somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা : জনতার সংগ্রাম চলবেই
জয় বাংলা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28752012 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28752012 2007-12-16 19:18:34
সংগ্রামের ইতিহাস কি অবান্তর? ৫
এই সিরিজ শুরু করার একটা ঐতিহাসিক শানে নুযুল আছে। গত বছর আগস্টে লেবানন প্রসঙ্গে অরূপ-সাদিকের বচসা থেকে মাথায় আসে। ইতিহাস, বিশেষত গণ সংগ্রামের ইতিহাস কি সত্যিই অবান্তর? ঔপনিবেশিক শোষনের বিরুদ্ধে জনগনের সংগ্রাম কি ঐতিহাসিক সিগনিফিকেন্স হারিয়েছে? আজকের ফাটকাবাজীর উন্নয়ন তত্ত্বগুলো কি মুহুর্তের ইশারায় ইতিহাসের দগদগে ঘা গুলো শুকিয়ে ফেলতে পারে? ইতিহাস কতিপয় বিচ্ছিন্ন ঘটনার নিরাসক্ত সমাবেশ হলে সমাজবিজ্ঞানে প্রাক্সিসের মাজেজা কি? কোন উপাদান ব্যবহার করে? ইতিহাসের রেফারেন্স অস্বীকার করে কিভাবে "উপাদান"কে "উপাদান" হিসেবে চেনা যায়? ইতিহাসের ব্যাখ্যাকে সুনির্দিষ্ট অবস্থানের রাজনৈতিক স্বার্থের সাথে সম্পর্কিত করার বিষয়টা ঠিকাছে। তাতে গণযুদ্ধের সমর্থকরা বরং শক্তিশালীই হয়। নিরপেক্ষ ইন্টারপ্রিটেশানের অস্তিত্ব অস্বীকার করতেই শ্রেণীর প্রসঙ্গ আসে। সুতরাং রাজনৈতিক অবস্থানের অভিযোগ কোন অভিযোগ নয়, তথ্য। সেখানে ১৯৭১ এ গ্রামবাসী যখন শান্তি কমিটি সদস্যের চোখ ট্যাটা দিয়ে তুলে ফেলেন সেটা ইতিহাসে রাজনৈতিকভাবে বিজয়ী পক্ষের ব্যাখ্যাতেই স্থান পায়। সেখানে তেমন কোন সমস্যা নেই। গত অন্তত শ'দেড়েক বছরে উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রামে সবচাইতে সক্রিয় ছিলেন প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। প্রতিষ্ঠান তাকে অনবরত ম্যানিপুলেট করেছে। গণসংগ্রামের লিখিত ইতিহাসে তাই বর্ণহিন্দুদের উল্লেখ কৃষক বিদ্রোহের তুলনায় বেশী থাকে। স্বাধীন ভারতের ইতিহাস লেখক চতুরতার সাথে সার্চ লাইট ফেলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রাতিষ্ঠনিক বিকাশের উপর।

১৯৪৭ পরবর্তী পাকিস্তান শুরু থেকেই ফ্যাসিস্টদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় পুঁথিপত্র তাদের কাছে অবান্তর বিষয়। তারা অশিক্ষা এবং কুপমন্ডুকতাকে ইসলামের গ্লোরি হিসেবে দেখাতে চেয়েছেন। সাম্প্রদায়িকতা ছিল তাদের রাজনীতির একমাত্র পুঁজি। লিখিত ইতিহাস দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা প্রমাণ করা যায় না। সুতরাং শুরু থেকেই তাদের অবস্থান ইতিহাস বিরোধী ছিল। বর্ণাশ্রম থেকে মুক্তি পেতে নিম্নবর্ণের হিন্দুদের ইসলাম গ্রহণ কোন অবস্থাতেই মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ র তথাকথিত দ্বিজাতিতত্ত্বকে হালাল করে না। কারণ জিন্নাহর সমর্থনের ভিত্তি ছিল মুসলমান জমিদাররা, যারা কার্যত বর্ণহিন্দুদের ব্যবসার অংশীদার ছিল। সবচাইতে বড় কথা ১৯৪৬ এর সাম্প্রদয়িক দাঙ্গার সময় পূর্ব বঙ্গের হিন্দু জমিদারদের সম্পত্তি দখল দরিদ্র বা ভুমিহীন কৃষকরা করেনি। তারা সেটা সমর্থনও করেন নি। কোন একটা হত্যাকান্ডে নিরীহ কৃষকদের অংশগ্রহণ ছিল না। পুরো ঘটনাটাই ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে ঘটানো। ১৯৪৭ এ পূর্ব আর পশ্চিমবাংলার মাঝের দেওয়াল শুধুমাত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হওয়া মাড়োয়াড়ি আর আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ "রমজান"দের চোরাকারবারীর স্বার্থ উদ্ধার করেছে। শ্রেণী সংগ্রামের নির্দেশনা ছিল তার ঠিক বিপরীতে।

পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধগুলো এসেছিল সেই ডিরেকশান থেকেই যারা সক্রিয়ভাবে ১৯৪৬ এর দাঙ্গার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। জমিদারী প্রথা অফিসিয়ালী উঠে গেলে ১৯৪৬ এর দাঙ্গার বেনিফিশিয়ারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতা পাবার পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়। বিপরীতের সংগ্রাম ঠেকাতে সিপিআই এর ঐতিহাসিক বিভ্রান্তির সুযোগে আবারো প্রতিষ্ঠাণ প্রভাবিত প্লাটফর্ম জন্ম নেয়। তবে পাকিস্থান আমলের রাজনৈতিক সংগ্রামের খুব উল্লেখযোগ্য একটা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কখনোই শ্রেণী সংগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়া। এই প্রবণতার প্রভাবই মার্কিনপন্থী আওয়ামী লীগকে শেষ পর্যন্ত অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির দ্বারস্থ হতে বাধ্য করে। ১৯৬৬তে পার্টি ভেঙে গেলে লাভবান হয় শেখ মুজিবের আওয়ামী লীগ। যার প্রমাণ হচ্ছে ১৯৭০ এর নির্বাচনে ১৯৬৮-৬৯ এ নিহত গরুচোরদের আওয়ামী ঘোমটা পড়ে পীঠ বাঁচানো।

