আমার প্রিয় পোস্ট

ফিসফাস

০১ লা জুন, ২০০৬ ভোর ৪:১৩

শেয়ারঃ
0 0 0

ব্লগে যখন প্রথম আসি তখনও তাত্তি্বক আলোচনা এবং হার্ড-লাইন তকর্াতর্কি ছিল, তবে তার পাশাপাশি গল্প-কবিতা-রম্য রচনাও ছিল । বলা যায় সেগুলোই ছিল প্রধান । কে কিসের জন্যে দায়ী অনুসন্ধান করতে গেলে ফুলকপির উৎপাদন বেড়ে যাবে ।সুতরাং পরিস্থিতির উন্নতিতে প্রয়োজন যৌথ কোন সৃষ্টিশীল প্রচেষ্টা ।

ফেব্রুয়ারীতে প্রথমে মুখফোড়ের আমন্ত্রণে এবং পরে রাসেল আর আমার ব্লগে ফিসফাস খেলা হয়েছিল । কোন গল্পই শেষ পর্যন্ত শেষ হয়নি তবুও ব্যাপারটা বেশ জমেছিল । আজ অনেক দিন পরে মনে হচ্ছে আমাদের ব্লগ-সলিডারিটি পুনরায় জোরদার করা দরকার । প্রাপ্তির বিষয়টি যেভাবে আমাদের ঐক্যবদ্ধ করেছে, অবশ্যই কোন কিছু তার সঙ্গে তুলনীয় নয় । তবে যৌথ সৃষ্টি, নির্মল আনন্দের আবহ সৃষ্টি করতে পারে । তাই আজ আবার একটা ফিসফাস ছাড়ছি । ফলোআপে যার যা খুশি লিখুন ।পাটুয়াটুলি থেকে প্লুটোতে চলে যান সমস্যা নেই । প্রথম কিস্তি আমি দিচ্ছি । সহ-লেখকদের প্রতি অনুরোধ , লিখুন । যা খুশী তাই ।

....................................................................................


অমি'র ভালো লাগে এবং লাগে না । কিছুদিন যাবৎ দুটো ব্যাপার একসাথে ঘটছে । কিছু একটা করা দরকার বুঝতে পারছে কিন্তু সেটা যে ঠিক কি সেখানেই সমস্যা । স্কুল কলেজে গড়পড়তা ছাত্র হওয়ায় বেশ কুস্তি করতে হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে । কিন্তু ভর্তিহবার পরে পড়াশোনার আগ্রহে ভাটা পড়েছে । পায়ে হেটে ঘোরে মাইল কে মাইল । বন্ধু-বান্ধব জুটেছে অনেক । তাদের সাথে গ্যাজাতে ক্লান্তি এসে পড়ে অল্পতেই । প্রেম হয়নি । বাইরে চেষ্টা করেনি করেনি ভাব দেখালেও আসলে ক্লাস সেভেন থেকেই পাকে চক্রে নানারকম কিচির মিচির চালিয়ে আসছে । কিন্তু সুবিধা হচ্ছে না । এযূগের মেয়েগুলো লালটু মার্কা পোলাপান পছন্দ করে । অমি'র এসব সহ্য হয় না । কারো জন্যে ইন্টেলেকচুয়াল সারেন্ডার ওর পক্ষে সম্ভব না । আবার আতেল মেয়েগুলোও সোনালী ফ্রেমের চশমার আড়ালে শেষ পর্যন্ত ঘটি-বাটিই ভালোবাসে । ব্যতিক্রম হয়তো আছে কিন্তু তাদেরকে নাগাল পাচ্ছেনা । মাঝে মাঝে ভাবে মোটেতো ফার্স্ট ইয়ার । আসল রঙ্গ হয়তো শুরুই হয়নি ।


.....কে আছেন ব্লগারু...আগে বাড়ান....

