আমার প্রিয় পোস্ট

মহাবিশ্বের সবচেয়ে জটিল যন্ত্রটির মালিক আমরা এখানে সবাই, কিন্তু কয়জন চেষ্টা করি এটার সঠিক ব্যবহার-প্রণালী সংগ্রহ করার এবং তা ব্যবহার করার !

সময় কী ?

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩০

শেয়ারঃ
0 1 0


La persistencia de la memoria (1931)






সময় কী ?

অত্যন্ত সহজ এই প্রশ্নটার সঠিক উত্তর আমরা এখনও জানিনা| আশ্চর্যের বিষয়, তাই না?

নিউটন চেষ্টা করেছিল, পারেনি । তারপরেও গতির(motion) তিনটি সূত্র তৈরি করে গেছিলেন। আর সাথে gravity রও।সেখানে তিনি সময়কে মহাবিশ্বের বাইরে থাকা একটা ইউনিভার্সাল ডাইমেনশন হিসেবে দেখিয়ে এই সূত্রগুলো তৈরি করেছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানীদের সাথে কথা বললে মনে হয়, এই সূত্র গুলো আবিস্কার না হলে কোনও আপেল এখন আর মাটিতে পড়তোনা! আর ঘোড়াও হাজার চেষ্টা করে কোনও গাড়ি টানতে পারতো না!:P


আইনস্টাইন চেষ্টা করেছিল, শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থে যা লেখা আছে সেটাকেই গণিতের ভুজুং-ভাজুং দিয়ে প্রমান করে গেছেন। আপনি যদি Atheist হন এবং তারপরও general theory of relativity তে বিশ্বাস করেন, আপনি তাহলে আসলে Atheist নন । :D
আইনস্টাইনের তত্ব অনুযায়ী, অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত সব একসাথে একই space-time অবস্থান করে। তার মানে আপনার কপালে যা লেখা আছে, তা পরিবর্তন করার উপায় নায়।:|

যাই হোক, গত ৭-৮দিন ধরে লেখাপড়া করেও সময়ের কোনও সংজ্ঞা খুঁজে পাইনি। এমনকি গতির(motion) সংজ্ঞা নিয়েও অনেক ঝামেলা আছে। ফিজিক্সের কোনও বইয়ে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় না। সব বইয়েই দেখলাম বেসিক কিছু অ্যাজাম্পশন্ করে তত্ব মুখস্থ করতে বলে। অবাক হবার মত ব্যাপার!

আর Quantum Physics এ সময়ের যে সংজ্ঞা দিচ্ছে Planck Time এর আইডিয়া কে ব্যবহার করে ওখানেও আছে হাজারটা গোঁজামিল। Quantum Field Theory র নাম দিয়ে আরেক ধরণের গোবর খাওয়ানো হচ্ছে গ্রআজুয়েট স্টুডেন্টদেরকে।

এই বিষয়ে আমার পড়া টা এখনও শেষ হয়নি, দেখি আরও নতুন কি খুঁজে পাই!

Quantum Entanglement এর ব্যাখ্যা এখনও কেউ দিতে পারেনি। এর ব্যাখ্যা মনে হচ্ছে শুধু তখনই দেয়া সম্ভব যদি Space বলে কিছু না থাকে!!! কারণ, আলোর চেয়ে দ্রুত গতিতে কোনও তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব না। অথচ এখানে সেটা প্রতিদিন ঘটছে। তার মানে, Space বলে যদি কিছু না থাকে তাহলে ট্রাভেল করার প্রশ্ন আসে না এবং সাথে সাথে আলোর চেয়ে দ্রুত গতিতে যাবারও ।এটার ব্যাখ্যাটা লাইবনিৎজের নিচের কথা গুলো দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়, "space is nothing else but an order of the existence of things, observed as existing together; and therefore the fiction of a material universe, moving forward in an empty space cannot be admitted."

Special Theory of Relativity যেহেতু সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে তাহলে Quantum Entanglement তখনই সম্ভব যদি general theory of relativity ভুল হয়।

মাথা পুরা আউলা হয়ে গেছে , এই বিষয় টা নিয়ে পড়তে যেয়ে। এর আগে যখন ফিজিক্স নিয়ে পড়েছি, এই ধরণের প্রশ্ন করিনি কখনও, শুধু ভাল এক্সপেরিমেন্ট কিভাবে করবো তা নিয়েই ব্যস্ত থাকতাম।

পরে অন্যকোন দিন সময় ও গতি নিয়ে গুছিয়ে লিখবো।


ইউটিউবে What is Time নামে একটা ডকুমেন্টারি ফিল্ম খুঁজে পেলাম, এটা দেখলে মোটামুটি একটা আইডিয়া পাবেন।

১ম পর্ব
http://www.youtube.com/watch?v=vYmdgHyCF_Q
২য় পর্ব
http://www.youtube.com/watch?v=S5UuxaPu-a0
৩য় পর্ব
http://www.youtube.com/watch?v=nPJLChaSB_c
৪র্থ পর্ব
http://www.youtube.com/watch?v=bAxx65phJJ4
৫ম ও শেষ পর্ব
http://www.youtube.com/watch?v=iU90FeFSn2I

আরো কিছু লিংক :
Philosophy of space and time

What is Time.html

http://www.timephysics.com/

Time-is-running-out---literally-says-scientist.html

মনির হাসান ভাইয়ের প্রশ্নের উত্তর দিতে যেয়ে নীচের অংশটুকু লিখে ফেলেছি। :)

আমিতো কোনও বর্ণনায় দিইনি। শুধু আমার কয়েকটা অপিনিয়নের কথা বলতে চেয়েছি প্রচলিত তত্বগুলোকে নিয়ে।

আপনি ৫নং ভিডিওটি দেখেন, মজা পাবেন। এটাতে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের তত্ব অনুযায়ী সময়ের সংজ্ঞাটা কম্পিউটার গ্রাফিক্সের মাধ্যমে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।এবং পুরো অনুষ্ঠানটির একটি সারমর্ম দেয়া হয়েছে।

সময় নিখুঁতভাবে পরিমাপ করাটা অন্য একটা বিষয়। বেশিরভাগ মানুষ সময় বলতে সময়কে মাপার ইউনিটগুলোকেই বুঝে।

কিন্তু প্রশ্নটা এখানে আসলে, সময় নিজে কি জিনিস সেটা নিয়ে। সময় কি একটা ইল্যিউশ্ঝন না এটা সত্যি সত্যি পদার্থের একটা বৈশিষ্ঠ্য, সেটা নিয়ে হচ্ছে আসল বিতর্ক ।

চিন্তা করুন, কাকে আমরা সময় বলি? বা কখন সময় নামের মায়াটা তৈরি হয়?