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এই পীঠ বাঁচানোরাই শান্তি কমিটিতে যোগদেয়। ১৯৭১ এর মার্চ থেকে ডিসেম্বরে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে(পাকিস্থানের পক্ষে) সক্রিয় অবস্থানকারীদের সকলেই ব্যতিক্রমহীনভাবে দ্বিজাতিতত্ত্বের বেনিফিসিয়ারী জোতদার-মহাজনদের শ্রেণীভুক্ত। যারা ১৯৭২ সালে অতিদ্রুত আওয়ামী লীগে যোগদান করে নিজেদের পীঠ বাঁচান। (অনেক জোতদার বা তাদের ছেলেপুলেরা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন বলে দাবী উঠতে পারে কিন্তু তাদের সংখ্যা কৃষক-শ্রমিক-ছাত্রদের অনুপাতে নগন্য।) পুরো যুদ্ধের সময় জুড়ে আওয়ামী নেতৃত্বের একাংশের মাথা ব্যাথা ছিল কিভাবে মুক্তিবাহিনিতে বামপন্থীদের যোগদান ঠেকানো যায়। মুজিব বাহিনির জন্মের প্রেক্ষাপট সেটাই।

শেখ মুজিবের আমলে রাজনৈতিক ক্ষমতার দ্বন্দ্ব শেষ পর্যন্ত জোতদারদেরই জয়ী করে, যে কারণে তাজউদ্দিন আহমেদকে মন্ত্রীসভা থেকে বিতাড়ন করা হয়। জোতদারদের বিজয়কে স্থায়ী করতে ঘটে ১৫ আগস্টের সামরিক অভূত্থান। শেষ মুজিবের আমলে ঢালাও জাতীয়করণের মাধ্যমে কলকারখানাকে অকার্যকর করা এবং জিয়ার আমলে লোহালক্করের দামে বিকিয়ে দেওয়ার বেনিফিসিয়ারী সেই জোতদার মহাজনরা যারা সেই ১৯৪৩ এর দুর্ভিক্ষ থেকে যাবতীয় রাজনৈতিক ফেনোমেনার বেনিফিসিয়ারী। শুধুমাত্র ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় টুকুতে তারা কার্যকর প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। এর বাইরে তারা বাকি সবকিছুতেই শক্তিশালী হয়েছে, হচ্ছে।

"উপনিবেশবিরোধী সংগ্রাম" নামের পরিভাষাকে মেনে নিলে অটোমেটিক্যালি আলোচনা "ওয়ার্লড সিস্টেম থিওরি" বিরোধী অবস্থানে চলে যায়। সেক্ষেত্রে "ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্যাপিট্যালিজম" এর অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়। যার অর্থ যেকোন সাম্রাজ্যবাদী আক্রমণ পুঁজির কেন্দ্রীভবনের সাথে জড়িত। সেক্ষেত্রে সব্চাইতে বেশী গণবিরোধী অবস্থানে পড়েন সামরিক-আমলাতান্ত্রিক শাসকগোষ্ঠী। আর তাদের সহায়ক হিসেবে ব্যতিক্রমহীনভাবে অঞ্চলভেদে ধর্ম অথবা জাতীয়তাবাদ ব্যবহারকারী ফ্যাসিস্ট চক্র।

এই ফ্যাসিস্ট চক্রকে সাম্রাজ্যবাদ সরাসরি অর্থ এবং অস্ত্রানুকুল্য দিয়ে গড়ে তুলেছে প্রতিবাদকারী জবাই এর উদ্দেশ্যে। সুতরাং সাম্রাজ্যবাদের বহুমুখী প্রচারকদের মধ্যে এই সংগঠিত সশস্ত্র চক্রটিই প্রধাণ। এদের বিরোধীতার ক্ষেত্রে যার অবস্থান যতটা সক্রিয় তার ভিত্তিতেই প্রতিরোধের চৈতন্যগত অবস্থান নির্ধরিত হয় এবং হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28725404 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28725404 2007-08-12 21:30:32
আল বিদা
ভালো থাকেন। সুস্থ থাকেন বাল-বাচ্চা লইয়া। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28722829 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28722829 2007-07-26 20:21:00
ব্লগার সকাশে আকুল আবেদন http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28722376 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28722376 2007-07-24 14:14:28 সচলায়তন নিয়ে সামহোয়ারইনে বচসা বন্ধ হউক!
যারা বিভিন্ন সময়ে লিটল ম্যাগাজিনের সাথে জড়িত ছিলেন তারা আমার কথা স্পষ্ট বুঝতে পারছেন আশা করবো। উদ্যোক্তারা সেখানে তাদের দৃষ্টিভঙ্গীর জায়গা থেকে একদল লেখককে ধারণ করেন।লেখা আহবান করার পরে তা সম্পাদকের কাঁচির নীচে পড়ে।এভাবে বিভিন্ন সময়ে নতুন লেখক যোগ হন, অনেকে মতভেদ থেকে বিয়োগও হন। এই বিন্যাস সমাবেশগুলো মিডিয়াতে (ইন্টারনেটকে আমি মিডিয়াই বলবো) খুবই নিয়মিত ঘটনা। এতে বিষয় এবং প্রকাশবৈচিত্র্য বাড়ে।

জুনের মাঝামাঝি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এবং গতকাল ১লা জুলাই সচলায়তনের আনুষ্ঠাণিক উদ্বোধনের পর থেকে লক্ষ্য করছি সচলায়তনের গড়ে ওঠাকে সামহোয়ারে সংগঠিত বিভিন্ন ঘটনাবলীর সাথে সম্পর্কিত করার অপচেষ্টা। বিষয়টা ভালো লাগছে না। কারণ সচলায়তনের ভ্রুণ থেকে তার সাথে অন্তত উৎসাহদাতার ভূমিকায় জড়িত ছিলাম। তাই ভূল অভিযোগে গালি দিলে গায়ে লাগে।

সামহোয়ারের একেবারে গোড়া থেকে লিখি। আরো লিখবো। বহুবার স্পষ্ট করে বলেছি আবারো বলছি, আমি সামহোয়ারইনের সর্বাত্মক মঙ্গল কামনা করি। এই সাইটের কাছে আমি বহুভাবে কৃতজ্ঞ। আমার পুরনো পোস্টগুলো যারা জানেন তারা বুঝবেন। সামহোয়ার ছেড়ে কেউ কেউ চলে গিয়েছেন ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে। পোস্ট মোছার প্রতিবাদ আমিও করেছি। তবে আমার মনে হয়েছে সামনে আরো প্রতিবাদ করতে হবে। তাই চলে যাওয়া কোন সমাধান নয়। সামহোয়ারের ব্লগারদের সাথে আমার আত্মার যোগ। প্রতিবাদে এই যোগের শক্তি বাড়ে।

