জীবনের গল্প বলে যাই গল্পের মতো করে...

থেমে গেলো বাউল করিমের জীবন গাড়ি

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

শেয়ারঃ
0 0 0

‘সামনে বিষম অন্ধকার করতেছি তাই ভাবনা/গাড়ি চলে না চলে না চলে না রে...’-
দীর্ঘদিন রোগ ভোগের পর বাউল সম্রাট শাহ্‌ আব্দুল করিম চলে গেলেন আজ সকাল ৬টায় না ফেরার দেশে। দুপুরে তার লাশ রাখা হয় সিলেট শহীদ মিনারে। সেখানে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। যোহরের নামাজের পর দরগাহে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
অসংখ্য জনপ্রিয় বাউল গানের জন করিম ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার উজানধরে জন্ম গ্রহণ করেন। হাওরের বিশালতা তাকে উদার করে তুলেছিল। দল নদীর জলে সাতার কাটতে কাটতে তিনি গাছ-পাখি-ফুল আর প্রকৃতির কাছ থেকে শিখেছেন জীবন সম্পর্কে। শিক্ষা অর্জনের জন্য তার পাঠশালায় যাওয়া হয়নি। যা কিছু শিখেছেন তা তো প্রকৃতির কাছ থেকেই। মালজোড়া, মুর্শিদী, জারি-সারি, বাউল ভাটিয়ালী, লোকগীতি, গণসঙ্গীতসহ সব শাখায়ই তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। জন্মগত প্রতিভাবান এই কিংবদনি- পুরুষ ২০০৪ সাল থেকেই স্মৃতি হারাতে থাকেন।
বাউল গানের এই কিংবদন্তি পুরুষ তার অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০১ সালের একুশে পদ পান। এছাড়া এ পর্যন্ত তাঁর প্রাপ্ত পদক ও সম্মাননার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য- রাগিব রাবেয়া সাহিত্য পদক ২০০০, আইডিয়া সংবর্ধনা স্মারক ২০০২, লেবাক অ্যাওয়ার্ড ২০০৩, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পদক ২০০৪, অভিমত সম্মাননা পদক ২০০৬, সিলেট সিটি কর্পোরেশন সম্মাননা পদক ২০০৬ সহ আরো অনেক সম্মাননা।
‘সামনে বিষম অন্ধকার করতেছি তাই ভাবনা/গাড়ি চলে না চলে না চলে না রে...’-
দীর্ঘদিন রোগ ভোগের পর বাউল সম্রাট শাহ্‌ আব্দুল করিম চলে গেলেন আজ সকাল ৬টায় না ফেরার দেশে। দুপুরে তার লাশ রাখা হয় সিলেট শহীদ মিনারে। সেখানে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। যোহরের নামাজের পর দরগাহে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
অসংখ্য জনপ্রিয় বাউল গানের জন করিম ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার উজানধরে জন্ম গ্রহণ করেন। হাওরের বিশালতা তাকে উদার করে তুলেছিল। দল নদীর জলে সাতার কাটতে কাটতে তিনি গাছ-পাখি-ফুল আর প্রকৃতির কাছ থেকে শিখেছেন জীবন সম্পর্কে। শিক্ষা অর্জনের জন্য তার পাঠশালায় যাওয়া হয়নি। যা কিছু শিখেছেন তা তো প্রকৃতির কাছ থেকেই। মালজোড়া, মুর্শিদী, জারি-সারি, বাউল ভাটিয়ালী, লোকগীতি, গণসঙ্গীতসহ সব শাখায়ই তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। জন্মগত প্রতিভাবান এই কিংবদনি- পুরুষ ২০০৪ সাল থেকেই স্মৃতি হারাতে থাকেন।
বাউল গানের এই কিংবদন্তি পুরুষ তার অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০১ সালের একুশে পদ পান। এছাড়া এ পর্যন্ত তাঁর প্রাপ্ত পদক ও সম্মাননার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য- রাগিব রাবেয়া সাহিত্য পদক ২০০০, আইডিয়া সংবর্ধনা স্মারক ২০০২, লেবাক অ্যাওয়ার্ড ২০০৩, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পদক ২০০৪, অভিমত সম্মাননা পদক ২০০৬, সিলেট সিটি কর্পোরেশন সম্মাননা পদক ২০০৬ সহ আরো অনেক সম্মাননা।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শ্রদ্ধাজ্ঞলী ;
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

 

১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০১
নতুন রাজা বলেছেন: শ্রদ্ধা এ মহান শিল্পীকে...
২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১
অমিত০৯৭ বলেছেন: নতুন রাজা বলেছেন: শ্রদ্ধা এ মহান শিল্পীকে...

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭০৬ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy

আপাতত সৌখিন
ফ্রি-লেন্স বুদ্ধিজীবি
বনেদী আড্ডারু
মধ্যবিত্ত উদার
সর্বোপরী সুন্দরকে স্বীকৃতি দিতে কার্পণ্য করি না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