।

সাইকেল চালাতে চলে আসুণ ক্রিটিক্যাল মাস-২ তে।


__________________________________________


যাদের সাইকেল নেই কিন্তু যোগ দিতে চান, আগেভাগে জানালে তাদের একটা ব্যাবস্থা হলেও হয়ে যেতে পারে।



পত্রিকায় ক্রিটিক্যাল মাস-২

২৯ অক্টোবর, ২০১১,

শনিবার ডেইলি স্টারে ক্রিটিক্যাল মাস-২ এর ছবিসহ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


সেখানে বলা হয়ঃ

বিকল্প বাহন, ট্রাফিক ব্যাবস্থার উন্নতি সাধন এবং জনসাস্থ্য উন্নয়নে সাইকেল ব্যাবহারকে জনপ্রিয় করে তুলতে ২০০ জনেরও বেশী সাইক্লিস্ট "ক্রিটিক্যাল মাস" রাইডে অংশ গ্রহণ করে। বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠি যেমন বিডি সাইক্লিস্ট, রয়্যাল বেংগল রাইডারস, ভ্রমণ বাংলাদেশ, ঢাকা সাইক্লিং ক্লাব আর বিবর্তন ইভেন্টটি আয়োজন করে।

এই ইভেন্টটি পৃথিবীর আরো ৩০০ টি একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়।

সুত্রঃ

More than 200 cyclists joined a 'Critical Mass' ride

একই দিনে ইন্ডিপেন্ডেন্টে আরেকটি প্রতিবেদন বের হয়। সে প্রতিবেদনেও ক্রিটিকাল মাস-২ ইভেন্ট কাভার কোড়া হয়। ইনডিপেন্ডেন্টে আরেকটি আয়োজক সংগঠনের কথা উল্লেখ করা হয় -বাংলাদেশ সাইকেল টুরিষ্ট সাঈদ।

ইনডিপেন্ডেন্টে ওঠা ক্রিটিক্যাল মাস-২ এর ছবি সাথে খবরঃ


সুত্রঃ
Pedal Peddling
______________________________________________

ফুয়াদ হাসান চৌধুরীর উৎসাহ ও সহযোগিতায় লেখা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29472916 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29472916 2011-10-26 18:13:52
বাক স্বাধীনতা, মৌলিক চাহিদা পূরণের স্বাধীনতা আর স্বৈরতন্ত্র
১। ছাত্রেরা যে বিষয়ে পড়াশোনা করতো সে বিষয়ে পড়াশোনা করে চাকুরীরতরা গড়ে যে বেতন পেত সে পরিমান টাকা তাদের দেয়া হত।
২। লিবিয়দেরকে বিনা সুদে ঋণ দেয়া হত।

৩। যে পর্যন্ত না একজন লিবিয়ান চাকরী না পেত সে পর্যন্ত রাষ্ট্র চাকুরী না পাওয়ার জন্যে তাকে ক্ষতিপূরন দিত (বেকার ভাতা বলা যায়) ।

৪। বিয়ে করলে রাষ্ট্র বিনা মূল্যে বিবাহিত দম্পতিকে এপার্টমেন্ট বা বাড়ি দিত।

৫। যে কোন লিবিয় পৃথিবীর যে কোন দেশে পড়তে যেতে পারতো, রাষ্ট্র তাকে মাসে দুই হাজার পাঁচশো ইঊরো এবং বাড়ি ভাড়া ভাতা ও গাড়ি ভাতা দিত।

৬। গাড়ি (car) উৎপাদন মূল্যে(factory cost)বিক্রি করা হত।

৭। লিবিয়ার আই এম এফ, বিশ্ব ব্যাংক বা পৃথিবীতে কারো কাছে কোন ঋণ ছিল না, এখন পর্যন্তও নেই। এক পয়সাও নয়।

৮। প্রতিটি লিবিয় বিনা মূল্যে শিক্ষা এবং সাস্থ্য সেবা পেত।
-
৯। লিবিয়ার ২৫% নাগরিকের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ছিল ও আছে।

১০। উত্তর আফ্রিকায় লিবীয়রা সবচে' শিক্ষিত (৮২% লোক লিখতে ও পড়তে পারে)।

১১। লিবিয়ায় কোন ভিক্ষুক নেই এবং সাম্প্রতিক ন্যাটো বোমা বর্ষনের আগে পর্যন্ত সে দেশে কেউ গৃহহীন ছিল না।

১২। আধ কেজি পাঊরুটির দাম লিবিয়াতে পনেরো মার্কিন সেন্ট আ্মাদের হিসেবে এগারো টাকা সত্তুর পয়সা। প্রসংগতঃ বলছি আমাদের দেশে ৪৫০ গ্রাম একটি ওরিয়েন্ট পাউরুটির দাম পয়ঁত্রিশ টাকা।


গাদ্দাফি মরলো কেন? সে মরলো কারন সে পশ্চিম বিশ্বের মাথা ব্যাথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গাদ্দাফি স্বৈর শাসক ছিল কিন্তু সেটা পশ্চিম বিশ্বের ধর্তব্যের মধ্যে ছিল না।
মানবাধিকার , তাও তৃতীয় বিশ্বে ?
পশ্চিমাদের জন্যে কোন ব্যাপার নয়।

সে পশ্চিমের গোদের ওপর বিষ ফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছিল কারনঃ

[১। তেল উৎপাদনের বিশাল অংশ সে পশ্চিম বা পশ্চিমা তেল কোম্পানীগুলোকে দিত না।


২। উচ্চ সূদে আই এম এফ বা বিশ্ব ব্যাংক থেকে সে ঋণ নিত না।


৩। লিবিয়াকে সে সত্যিকার অর্থে স্বাধীন করেছিল এবং পশ্চিমকে সে বুড়ো আংগুল দেখাতো।

৪। সে তেল উৎপাদক ও রপ্তানীকারক দেশ গুলোকে বলেছিল যে তেলের মূল্য হিসেবে কাগুজে মূল্যহীন ডলার বা ইঊরো না নিয়ে সোনায় নিতে। পশ্চিমা দেশগুলোর যদি সোনায় তেলের মূল্য পরিশোধ করতে হয় তাহলে প্রায় সবগুলো দেশই তেলের মুল্য পরিশোধ করতে দেউলিয়া হয়ে যাবে কারন বেশীরভাগ দেশেরই সে পরিমান সোনা মজুদ নেই যা তাদের কাগুজে মুদ্রার সমকক্ষ। (ঠিক এই আহবান জানিয়েছিল সাদ্দাম হোসেনও।)


কংগো ও নাইজেরিয়া লিবিয়ার চেয়ে সত্তর গুণে প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ কিন্তু তাদের সাধারন মানুষের অবস্থা দীনহীন।

সাব সাহারার দেশগুলো পরোক্ষভাবে পশ্চিম নিয়ন্ত্রিত। নাইজেরিয়ার ৮০ শতাংশ লোক দিনে ২ ডলারে জীবন পাত করে। আর ২০ শতাংশ যারা পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে তারা থাকে সম্রাটের হালে। তার একমাত্র কারন বোধহয় সেখানে গাদ্দাফীর মত কেউ ছিল না।

এখন গাদ্দাফি আর নেই। তার মরার দৃশ্য আমরা দেখেছি ।
এবার তার চরিত্র হনন করা হবে। বানানো হবে তাকে একটি হিংস্র জল্লাদ।

...এবং পশ্চিমারা মনের সুখে লিবিয় সম্পদ হরিলুট করা শুরু করবে
... এবং করতে থাকবে।

আমার প্রায়ই মনে প্রশ্ন জাগে কে স্বৈরাচারী শাসক, যে তার শাসিতের বাক স্বাধীনতা উপেক্ষা করে মৌলিক চাহিদাগুলো পুরন করে, নাকি সেই শাসক যার শাসিতেরা ক্ষুধার জ্বালায় ২০ দিনের শিশুকে বিক্রি করে দেয়।

আমি জানিনা।
____________________________________________

যে মায়ের কাছে দারিদ্রের কষাঘাত বাৎসল্যের চেয়ে বেশী সে মা কি মানব জাতির অংশ? সে মা তো মানবেতরো। যে মানবেতরো তার আবার বাক স্বাধীনতা কি?
Sri Lanka News Updates with Discussions

___________________________________________
দৃষ্টি আকর্ষন

"গাদ্দাফি, জনকল্যান, কর্পোরেট পশ্চিম আর আই এম এফ "

"বাক স্বাধীনতা, মৌলিক চাহিদা পূরণের স্বাধীনতা আর স্বৈরতন্ত্র"

এই দুটি পোষ্ট একই পোষ্ট। গতকাল সকালে আমি যখন প্রথম শিরোনামে পোষ্ট করি ঠিক তখনই সামুর সার্ভার ডাউন হয় এগারো ঘন্টার জন্যে। পরে আমি শিরোনামটা বদলিয়ে রাতে আবার পোষ্ট দেই। পরের পোষ্টে কিছু মন্তব্যের জবাবও দেই। তখন পর্যন্ত জানতাম না যে আমার আগের পোষ্টটিও প্রকাশিত হয়েছে। আজ সকালে আমার নিজের ব্লগটা খুলতেই দেখি দুটো পোষ্টই প্রকাশিত এবং দুটিতেই বেশ কিছু মন্তব্য। মন্তব্যকারীদের উত্তর দেবার জন্যে দুটি পোষ্টই রেখে দিয়েছি। কারো অসুবিধার কারন হলে আমি আন্তরিকভাবে দূঃখিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29470260 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29470260 2011-10-21 22:19:39
গাদ্দাফি, জনকল্যান, কর্পোরেট পশ্চিম আর আই এম এফ।
গাদ্দাফির লিবিয়ায়ঃ