যখন একটা কিছুর পরিবর্তন হয়, সেই পরিবর্তনের হার(Rate of Change বা Speed of Change ) টাকে অন্য আরেকটা বস্তু বা জিনিসের সাপেক্ষে পরিমাপ করাটাকেই আমরা সময় বলি।

এখন কল্পনা করুন, এমন একটা জগতের যেখানে কোনও কিছুর পরিবর্তন হয়না। সেখানে কিন্তু সময় বলে কোনও Concept থাকবে না। কারণ এমন একটা জগতের না আছে শুরু না আছে শেষ। এই আইডিয়াটা কিন্তু অনেক পুরোনো। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে এইধরণের একটা সিস্টেমকেই সৃষ্টিকর্তার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় ।

সময় বলে জিনিসটা তখনই সম্ভব যখন একটা জগতের বৈশিষ্ঠ্যগুলো বিভিন্ন হারে একে ওপরের প্রেক্ষিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন মনে করুন, পৃথিবী একটি বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে
সূর্যকে ঘুরে এসে আবার সেই বিন্দুতে পৌঁছালে আমরা তাকে এক সৌরবর্ষ বলছি। বা সিজিয়াম নামক মৌলিক পদার্থটির অনু যদি, তার পরিবেশের সাপেক্ষে ৯০০ কোটিবার তরঙ্গ স্পন্দন তৈরি করতে যে "সময়" নিচ্ছে বা সিজিয়াম অনুটির মধ্যে থাকা ইলেকট্রন গুলো যখন তাদের মনের আনন্দে কক্ষপথ পরিবর্তন করছে এবং ৯০০ কোটি মাইক্রোওয়েভ সিগনাল ছাড়ছে, সেই "সময়"টাকে আমরা এখন ১ সেকেন্ড বলছি।

সময়ের শুরু কখন? এই প্রশ্নটাকে নিয়েও অনেক ঝামেলা আছে।

এখন বিজ্ঞানীরা(!!) বলছে বিগ ব্যাংগের পরপরই সময়ের শুরু । এখানে পরপরই মানে সেকেন্ডের কয়েকশ কোটি ভাগের একভাগের পরের কথা বলা হচ্ছে।যখন বিশুদ্ধ শক্তি খোদার হুকুম শুনে(!!) নিজেদের মধ্যে মিথস্ক্রিয়ায় লিপ্ত হলো এবং শক্তি থেকে পদার্থে রুপান্তরিত হওয়া শুরু করলো। আপনি মনে হয় একজনও তত্বীয় পদার্থবিদ বা অ্যাস্ট্রোনোমার পাবেন না যারা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেনা। এরা অনেকেই পবিত্র গ্রন্থ, নবী, ধর্ম, বেহেশত্-দোযখ এগুলোকে অবিশ্বাস করে কিন্তু সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে!!!

যাইহোক, আমাদের এখনকার বৈজ্ঞানিক(!!) তত্ব এবং পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আমরা যে মহাবিশ্বে অবস্থিত সেখানে সময়ের শুরু বিগ-ব্যাংগের পর থেকেই হয়েছে। এটা কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হওয়া সব ধর্মে দেয়া বর্ণনার সাথে মিলে যাচ্ছে, শুধু টাইম-ফ্রেমটা একটু আলাদা।আক্ষরিকভাবে বাইবেল, কুর'আন, তোরাহ র ব্যাখ্যা করলে মহাবিশ্বের বয়স হয় কয়েক হাজার বছর। তবে মহাবিশ্বের শুরুটা তারা খুব ভালভাবে বর্ণনা করে গেছে। শুরুতে ছিল শুধু শব্দ, বাইবেলে বলা হয়েছে। কুর'আনে আছে, সৃষ্টিকর্তা বলল। হও। ওমনি মহাবিশ্ব তার অস্তিত্ব পেল। আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞানেও এটাই বলা হচ্ছে।

(অফ টপিক: সৃষ্টিকর্তার পরে ৬ দিন ধরে এই বিশ্বটাকে নিয়ে গুঁতোগুঁতির করার কোনও প্রয়োজন ছিলনা। আমার ধারণা, সৃষ্টিকর্তা একজন খুঁতখুঁতে শিল্পী, ভাল একটা শিল্পকর্মকে আরও ভাল করতে যেয়ে নষ্ট করে ফেলে, দিয়ে পরে শিল্পকর্মটার উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। নাহলে দুনিয়াতে যা হচ্ছে এবং পূর্বে হয়েছে তার অন্যকোনো ভাল ব্যাখ্যা নায়। পরে এই ভাবনাটা নিয়ে একটা পোস্ট দিব। )

এই মতবাদের বিপরীত মতবাদও আছে। সেখানে বলা হচ্ছে বিগ-ব্যাঙ্গ নিজেই একটা চক্রাকার প্রক্রিয়া, যেমন হিন্দু ধর্মে ব্যাখ্যা করা আছে।আইডিয়াটা বেশ স্মার্ট। হাজার হলেও দেখতে হবে তো কোন এলাকায় চিন্তাধারাটা তৈরি হয়েছে।

