আমার প্রিয় পোস্ট
- সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম প্রকাশিত যুদ্ধাপরাধীর তালিকা: যে নামগুলো চিনে রাখা জরুরি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- জা.বি.: শাস্তি না দেয়াটা মূল দাবিকে ঠেকানোর জন্যও - মানস চৌধুরী
- মনোবিজ্ঞানি অধ্যাপক জেমস ম্যাস, আমাদের ছানোয়ার হোসেন ও যৌন হয়রানি: প্রয়োজন নীতিমালা - শওকত হোসেন মাসুম
- আদালতে ঢাবি শিক্ষক ড. আনোয়ার হোসেনের লিখিত জবানবন্দি - শিবলী নোমান
- বিশৃঙ্খল দৃশ্য: পৌরুষ, পাবলিক স্মৃতি ও সেন্সরশিপ (মুখবন্ধ) - ফাহমিদুল হক
সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫০
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সকালের এসেম্বলীতে জাতীয় সংগীত গাওয়ার নিয়ম থাকলেও এ নিয়মটি মানা হয় না সারা দেশে জামাত পরিচালিত বিপুল সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। তাদের স্কুলগুলোতে ভুলেও কখনও জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না। তার বদলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কবি ফররুখ আহমদ রচিত-'সামনে চল সামনে চল, তৌহিদেরই শান্ত্রি দল' গানটি কোমলমতি শিশুদের শেখানো হয় এবং তাদের দিয়ে গাওয়ানো হয়। যেসব স্কুলে বা মাদ্রাসায় এ গানটি গাওয়া হয় না সেখানে জামাতের দলীয় আদর্শের সাথে মিল রয়েছে এমন কোন কবির অন্য কোন রচনা বা গান, যা জামাতের নীতিনির্ধারক দ্বারা অবশ্যই অনুমোদিত, আমাদের ভবিষ্যত কোমলমতি শিশুদের দিয়ে গাওয়ানো হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৩৬ বছর পরও জামাত নেতারা এবং তাদের সমর্থকরা যে, স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব স্বীকার করে না এটি তার জ্বলন্ত প্রমাণ। জাতীয় সংগীতের পরিবর্তে অন্য একটি সংগীত বা রচনাকে চালু করার মতো দেশদ্রোহীতার স্পর্ধার নজির আর কী হতে পারে এ স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে? অথচ এ কাজটি জামাত পরিচালিত স্কুলগুলোতে প্রকাশ্যে দিবা-লোকে ঘটে যাচ্ছে, প্রতিদিন-প্রতিনিয়ত। প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর নাকে ডগায়, বীর বিক্রমে, ক্রামাগতভাবে।
জামাত পরিচালিত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় সংগীত না গাওয়ার যুক্তি হিসেবে কোমল-মতি শিশুদের সামনে আমাদের জাতীয় সংগীতের মতো অনবদ্য সৃষ্টির মহান রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ধর্মীয় পরিচিতিকে বড় করে তোলা হয়। যা জামাতের উগ্র সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী কর্মকান্ডের সুস্পষ্ট প্রমাণ বহন করে। আর এ ধরনের ব্ক্তব্যের মধ্য দিয়ে আমাদের কোমলমতি শিশু-কিশোররা তাদের অমিত সম্ভাবনার জীবন শুরু করার আগেই জামাতি ফাঁদে পড়ে। তাদের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয় উগ্র সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদী চেতনার একটি মনোজগত। এ ভাবে মানুষ কে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে শিখার পরিবর্তে ধর্ম-বর্ণ-জাতি ও লিঙ্গভিত্তিক আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভাজনের চলমান শোষণ ও নিপীড়নমূলক প্রক্রিয়াকে ন্যয্যতা দানের একটি বিদ্যাজাগতিক পরিসর গড়ে তোলা হয় এ সব শিশুদের মনে। এ ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম স্পষ্টতই আমাদের সংবিধানের মূল চেতনার বিরুদ্ধে । সুতরাং এ ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা স্পষ্টতই সংবিধানের লঙ্ঘন এবং অবশ্যই অবশ্যই রাষ্ট্রদ্রোহীতার প্রমাণ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী জামাত পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের সাথে অথবা শিশুদের অভিভাবকদের সাথে একদিন কথা বললেই এ সব তথ্যের প্রমাণ পেয়ে যাবে। এর জন্য দীর্ঘ তদন্তের প্রয়োজন হবে না।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে সারা দেশে বিশেষ করে মফস্বল শহরগুলোর (জেলা ও উপজেলা শহর) প্রায় প্রত্যেকটিতে জামাত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও মাদ্রাসা) পরিচালনা করছে। রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচার এবং বিপুল মুনাফা তৈরির উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল কারিক্যুলাম নির্ধারিত হয় জামাতের অঙ্গ সংগঠন মগবাজারস্থ ইসলামিক এডুকেশন সোসাইটির মাধ্যমে। সংস্থাটির প্রধান হিসেবে নিয়োজিত থাকেন সব সময় জামাতের একজন কেন্দ্রীয নেতা। তবে একই সাথে মূল শিক্ষা বোর্ডের কারিক্যুলামও পড়ানো হয়। বাধ্য হয়ে এবং শিক্ষা বাণিজ্যের মূল মার্কেট এর কথা বিবেচনা করে। মূল শিক্ষা কারিক্যুলামের পাশাপাশি এসব বিদ্যালয়ে পড়ানো হয় যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম রচিত 'কিশোর মনে ভাবনা জাগে' বইটিও। এ ছাড়া নিজামী, আব্দুল মান্নান তালিব সহ অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের রচিত বইগুলোও বিভিন্ন শ্রেণীতে বাধ্যতামূলভাবে পড়ানো হয়। যে শিক্ষা-কারিক্যুলামটির একমাত্র টার্গেট থাকে কোমলমতি শিশুদের জামাতের মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক আদলে গড়ে তোলা।
বিগত দু'দশকে আমাদের দেশে মূল ধারার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর সীমাহীন সীমাবদ্ধতা, বাজারী অর্থনীতি ও তথাকথিত প্রাইভেটাইজেশ প্রক্রিয়ার নামে শিক্ষাকে পণ্যে পরিণত করার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের হাত ধরে জামাত অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তার শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্কটি গড়ে তুলেছে। এ ক্ষেত্রে প্রধান টার্গেট হিসেবে বেচে নিয়েছে মফস্বলের শহরগুলো। কিন্ডারগার্টেন স্কুল, কিন্ডার গার্টেন মাদ্রাসা নাম দিয়ে এবং অত্যন্ত চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে শিশু এবং তাদের অভিভাবকদের আকৃষ্ট করা হয়। চট্রগ্রামে শাহ ওয়ালী উল্যাহ ইনস্টিটিউট, চাঁদপুরের আল আমীন একাডেমী, ঢাকার তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসা, ফেনীর ফালাহীয়া, শাহীন একাডেমী, নরসিংসীর জামেয়াই ইসলামিয়া সহ সারা দেশে অসংখ্য বাংলা ও ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে জামাত। একটি বৈষম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা এবং শিক্ষা বাণিজ্যের মাধ্যমে চুষে নিচ্ছে উদ্বৃত্ত মূল। গড়ে তুলছে মৌলবাদের অর্থনীতি। যে অর্থনীতির উদ্বৃত্ব আবার ব্যবহার হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রের কাজে। এসব কিছুই ঘটছে প্রকাশ্যে। এ সব প্রতিষ্ঠানের শিশু-কিশোরদের আবার জামাতের রাজনীতির সাথে যুক্ত করার অশুভ ইচ্ছায় তাদের প্রথমে যুক্ত করা হচ্ছে জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন নামে রেজিস্ট্রি প্রাপ্ত সংগঠন ফুলকুঁড়ির কার্যক্রমরে সাথে। তারপর শিবিরে। এ ভাবে এ সব বিদ্যালয়গুলো পরিণত হয়েছে জামাতের কর্মী গড়া ও মৌলবাদী মুনাফা তৈরির কারখানায়।