আমার প্রিয় পোস্ট

মহাবিশ্বের সবচেয়ে জটিল যন্ত্রটির মালিক আমরা এখানে সবাই, কিন্তু কয়জন চেষ্টা করি এটার সঠিক ব্যবহার-প্রণালী সংগ্রহ করার এবং তা ব্যবহার করার !

জলমানব থেকে উৎপত্তি হয়েছে আধুনিক মানুষের !

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

শেয়ারঃ
0 0 0


প্রায় ৬০ বছরের বেশি পুরোনো এই হাইপোথিসিস আবার বিজ্ঞানীদের কাছে ধীরে ধীরে গ্রহনযোগ্যতা পাচ্ছে ।

aquatic ape hypothesis (AAH)

যদিও অনেকে মনে করেন এই হাইপোথিসিস টির প্রচলন সবার প্রথমে করেছেন জার্মানীর Max Westenhöfer ১৯৪২ সালে । একটু ইতিহাস ঘাটলে বের হয় যে ধারনাটা আসলে প্রায় ২৬০০ বছরের বেশি পুরনো । গ্রীক বিজ্ঞানী ও দার্শনিক Anaximander এই ধরনের বিবর্তনবাদ নিয়ে কথা বলে গেছেন ডারউইনের চেয়ে প্রায় ২৩০০ বছর আগে ।

marine biologist Alister Hardy এই তত্বটিকে একটি বৈজ্ঞানিক ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়ে ১৯৬০ সালে এটিকে আবার প্রকাশ করেন ।


Elaine Morgan হাইপোথিসিস টি কে বিজ্ঞানীদের নজরে আনার চেষ্টা করছেন সেই ষাট এর দশক থেকেই । ধর্মীয় মৌলবাদীদের মত বৈজ্ঞানিক মৌলবাদীদের কারনে বিষয়টি সবসময় আড়ালে থেকে গেছে জীববিজ্ঞানের গবেষণার মূল স্রোতের বাইরে ।

এই বিষয়টি নিয়ে Elaine Morgan এর খুব চমৎকার একটি বক্তব্য খুঁজে পেয়েছি । চলুন সরাসরি তাঁর মুখ থেকেই শুনি খুব মজার এই বিষয়টি সম্পর্কে ।


 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১১
রাগ ইমন বলেছেন: খুবই খুবই খুবই ভালো লাগলো । থিওরীটা সত্যিই চিন্তার উদ্রেক ঘটায়।

তবে আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে , " বিজ্ঞান প্রমানিত বললেই তা ধ্রুব সত্য হয়ে যায় না । আমাদের সব সময়ই প্রমানিত বিজ্ঞানকেও সারাক্ষণ প্রশ্ন করে যাওয়া উচিত।" এই মনভাবটি ।

এই অনুসন্ধিৎসু মনটাই আসল । এই প্রশ্ন করতে থাকাটাই আসল শক্তি ।

কি ধর্মে , কি বিজ্ঞানে ।


চমৎকার একটা পোস্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: এত মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ জানাই ।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৩. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২০
রাগ ইমন বলেছেন: ওয়াও, হোয়াট এ ওমেন ! একেই বলে স্পিচ । সারা দুনিয়ার বিরুদ্ধে কথা বললো কিন্তু পুরোটাই দারুন মজা দিয়ে । ব্লগার যারা নিজেদের বিশ্বাস কিংবা বক্তব্য দিয়ে অন্যের বক্তব্যকে খন্ডন করতে চায় তাদের এই ভিডিওটা দেখা উচিত ।

আক্রমনাত্মক কিন্তু অপমানজনক নয় ।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: আমার আরেকটি পোস্ট এ যে ভিডিওটি দিয়েছি সেটা দেখার অনুরোধ করছি ।

Click This Link

ধন্যবাদ ।

৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৭
'লেনিন' বলেছেন: রাগ ইমনের মন্তব্যে +
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যে + দেয়ার অপশন থাকলে আমিও দিতাম । :-)

৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: সময় করে দেখতে হবে ।

ধন্যবাদ -- গুড পোষ্ট ।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

মাত্র ১৭ মিনিটের ১টি ভিডিও, বেশি সময় লাগবে না ।

৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দেখলাম -- খুব ভালো লাগলো ।

বিশেষ করে -- এভরিওয়ান ক্যান বি রং-- হিষ্টুরী হ্যাভ প্রুভেন ইট ।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

এই কথাটাই তো সবাই ভুলে যায়।

নাস্তিক বিজ্ঞানীরা সৃষ্টিকর্তার জায়গায় বিজ্ঞানকে বসিয়ে, ধর্মীয় মৌলবাদীরা যে ধরণের আচরণ করে তেমন করছে । আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে সেজন্য ভয় পাই ।

৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: এই কথাটাই তো সবাই ভুলে যায়।

নাস্তিক বিজ্ঞানীরা সৃষ্টিকর্তার জায়গায় বিজ্ঞানকে বসিয়ে, ধর্মীয় মৌলবাদীরা যে ধরণের আচরণ করে তেমন করছে । আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে সেজন্য ভয় পাই ।


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


হাহাহাহাহহাহাহাহাহাহ


যা বলছেন চেপে যান --- ব্লগে গালি খেতে খেতে ভুত হয়ে যাবেন ।

বিশেষ করে আমাদের ব্লগে বিজ্ঞানীদের ধর্ম গুরু বা মধ্যযুগের পোপের মতো সম্মান দেয়া হয় ।

হাসতেই আছি আপনার কমেন্ত পইরা -- এই জিনিসটা হাজার বলেও মানুষরে বুঝাইতে পারি নাই । :)



২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: অনিশ্চয়তা জিনিস টা খুব কম মানুষই মেনে নিতে পারে সেজন্য এই অবস্থা সব জায়গায়, সেখানে আস্তিক নাস্তিকদের মধ্যে তেমন কোনও পার্থক্য আমি দেখিনা ।

বিজ্ঞানীদের রাগানো তো আমার একটা পছন্দের হবি ;) তাছাড়া এদেরকে রাগানোটা খুব একটা বিপদজনক না । :)

৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২২
বিলাশ বিডি বলেছেন: নেট ঘেটে দেখলাম ভদ্রমহিলার হাইপোথেসিসটা এখনো খুব বেশি হালে পানি পায়নি। দেখা যাক, আরো শক্ত এভিডেন্স পাওয়া যায় কিনা ভবিষ্যতে।

ভালো কথা, নাস্তিক বিজ্ঞানীরা মৌলবাদীদের থেকে কমপক্ষে এক হাজার গুন উত্তম:) বিশ্বাস দিয়ে যতোটা হিংস্র হওয়া যায়, যুক্তি দিয়ে ততোটা হওয়া যায়না!
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: হাইপোথিসিস টা ভদ্রমহিলার না । আর বিজ্ঞান তো কোনও সুন্দরী প্রতিযোগিতা না যে , যে তত্ব বেশি ভোট পাবে সেটাই সত্য হবে ।

এভিডেন্সও অনেক পাওয়া গেছে। ক্যারিয়ারের ক্ষতি করে কেউ এই পথে পা বাড়াতে চাইছে না; তাই এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলোকে একত্রিত করার জন্য যে গবেষণার প্রয়োজন, সেই গবেষণায় আগ্রহী কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না ।

নাস্তিক মৌলবাদী বিজ্ঞানীরা ধর্মীয় মৌলবাদীদের চেয়ে বেশি ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে । যারা পোস্ট-ডক্টোরেট রিসার্চ করছে, তাদের সাথে একবার কথা বলে দেখতে পারেন এই বিষয়ে । বিশেষ করে , রিসার্চ গ্র্যান্ট পেতে কেমন ঝামেলায় পরতে হয়, যদি রিসার্চ টা পিয়ার কমিটি দ্বারা অ্যাপ্রুভড্ না হয় ।

হিংস্রতার ব্যাপারটা আলাদা ।

৯. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯
বিলাশ বিডি বলেছেন: অনেক এভিডেন্স পাওয়ার পরও কেউ এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে চাইছেনা ক্যারিয়ার এর ক্ষতি হবে ভেবে?? ইন্টারেস্টিং! এতো বড় আবিষ্কারের কৃতিত্ব জেনেশুনে বিজ্ঞানীরা হাতছাড়া করে?

হাইপোথেসিসটাকে তো আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণই মনে হয়। আপনার কথা মতে আবিষ্কারটা প্রায় সম্পূর্ণ, শুধু আবিষ্কৃত তথ্যগুলোকে একজায়গায় আনার মতো লোকের অভাব। এটা বিষ্ময়কর যে এই হাইপোথেসিস এর এভিডেন্সগুলো যোগাড় করার জন্য বিজ্ঞানী পাওয়া গিয়েছে কিন্তু আবিষ্কৃত তথ্যগুলোকে জাস্ট একজায়গায় জড়ো করার জন্য বিজ্ঞানী পাওয়া যাচ্ছেনা!