এই যোগের অধিকারে সকল ব্লগারদের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ, আপনারা লিখুন। সবাই লিখুন যেমন লিখছিলেন। আরো অনেক নতুন লেখক আসবেন।আরো অনেক নতুন নতুন দ্বন্দ্ব সংঘর্ষ হবে।আরো অনেক ভালো ভালো লেখা আসবে। অনুগ্রহ করে সচলায়তনকে সমান্তরাল/প্রতিযোগী/বিকল্প নির্দেশ করে নিজেকে অপমানিত করবেন না। সচলায়তনের পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলার থাকলে কর্তৃপক্ষকে মেইল করুন। সেখানে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত তাঁদের সাথে যোগাযোগ করুন। অন্য সাইটের কুৎসায় সামহোয়ারকে ভাঁগাড়ে পরিণত করবেন না।

সবাই ভালো থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28718978 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28718978 2007-07-02 23:28:07
অবশেষে....
সেমিস্টার শেষ হইতাছে। কোনদিকে তাকানোর সময় কারোই নাই। আর ঠিক ৩ সপ্তাহ পর বাসা আবার খালি হইয়া যাইবোগা। ৫ জনের অ্যাপার্টমেন্টে আমি একা। আগে মজা লাগতো। এখন মন খারাপ লাগতাছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28718310 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28718310 2007-06-28 18:21:07
ষোলকলা
ভাষা প্রয়োগে বিভিন্নতা না থাকলে পৃথিবীতে একাধিক লেখকের আবির্ভাব হতো না। যুঞ্চিক্ত যে ভাষায় লিখেছে সেটা জীবন্ত লোকায়ত ভাষা। তাতে কোন অ্যাকাডেমিক মুখোশ নেই। তার রিজনিং নিয়ে কিছু বলবো না। লেখার প্রস্তাবনা প্রমাণের দায় লেখকের। তাতে তর্কই একমাত্র পথ। লেখালেখির জায়গা গুলো জন্মের শর্তানুসারেই অ্যাকাডেমিক। তাই নৃবিজ্ঞান বা সমাজতত্ত্বের সেমিনারে যা আলোচিত হতে পারে তা পৃথিবীর সব লেখালেখির প্লাটফর্মেই রাষ্ট্রের আইনের তোয়াক্কা না করে অনুমোদিত। যখনই সেখানে তলোয়ার চলে তখনই প্রতিবাদ আসে। আসবেই।

যুঞ্চিক্তর পোস্টে কোথাও পর্ণগ্রাফি দেখিনি। সে তার মতো যুক্তি সাজিয়ে একটা প্রস্তাবনা পেশ করেছে। সেখানে তর্ক চলতে পারতো। যেমন চলেছে সাদিকের পুরনো পোস্টগুলিতে। সেখানে ভাষার ব্যবহার অন্যরকম ছিল ঠিক। কিন্তু তাতে বক্তব্য বদলায় নি। সেখানে মন্তব্যের বপু যুক্তির পোস্টের মন্তব্যের তুলনায় কম ছিল না। যুঞ্চিক্তর পোস্ট কারো বিশ্বাসে আঘাত করে থাকলে বলবো সাদিকের পোস্ট,পিয়াল ভাই এর পোস্ট এবং আমার নিজের বহু পোস্টও ভিন্নমতকে আহত করতে পারে। মতপ্রকাশেই ভিন্নমত চ্যালেঞ্জে পড়ে। থকন ভিন্নমতকে ডিফেন্ডে আসতে দিতে হয়। বিতর্ক চলতে দিতে হয়। মু্ছে দিলেই বিষয়টাতে রেফারির পক্ষপাতিত্ব প্রকাশ পায়। তাতে ব্লগের সন্মান বাড়ে না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28714176 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28714176 2007-06-03 16:29:04
বালিঘড়ি
মে-জুন ২০০৬ এর তুলনায় ২০০৭ এ অর্ধেকও পোস্ট করা হয়নি। অথচ প্রায়ই ঘন্টার পর ঘন্টা ঝুলেছি লগইন অবস্থায়। প্রতিদিনই কমপক্ষে একবার ভেবেছি এইবার অন্তত মাসখানেকের জন্য একটা ডুব মারবো। হাসপাতালের সময় বাদে টানা ৪৮ ঘন্টা ব্লগের বাইরে থাকা হয়নি কখনোই। রাতে চোখ বোজার আগে আর সকালে চোখ খুলে শেষ পর্যন্ত এখানেই ফিরেছি।

দেড় বছর হলো এখানে। অনেক বন্ধু পেলাম। শত্রু সেভাবে পাইনি। মতামতের জন্যে কেউ লালতালিকাভুক্ত করে থাকলে তার জন্যও থাকলো শুভ কামনা। বহু লেখা পড়েছি। মন্তব্য করেছি ইচ্ছামত। তাতে কালক্ষেপণ ছাড়া কতটা ক্ষতিবৃদ্ধি হয়েছে জানিনা। মতসংঘর্ষ-প্রতিআক্রমণ উপভোগ করেছি। ওই উপভোগ টুকুই হয়তো প্রাপ্তি।

মীর মশাররফ হোসেন হলে থাকতে দুপুরে-রাত্রে খাওয়া হতো কালুর মেসে। কালুর অদ্ভুত প্রীতি ছিল ৫০০টাকার নোটে। পাঁচটা বা ১০টা ১০০টাকার নোট দিলে তার মধ্যে তেমন ভাবান্তর দেখা যেত না। কিন্তু একটা ৫০০টাকার নোট দিলেই খাতির শুরু করতো। সংখ্যাটার একটা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আছে। মনে হয় অনেকটা হলো। আর কতটা বাকি কেউই যখন জানেনা অনেকটা ভেবে খানিক স্বস্তি পেলে ক্ষতি কি?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28713670 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28713670 2007-05-31 13:46:00
নিখিল ভূবন অভিমানের আগুন দিয়ে দহ মরণ হরণ নিখিল স্মরণ জয় শ্রীচরণভরসা"

প‌্যাচালের মুখোশটুক টান দিলে ঠিক এইরকম মধ্যবিত্তের জীবনই যাপন করি। কাজী সাহেব মধ্যবিত্ত হওয়ার চেষ্টা করছিল শেষ জীবনে। হয় নাই। সবার হয় না।

আমাগো হইছে। তাই আমরা অতি নগন্য বাজে ফালতু লোক। সেই সব মধ্যবিত্ত যারা একটু একটু কইরা মননশীলতা খাসী করার কাজে মহাজনরে তেলাই...