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি করার অপরাধে শহীদ জননী জাহানার ইমামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা করা হয়েছিল। সে মামলা কাঁদে নিয়েই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। চিরতরে, অনেক অভিমান নিয়ে। বিগত কয়েক বছরে অনেক দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে দেশদ্রোহীতার মামলা করা হয়েছে। সেসব মামলায় তাদের জেলেও যেতে হয়েছিল। অথচ আমাদের সবার চোখের সামনে জামাত তার প্রত্যক্ষ পরিচালনায় শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় সংগীতকে উপেক্ষা করার মতো স্পর্ধা ধারাবাহিকভাবে দেখিয়ে যাচ্ছে। তাতে রাষ্ট্র বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোন টনক নড়ছে না। অথচ এ দেশ স্বাধীন না হলে, এ জাতীয় পতাকা না পেলে, এ জাতীয় সংগীত অর্জিত না হলে তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীর এ পদগুলোতে আসীন হয়ে নিজের ও পরিবারের জীবিকা অর্জনা করা কোন দিনই সম্ভব হতো না। থাকতে হতে পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর অধীনে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে। দেশের বিরুদ্ধে, আমাদের স্বাধীনতার মূল চেতনার বিরুদ্ধে, আমাদের সংবিধানের বিরুদ্ধে জামাতের প্রতিদিনের কার্যক্রমের প্রমাণ তাদের শিক্ষা প্রতিষ্টানগুলো এবং সে সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কারিক্যুলাম। বর্তমান সরকার যদি সত্যি আন্তরিক হোন, সত্যি যদি বাংলাদেশের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ হন এবং বিশ্বাস করেন যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত (সেনা প্রধান, প্রধান উপদেষ্টা, নির্বাচন কমিশনার বারবার বিষযগুলো তাদের বক্তৃতায় বলেছেন) তবে জামাতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য, তাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহী কার্যক্রমের অভিযোগ এনে তা প্রমাণের জন্য এ স্কুল-মাদ্রাসাগুলো পরিদর্শনে যেতে পারেন এবং অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে পারেন।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আমাদের সংবিধানিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার স্বার্থেই এসব শিক্ষা-প্রতিষ্টানের কার্যক্রম সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা উচিত। শিক্ষাকে, আমাদের শিশুদেরকে জামাতের হাত থেকে বাঁচানোর পদক্ষেপ এখনই গ্রহণ জরুরি। একই সাথে এ সব শিক্ষা প্রতিষ্টানে দেশদ্রোহী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার অপরাধে আইনী প্রক্রিয়াটাও শুরু হওয়া দরকার। এবং এখনই। তাহলেই সরকারের নীতিনির্ধারকরা যে, আন্তরিকভাবেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে কথাগুলো বলেছেন জনগণ তার প্রমাণ পাবে। না হয় অবিশ্বাসের শেকড়গুলো ক্রমশই ডাল-পালা গজাতে থাকবে। তা কোন ভাবেই কাম্য নয়। কাম্য হতে পারে না। এতে গোটা জাতিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা সে ক্ষতির ভার আর বইতে পারবো না। সুতরাং গোটা জাতিকে নতুন ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে রক্ষা করার তাগিদেই আইনী প্রক্রিয়াগুলো শুরু হোক। এবং অবশ্যই রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে। আজকে থেকেই, এখনই..............................
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এস্কিমো বলেছেন:
থাকলো প্রিয় পোস্টে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এস্কিমো..আমাদের সংগ্রাম চলছে চলবেই
আমাদের সংগ্রাম চলছেই চলবে...........
অনামিকা বলেছেন:
লেখার জন্যে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনামিক......প্রেরণা পেলাম
েবহাগ বলেছেন:
নারায়ে তাকবীর।
"পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়ো" ফুলকুড়ি শ্লোগান।
নেপথ্যে: "রগ কাটার হাতেখড়ি নাও, সবাই মিলে শিবির করো।"
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বেহাগ সহমত প্রকাশ করবার জন্য
আমাদের সংগ্রাম চলছে চলবে....
লেখক বলেছেন: Thanks............
বুমবুম বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।কিন্তু আমরা কি করছি?কেন এই ব্যাপারটা জনসম্মুখে আসছে না?কেন পত্রিকায় হাইলাইট করা হচ্ছে না?
লেখক বলেছেন: পত্রিকা আজকাল বেনিয়াদের ব্যবসায়ে পরিণত হয়েছে। মুনাফা ওখানে এখন মূল দেবতা। আদর্শের লড়াইটা গৌণ। কালোটাকা বিনিয়োগের একটি বড় জায়গা আজকাল মিডিয়া। শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা পৃথিবীতে। মুনাফাখোরদের কাছে আদর্শিক লড়াই আশা করা যায় না। তবু আমাদের দেশের কোন পত্রিকাতো লড়াইটা করছে। আসুন তাদের পাশে দাঁড়াই....................আপনাকে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: মানারাত নিজামীর বেগম পরিচালনা করে। এ রকম অসংখ্য বেগম ও সাহেব তৈরি হয়েছে রাষ্ট্রের, রাজনীতির উদাসীনতা ও সুবিধাবাধিতার জন্য। এ সুবিধাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে হবে
বুমবুম বলেছেন:
সাংবাদিক ভাইরা প্লিজ এই ব্যাপারটা পত্রিকায় আনার ব্যবস্হা করেন।কি হচ্ছে দেশটাতে!!!
লেখক বলেছেন: বুমবুম, আপনার মতো সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আমারও বিনীত অনুরোধ.........কারণ লড়াইটা হতে হবে সর্বস্তরে...রাজনৈতিকভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে, গ্রামে-শহরে, সব জায়গা থেকে
ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করেছিল ।তাই তাকে ঢাবিতে নিষিদ্ধ করা উচিত,।
লেখক বলেছেন: জামাতী বিদ্ধায় এর চেয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব না........
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
এগুলিই প্রমান করে জামাত পাকিস্তানে ফিইর্যা যাইত চায়। যদিও এগুলি দিয়া বালও হইবো না, কিছু প্রতিবন্ধী তৈরী হইতাছে। তবে এগুলি দেখাইয়া বেকুব আরবগো কাছ থেইক্যা চান্দার সরবরাহ ঠিক রাখতাছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দ্বিতীয়নাম। আপনার দ্বিতীয়নামেই শুরু হোক দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ।
দ্বীপবালক বলেছেন:
দেশটাত দেখি তারা দখল কইরালাইছে! হায় হায়!
লেখক বলেছেন: দ্বীপবালক, আর হায় হায় নয়, গর্জে উঠুন, তাহলে দেশ, সংস্কৃতি ও জাতি দখলমুক্ত হবে.................
ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন:
আমাদের জাতীয় সন্গীত বিরহের সুরে। তাই এটাও বদলানো দরকার ।
লেখক বলেছেন: এ জামানার ক্রীতদাসদের (তাও পাকিস্তানী) মুক্তি দিও, খোদা এ জামানার ক্রীতদাসদের মুক্তি দিও
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ........................আমাদের আন্দোলনটাকে চমৎকার করে গড়ে তুলতে হবে....
মদনবাবু বলেছেন:
নতুন প্রজন্ম কে আতুর ঘরেই সঠিক ইতিহাসের কাছ থেকে এরা বিকলাংগ করে গড়তেছে । আমাদের ভবিষ্যত কি ।
লেখক বলেছেন: রাষ্ট্র (ক্ষমতাসীন সরকার ও প্রশাসন) যেহেতু আমাদের ভবিষ্যত গড়ার দায়িত্ব নিয়ে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে তখন আমাদের ভবিষ্যত গড়ার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে..
ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন:
জামাত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করায় জামাত নিষিদ্ধের দাবী করা গেলে রবি বাবুর নিষিদ্ধের দাবী করা যাবে না কেন ?স্কুল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ,সারা জীবন পড়লাম বিনা পয়সায় সরকারী প্রতিষ্ঠানে ,জামাতী বিদ্যা শিখলাম কখন ?
সরকারী প্রতিষ্ঠানেও জামাতী বিদ্যা শিখায় নাকি ?
লেখক বলেছেন: এ জামানার ক্রীতদাসদের (তাও পাকিস্তানী) মুক্তি দিও, খোদা এ জামানার ক্রীতদাসদের মুক্তি দিও
এ গানটিই পুনপৌনিক গাইতে হবে..............
নরাধম বলেছেন:
দারুন পোস্ট।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও দারুন শুভেচ্ছা.......এবং অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: আমাদের সবার অসংখ্য দারুন পোস্ট দিয়ে দেশ থেকে পাকিস্তানী 'গোস্ট' দের তাড়াতে হবে......এ লড়াই চলছে, চলবে........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...আপনার মন্তব্য অনুপ্রেরণা...মুখোশ এদের খুলতেই হবে..সবাই মিলে..সর্বাত্মকভাবে
অভিযাত্রী বলেছেন:
বিশ্ববেপী সুনাম কুড়াইচে জামাতের দুই মন্ত্রী হায় হায় (দ্বীপের স্টাইলে শ্লোগান তুলুন:
"(বাংলাদেশের) শান্তি-শৃংখলা-অর্থনীতি সুষ্ঠু থাক
(মীরাজাফর আর) নব্য রাজাকার নিপাত যাক!"
লেখক বলেছেন: পুরনো রাজাকার-আলবদর-আলশামস-ঘাতক নিজামী-মুজাহদি এবং গোলামের বিচান না হলে নব্য রাজাকার পয়দা হতেই থাকবে...সুতরাং নিজামী-মুজাহিদ-গোলামের বিচারটা আগে করতে হবে.....
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
চমৎকার পোষ্ট......................................................সুন্দর, তুমি কী বেশে এসেছো?
ললাটে ফুঁসিছে নাগিনী
রুদ্রবীণায় এইকি বাজিল
সুপ্রভাতের রাগিনী?
লেখক বলেছেন: সুপ্রভাতের রাগিনী টা বাজাতে হলে মুক্তিবুদ্ধির চেতনাসম্পন্ন একটি সমাজ নির্মাণ জরুরি। দেশ রাজাকার মুক্ত না হলে সে সমাজ সম্ভব না...
আপনাকে অ-নে-ক ধন্যবাদ.................আপনার লাইনগুলো খুব সুন্দর.
নেই মানুষ বলেছেন:
+, প্রিয় পোস্ট
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনার প্রিয় পোস্টে পাঠাবার জন্য..........
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ.........
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
আপনার সাথে একমত;মুক্তবুদ্ধির বিকাশ অত্যন্ত্ জরুরী
দরকার রাজাকার মুক্ত সমাজ
আমি ভাবতেই পারি না
একবিংশ শতকের যৌক্তিক রোদে পিঠ দিয়ে
কী করে মানুষ ফিরে যায় মধ্যযুগে,
অন্ধকারে?
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
প্রণব আচার্য @ সব ধর্ম কে নীজের ধর্মের সাথে তুলনা করা ঠিক না
মুক্তবুদ্ধির বিকাশ অত্যন্ত্ জরুরী
দরকার রাজাকার মুক্ত সমাজ
আমি ভাবতেই পারি না
একবিংশ শতকের যৌক্তিক রোদে পিঠ দিয়ে
কী করে মানুষ ফিরে যায় মধ্যযুগে,
অন্ধকারে?
