somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাকে একটা বন্দুক এনে দে, আমি যুদ্ধে যাবো

০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ওরে তোরা কে কোথায় আছিস, আমাকে একটা বন্দুক এনে দে, আমি যুদ্ধে যাবো। শুয়ারগুলোকে...... (না শুয়ার তো অনেক ভালো, কারো ক্ষতি করেনা, ওদের কে কী বলে ডাকা যায়?) গুলি করে না মারা পর্যন্ত নিরবে ঘরে বসে থাকি কী করে?

দেশে এখন চলছে ক্রমিক বিচার। জেএমবি ও বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে। চলছে বিডিআর বিদ্রোহীদের বিচার। শুরু হচ্ছে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের বিচার। ঘৃণিত এসব যুদ্ধাপরাধীরা কখনো স্বপ্নেও ভাবেনি তাদের আদালতের কাঠগড়া আর ফাঁসির জুঁজু নিয়ে ভাবতে হবে। রাজাকার গো আজম, নিজামী, মুজাহিদ, মোল্লাদের বিচার এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদদের মায়েরা, স্ত্রীরা, ভাইয়েরা, বোনেরা পৃথিবী ছাড়ার আগে তাদের সন্তানদের খুনীদের বিচার দেখতে পাবেন। ধর্ষিতা নারীরা তাদের ধর্ষক-লম্বপটদের বিচার দেখে শান্তিতে চির নিদ্রায় যেতে পারবেন....একটি স্বাধীন দেশে সর্বহারা এসব মানুষদের জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর হয়না। এই বিচার বাংলাদেশে দেশে আইনের শাসন নিশ্চিত করবে, আসবে শান্তি এবং স্বস্তি। কিন্তু গত ৪০ বছরে ৭১ খুনী-লম্পট, ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হওয়ায় ওই নরপশুদের পরবর্তী প্রজন্ম গড়ে উঠেছে।
তাই খুনী যুদ্দ্ধাপরাধীদের বিচার করেই ক্ষান্ত হলে চলবেনা। মানবতার বিরুদ্ধে এই লড়াই চালিয়ে যেতে হবে আরো বহুদিন....।

সংবাদপত্রে প্রকাশিত সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাই আমার এই লেখার উৎস।

ঘটনা নাম্বার এক:

কেউ কি কখনো কল্পনা করতে পেরেছেন - একটি সন্তানকে তার মায়ের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে, সেই ধর্ষণের সিডি ওই মেয়ের বাবা-মাকে পাঠানোর মত এত নীচ, জঘণ্য আর হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটতে পারে? পাঠক, তেমনই এক চরম মানবতা বিরোধী ঘটনা ঘটছে, খোদ রাজধনীতেই। দুর্বৃত্তরা ভিকারুননিসা স্কুল এন্ড কলেজের ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রীর সঙ্গে এমন নি:সংস ঘটনা ঘটিয়েছে। নিস্পাপ সেই মেয়েটি এখন কোথায় আছে, কেমন আছে, ওই নরপশু আর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেনা।
শুধু তাই নয়, দুর্দশাগ্রস্ত ওই পরিবারটি পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সংস্থাগুলোর কর্তাব্যক্তিদের কাছে গিয়েও কোনো সহায়তা পায়নি। ওই সিডি’র কথা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জানালে, শুয়োরের বাচ্চা ওই পুলিশ বলেছেন, ‘অমন সিডি বানানো যায়’। বখাটেদের হাত থেকে সন্তানকে বাঁচাতে এর আগে মেয়েটির বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে পারেননি সন্তানকে। আদৌ মেয়েটি বেঁচে আছে কি না ওই পরিবারের এখন এই জিজ্ঞাসাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর ভিকারুননিসার নবম শ্রেণীর ওই ছাত্রীকে গত ৭ ফেব্রুয়ারি অপহরণ করা হয়। স্কুল থেকে মায়ের সাথে বাসায় ফেরার পথে তানভির ওরফে রাজিব ও তার সঙ্গীরা মেয়েটিকে অপহরণ করে। ঘটনার ব্যাপারে মেয়েটির মা থানায় গেলে থানা পুলিশ প্রথমে মামলা নিতে চায়নি। চার দিন পর ১১ ফেব্রুয়ারি রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মেয়েটির মা থানায় অভিযোগ করেছেন, স্কুলে যাওয়ার পথে বিভিন্ন সময় রাজিব তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করত। এ নিয়ে মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে রাজিবের পরিবারের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর রাজিব আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সে মেয়েটিকে অপহরণের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় রমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। সাধারণ ডায়েরির পর রাজিব ও তার সঙ্গীরা মেয়েটিকে রাস্তায় পেলেই অকথ্য ভাষায় গালাগালি করত। এমনকি তার বাবা-মা এবং পরিবারের অন্য সদস্যদেরকেও নানাভাবে হুমকি দিতো। সর্বশেষ গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাজিব ও তার সঙ্গীরা মিলে মেয়েটিকে অপহরণ করে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, সাধারণ ডায়েরি করার পরও তারা মেয়েটিকে বখাটেদের কবল থেকে আড়াল করতে পারেননি। অপহরণের পর মামলা করতে গেলেও পুলিশ গড়িমসি করেছে।
এ দিকে থানায় মামলা দায়েরের পরও পুলিশ ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারে কোনো চেষ্টা করেনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মেয়েটির বাবা থানায় গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধারের অনুরোধ করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে বলেছেন, ‘আপনার মেয়েকে আপনি খুঁজে না পেলে আমরা পাবো কিভাবে’।
মেয়েটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে সেই চিত্র ধারণ করে তৈরি সিডি দেখে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মেয়েটির বাবা। দৃশ্য দেখে মা-ও জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। মেয়েটির চাচা বলেন, তাদের ধারণা ওই ভিডিও চিত্র তারা বাজারে ছেড়ে অর্থ উপার্জনের পথ বেছে নিতে পারে।
মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা বলেন, পিংকি ও ইলোরার আত্মহননের ঘটনায় যখন বিভিন্ন সংগঠন সোচ্চার হয়ে উঠেছে, তখন তাদের মেয়েটি বখাটেদের হাতে বন্দী। যে নির্যাতনের চিত্র তারা দেখেছেন তা কোনো সভ্য সমাজের মানুষের সহ্য হওয়ার কথা নয়। কিন্তু মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মেয়েটির মাকে বলেছেন, ‘অমন সিডি বানানো যায়’। মেয়েটির পরিবারের দাবি তাদের সন্তানকে উদ্ধার করা হোক। রমনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘মিটিংয়ে আছেন’ বলে ফোন রেখে দেন।


ঘটনা নম্বর দুই:


নরপশুর থাবা থেকে রেহাই পেল না দুই বছর নয় মাসের ছোট্ট মেয়েটাও। খালি বাড়িতে ধর্ষণের শিকার হলো মেয়েটি। ওই সময় মেয়েটির বাবা ছিলেন রাজধানীর কোনো এক সড়কে, রিকশা চালানোয় ব্যস্ত। মা ছিলেন পরের বাড়িতে ছুটা বুয়ার কাজে। আর এ সুযোগে পাশবিক ঘটনাটি ঘটে।
রাজধানীর উত্তরখান থানাধীন আবদুল্লাহপুরের আটিপাড়ায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের কোনো একসময় ঘটনাটি ঘটেছে। পরে মেয়েটির মা সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে পাড়া-প্রতিবেশীর সহায়তায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে মেয়েটি সেখানেই চিকিৎসাধীন।
মেয়েটির মা জানান, গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে তিনি ছুটা বুয়ার কাজ করতে যান। তাঁর স্বামী সকালেই রিকশা নিয়ে বেরিয়ে যান। মেয়েটিকে দেখার জন্য তাঁর পরিবারে আর কেউ নেই। নিরুপায় হয়ে তিনি মেয়েটিকে খালি বাড়িতে রেখে কাজে যেতেন নিয়মিত। অন্যদিনের মতো গতকালও তিনি একই কাজ করেন। কিন্তু বাড়ি ফিরে দেখেন মেয়ে তাঁর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তবে কে বা কারা কাজটি করেছে তিনি তা জানাতে পারেননি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সালাউদ্দিন জানান, মেয়েটির প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। এখন সে মানুষ দেখলেই ভয়ে চিত্কার করে উঠছে। মা চোখের আড়াল হলেই ভয়ার্ত চোখে এদিক-সেদিক তাকিয়ে কান্না শুরু করছে।
Click This Link


ঘটনা নম্বর তিন:
প্রেমে সাড়া না পেয়ে বখাটের দেওয়া আগুন নিয়ে পুকুরে ঝাঁপ দিয়েও বাঁচতে পারল না স্কুলছাত্রী পিংকি। কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের কোনাভাওয়াল গ্রামের আলফাতুল ভূঁইয়ার কন্যা পুরুড়া হাই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী পিংকি আক্তারকে (১৫) একই গ্রামের আঃ গফুর ওরফে জারু মিয়ার পুত্র তবারক (২৫) দীর্ঘদিন ধরে একতরফা প্রেম নিবেদনে উত্ত্যক্ত করে আসছিল এবং বিভিন্ন অশালীন কথাবার্তা বলত। এক পর্যায়ে পিংকি সরাসরি তার প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। পিংকি বিষয়টি তবারকের মা-বাবাকেও জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তবারক পিংকিকে গালাগাল করে এবং পিংকিদের ঘরের চালে ঢিল ছোড়ে। প্রেমে সাড়া না দেওয়ায় বখাটে তবারক অবশেষে গত সোমবার (৫ এপ্রিল) পিংকির বাড়িতে যায়। এ সময় পিংকি বাড়িতে একা ছিল। তবারক তাকে গালাগাল করতে থাকে। এক পর্যায়ে ঘরের জ্বলন্ত কুপি থেকে পিংকির মাথায় কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পিংকি বাঁচার জন্য দৌড়ে বাড়ির পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয়। পরে এলাকাবাসী মারাত্মক অগি্নদগ্ধ পিংকিকে উদ্ধার করে প্রথমে তাড়াইল হাসপাতালে পাঠায়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ৬ এপ্রিল পিংকি মারা যায়।
Click This Link

প্রতিদিনই এমন মানবতা বিরোধী কাজ চলছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের মত ইনশল্লাহ যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচার হবে। অনেক দেরীতে হলেও স্বয়ং রাষ্ট্রই এই দায়িত্ব কাধে তুলে নিয়েছে। কিন্তু চলমান সামাজিক ব্যাধি - ইভ টিজিং আর এমন অপহরণ, ধর্ষণের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র বিচারালয়ের বিচার কিংবা জেল-জরিমানাও এ ব্যাধি নিরাময়ে যথেষ্ট নয়। ক্রসফায়ারেও কাজ হবেনা। ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড নিয়ে মৌন মিছিল যথেষ্ট নয়। যথেষ্ট নয় ব্লগের এই লেখা-লেখিও। সরকারের পাশাপাশি আমাদের সকলের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। ঘরে ঘরে সচেতনতার আলো জ্বালতে হবে সম্ভাব্য সব উপায়ে।
তারপরেও যদি কাজ না হয়, দয়া করে কেউ আমাকে একটা বন্দুক দিন, আমি যুদ্ধে যাবো.... ওইসব শুয়োরের বাচ্চাদের যে কয়টাকে পারি গুলি করে মারবো। অন্তত এক সেকেন্ডের জন্য হলেও তো নরপশুদের থামিয়ে দিতে পারবো। সন্তানহারা এসব বাবা-মায়ের কান্নায় যে আকাশ-বাতাস ক্রমশ ভারী হয়ে উঠছে। আর তো দেরী করা চলেনা। নিজেকে মানুষ হিসেবে পরিচয় দেয়ার মত আর তো কিছু অবশিষ্ট থাকবেনা......।




১০টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×