আমি আবারো নেট ঘেঁটে দেখলাম এবং মনে হলো আসলেই অনেক বিজ্ঞানী এই হাইপোথেসিসটা মানছেননা! (বিজ্ঞান কখনোই ভোটাভুটি দিয়ে চলেনা, কিন্তু একটা থিওরী যখন হাইপোথেসিস এর পর্যায়ে থাকে তখন অনেকেই সেই হাইপোথেসিস এর পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান নেন পুরোপুরি প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত। আইনস্টাইনের বিখ্যাত "ঈশ্বর জুয়া খেলেননা" ছিলো কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর প্রথম দিককার ডেভেলপমেন্ট এর সময়!)।

আপনার দেওয়া প্রথম উইকি লিংকেই শেষের দিকে এই হাইপোথেসিস এর বৈজ্ঞানিক কমিউনিটিতে গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে লেখা আছেঃ

"Despite proponents claiming the hypothesis has not had a fair hearing, a variety of scholars have criticized the AAH. Specific criticisms include inconsistencies within the hypothesis, the failure of the fossil record to support the claims[24][26] and the hypothesis is not parsimonious despite claims that it is.[24] To Morgan's statement that wading into shallow water would help proto-humans avoid predation from lions and hyenas, it was pointed out that this would present the risk of being attacked by aquatic animals such as crocodiles and hippopotami that present a current risk to Africans living near bodies of water,[27] while lacking the fangs, claws or size to defend themselves.[28] Humans would lose body heat quickly out of water; most similarly-sized aquatic mammals have dense, insulating fur. Hairless skin is only an advantage for fully-aquatic mammals that dive, swim quickly or migrate long distances such as whales and dolphins.[28] Many aquatic mammals are covered with dense fur but swim very well, and have fatty layers beneath the skin; in many cases the imperfections help with streamlining due to laminar flow.[27] Humans also lack immune system defences to protect against the waterborne parasites.[28] The position, evolutionary timing of changes, and size of the nerve openings in the vertebra suggest that breath control in humans improved because of the increased complexity and use of speech rather than an aquatic phase of evolution.[29] The loss of body hair is also explainable through a lower parasite load and maintained through sexual selection[30] Other criticisms include other water-dwelling mammals that have dense hair, such as otters, beavers and seals, that subcutaneous fat is the result of a sedentary lifestyle rather than aquatic adaptation, that swimming must be learned (just like walking) rather than being an innate reflex, a lack of a waterproof skin (as demonstrated by the "pruning" of the fingertips when submerged for long periods), eyes that are ill-adapted to see underwater, and the adaptation of the mammalian diving reflex being more easily explained as a reaction to hypothermia than underwater swimming.[31]

In a review of The Scars of Evolution, professor of anthropology Adrienne Zihlman states that Morgan sets up a false dichotomy between the AAH and the 'savanna hypothesis', which Zihlman calls "Morgan's code name for other prevailing reconstructions of human evolution". Zihlman states Morgan's first book did not address the central questions of anthropology - how the human and chimpanzee gene lines diverged - which was why it was ignored by the scholarly community. Zilman also says that Morgan ignores the fossil record, skirts the absence of evidence that australopithecine underwent any adaptations to water, making the hypothesis impossible to validate from fossils.[26] The AAH is thought by some anthropologists to be accepted readily by popular audiences, students and non-specialist scholars because of its simplicity.[24]"

এমনকি বিখ্যাত বিজ্ঞানী রিচার্ড ডকিন্সও দেখলাম এই হাইপোথেসিস নিয়ে খুব একটা উৎফুল্ল ননঃ

Click This Link


আপনি যেভাবে নাস্তিক বিজ্ঞানীদের সাথে ধর্মীয় মৌলবাদীদের তুলনা দিলেন সেটা দেখে খুব অবাক হলাম। এর উপর আপনি প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন রিসার্চ ফান্ডিং এর ব্যাপারকে! কোথায় ধর্মীয় মৌলবাদিরা পৃথিবীটাকে টেনে ধরে পেছনের দিকে মধ্য যুগে নিয়ে যেতে চাচ্ছে, আর আপনি সেটার প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন ফান্ডিং নিয়ে অসুবিধা কিংবা পারস্পরিক ঈর্ষা কিংবা রাজনীতিকে। ব্যাপারটা বোধগম্য হলোনা!


২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: এভিডেন্স শব্দটার মানে আমি অন্যভাবে বুঝাতে চেয়েছিলাম |

জীববিজ্ঞানের গবেষণার ধরণটা অন্যান্য বিজ্ঞানের চেয়ে একটু আলাদা, বিশেষ করে Evolutionary Biology তে আবিস্কারগুলো হয় উল্টো পথে| এখানে প্রথমে অনেক তথ্য সংগ্রহ করা হয় বিভিন্ন উৎস্য থেকে; যেমন, Paleontology, Comparative Anatomy, Anthropology, Ethology, Comparative Physiology, Genetics এবং আরও হাজারটা বিষয় থেকে|

যে তথ্যগুলো(এভিডেন্স) ব্যবহার করে Evolutionary Biology তে কোনও বিশেষ তত্বের ভিত্তি মজবুত করা হয়, সেই তথ্যগুলো আবিস্কার হয় সাধারণতঃ বিজ্ঞানের অন্যকোন শাখার অন্যকোনও তত্বকে প্রমাণ করতে যেয়ে|