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
ধানসিঁড়ি বলেছেন: সুমির সাথে হঠাৎ করেই দেখা হয়ে গেল। সিমেমাটিক পরিচয়, তবে মোটেই সুখকর নয়।
লাইব্রেরীর সিড়ি বেয়ে উঠছিল সুমি, গায়ে গোলাপী রঙের ঝলমলে শাড়ি। আনমনে না কি সুমির তীব্র রুপের ছটায় অন্ধ হয়ে অমি ঠোক্কর খায় সুমির সাথে।
সিনেমার মতো দুজনার পরিচয় হতে পারতো; স্যরি, আমি একদম দেখতে পাইনি, কোথাও লাগেনি তো বলে ভালোবাসার গাঙে নেমে অবগাহন করতে পারতো।
না, তা আর হলো না, আর হবেই বা কি করে, আজকালকার সুমিরাতো আর সিনেমার নায়িকা নয়।
সুমিকে দেখে যতটা ভালো লেগেছিল অমির, তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারে না, পড়তে পড়তে নিজেকে সামলিয়ে সুমি ভিলেনের মতো কষে একটা থাপপর মারে অমির দেবদাস মার্কা গালে।
মেয়েদের দেখলেই পাগলা কুত্তা হয়ে যাস না? আবার যদি কখনো ডিস্টার্ব করিস তবে টেংরি ভেঙ্গে বায়তুল মোকাররমের গেটে বসিয়ে দেব।
হন হন করে এগিয়ে যায় সুমি। বিস্ময়-বিমুঢ অমি তাকিয়ে থাকে ওর চলে যাওয়া পথে।
২. ০১ লা জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অপ বাক বলেছেন: ক্লাশ শেষে লাইব্রেরি সামনে এসে মেজাজটা খিঁচরে যায় অমি'র।
সামনে এক ছেলে তার দিকে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে হাসছে। সুমির চড়টা শুধু তার গালের বারোটা বাজায় নি একই সাথে ওটা ভার্সিটিতে তার অবস্থানেরও বারোটা বাজিয়েছে।
তিল তিল করে একটা অবস্থান তৈরি হয় কিন্তু সামান্য একটা ধাককায় তা খানখান হয়ে ভেঙে যায়, অমির ভেতরে প্রচন্ড রাগ।
ভার্সিটি থেকে বের হয়ে গেলো আড্ডায়, সেখানে এই কথা তুলতেই একজন বললো
মাইয়া মানুষ বেশী ফরফরাইবার লাগছে তো ওরে তুইল্যা নিয়া আয়, পরে দেখুম নে শইলে কত জোড়। নাকি তোর কলিজা মুরগির নাহান, এই খানে কতা কইবা আর মাইয়ার সামনে গেলে বিলাই হয়্যা ঠ্যাঙ্গের চিপায় ধন লুকাইয়া বয়া খাড়ায়া থাকবা।
অমি এরকুম পোলা না, হ্যার কইলজ্যা অনেক বড়, চ' ল যাই শালীরে তুইলা আইন্যা বুঝামু, শালীর শইলে কত ত্যাজ।
৩. ০১ লা জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: লালমিয়া আপ বাক আর শোমচৌ তিনজনের লিঙ্কই সঠিক ধরা গেল । দেখা যাক আগে কি হয় !
৪. ০১ লা জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
লাল মিয়া বলেছেন: একি জি্বনের বাদশা দেখি আগেই আইছে । ও.কে. আমারটা আগে পিছে কইরা লন ।
৫. ০১ লা জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: অমি'র ভেউ ভেউ করে কাঁদতে ইচ্ছা হয়। মনের ভিতরে সে একাউন্টিংয়ের খাতা খোলে। এই চড়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে সে কি দিওয়ানা মজনুন হয়ে যাবে। নাকি বদলা তুলতে মাস্তান সাজবে। অথবা সুমির অন্যকোনো বান্ধবীর হাত ধরার চেষ্টা করবে। অমির এক ভাবনা আরেক ভাবনার সাথে ঠোক্কর খায় কিন্তু ঘাটে ভিড়তে পারে না।

মামুর দোকানে সিগারেট ধরাতে রতন কানে কানে ফিসফাস করে গাঁজা খাবি। অমি সবসময়ই পলিটিক্যালি কারেক্ট। রতনকে কষে চড় লাগাতে ইচ্ছা হয় পারে না। সুমির চড়ের কথা মনে পরে যায়। গালটা জ্বলছে এখনো। গাঁজা খেলে কি অপমানটা ভুলা যাবে। তাহলে সুমি বাদ দিয়ে সুমির বান্ধবীর দিকে মন দেয়া যেত।

রতন চোখ নাচায়। বলে, তোর মনে অনেক দু:খ জানি। আয় গাঁজায় টান দিলে বাদশাহ হয়ে যাবি। মোটে দশ টাকা। দশটাকায় বাদশা হওয়ার লোভ অমিকে পেয়ে বসে। কিন্তু বাদশা হওয়ার জন্য মাঠের চিপায় নোংরা একটা জায়গায় এসে বসে ওরা। অমি'র দামী জিনেসর প্যান্টটার জন্য মায়া হয়। কিন্তু বেশি সময় লাগে না। অমি কিছুক্ষণ পর তার প্যান্ট শার্ট দুটো নিয়েই মাঠের ঘাসে গড়াগড়ি দেয়। আর ঘনঘন রতনকে ঘন ঘন থাপপড় দিতে থাকে। বলে রতন তুই আজ থাইকা আমার জানি দোস্ত হয়া গেলি।

রতন তার এই অকস্মাৎ পদোন্নতিতে যারপরনাই আহ্লাদিত। সে তখন আবদার ধরে। দোস্ত যখন স্বীকার করছো তখন একটা বুদ্ধি দেই, মনে ধরে নিবা, মনে ধরে নিবা না। অমি এই নতুন দোস্তরে অভয় দেয়, শরীরে রক্ত থাকতে দোস্তের কথার অপমান হবে না। রতন বলে, আমার পরামর্শ হইলো সুমিরে তুমি বইন ডাকা শুরু করো।

রতনের পরামর্শের শিকড়-বাকল কিছুই বুঝতে পারে না অমি। ওর কাছে সবকিছু ধোঁয়া ধোঁয়া মনে হয়। শুধু ধোঁয়ার মধ্যে রতনের আবক্ষ মূর্তিটা দেখে। রতন মাথা ঝাকাচ্ছে আর আশ্বস্ত করছে, এই পথেই হইবো।
৬. ০১ লা জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: আস্তে আস্তে ধাতস্থ হয় অমি।
ক্লাসে আর কিছুতেই তার মন বসেনা। এটা-সেটা হাজারো চিন্তা।
সুমী মেয়েটাকে দেখে যতটা মুগ্ধ হয়েছে, তার চেয়ে বেশী মুগ্ধ হয়েছে চড়টা খেয়ে।
চড়ে জোর ছিল হয়তবা, কিন্তু আমাদের অমি তো আর লালটু টাইপের আলু-টমেটো না! অমন নরম পেলব হাতের একটা আঘাত তার কাছে মনে হয়েছে ফুলের পাঁপড়ির ছোঁয়া।
ক্লাসে বসে অমি প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে আবার এই মেয়ের সাথে কথা বলা যায়; জুতমতো একটা ছুতো বের করতে হবে।
একবার ভাবে রাস্তায় আটকিয়ে জেরা করবে কেন কিছু না বিচার করেই তাকে অমন একটা চড় দিল?
নাহ, এটা করলে উলটো আরেকটা চড় খাওয়ার সম্ভাবনাটাকে একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায়না, অমি এই প্ল্যানটাকে বাদ দেয়।
তাহলে কি করিডোরে দেখা করে 'গতকালের ঘটনার জন্য খুবই লজ্জিত' এরকম লালটু-বাবু টাইপের কথা দিয়ে শুরু করবে?
অমি তার মাথার ভেতর কালবৈশাখীর ঝড়ের মতো কিছু একটা টের পায়; সে বুঝতে পারে যে আজ আর ক্লাস করে লাভ নেই। এখনই বের হয়ে যেতে হবে!
৭. ০১ লা জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
লাল মিয়া বলেছেন: ভাগ্যিস তখন সিড়িতে কেউ ছিল না । সময়টা ভরদুপুর । ব্যাপারটা কেউ দেখে নাই । আপাতত রক্ষা কিন্তু এই ঘটনা থেকে মেয়েদের উপর রাগ আরো বাড়লো অমি'র । সিড়ি দিয়ে উঠতে নামতে ধাক্কা লাগতেই পারে । মেয়েগুলা গোড়া থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখে যে, ছেলে গুলো সব সময় গায়ে হাত দেওয়ার তালে থাকে । আর অনেকে মেয়ে ছেলেদের চড় মেরে একরকম পৈশাচিক আনন্দও পায় ।

এর একটা হেস্তনেস্ত করা দরকার । মনটা ভারী হয়ে যায় অমির । সেদিন আর পড়াশোনা হয়না । কাকতালীয় ভাবে সেদিন বিকেলেই ডাস এর সামনে আবার সুমির মুখোমুখি । দেখেও না দেখার ভান করে কলিজা সিঙ্গারায় মন দেয় অমি । হিন্দি সিনেমার মতোই অমির পাশে এসে বসে সুমি ।
৮. ০১ লা জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
অতিথি বলেছেন: আমার ফিসফাস তো হারাইয়া গেল গা :(((((
৯. ০১ লা জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
কালপুরুষ বলেছেন: অমি রেগে বলে, "যা জানোছ না তা নিয়া কথা কইবি না। মাইয়াগো তুইলা আনা আর পল্টি দেয়া বাহাদূরীর কাম না। আমি যদি ওরে ওইহানে উল্টা কিছু করতাম তইলে সুমিওে আমি জন্মের মত হারাইতাম। রাইতে নিজের হাতটা দেখবো আর চিন্তা করবো কাজটা কি আমি ভাল করছি? দেখবি চিন্তায় চিন্তায় ঘুম আইবো না। আমার কাছে আইয়া মাফ চাইব। ব্যস্ --- এরপর খেলা দেখ। হুইতে বইতে আমার নাম। বেটা জীবনে প্রেরেম করছ নাই বুজবি কেমনে?....যা অহন এক কাপ আ লইয়া আয়। খায়া প্রেমের কিছু ডাইলগ নাইলে কবিতা বাছতে থাকি। আর আমাগো কাউলা ..মানে কালপুরুষরে কইছ আমার লাইগা জবরদস্ত কয়টা পেরেমের কবিতা লেইখা রাখতে। যা অহন ফুট.. "
১০. ০১ লা জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
মাশীদ বলেছেন: নাহ! ক্লাস, লাইব্রেরি, আড্ডা - কোনখানেই তো টেকা যাবে না দেখছি! কে এক সুমি (কী ক্ষ্যাত নাম!) না হয় একটা চড়ই মেরেছে, এমন তো নয় যে এই দুনিয়ায় বা এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে আমি অমিই একমাত্র ছেলে যে এক ছেমরির চড় খেয়েছে! মানুষ পারেও তিল কে তাল করতে! একেকজন একেক কাহিনী বানিয়ে ফেলল। ওর রূপ (যা না ছিরি!) দেখে প্রেমে পড়ে আরেকবার বাতচিতের জন্য জান আকুপাকু, বা ডাসের সামনে প্যাকেজ নাটকের দ্্বিতীয় দৃশ্য আবার আরেকজন তো আমাকে গাঁজাখোর বানিয়ে আমার সাধের Levis জিনসটার বারোটা বাজিয়ে ফেলল। ধ্যাত!

কেউ বোঝেনা যে ক্লাস সেভেন থেকে যার ইটিশপিটিশে হাতে খড়ি তার জন্য এরকম ঝলমলে কুট্টিমার্কা গোলাপী শাড়িপরা সুমি - কোন ব্যাপারই না।

'I am here for better things' - ভাবে অমি। আমি চাই অন্য কিছু। ব্যতিক্রম কিছু। সমস্যা সেখানেই। জীবনের সবকিছুই been there, done that টাইপ হয়ে যাচ্ছে। সব মেয়েই খুব বেশি টিপিক্যাল, সব ছেলে বন্ধুরা খুব সাধারণ।

'I need something more.'

এসব ভাবতে ভাবতেই বাড়ির উদ্দেশ্যে রিকশায় ওঠে অমি। হঠাৎ বেজে ওঠে মোবাইলের রিংগার। নাম্বারটা অচেনা।

'ধ্যাত! আবার কোন চিড়িয়া ফোন করল?' - ভাবে অমি ......
১১. ০১ লা জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
অতিথি বলেছেন: ফোন বেজে ওঠার সাথে সাথে অমির বুকটাও ছ্যাঁৎ করে ওঠে। সুমী ফোন করল নাকি!
ও, বলাই তো হয়নি। সুমীর সাথে যখন ধাককা লেগেছিল, তখন সুমীর হাত থেকে পড়ে যাওয়া বি-5 সাইজের খাতায় বড় করে লেখা 'সুমী' অমির চোখ এড়ায়নি।
ফোন রিসিভ করতে করতে অমি ভাবে, এর মধ্যেই সুমী তার নম্বর যোগাড় করে ফেলেছে? ক্ষমা চাইবে নাকি? সেতো ভেবেছিল অন্ততঃ আজ রাতটা লাগবে সুমীর অনুতপ্ত হতে। কিন্তু এতো মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি!
ফোনের অন বাটন টিপে অনি একটু একটু ভীত কণ্ঠে বলল, হ্যালো।
হ্যালো, অমি বলছেন? ওপাশ থেকে এক মেয়ের কণ্ঠস্বর শোনা গেল।
হঠাৎ অমির হার্টবিট বেড়ে গেল, গলার ভেতরটা কেমন তেতোতেতো হয়ে যাচ্ছে। মনে হলো একটু পিপাসাও পেয়েছে।
অমি নিজেকে সামলে নিয়ে কণ্ঠস্বর যথাসম্ভব গম্ভির রেখে বলল, জী অমি বলছি।
অমি, আমি শাওনের আম্মা। আজ থেকেই তো তোমার শাওনকে পড়াতে আসার কথা, তাইনা বাবা? ওপাশ থেকে শোনা গেল।
অমি হাঁফ ছেড়ে বাঁচল; আবার কেমন যেন খারাপও লাগা শুরু করল। মনে হলো, সুমী হলেও খারাপ হতোনা। আবার মনে হলো, এত দ্্রুত সব ঘটাও ঠিক না। মেয়েটা হয়ত কাল-পরশু ফোন করবে, অথবা হয়ত ক্যাম্পাসে দেখা হলে ক্ষমা চাইবে।
এসব ছাইপাশ ভাবতে ভাবতেই অমি বলল, জী আন্টি, আজ বিকেল চারটার সময়ই আমি যাব।
সাবধানে এস বাবা, ওপাশের কণ্ঠস্বর বেশ মায়াময়। ভদ্্রমহিলা ফোন রেখে দিলেন।
অমি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। ইউনিভার্সিটিতে ঢোকার পর থেকেই তার মনে হচ্ছিল আর বাবা-মার উপর ঝামেলা না। এখন থেকেই একটু একটু করে নিজের পায়ে দাঁড়াব। সেই সুত্রেই বন্ধু পলাশের মাধ্যমে এই টিউশনিটার জোগাড়। শাওন নামে একটা ছেলেকে পড়াতে হবে, ক্লাস এইটের।
হঠাৎ অমির বুকটা আবার ছঁ্যাৎ করে উঠল, আচ্ছা! সুমী যদি এই শাওনেরই বড়বোন হয়? তাহলে তো সর্বনাশ! কেমন যেন মিলও তো আছে নাম দুটোর মধ্যে!
গল্পের নায়ক অমি তখনও বুঝতে পারেনি যে নরম হাতের সেই গোলাপী শাড়ীর নারী তার মনের ভিতর কিভাবে যেন অনেকটা জায়গাই দখল করে নিয়েছে।
('নমঃনমঃ হে নারীকুল। যে পুরুষকে পছন্দ হইবে, তাহাকে কষিয়া একখানা চড় দাও, নিশ্চিৎ তাহার মনের ভিতর ঢুকিয়া যাইবা। শুধু খেয়াল রাখিও, চড়টা যাতে বেশী জোরে না হইয়া যায়।')
অমির বুকের ধুকপুকানি গেল কয়েকগুন বেড়ে। একবার ভাবল, পেটব্যাথার অজুহাত দিয়ে টিউশনিটা বাদ দিয়ে দিব নাকি?
পরমূহুর্তেই তার মনে হলো, না টিউশনিটা যোগাড় করতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাকে। পলাশের মতো লুচ্চা ছেলেকেও অনেক তেল মারতে হয়েছে। কপালে যাই থাকুক, এটা বাদ দেয়া যাবেনা।
১২. ০১ লা জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
অতিথি বলেছেন: হায় হায়!
ফিসফাস বন্ধ হইয়া গেল নাকি?
আমি কি বেচাইন কিছু কইরা ফালাইলাম নাকি? ... তাইলে ওভারলুক করেন, কিন্তু ফিসফাসটা চালাইয়া যান।
ভালই তো লাগতেছিল।
সুমন, আপনিই আবার শুরু করেন না কেন? ... :)
১৩. ০১ লা জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৬
অতিথি বলেছেন: হল থেকে বের হয়েছে , রিকশার জন্য বাইরে দাড়িয়ে আছে। কোন রিকশা নাই। এই দুইটা আড়াইটার দিকে তেমন রিকশা পাওয়া যায় না। এখন শিফট চেনজ হয়। সব রিকশাওয়ালারা খেয়ে একটু রেস্ট নেয়। দুইজন রিকশা ওয়ালা কে দেখা যাচ্ছে গাছের নীচে বসে থাকতে, কিন্তু তারা যাবে না।

কি আর করা, হাটতে হাটতে টি এস সি র দিকে যাচ্ছে, ঐদিকে পাওয়া যেতে পারে।রোকেয়া হলের সামনে তো রিকশা দাড়ায়ে থাকে।সেই ভরসায়।

যেতে যেতে দেখে লাইব্রেরীর সামনে গেট এ ছন্দ দাড়িয়ে আছে, ওরা একই ক্লাশমেট।তবে তেমন কথা হয়নি কখনই।তাই তুমি থেকে তুইতে নামা হয়নি এখনও।তবে ভাল মেয়ে।

ছন্দ ই তার বাচ্চাদের মত ভাংগা ভাংগা গলায় কথা শুরু করল।

ও একই দিকে যাবে, সেও রিখশার জন্য দাড়িয়ে আছে।এমনি সময় একটা রিকশা আসায় ছন্দই জিগ্যাস করল.।

-যাবেন?মগবাজার....
-হ, মগবাজার কই যাইবেন?
-রেল ক্রসিং, কত?
রিকশা টা যেতে চাইলে, ছন্দ হয়ত আমাকে নামিয়ে দিতে পারবে....কিন্তু মেয়েরা যা, আমার সাথে করে কি নিয়ে যাবে?সেতো আমার তেমন বন্ধুও না..
১৪. ০১ লা জুন, ২০০৬ রাত ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: পিয়াল ভাই বাসার সামনে আইছে বইলা খুশী??
১৫. ০১ লা জুন, ২০০৬ রাত ৮:০৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হ, ঠিক ধরছেন রাসেল। আমি আমার মিতারে (অমি) ডাইকা কিছু টিপস দিতাম। লাড়কি পটানেকা চারশ থিওরি হ্যায়- মাগার আখেরমে লাড়কি পটতি হ্যায়। সেইটাই আর কি। নাইলে তো অমি নামের বেইজ্জতি! হালায় একটা বেকুব। চটকনা খাইছে, আমি হইলে পালটা একটা দিয়া কইতাম- শোধবোধ। তারপর কইতাম এসো বন্ধু বুকে বুক মিলিয়ে আপাত সন্ধি করি, হাত দেব পরে...
১৬. ০১ লা জুন, ২০০৬ রাত ৮:০৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: বাহ ভালোই তো! স্বরহীন ছন্দ টারে ছন্দা করা যায় না? মগবাজার রেলক্রসিং ঠিক আছে
১৭. ০২ রা জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
অতিথি বলেছেন: :কোনদিকে যাবা ? ছন্দ জিজ্ঞেস করে
: বাংলা মটরের দিকে..
: আমার সঙ্গে আসতে পারো । নামাইয়া দিতে পারি তোমার কোন সমস্যা না থাকলে .....
: না কোন সমস্যা নাই ..কিন্তু আমার একটু পরে গেলেও হবে । তুমি যাও থ্যাংস , বলে একটা ভদ্রতা মাখানো হাসি দেয় অমি ।
: বাই, জবাবী হাসি দিয়ে রিক্সায় ওঠে ছন্দ ।
রিক্সা চলে গেলে রোদে মাথা তে েওঠে আমির । ধুর । দিনটাই খারাপ । গেলেই হইতো । অন্তত একটা ক্যাথারসিস পাওয়া যাইতো ।
ভদ্রতাই শেষ করে দেবে । রাগের মাথায় পায়ে হেটেই রওনা দেয় গন্তব্যে ।
১৯. ০২ রা জুন, ২০০৬ রাত ১০:০৬
অতিথি বলেছেন: আমিও তো তাই কই.......তার পর কি ?
২০. ০৫ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
ধানসিঁড়ি বলেছেন: ফিসফাস কি বন্ধ হয়ে গেল? একদম সময় ছিল না বলে আর লিখিনি, কেউ কি এগিয়ে নেবে না?
২১. ০৫ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
অতিথি বলেছেন: আপনে লেখেন আবার এক কিস্তি । পুনরুজ্জীবন হবে ।
২২. ১৩ ই জুন, ২০০৬ রাত ২:০৬
অতিথি বলেছেন: বিশ্রী ফিসফাস। আমারটার মতো জমে নাই। দেখি জমাই।

অমিকে হেঁটে আসতে দেখে রিকশায় বসে মুখ টিপে হাসে ছন্দ। ভোদাই পোলা। ভাব দ্যাখাইতে গিয়া এখন হাইট্টা যায়। দেখলে হাসেতে হাসতে প্যাট্টা ফাইট্টা যায়। ছন্দ গুণগুণ করে, ফাইট্টা যায়, প্যাট্টা ফাইট্টা যায়। পরিচিত গান শুনে রিকশাওয়ালা সোৎসাহে ঘাড় ফেরায়, পান খাওয়া দাঁত বার করে মধুমধু হাসে। ছন্দ গান থামিয়ে দেয়। ছি ছি। এ কী গাইছে সে। ছায়ানটে এতদিন গলাবাজি করে শেষে কি না মুখে ফোটে মমতাজের গান?

ছন্দ আনমনে অমির কথা ভাবে আবার। ভোদাই পোলা দারুণ পছন্দ তার। আশেপাশে ঘুরঘুর ম্যাওম্যাও করবে, উঠতে বললে উঠবে, বসতে বললে বসবে। নাকে খত দিতে বললে দেবে। টুকটাক ফাইফরমা খেটে দেবে সবসময়। অমিকে দিয়ে হবে। তাছাড়া ছোকরা লম্বা আছে। লম্বা লোকের বুদ্ধি থাকে হাঁটুতে, কথাটা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। ভালোই হলো, মাঝে মাঝে ওকে বাসায় ডেকে এনে ফ্যানের ব্লেডগুলো পরিষ্কার করানো যাবে।