পুনশ্চ: ব্লগারদের কাছে ২ টা অনুরোধ

১. "সবার কথা কইলে কবি"র এমপিথ্রি থাকলে আপলোপ কইরা বাধিত করেন
২. "রামছাগল আর খোদার খাসীতে যুদ্ধ লেগেছে দাদা" কবিতাটা কোথাও খুইজা পাইলে পোস্ট কইরা কৃতার্থ করেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712463 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712463 2007-05-25 12:47:23
পরোটা গোস...লাইভ ব্লগিং ২ এইবার গোস।

কেজি খানেক গরু। সিনার গোস হইলে ভালো হয়। কাইটা কুইটা ধুইয়া রাখেন।

৬-৭টা মাঝারি সাইজের পিঁয়াজ কাটেন কুচি কইরা। ৫-৬ কোয়া রসুন রদ্দা মাইরা ছাল ছাড়াইয়া রাখেন। পরিমাণতো আদা হয় কুচি করেন অথবা কয়েকটা ছোট টুকরা কইরা রাখেন। ৬-৭টা ছোট সাইজের কাঁচামরিচ ফাইড়া রাখেন।

এইবার হাড়ি চুলায় দেন। গরম হইলে ৪-৫টা এলাচ,দারুচিনি,লবঙ্গ দেন। ৭ সেকেন্ড পরে তেল দেন। তার উপর পিয়াজ। মাঝারি জ্বালে শুরু করেন ভাজা। পিঁয়াজের রঙের পরিবর্তন খুব খিয়াল কইরা। লবণ দেন। পিঁয়াজ গলবো তাড়াতাড়ি। পিয়াঁজের রঙে ন্যুনতম বিচ্যুতি লক্ষ করামাত্র ফাঁড়া কাঁচামরিচ ছাড়েন। ২১ সেকেন্ড পরে আদা। ৫৫ সেকেন্ড লাড়েন। এইবার রসুন। জ্বাল একটু বাড়বো। ৫০ সেকেন্ড লাড়েন। জ্বাল আবার মাঝারির ইমিডিয়েট নিচে। এইবার একটু একটু কইরা হলুদ গুড়া,জিরা,ধনিয়া দিয়া লাড়েন।

তারপর গোস ছাড়েন।

লাড়েন। লাড়তে থাকেন। যত লাড়বেন উত্তেজনা তত বাড়বো। বাড়াইতে থাকেন। লাইগা যাইতে চাইলে একটুস খানি পানি দেন। লাড়তে থাকেন......

১০ মিনিট পরে দেখবেন গোস থিকা নিজস্ব ঝোল আসিতেছে। এইবার জ্বাল আরেক্টু কমাইয়া ঢাইকা দেন।

ব্লগে আইসা গোটা তিনেক খুচরা মন্তব্য আর একটা অপ বাক সাইজ পোস্ট পড়েন।

এইবার গরম তাওয়ায় গরম তেলে খাস্তা পরোটা এক এক কইরা...

লগে এক কামুড় কইরা ফ্রেস পিয়াজে কামুড় দিতে পারেন...ভালো লাগবো....

গুটেন আপেটিট!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712262 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712262 2007-05-24 00:39:22
পরোটা গোস.....লাইভ ব্লগিং....১
যাই হউক। ঢাকাইয়া বইলা কথা। পরোটা গোসের উপর কিছু নাই।
পরোটা :
আটা(ময়দাও হইতারে) ১ বা ১/২ কেজি
লবণ (পরিমাণমত)
তেল (পুরা বোতল লইয়া বহেন..দেখা যাক কতটুক লাগে)

আটায় পানি দিয়া লেচি বানান। কচলাইতে থাকেন অশ্লিলভাবে।রীতিমতো প্রজন্মরে কনফিউজড কইরা ময়ান দেন। লেচি হইয়া ওঠার মুখে একটু একটু কইরা সূর্যমূখী তেল দেন। কচলান। যতক্ষণ ভালো লাগে.....

তাওয়া গরম কইরা তেল দেন। তেল গরম কইরা তাওয়াও দিতারেন (ক্লোজআপহাসি)।

জাগা বানাইয়া লন। কাঠের উপর নাইলে সমান টেবিল হইলে টেবিলের উপর।
এইবার লেচি ছোট ছোট কইরা বেলন দিয়া বেলেন। পিজা বানানোর বেলন দিয়া রুটি বেলা যায়। রুটি বানানোর বেলন দিয়াও পিজা বানানো যায় । একটু বেলেন। ভিতরে একটুস তেল দেন। প্রতিবার বেলার সময় গুড়া নেওয়ার দরকার নাই। বেশী গুড়া দিলে পরে কিচকিচ করতারে।

তারপর আর কি?
একটা একটা কইরা ভাজেন। আমি গোটা ছয়েক ভাজুম। মাংস নামানোর আগে দিয়া...

মাংস দেইখা আসি..তারপর কইতাছি তড়িকা..