সেজন্যই বলছিলাম, এভিডেন্স অনেক পাওয়া যাবে, যদি এই হাইপোথিসিসটাকে সমর্থন(বা অসমর্থন) করে এমন তথ্যগুলো কেউ সংগ্রহ করে একত্রিত করার চেষ্টা করে |

যেকোন হাইপোথিসিসকেই আমি সন্দেহের চোখে দেখি, এখানে যে ব্যাপারটা চোখে পড়ার মত, তা হল, কোনও অ্যাকেডেমিক ব্যাকিং পাইনি এই তত্বটি| কিন্তু এটার গ্রহণযোগ্যতা সাভানা হাইলপথিসিসের চেয়ে কোন অংশেই কম বলে মনে হচ্ছে না | অথচ সাভানা হাইপোথিসিসটি অনেক রঙচঙে ছবি দিয়ে পড়ানো হচ্ছে সব ছেলেমেয়েদের কে|

আপনি খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন, অনেক বিজ্ঞানী পাওয়া যাবে, যারা সাভানা হাইপোথিসিসের পক্ষে না ; তারপরও কোন সমস্যা হয় না এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করার ফান্ডিং পাওয়ার জন্য| অদ্ভুত কোনও এক কারণে অনেক বিজ্ঞানী তত্বটাকে তাদের পোষা তত্বে পরিণত করেছে| সুতরাং, নতুন প্রমাণ পাওয়া যাক আর না যাক, এটাকে এরা বুকের সাথে আঁকড়ে রাখবে এবং এই বিষয়ক রিসার্চ এম্নি এম্নিই অ্যাপ্রুভড্ করবে |

আর লোক কেন পাওয়া যাচ্ছে না এই রিসার্চ করার জন্য, সে উত্তর দেয়ার জন্যই মৌলবাদী বিজ্ঞানীদের কথা বলছিলাম| সাধারণতঃ কি হয়, কোনও আইডিয়া বা হাইপোথিসিস যদি আগে থেকে কোনও কারণে কালো তালিকা ভুক্ত হয়ে যায়, সেটা নিয়ে যেকোন ধরণের পজিটিভ কথা বলাই তখন ক্যারিয়ারের জন্য রিস্কি হয়ে যায়, গবেষণাতো দুরের কথা |

আপনি যে অংশটা কপি-পেস্ট করে দিয়েছেন, সেটা আগেই পড়েছি| একই সংখ্যক বা তার চেয়ে বেশি ভুল অন্যান্য প্রচলিত তত্বগুলোর জন্য খুঁজে বের করা কঠিন হবে না| যেকোন হাইপোথিসিসের জন্য এটা প্রযোজ্য | সমস্যাটা এখানে যে, শুধু একটা তত্ব অনেক সমর্থন পাচ্ছে আর অন্যগুলোকে কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না|

আইনস্টাইনএর উদাহরণ দিয়ে যা বুঝাতে চাইলেন, পরেতো একই ভুল করে বসলেন! রিচার্ড ডকিন্স যদি এখন এই তত্বটার বিরোধিতা করে একটা বইও লিখে ফেলে, তাতে কি যায় আসে, যদি তত্বটার পক্ষে পরে ভাল কোন ফসিল বা অন্যকোনও প্রমান পাওয়া যায়!

রিচার্ড ডকিন্সকে কোন হিসেবে বিজ্ঞানী বললেন বুঝতে পারলাম না | ভদ্রলোক তার সারাজীবনে মনে হয়, ৫-৬ টা গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে, তাও গভীর কোনো তত্ব আবিস্কার করেননি | যে বই(The Selfish Gene) লিখে তিনি আজ এত বিখ্যাত, বইযের সে আইডিয়াগুলোতো তার না | W.D. Hamilton এর আবিস্কারগুলোকে তিনি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেছেন শুধু| এই তত্বগুলোর বেশিরভাগই এখনও বেশ বিতর্কিত| Stephen Jay Gould আর রিচার্ড ডকিন্সের মধ্যে এ নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়েছে, সে বইগুলো সংগ্রহ করে পড়তে পারেন |

নাস্তিক “মৌলবাদী” বিজ্ঞানীদের সাথে ধর্মীয় মৌলবাদীদের তুলনা করেছি | এইক্ষেত্রে নাস্তিক কথাটার চেয়ে মৌলবাদী শব্দটার উপর বেশি জোর দিতে চেয়েছি| ধর্মীয় মৌলবাদীরা কি ধরণের ক্ষতি করতে পারে, সে সম্পর্কে এখন সবার বেশ ভাল ধারণা আছে| কিন্তু জ্ঞানের অহংকারে অন্ধ বিজ্ঞানীরা কি ধরণের বিপদ আমাদের সকলের জন্য ডেকে আনতে পারে, তা খুব কম লোকই উপলব্ধি করতে পারছে| রিসার্চ গ্র্যান্টের ব্যাখ্যা উপরেই দিয়েছি| আরও কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল সেদিন, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে লিখতে পারিনি, তাই কথাগুলো কেমন এলোমেলো শোনাচ্ছে|