১। ছাত্রেরা যে বিষয়ে পড়াশোনা করতো সে বিষয়ে পড়াশোনা করে চাকুরীরতরা গড়ে যে বেতন পেত সে পরিমান টাকা তাদের দেয়া হত।

২। লিবিয়দেরকে বিনা সুদে ঋণ দেয়া হত।


৩। যে পর্যন্ত না একজন লিবিয়ান চাকরী না পেত সে পর্যন্ত রাষ্ট্র চাকুরী না পাওয়ার জন্যে তাকে ক্ষতিপূরন দিত (বেকার ভাতা বলা যায়) ।

৪। বিয়ে করলে রাষ্ট্র বিনা মূল্যে বিবাহিত দম্পতিকে এপার্টমেন্ট বা বাড়ি দিত।

৫। যে কোন লিবিয় পৃথিবীর যে কোন দেশে পড়তে যেতে পারতো, রাষ্ট্র তাকে মাসে দুই হাজার পাঁচশো ইঊরো এবং বাড়ি ভাড়া ভাতা ও গাড়ি ভাতা দিত।

৬। গাড়ি (car) উৎপাদন মূল্যে(factory cost)বিক্রি করা হত।

৭। লিবিয়ার পৃথিবীতে কার কাছে কোন ঋণ নেই। এক পয়সাও নয়।

৮। প্রতিটি লিবিয় বিনা মূল্যে শিক্ষা এবং সাস্থ্য সেবা পেত।
-
৯। লিবিয়ার ২৫% নাগরিকের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি আছে।

১০। উত্তর আফ্রিকায় লিবীয়রা সবচে' শিক্ষিত (৮২% লোক লিখতে ও পড়তে পারে)।

১১। লিবিয়ায় কোন ভিক্ষুক নেই এবং সাম্প্রতিক ন্যাটো বোমা বর্ষনের আগে পর্যন্ত সে দেশে কেউ গৃহহীন ছিল না।

১২। আধ কেজি পাঊরুটির দাম ছিল পনেরো মার্কিন সেন্ট আ্মাদের হিসেবে এগারো টাকা সত্তুর পয়সা। প্রসংগতঃ বলছি আমাদের দেশে ৪৫০ গ্রাম একটি ওরিয়েন্ট পাউরুটির দাম পয়ঁত্রিশ টাকা।

১৩। বিদ্যুৎ ছিল সবার জন্যে বিনামূল্য।

১৪।

গাদ্দাফি মরলো কেন? সে মরলো কারন সে পশ্চিম বিশ্বের মাথা ব্যাথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গাদ্দাফি স্বৈর শাসক ছিল কিন্তু সেটা পশ্চিম বিশ্বের ধর্তব্যের মধ্যে ছিল না।
মানবাধিকার , তাও তৃতীয় বিশ্বে ?
পশ্চিমাদের জন্যে কোন ব্যাপার নয়।

সে পশ্চিমের গোদের ওপর বিষ ফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছিল কারনঃ

১। তেল উৎপাদনের বিশাল অংশ সে পশ্চিম বা পশ্চিমা তেল কোম্পানীগুলোকে দিত না।

২। উচ্চ সূদে আই এম এফ বা বিশ্ব ব্যাংক থেকে সে ঋণ নিত না।

৩। লিবিয়াকে সে সত্যিকার অর্থে স্বাধীন করেছিল এবং পশ্চিমকে সে বুড়ো আংগুল দেখাতো।

৪। সে তেল উৎপাদক ও রপ্তানীকারক দেশ গুলোকে বলেছিল যে তেলের মূল্য হিসেবে কাগুজে মূল্যহীন ডলার বা ইঊরো না নিয়ে সোনায় নিতে। পশ্চিমা দেশগুলোর যদি সোনায় তেলের মূল্য পরিশোধ করতে হয় তাহলে প্রায় সবগুলো দেশই তেলের মুল্য পরিশোধ করতে দেউলিয়া হয়ে যাবে কারন বেশীরভাগ দেশেরই সে পরিমান সোনা মজুদ নেই যা তাদের কাগুজে মুদ্রার সমকক্ষ। (ঠিক এই আহবান জানিয়েছিল সাদ্দাম হোসেনও।)

গাদ্দাফিকে হত্যা করা হয়েছে এরপর শুরু হবে গাদ্দাফির চরিত্র হনন।

কংগো ও নাইজেরিয়া লিবিয়ার চেয়ে অনেক গুণে প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ কিন্তু তাদের সাধারন মানুষের অবস্থা দীনহীন।

সাব সাহারার দেশগুলো পরোক্ষভাবে পশ্চিম নিয়ন্ত্রিত। নাইজেরিয়ার ৮০ শতাংশ লোক দিনে ২ ডলারে জীবন পাত করে। আর ২০ শতাংশ যারা পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে তারা থাকে সম্রাটের হালে। তার একমাত্র কারন বোধহয় সেখানে গাদ্দাফীর মত কেউ ছিল না।

এখন গাদ্দাফি আর নেই। তার মরার দৃশ্য আমরা দেখেছি ।
এবার তার চরিত্র হনন করা হবে। বানানো হবে তাকে একটি হিংস্র জল্লাদ।

...এবং পশ্চিমারা মনের সুখে লিবিয় সম্পদ হরিলুট করা শুরু কর।। এবং করতে থাকবে।

আমার প্রায়ই মনে হয় কে বেশী স্বৈরাচারী শাসক, যে তার শাসিতের পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পুরন করে কিন্তু মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেয় নাকি সেই শাসক যার শাসিতেরা ক্ষুধার জ্বালায় ২০ দিনের শিশুকে বিক্রি করে দেয়। যে মায়ের কাছে দারিদ্রের কষাঘাত বাৎসল্যের চেয়ে বেশী সে মা কি মানব জাতির অংশ? সে মা তো মানবেতর

আমি জানিনা।
Interesting Facts About Libya-Sri Lanka News Updates with Discussions

___________________________________________
দৃষ্টি আকর্ষন

"গাদ্দাফি, জনকল্যান, কর্পোরেট পশ্চিম আর আই এম এফ "

"বাক স্বাধীনতা, মৌলিক চাহিদা পূরণের স্বাধীনতা আর স্বৈরতন্ত্র"

এই দুটি পোষ্ট একই পোষ্ট। গতকাল সকালে আমি যখন প্রথম শিরোনামে পোষ্ট করি ঠিক তখনই সামুর সার্ভার ডাউন হয় এগারো ঘন্টার জন্যে। পরে আমি শিরোনামটা বদলিয়ে রাতে আবার পোষ্ট দেই। পরের পোষ্টে কিছু মন্তব্যের জবাবও দেই। তখন পর্যন্ত জানতাম না যে আমার আগের পোষ্টটিও প্রকাশিত হয়েছে। আজ সকালে আমার নিজের ব্লগটা খুলতেই দেখি দুটো পোষ্টই প্রকাশিত এবং দুটিতেই বেশ কিছু মন্তব্য। মন্তব্যকারীদের উত্তর দেবার জন্যে দুটি পোষ্টই রেখে দিয়েছি। কারো অসুবিধার কারন হলে আমি আন্তরিকভাবে দূঃখিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29470214 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29470214 2011-10-21 12:37:58
যোগাযোগ মন্ত্রীর দুর্নীতি ফাঁস করলো বিশ্বব্যাংক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন তার নিজের কোম্পানী সাকোকে (সৈয়দ আবুল হোসেন এন্ড কোম্পানী) পদ্মা সেতুর পরোক্ষ কমিশন এজেন্ট হিসাবে ব্যাবহার করার অভিযোগ করেছে বিশ্ব ব্যাংক ।

আবুল হোসেন প্রাক যোগ্যতা যাচাইয়ে উত্তীর্ণ করাতে প্রাপ্ত কাজের মূল্যের একটি অংশ সাকোকে দেয়ার প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাকোর প্রতিনিধি প্রেরণ করেছেন এবং প্রস্তাব না মেনে নিলে সে প্রতিষ্ঠান গুলোকে দেখে নেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন বলে বিশ্ব ব্যাংক অভিযোগ করেছে।

বিশ্ব ব্যাংক আরো জানিয়েছে যে যোগাযোগ মন্ত্রী হবার পর তিনি সাকো থেকে পদত্যাগ করলেও তার স্ত্রী ও দুই কন্যা পরিচালনা পর্ষদে আছে।

________________________________________________
প্রতিথযশা তারেক মাসুদ ও মিশুক মনিরের সড়ক দূর্ঘটায় মৃত্যুর পর সারাদেশ প্রথমে এই মন্ত্রীর পদত্যাগে সোচ্চার হয় । আবুল পদত্যাগ না করাতে তাকে বরখাস্ত করার দাবী জানায় দেশের মানুষ। ঈদের আগে বরখাস্ত না হওয়ায় ঢাকায় গত ঈদের দিনে শহীদ মিনারে মানুষ জমায়ত হয়।

কিন্তু প্রধান মন্ত্রী সে প্রতিবাদের জবাবে বলেন যে তাঁর মন্ত্রীরা ভাল ভাবেই তাদের কাজ কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের মাঝে মাঝে আম জনতার কথা বোধহয় শুনতে হয়।

আবুলকে যদি তারেক মাসুদ-মিশুক মনিরের মৃত্যুর পর বরখাস্তও করতেন প্রধান মন্ত্রী, তাহলেও বোধ হয় এ অপমান থেকে দেশ বাঁচতে পারতো।

আর এখনকার এই অস্তিকর পরিস্থিতির কথা না হয় বাদই দিলাম।


__________________________________________

ইত্তেফাকের রিপোর্ট-আবুল মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ করলো বিশ্ব ব্যাংক


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29465178 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29465178 2011-10-13 14:02:57
"যারা আগে পড়েন নাই, যারা মিস কর্সেন, রিপোস্টের জ্বালায় অস্থির"কুম্ভকর্ণ সামু কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি
এই জ্বালা থেকে সামু কর্তৃপক্ষ সহজেই আমাদের নিস্তার দিতে পারে।

কারা কারা এ মূহুর্তে ব্লগ আলো করে আছে তা নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা থাকেনা, সেটা এক্কেবারেই দরকারী নয়। কোনো ব্লগার আরেক ব্লগারের উপস্থিতি থেকে কিছুই লাভ করেনা। উপস্থিত কোন ব্লগারকে ইন্সট্যান্ট মেসেজও পাঠানো যায় না।

কিন্তু অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, দিন ওয়ারী, সময় ওয়ারী পোস্টের একটা লিস্ট যেটায় ক্লিক করলেই সেই পোষ্টে যাওয়া যায় সেটা সামুতে অনুপস্থিত।

সামুতে লেখে যারা তাদের সংখ্যা পঞ্চাশ বা একশো নয় যে একই পোষ্ট সাত দিন প্রথম পাতায় ঝুলতে থাকবে।

গত তিন বছর ধরে এ ব্যাপারটার দিকে অনেকেই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু এ যেন অচলায়তন আমলা তন্ত্র।

কুম্ভকর্ণ সামু কর্তৃপক্ষ, এই দুঃসহ অবস্থা থেকে আমাদের বাঁচাবেন কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29462971 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29462971 2011-10-09 20:54:48
এইমাত্র ভুমিকম্প হ'ল।
ভূমিকম্প হচ্ছে কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29450475 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29450475 2011-09-18 18:49:34
শেষমেষ কি দিলাম আর পেলাম কি?
এখন ট্রানজিটের নামে কার্যত করিডোর আমাদের একমাত্র তুরুপের তাস। এর বদলে শুধু তিস্তা বা ফেনী নদী নয়, ভারত থেকে আসা সবগুলো নদীর পানি বন্টনে আমাদের গ্রহনযোগ্য চুক্তিতে আসতে হবে। যদি আমরা মমতা-মন্মোহন নাটকের পুনরাবৃত্তি না দেখতে চাই।

পানির চেয়ে মুল্যবান কিছুই নেই ভারতের আমাদেরকে দেয়ার।

চাল উৎপাদন বাড়ানোর ওপর প্রচন্ড চাপ পড়ায় অন্য সকল কৃষিজ খাদ্যদ্রব্যের ফলন আমাদের দেশে প্রতি বছরই কমছে। আনাজপাতি ভারতীয়ই খেতে হয় আমদের সিংহভাগ। এক্ষেত্রে আমাদের অন্যান্য দেশ-বার্মা-থাইল্যান্ড-চীনের সাথে বানিজ্য করতে পারি।

এক ঝুড়িতে সবগুলো ডিম রাখা বোধ হয় ঠিক না।

একবার বোধ করি সে চেষ্টাও করা হয়েছিল।

মন্মোহনের বাংলাদেশ সফর নিয়ে যা কিছুই হল আমার ধারনা এটাই সবকিছুর সার কথা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29444689 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29444689 2011-09-08 13:16:14
আবুল হোসেন-গরুছাগল শাজাহান মুবারাক। কেকে যাচ্ছেন কাল?
গরুছাগল শাজাহানের গায়েও কোন কিছু স্পর্শ করেনি।

আপনারা কে কে যাচ্ছেন কাল শহীদ মিনারে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29441211 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29441211 2011-08-30 22:23:36
সেলেব্রেটিং তারেক মাসুদ ____
সেলফোন বেজেই চলছে। সন্ধ্যার হয়েছে বেশ কিছুক্ষণ। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে অপরিচিত কন্ঠ আমার পরিচয় যাচাই করে বললোঃ ২৬ শে আগস্ট বিকেল ৩ টায় ব্রিটিশ কাউন্সিলে তারেক মাসুদকে নিয়ে একটি অনুষ্ঠান। আমি যেন যাই।

ফোন রাখতেই মনে হল যে অনেকদিন হয় আমাদের কোন ক্যামেরা নেই। মোবাইল দিয়েই ঠ্যাকা কাজ চালাচ্ছি একটা ক্যামেরা কিনলাম। অনুষ্ঠানে ছবি তুলবো বলে।

_________________________

ক্যামেরা আনতে পারিনি। নিমন্ত্রণ পত্রে না আনতে বলে দেয়াতে।

বৃটিশ কাউন্সিলে প্রথম যাই বাবার হাত ধরে ১৯৬২-৬৩ তে। তখনো সরকারী লাবরেটরি স্কুলে ভর্তি হইনি। গ্যাদাই বলা চলে। একটা মুভি দেখেছিলাম। রাজ্যের পোকার ওপর। লেডি বার্ডই বেশীর ভাগ সময় ধরে দেখিয়েছিল। একটুও ভাল লাগেনি। পরে অবশ্য অনেক মজার মজার ছবি দেখেছি অনেক অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে আমার এখানে। সবচেয়ে বেশী তারেক মাসুদের সাথে। তখনো অডিটরিয়ামে ঢুকিনি। বাঁয়ে লনে চোখ যেতেই একগাদা বাতাস বেরিয়ে এলো ভেতর থেকে। ঐখানে লনের মধ্যে বসে আড্ডা দিয়েছিলাম ঘন্টার পর ঘন্টা, শীতের এক বিকেল থেকে অনেক রাত অব্দি। ওখানে কাজলদার (রুহুল আমিন কাজল, ট্রাফিক আর্ট, ডেনমার্ক প্রবাসী, বন্ধু) একটা বাঁশের শিল্পকর্ম ছিল-আলোকিত-তার নীচে বসে। তখন কাজলদার বাঁশকর্মের প্রদর্শনী চলছিল।
____________________________________

প্রথমেই তারেক মাসুদের সারা জীবন দেখানো হল অনেকগুলো স্থির চিত্রের মাধ্যমে। প্রথম দিকের কিছু ছবি আমকে স্মৃতি ভারাক্রান্ত করলো। সত্তর দশকের কিছু ছবি। ওর চাচাতো ভাই এর বাসার ছবি-ওর চাচাতো বোন ঊর্মি, ভাতিজি-স্যুজির সাথে। ঐ বাসার ফয়ারটা দেখলাম এক ঝলক, যেখানে আমাকে ঊর্মি পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল ওর সাথে, ৩৮ বছর আগে ।

ছবি শেষে জীবন চারণ।

ছোটবেলার কথা লিখে পাঠিয়েছিল ওর আরেক চাচাতো বোন- পড়ে শোনালো শাকিল, প্রখ্যাত নজরুল সংগীত শিল্পী। ওর জীবনের পরের সময়টুকু বললো ওর মুক্তিযোদ্ধা মামা। তারপর ওর ভাবী-ক্ষণজন্মা চিত্র পরিচালক আলমগীর কবীরের বোন। তিনি তার একমাত্র ভাই এবং সবচেয়ে আদরের দেবরটিকে সড়ক দূর্ঘটনায়ই হারিয়েছেন। পুরো অডিটরিয়াম নিস্তব্ধ- শুধু চাপা ফোঁপানো আর নাক ঝাড়ার শব্দ। আমার পাশে আমার স্ত্রী, তার পাশে আমার অনুজা-আমার পেছনে অল্প বয়সী একটি ছেলে, তার পাশে বসা বন্ধু শম্পা রেজা-দূরে বুনো, রেহমান সোবহান, মোস্তফা মনোয়ার স্যার, ডঃ কামাল হোসেন, সারা জাকের, আলী জাকের, মমতাজ, ডালিয়া নওশীন, হ্যারন্ড , মিশুকের স্ত্রী ম. কাজী, প্রাচী, জয়ন্ত, মাকসুদ, দোস্ত শিশির ভট্টাচার্য, আনিসুল হক (মা), ব্যারিস্টার সারা, নায়লা জামান(খান), লুবনা মরিয়ম, মৌসুমী ভৌমিক, কে আসেনি আর কেই বা সামলাতে পারছে তার আবেগ। সারাক্ষণ চোখ মুছছে-এত্তো ভালো কি মানুষকে বাসা যায়?

আসলেন আদমজী কলেজে পড়া ওর এক সতীর্থ, সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী, মোরশেদুল ইসলাম, মোরশেদুল ইসলামের স্ত্রী আলমগীর কবীরের সড়ক দূর্ঘটার বর্ণনা দিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ের তার বাম রাজনীতির কথা বললেন তার এক বন্ধু ও স্বল্প দৈর্ঘ চলচিত্র নির্মাতা শামীম। কিভাবে ট্রটস্কীকে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করতে গিয়ে তারেক ও তাদের বাম রাজনীতি ছাড়তে হ’ল সেটাও বললেন।
প্রথম আন্তর্জা্তিক স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র উৎসবে তারেকের অবদানকে অনেকেই শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করলেন।

গান গাইলো আনুশে, সংগত করলো বুনো। মুক্তির গানের প্রথম সংগীতটি সমবেত কন্ঠে গাওয়া হ'ল, লীডে ছিল শাহীন সামাদ। তারেক আলী ও আরো কয়েক জন ছিল সাথে।

ক্যাথরিনের মা আর ভাই কথা বললেন। তারেক মাসুদ তাদের হৃদয়েও যে কি বিশাল স্থান করে নিয়েছিল তা কখনোই বুঝতাম না যদিনা আজ তাদের কথা শুনতাম।

ক্যাথরিন মাসুদ তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সবচেয়ে আশার কথাটি বললো-তারেক মাসুদ যে কাজ ফেলে গেছে সেটা সে করবে, যে পথে তারেক চলেছে সে পথেই সে চলবে।

==================================

তারেক মাসুদ উদযাপনে যে ব্যাপারগুলো খুব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সেগুলো হলঃ

বিনয়ী, বন্ধু বৎসল, কঠোর পরিশ্রমী এবং সদা হাস্যজ্জ্বল এই চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রচন্ড আর্থিক সংকটের মাঝে জীবনপাত করেছে কিন্তু এই প্রচন্ড প্রতিকূলতা এক মূহুর্তের জন্যেও তাকে আদর্শচ্যুত করতে পারেনি।

এককভাবে প্রথম আন্তর্জাতিক স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচিত্র তার অবদান ছিল অকল্পনীয়।

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষনায় (যাদের ইচ্ছে “পাঠ” পড়ুন) তারেক মাসুদ “On behalf of our great national leader, the Supreme Commander of Bangladesh, Sheikh Mujibur Rahman ” এই অংশটুকু জোড়া দেন। এই অডিও ক্লিপটি তিনি ডয়েসে ভ্যালে থেকে সংগ্রহ করেন। রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে এদেশের মানুষ যখন আমাদের মহান মুক্তি যুদ্ধকে ভুলতে বসেছিল তখন সে মুক্তিযুদ্ধকে সবার মাঝে প্রোথিত করেছে।

তার চলচ্চিত্র নির্মানের মান এক কথায় এদেশের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ যা তার ক্যাথরিনএবং মিশুক মনিরের অক্লান্ত যৌথ প্রচেষ্টার ফসল।


____________________________________________

আজকের অনুষ্ঠানটি তারেক মাসুদের শোক সভা নয়, ছিল “তারেক মাসুদ ঊদযাপন”, তারেক, আমাদের সিনেমার ফেরিওয়ালা পছন্দ করতো এমন একটি কর্মকান্ড।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29439111 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29439111 2011-08-26 22:54:40
এই সব নির্লজ্জ বেহায়া , রক্ত চোষা রাজনীতিবিদদের কবে সড়ক দূর্ঘটায় মৃত্যু হবে।?
আপনাদের ড্রাইভারের দোষ ছিল , সে ওভারটেক করতে গিয়েছিল

সড়ক দুর্ঘটনার জন্য চালকেরা দায়ী নয়

আর এ ছবির ক্যাপশনের প্রয়োজন আছে কি?

এই সব নির্লজ্জ বেহায়া , রক্ত চোষা রাজনীতিবিদদের কবে সড়ক দূর্ঘটায় মৃত্যু হবে।?

দেশের ৪০% মানুষ যেখানে শুধু পানি দিয়ে ইফতার করে সেখানে তারা কিভাবে লাগাতার ইফতার পার্টি দিয়ে বেড়ায়, জনসমক্ষে?

নেত্রী প্রতিপক্ষের পিতা ও স্বজনদের নৃশংস, হৃদয় বিদারক হত্যাকান্ডের দিনটিতে কেক কেটে উদ্বাহু নৃত্য নাও করতে পারতেন এবার, তারেক মাসুদ ও মিশুক মনিরের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে।

এই সারমেয় শাবক, বেজন্মা রাজনীতিবিদদের মানবতার না থাকুক, তাদের কি সামান্য সৌজন্যবোধও নেই?

সৃষ্টিকর্তা কি আমদের শীর্ষ নেতৃত্বকে এ ধরা থেকে এক নিমেষে বিদায় করতে পারেন না? যেমন প্রতিদিন করছেন আমাদেরকে এই ম্যাংগো পাবলিকদেরকে রাজপথে আর মহাসড়কে?
এদের কি আছে?
দেশ প্রেম?
সততা?
কর্তব্য নিষ্ঠা?
কর্মদক্ষতা?

যার প্রতিটিই ছিল, বিপুল পরিমানেই ছিল এই দুজন মাটির মানুষের।

ক্ষণজন্মা দুজনের।

ছবিঃ অন্তর্জাল]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29432658 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29432658 2011-08-15 18:09:02
বাহ! তারেক মাসুদ! দুপুরে বাসের চাকার তলায়,
সাঁঝ রাতে লাশকাটা ঘরে,
সন্ধ্যায় প্রিয় বাস গৃহে কিছুক্ষণ কাটিয়ে
এখন হীম ঘরে!

আমাদের যোগাযোগ মন্ত্রী,

মৃতদের ঘারে দোষ চাপিয়ে
তাপানুকুল শয়ন কক্ষে,

বিশ্রামরত!


-পিজি হাসপাতাল, মর্চুয়ারি, ১৩ আগস্ট, ২০১১, রাত দশটার কিছুপর।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29431436 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29431436 2011-08-13 22:21:37
রক্তের প্রয়োজনঃ ও নেগেটিভ ক্যাথরিন মাসুদের জন্যে আর ও পজেটিভ ঢালী আল মামুনের জন্যে । রক্তের প্রয়োজনঃ ও নেগেটিভ ক্যাথরিন মাসুদের জন্যে আর ও পজেটিভ ঢালী আল মামুনের জন্যে । যিনি দিতে চান এক্ষুণি স্কয়ার হাস্পাতালে চলে আসুন।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29431266 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29431266 2011-08-13 16:48:44 আমি আর নিতে পারছিনা তারেক মাসুদ। তার সমস্ত কীর্তি ছাড়িয়েও ৩৮ বছরের বন্ধুত্ব।

তার মানবতাবাদী ১২ মিনিটের স্বল্প দৈর্ঘ চলচিত্র নরসুন্দর নিয়ে অনেক অনেক ক্ষণ ধরে প্রতিটি দৃশ্য নিয়ে আলোচনা ,
শেষ ছবি রানওয়ে তিন তিন বার ঢাকায় মিস করে শেষে একসাথে গণ সাস্থ্যে দেখা, সদ্য যৌবনে রাতের পর রাত চলচিত্র নিয়ে আলাপচারিতায় কাটিয়ে দেয়া।


আমার বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে কয়েক ঘন্টায় নোটিশে সব ছেড়ে ছুড়ে চলে এসেছিল ও। কত সুন্দর স্বপ্ন দেখিয়েছিল আমাদের সবাইকে।
------
তারেক তুমি এ মূহুর্তে শুয়ে আছ রাস্তার পাশে।

তারেক আরো পঞ্চাশটি ছবি যে গুলো তুমি অবশ্যই বানাতে, সেগুলোর কি হবে?




____________
এই সামুতে অনেক আগে লীনা দিলরূবার একটি পোস্টে তোমাকে নিয়ে আমার একটা নাতিদীর্ঘ স্মৃতিচারন ছিল।

গতকাল মাঝ রাতে তোমাকে যখন শেষবারের মত স্মরণ করলাম, ঘুনাক্ষরেও ভেবেছিলাম কি একদিনেরো অনেক কম সময়ে এমনি এমনি মরে যাবে?

__________________________________________________________
__________________________________________________________

কেঊ বুঝেছে কি জানি না, তারেক মাসুদের মৃত্যু শুধু এ দেশের জন্যেই অপরিমেয় ক্ষতি নয়, এ বিশ্ব সংস্কৃতির জন্যেও বিশাল না পাওয়া।
==================================
এ মৃত্যু অগ্রহনযোগ্য, এ মৃত্যু আমাদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদিচ্ছার অভাবই শুধু নয়, অথর্বতার জ্ব্লন্ত প্রমান।


গত তিন মাসে তারেক মাসুদ ছিল আমার খুব কাছের তৃতীয় মানুষ যাকে সড়ক দূর্ঘটনায় হারালাম। অনেক অনেক দেরী হয়ে গেছে । এ মূহুর্তেই অনেক কিছু করতে হবে সড়ক দূর্ঘটনা নিয়ে। আমি স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই। এই ব্লগে আমার মূল পোস্টে এনিয়ে দ্বিতীয়বার বলছি আমি।

__________________________________________________________











দুপুর হয়েছে বেশ অনেক্ষণ।

তারেক মাসুদ তুমি এখন মানিকগঞ্জ হাসপাতালে শোয়া প্যাকেটবন্দী জড়।

মনিপুরি পাড়ায় তোমার ছোট্ট সোয়া বছরের বাচ্চাটা জানে কি?

__________________________________________________________
দশটা বাজবে আধঘন্টার মধ্যে।

তারেক মাসুদ, তুমি তো দরজাটা খুলে দিলে না।

অমায়িক, প্রগাঢ় বন্ধুত্বের হাসি হেসে এক হাতে বাহু জড়িয়ে ধরে বললে না "Buddy it's party time".

বললে না অপরাধী মুখ করে "তোমার বইটা নিয়ে বসা হচ্ছেনা তোমার সাথে"।

কেন তুমি সটান শুয়ে আছ তোমারই আংগিনায়? আথিতেয়তা বাদ দিয়ে?

একটু উঠে বসো না। বলো না সবাইকে কান্না বন্ধ করতে, বলোনা সবাইকে আর না ফোঁপাতে।

__________________________________________________________

তারেক মাসুদ আমি তোমার আরেকটু কাছে যেতে পারছি না। তোমার ক্ষত বিক্ষত মুখ আমি দেখতে পারবো না।

আমার স্মৃতিতে থাকুক তোমার সদা হাস্যজ্জ্বোল অতি প্রিয় মুখখানি।

যে মুখে লেগে থাকতো সব সময়ই আমাদের এই হতভাগ্য দেশের জন্যে ভালোবাসা।

++++++++++++++++++++++++++++++++++

বিদায় তারেক মাসুদ। এখন যেখানে তুমি আমিও একদিন ঠিকই পৌঁছে যাবো সেখানে, নিশ্চয়ই, শুধু সেখানে তোমার সাথে দেখা হবে কিনা, দেশটাকে নিয়ে, চলচ্চিত্র নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা জমবে কিনা তা জানি না।

বিদায় আটত্রিশ বছরের নিবিড়, প্রগাঢ় বন্ধুত্ব।
________________________________________________________]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29431156 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29431156 2011-08-13 14:07:12
খালেদা জিয়া অবশেষে জামদানী শাড়ী পরলেন। সাদার ওপরে লাল বুটির জামদানীতে খালেদা জিয়াকে এই মাত্র টি ভি তে দেখলাম।

অবিশ্বাস্য।

তবে ভাল্লাগলো।

তিনি যেভাবে শিফন ছাড়লেন সেভাবে গোয়া গংকেও ছাড়তেন যদি।

আর আমাদের প্রধান মন্ত্রী যদি ভারতের প্রতি আরেকটু কম তরল হতেন!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29422344 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29422344 2011-07-29 22:27:08
সন্তানরা জেগে উঠেছে_প্রিয় পিতা-মাতারা আপনার আর কত ঘুমিয়ে থাকবেন? || ফয়সল অভি ফেসবুকে ফয়সল অভির দেয়া এই লেখাটি শেয়ার করছিঃ

সন্তানরা জেগে উঠেছে_প্রিয় পিতা-মাতারা আপনার আর কত ঘুমিয়ে থাকবেন? ফয়সল অভি ১৩.০৭.১১ চট্টগ্রাম এরা কারা? আপনারা কেউ এদের চিনেন? না চিনবেন না । এরা তেমন বড় মাপের যদু মধু না_এদের কোন ফেইস ভ্যালুও নেই । এরা সবাই চট্টগ্রাম মহানগরে অবস্থিত বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী একদম নবীন প্রজন্ম আর প্রচলিত ভাষায় এরা পরস্পর ভাই ব্রাদার । ১৩ই জুলাই চট্টগ্রামের প্রেস ক্লাবের সামনে কানকো-ফিলিপসের সাথে আওয়ামীলীগ সরকারের দেশীয় স্বার্থ বিরোধী যে চুক্তি করেছে তার সরাসরি ও ভবিষ্যত ক্ষতিগ্রস্থ ভিকটিম হিসেবে এরা একটা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে । সেই মানববন্ধন কর্মসূচিতে তারা কানকো-ফিলিপসের সাথে আওয়ামীলীগ সরকারের চুক্তি বিষয়ে এবং দেশী স্বার্থ কিভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ইত্যাদি তথ্য নিয়ে অপরিপক্ক হাতে একটা লিফলেটও বিলি করেছে । আমার যখন প্রথম ওদের দেখা হয়েছিল চেরাগী পাহাড়ের আড্ডায়_আমি বেশ অবাকই হয়েছি । চশমা চোখে আর ব্যাগ কাঁধে মায়া মায়া চেহারার ছোট ছোট ছেলে গুলো চুক্তির বিরুদ্ধে মানববন্ধনের আয়োজন করছে? তাও এমন একটি ইস্যু নিয়ে যেখানে রাষ্ট্র কঠোর দমনের পন্থা বেচে নিয়েছে_যার প্রকৃত রূপ আমরা দেখেছি ৩ তারিখ অর্ধদিবস হরতালে । সেই হরতালে কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্লগার ও অনলাইন একটিভিস্টসহ অন্য শ্রেণী পেশার জনগণকে গণহারে লাঠিচার্জ ও গ্রেফতার করলো । সত্যিই আমি আরো অবাক হলাম যখন ওদের জিজ্ঞাসা করলাম : তোমরা কি কোন রাজনৈতিক প্লাটফর্মের সাথে জড়িত ? ওদের উত্তর : না ভাইয়া আমরা কোন রাজনৈতিক প্লাটফর্মের সাথে জড়িত না । আমি ওদের আবারো প্রশ্ন করলাম : তোমরা কি কোন বামদলের নেতৃত্বে বা সহচার্যে এই ইস্যু নিয়ে কাজ করছো?? ওরা বললো : না ভাইয়া আমরা কোন বামদল কিংবা ডানদল কোন দলের নেতৃত্বে বা সহচার্য এই ইস্যু কাজ করছি না । ব্লগ ও ফেইসবুকে কানকো-ফিলিপস এর জাতীয় স্বার্থ বিরোধী চুক্তি বিষয়ে বিভিন্ন লেখা পড়ে আমাদের মনে হলো_এই চুক্তি যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে অদুর ভবিষ্যতে এর সকল ফলাফল আমাদেরই ভোগ করতে হবে_আপনারা তো সব মরে যাবেন এবং আজকে যারা কমিশনভোগী ও সাম্রাজ্যবাদীদের গোলাম তারাও মরে যাবে_এমন কি তাদের উত্তরসুরিরাও এর ফল ভোগ করবে না কারণ তারা উচ্চবিত্ত শ্রেণীর_যা হবে আমাদেরই হবে তাই আমরা স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা ফেইসবুক ও ব্লগের মাধ্যমের নিজেদের ভাই ব্রাদার নিয়ে নিজেদের স্বার্থে এই আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হলাম । নবীন প্রজন্মের মুখে এই কথা শুনে হৃদয়ের ভেতর এক ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি হলো । সাম্রাজ্যবাদীদের গোলাম সুশীল(চুতিয়াশীল) সমাজ এবং বাঙলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি যেখানে নবীন প্রজন্মের ভেতর “আমি রাজনীতি ঘৃণা করি” টাইপ মনোভাব তৈরি করতে সফল হয়েছে_আজ সেই সময়ে কিছু নবীন প্রজন্ম একটা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে মাঠে নামছে । এই কথা ভেবে আমি অনেক সাহসী হই_ভীষণ রকম মনোবল পাই । বাঙলাদেশের জনমানুষ আশায় বুক বাধুক_তাদের সন্তানরাই তাদের হাল ধরবে সকল অক্টোপাসের শৃংখল ভেঙ্গে । রাষ্ট্রের ব্যবস্থা যতই নবীন প্রজন্মকে যত অন্ধ করুক_সাম্রাজ্যবাদীদের গোলাম ও গেলমানরা যতই চেষ্টাই করুক প্রজন্মকে ভুলি বালিয়ে সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থ রক্ষায় । অবধারিতভাবে প্রজন্ম জেগে যাবে সকল হায়েনার বিরুদ্ধে_এই জেগে যাওয়ার রূপ কোমল থেকে ক্রমশঃ সর্বোচ্চ আচরণ ধারণ করবে সেটা আমি বিশ্বাস করি । জাতীয় স্বার্থ বিরোধী এই চুক্তিতে দেশের সকল সাম্রাজ্যবাদীদের গোলাম ও গেলমানসহ তথাকথিক সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবিরাও পেটে পেটে এক এবং সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থরক্ষায় সচেষ্ট । এরা কেউ সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে যেতে রাজি নয় । সবাই সাম্রাজ্যবাদীদের গোলামী করে ক্ষমতায় থাকতে চায়_যেতে চায় আর আরাম আয়েশ করে মজা লুটতে চায় । তবে ওদের সুখ কত দিন সইবে ঠিক জানা নেই । কেননা খুব নিরবেই নবীন প্রজন্মের ভেতর পরিবর্তন আসছে । যারা এতোকাল ধরে ভেবেছে বাঙলাদেশের নবীন প্রজন্ম ঘুমিয়ে গেছে ওরা আর জাগবে না_ওদের জন্য এটা সতর্ক বার্তা । জাতীয় স্বার্থে ও নবীন প্রজন্মের নিজেদেরই স্বার্থে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে ওরা এখন এক একটা বিপ্লবী । কিভাবে রুখবে ওদের সাম্রাজ্যবাদী শক্তি? আমি আমাদের পিতা-মাতাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই_দেখুন আজ আপনাদের সন্তানেরা জাতীয় স্বার্থে এবং নিজেদের ভবিষ্যত প্রয়োজনে জেগে ওঠেছে । প্রিয় পিতা-মাতারা সন্তানদের এই জেগে ওঠা মুহূর্তেও আপনারা কিভাবে ঘুমিয়ে থাকবেন? আপনারা ঘুমিয়ে থাকতে পারবেন?? নিশ্চয় সন্তানদের এই সাম্রাজ্যবাদী গোলামদের বিরুদ্ধে যত স্লোগান ও অগ্নি কণ্ঠ আপনাদের ঘুম কি ভাঙ্গাবে না । অবশ্যই ভাঙ্গবে । কেননা আমরা অপেক্ষা করে আছি, প্রিয় পিতা-মাতারা জেগে ওঠলে এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিপ্লবের এই পথে এগিয়ে যাবো । এভাবে হাজারো নবীন প্রজন্ম জাতীয় স্বার্থে পথে নামবে এবং সাম্রাজ্যবাদী বিরুদ্ধেো সোচ্চার । সংযোজন: এই নবীন প্রজন্ম তাদের প্লাটফর্মের নাম দিয়ে “অল চিটাগাং স্টুডেন্ট’স ফোরাম” । এই ফোরাম কোন বাম কিংবা ডান দলের মুখপাত্রও না এবং কারো সহচার্যেও সৃষ্টি না । চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুল কলেজে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের ও ফেইসবুক একটিভিস্টদের একটা স্বাধীন প্লাটফর্ম । এই ফোরামের পরবর্তী কর্মসূচি হচ্ছে, কানকো-ফিলিপসের সাথে আওয়ামীলীগ সরকারের জাতীয় স্বার্থ বিরোধী চুক্তি বাতিল এবং সাম্রাজ্যবাদীদের কাছে দেশী খনিজ সম্পদ বিক্রি বন্ধের জন্য ও দেশী প্রতিষ্ঠান দিয়ে দেশের খনিজ সম্পদ উত্তোলনের জন্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে গণস্বাক্ষর অভিযান । আমরা জানি এই জাগরণের খবর কোন প্রিন্ট মিডিয়া আসবে না_কোন টিভি মিডিয়াও আসবে । কারণ সাম্রাজ্যবাদীরা এই জাগরণকে ভয় পায় । তাই বলে আমরা আশাবাদী হওয়ার মত খবরগুলো থেকে আড়াল থাকবো । কখনও না ফেইসবুগে, ব্লগে এবং বিভিন্ন ওয়েব সাইটে ও নিজেদের আড্ডায় এই জাগরণের খবর ছড়িয়ে দিবো এবং অন্যদেরও জাগাবো । মানবন্ধন পরবর্তী “অল চিটাগাং স্টুডেন্ট’স ফোরাম” এর প্রেস রিলিজ : অল চিটাগাং স্টুডেন্ট'স ফোরাম অস্থায়ী কার্যালয় : ৭নং দেবপাহাড়, চকবাজার, চট্টগ্রাম। তাং - ১৩/০৭/২০১১ ইং জাতীয় স্বার্থ বিরোধী গ্যাস চুক্তি বাতিলের দাবীতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সিদ্ধান্ত না নিয়ে বর্তমান সরকার এবং অতীত সরকারগুলো যেভাবে বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীগুলোর সাথে একের পর এক তেল-গ্যাস চুক্তি করে যাচ্ছে সেটা কোন ভাবেই কাম্য নয়। সর্বশেষ বর্তমান সরকার কনোকো-ফিলিপস নামের একটি মার্কিন কোম্পানীর সাথে সমুদ্র বক্ষের ১০ ও ১১ নম্বর ব্লক নিয়ে চুক্তি করেছে। এটা সম্পূর্ণ ভাবেই জাতীয় স্বার্থ বিরোধী। চুক্তি বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, ১০ ও ১১ নম্বর ব্লক থেকে আমাদের উল্লেখযোগ্য কোন লাভই হবে না, বরং প্রায় সমস্ত গ্যাসই বিদেশে রপ্তানী হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। একই সাথে এই চুক্তির ভয়াবহতার শিকার হতে হবে আমাদের দেশের অধিকাংশ দরিদ্র জনগণকেই। আমরা এই দেশের সন্তান হিসাবে সুনির্দিষ্ট ভাবে বলতে চাই, জনগনের সম্পদ দেশী বা বিদেশী বহুজাতিক কাউকেই নির্বিচার লুটপাট করতে দেব না। আমরা চাই তেল-গ্যাস সম্পদ দেশের ও দেশের জনগণের জীবন উন্নয়নের পেছনে ব্যয় হোক। সুদ দিয়ে বিদেশীদের কাছ থেকে তথাকথিত উন্নয়নের নামে ভিক্ষা না করে তেল-গ্যাস সম্পদ অভ্যন্তরীণ সামাজিক-অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক পরিবর্তনে ব্যয় হোক, আমরা এটাই প্রত্যাশা করি। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে এক মানব বন্ধন থেকে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। মানববন্ধনে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহন করেন। মানববন্ধনের একপর্যায়ে পুলিশ নিরাপত্তার অজুহাত তুলে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মানববন্ধন বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু সংগঠনের সদস্যরা পুলিশী আচরণের প্রতিবাদ করে মানববন্ধন সমাপ্ত করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, তাহসিন মাহমুদ, তুলি চৌধুরী ও রিয়াদুল হাসান প্রমুখ।
by: Faysal Ovi
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29412451 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29412451 2011-07-13 22:09:09
দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দলের নেতা, সবচেয়ে বড় নিজ।
হরতালটি কি জন্যে ছিল?

বাংলাদেশটি যে দু' পরিবারের উত্তরাধিকার, তার এক পরিবারের সদস্য আরেক পরিবারের সদস্যকে পৃথিবীর মাটি থেকে চিরতরে বিদায় করার ষড়যন্ত্র করার কারনে।

তো এ রকম তো হয়ারই কথা। ইতিহাসের পাতাতে তো কতই দেখেছি। সিংহাসন বলে কথা।

কিন্তু আমি ভাবছি অন্য কথা। এই সেদিনই অর্ধ দিবস হরতাল হ'ল। দেশের খনিজ সম্পদ বাঁচাতে।

যারা ডাক দিয়েছিল তারা রাজনৈতিক দলের কেঊ নয়। কোন রাজনোইতিক দলের সমর্থনও ছিল না তাতে।


কিন্তু সরকারী দল যখন কোন হটকারী সিদ্ধান্ত নেয়, তখন কার এগিয়ে আসা একান্ত কর্তব্য? বিরোধী দলের নয় কি?

সরকারী দল হয় এই চুক্তি থেকে নগদ কিছু কামাবে বা পরবর্তী নির্বাচনে আবার জয়ী হয়ে ক্ষমতাতেই থেকে যাবে। কিন্তু বিরোধী দল কেন এই ইস্যু থেকে নিজেদেরকে সরিয়ে রাখছে?

তারেক রহমান আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে পদচারনা করলে বা না করলে খুবই কি দেশের কোন ক্ষতি বৃদ্ধি হবে? আমার মনে হয়না।

কিন্তু নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর সাথে এই খনিজ সম্পদ চুক্তিটি বাস্তবায়ন হলে দেশের ও জনগনের কি ক্ষতি হয়ে যাবে তা আমজনতা না বুঝলেও বিরোধী দল ঠিকই বোঝে।

আমি যা বুঝি না তা হ'ল কেন তাদের এই সন্দেহজনক নীরবতা, এই ইস্যু থেকে নিজেদের একশ মাইল দূরে রাখা?

এদেশটাকে কি শুধু অসহায় অক্ষম কিছু লোকই ভালবেসে যাবে? আর এদেশ অপার সম্ভাবনার দেশ হয়েও কিছু অর্থলোভী আর ক্ষমতালোভীদের
খপ্পরে পড়ে অত্যন্ত গরীব দেশই থেকে যাবে?

এদেশের সিংহভাগ লোক কি কখনই ভরপেট ঘুমুতে যেতে পারবেনা??

