তোমাকে গল্প শোনাব, আজীবন
একটা লালরঙা ভোরে
ঘুমন্ত জোনাকীর পাখায়
নতুন স্বপ্নজাল বুনে
সূর্যের আলো খুঁজে পায় আপন ঠিকানা
তুমি সেই ঘুমন্ত জোনাকী। ... বাকিটুকু পড়ুন
একটা লালরঙা ভোরে
ঘুমন্ত জোনাকীর পাখায়
নতুন স্বপ্নজাল বুনে
সূর্যের আলো খুঁজে পায় আপন ঠিকানা
তুমি সেই ঘুমন্ত জোনাকী। ... বাকিটুকু পড়ুন
সম্মোহিত হৃদয়ে একদিন শব্দঝুড়ি রেখে বলেছিলাম
এই নে, আমার স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি!
অদ্ভুত শব্দের মিশ্রণে কত গল্প শুনিয়ে বলেছিলাম
কাঁদিসনা, এগুলো কল্পনার দস্তাবেজ!
গল্পগুলো আজ তোকে কাঁদায়না
তোর চোখে আজ ধূলো ওড়ে,
আগে সেখানে ছিল জলের বসবাস। ... বাকিটুকু পড়ুন
কতটা সময় তোকে ভুলে যেতে যেতে
ফিরে এসেছি শীতপাখিদের মত
বিবর্ণ ঘাসে নিখাদ জল ফেলে
হারাতে চেয়েছি শঙ্খনীলের আড়ালে।
হয়তোবা কয়েকগুচ্ছ শব্দজালে
না বলা কথায় কাগজ-বন্দী ... বাকিটুকু পড়ুন
মাঝে মাঝে শূন্যতা
আবছায়ায় পূর্নতা
সরলতার নোনাজল
ছাইরঙা মেঘদল
জড়ায় তোমার শহরে
অন্ধনীল আঁধারে! ... বাকিটুকু পড়ুন
নিঝুম কুয়াশার পরিসীমায়
একজোড়া খন্ডচিত্র খেয়ালী অবিরাম।
পলাতক বুনোহাঁসের ডানা আর-
এক কাপ বসন্ত, কল্পভ্রমন বহুদূর!
শূন্য আবেগ মেখে শহুরে জানালায়
তুমি হেমন্তের সন্ধ্যা, দেয়ালে শ্রাবণ;
আমি অগোছালো মহাকালে, ... বাকিটুকু পড়ুন
শহুরে উপত্যকায় কৌনিক গতিপথ-
অবলীলায় ছড়ায় ভালবাসার বিভ্রম;
সোডিয়াম জোনাকীরা হলদে আলোতে পথ হারানো,
ধূসর নিকোটিন অবেলায় আত্মমগ্ন-
খানিকটা ঝাপসা আবেগ মনে হয় ছিল,
ছিলনা চোখের আড়ালে?
আর কিছুটা ভাঙ্গা স্মৃতি? ... বাকিটুকু পড়ুন
আমি শুধু একটি কথাই শুনতে চাই;
জনকের স্নেহভরা শাসন নয়,
জননীর মমতামাখা ডাক নয়,
সদ্য কলেজ পেরোনো তরুনীর-
বাকা ঠোঁটে উচ্ছাসিত ভালবাসার কথা নয়,
জমাট আড্ডায় বন্ধুর গীটার নয়,
টিনের চালে অজশ্র বৃষ্টিকণার রাগিনী নয়, ... বাকিটুকু পড়ুন
ল্যাপটপের স্বার্থপর শব্দে আধো ঘুমের স্বপ্ন বরাবরের মত চলন্ত ট্রেনের নিচে। গুবরে পোকা বাইনারী মরীচিকাগুলো এদিক ওদিক ঘুরে এলইডির কোনায় এসে জড় হয়। চোখ উপড়ে ফেলার মত অনুভূতি হয় বালিশের পেছনে ঘুমন্ত সেলফোনে ন্যান্সি সিনাত্রার চিৎকার। পাশের ছাদে তরুনীর ভেজা চুল আর সেই চুল ছাপিয়ে উঁকি দেয়া সূর্য এখন আর... বাকিটুকু পড়ুন
কয়েক টুকরো মোমের আলো পড়ছে,
নেশাগ্রস্থ গ্লাসের উপর।
ছোঁবোনা-
আলো পরুক; ছায়া পরুক;
ছোঁবোনা-
যখন রাত্রি শেষে,
গ্লাসের গা বেয়ে ছায়ারা গড়িয়ে পরবে, ... বাকিটুকু পড়ুন
মহাকাশে অনেকটা শকুণের মতন উড়ে যাচ্ছে
রুক্ষ, নির্বাক অথচ মৃত্যর নেশায় মত্ত ধুমকেতু।
স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি-
একটা থেকে দুটা, এরপর সহস্র।
অস্তিত্বহীন চোখের ভেতর-
কয়েক পেগের হিংস্রতা, ... বাকিটুকু পড়ুন
একটা পিঁপড়া হেটে যাচ্ছে বাম হাতের আঙ্গুল বেয়ে।
একটা? নাকি অজস্র?
নাকি লক্ষ কোটি পিঁপড়া দল বেঁধে হেটে যাচ্ছে,
আমার মস্তিষ্কের পথে?
তাদের ক্লান্ত নিঃশ্বাস ইন্দ্রিয় ভেদকরে ঢুকে যাচ্ছে গভীরে।
হাঁটার শব্দ, পায়ের ছাপ আর তাচ্ছিল্য মিশ্রিত চাপা হাসি!
আঙ্গুল থেকে বাহু, কাঁধ এরপর কানের পাশ দিয়ে গন্তব্যে। ... বাকিটুকু পড়ুন
আমি ভিজে যাই অনন্ত ছায়ার বর্ষণে
শুকনো পাতায় মোড়ানো মৃত অরণ্যে।
যেখানে বিষাক্ত মেঘের গর্জন ছাপিয়ে
শোনা যায় উদ্বাস্তু পাখিদের হাহাকার।
সোনালী রোদ ধুসর হয়ে নুয়ে পড়ে
হতাশ ফড়িঙের চোখে।
যেখানে জ্যোৎস্না বসে থাকে জোনাকীর আশায় ... বাকিটুকু পড়ুন
হয়তোবা মনে হয়
তুই নেই যে সময়
কল্পনাগুলো যায় অবসরে।
একান্তে তোর সিক্ত চোখের আঙ্গিনায়,
আরেকবার জলে ভিজতে, অগোচরে।
হয়তোবা আমার হাত ... বাকিটুকু পড়ুন
হয়তো প্রতিদিনের মত সেদিনও ঘুম ভাঙবে দশটার পরে,
এরপরেই চিরচেনা ব্যস্ততা অথবা ওপাশ ফিরে আবারও ঘুম!
ময়লা শার্টটাকে ঘামে ভিজিয়ে আসবে দুপুড়
একা দাঁড়িয়ে ক্লান্তির নিঃশ্বাস ফেলবে মলিন গাছের ছায়া।
সবাই চলবে নিজের মত, আমিও;
দুপুড়কে একটু স্বস্তি দিতে আসবে উদাসী বিকেল। ... বাকিটুকু পড়ুন