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: প্রণব আচার্য @ সব ধর্ম কে নীজের ধর্মের সাথে তুলনা করা ঠিক না
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আসলে কারে কয়?
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
জামাল ভাস্কর @প্রণব আচার্য বলেছেন: ভয় আর লোভ হচ্ছে ধর্মের ভিত্তি
সুতরাং এর কাছ থেকে সত্য আশা করা ভুল
মানুষের নয়
ধর্ম হচ্ছে শোষকের নিরাপদ হাতিয়ার
ওনার এই কমেন্ট এর জন্য আমি এইটা লিখেছিলাম। তারাতারির জন্য লিঙ্ক টা খুজে পাইতেছিলাম না বলে এখানে লিখছি
এবার বুঝেছেন ধর্মীয় আনুভুতি কনটা?
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
আপনার কি মনে হয় জামাল ভাস্কর? উনি হয়তো ওনার ধর্ম থকে শিক্ষা লাভ করতে পারেন নি অথবা ওনার ধর্ম হয়তো অনাকে বঞ্চিত করেছে সেটা ঢালাও ভাবে সব ধর্মের উপরে দেওয়া ঠিক না।
কম্পোজিশান বলেছেন:
বাংলা সাহিেত্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান নিয়ে সংশয়ের কিছু নেই। লেখাতে এত বেশী বহুমূখীতা আর কারো আছে কিনা আমার জানা নেই। তাই বলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন বা বঙ্গভঙ্গ'র বিরোধিতা করেছেন, এটা বলা যাবেনা কেন? এর সাথে জামায়াত'র সম্পর্ক কি?উনি যে এমন করেছেন তার তো প্রমাণই আছে।
আর, কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি বা তার বদলে যদি কোন নৈতিক সংগীত গাওয়া হয়, সেটা কি সংবিধান বিরোধিতা?
লেখক বলেছেন: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেকোন সংগীত গাওয়া যেতে পারে তবে তা কোন ভাবে জাতীয় সংগীত কে বাদ দিয়ে নয়। আমি যেসব বিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথা বেলেছি সেখানে জাতীয় সংগীতের বিকল্প হিসেবে ঐ গানগুলো গাওয়া হয় এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন না করার যুক্তি হিসেবে সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী যুক্তি তুলে ধরা হয়। আমার বক্তব্য প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিশুরাই যথেষ্ট....শিক্ষা মানুষের বিকাশের জন্য। আর যদি শিক্ষা শিশুদের সুস্থ্য মনন বিকাশের পরিবর্তে উগ্র সাম্প্রদায়িক মনন গড়ে তুলে তা হলে সেটি চলতে দেয়া যায় না। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হওয়া উচিত। রাষ্ট্রের ও দায়িত্ব এ সব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে দাড়ানো...প্রকাশ্যে
তীরন্দাজ বলেছেন:
জামাতের বর্বর, কু্ চেহারা সবার সামনে খুলে দেয়ার প্রতিটা পোষ্টই মুল্যবান। ধন্যবাদ জামাল ভাস্কর।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
সমাজ বিজ্ঞানের একটা মতবাদ উনি কোথাই পোস্ট করেছেন দখেছেন? যেখানে আমার ধর্ম কে হেয় করার একটা সুক্ষ প্রচেস্টা নেওয়া হয়েছে।আমার মন্তব্য যেমন আপনার গায়ে বাধছে তেমনি অনার মন্তব্য ও আমার গায়ে বেধেছে।
আপনি জ্ঞ্যানি মানুশ আপনার এমন সুক্ষ প্রচেস্টা গুলো বোঝা উচিত......এবং আপনি বোঝেনও
কিন্তু আপনি শুধু প্রশ্ন করছেন তখন ই যখন আপনার গায়ে বাধছে। নইলে আপ্নিও কিন্তু গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেরাতেন
আপনে আক্রমনের বিরোধীতায় নামছেন গালিবাজী আর গলাবাজীর বিরোধীতায় পোস্ট কমেন্ট করতাছেন...আর নিজে একজন মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে রেসিস্টমতো আক্রমন করতেছেন...নিজের ধর্মরে ভালো বানাইতে গিয়া আরেকটা ধর্মরে খাটো করতেছেন...আবার সেইটা নিয়া জিগাইলে আমারেও আক্রমন করনের রাস্তা খুঁজতাছেন...ভালোই!
রাগ ইমন বলেছেন:
প্রিয় পোস্টে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে...........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্রোত আপনাকে....
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
বেশ কিছু দিন যাবত ব্লগে ছিলাম না একেবারে আক্ষরিক অর্থে। অফিসের কাজে বাইরে থাকার জন্য আমার ইন্টারনেট এক্সেস ছিল না। ফলে ব্লগকে খুব মিস করেছি। ইতোমধ্যে আমার ব্লগ যারা ভিজিট করেছেন তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আমার এ লেখাটিকে ঘিরে বেশ কিছু আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। ব্লগ না দেখার কারণে আমি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পারিনি।
প্রথমত আমাদের মহান জাতীয সংগীত নিয়ে সবচেয়ে বিতর্কিত এবং অনাকাঙ্খিত মন্তব্যটি করেছেন 'ষড়যন্ত্রকারীদের জম' নামে একজন ব্লগার। তিনি বলেছেন, আমাদের জাতীয় সংগীত বিরহের সূরে। সুতরাং এটি নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। আমি জানি না তিনি এখানে বিরহের সূর কোথাও খুঁজে পেলেন। সারা বিশ্বে দেশ প্রেমের যত গান আছে তার মধ্যে একটি শ্রেষ্ঠ রচনা আমাদের জাতীয় সংগীত। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই আমাদের জাতীয় সংগীতে বিরহের সূর রয়েছে তাতেও কোন আপত্তি থাকবার কথা নয়। কেননা যে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকার জন্য এতো রক্ত, এত শহীদ আর এত প্রাণ দিতে হয়েছে সে সব মহান শহীদদের জন্য আমাদের চিরকালই বিরহ থাকবে,....হারানোর বেদনা থাকবে। এ ধরনের মন্তব্য করে যারা আমাদের জাতীয় সংগীতের বিরুদ্ধে কথা বলাপ স্পর্ধা দেখান তাদের এ স্পর্ধার বিরুদ্ধে তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ধরনের কথা বলে আমাদের পতাকা ও জাতীয় সংগীত অপনামন করার ফর্মূলাটা জামাতী। তিনি তার নিকের প্রোফাইলে ছবি হিসেবে মেজর জলিলের ছবি ব্যবহার করেছেন। মেজর জলীল যতদিন একটি শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন তিনি ততদিন তাদের কাছে প্রিয় পাত্র ছিলেন না। শেষ জীবনে তিনি যখন ধর্মভিত্তিক রাজনীতির কাছে সমর্পিত হযেছিলেন তখন থেকে তাঁদের কাছে মেজর জলিল প্রিয় পাত্র হয়ে যায়। তার 'অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা' বইটি যেভাবে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে জামাত-শিবিরের কর্মীরা বাইবেলের মতো পড়েছে, আর বিলি করা শুরু করে। কিন্তু কখনও মেজর জলিলের সাম্যবাদি দর্শনের কথা ভুলেও উচ্চারন করেন না। মেজর জলিল যে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন আমরাও সকল ধরনের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে। সুতরাং মেজর জলিলের ছবি নিকে নিয়ে জাতীয় সংগীতের বিরুদ্ধে কথা বলার মাধ্যমে তার ছবিটাকেও অপমান করা হয়।
দ্বিতীয়ত: আরেকটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বিষয়ক রবীন্দ্রনাথ এর ভূমিকাটা নিয়ে। এ অপ্রমাণিত বিষয়টি অত্যন্ত সুক্ষভাবে এবং ভুলভাবে তুলে ধরেন সাম্প্রদায়িক আদর্শপুষ্ট রাজনৈতিক ঐতিহাসিকরা?। সুতরাং এখানে যারা এ বিতর্কটি তুলেছেন তারা জামাত-শিবিরের দেশ-দ্রোহী কার্যক্রম থেকে পাঠককে অমনোযোগী করার হীন তাগিদ থেকে সেটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
তৃতীয়ত আরেকটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে প্রণব আচার্যের একটি মন্তব্য থেকে। তিনি আজকের যুগে ধর্মের উপযোগিতা নিয়ে একটি মন্তব্য করেছেন। এটি তিনি করতেই পারেন। এ মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি একটিবারও বলেননি তার নিজস্ব ধর্ম এ সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত। কিন্তু তার জবাব দিতে গিয়ে বুড়া শাহরীয়ার নামে একজন ব্লগার তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছেন। এ ধরনের আচরণও আমার কাছে ভয়ানক প্রতিক্রিয়াশীলতা। যে প্রতিক্রিয়াশীলতা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ৭১ সংঘটিত হয়েছিল।
নাবিক বলেছেন:
আমার এ ব্যাপারে একটা পর্যবেক্ষণ আছে ।জামায়াত দেশের শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রাখছে নাকি শিক্ষা বাণিজ্য করছে এ নিয়ে জাতীয় বিতর্ক হতেই পারে।
আমি আওয়ামীলীগ ও বামপন্থী এমন অনেক স্হানীয় নেতাকে জানি যাদের ছেলেমেয়েরা জামায়াতের শিক্ষা প্রতিস্ঠান গুলোতে পড়াশুনা করছে।
ময়দানে জামায়াতের বিরুদ্ধে গরম গরম বক্তৃতা ঝাড়েন, এমন কয়েকজন নেতারে জিগাইলাম জামায়াতের এত বিরোধীতা করেন আবার পোলা মাইয়ারে ওগো স্কুলে পাঠান, ব্যাপার কি?
"ওটা আলাদা ব্যাপার। ওটা তোমরা বুঝবানা। ওগো স্কুলে পড়ালেখা ভালো হয়। আদব কায়দা শেখায়। আমরাতো দলীয়ভাবে স্কুল করবার পারিনা। মাগার পারলে সরকারী স্কুলের কমিটির মেম্বার হইয়া কত টাকা মারন যায় তার ধান্দায় থাকি। আর ওরা সরকারি সাহায্য ছাড়াই কতগুলান স্কুল কলেজ চালাইতেছে দেহো। সরকারী স্কুল-কলেজেতো অতো সিট নাই। কলেজ গুলাতে মারামারি লাইগাই থাকে। তাই ওগো শিক্ষা প্রতিস্ঠানগুলোই ভালো।"
বুজলাম ভদ্রলোক রাজনীতির মতো নিজের স্বার্থটা ভালো বোঝেন।
আরেকজন বললেন, "মিয়া ওদের দোষ দাও ক্যা? ওরাতো সরকারী সিলেবাসই পড়াইতাছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান, উপজাতি ছেলেমেয়েরাও ওদের স্কুলে সমান সুযোগ পায়। মুসলমান ছেলেমেয়েদের নামাজ কালমা শেখায় এটা খারাপ কি? আর জাতীয় সংগীত যে ওগো স্কুলে গাইতে দেয়না এটা মিছা কথা। আমার পোলা যে স্কুলে যায় ওখানে তো দেখলাম জাতীয় সংগীত গায়। ওগো স্কুলে জাতীয় সংগীত গাইতে দেয়না এইটা যদি হাচা হইতো তাইলে হাসিনাতো পাঁচ বছর ক্ষমতায় ছিল, নেত্রী কি ছেড়ে দিত? হাসিনাতো এ ব্যাপারে কিছুই করলোনা।"
লেখক বলেছেন: পুরো মন্তব্যটি্ই মিথ্যার বেসাতিতে ভরপুর....। মাঠ পর্যায়ে সরেজমিনের তথ্যের ভিত্তিতে এ পোস্টটিতে বলা হয়েছে যে ইসলামিক এডুকেশন সোসাইটির সিলেবাসের আলোকে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না। আমি প্রতিষ্ঠানগুলোর নামও বলেছি। ডিরেস্ট ন্যারেশন এ এ রকম মিথ্যার সেবাতি যারা ছড়াতে চান তাদের জন্য একটি কথা---এ জামানার কৃতদাসদের মুক্তি দিও.........আমরার পোস্ট যে বক্তব্য লেখা হয়েছে সেখানে তথ্যের সত্যাতর দায়িত্ব নিয়ে লিখেছি। আর আ'লীগের কোন নেতার সন্তান জামাতের বিদ্যালয়ের পড়ার উদাহরণকে ফতোয়া হিসেবে উল্লেখ করলেই সব স্বাভাবিক হয়ে যায় না। বৈধ হয়ে যায় না....
পান্থ বিপুল বলেছেন:
এরকম পোষ্ট পড়তেই সামহোয়ারে আসি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ পোষ্টার জন্য। খুব কষ্ট পেলাম লেখাটা পড়ে আমার প্রশ্ন,
১. গত ১০ বছর আওয়ামী লীগ এবং বি.এন.পি সরকার কেন এই ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি ?