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712246 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712246 2007-05-23 23:05:52
বালছাল ২ সত্যের সাথে লেপ্টে যাওয়া
বেশ একটা কচলাকচলি
লোমখাড়া কাকের সহাস্য ফুচকি
খোপের মর্ম বোঝে পাখালি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712156 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712156 2007-05-23 14:40:49
বালছাল ১ টসটসে মেয়েছেলে
পথে পথে
ঘাটে কিংবা নাটে
ত্বকের কর্কট রোগ এড়াইতে
তাহারা গাঙের ধারে চিৎ-কাইৎ
রোইদ খায় মেলানিন বাড়াইতে
অথচ সুগভীর মেলানিনওয়ালাকে
ভালোবাসে না]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712146 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712146 2007-05-23 14:11:05
কি লিখবেন কেন লিখবেন
এখানে আপনার লেখার বিচারক আপনি নিজে। অনেকের লেখার সমাবেশ ঘটায় সুযোগ আসে অপরের লেখা পড়ে দেখার। তাতে অবধারিতভাবেই নানারকম প্রতিক্রিয়া আসে। তাতে লেখক উপকৃতই হন। আমার ব্যক্তিগত মতামত অনুসারে ব্লগ মতপ্রকাশের এবং মতসংঘর্ষের খুব বড় একটা প্লাটফর্ম। সম্ভবত আজ পর্যন্ত আর কোন মিডিয়া এতটা খোলাখুলি নিজেকে মেলে ধরার যোগ্যতা রাখেনি। এই বিশ্বব্যাপী নোংরা কর্পোরেটিজমের যূগে এটা অনেক বড় সুযোগ। এই সুযোগ কাজে লাগান। লিখুন। অনেক অনেক লিখুন। না লিখে কেউ লেখক হয় না। আর একটা কথা স্পষ্ট জেনে রাখবেন। সমালোচকের মন্তব্য নিতান্তই আর একটা অবস্থানের মন্তব্য। সেটা কোন মানদন্ড নয়। তার কথা শুনুন। তার লেখা পড়ুন। সেখানে নিজের মতামত দিন। নিজের লেখাকে নিজেই সমালোচনা করুন। যতটা কঠোরভাবে সম্ভব। তারপর আবার লিখুন। নিজের আর অপরের সমালোচনাগুলো তুলনা করুন। পরের কিস্তিতে আরো নির্মম হন নিজের প্রতি। সমালোচককেও ধরুন। তার প্রতিক্রিয়া দেখুন। প্রতিটা এক্সপ্রেশানই আসলে নানাধরনের সমালোচনা। পরপর সমালোচনার ধারাবাহিকতাই যেকোন মাধ্যমের প্রাণ। শেষ পর্যন্ত তো সবকিছুর নির্মম সমালোচনাই টিকে থাকে...নাকি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712099 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28712099 2007-05-23 01:57:10
ঈশ্বরাসিদ্ধে:৮
অভিজ্ঞতা-বিশ্লেষণ অর্থে দর্শনশাস্ত্রে এই ইতিহাসের শুরু। দেহ আর পারিপার্শ্বকে জেনে নেওয়ার চেষ্টায় চেতনার আবিস্কার। সম্পত্তির উৎপত্তি এবং সামাজিক অসমতার শুরু, বিভাজিত অভিজ্ঞতার বিশ্লেষণের চেতনাকে বিভাজিত করে। এই বিভাজনের মূল দুটি ধারার একটি বস্তুজগতকে কেন্দ্র করে বিকশিত হয়েছে, আরেকটি সত্বাকে বস্তুজগত বহি:র্ভূত ধরে নিয়ে চৈতন্যকে কেন্দ্র করে।

বস্তুজগত বহি:র্ভূত সত্বা - প্রকৃতির অতিরিক্ত - অতিপ্রাকৃতকে বোঝার চেষ্টা চলেছে বস্তুজগতকে ইন্সট্রুমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করে। কারণ ক্রিয়ার বোধ সরাসরি বস্তুজগত থেকে প্রাপ্ত। সামাজিক অসমতা থেকে রাষ্ট্রের উৎপত্তি, কর্তৃত্বের ধারণা নিয়ে আসে। সসীম কর্তৃত্ব রাষ্ট্রের অতিপ্রাকৃত বিমূর্তায়ন থেকে আসে এমন কারো কারো ধারণা যারা রাষ্ট্রের চাইতেও শক্তিশালী। যিনি বা যারা দৃশ্যের অতীত। নেপথ্য থেকে নাড়াচাড়া করছেন চেনা-অচেনা পারিপার্শ্ব। রাষ্ট্রের দাপট বাড়তে থাকলে এদের কেউ কেউ লুঠ হন রাষ্ট্রের হাতে। রাষ্ট্রীয় সনদপ্রাপ্ত সাধুরা নতুন মাত্রায় অতিপ্রাকৃতের সাধনা শুরু করেন রাষ্ট্র নির্ধারিত সীমায়। বস্তুজগতের সাধনাকারীদের বিতাড়িত করা হয়, সেই সাথে রাষ্ট্রের তালিকা বহি:র্ভূত অপৌরুষেয় সত্বার অনুসন্ধানীদেরও। তাদের অনেকেই নিহত হন। বাকিরা ছড়িয়ে পড়েন গভীর অরণ্যে-পাহাড়ে। মাঝে মাঝে তারা ফিরে আসেন ভ্রাম্যমাণ সাধকের চেহারায়। আউল-বাউল-সহজিয়ারূপে। তারা ঘুরে ফিরে গান করেন। প্রশ্ন করেন। সেইসব প্রশ্ন, যেগুলো রুখে দিতে রাষ্ট্র তাদের বিতাড়িত করেছিল। তাদের গানে সাধনায় বেঁচে থাকে আদিম বস্তুবাদের চিহ্নগুলো।

রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব বস্তুজগত বহি:র্ভূত সত্বার নিয়ন্ত্রক ভুমিকার অনুসন্ধানীদের নিরাপদ বলে বেছে নিয়েছে বস্তু জগতের বিত্তি-বেসাদ নিরাপদ করতে। একেকটা কর্তৃত্ব বহু রক্তপাতের অভিজ্ঞতায় জন্ম নিয়েছে। সব রক্তপাতই সসীম এবং মূর্ত বিষয় নিয়ে। সুতরাং অদৃশ্য স্থিতিস্থাপকের আশ্রয় নেওয়া রাষ্ট্রের জন্য একরকম অপরিহার্য ছিল। আঙ্গুল তুলে প্রশ্ন করার প্রবণতাকে দমন করতে শুধু আইন কানুনে কাজ হয়নি। অদৃশ্যের রেফারেন্স দিতে হয়েছে নির্দেশ হালাল করতে। তাতে নিরাপদ হয়েছে শতেকতলা মালকুঠুরি।

বনে কিংবা পাহাড়ে কিংবা পথে পথে ছড়ানো সাধকেরা নিতান্তই বুঝতে চেয়েছিলেন। তাদের এই চাওয়া কেউ স্পন্সর করেনি। তাই অদৃশ্যে তারা কেউই কোন ফরমায়েসী জাঁদরেল কর্তৃত্ব খুঁজে পাননি। কর্তৃত্ব অনুসন্ধানের কোন দায়ও তাদের ছিল না। তারা গায়েবে যাকে পান কিংবা পান না তিনি প্রভু নন। তিনি থাকেন সর্বভূতে। সকলের মধ্যে। সাধকদের মুখে মুখে প্রচার করেন "মালিকানার" মোহমুক্ত হবার বাণী। মালিকানার সেপাইদের তাড়া খেয়ে আত্মগোপনও করতে হয় প্রায়শ আরো গভীর অরণ্যে। যেখানে সরাসরি মালিকানার দাবীদার আপাতত নেই।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711698 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711698 2007-05-20 21:37:55
ফ্ল্যাশব্যাক..জাবি কাহিনি ২ ফ্ল্যাশব্যাক...জাবি কাহিনি ১

দেখতেছিলাম পুরানা ছবিগুলা। একটা ছবিতে কলাভবনের (পুরান) সামনে পুকুরের পাড়ে কোন এক শীতের সকালে হুদাই সমাবেশ। শশাঙ্কর পাশে শামীম একটু পিছনে শাপলু..তার বামদিকে ফিরোজ..আরো বামে কালুভাই এর দোকানের দিকে জাফর,বিশ্বজিৎ,সীমাদি,তিতিল...অতীত লবণের মতো সুস্বাদু। সময়টা ফুরুৎ কইরা গেলোগা। এর আগের আর পরের সময়টাও সময়। তবু ঐ কাটপিছটাই দেখি টাইনা টাইনা...