এখন দেখা যাক, মহাবিশ্বের ভবিষ্যতবাণী, মধ্যপ্রাচ্য না ভারতীয় উপমহাদেশ, কারা সবচেয়ে সঠিকভাবে করতে পারে! সমস্যা একটায়, ফলাফল জানতে হলে কয়েক লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি বছর অপেক্ষা করতে হবে। আমার ধারণা, দুই পক্ষই আংশিকভাবে সফল হবে এই ভবিষ্যতবাণীটা নিয়ে।

ধুরঃ এক প্যাঁচালের মধ্যে আরেক প্যাচাঁল ঢুকিয়ে দিলাম।

যাই হোক, সময়কে কেন মায়া বলা হচ্ছে সেটার আলোচনাটা করে নিয়ে মূল প্রশ্নে ফেরত যাব আবার।

এখন কথা হচ্ছে, সময় শুধু তখনই সম্ভব যখন কিছু ঘটছে। অন্তঃত মানুষ এর চেয়ে গভীরে এখনও ঢুকতে পারেনি। কোনও কিছু না ঘটলে আমাদের পক্ষে সময় বলে কিছুর অস্তিত্ব প্রমান করার উপায় নায়।

সময়ের এই সংজ্ঞাটা মেনে নিলে একে একটা "মায়া" বলেও দাবী করা যায়। কেন মায়া?

(সবাই যেটা জানে সেটা নিয়ে কথা বললে অনেকেই বিরক্ত হয়, তারপরও উদাহরণটা দেয়ার জন্য, এইটুকু লেখার প্রয়োজন আছে।)

মনে করুন, আপনি কম্পিউটারে গেম খেলছেন। কম্পিউটার গেমের চরিত্রগুলোর কাছে, তার জগৎটায় আসল জগৎ, তাই না। এই জগতে আছে হাজারটা জটিল জটিল নিয়ম কানুন, যেগুলোকে সবসময় মেনে চলতে হচ্ছে সবাইকে। এই জটিল নিয়ম-কানুন গুলো কিন্তু তৈরি করা যাচ্ছে শুধু ২টা মাত্র ফ্রিকোয়েন্সিকে ম্যানিপুলেট করে। প্রথম জটিলতার স্টেপগুলো মাইক্রোপ্রসেসরের মধ্যেই আছে। পরে যুক্ত হচ্ছে গ্রাফিক্স প্রসেসরের নিয়ম কানুন গুলো। তারপরে আসছে অপারেটিং সিস্টেম, যে মোটামুটি এটাকে সমন্বয় করছে।তার নিজেও উৎপত্তিকেও জটিল থেকে সরল পর্যন্ত ভাঙ্গা যাবে।

এর উপর এসেছে গেমটার জটিল সফটওয়্যার, যে গেমটার মধ্যে একটা চরিত্র কয়টা গুলি খেয়েও বেঁচে থাকতে পারবে তা নিয়ন্ত্রণ করছে। এখন যদি আপনি কয়টা গুলি খেলে গেমের একটা চরিত্র মারা যায় জানতে চান, সেই তথ্য সরাসরি মাইক্রোপ্রসেসরের কাছ থেকে পাবেন না। অর্থাৎ অত্যন্ত জটিল এই সিস্টেমটিকে আপনি ভাঙ্গতে চাইলে(deductive logic ব্যবহার করে), ভাঙ্গনের প্রতিটি ধাপে অনেক তথ্য হারিয়ে যাবে।

এখানে আসলে যেটা বোঝাতে চাইছি, তাহল, খুব সহজ একটা প্রক্রিয়াও সুযোগ পেলে অনেক জটিল প্রক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে। আর জটিলতার প্রতিটি স্তরে তৈরি হয় তখন নতুন নতুন আইন-কানুন সেটা শুধু সেই স্তরের জন্য এবং তার উপরে তৈরি হওয়া স্তরগুলোর জন্য প্রযোজ্য।


সময় কি তাহলে তেমন কোনও একটা আইন যেটা শুধু জটিল সিস্টেমগুলোর জন্য প্রযোজ্য ?
আপাতত তাই মনে হচ্ছে।
এবং এই কারণে টাইম ট্রাভেল নামের জিনিসটা সম্ভব না।

সমস্যা হচ্ছে , পদার্থবিজ্ঞানের রথী-মহারথীরা আবার বেশ মিন মিন গলায় বলছেন, টাইম ট্রাভেল সম্ভব। এই লোকগুলোর কাছে যেয়ে প্রথমে সময়ের সংজ্ঞা জানতে চাইবেন, তারপর জানতে চাইবেন টাইম ট্রাভেল নামের জিনিসটা কিভাবে সম্ভব । স্টিফেন হকিন্স, মিচিও কাকু, কিপ থর্ন, আইনস্টাইন যাকেই জিজ্ঞেস করেন না কেন, প্রশ্ন করার সময় বলবেন আগে সময়ের একটা সংজ্ঞা দিতে যেটা ক্লাসিকাল মেকানিক্স এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্স এই দুই জগতের জন্য সত্য।

এই লোকগুলো বিজ্ঞানকে অনেক কিছুই দিয়েছে, কিন্তু সাথে সাথে দিয়েছে এইসব টাইম ট্রাভেল নামক অখ্যাদ্য-কুখাদ্য। সমস্যা হচ্ছে, এরা যেটাই বলে পাবলিক সেটাই খায়। এবং এইজন্যই এই লোকগুলোর আরও সাবধান হওয়া উচিৎ ।



 

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৭
মনির হাসান বলেছেন: আগে প্লাস এবং প্রথম কমেন্ট ... পড়া শুরু করলাম ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: বেশি কিছু লিখতে পারিনি। প্লাস না দিলেও হত। খুবই ঝামেলার একটা বিষয় এটা । অন্তত ১ মাস মনযোগ দিয়ে পড়ালেখা করার দরকার আছে, নিজে থেকে কিছু বলতে চাইলে।

ধন্যবাদ।

২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৬
আট আনা বলেছেন: থিওরি অব রিলেটিভিটি আর কোয়ান্টাম ফিজিক্স রে এলেবেলে কৈয়া দিলেন ? ;) কোয়ান্টাম তো শুধু তাত্বিক নয় এখন আর, ব্যবহারিকও। তাহলে কিভাবে কি ?