তবে হিন্টস্ টা নিশ্চয় বুঝতে পেরেছিলেন| ধর্মীয় মৌলবাদীরা যেমন তাদের ধর্মের বিরুদ্ধে কোনও প্রকার সমালোচনা শুনতে রাজি না, ঠিক তেমন ভাবে বিজ্ঞানের অনেক ক্ষেত্রেই বিজ্ঞানী/বিশেষজ্ঞ পাওয়া যাবে, যারা তাদের পছন্দের তত্বের সাথে প্রতিযোগিতা করবে এমন তত্বগুলোকে খুব অবহেলা করে এবং কোনও সুযোগ দেয় না|

প্রথম সমস্যা যেটা এই ধরণের বিজ্ঞানীরা তৈরি করে, তা হল, তারা যেটাই বিশ্বাস করে সেটাই ঠিক| তাদের ঐ বিশ্বাসে পৃথিবী ধ্বংস হলেও এরা এদের ভুল স্বীকার করবে না, এমন অবস্থা হয়েছে এখন|অনেক উদাহরণ দেয়া যেত, তবে আপনি যখন রিচার্ড ডকিন্সের লেখার ভক্ত, তাকে দিয়েই একটা উদাহরণ দিই|

ভদ্রলোক এখন দৃঢ়বিশ্বাসী যে, পৃথিবী থেকে সব ধর্ম যদি নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়, তাহলেই পৃথিবীতে আবার শান্তি ফিরে আসবে| যুক্তিটা আমার কাছে, ধর্মীয় মৌলবাদীদের দেয়া যুক্তির মত মনে হয়েছে| যেকোন একটা ধর্ম সবাই মেনে চললেই দুনিয়াতে আর কোনও সমস্যা থাকবেনা!

যেসব মানুষেরা কোন বিষয়কে যদি তার পূর্বপ্রসূত ধারণার বাইরে দেখতে না পারে, তারাই তো মৌলবাদী| ধর্মীয় মৌলবাদীদের সাথে আমাদের পরিচয় কয়েক হাজার বছরের, এদের ক্ষতি করার প্যাটার্ন আমরা খুব ভাল ভাবেই জানি| অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক মৌলবাদ একদম নতুন একটা ফেনোমেনন| বিজ্ঞানের ছায়ায় বসে, বিদ্ঘুটে সব আইডিয়াকে প্রচার করছে এবং অনেক চিন্তাশীল মানুষকেও এরা খুব সহজে ধোঁকায় ফেলতে পারছে| অবশ্য যেসব বিজ্ঞানীরা এমন আচরণ করে, তারা ধদি আজ থেকে ৫০০ বছর আগে জন্ম নিত, এরাই গ্যালিলিওর কথাকে অবিশ্বাস করত এবং ধর্মদ্রোহীর আজ্ঞা দিয়ে মেরে ফেলতে চাইত|

১০. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৮
বিলাশ বিডি বলেছেন: রিচার্ড ডকিন্স সম্পর্কে আপনি মনে হয় ভালো করে খোঁজ খবর নেননি। তাঁর পাবলিকেশিন্স নিয়ে শুধু উইকিতে একটা পাতা আছেঃ

Click This Link

খেয়াল করে দেখবেন তাঁর প্রকাশিত অনেক পেপারই নেচার এবং সায়েন্স এর মতো জার্নালে প্রকাশিত। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের "Professor of Public Understanding of Science" চেয়ার থেকে সম্প্রতি রিটায়ার করেছেন।

পৃথিবীতে সব পেশার মানুষের মধ্যে ভালো খারাপ আছে। কিন্তু মানব সভ্যতাকে গুহাযুগ থেকে আজকের এই কৃত্রিম উপগ্রহ এর যুগে আনার পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা হচ্ছে যারা জ্ঞানের সাধনা করে তাদের। আমার এখনো মাথায় ঢুকছেনা যারা এই পৃথিবীর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখছে, যারা মানব জাতিকে সারা মহাবিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার সাধনায় রত, তাদেরকে আপনি কিভাবে মধ্য যুগীয় ধ্যান-ধারণার মৌলবাদীদের সাথে তুলনা করলেন!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: রিচার্ড ডকিন্স সম্পর্কে আমার লেখা প্যারাগ্রাফটা পড়েও আপনার মনে হচ্ছে আমি এই লোকটা সম্পর্কে কিছু জানিনা!!!

আচ্ছা চলুন তাহলে আপনার সন্দেহটা ঠিক কিনা তার একটা পরীক্ষা হয়ে যাক ।

আমি বলেছি, ৫-৬ টা গবেষণাপত্র প্রকাশ হয়েছে। দেখুন তো এর চেয়ে বেশি খুঁজে পান কিনা।

গবেষণাপত্রের ইংরেজী হচ্ছে রিসার্চ পেপার। যে লেখাগুলো পিয়ার-রিভিউড হবার পর কোনও জার্নালে ছাপানো হয়, সেই লেখাগুলোর কথা বলেছি।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, আপনি যে লিংক দিয়েছেন, সেখান থেকেই আমি আমার তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছি।

আপনি জানেন কি সাইটেশন ইনডেক্সে র কতটা নীচের দিকে এই লোকের অবস্থান?

এই ভদ্রলোক একটা কাজ খুব ভাল পারেন সেটা হচ্ছে বিজ্ঞানের জটিল কোনও আইডিয়াকে সহজভাবে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাখ্যা করার। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে তিনি এই বিষয়টিরই প্রফেসর। তার টাইটেল টা আবার মনযোগ দিয়ে পড়ুন।

সেজন্য আপনি যদি রিচার্ড ডকিন্সকে বিজ্ঞানী বলেন, তাহলে Malcolm Gladwell, Bill Bryson, Matt Ridley, Susan Blackmore এবং আরও অনেক সাংবাদিককেও বিজ্ঞানী বলতে হবে।

রিচার্ড ডকিন্স নামের লোকটি নিজে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আবিস্কার করেন নি। একটা পিএইছডি থাকলেই কেউ বিজ্ঞানী হয়ে যায় না।

---------------------------------------------------

এতকথা বলার পরও আপনি কেন বুঝতে পারছেন না, সেটা আমি বুঝতে পারছি না। :|


বিজ্ঞানের ইতিহাসে কিভাবে বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার বিবর্তন হয়েছে সে সম্বন্ধে আপনি যদি পড়েন তাহলে আমাকে এত ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন হবেনা।

আগে বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় শত্রু কে ছিল, তা নিয়ে চিন্তা করেন একটু। ধর্মীয় মৌলবাদীরা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো, তাইতো?

এখন চিন্তা করুণ কেন এরা নতুন নতুন আবিস্কারের বিরোধিতা করতো...

কারণ তারা আগে থেকে যে ধরণের তত্বে(পবিত্র!!ধর্মগ্রন্থগুলোতে) বিশ্বাস করে, সেটার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললেই এরা ক্ষেপে যেত, আপনি যতই প্রমান করুণ না কেন, এদের কাছে ওগুলো যুক্ত টিকতো না।

এই মানসিকতা বা চিন্তাপদ্ধতি এখন ধীরে ধীরে উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোকে গ্রাস করছে। অবস্থা এখনও তেমন খারাপ হয়নি, তবে এই বিষয়গুলোকে নিয়ে সবাই সচেতন না হলে, বিজ্ঞানকে এরা ধ্বংস করে দিবে। অলরেডি, অনেক ক্ষতি করে ফেলেছে এরা।

আপনি তো আমেরিকায় থাকেন, কংগ্রসে রিসার্চ ফান্ডিং নিয়ে কি ধরণের নোংরা খেলা হয় সেটাতো নিশ্চয় এতদিনে আপনার চোখে পড়েছে। খ্রিস্টান অনেক বিজ্ঞানী ভাল ভাল ইউনিভার্সিটিগুলোর হর্তাকর্তা হয়ে গেছে। এই লোকগুলো খুব চালাকির সাথে ধর্ম ও বিজ্ঞানকে এক করে দিচ্ছে।

আগে হাতেগোনা যে কয়জন বিজ্ঞানী ধর্মীয় মৌলবাদের সাথে যুদ্ধ করে বিজ্ঞানকে টিকিয়ে রেখেছিল, সে ধরণের লোক গুলো এখন অনেক ঝামেলার মধ্যে আছে।

সর্ষের মধ্যেই যদি ভুত ঢুকে যায়, তাহলে আপনি ভুত তাড়াবেন কি করে?

ব্যাপারটা অনেকটা বাংলাদেশের একটা ঘটনা দিয়ে করা যায়। যেখানে আপনি দাগী রাজাকারদের দায়িত্ব দিলেন মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে বের করার। ফলাফল টা কি হবে তা তো আগে থেকেই অনুমান করা যায়, তাই না?


এবার বুঝতে পেরেছেন কিনা তা দয়া করে জানাবেন.. নাহলে আমার মনটা খারাপ করবে। মানুষকে ভাল বুঝাতে পারি বলে আমি বিশ্বাস করি এবং এটা নিয়ে আমার চাঁপা একটা অহংকারও আছে। ;)

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

১২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩
বিলাশ বিডি বলেছেন: আপনি ভালোই বুঝাতে পারেনঃ-) কিন্তু আপনার বুঝানোতে সবাই কনভিন্সড নাও হতে পারে :P


আপনার সর্বশেষ উত্তরের পর আবার দেখলাম ডকিন্স এর পাবলিকেশন্স। আমার তো মনে হয় ওখানে কমপক্ষে ১৫ টার মতো পিয়ার রিভিউড পেপার আছেঃ

1. Dawkins, R. (1968). "The ontogeny of a pecking preference in domestic chicks". Z Tierpsychol 25 (2): 170–86.
2. Dawkins, R. (1969). "Bees Are Easily Distracted". Science 165 (3895): 751.
3. Dawkins, R.; Carlisle, T.R. (1976). "Parental investment, mate desertion and a fallacy". Nature
4. Treisman, M.; Dawkins, R. (1976). "The “cost of meiosis”: is there any?". Journal of Theoretical Biology
5. Dawkins R (1978). "Replicator selection and the extended phenotype". Z Tierpsychol 47 (1): 61–76.
6. Dawkins, R.; Krebs, J.R. (1978). "Animal signals: information or manipulation". Behavioural Ecology: An Evolutionary Approach. Oxford: Blackwell

Scientific Publications. pp. 282-309.
7. Dawkins R, Krebs JR (1979). "Arms races between and within species". Proc. R. Soc. Lond., B, Biol. Sci. 205 (1161): 489–511.
8. Brockmann, H.J.; Dawkins, R.; Grafen A. (1979). "Joint nesting in a digger wasp as an evolutionarily stable preadaptation to social life".

Behaviour (London: Academic Press) 71: 203-244.
9. Dawkins, Richard; Brockmann, H.J., Grafen, A. (1979). "Evolutionarily stable nesting strategy in a digger wasp". Journal of Theoretical Biology 77

(4): 473-496.
10. Dawkins, Richard; Brockmann, H.J. (1980). "Do digger wasps commit the concorde fallacy?". Animal Behaviour 28 (3): 892-896.
11. Krebs, J.R.; Dawkins, R. (1984). "Animal signals: mind-reading and manipulation". in Krebs, J. R. and Davies, N.B.. Behavioural Ecology: An

Evolutionary Approach. Oxford: Blackwell Scientific Publications. pp. 380-402.
12. Dawkins, R. (1990). "Parasites, desiderata lists and the paradox of the organism". Parasitology 100 Suppl: S63–73
13. Dawkins, R. (June 1991). "Evolution of the Mind". Nature 351 (6329): 686.
14. Hurst, L.D.; Dawkins, R. (May 1992). "Evolutionary Chemistry: Life in a Test Tube". Nature 357 (6375): 198-199.
15. Dawkins, R. (1998). "Intellectual Imposters". Nature 394 (6689): 141-143.
16. Dawkins, R. (1998). "Arresting evidence". Sciences (New York) 38 (6): 20-25.

এটা শুধু টেকনিকাল আর্টিকেল হিসেব করে। আর ধর্ম, র‌্যাশনালিজম ইত্যাদি নিয়ে লিখা কিন্তু কম গবেষণার ব্যাপার না। চিন্তা করে দেখুন বিজ্ঞানের বিষয় ছাড়াও পৃথিবীতে আর্টস/বিজিনেস/রাজনীতি/ইতিহাস ইত্যাদি অনেক বিষয় আসে। উনি ধর্ম নিয়ে বেশি সময় দেওয়ার কারণে সাম্প্রতিক কালে ওনার টেকনিকাল পাবলিকেশন কমে গিয়েছে।

পাবলিকেশন্স এর সংখ্যার কথা যখন উল্লেখ করলেনই তখন আমি একটু খোঁজ নিলাম অন্যান্য বিখ্যাত ইভলুশনারি বায়োলজিস্টদের পাব্লিকেশন্স কেমন। এখানে (Click This Link) প্রধান ইভলুশনারি বায়োলোজিস্টদের লিস্ট দেওয়া আছে। বলাই বাহুল্য, ডকিন্স এর নাম সেখানে আছে! যাই হোক, তাদের অনেকের নামের উপর ক্লিক করে যেয়ে দেখলাম প্রায় সবারই পাবলিকেশন্স এর সংখ্যা হাতে গোনা। এমনকি হ্যামিল্টন, যিনি ডকিন্স এর কাজের পথিকৃত, তার পাবলিকেশন্স এর সংখ্যাও ডকিন্স এর চেয়ে অনেক কম।

আমার মনে হয় ইভলুশনারি বায়োলজিতে বড় মৌলিক আবিষ্কার খুব সহজে আসেনা, অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়, জীবাশ্মের প্রমাণ পেতে হয়, জিন-বিজ্ঞানের প্রমাণ পেতে হয়। তাও সবার পাবলিকেশন্স এর এই অবস্থা।

এটা ঠিক ডকিন্স খুব বড় কোন মৌলিক আবিষ্কার করেননি। উইলিয়াম হ্যামিল্টনের জিন-কেন্দ্রিক বিবর্তন তার মূল গবেষণার বিষয়। এক্সটেন্ডেড ফিনোটাইপ (Click This Link) এর ধারণাকে তিনি ইভলুশনারি বায়োলজিতে তার সবচেয়ে বড় অবদান বলে মনে করেন। এছাড়া তিনি "মিম" এর ধারণা প্রবর্তন করেন, যেখানে জিন এর আদলে সামাজিক রীতিনীতির বিস্তার এর ধারণা দেন।

আমি অবাক হলাম আপনি তাকে শুধুমাত্র পিএইচডি প্রাপ্ত "ভালো বুঝাতে পারে" লোক হিসেবে দেখছেন! পিএইচডি ডিগ্রী তো কয়েক মিলিয়ন মানুষের আছে, ভালোও বুঝাতে পারে অনেকে, কিন্তু তাই দিয়ে কি সবাই অক্সফোর্ডের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হতে পারে? বিশেষ চেয়ার অলঙ্কৃত করতে পারে? সবচেয়ে বড় কথা রয়েল সোসাইটির ফেলো হতে পারে?


*********************************************


বিজ্ঞানে সবসময় মতোবিরোধ থাকবেই। সত্যি কথা বলতে কি, বিজ্ঞান মতোবিরোধকে উৎসাহ দেয় (ধর্মের সাথে সবচেয়ে বড় পার্থক্য!)। বিজ্ঞানের প্রধান কাজই হচ্ছে সত্য উদঘাটন করা। সত্যিকারের বিজ্ঞানীরা কখনোই মিথ্যা বা ভুল জেনেও নিজের আবিষ্কার/তত্বকে জোর দিয়ে চাপিয়ে দিতে চায়না। বড়জোর যুক্তি দেখাতে পারে নিজের তত্বের পক্ষে, কিন্তু ভুল হলে সেটা বেশিদিন চালিয়ে যাতে পারেননা কেউ। আর এভাবেই বিজ্ঞানের আবিষ্কারের পরিধি বেড়ে চলেছে গতো কয়েক হাজার বছরে। ভুল কিংবা মিথ্যা কখনোই অনন্তকাল চলতে পারেনা, একদিন সেই বেলুন ফুটো হয়ে যাবেই। বিজ্ঞান হচ্ছে খোলা ঘরের মতো। চারদিক থেকে আইডিয়ার বাতাস এই ঘরে ঢুকবে। যেটা যতো বেশি যুক্তি প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত সেটা ততো বেশি টিকবে। বাকিগুলো ঝরে পড়বে। এখানে সাময়িক জেদাজেদি থাকতে পারে, কিন্তু অকাট্য প্রমাণ কিংবা গণিতের সমীকরণের কাছে সেই জেদ হারিয়ে যাবে।

অল্প কিছু গোঁড়া বিজ্ঞানী কখনোই বিজ্ঞানের মূল স্রোতকে থামিয়ে দিতে পারবেনা। এবং এরা কখনোই ধর্মীয় মৌলবাদীদের মতো ভয়ংকর নন!


*********************************************

যাই হোক। অনেক কথা হয়ে গেলো। এটাই আমার শেষ কমেন্ট এই পোস্টে! অন্য কোনো পোস্টে আবার কথা হবে:)

ভালো থাকুন!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: আলোচনাটাতো বেশ জমে উঠেছিল! এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে গেলেন, নাকি বিরক্ত?

১০-১২ বছর আগেই কাউকে কনভিন্স করার চেষ্টা করাটা ত্যাগ করেছি। আপনি যদি আগেই বলতেন যে, আপনি বুঝতে পেরেছেন কিন্তু কনভিন্সড্ না, তাহলে আমি আর এত কথা বলতাম না। "ভাল থাকুন" কামনা করছি এক্সক্লেমেশান চিহ্নটা ব্যবহার না করেই।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

১৪. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪২
কলঙ্কিনী রসিয়া বলেছেন: সেদিন এই ভিডিওটা দেখছিলাম.. বুড়ির কথা বলার ভঙ্গি চমৎকার।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: জ্বী, গুছিয়ে বেশ ভালভাবে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ করেছেন ভদ্রমহিলা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৮৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
Rabbit's clever, said Pooh thoughtfully.Yes, said Piglet, Rabbit's clever.And he has Brain.Yes, said Piglet, Rabbit has Brain.There was a long...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই