somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাজাকাররা পালাচ্ছে........

২৮ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


রগকাটা শিবিরের প্রতিষ্ঠাতা ও জামাতের মিডিয়া টাইকুন মীর কাশেম আলী স্বাধীনতা বিরোধী ওই দলটির সবচেয়ে অর্থশালী ব্যক্তিও। ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা হাসপাতাল, নয়া দিগন্ত, দিগন্ত টেলিভিশন এর অন্যতম কর্তাব্যক্তি।
রাবেতা আলমে আল ইসলামীসহ আরব-ভিত্তিক বেশকিছু আন্তর্জাতিক ইসলামী সংগঠনের সঙ্গে তার রয়েছে তিন দশকের সম্পর্ক।
তৎকালীন ছাত্র সংঘের এই ধুরন্ধর নেতা ১৯৭১ সালে চট্টগ্রাম কলেজকে কেন্দ্র করে গড়ে তুলে ছিলেন রাজাকার, আল বদর ও আল শামস এর ক্যান্টনমেন্ট। চট্টগ্রামের বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই নরঘাতক। এখনও চট্টগ্রামের চকবাজার, গনি বেকারী, আন্দরকিল্লা, পাঁচলাইশ এবং এর আশেপাশের এলাকার চল্লিশোর্ধ মানুষেরা এই ঘাতকের নাম শুনলে ভয়ে শিউরে ওঠেন।
রাজাকার কাশেম আলী একদিকে যেমন দুরন্ত সাহসী তেমনি রয়েছে চতুর বুদ্ধি। জামাতের অনেক নেতার বিপূল অর্থবিত্ত থাকলেও তারা কেউ মিডিয়া খাতে বিনিয়োগের কথা চিন্তাও করেন নি। সবেধন নীলমনি দৈনিক সংগ্রাম নিয়ে তারা সন্তুষ্ট ছিল। রাজাকার কাশেম -ই প্রথম মিডিয়া সেক্টরে বিনিয়োগ করে শিবিরের কয়েকশ' ক্যাডারের পুনর্বাসন করেন।
ব্যক্তি কাশেম আলী সম্পর্কে যতদূর জানা যায়, অভাব-অনটনেই জীবনের শুরুটা হয়েছিল। কিন্তু আজকে দেশের শীর্ষ সম্পদ-শালাদের (!) তালিকা তৈরী করলে কাশেম আলীর নাম প্রথম দিকেই থাকবে বলে তার সঙ্গে ঘণিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন।
তার মালিকানাধীন কেয়ারী গ্রুপের বিপনী বিতান, এ্যাপার্টমেন্ট সহ সহস্রাধিক স্থাপনা রয়েছে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার সহ দেশের গুরত্বপূর্ণ এলাকায়। কেয়ারী সিন্দবাদের প্রমোদ-ভ্রমন তরী সহ রয়েছে সমুদ্রগামী জাহাজের বানিজ্য।
জামাতের আন্তর্জাতিক কানেকশনের মূল দায়িত্ব পালন করে থাকেন এই কাশেম আলী। রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাবেতা আলমে আল ইসলামীর কোটি কোটি টাকাই কাশেম আলীর অর্থের মূল উৎস বলে ধারণা করছেন তার সঙ্গে সংশিষ্টরা।

গত তিন দশকে বাংলাদেশের এই পবিত্র মাটিতে ঘাতক কাশেম আলীর কার্যকলাপ পর্যালোচনা করলে, তাকে গো: আজম, নিজামী, মুজাহিদদের চেয়েও দেশের জন্য ক্ষতিকারক প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করা দুধের শিশুর জন্যও কষ্টকর হবেনা।
সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাঝে মধ্যে আস্ফালন করলেও কাজের বেলায় যে ঠুঁটো জগন্নাথ, কাশেম আলীর পলায়নের চেয়ে উৎকৃষ্ট উদাহরণ আর কী-ই বা থাকতে পারে।
দেশের জন্য অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে, যদি না কাশেম আলীর মত সত্যিকারের খুনী রাজাকারদের বিচারের কাঠগড়ায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া না যায়।
আসুন রাজাকারদের পন্য বর্জণ করি।
অর্থহীন বিতর্ক, আর বিবাদ সৃষ্টি না করে আসুন পলায়নপর খুনী, ধর্ষক, লুটেরা >>> রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের পালানোর পথ রুদ্ধ করি, তাদেরকে বিচারের আদালতে তুলে দেই। ওদের নির্মমতার সমুচিত শাস্তি দেয়ার জন্য এর চেয়ে উপযুক্ত সময় আপনার জীবদ্ধায় আর পাবেন না।
তবে কেউ যেন গোলা জলে মাছ শিকার না করে সে বিষয়ে সাবধান হতে হবে। আর নিরাপরাধ কেউ যেন ভুল শাস্তি না পায় সে বিষয়েও আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।