থিওরি অব রিলেটিভিটি একবার পড়ার ট্রাই করসিলাম, ট্রেনের বেগ আলোর গতির সমানের পরে আর বুঝি নাই /:)

ভিডিওগুলান পরে দেখুম, এখন অফিসে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: ব্যবহারিক দিক দিয়ে তো কোনও সমস্যা নায়। কোয়ান্টাম ফিজিক্সের এনার্জি গ্যাপের বিষয়টা ম্যানিপুলেট করেতো সেই ষাটের দশক থেকেই ট্রানজিস্টর, মাইক্রোপ্রসেসর এগুলো তৈরি করছি আমরা, সমস্যা হচ্ছে এগুলোর তাত্বিক ব্যাখ্যা নিয়ে।

এই থিয়োরি গুলোর অবস্থা খুবই করুণ। কিন্তু খুব কম তরুণ বিজ্ঞানীই আজকাল এই বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করেন।

যেমন ধরেন, কোনও সূত্র নে জেনেও কিন্তু মানুষ পিরামিড তৈরি করতে পেরেছিল। ব্যবহারিক দিক গুলোই আসলে তাত্বিক ভুলগুলো সবার আগে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।


ধন্যবাদ।

৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৭
জাতি জানতে চায় বলেছেন: তারপরও ভাল হইছে! বিভিন্ন থীওরীর মধ্যেকার তুলনামূলক বিচার গুলা চমৎকার হইছে!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। খুব অল্প সময় ব্যয় করে লেখাটা লিখেছি, তাই বেশি ব্যাখ্যা দিতে পারিনি। অনেকগুলো বিষয় নিজেই ভাল করে বুঝিনা। :|

৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১৫
সায়েম মুন বলেছেন: প্রিয়তে থাকল! এখন ঘুমাতে যাবো পরে পড়ব।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: কে কাকে মারলো?? :):)

৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৯
মনির হাসান বলেছেন:

আর আপনার বর্ণনার বেশির ভাগই বুঝিনি । তবে এটা বুঝেছি ... সময়ের সরলতম সংজ্ঞা এখন'ও নেই ?

ভিডি'ও গুলাতে (প্রথম দুইটা দেখেছি মাত্র) দেখলাম শুধু "সময় কিভাবে সঠিক ভাবে মাপা যায়", এটার গবেষনা ... অর্থাৎ "এখন আসলে কটা বাজে ?" টাইপের পরীক্ষা নিরিক্ষা । ক্যাসিউয়াম (উচ্চারণ ঠিক করে দিয়েন) পরমানুর আইডিয়াটা দেখে বিশেষ কারণে ভালো লাগলো । এই ভিডিও দেখার আগে ধারনা ছিল না এরকম হচ্ছে ... কিন্তু অনেক অনেক'কাল আগে আমার চিন্তা ছিল' ... "ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র কনার (ইলেকট্রন বা আরো ক্ষুদ্র) থেকে আসলে সময়ের হিসাব'টা নিখুত আসবে ... আমরা ক্যানো এত বড় পরিমাপক (সূর্য, পৃথিবী, কক্ষঃকাল ইত্যাদি) দিয়ে সময় মাপতে যাবো ... পরিমাপক যত বড় হবে এর সামঞ্জস্য রাখা তত কঠিন হবে ।"

যাই হোক ... সময় & গতি নিয়ে আপনার পরবর্তি লেখা গুলোর অপেক্ষায় থাকব ।

অ.টঃ আমি পিওয় সাইন্সের নই । ফিজিক্স, ম্যাথ ... ইন্টারের সময় আবাঝাপ পড়ে পাস করেই খালাস ... তবে এরপরে ... আমার গাঞ্জা প্রভাবিত বয়ঃস্কালে ... একদিন মনে হয়েছিল ... সময়ের সরলতম সংজ্ঞা'টি বুঝি বের করে ফেলেছি । এটাও তখন মনে হয়েছিল যে ... দ্রুততম পরমানুর কক্ষ পথে ঘুর্ণন'রত ইলেক্ট্রন থেকে সময়ের হিসেব বের করলে আমাদের সময়ের হিসাব নিখুত হবে।

... যাই হোক "সময়ের সরলতম সংজ্ঞা" নিয়ে পোস্ট দিব ... আরেকটু আত্মবিশ্বাস অর্জন করে নেই ।

আপনাকে অনেক কষ্ট দিলাম ।
ভালো থাকুন ।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আমিতো কোনও বর্ণনায় দিইনি। শুধু আমার কয়েকটা অপিনিয়নের কথা বলতে চেয়েছি প্রচলিত তত্বগুলোকে নিয়ে।

আপনি ৫নং ভিডিওটি দেখেন, মজা পাবেন। এটাতে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের তত্ব অনুযায়ী সময়ের সংজ্ঞাটা কম্পিউটার গ্রাফিক্সের মাধ্যমে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।এবং পুরো অনুষ্ঠানটির একটি সারমর্ম দেয়া হয়েছে।

সময় নিখুঁতভাবে পরিমাপ করাটা অন্য একটা বিষয়। বেশিরভাগ মানুষ সময় বলতে সময়কে মাপার ইউনিটগুলোকেই বুঝে।

কিন্তু প্রশ্নটা এখানে আসলে, সময় নিজে কি জিনিস সেটা নিয়ে। সময় কি একটা ইল্যিউশ্ঝন না এটা সত্যি সত্যি পদার্থের একটা বৈশিষ্ঠ্য, সেটা নিয়ে হচ্ছে আসল বিতর্ক ।

চিন্তা করুন, কাকে আমরা সময় বলি? বা কখন সময় নামের মায়াটা তৈরি হয়?

