হায়রে সোনা! এখানেও ভেজাল!!!
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৪
![]()
একটি প্রতারণার গল্পঃ
উপরের ছবিটি উচ্ছ্বাসের, গৌরবের। তখন পর্যন্ত তাই ছিল। কিন্তু একটু পর যখন নিচের ছবিটি বের হলো, তখন সব মিলিয়ে এটা জাতীয় লজ্জা। মহিলা সাইক্লিস্ট চিনবাই মারমা সোনা জিততে অসদুপায় অবলম্বন করেছেন; একটি মোটরসাইকেল আরোহীরা হাত ধরে টেনে তাঁকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁর পদক গেছে আর এই প্রতারণায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের কপালে লেগেছে লজ্জার কালি।
সূত্রঃ দৈনিক কালের কন্ঠ
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আমিও একই কথা বলি! ওরাই বা বাদ যাবে কেন?
স্তব্ধতা' বলেছেন:
ওই মোটর সাইকেল আরোহীরা ফেডারেশনের কর্মকর্তা।আর কিছু বলার আছে?
লেখক বলেছেন: সরকার স্পনশরড চিটিং!!!
প্রবাসী রনি বলেছেন:
আমিও এস.কে.ফয়সাল আলম এর সাথে একমত
লেখক বলেছেন: আমিও!!!
লেখক বলেছেন: শুন্ছি যথেষ্ট সোনা না পেলে আহাদ আলী স্যারের চাকরী নট!
লেখক বলেছেন: আমাদের এতকিছু শিক্ষা নেয়ার বাকি, কুলিয়ে উঠতে পারছিনা!
লেখক বলেছেন: কঠিন লজ্জাস্কর!
প্রবাসী রনি বলেছেন:
লজ্জার পরিধি দেখছি ক্রমেই বাড়ছে................. আহারে বেচারী........
লেখক বলেছেন: জলে। স্থলে। অন্তরীক্ষে।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
ছিঃ!
লেখক বলেছেন: ডাবল ছিঃ!
লেখক বলেছেন: মন্ত্রী সাহেবকে কথা দিয়েছিলেন, হয়ত তাই!
লেখক বলেছেন: ভেজালের দুনিয়ায় নয়া ভেজাল! ধন্যবাদ (ভেজাল না) আপনাকে!
ওসমানজি২ বলেছেন:
ভেজালে ভেজালে সয়লাব পুরো দেশ। ধিক্কার জানাই ঐ সব খেলোয়াড় এবং তাদের সাহায্যকারীদের। এদেরকে দেশের ক্রীড়াঙ্গন থেকে চিরতরে বহিষ্কার করা হোক।
লেখক বলেছেন: বাহানা, উসিলা, হেতু ... এসব দেখিয়ে হালাল করার চেষ্টা হবে। আসুন অপেক্ষায় থাকি।
০০৮ বলেছেন:
আচচা ঐ দুই আংগুল দিআ কি দেখায় ?....ষালি{সোরি}..।চোর কোনখানের ...দইরা নাইরা বেল কৈরা দিলে খুসি হৈতাম...
লেখক বলেছেন: চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পর ধরা!
রাজর্ষী বলেছেন:
শালা জোচ্চোর কুনহানকার।
লেখক বলেছেন: টিভি ক্যামেরা সামনে নিয়ে এ ধরনের জালিয়াতি অবিশ্বাষ্য! বাংলাদেশেই বোধহয় এমনটা সম্ভব!
বিডি আইডল বলেছেন:
নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মোটরসাইকেল আরোহী তাকে ধাক্কা দিয়ে সামনের দিকে ঠেলে দিয়েছেন অনেকক্ষণ। আজব!!
লেখক বলেছেন: সোনা যে পেতেই হবে, গুনে গুনে ২০টা!!!
লেখক বলেছেন: ভাবতেও লজ্জা লাগে!
লেখক বলেছেন: এর পেছনে নিশ্চয় কোন হোমরা চোমরা জড়িত। এদের চেহারাটার সাথে পরিচিত হওয়া প্রয়োজন। শালার স্পোর্টস!
আলাউদ্দীন বলেছেন:
একজন খেলোয়ার কতটা নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত হলে এরকম কাজ করে ?নিজে ডুবল সাথে সাথে দেশেরও বারোটা বাজাল।
লেখক বলেছেন: সাইক্লিং ফেডারেশন এ নিয়ে মুখ দেখাবে কি করে?
লেখক বলেছেন: চুরি চামারিতে পর পর ৪বার বিশ্বচ্যম্পিয়নশীপের খেতাব আছে আমাদের। আশাকরি এ ধরনের জালিয়াতি স্পোর্টস জগতে নতুন চ্যম্পিয়ন হতে সহায়তা করবে।
লেখক বলেছেন: এক্কেবারে খাটি কথা!
মিআমি বলেছেন:
তা হলে আমার একটা সত্য কথা বলি
আমি একজন প্রবাসী, আমাদের কোঃ তে প্রতি বছর বাৎসরিক খেলা-ধুলা হয়। ম্যারাথন দৌড় ও হয়। সেই সময় আমাদের পিছনে পিছনে অনেক গাড়ী থাকে, একবার আমাদের সাথে এক ম্যানেজারের ছেলে ও অংশগ্রহন করে তখন তাকে জিতাবার জন্য গাড়ীতে বসায়ে আমার আগে করে দেয়।কিন্তু শুরু থেকেই আমি দ্ধিতীয় ছিলাম আর প্রতি বছরই এতে আমি দ্ধিতীয় হই। প্রতি বছরই নগত টাকা সহ ট্রপি পাই।
আমার অভিযোগে তা বাতিল হয়ে যায়।
খুব ভালো লাগে, আমার নাম নয়
যখন তারা প্রথম বলে বাংলাদেশের ছেলে ওমক
দেশের নাম প্রথমে বলায় আমার গর্ব লাগে ।
লেখক বলেছেন: হা হা হা হা ...
বুমবুম বলেছেন:
আহারে ঠেলবোই যখন তখন মোটরসাইকেল ক্যান টেরাকের লগে বাইন্ধা টান মারলেই তো ভালা হইত,রেকুর্ড টাইম হইতলেখক বলেছেন: আশাকরি ফেডারেশনের কর্মকর্তারা আইডিয়াটা মাথায় রাখবেন।
লেখক বলেছেন: এমন কুবুদ্বি মাথায় এল কি করে?
লেখক বলেছেন: অভিনব চুর!
ওয়াচডগ৫৭ বলেছেন:
চিটিংয়ের সাথে ফেডারেশন কর্তারা জড়িত০ খুলনা অফিস
সাইক্লিং ইভেন্টে খারাপ ফলাফল ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনকে দায়ী করেছেন দলের সদস্যরা। দলের কয়েকজন সদস্য প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফেডারেশনের শীর্ষ থেকে শেষ পর্যন্ত দেশের ভাবমূর্তির চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির ধান্দায় ব্যস্ত থাকেন। ফলে এসএ গেমসে ফলাফল যা হবার তা-ই হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ টিমের কয়েকজন সদস্য সাইক্লিং ফেডারেশনের কর্মকর্তা এবং কোচ কিম বে’র ব্যাপারে মারাত্মক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। দলের মহিলা সদস্য আকাশী সুলতানা ও ফারহানা সুলতানা শীলা বলেন, আমাদের সর্বনাশের জন্য কোরিয়ান কোচ কিম বে দায়ী। মাত্র ১৫/২০ দিনের জন্য কোরিয়ান কোচের প্রয়োজন ছিল না। আমাদের আগের কোচ কুদ্দুসের সময়ই যা উন্নতি হবার হয়েছে। কোচ সাইদুরের অধীনে আমাদের মেয়েদের ৩০ কিলোমিটার রোড টিম টাইম ট্রায়ালে টাইমিং ছিল ৫৮ মিনিট। কোচ কুদ্দুসের অধীনে মাত্র দুই সপ্তাহে তা কমে হয় ৫২ মিনিট। কিন্তু তা সত্ত্বেও ফেডারেশনের চোর কর্মকর্তারা তাদের চুরি জায়েজ করতে হঠাৎ কোরিয়া থেকে কোচ এনেছেন। তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ওর (কোচ) চামড়া তুলে ফেলা উচিত। মহিলা সাইক্লিস্টরা কোচের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ চলাকালে তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতনেরও অভিযোগ করেন।
শীলা জানান, প্রশিক্ষণ চলাকালে তার কানে ঘুষি মারেন কোচ কিম বে। এ কারণে তার চার দিন চিকিৎসা নিতে হয়। কোচের অনেক নির্যাতন যৌন হয়রানির পর্যায়ে পড়ে বলেও আকাশী ও শীলা অভিযোগ করেন। সাইক্লিস্টরা বলেন, সোমবারের চিটিং ঘটনার সাথে ফেডারেশনের কর্মকর্তারা জড়িত। এতে আমাদের কোন দোষ নেই। মোটর সাইকেল থেকে পুশ করে তারা দেশের মান-সম্মান ক্ষুণœ করার সাথে সাথে মারমা ফাতেমারও সর্বনাশ করেছে। ওকে পুশ না করলে ফাতেমা এমনিতেই রৌপ্য বা ব্রোঞ্জ পদকের যে কোন একটি পেত। কারণ ও এমনিতেই খুব ভাল সাইকেল চালায়।
ফেডারেশন কর্মকর্তাদের সম্পর্কে বলতে গিয়ে তারা বলেন, আমাদের ২৫/৩০ হাজার টাকা দামের খুব নিম্নমানের সাইকেল দেয়া হয়েছে। সেগুলোও গেমস শুরুর মাত্র কয়েকদিন আগে দেয়া হয়। প্রাকটিসের সময় আরও নিম্নমানের সাইকেল ছিল আমাদের। তারা বলেন, প্রতিযোগিতায় আমাদের যে সাইকেল দেয়া হয়েছে তার দাম ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। ওজনও ৮ থেকে ১০ কেজি। অপরদিকে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কানরা যে সাইকেল ব্যবহার করে সেগুলো ৪/৫ লাখ টাকা দামের এবং ওজন মাত্র সাড়ে ৩ থেকে ৪ কেজি। সাইকেলের ওজনের পার্থক্যও প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলে। সাইক্লিস্টরা প্রশিক্ষণ চলাকালে তাদের দেয়া খাবারের মান নিয়েও বিস্তর অভিযোগ তোলেন। শীলা বলেন, বিজেএমসি’র অভ্যন্তরীণ ক্রীড়ার সময়ও আমরা এর চেয়ে অনেক ভাল খাবার পেয়ে থাকি। তাদের যে পোশাক দেয়া হয়েছে তাও নিম্নমানের। মহিলা সদস্যরা জানান, তাদের যেসব টাওয়েলস দেয়া হয়, তা যেমন নিম্নমানের, তা-ও সময়মত দেয়া হয় না। ফাতেমার টাওয়েলস ছিড়ে যাওয়ার পর সেটার পরিবর্তন করে দেয়া হয়নি। এজন্য সে রবিবার কান্নাকাটি করে পরদিন সাইকেল চালাবে না পর্যন্ত বলেছিল। তারপরও দেশের দিকে তাকিয়ে আমরা রেসে অংশ নিয়েছি।
বাংলাদেশ দলের সদস্যরা আক্ষেপ করে বলেন, এতদিন দেশের হয়ে খেলছি। রৌপ্য, ব্রোঞ্জ পদক তো পেয়েছিই। সোনা না হয় পাইনি। কিন্তু তার সামান্যতম মূল্যায়ন কোনদিন করা হয়নি। এমনকি হাজার তিনেক টাকা দামের একটা ব্লেজারও আমাদের দেয়া হয় না। এবারেও আমাদের জন্য বানানো হয়েছে শুনেছি। আমরা না পেলেও কর্মকর্তারা তা ঠিকই পেয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে পুরুষ সদস্যরা কোন প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হননি। কিন্তু তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে যে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তা সুখকর মনে হয়নি।
এদিকে গত সোমবার বাংলাদেশের মারমা ফাতেমা চিংবাইকে পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে রেসে এগিয়ে দেয়ার ঘটনা সম্পর্কে সাইক্লিং ফেডারেশনের সেক্রেটারি পারভেজ হাসান বলেন, আমি শুনেছি অলিম্পিক এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তবে এ টিমের সদস্যদের নাম আমার জানা নেই। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এবং দলের ম্যানেজার জোবেরা রহমান লিনু ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















++