২. আমরা আওয়ামী লীগ এবং বি.এন.পি নেতাদের সাপোর্ট করে প্রক্ষান্তরে কি জমাতকেই সাপোর্ট করছিনা ??
৩. আমাদের দৈনিক পত্রিকা উয়ালারা কি ছিরতাছে ???
৪. জামাতে কয়টা সাপোর্টার আছে ? আমাদের অভিভাবকরা এই সব স্কুলগুলো বর্জন করলেই কি কয়েক বছরের মধ্যে স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যাবে না ?
লেখক বলেছেন: আমরা যদি সামাজিকভাবে বয়কট করতে পারি তাহলো হয়তো সম্ভব। আর বয়কটের প্রক্রিয়াটা হতে হবে সামাজিক, রাজনৈতিক সকর দিক থেকে। তবে রাজনীতি যেখানে আবর্তিত হচ্ছে ক্ষমতাকেন্দ্রীক সুবিধাবাদিতাকে ঘিরে সেখানে আ'লীগ কার্যক্রমেও হতাশ না হওয়ার সুযোগ নেই। আর বিএনপি? ক্ষমতার জন্য আবারও আঁতাত করতে পারে এবং করবেও। হাফিজের বাতচিৎ দেখে বুঝতে কষ্ট হয় না।
আপনাকে ধন্যবাদ
বামনী তুলাগাছ বলেছেন:
প্রিয়তে +
লেখক বলেছেন: বামনী তুলাগাছ, আপনাকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা.....
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ
শান্ত বলেছেন:
শেয়ালের মত হুয়াক্কা হুয়া করতে থাকো, খুব বেশি লাভ হবে বলে মনে হয়না। তোমাদের অবস্থা হবে জাহানারা বিবির মত, কবরে চইলা যাইবা, মাগার জামাতীগো কিছুই করবার পারবানা, শুধু গলা পাঠাইবা। চলুক, তোমরাও আগাও, জামাতও আগাইতেছে, দেখি কে জেতে?
লেখক বলেছেন: মৃত্যু মানব জীবনের সব চেয়ে সুন্দর অনিবার্য পরিণতি যদি সেটি জাহানারা ইমামের মতো হতে পারে। সুতরাং শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মতো হতে পারাটা সৌভাগ্যের এবং অবশ্যই প্রত্যাশিত।
আর জেতা? এটি খুব আপেক্ষিক বিষয়। ৭১ এ মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্যতম অপরাধ করে, নারী নির্যাতন করে, ধর্ষণ করে, সহায়তা করে জামাত ভেবে ছিল তাদের আপাতত বিজয় হয়েছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী আছে। শেষ পর্যন্ত নিপীড়ত আম জনতাই বিজয় লাভ করেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। পাকিস্তান ও জামাতে ইসলামীর নৈতিক পরাজয় হয়েছে। পরাজয় হয়েছে সমুখ যুদ্ধেও।
ষড়য্ন্ত্রের রাজনীতি ও মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপরাজনীতিতে এবং ইসলামকে পণ্যে পরিণত করার মধ্য দিয়ে জামাত নেতাদের মুনাফা তৈরির প্রক্রিয়াকে আপতত বিজয় মনে হতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়ায়। ইতিহাসের বিচার সব চেয়ে কঠিন বিচার। সে বিচারের কাঠগড়ায় জামাত ও তার সহযোগীদের একদিন দাঁড়াতে হবে। এ থেকে কোন রেহায় পাওয়ার কোন উপায় নেই।
মুক্তি বলেছেন:
একজন অজামাতির চোখে জাতীয় সংগীত গাওয়ার যৌক্তিকতা। এবং চিন্তা ভাবনা (মন্তব্যগুলোও উপাদেয়)।Click This Link
লেখক বলেছেন: জামাতের একটি অসম্ভব রকম ক্ষমতা আছে। আর সেটি হচ্ছে ধর্মের মোড়কে মিথ্যজীবিতা। মুক্তি আপনি অজামাতি যাদের চিহ্নিত করেছেন তাও সেরকম একটি জামাতি মিথ্যাজীবিতা। জামাত তার ভাষায়' হিকমত' এর কথা বলে মিথ্যাবাদিতাকে বৈধতা দেয়। সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য নানা ফাঁদ পাতে। নানা নামে সংগঠন তৈরি করে। যেমন বাংলা সাহিত্য পরিষদ, মুক্তকন্ঠ, চট্রগ্রাম, চট্রগ্রাম সংস্কৃতি কেন্দ্র, জাতীয় সাংস্কৃতিক পরিষদ। এগুলো করে জামাত ৭১ এ যা করেছে তার জন্য গনধিক্কার এড়াবার জন্য। কারণ জামাত জানে নিজের নামে গেলে পরিস্থিতি কি হতে পারে, যেমনটি হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাদের নেতা নিজামীর ক্ষেত্রে। জামাত তার হিকমতী ফাঁদে বাংলা সিনেমার আদি রসাত্তক ছবিও ছাপে নিজেদের প্রকাশনায়। যেমন মীর কাসেম আলীর মালিকানাধীন পত্রিকা নয়া দিগন্তের সিনেমার পাতা। সে পত্রিকারই একজন পরিচালক ফুড ব্যবসার অন্তরালে 'হিরোইন পাচারের জন্য অভিযুক্ত হয়েছিলেন জোট সরকারের আমলে। সুতরাং জাতীয় সংগীত নিয়ে যারা মন্তব্য করেছে তাদের অজামাতী বলাটা মূলত পাঠক বিভ্রান্তিকরণের পুরনো জামাতি ফর্মূলা। এ ফর্মূলাটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অচল।
তবে মুক্তি, আপনার মন্তব্য থেকে জামাত যে এখনও ৭১ এর অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ায় নি, এখনও জামাত তার মুক্তি খুজে পাকিস্তানের জমিন ও পতাকায়, সেটি আবারও স্পষ্ট হলো। খুব ভালভাবে।
মুক্তি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হা হা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কোবরা আপনাকে এ রকম একটি ছবি দেয়ার জন্য
শাব্বির আহমদ বলেছেন:
আপনি যে সব স্কুলের নাম বললেন, দয়া করে সেখানে কি আপনি গিয়েছেন অথবা কারো কাছে শুনেছেন। আর আপনি আরো কিছু জামাতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম লিখেন নাই। আছে ভাই আরো আছে।দেখে শুনে আপনি তারপর লিখুন।
লেখক বলেছেন: জনাব শাব্বির সাহেব, আপনার বক্তব্য স্পষ্ট নয়। তবে আপনার প্রশ্ন যদি হয়ে থাকে আমি তথ্যের সত্যতা নিয়ে নিশ্চিত কি না, অথবা কোন প্রক্রিয়ায় আমি তথ্য পেয়েছি, তবে আপনার জ্ঞাতার্থে বলছি, আমি ১০০% নিশ্চিত হয়ে দায়িত্ব নিয়ে তথ্য পরিবেশন কেরেছি। আর ১০০% নিশ্চিত হওয়ার জন্য যেসব প্রক্রিয়াগুলো রয়েছে তা অনুসরণ করেই এ তথ্য দেয়া হয়েছে।
জামাতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা রাজাকার তৈরির কারখানাসমূহের তালিকা তৈরি আমার উদ্দেশ্য ছিল না যে আমাকে সব কটি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রদান করতে হবে।
কোবরা বলেছেন:
শাব্বির মিয়া তুমি তো আগে শিবির করতা তাই তুমি কিছু নাম দিয়া সাহায্য কর............চট্রগ্রামের IIUC কি জামাতী ইউনভারসিটি?
মুক্তি বলেছেন:
হা হা হা আপনার যুক্তিতো ভাই খুব সুন্দর। ভাই জামাতের সেই অসম্ভব ক্ষমতার থিউরীটা যে আপনার মধ্যে এপ্লাইড করেন নাই মানে বলতাছিলাম যে আপনে জামাতী না তার একটা প্রমান দেন।
লেখক বলেছেন: মুক্তি আপনার এবারের ফর্মূলাটা আপনাদের দলের বাপ-দাদা মানে গো'আ, মদদী, নিজামীর সৃষ্ট ফর্মূলাটাকেও হার মানিয়েছে। মানুষ বিভ্রান্তির ফলিত ফর্মূলাতে আপনারা সবসময় 'ওস্তাদ' ছিলেন। কখনও ধর্মের নামে 'অধর্ম করে, কখনও শিল্প সাহিত্যের নামে। একটি কথাই বলতে হয়। আর তা হচ্ছে -খোদা এ জামানার কৃত দাসদের মুক্তি দিও-
লেখক বলেছেন: কখনও ধর্মের নামে 'অধর্ম করে, কখনও শিল্প সাহিত্যের নামে অপ-সাহিত্য করে। একটি কথাই বলতে হয়। আর তা হচ্ছে -খোদা এ জামানার কৃত দাসদের মুক্তি দিও-
মুক্তি বলেছেন:
"মুক্তি আপনার এবারের ফর্মূলাটা আপনাদের দলের বাপ-দাদা মানে গো'আ, মদদী, নিজামীর সৃষ্ট ফর্মূলাটাকেও হার মানিয়েছে।"তাইলে আমি জামাতের থাইকা বড় কিছু?
লেখক বলেছেন: জামাতি দুষ্টুমি আর জামাতি ভন্ডামি একটি 'কিউমিউলেটিভ' প্রক্রিয়া। সে প্রক্রিয়ায় উপরোক্ত ফর্মূলার সৃষ্টি। সুতরাং একই মেল্টিই পটে বিকশিত হয়ে বড় কিছু হওয়ার সুযোগ নেই,,,,,,
শাব্বির আহমদ বলেছেন:
"কোবরা বলেছেন: শাব্বির মিয়া তুমি তো আগে শিবির করতা তাই তুমি কিছু নাম দিয়া সাহায্য কর............চট্রগ্রামের IIUC কি জামাতী ইউনভারসিটি?
ভাই কোবরা, ক্যামতে জানলা। তুমারে নোবেল দিওন লাগে। জিতে রহো বাচ্চো। তুমি কই থেকে পাশ করছো মনে করো।
আদৃতা আবৃত্তি, আমি নিজে জামাতিদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়েছি। আমার জানামতে ওদের ওখানে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না, এটা ভুল তথ্য। হ্যা আপনার কথা ঠিক আছে ওদের সিলেবাসটা অন্যরকম। যদি অন্যায় লাগে প্রতিবাদ করুন, আপনার বিজয় সুনিশ্চত।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রতিষ্ঠানের নামটি বললে উত্তরটা দিতে সহজ হতো। তবু ধরে নিলাম আপনার দাবিটি ঠিক। তার মানে আপনার ভিন্ন অভিজ্ঞতা কোন সাধারণীকরণের জন্য যথেষ্ট নয়। বরং মূল প্রবণতটাই গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণীকরণের জন্য সেটিই নির্ভরশীল। আর আমি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম বলেছি সেগুলোতে যারা পড়ে তাদের সাথে, সেসব কোমলমতি শিশুদের সাথে আপনি কথা বলুন, তাদের অভিভাবকদের জিজ্ঞেস করুন। আশে পাশের যেসব বাসা বাড়ি আছে তাদের কাছে যান। তারপর বলুন আমি যে বলেছি জামাত পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়না এ কথা ঠিক কি না।
তাছাড়া জামাত এবং জামাতী ব্লগাররা জাতীয সংগীত পরিবর্তনের পক্ষে যেখানে ক্রমাগত সাম্প্রদায়িক যুক্তি উত্থাপন করে যাচ্ছে সেখানে আমার বক্তব্য প্রমাণের জন্য আর কিছু প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। আর সিলেবাসটা শুধু অন্য রকম নয়, বিভ্রান্তিকরও। যে বিভ্রান্তি বিগত জোট সরকারের আমলে ন্যাশনাল কারিক্যুলাম এর আওতায় বিভিন্ন শ্রেণীর পাঠ্য বইতেও করার চেষ্টা করেছে এবং করেছেও।
লেখক বলেছেন: আহমাদ মুজতবা বলেছেন: মুতয বলেছেন:
সকল প্রকার তেলাপোকা এবং জামাত থেকে সাবধান।
আপনাদের দু'জনকেই ধন্যবাদ
মুক্তি বলেছেন:
মাসুদা আপাও অবশ্য বহুত নাচানাচি করছে এইগুলা নিয়া কাম হয় নাই। মন্তব্য সবগুলা পইড়েন। Click This Link
লেখক বলেছেন: মুক্তি বিষয়টি নাচানাচির নয়, সুতরাং কে নাচলো সেটি গুরুত্বপূর্ণও নয়। মাসুদা ভাট্রির ব্লগে গিয়ে যারা মন্তব্য করেছে তাদের সামাজিকায়ন,বেড়ে উঠা, তাদের মতাদর্শিক দাসত্ব এগুলো গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের মাটিতে বেড়ে উঠে এখনও যারা পাকিস্তানী কায়দায় স্বপ্ন দেখে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ায়, যারা ধর্মভিত্তিক পশ্চাদপদ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে, তার জন্য কাজ করে, তাদের মন্তব্যগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ ভাববার কোন কারণ নেই। ধর্মভিত্তিক পিতৃতন্ত্র যারা মননে সর্বক্ষণ লালন করে, তাদের পক্ষে কোন শুভ মন্তব্য করার সুযোগ নেই।
রাশেদ বলেছেন:
++++
পিচ্চি বলেছেন:
জামাতকে জুতা মেরে ব্লগ থেকে বের করে দেয়া হোক।