যখন একটা কিছুর পরিবর্তন হয়, সেই পরিবর্তনের হার(Rate of Change বা Speed of Change ) টাকে অন্য আরেকটা বস্তু বা জিনিসের সাপেক্ষে পরিমাপ করাটাকেই আমরা সময় বলি।

এখন কল্পনা করুন, এমন একটা জগতের যেখানে কোনও কিছুর পরিবর্তন হয়না। সেখানে কিন্তু সময় বলে কোনও Concept থাকবে না। কারণ এমন একটা জগতের না আছে শুরু না আছে শেষ। এই আইডিয়াটা কিন্তু অনেক পুরোনো। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে এইধরণের একটা সিস্টেমকেই সৃষ্টিকর্তার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় ।

সময় বলে জিনিসটা তখনই সম্ভব যখন একটা জগতের বৈশিষ্ঠ্যগুলো বিভিন্ন হারে একে ওপরের প্রেক্ষিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন মনে করুন, পৃথিবী একটি বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে
সূর্যকে ঘুরে এসে আবার সেই বিন্দুতে পৌঁছালে আমরা তাকে এক সৌরবর্ষ বলছি। বা সিজিয়াম নামক মৌলিক পদার্থটির অনু যদি, তার পরিবেশের সাপেক্ষে ৯০০ কোটিবার তরঙ্গ স্পন্দন তৈরি করতে যে "সময়" নিচ্ছে বা সিজিয়াম অনুটির মধ্যে থাকা ইলেকট্রন গুলো যখন তাদের মনের আনন্দে কক্ষপথ পরিবর্তন করছে এবং ৯০০ কোটি মাইক্রোওয়েভ সিগনাল ছাড়ছে, সেই "সময়"টাকে আমরা এখন ১ সেকেন্ড বলছি।

সময়ের শুরু কখন? এই প্রশ্নটাকে নিয়েও অনেক ঝামেলা আছে।

এখন বিজ্ঞানীরা(!!) বলছে বিগ ব্যাংগের পরপরই সময়ের শুরু । এখানে পরপরই মানে সেকেন্ডের কয়েকশ কোটি ভাগের একভাগের পরের কথা বলা হচ্ছে।যখন বিশুদ্ধ শক্তি খোদার হুকুম শুনে(!!) নিজেদের মধ্যে মিথস্ক্রিয়ায় লিপ্ত হলো এবং শক্তি থেকে পদার্থে রুপান্তরিত হওয়া শুরু করলো। আপনি মনে হয় একজনও তত্বীয় পদার্থবিদ বা অ্যাস্ট্রোনোমার পাবেন না যারা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেনা। এরা অনেকেই পবিত্র গ্রন্থ, নবী, ধর্ম, বেহেশত্-দোযখ এগুলোকে অবিশ্বাস করে কিন্তু সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে!!!

যাইহোক, আমাদের এখনকার বৈজ্ঞানিক(!!) তত্ব এবং পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আমরা যে মহাবিশ্বে অবস্থিত সেখানে সময়ের শুরু বিগ-ব্যাংগের পর থেকেই হয়েছে। এটা কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হওয়া সব ধর্মে দেয়া বর্ণনার সাথে মিলে যাচ্ছে, শুধু টাইম-ফ্রেমটা একটু আলাদা।আক্ষরিকভাবে বাইবেল, কুর'আন, তোরাহ র ব্যাখ্যা করলে মহাবিশ্বের বয়স হয় কয়েক হাজার বছর। তবে মহাবিশ্বের শুরুটা তারা খুব ভালভাবে বর্ণনা করে গেছে। শুরুতে ছিল শুধু শব্দ, বাইবেলে বলা হয়েছে। কুর'আনে আছে, সৃষ্টিকর্তা বলল। হও। ওমনি মহাবিশ্ব তার অস্তিত্ব পেল। আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞানেও এটাই বলা হচ্ছে।

(অফ টপিক: সৃষ্টিকর্তার পরে ৬ দিন ধরে এই বিশ্বটাকে নিয়ে গুঁতোগুঁতির করার কোনও প্রয়োজন ছিলনা। আমার ধারণা, সৃষ্টিকর্তা একজন খুঁতখুঁতে শিল্পী, ভাল একটা শিল্পকর্মকে আরও ভাল করতে যেয়ে নষ্ট করে ফেলে, দিয়ে পরে শিল্পকর্মটার উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। নাহলে দুনিয়াতে যা হচ্ছে এবং পূর্বে হয়েছে তার অন্যকোনো ভাল ব্যাখ্যা নায়। পরে এই ভাবনাটা নিয়ে একটা পোস্ট দিব। )

এই মতবাদের বিপরীত মতবাদও আছে। সেখানে বলা হচ্ছে বিগ-ব্যাঙ্গ নিজেই একটা চক্রাকার প্রক্রিয়া, যেমন হিন্দু ধর্মে ব্যাখ্যা করা আছে।আইডিয়াটা বেশ স্মার্ট। হাজার হলেও দেখতে হবে তো কোন এলাকায় চিন্তাধারাটা তৈরি হয়েছে।

এখন দেখা যাক, মহাবিশ্বের ভবিষ্যতবাণী, মধ্যপ্রাচ্য না ভারতীয় উপমহাদেশ, কারা সবচেয়ে সঠিকভাবে করতে পারে! সমস্যা একটায়, ফলাফল জানতে হলে কয়েক লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি বছর অপেক্ষা করতে হবে। আমার ধারণা, দুই পক্ষই আংশিকভাবে সফল হবে এই ভবিষ্যতবাণীটা নিয়ে।

ধুরঃ এক প্যাঁচালের মধ্যে আরেক প্যাচাঁল ঢুকিয়ে দিলাম।

যাই হোক, সময়কে কেন মায়া বলা হচ্ছে সেটার আলোচনাটা করে নিয়ে মূল প্রশ্নে ফেরত যাব আবার।

এখন কথা হচ্ছে, সময় শুধু তখনই সম্ভব যখন কিছু ঘটছে। অন্তঃত মানুষ এর চেয়ে গভীরে এখনও ঢুকতে পারেনি। কোনও কিছু না ঘটলে আমাদের পক্ষে সময় বলে কিছুর অস্তিত্ব প্রমান করার উপায় নায়।

সময়ের এই সংজ্ঞাটা মেনে নিলে একে একটা "মায়া" বলেও দাবী করা যায়। কেন মায়া?

(সবাই যেটা জানে সেটা নিয়ে কথা বললে অনেকেই বিরক্ত হয়, তারপরও উদাহরণটা দেয়ার জন্য, এইটুকু লেখার প্রয়োজন আছে।)

মনে করুন, আপনি কম্পিউটারে গেম খেলছেন। কম্পিউটার গেমের চরিত্রগুলোর কাছে, তার জগৎটায় আসল জগৎ, তাই না। এই জগতে আছে হাজারটা জটিল জটিল নিয়ম কানুন, যেগুলোকে সবসময় মেনে চলতে হচ্ছে সবাইকে। এই জটিল নিয়ম-কানুন গুলো কিন্তু তৈরি করা যাচ্ছে শুধু ২টা মাত্র ফ্রিকোয়েন্সিকে ম্যানিপুলেট করে।

প্রথম জটিলতার স্টেপগুলো মাইক্রোপ্রসেসরের মধ্যেই আছে। পরে যুক্ত হচ্ছে গ্রাফিক্স প্রসেসরের নিয়ম কানুন গুলো। তারপরে আসছে অপারেটিং সিস্টেম, যে মোটামুটি এটাকে সমন্বয় করছে।অপারেটিং সিস্টেমের উৎপত্তিকেও জটিল থেকে সরল পর্যন্ত ভাঙ্গা যাবে।( তবে সেটা আমাদের উদাহরণে কাজে আসবে না।)

এর উপর এসেছে গেমটার জটিল সফটওয়্যার, যে গেমটার মধ্যে একটা চরিত্র কয়টা গুলি খেয়েও বেঁচে থাকতে পারবে তা নিয়ন্ত্রণ করছে। এখন যদি আপনি কয়টা গুলি খেলে গেমের একটা চরিত্র মারা যায় জানতে চান, সেই তথ্য সরাসরি মাইক্রোপ্রসেসরের কাছ থেকে পাবেন না। অর্থাৎ অত্যন্ত জটিল এই সিস্টেমটিকে আপনি ভাঙ্গতে চাইলে(deductive logic ব্যবহার করে), ভাঙ্গনের প্রতিটি ধাপে অনেক তথ্য হারিয়ে যাবে।

এখানে আসলে যেটা বোঝাতে চাইছি, তাহল, খুব সহজ একটা প্রক্রিয়াও সুযোগ পেলে অনেক জটিল প্রক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে। আর জটিলতার প্রতিটি স্তরে তৈরি হয় তখন নতুন নতুন আইন-কানুন সেটা শুধু সেই স্তরের জন্য এবং তার উপরে তৈরি হওয়া স্তরগুলোর জন্য প্রযোজ্য।

সময় কি তাহলে তেমন কোনও একটা আইন যেটা শুধু জটিল সিস্টেমগুলোর জন্য প্রযোজ্য ?
আপাতত তাই মনে হচ্ছে।

এবং এই কারণে টাইম ট্রাভেল নামের জিনিসটা সম্ভব না।



সমস্যা হচ্ছে , পদার্থবিজ্ঞানের রথী-মহারথীরা আবার বেশ মিন মিন গলায় বলছেন, টাইম ট্রাভেল সম্ভব। এই লোকগুলোর কাছে যেয়ে প্রথমে সময়ের সংজ্ঞা জানতে চাইবেন, তারপর জানতে চাইবেন টাইম ট্রাভেল নামের জিনিসটা কিভাবে সম্ভব । স্টিফেন হকিন্স, মিচিও কাকু, কিপ থর্ন, আইনস্টাইন যাকেই জিজ্ঞেস করেন না কেন, প্রশ্ন করার সময় বলবেন আগে সময়ের একটা সংজ্ঞা দিতে যেটা ক্লাসিকাল মেকানিক্স এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্স এই দুই জগতের জন্য সত্য।

এই লোকগুলো বিজ্ঞানকে অনেক কিছুই দিয়েছে, কিন্তু সাথে সাথে দিয়েছে এইসব টাইম ট্রাভেল নামক অখ্যাদ্য-কুখাদ্য। সমস্যা হচ্ছে, এরা যেটাই বলে পাবলিক সেটাই খায়। এবং এইজন্যই এই লোকগুলোর আরও সাবধান হওয়া উচিৎ ।

৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১৩
বিলাশ বিডি বলেছেন: চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। কিন্তু একটু ছাড়াছাড়া মনে হয়েছে, আরেকটু ব্যাখ্যা দিলে আমাদের মতো লেম্যানদের জন্য ভালো হতো :)

বিশেষ করে এই দুটোরঃ

১। আইনস্টাইন এর সময়এ কিভাবে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত একসাথে থাকে।
২। কোয়ান্টাম এন্টেংগেলমেন্ট কিভাবে জেনারেল রিলেটিভিটি এর সাথে কনফ্লিক্ট করে? এর কোন এক্সপেরিমেন্টাল প্রমাণ আছে কি?

পদার্থবিজ্ঞান আমার সবচেয়ে প্রিয় বিষয়গুলোর একটি, কিন্তু কখনোই এর গভীরে যাওয়া হয়নি। এখনো মাঝে মাঝে ভাবি পদার্থবিজ্ঞানে উচ্চতর পড়ালেখা করবো কিনা :) আহা, মানুষের চাওয়ার শেষ নাই :(

ভালো থাকুন! (এক্সক্লেমেশান চিহ্ন দিয়ে ভালো থাকাকে জোর দেওয়া হচ্ছে :))
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নের উত্ত দেয়ার মত এনার্জি নাই এই মুহুর্তে।আগের মন্তব্যের উত্তরটা দেখেন ;)

তাই খুব সংক্ষেপে কিছু হিন্টস্ দিচ্ছি।

১ নংএর উত্তর নেটেই পাবেন... গণিতের সূত্র দিয়ে প্রমান করতে হয় বিষয়টি। আইনস্টাইনের মূলসুত্রকে যদি ডিরাইভ করেন টাইমকে স্পেটিয়াল ডাইমেনশন হিসেবে না ধরে তাহলে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হবেন

২ নং কে আইনস্টাইন বলেছিল Spooky Action At distance । EPR Paradox দিয়ে সার্চ দেন আরও অনেক তথ্য পাবেন।
কোয়ান্টাম এন্টেংগেলমেন্ট এর অনেক প্রমান পাবেন । কোয়ান্টাম কম্পিউটিং তো দাঁড়িয়ে আছে, এই ঘটনার কারণে।

জেনারেল রিলেটিভিটি এর সাথে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কনফ্লিক্ট একদম শুরু থেকেই। এই কারণেই আইনস্টাইন বলেছিল, খোদা জুয়া খেলেনা । ;)


ওকে। বুঝেছি।:) আপনিও ভালো থাকুন!:)

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: কয়েকটা লিংক ...

http://physicsworld.com/cws/article/news/27640

Click This Link

Click This Link

Click This Link

http://en.wikipedia.org/wiki/EPR_paradox

৮. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬
ডট কম ০০৯ বলেছেন: এ বিষয় নিয়া ভাবছেন তো মাথা গেচে।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: হুমমম। তারপরও পাগল না হয়ে যতটুকু বোঝা যায় তার চেষ্টা করছি। :)

৯. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২১
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভিডু গুলা দেখে আবার কমেন্ত দিবো ।

দারুন পোষ্ট ।

থ্যাংকস !
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। অপেক্ষা করছি।

১০. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৯
বিলাশ বিডি বলেছেন: ভালোই তো ছিলো লেখাটা, এর মধ্যে ধর্মের কথা এনে প্যাঁচ লাগিয়ে দিলেন :( বাইবেল-কোরানে বিগ ব্যাং এর "বর্ণনা" আছে? আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞান বলছে একটা "হও" শুনে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে? তাত্বিক পদার্থবিদদের মধ্যে নাস্তিক নেই? বিশুদ্ধ শক্তি খোদার হুকুম শুনে বিগ ব্যাং শুরু করে দিয়েছে?
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনি কৌতুকটা মনে হয় ধরতে পারেন নি :) আশ্চর্যবোধক চিহ্ন গুলোর ব্যবহারটা খেয়াল করুন। ;)

বিগব্যাঙ্গ নিয়ে পরে একটা পোস্ট লিখব সেখানে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা যাবে।



বিগব্যাঙ্গ নিয়ে একটু লেখাপড়া করুন দেখবেন শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ বিজ্ঞানী উপরের ছবিটার সাথেই একমত হচ্ছেন নিজের অনিচ্ছাতেও। :)

১১. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৫
আকাশ অম্বর বলেছেন:

ভ্রাতা! সংক্ষেপে কিছু বলতে চাই। এই বিষয়ে জানার পরিধি এতই কম, কথা বলতে ভয় পাই। ভাষার মারাত্মক সীমাবদ্ধতা এইসব জিনিস বোঝাতে। তবে আগ্রহের কমতি নেই ও ছিলো না। আমি শুধু কিছু প্রশ্ন রেখে যেতে চাই। আপনি সুযোগগুলো দিচ্ছেন বলে কৃতজ্ঞতা!

ব্যক্তি-মানুষ। অন্যান্য প্রাণ (জীব/বৃক্ষ)। স্বতন্ত্র। এদের প্রত্যেকের কাছেই কি সময়ের ধারণা তাদের নিজস্ব-জগতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়? নিজের মতই স্বতন্ত্র? যেখানে সময় পূর্ণাঙ্গতা পায় শুধু তার জন্যেই। সাধারণভাবে সর্বসাধারণের জন্য এটাকে সংজ্ঞায়িত করা যায় না বোধহয় (শুধু ‘সময়’ কি এটার ব্যাপারে, GMT/EST নয়!)। তবে হ্যাঁ, অনেক কথা হয়েছে এগুলো নিয়ে। হাজার হাজার বছর ধরে। Eternalism নিয়ে কপচাকপচি হয়েছে। আছে A-theory and B-theory of time। তবে ‘প্রকৃতপক্ষে সময় কি’ সেটা আমরা জানি না হয়তো (চমৎকার ভিডিও বাই দ্য ওয়ে! থ্যাংক্স)।

Rietdijk–Putnam argument সম্পর্কে অবগত আছেন জানি। আচ্ছা, রজার পেনরোজ কি এই ধারণাটাকেই এগিয়ে নিয়ে গিয়ে Andromeda Paradox করেছিলেন? একই মুহুর্তে অবস্থানরত দু’জন ব্যক্তির বর্তমান মুহূর্তগুলোও ভিন্ন হতে পারে। ভবিষ্যত বাদই দিলাম! মারাত্মক কথা! কম মারামারি হয় নি তো Free Will আর Determinism নিয়ে!

আবার এটাও কি বলা হচ্ছে না? It is impossible to say in an absolute sense whether two events occur at the same time if those events are separated in space। হ্যাঁ, সেই স্পেশাল (!) থিউরী অফ রিলেটিভিটি (এইটুকুই দৌড়!!!)

অতীত/বর্তমান/ভবিষ্যত একই। পার্থক্য শুধু জ্ঞানের। তথ্যের। Epistemological। তথ্য তাই এতই গুরুত্বপূর্ণ! সময় কন্টিনিউয়াস। লুপ। কণ্টিনিউয়াস লুপ। চক্রাকার প্রক্রিয়া। আবার স্বতন্ত্র ব্যক্তির কাছে এর ভিন্ন-ভিন্ন রূপ। এ্যাবসোলিউটভাবে এটাকে ডিফাইন করা কি সম্ভব? জানি না।

আপাততঃ হেরাক্লিটাস দিয়ে শেষ করতে চাই - The world is a process of ceaseless change, flux and decay. Reality is dynamic and ephemeral. এই জগত এক অবিরাম ভাঙ্গা-গড়ার খেলা! কেমন যেন তাওইজম-তাওইজম গন্ধ, তাই না!! সময় যেন আমাদের জুড়ে আছে, আমরা ধারণ করে আছি বা আমাদের ধারণ করে আছে! মায়া। মায়া। অনেক কিছুর উত্তর হয়তো এখানেই.....

অনেক শুভকামনা। :)

[আপনার ৬নং মন্তব্যের জবাবের ‘অফ-টপিক’ ইন্টারেস্‌টিং। লিখে ফেলুন!]
১২. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
আনোয়ারুল আলম বলেছেন: সময়ের দার্শনিক আলোচনায় না ঢুকায় ভাল। মাথা আরো খারাপ হয়ে যাবে। অন্তত আমার হয়েছিল।:)

সময় অবশ্যই একটা সাব্জেক্টিভ ফেনোমেনোন। একটা ব্যাকটেরিয়ার কাছে সময়ের স্রোত অন্যরকম, নীল তিমির সাথে তুলনা করলে!

মানুষের কাছেও ব্যাপারটা একইভাবে ধরা দিবে। একেক জনের কাছে সময় একেক রকম মনে হবে। প্রকৃতপক্ষে সময়ের সংজ্ঞা না জানলেও আমাদের বাস্তব জীবনে কোনও সমস্যা নায়। কারণ আমাদের পারসেপ্শন(সত্বা বা কনশাসনেস) যেমন একটা জটিল মিথস্ক্রিয়ার ফল, তেমন সময়ও। (উপরে আমার দেয়া সময়ের সংজ্ঞাটি যদি মেনে নিন)। যতক্ষণ এরা একই বাস্তবতার একই স্তরে থাকছে ততক্ষণ এই বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নায়।

আলোচনাটা তখনই প্রয়োজন যেখানে আমাদের পারসেপ্শন দিয়ে সময়কে আর বোঝা যাচ্ছে না। তখন সময়ের রুপটা ঐ জগতে কেমন তা জানার প্রয়োজন হয়ে পরে।

Rietdijk–Putnam argument সম্পর্কে জানতাম না। পড়ে তেমন মজা পেলাম না। যে তত্বটার সমস্যা নিয়ে এখানে আলোচনা করছি, সেটাকেই তারা সত্য ভেবে তার উপর যুক্তির প্রাসাদ বানিয়েছে। উল্টাপথে প্যারালাল ইউনিভার্সের প্রমান দিয়েছেন রজার পেনরোজ! এরা সময়ের সংজ্ঞা না দিয়ে একটা তত্বকে নিয়ে মাতামাতি করছে। আর ঘটনাটাও অনেক পুরোনো। যে আবিস্কারের কারণে এখন এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আবার তুঙ্গে উঠেছে, সেটা প্রমানিত হয়েছে ১৯৯৮ সালে(মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের গতি প্রতি মুহুর্তে বাড়ছে!!)। সুতরাং এই আলোচনাটাকে বেশি গুরুত্ব না দেয়ায় ভাল।

সময় কন্টিনিউয়াম এর তত্বটা এখন বেশ বিতর্কিত। কোয়ান্টাম এর জগতে সময় কন্টিনিউয়াস হলে আমাদের অনেক তত্বই ভুল প্রমানিত হবে কিন্তু তা কি করে সম্ভব! এই তত্বগুলো ব্যবহার করে আমরা যে এখন মাইক্রোপ্রসেসর বানাচ্ছি। কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন করেছি। তার মানে সময় কন্টিনিউয়াস না। ৫ নং ভিডিওটি দেখতে পারেন সুন্দর করে গ্রাফিক্সের মাধ্যমে ব্যাপারটা দেখানো হয়েছে।

জানার সীমাবদ্ধতা থাকবেই। তবে সময়ের ক্ষেত্রে এই সীমাবদ্ধতার সীমানাটা এখনও খুঁজে বের করতে পারছি না। অবশ্য বের করতে পারলেও তেমন কোনও পার্থক্য হবে বলে আমার মনে হয়না। কারণ অন্য জগতে সময়ের কি রুপ সেটা আমরা জেনে কি করতে পারবো, আমরা ঐ জগতে প্রবেশ করলে আমাদের পুরোনো সত্বাকেই তো মনে হয় হারিয়ে বসবো। তাহলে লাভ কোথায়?

আপনার শেষ কয়টা লাইনের সাথে একমত। ঐ কথাটায় আমার পোস্টে কম্পিউটারের উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে চাইছিলাম।

বাস্তবতার অনেকগুলো স্তর আছে (স্তরকে আবার ডাইমেনশন ভেবে বসে আবার অনেকে)। ডাইমেনশনের কথা বলছি না। একই ডাইমেনশনে থেকেও কে জটিলতার কোন স্তরে অবস্থান করে তার উপর নির্ভর করবে, বাস্তবতার সংজ্ঞাগুলো। আমরা যে স্তরে আছি, সে স্তরে সময়ের সংজ্ঞাটা তাই অন্য স্তরগুলোর চেয়ে আলাদা হবার সম্ভাবনা আছে।

আপনার মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগছে। একটু দেরিতে উত্তর দেয়ার জন্য দুঃখিত।

[পিটুনির ভয়ে লিখছি না!!! তবে উৎসাহ যখন দিচ্ছেন লিখবো :) ]
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

১৪. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:২৯
আকাশ অম্বর বলেছেন: ভ্রাতা হে! কোন সময়ে হারালেন? ভালো থাকুন সবসময়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৭০০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
Rabbit's clever, said Pooh thoughtfully.Yes, said Piglet, Rabbit's clever.And he has Brain.Yes, said Piglet, Rabbit has Brain.There was a long...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই