নিউইয়র্কে মদিনা মসজিদে চুরির সময় হাতেনাতে গ্রেফতার হলো বাংলাদেশী রাহেল হাকিম
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৭
এনা, নিউইয়র্ক থেকে
নিউইয়র্ক সিটির ডাউন টাউন ম্যানহাটানে মদিনা মসজিদের দান বাক্স থেকে দীর্ঘদিন যাবত অর্থ চুরির দায়ে ১৯ জানুয়ারি প্রত্যুষে রাহেল হাকিম (২৫)নামক এক বাংলাদেশীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ডলার চুরির সময় হাতে-নাতে ঘটেছে গ্রেফতারের এ ঘটনা এবং মুহূর্তেই তা কম্যুনিটিতে ছড়িয়ে পড়লে ছি: ছি: ধ্বনি পড়ে সর্বত্র। গ্রেফতারকৃত রাহেলের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায়। এর আগেও সে চুরির ঘটনায় কয়েক দফা গ্রেফতার হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মদিনা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এনাকে জানান, দানবাক্স থেকে অনেক দিন ধরেই ডলার চুরি হচ্ছিল। বিষয়টি আমাদের সকলকেই বিচলিত করে। এক সময় আমরা ভিডিও ক্যামেরা পরীক্ষা করে পরিস্খিতি উদঘাটনে সক্ষম হলেও চোরকে হাতে-নাতে ধরার অপেক্ষায় ছিলাম। সে সুযোগটি ঘটলো ১৯ জানুয়ারি ভোর রাতে। চুরির ঘটনাটি ভিডিওতেও ধারণ করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে পুলিশ স্টেশনে নিয়ে গেছে হাতকড়া পরিয়ে। তিনি বলেন, ঘটনাটি এতই দু:খজনক এবং লজ্জাজনক যে কাউকে বলাও যায় না। কিন্তু মসজিদের এহেন ঘটনা বেশীক্ষণ গোপন রইলো না। মুসুল্লীগণের মুখে মুখে তা ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। আমি দোয়া করছি, আল্লাহ্ যেন তাকে ভাল হবার সুমতি দেন।
জানা গেছে, গত মে মাস থেকেই মনে হচ্ছিল দানবাক্সে ডলারের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। কমিটির সকলকে বিষয়টি ভাবিয়ে তোলে। অবশেষে মসজিদের সিসিটিভি পরীক্ষা করা হয়। দেখা যায়, গভীর রাতে মসজিদ ভবনের সদর দরজা দিয়ে কেউ ভেতরে ঢুকে ফায়ার এস্কেপ বেয়ে দোতলায় মসজিদের জানালা পর্যìত্ম উঠে এবং জানালা খুলে মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দানবাক্সের তালা খুলে সামান্য কিছু রেখে অবশিষ্ট অর্থ চুরি করা হয়। মে মাসের ৫ তারিখে এ ব্যাপারে নিকটস্খ পুলিশ স্টেশনে বিষয়টি লিখিতাকারে অবহিত করা হয়। পুলিশ প্রশাসন থেকে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেয়া হয় এবং ওঁৎপেতে বসে থাকতে বলা হয় হাতেনাতে চোরকে ধরার জন্য। কিন্তু চোর এতই চতুর যে টেকনিক পাল্টাতে থাকে। অক্টোবর, নভেম্বর এবং চলতি জানুয়ারি মাসের ৫ তারিখে আরো ৩ বার সে চুরি করে। অবশেষে কমিটির পক্ষ থেকে রাত-দিন ২৪ ঘন্টা বিষয়টি মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়। সে অনুযায়ী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দিবাগত রাত ২.৪৩ মিনিটে মসজিদের ইমাম ভিডিওতে দেখতে পান চোরকে। সাথে সাথে ফোন করা হয় সভাপতি নাসিরউদ্দিনকে। জনাব নাসির ফোন করেন পুলিশ স্টেশনে। ৫ মিনিটের মধ্যে সকলে ঘেরাও করেন মসজিদ ভবন এবং ভেতরে দেখতে পান বাক্স থেকে চাঁদার অর্থ চুরি করছে রাহেল হাকিম। পাকড়াও করা হয় তাকে। ৯ নম্বর প্রেসিঙ্কটে দায়েরকৃত অভিযোগ নম্বর হচ্ছে ২০০৯- ০২৩৬৯।
পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে জনাব নাসির এনাকে আরো জানান, ব্রঙ্কসে তার মা-বাবা-আত্মীয়-স্বজন বসবাস করেন। কিন্তু তাদের সাথে রাহেল হাকিম থাকে না। এর আগে সে কয়েকবার গ্রেফতার হয়েছিল চুরির দায়ে। প্রসঙ্গত উলেíখ্য যে, নিউইয়র্ক সিটিতে বাংলাদেশীদের পরিচালনাধীন কয়েকটি মসজিদের দানবাক্স থেকে এর আগেও বিপুল অর্থ চুরি হয়েছে। কিন্তু কাউকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
http://www.khabor.com/news/prabash/01/prabasher_news_01212010_0000003.htm
ইতিপূর্বে কেউ খবরটা প্রকাশ করে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি!
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী।
লেখক বলেছেন: আর সে জন্যেই তো সে মসজিদে গিয়েছিল রাইতের আন্ধারে!
লেখক বলেছেন: এই দেশের জেলে হয়ত পিডা খাইবোনা, তয় বাইর হইয়া আসলে খবর আছে!
লেখক বলেছেন: আমিও না। তয় চুরির আগে ছিলাম!
লেখক বলেছেন: তালে তালে দে!
বিডি আইডল বলেছেন:
ভালো
লেখক বলেছেন: শুনতে ভাল শোনালেও কামে ভালনা।
শালা বাংলাদেশের ইজ্জত পাঙ্কচার করছে।
লেখক বলেছেন: থু থু রইল...
অভিমানী মেঘ বলেছেন:
দেশের নামটা এরাই ডোবায়, বাইরে।
লেখক বলেছেন: দেশ ডুবাইয়্যা মাল কামায়!
এইচ এম বাশার বলেছেন:
শালা বাংলাদেশের ইজ্জত পাঙ্কচার করছে।
লেখক বলেছেন: নতুন চাকা চাই!
নীলপদ্দ বলেছেন:
রাহেল হাকিম বাংলাদেশী আর মুকুল আসাদুজ্জামান , ওসমান চৌধুরী ও বাংলাদেশী। কিন্তু এদের মধ্যে কত পার্থক্য।
লেখক বলেছেন: এদের জন্যেই হয়ত আমাদের নামটা এখনও টিকে আছে। ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আরও বেশী দামে বিক্রী করার আশায়!
লেখক বলেছেন: আমরাও দুঃখিত, লজ্জিত।
অলস ছেলে বলেছেন:
যে চোর তার কাছে মসজিদ না ক্যাসিনো এইটা বড় না, টেকার বাক্সটাই বড় কথা। ইমাম সাহেব বেচারা রাত জেগে বসে ছিলেন এটা পড়ে বরং মজা লাগলো, তাঁর কষ্ট স্বার্থক হইছে। আরেকটা বিষয় আমার কাছে মনে হয় একদম অপ্রাসঙ্গিক, লোকটার বাড়ি কোথায় তা উল্লেখ করা। তবুও ধন্যবাদ, মজার একটা নিউজ শেয়ারের জন্য।
লেখক বলেছেন: মসজিদের দানের বাক্সের স্বাস্থ্য খুব একটা খারাপ না। শালা জাতে মাতাল তালে ঠিক!
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলামের সাথে সহমত.
লেখক বলেছেন: গুয়ান্তামো বে শুনছি গুটাইয়া ফেলতাছে!
রাজিয়েল বলেছেন:
কিসু কুলাংগারের জন্য সারা দেশের লোকের মানইজ্জত এইভাবে ডুবে। এই টাইপের লোকগুলার নাগরিকত্বই বাতিল করা দরকার। শালা, .................. নাতি
লেখক বলেছেন: এদের যন্ত্রনায় বিদেশে বাস করাটাই জটিল হয়ে দাড়িয়েছে।
ডিজিটালভূত বলেছেন:
ভাগ্য ভালো জুতা চুরিতে ধরা পড়ে নাই। তাহলে মান-ইজ্জত সব যাইত।
লেখক বলেছেন: কে জানে, সামনে হয়ত জুতা চোরও ধরে পরবে!
অবয়ব বলেছেন:
ওখানে চুরির শাস্তি তো হাট কেটে ফেলা। এই ব্যাটার কি হয় জানাইয়েন।
লেখক বলেছেন: না ওখানে হাত কাটার নিয়ম নাই। হয়ত কিছুদিন জেল খাটতে হবে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