ছন্দ গুনগুন গান ধরে আবার, গুনগুনগুন গান গাহিয়া নীল ভোমরা যায়। রিকশাওয়ালা আবারও পেছনে তাকিয়ে দন্তরুচি কৌমুদীর একঝলক প্রদর্শনী করে।
২৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:১০
অতিথি বলেছেন: অমি হাটতে হাটতে ভাবে , হুদাই ভাবাভাবি ...না সুমি না ছন্দ...সবদিক মোটামুটি বন্ধ...থিসিসের সাথে বাঁধাই করা নানারকম চটকানার ইতিহাস বগলে নিয়াই একদিন নীলক্ষেত পার হইতে হইবো..তারপর কোন ডিপজলীনীর যৌনদাসত্ব...আজকের এই চানস টা মিস করা একেবারেই ঠিক হয় নাই ..সব দরজাতেই মৃদু টোকা দিয়া যাইতে হবে ..হাই তুলতে গিয়ে চোয়ালে টান পড়ে ..মনে পড়ে সুমির চটকানা..বুকটা জ্বলে ওঠে ...শাহবাগের মোড়ে এসে সিগারেট ধরায় অমি...
২৪. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪
অতিথি বলেছেন: ভাই আগে বাড়ান কেউ..শেষ কইরা দেন পারলে...
২৬. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৬
অতিথি বলেছেন: দুঃখ কইরা লাভ নাই। আমি পড়িই নাই.. হো হো হো!
২৭. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৭
অতিথি বলেছেন: এ বদ্দা, কতোদিন আপনেরে ডাকি না!!!
[লিংক=যঃঃঢ়://সধংশধিরঃযধযংধহ.মড়ড়মষবঢ়ধমবং.পড়স/] এটা দেখছেন? [/লিংক]
২৮. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৪
অতিথি বলেছেন: দেখছি । ভালৈছে ।
২৯. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:০৮
শাহানা বলেছেন: হমম আসলেই ভাল হয়েছে। সুমন চৌধুরী, আপনার শুরু পড়ে বুঝিনি এতো ভালভাবে এগুবে।
৩২. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১৫
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: পুরোনো দিনের কথা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলে অমি। মাথার টাকে হাত বুলাতে বুলাতে অরুনিমাকে কিভাবে ফাঁসাল সেটা ভাবতে থাকে।
৩৪. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩০
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: সিগারেটে লম্বা একটা টান দিয়ে শাহবাগে মোড়ের দিকে তাকাতেই সুমনকে দেখতে পেল অমি। লম্বা লম্বা চুল ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে আসছে এদিকেই। তাকে দেখে দাঁত বের করে হাত নাড়ল সুমন।
৩৫. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩৪
সুমন চৌধুরী বলেছেন: সুমন ছেলে ভালো। মোটাসোটা ভোজন রসিক। একটু আধটু গানবাজনা করে। নারীভাগ্য সদাপ্রসন্ন।
৩৬. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩৭
কৌশিক বলেছেন: কি বস খবর কি? কাছে আসতেই সুমন জিজ্ঞেস করে অমিকে। অমি হাতে মাটির তৈরী একটা ফুলদানী সামলে হাত বাড়ায়। সুমন হাত স্পর্শ করতেই অমি লাফিয়ে ওঠে। বলে, এত গরম কেন?
৩৭. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪২
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: সুমন কয়, গরম তো মনে লয় তোর! হেভী মাঞ্জা মাইরা আইসস। গেঞ্জিটা কইত্যেইকা কিনছস। সেদিন বঙ্গ থেইক্যা না?
৩৮. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪৩
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: না গরম না। তয় মিজাজটা এট্টু খারাপ আছে। - অমি বলে।
৩৯. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪৪
সুমন চৌধুরী বলেছেন: চল কোহিনুর এ গিয়া বসি। অনেকদিন কলিজা সিঙ্গারা খাই না। তারপর শুনি তোর দাসতান।
৪০. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪৯
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: দুজনে হাটা শুরু করতেই অমি তার কাহিনী বলা শুরু করে। সকাল বেলা সুমির সাথে ধাক্কা আর দুপুরে ছন্দার সাথে কথা বলার পর থেকেই মিজাজ বিলা হয়ে আছে। মাইয়্যাগুলার লগে বরফ গলাইতে যে কেমন হয় আজো বুঝতে পারল না অমি। এই কথাগুলাই বলতে বলতে গিয়া কোহিনুর বসল তারা।
৪১. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৩
কৌশিক বলেছেন: এইটা হইতেই পারে না। অমি বরফ গলাইতে পারবে না এটা হতেই পারে না সুমন মনে করে। ডাল মে কুচ কালা হ্যায়।
৪২. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৬
সুমন চৌধুরী বলেছেন: তাতো বটেই। পুরি খাইয়া শান্তি নাই। একবার চাঁন খাঁর পুলে এক হোটেল বয়রে ধরছিল অমি, ডাইলে এগুলাপ কালা কালা কি দেখা যায়?
৪৩. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৭
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: যেইখানে সুমন সকালে এট্ট বিকালে এট্টার বরফ গলাইয়া ধোঁয়া উঠায় ফালাই সেইখানে অমির এই অবস্থা থেকে সুমন সত্যি সত্যিই চিন্তিত হয়ে পড়ে।
৪৪. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৩
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: মাইয়াদের নাম একেবারেই মনে থাকে না সুমনের। তাই মোবাইল থেইকা বাইছা বাইছা রত্নারে ফোন দেয় সুমন। কয়, ছন্দা আর সুমীর নাম্বার দেতো। রত্না বলে, আল্লা সুমন তুমি ভুলে গেলে! আমি তো তোমাদের ব্যাচের না। আর আমাকে তুমি তুই তুই করে বলছ কেন?

কোন রকমে সুমন তার থেকে ছুটে ফোন লাগায় স্বপ্নাকে। এবারে ভুল হয় না। স্বপ্না নাম্বারগুলো জানায় সুমনকে। কাউন্টার থেকে একটা খবরের কাগজের ন্যাপকিন নিয়ে নাম্বারগুলো টুকে ফেলে সুমন।
৪৫. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৭
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: সুমন ফোন নাম্বারগুলো অমির হাতে দিয়ে বলে, আইজক্যা সুমী আর কাইলকা ছন্দারে ফোন দিবি। তারপর কি বলতে হবে না হবে তার একটা ছোটখাট লেকচার দিয়ে ফেলে সুমন। এর মধ্যে কৌশিক, অরূপ ওরাও চলে এসেছে। তাই প্রসঙ্গটা চেপে যায় দুই বন্ধু।
৪৬. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৮
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: সুমীর লগে ফোনালাপ শুরু করেন কেউ। আমি ঘুমাইতে গেলাম। গুডনাইট।
৪৭. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১২
কৌশিক বলেছেন: হা হা হা। টাইম নাই এখন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৭৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
দার্শনিকরা
এযাবৎকাল
পৃথিবীকে শুধু
ব্যাখ্যাই করেছেন
আসলে প্রয়োজন আরও ব্যাখ্যা করা,
ব্যাখ্যার কামাখ্যা মাসী
ঘোমটা ঝেড়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