চৌরঙ্গীর কিছু ছবিও দেখলাম। চৌরঙ্গী বলতে কলাভবন থিকা প্রান্তিক যাইতে ট্রান্সপোর্টের বামপাশের চৌরাস্তা। ফার্স্ট ইয়ারে থাকতে শুনছিলাম ঐখানে নাকি একসময় বেশ জমতো। আমাদের সময় সেইটা একটু সইরা আসলো ট্রান্সপোর্টের দিকে। সেইখানে খালার দোকান ঘিরা মোটামুটি রাত দশটা পর্যন্ত একটা সমাবেশ হইতো। দুপুরে আড়াইটার বাস চইলা গেলে আস্তে আস্তে শুরু হইতো জমায়েৎ। দুইদিকে দুইটা পুকুর,একদিকে ফজিলাতুন্নেসা হল, তার উল্টা দিকে হোলেও হোতে পারতো জাসের কংকাল পার হইয়া প্রীতিলতা হলের পিছনের লেক। রোদ পড়তে শুরু করলে সেরম একটা জম্পেশ আবহাওয়া...

কতদিন ঐখানে সকাল থিকা শুরু কইরা রাইত ৯টা ১০টা পর্যন্ত গ্যাজাইছি তার ঠিক নাই। সাংঘাতিক নাটকীয় জায়গা ছিল। সারাক্ষণই কিছু না কিছু ঘটতে থাকতো। মারামারি-মিলমিশ-পূর্বরাগ-ভরা বাজারে ছ্যাক ইত্যাদি অনেক কিছুই লাইভ দেখা যাইতো। একদিন খালার দোকানের সামনে শাপলুদের ক্লাসের হালিম চাচা(দেখলে মনে হইত বয়স অন্তত ৩৫) জনৈকারে কইছিল মানিকগঞ্জের ভাষায়, আমি তুমার নিগা মইরা যাম্গা..খাতার মধ্যে লিখুম স্বপ্না..স্বপ্না..স্বপ্না...তুমারো পরীক্ষা খারাপ হইবো আমারো পরীক্ষা খারাপ হইবো। স্বপ্না জিগাইছিল আমার খারাপ হইবো ক্যা? উত্তর মিলিবার আগেই রঙ্গ মঞ্চে পিঙ্কু ক্যাডারের প্রবেশ, আরে হালিম এখানে কি করছ? তোর না পরীক্ষা হলে যা...ছল ছল চোখে হালিমের ফিরা যাওয়া ..অন্যদিকে স্বপ্নারে নিয়া পিঙ্কুর রিক্সারোহনের মতো এটিনবাংলার প্যাকেট নাটক থিকা শুরু কইরা ১৯৯৯ এর বেতনফি আন্দোলনের সুপার অ্যাকশন পর্যন্ত অসংখ্য নাটক দেখা হইছে ওইখানে। আর ছিল কর্মচারী ক্যান্টিন। আড়াইটার বাস চইলা গেলে সেইখানে আলীর দেখা মিলতো। অনেক জ্ঞানীলোক আসতো। ওইখান থিকা কৈলাস পর্বত কাছে। আমরা কইতাম "আলীকান্তে..."

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711465 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711465 2007-05-19 17:04:35
ওইরকম পোস্ট
মরিকাভার ডেস্কে সেদিন একটা বই দেখছিলাম sexuality in ancient japan..এইরকম একটা কিছু হইলে খাতাপত্র ফাতা ফাতা কইরা অ্যাবস্ট্রাক্ট লিখতাম। হালা বেরসিক...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711442 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711442 2007-05-19 15:44:07
সেরম পোস্ট
পাকের ঘরে গিয়া দেখি সব কালকে রাত্রের মতোই সাফসুতরো আছে। কাপে কফি দিয়া গরম্পানি দেওয়া মাত্রই মনে হইলো সে ডাকে আমারে...

বেশ একখান গাভাস্কারীয় ইনিংস খেইলা কম্পু অন কইরা দেখি এই অবস্থা...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711431 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711431 2007-05-19 15:28:08
আসিতেছে মুক্তি পাক.. গত পরশু একটা আওয়াজ দিছিলেন কার ব্লগে জানি..পুরাণা মন্তব্য বিষয়ে। কইলেন আসিতেছে। তারপর আর আওয়াজ নাই। ইতিপূর্বে কইছিলেন কামিং ছুন। এরমধ্যে অনেক কিছুই পাইলাম যে গুলার কথা ভাবিও নাই। পাইয়া খুশীও হইছি। কিন্তু গরীবে সেই যে আসিতেছের পেজগীতে পইড়া রইছে সেইখান থিকা মুক্তি পায় নাই আর। আসিতেছে ছবিটা যদিও বলাকা-মধুমিতা-বি.ডি.আর. এ একেক রকম..কোনটাতে নায়িকা মরে কোনটাতে নায়ক গ্রেনেড রিটার্ন ক্যাচ ধইরা ডাইরেক্ট থ্রো করে..তবুও শেষ পর্যন্ত আসে। মন্তব্যের ছবিটা আইবো তো?

আরজ গুজার

সুমন চৌধুরী]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711386 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28711386 2007-05-19 12:35:51
বাসা পরিস্থিতি আপডেট ২
এদিকে কালকে রাত ১২ টার মধ্যে একটা রিপোর্ট শেষ কইরা মেইল দিতে হইবো। দুরুদুরু বক্ষে রান্নাঘরে গিয়া বইলাম। ঠিক ৮টায় সাবিনা ঘর থিকা বাইর হইয়া কারো দিকে না তাকাইয়া অভিযোগনামা পেশ করলো।

কাহিনি হইল ফ্রিজটা ফালাইয়া দিতে হইবো। কারণ পুরাণা ফ্রিজ বইলা নাকি সে বেশী কারেন্ট খায়! সুমন চৌধুরী ছাড়া কেউ নিয়মিত সেইটা ব্যবহার করেনা ইত্যাদি। তাকে জানানো হইল গত ২ বছরে আমরা ২ বার টাকা ফেরত পাইছি কম বিদ্যুৎ খরচের পুরস্কার হিসাবে। লাইগা গেল সোফিয়ার লগে। সেবাস্তিয়ান বেশ প্রফেশনালি ইলেক্ট্রিক বিলের কপি নিয়া দেখাইল। সাবিনা মরিয়া হইয়া এইবার আসল কারণ বাতাইল। ফ্রিজের শব্দে তার ঘুম আসে না। সবার কান একরকম না। তার কান বেশী পরিস্কার। আর সে বরাবরই সেনসেটিভ। কারণ সে পরিচ্ছন্ন। সোফিয়া কয় তুমি পাগলা গারদে যাও। সাবিনা কয় আর তো কয়টা দিন আছি। আমারে একটু ঘুমাইতে দাও ইত্যাদি। তারপর আমার দিকে ঘুইরা কয় সুমনের কাবাডে জিনিস বেশী সেই জন্যে নাকি রান্নাঘরে মাঝে মাঝেই দুইএকটা মাছি দেখা যায়। আমি কইলাম সেই ক্ষেত্রে তুমি ফ্রিজে মাছি বিষয়ে একটা অভিসন্দর্ভ লেইখা জমা দিতে পারো। তারপর মানুষ কিভাবে এরকম হয় কইয়া ঘরে গেলগা।

পরে সোফিয়ার কাছে শুনলাম আসল কাহিনি। সাবিনা ভাবছিল ১১৮তে কোন এর ফরাসী ছোকরা উঠবো। কিন্তু উঠছে সেবাস্তিয়ান নামে এক জার্মান। তার আবার ডাইন কানে দুল!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28710935 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28710935 2007-05-16 20:01:16
হিউয়েন সাং http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28709852 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28709852 2007-05-09 20:39:42 যেখানে জাগেন একা... এই আকালে বরং গান শুইনা বিরক্ত হই...
এমপিথ্রী না হইলে আপলোড করা কঠিণ
আমার কাছে বেশীরভাগই সিডিতে
এমপিথ্রী যে কয়টা ছিল
দিলাম

শুনলে শুনেন
না শুনলে না শুনেন
আমার কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28709669 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28709669 2007-05-08 18:40:51
দেখা দিক আরবার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ এরকম কোন একটা গান লাগাইয়া বইসা থাকি। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28709625 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28709625 2007-05-08 13:50:55 ইস্পাত http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28708919 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28708919 2007-05-03 16:55:36 খেলা http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28708731 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28708731 2007-05-02 18:45:09 মতাদর্শিক আধিপত্য এবং ইন্টেলেক্চুয়াল মকারি
ব্লগ কিন্তু লেখারই জায়গা। এইখানে লোকে লেইখা যার যার মত প্রকাশ করে। মাথা থিকা যে কথা বাইরায় তার লগে শরিলের আর শরিলের লগে নানানভাবে জড়িত অন্যান্য শরিলের অনেকদিনের অভিজ্ঞতা জড়িত। জীবনের সংঘর্ষগুলা সরাসরি আইবোই। সেইটা আইনের বা দোজখের ডর দেখাইয়া ঠেকানো গেলে ভালো হয় বইলা ঝুট-ঝামেলামুক্ত মাইনসের মনে হইলেও আসলে ঠেকানো যায় না।

সাদিক উপরের দুইটা লাইন বাদ দিয়া টিপিক্যাল এনজিও লাইন ধরছে। রাবীন্দ্রীক প্রশান্তি+নিও লিবারেল উন্নয়ন। এই প্রক্রিয়ায় উপরিকাঠামোর লগে সুবিধাজনক মানে সবদিক রক্ষা হয় এইরম অবকাঠামোর দূরত্ব মাপতে যত বড় কাঁটা কম্পাস লাগে সেইটা আপাতত বানানো না যাওনে মরমী তড়িকা লইছে অর্থাৎ উপরিকাঠামোর লগে অবকাঠামোর সম্পর্ক থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে অর্থাৎ হাঁউ মাউ খাউ থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে। দলে লোক পাওয়াও যায় এই কায়দায় খুব সহজে। উত্তরাধুণিক পাঙ্করা আছে। তারাও মনে করে ইতিহাসের ইভেন্টগুলা পাশাপাশি শুইয়া থাকে । তাদের মধ্যে সম্পর্ক বের করার চেষ্টা একধরণের ফ্যাসিবাদ। এইখানে ইভেন্টগুলা হয় সমকামী নয় ভাইবোন অর্থাৎ ইতিহাসকে বস্তুবাদী দৃষ্টতে দেখলে নানান সমস্যা তাই সামন্তীয় নৈতিকতাই সই।

এতে কি লাভ? লাভ হইলো উন্নয়নের পথের কাঁটা সইরা যায়। গরীব দেশের মানুষ হইলো ভুদাই। স্মৃতি তাগো কাছে ভক্তিবস্তু। কোন আমলে ফাইট করছিল উপনিবেশের বিরুদ্ধে হেই কথায় এখন কোন বালের চিড়া ভিজবো? বরং রবীন্দ্রনাথের আলু চাষ(আলোকিত) আর মোহনদাস করমচাঁদের প্রাচীন ভারতের স্বয়ংসম্পূর্ণ গেরামের ঘন্ট অনেক ভালো। কোনটাতেই পলিটিক্যাল স্বাধীনতার কোন দরকার নাই। আর "সবকিছু" এখন "অন্যভাবে" দেখা হয়। উন্নয়ন এখন "অন্যরকম"। "সবকিছু" "বদলাইয়া" গেছেগা। (তারপর ভুরুটুরু কুচকাইয়া বেশ কায়দা কইরা) আসলে বিশ্বায়নের যূগে জাতিরাষ্ট্রের ধারণা অচল। রাজনৈতিক স্বাধীনতাও তেমন জরুরি না। একসময় ঐরকম ধারণা ছিল। এখন আর নাই। শিল্পন্নয়নের পুরাণা প্যারাডাইম গেছেগা। সব জায়গায় ম্যাশিং বসানো সম্ভব না। এখন উন্নয়ন মানে গ্রোউথ রেট বাড়ানো। বোকার মত নাইজেরিয়ার উদাহরণ দেবেন না প্লিজ! খিয়াল করুন আশির দশকে তেল বিক্রির সময়কার ৭৭% প্রবৃদ্ধির হার। নব্বই দশকের শেষের পরিণতির জন্যে তাদের পলিটিক্স দায়ী। এজন্য তেলের খরিদ্দারকে দায়ী করা ঠিক্না। এটা একধরণের হীনমন্যতা। দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখুন! জলপাই ঠাপে তাদের দেশে এখন আস্ত বাঙ্গী আর দেখাই যায় না! সুতরাং ইল্যুশন ত্যাগ করুন! বর্তমান একটা আলাদা ঘটনা। উন্নয়ন চুইয়ে পড়ছে উপর থেকে নীচে। দেখতে পাচ্ছেন না? চশমাটা খেয়ে ফেলুন, নতুন চশমা নিন। উপনিবেশবিরোধী সংগ্রামের ইতিহাস ভুলে যান। ঐসব স্মৃতি বর্তমান ত্রাতাদের শত্রু ভাবতে শেখায়। (তারপর ২ লাইন রবিবুড়োর গান "পশ্চিম আজি খুলিয়াছে দ্বার")