লেখক বলেছেন: পিচ্চি বলেছেন: জামাতকে জুতা মেরে ব্লগ থেকে বের করে দেয়া হোক।
তীরন্দাজ বলেছেন:
বুঝলাম নি, এত দেরীতে এত ভাল একটি লেখা (সমীক্ষা) চোখে পড়ল কেন। যহোক, লেখককে অনেক আন্তরিক ধন্যবাদ। মাদ্রাসা শিক্ষা দেশ থেকে তুলে দেয়া দরকার। ধর্ম সংক্রান্ত পড়াশোনা স্কুলে, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা অংশ করে নেয়া হোক। ভার্সিটিগুলোতেও সুযোগ্য শিক্ষক রাখা দরকার, যারা ধর্ম (+ ইসলাম ধর্ম) বিষয়ক উচ্চতর শিক্ষা প্রদানের ক্ষমতা রাখেন।
হাসিব বলেছেন:
পোস্টটা ভালো হৈছে । তবে পূর্নতা পেতো যদি সুনির্দিষ্ট কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে আসতো । মন্তব্য থেকে আমি একটা নামই পেলাম - মানারাত । বেজন্মার ঝাড় সবগুলো । এসব থেকেই সারওয়ার টাইপ লোকেরা জাতীয় সংগীত সংশোধনের কথা তোলার সাহস করতে পারে ।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো পোস্ট পড়ে। প্রিয় পোস্টে পাঠালাম।
লেখক বলেছেন: ফাহমিদুল ভাই লেখাটি প্রিয় পোস্টে পাঠিয়েছেন দেখে অনুপ্রাণিত হলাম। আপনার যোগাযোগ পত্রিকার আমি মোটামুটি নিয়মিত পাঠক এবং ভক্ত। মিডিয়া নিয়ে বাংলাদেশে এমনিতে সমাজতাত্ত্বিক কাজ খুবই কম। সে ক্ষেত্রে আপনাদের লেখাগুলি আমি মোটামুটি গোগ্রাসে গিলি। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন:
+++ এগুলো কোথায় ঘটছে তার কিছুই আমরা জানি না।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
আরিফুর রহমান বলেছেন:
বোঝা গেলো ড়াজাকার উৎপাদন হয় কোথা থেকে!
শেহাব বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ................
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো...আমি আছি আপনার সাথে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
দ্বিধা বলেছেন:
কয়টা ড়াজাকারের লাফালাফি দেখেই বুঝা যায় রিপোর্ট ঠিক আছে । এগুলার লগে কথা কওয়া যে কি কষ্টকর...গাল নাহয় গদাম লাথি...আর কোন কিছুতে কাজ হবে না ।লেখককে ধন্যবাদ পোস্টের জন্য ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ.....
ঘনাদা বলেছেন:
ঠিক ১৩টা মাইনাস!
লেখক বলেছেন: মাইনাসে কী আমি ডরাই সখি
মানবজমিন বলেছেন:
আমি নতুন বল্গার, তাই এতো দেরিতে কমেন্ট করছি...আমার স্কুলের নাম বাদশাহ ফয়সাল ইনিস্টিটিউট...২৫ বছর আগে আমি যখন ক্লাস ৫ এ পরতাম তখন থেকে আমি শিবিরের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করি...উরা যে কতদুর এগিয়েছে তা মনে হয় আমাদের বি এন পি, আঃলীগ চিন্তাও করতে পারবে না...যতদুর যানি উদের মুল টার্গেট এ দেশের শিক্ষা কে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন করা, এ ক্ষেত্রে উরা প্রায় ৭০ ভাগ সফল...
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
ভালো লেখা নিঃসন্দেহে। +
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ......................
সাইফ মিরাজ বলেছেন:
@ মানবজমিন -- আমি একমত । বি এন পি কিংবা আওয়ামীলীগ এরা শুধু নিজেদের স্বার্থ দেখছে। ১০ বছর পর বুঝবে এই দেশটি কার হাতে। সম্ভবত তারা ইতিমধ্যে তা বুঝে গেছে । তাই যে যত পারে দেশের সম্পদ বাইরে পাচার করছে। আমি নাসিরাবাদ (চট্টগ্রাম) বয়েস এ পড়ার সময় আমাকে অনেকগুলো কাগজ দিয়েছিল আমাদের স্কুলের এক বড় ভাই। পরে বাসায় এসে মামার মার খেয়ে অ মুখো আর হইনি। আমার ঐ বয়েসের বাচচাদের মানসিকতা বদলানো খুব সহজ
কানা বাবা বলেছেন:
হাসিবের মতুন আমারো মুনৈতাচে ইচপেচিফিকালি ইচকুল্গুলানের নাম্ধাম কৈলে আরু ভালু হৈতো...
খোকন জিও বলেছেন:
+ থাকলো প্রিয় পোস্টে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
লেখক বলেছেন: হ্যা, ঠিক বলেছেন....................এটি তাদের আরেকটি ব্যবসা। অন্য কোন পর্বে লেখা যেতে পারে। আপনি নিজেও লিখতে পারেন।
ধন্যবাদ।
েপাদ্দার বলেছেন:
উচিত কথা বললে খূব লাগে। আরে বেটা ওদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ তো আওয়ামী লীগের সন্তান পড়ে। তোরা ওখানে পড়াস কেন? পারলে তোরা কোয়ালিটি এডুকেশন এর ব্যবস্থা কর।আমরাও যাবো। তাতো কর না শুধূ পট পট কর।
শয়তান বলেছেন:
এতদিন পরে মনে পরলো ??
নষ্ট কবি বলেছেন:
ভালো
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