হে সম্মানিত বিরোধী দল, যদি বিশ্বাস করেন যে জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস, যদি মনে করেন যারা দল না দেখে দলের কার্যকলাপ দেখেই ভোট দিয়ে থাকে তাদের ভোটেই আপনাদের ক্ষমতায়ন হয়, তা'লে খনিজ সম্পদ লুটের প্রশ্নে জাতিকে একাট্টা করুন। আপনাদের প্রতিপক্ষ কিন্তু ঘাতক দলাল বিচারের ইস্যুতেই জনগনকে একাট্টা করেছিল। সিনিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট ইস্যু শুধু আপনাদের কট্টর সমর্থক ছাড়া আর কাঊকেই আপনাদের পতাকাতলে আনবে না।

আর যদি মনে করে থাকেন যে কোন পরা শক্তিই আপনাদেরকে গদীত বসাবে তা'লে অন্য কথা।

শুধু মনে রাখবেন যে আমরা যা অবলোকন করছি তা হ'ল আপনারা ক্ষমতাশীনদের হাতই শক্তিশালী করছেন। তারা দেশ বেচার প্রাক্কালে আপনাদের হাতে এমন কিছু ইস্যু দিয়ে দেয় যাকে কেন্দ্র করে মেতে উঠে দেশের স্বার্থকে ভুলিয়ে দেন দেশবাসীকে।

মুখে ভারত বিরোধীতার কথা বলে কাজে বার বার ক্ষমতাশীনদের হাত সুসংহত করার কাজটি এবার গেলবারের চেয়ে অনেক ভাল করেই করছেন।
_______________________________________

করিডোর ইস্যু চাপা পড়েছিল বিমান বন্দর নাম করন ইস্যুর তোড়ে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29409037 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29409037 2011-07-07 20:46:44
ভালো আছি ভালো থেকো-জয়িতা আর শুণ্য আরন্যককে।
..........................................................ভালো আছি ভালো থেকো .. আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো
দিও তোমার মালা খানি .....
বাউলের এই মনটারে ..।
আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে আছো তুমি হৃদয় জুড়ে.....


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ছোটবেলায় শোনা গান .... টুকরা টাকরা মনে পড়লো
কারো কাছে গান দুইটার লিংকটা আছে ?
ব্যান্ডের নাম তীর্থক ~
বিনিময়ে কোন গানের খোজ থাকলে বের করার চেষ্টা করব ~~

___________________________
জয়িতা | জুন ২১, ২০১০ - ২:০৬ অপরাহ্ন

ভালো আছি, ভালো থেকো
আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো...

এই গানটা দিয়েই বোধ হয় রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর নাম জেনেছি। তারপর কবিতা পড়া এবং তারঁ সম্পর্কে টুকিটাকি জানা। কবি হিসেবে আমার পছন্দের । অকালেই চলে গেলেন বলে আমরা বঞ্চিত হলাম। তাঁর আত্নার শান্তি হোক।.........................................................।

___________________________________________

আমার তখন পেশাগত জটিলতায় ভরা সময়। একদিন একা মেসে বসে আছি। রবীন্দ্রনাথের কবিতা যপছি (যা সে ক্ষণে, সে স্থানে এক্কেবারে বৈসদৃশ্য)

"যদিও সন্ধ্যা আসিছে মন্দ মন্থরে
সব সংগিত ঈংগিতে গেছে থামিয়া........."

...।।"......আমি এট্টা গান শিখেছি..." উচ্চ শিক্ষার্থে ঢাকায় থাকা আমার সবচে' প্রিয় জন (সেই সময়ের), আমার আত্মজ অমির গলা, "শুনতে ছাও?"

ওর কথা তখনো ফোটেনি ভালভাবে।

আমি হ্যা বোধক হতেই তার আবদার "তালে এখন থেকে মযা করতে হবে"।

এটা এক ভয়ংকর বিপদ সেই সময়ে। ও মজা করা শুরু করে এবং নিরবিচ্ছিন্ন মজা করতে চায়। হায় তখন ও যদি জানতো মজা হতে হতে কোন না কোন সময় সেই মজার শেষ হতেই হয়!

সে সময়ে সেটা তার অজানা থাকাতেই , মজা শেষ হবার পর তার গগণ বিদারী চিৎকার "আর মযা হচ্ছে না কেন"?

'এই অত্যাচারে আমি ও ওর মা অতিষ্ঠ থাকতাম তখন প্রায়ই।...............।


......আমি প্রমাদ গুনলাম...আচ্ছা বাবা করবো মজা।কথা মাটিতে পড়তে না পড়তেই ও শুরু করলঃ "ভালো আছি ভালো থেকো...।।

সেটা ছিল রুদ্রের গানের সাথে আমার প্রথম দেখা। তাকে ততদিন পর্যন্ত অতি বলিষ্ঠ কবি বলেই জানতাম।
__________________________________




_________________________________

আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে

আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে
আছো তুমি হৃদয় জুড়ে।

ঢেকে রাখে যেমন কুসুম,
পাপড়ির আবডালে ফসলের ঘুম
তেমনি তোমার নিবিড় চলা
মরমের মূল পথ ধরে।

পুষে রাখে যেমন ঝিনুক,
খোলসের আবরনে মুক্তোর সুখ
তেমনি তোমার গভীর ছোঁয়া
ভিতরের নীল বন্দরে।

ভালো আছি, ভালো থেকো,
আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো
দিও তোমার মালাখানি,
বাউলের এই মনটা রে।

আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে
আছো তুমি হৃদয় জুড়ে।

--যেমন কথা তেমনিই সুর।






মশিঊর মামার সৌজন্যেঃ



Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29380221 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29380221 2011-05-13 11:01:42
ভুষণ আলোরা সন্ধ্যা নামতেই পালিয়ে গেছে,
দু’চাকা থেকে নেমেই
অস্থির, চঞ্চল, কিশোর কিছু পা ফেলে
ভূষণে আমি।

বুক খালি করে সব
বাতাস বেড়িয়ে গেল-
এতো সুন্দর কেঊ হ’তে পারে?

ধনেখালিতে জড়ানো তুমি
গাঢ় লাল ঠোঁটে
কি যেন বললে আমাকে,
মেয়েদের মেলায়
খালি হারিয়ে ফেলছিলাম তোমাকে।

তোমার সময় ছিলনা
বাসায় অনেকে আসবে,
আমার অবিরাম জেদেই শুধু আসা,
আর আমার ছিল দাপ্তরিক কাজ
মিনিট পনেরো পরই।
ঝলক শেষেই বের হ’তে হ’ল।

এত কম সময়!
শরীরে শরীর নয়,
ঠোঁটে ঠোঁট রাখাও নয়,
মূহুর্তের ছোঁয়াও নয়,
একটু দেখাতেই
লিটার খানেক অগ্নিজলের ঘোর।

ভুষণ ছিল ধানমন্ডির সাতাশে,
কাল মানিকমিয়ার গোড়াতে দাঁড়িয়ে
ভুষণের নামটি দেখেই
মনে পড়ে গেল।

প্রিয়দর্শিনী,
কেমন আছ তুমি,
কোটি বছর পর?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29376047 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29376047 2011-05-06 01:46:47
না প্রেমিক না বিপ্লবী- না মুসলিম না ইহুদী-ত্রিশোনকুর স্বগোতক্তি!


আর

বারাক মুহাম্মাদ ওবামা


"আমি আনন্দিত, খুশীতে দিশেহারা যে সাড়ে তিন ঘন্টায়, সাড়ে পাঁচ হাজার নিরাপরাধ মানুষকে হত্যাকারী ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করা হয়েছে। তার যথাযোগ্য শাস্তি বিধান করা হয়েছে।

কিন্তু আমার প্রশ্ন হ'ল শুধু ওসামা বিন লাদেন কেন?
কেন নয় গোল্ডা মায়ার,
ইসহাক শ্যারন,
ওহুদ বারাক,
বারাক মুহাম্মাদ ওবামা?

গত সাড়ে ছয় দশক ধরে এর বহুগুণ বেশী নিষ্পাপ শিশু কিশোরকে যারা সুপরিকল্পিতভাবে, রাষ্ট্র সমর্থিত, রাষ্ট্র সম্পাদিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে হত্যা করেছে, তার বিচারের জন্যে আমাদের শেষ বিচারের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে কেন?"



"Long Live Barak Mohammad Obama, we love you, adore you, worship you, as you never forgot to be grateful to the Jews of Israel and conveniently forgot about the hapless children of Gaza, who were being killed methodically by Israeli forces when you delivered your inaugural speech as The President of The United States (বারাক মুহাম্মাদ ওবামা, তোমাকে আমি ভালবাসি, তোমার প্রেমে আমি পাগোলপারা, সেজদা করি তোমায়----তুমি যে নির্বাচনে জেতার জন্যে তোমার কৃতজ্ঞতা ইজ্রাইলীদের জানিয়ে দিতে ভোলো নি এবং অত্যন্ত সুবিধেজনক ভাবেই ভুলে গিয়েছিলে হতভাগা সেই সব শিশুদের কথা যাদেরকে তোমার ইজ্রাইলী বাহিনীর সদস্যেরা তখনো সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করছিল---- যখন তুমি আমেরিকার প্রথম কালো, প্রথম মুসলিম ঔরসে জন্ম নেয়া প্রেসিডেন্ট হিসেবে তোমার প্রথম বক্তৃতাটি দিচ্ছিলে)।"














"ওসামা বিন লাদেনের হত্যার মাঝে আমাদের রাষ্ট্র যন্ত্রের শেখার অনেক কিছুই আছে-তার প্রথমটি হ'ল শায়েখ আবদুর রহমান, বাংলা ভাইদের এত কষ্ট করে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, গ্রেপ্তার করে, বিচার করে ফাঁসীতে লটকানোর কোন প্রয়োজনই ছিল না।"

ওসামা বিন লাদেন।
জন্মঃ ১০ মার্চ, ১৯৫৭ ,

মৃত্যুঃ ২ মে, ২০১১

মৃত্যুর সময় বয়সঃ চুয়ান্ন বছর।

জন্ম স্থানঃ রিয়াদ, সৌদি আরব।

মৃত্যু স্থানঃ এবোটাবাদ, পাকিস্তান (৩৪.১৬৯২৮ ডিগ্রি ঊত্তর, ৭৩.২৪২৫২ ডিগ্রি পূর্ব)