আরও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন, মীর কাশেম আলী: (ব্যক্তিগত সহকারী রিসিভ করতে পারেন) : ০১৮১৯ - ২১৫৯৪৪
অথবা হেলাল হুমায়ুন (চট্টগ্রামের কুখ্যাত আলবদর নেতা ও ৭১ সালে মীর কাশেম আলীর বিশ্বস্ত সহযোগী ) : ০১৭১১৭২২২১৮।


*** কারও কাছে এই রাজাকারের ছবি থাকলে দয়া করে এই পোষ্টে দিতে পারেন।




আরও পড়ুন: আজকের প্রথম আলুতে >>>>

মীর কাশেম আলী দেশ ছেড়েছেন!

জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাশেম আলী বিদেশে গেছেন। গত ২৪ মার্চ সকালে তিনি কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ঢাকা ছেড়ে যান। ইমিগ্রেশন ও গোয়েন্দা সূত্রগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর প্রাক্কালে মীর কাশেম আলীর এই বিদেশ গমনকে সরকারি কর্তৃপক্ষ দেশ ছেড়ে যাওয়া হিসেবে দেখছেন। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ করার অভিযোগ আছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ২৬ মার্চ রাজারবাগে বলেছিলেন, সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধীদের কাউকে দেশ থেকে পালাতে দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে বিমানবন্দরসহ সব বন্দরে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইমিগ্রেশনের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার যে তালিকা বিমানবন্দরে পাঠিয়েছে, তা আসে মীর কাশেম চলে যাওয়ার পরদিন। এ কারণে তাঁকে বিদেশে যেতে বাধা দেওয়া হয়নি। সরকারের তালিকায় অন্যদের সঙ্গে মীর কাশেম আলীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
মীর কাশেম আলীর এ সময়ে বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ কোনো কথা বলতে রাজি হননি। ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, কাতার এয়ারের কিউআর-৩৪৫ ফ্লাইটে মীর কাশেম আলী ২৪ মার্চ সকাল আটটা ৫০ মিনিটে ঢাকা ছেড়ে যান। তাঁর গন্তব্য ছিল দুবাই হয়ে সৌদি আরব। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবে আছেন বলে জানা গেছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, মীর কাশেম আলীর সঙ্গে তাঁর পুত্র মীর আরমান আলী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এনামুল হকও ছিলেন। ঢাকা ত্যাগের সময় তাঁরা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেন।
সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, মীর কাশেম আলী বিমানবন্দর ত্যাগ করার সময় আওয়ামী লীগের এক সাংসদ বিদেশ থেকে ফিরছিলেন। তিনি কাশেম আলী কীভাবে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করে বিদেশে যাচ্ছেন, তা জানতে চাইলে হইচই শুরু হয়। এরপর বিষয়টি জানাজানি হয়। ততক্ষণে তিনি চলে গেছেন। পরে লাউঞ্জ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার অভিযোগে বিমানবন্দরের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়।
মীর কাশেম আলী বর্তমানে দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক, ইবনে সিনা ট্রাস্টের সদস্য (প্রশাসন) এবং কেয়ারি হাউজিং ও ইডেন শিপিং লাইনসের চেয়ারম্যান। তিনি রাবেতা আলম আল ইসলামীর এদেশীয় পরিচালক।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, মীর কাশেম আলী কীভাবে দেশ ত্যাগ করলেন, সেটা খতিয়ে দেখা উচিত।
সূত্র:
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৫৯
১৭টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×