শেষ বিশ্রামের স্থানঃ ঊত্তর আরব সাগর।

আনুগাত্যঃ আল কায়েদা।

যুদ্ধঃ

সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ-আফগানিস্তানে।

সন্ত্রাসী যুদ্ধঃ

আফগানিস্তানে যুদ্ধ।

তোরা বোরার যুদ্ধ।

পাকিস্তানের ঊত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের যুদ্ধ।

"হে আমার প্রভু, নিশ্চয়ই তুমি পুরষ্কৃত কর এবং তিরষ্কৃত কর মানুষের উদ্দেশ্যের জন্যে, তার কাজের ফলের জন্যে নয়।"


ছবি ও তথ্যঃ অন্তরর্জাল ও উইকি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29375441 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29375441 2011-05-05 02:53:00
এ শুধু গানের দিন, এ লগোনো গান শোনাবারঃ সহেনা যাতনা আর O Summer Wine
বসে আছি দীর্ঘাংগী, শ্যামল, অপরুপা ও সপ্রতিভ মেয়েটির জন্যে, আমার চেয়ে একটু বড়, অনেক সাধ্য সাধনা করেই রাজী করানো, চিনতাম যখন ক্লাস ফোর এ পড়ি তখন থেকে ও ক্লাস নাইনে , পাহাড়ের ওপর খুব সুন্দর একটি স্কুলে পড়তো তখন, Saint Mary's (স্কুলের নামটা একটু অন্য রকম ছিল কি) । ফোর থেকেই পাগল ছিলাম ওর জন্যে। সারাদিন গান শুনতো, একটু উদাসীও ছিল।

রাজী করানোর দিনটিতে একটা গান শোনায় আমায় । সুর আর কথাগুলো তখন থেকেই মাথায় ঢুকে যায় :



Strawberries cherries and an angel´s kiss in spring
My summer wine is really made from all these things


I walked in town on silver spurs that jingled to
A song that I had only sang to just a few
She saw my silver spurs and said lets pass some time
And I will give to you summer wine
Ohh-oh-oh summer wine


Strawberries cherries and an angel´s kiss in spring
My summer wine is really made from all these things
Take off your silver spurs and help me pass the time
And I will give to you summer wine
Ohhh-oh summer wine


My eyes grew heavy and my lips they could not speak
I tried to get up but I couldn´t find my feet
She reassured me with an unfamiliar line
[ Nancy Sinatra F/ Lee Hazelwood Lyrics are found on http://www.dapslyrics.com ]
And then she gave to me more summer wine
Ohh-oh-oh summer wine


Strawberries cherries and an angel´s kiss in spring
My summer wine is really made from all these things
Take off your silver spurs and help me pass the time
And I will give to you summer wine
Mmm-mm summer wine


When I woke up the sun was shining in my eyes
My silver spurs were gone my head felt twice its size
She took my silver spurs a dollar and a dime
And left me cravin´ for more summer wine
Ohh-oh-oh summer wine


Strawberries cherries and an angel´s kiss in spring
My summer wine is really made from all these things
Take off your silver spurs and help me pass the time
And I will give to you summer wine
Mmm-mm summer wine


অপেক্ষার সময় সচরাচর দীর্ঘ হয়ে থাকে, তবে এই গানটি আমাকে আরো ঘন্টা তিনেক টিঁকিয়ে রেখেছিল।


-------

এ গানটি কি আমাদের প্রজন্ম ভুলতে পারবে কখনো, সেই সদ্য কৈশোর উত্তীর্ণ, সদ্য স্বাধীন দেশের সদ্য প্রেমে পড়া ছেলে মেয়েগুলো? সেই জিনাত আমান সেই আশা ভোশঁলে, মমতাজ । ওহ! অসহ্য ভাললাগারঃ



এখানে ক্লিক করেও দেখতে পারেনঃ

http://www.youtube.com/watch?v=f_v9oQhVE2E

রিমিক্স, দাম মারো দামঃ Would Likely to Love It, I DID! Specially the DRUMS!
আমার মত অঘাদের জন্যেঃ Pager ঊপ্রে মাঝখানে অতি সুক্ষ একটি PLAY BAR আছে , ওটাতে click করুন
DUM MARO DUM এর Remixকি এটা?
দাম মারো দাম


Dum MAro Dum
Miit Jaye Ghum

Bolo Subha Shaam
Hare Krishna Hare Krishna
Hare Krishnaa
Hare Ram

Dum MAro Dum
Miit Jaye Ghum
Bolo Subha Shaam
Hare Krishna Hare Krishna
Hare Krishnaa
Hare Ram

Duniya Ne humko Diya Kya
Duniya se Humse Liya Kya
Hum Sab Ki parvah Kare Kyun
Sabne Humara Kiya Kiya

Aa aAaaa a a aaa a a aa

Dum MAro Dum
Miit Jaye Ghum
Bolo Subha Shaam
Hare Krishna Hare Krishna
Hare Krishnaa
Hare Ram

_________________


এটা তার পরের যোগ, রিমিক্সের সময়


Kya hai kahani Tere paap ki
Toopi Hai pyare Har Naap ki
Khuli hai Baap Ki
Kya hai Pasand kaho aapki

Ander ke bandar se ho Guftgu si ek baat
Thi jusjtu si ek baat
ho Guftgu si ek baat

Phir kyun MEin tu
kar rahe Tai Tun

Uche Se ucha Banda
Boty Pe baithe Nanga
Phir Kahe ki socitety
Sali kahe ka pakhanda

Bheje se Kaleje se kalejje ke kalejje Se
Mit jaaye Gum MAroge to Jeeyo ge
Dum MAro Dum

Dum MAro Dum
Miit Jaye Ghum

Bolo Subha Shaam
Hare Krishna Hare Krishna
Hare Krishnaa
Hare Ram

Dum MAro Dum
Miit Jaye Ghum

Bolo Subha Shaam
Hare Krishna Hare Krishna
Hare Krishnaa
Hare Ram

_______________________________


আর গত তিন দিন ধরে যে গানটি আমার মধ্যে গুনগুনিয়ে বার বার আসছে, সেটার সুর , আবহ কিম্বা পরিস্থিতির সহ-অবস্থানের প্রেক্ষিতেই পরম্পরায় বাকি গুলো মনে পড়ে যাওয়াঃ





না এলে ক্লিকানঃ http://www.youtube.com/watch?v=cUxqDhHmALU

সহেনা যাতনা...
দিবস ও গনিয়া গনিয়া বিরলে
নিশিদিন ও বসে আছি শুধু পথোপানে চেয়ে
সখা হে এলেনা, সহেনা যাতনা।।

দিন যায় রাত যায় সব যায়
আমি বসে হায়
দেহে বল নাই, চোখে ঘুম নাই।।

শুকায়ে গিয়াছে আখি জল।।

একে একে সব আশা
ঝরে ঝরে পড়ে যায়।।


সহেনা যাতনা...
দিবস ও গনিয়া গনিয়া বিরলে
নিশিদিন ও বসে আছি শুধু পথোপানে চেয়ে

সখা হে এলেনা, সহেনা যাতনা।।

এ আরেক সহেনা যাতনা, গানের আবেগ কাছে টানে খুবঃ


---------------------------------------
আর হ্যাঁ ওদিন, ও কিন্তু আসেনি ওঅর সিমেট্রীতে। <img src=" style="border:0;" />


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29356134 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29356134 2011-04-03 12:44:28
বিশ্রাম্ভলাপ! শিরি -ফরহাদ-লাইলী -মজনু আর রাধা্-কালা বিষয়ক।
তোমাকে স্বর্গের সব নর্তকীদের দেবো,
অনন্তকালের জন্যে,
যদি তুমি শিরিকে ত্যাগ করো,
আর লুসিফার এসে বলতো,
তোমার আত্মার বিনিময়ে,
এক পলকের দেখা দেয়াতে পারি শিরিকে।
তখন কি ফরহাদ,
লুসিফারের প্রস্তাবেই হাত মেলাতো না?

আর যদি লাইলীকে বলা হ'ত,
মজনুর মাথার
একগোছা চুলের বিনিময়ে,
সদ্য বয়সন্ধির
সব সুন্দর কিশোরগুলো,
শুধু তারই দেহগত
যাচ্ঞা করবে,
লাইলী কি সে চুলের গোছাকে
মুঠো থেকে মুক্ত করতো?
বোধ হয় না।

তাই যদি হয়,
তা'লে কালা কেন শ্রীকৃষ্ণ হয়ে
অর্জুনকে ভাতৃঘাতী যুদ্ধে উদ্ধুদ্ধ করলেন?
রাধার প্রেমের উষ্ণতাকে
ছেড়ে ছুঁড়ে?


হেলেনের চেয়ে কে বেশী কিছু
দিতে পারতো প্যারিসকে?
গোল্লায় যাক শান্তি,
ঐশ্বর্য্য আর অপার ক্ষমতা।
প্রেম তো কালাতীত,
মনুষ্যগ্রাহ্য প্রাণাতীত আকুতি।


ড্যাফনি আমাকে কী
বর দিয়েছিলে?

হরিন না কিশোরী শিকার করার?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29354997 http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29354997 2011-04-01 17:19:46