সবই বুঝলাম বরখুরদার! বুঝতে বুঝতে অবিরাম ভুদাই হচ্ছি প্রতিদিন। কিন্তু আমার গতর ভর্তি জটিল সব ছারপোকা। ৫০০০বার ডিলিট করলেও স্মৃতিগুলো মোছে না। গুতায়। খালি গুতায়। খালি মনে হয় যার নেমকখাই তার গুহ্যদ্বারে ছেড়ে দেই পোকাগুলো। আরো মজা কি জানো? এই দিলাম কইলেই ত্রাতাঠাকুর নাচে। ফকিন্নির পুত আমি তাতে যাহারপরনাই আল্হাদিত হই। শুধু ছারপোকাই না। কলা খাইয়া অবিরাম চোচাও ফালাই ত্রাতার নাটমঞ্চে। লগে ছারপোকার ফাপর।

মাঠে প্রতিদিনই কেউ না কেউ ফাইট করে। মাঠ অনেকরকম। কথাও একটা ক্রিয়া। আর ত্রাতাঠাকুর তার সোল এজেন্ট না। খালি তিনিই কইবেন তাতো হইবো না। তারে মাঠ ছাইড়া দিতে আমি রাজি না। তিনি মকারি করতে মোসাহেব ভাড়া করবেন আর আমি জিল্হ্বা বিলম্বিত শুইনা দ্রুত দাদরায় তালিখালি মাপুম এতো মডার্ন হওয়া মনে হয় মুস্কিল। বাগযন্ত্রটা আমারো আছে। আমি কথা কমুই।
ফাইট করতে গেলে মাথায় থাকতে হইবো যে অতীতেও ফাইট করছিলাম এখনো করতাছি। স্বাধীন হইতে যাগো লগে যুদ্ধ করছি তারা আর আজকের শত্রুরা আলাদা না। কারণ ফাইট আগে যারা করছে আইজকাও তারাই করে। শত্রুর আগের তালিকা বাতিল হয় নাই তাতে আরো লোক যোগ হইছে। জেনারেশন বদলাইছে। তাই পরের জেনারেশনের কাছে অতীতের লড়াই এর স্মৃতি পৌছাইয়া দিতেই হইবো। শত্রুমিত্র আরো ভালো কইরা চিনতেই দিতো হইবো। তাই কথা কওনের প্লাটফর্ম বেহেড টেকমোল্লাগো হাতে কোন অবস্থাতেই ছাইড়া দেওন যাইবো না। পদে পদে তাগো লুঙ্গী ধইরা টান দিতেই হইবো। সুফি মানুষের তাতে কলেজা ফাইট্টা গেলে কানে কর্ক দিয়া রাখাই ভালো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28708594 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28708594 2007-05-01 15:28:32
টিনের তলোয়ার
গত সপ্তাহে আরিলের নামে একটি পোস্ট এসেছিল সাধু আচরণ বিষয়ে। সেই পোস্টটা গত কয়েকদিন ধরে খুঁজে পাইনি। সার্চ দিলেও আসে না। সেখানে অনেকের সাথে আমারও মন্তব্য ছিল। বলেছিলাম যে অশ্লিলতা এবং ব্যক্তিগত আক্রমণ বিষয়ে ধোঁয়াটে অবস্থান নেওয়াটা ব্লগের ভবিষ্যতের জন্য ভালো নাও হতে পারে। কারণ ভালোমানুষের ভাব নিয়ে মানবতাবিরোধী অবস্থানের পোস্টের প্রতিক্রিয়াকে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে আলাদা করতে ব্যক্তিগত আক্রমণের সুনির্দিষ্ট সূচক নির্ধারণ কার প্রয়োজন। সহব্লগার চোরের মন্তব্যে বিষয়টা আরো অনেক স্পষ্টভাবে এসেছিল।

এই সুনির্দিষ্ট সূচক নির্ণয় বিষয়টা একটা পর্যায়ের পরে বিমূর্ত চেহারা নেয়। তখন আর সেটা সরল ছাঁকুনিতে আলাদা করা যায় না। তখন আক্রান্তকে ব্যক্তিগতভাবে সেই লড়াই চালাতে হয়। উদাহরণ হচ্ছে স্যাটায়ার। শেষ পর্যন্ত প্রমাণ করা যায়নি হিংকেল বলতে চ্যাপলিন হিটলারকেই বুঝিয়েছেন। সমরেশ বসুর বিবর বা ভ্লাদিমির নভোকভের ললিতাকেও অশ্লিল প্রমাণ করা যায় নি।

কথা শুরু করেছিলাম ব্লগের খোলা হাওয়া নিয়ে। শুরু থেকেই বিভিন্ন মতাদর্শীদের আগমণ এবং খোলাখুলি নিজের বক্তব্য দেবার সুযোগ, সামহোয়ারইন ব্লগের আজকের পরিচিতির মূল কারণ। মানুষের সমাজেই শুধু কৃত্রিম অসমতা রয়েছে। সমাজ সেখানে আক্রান্ত হয় রাষ্ট্রের নতুন নতুন অস্ত্রে। আক্রমণের সাথে প্রতিবাদের ভাষাতেও পরিবর্তন আসে। একসময় সমালোচনা কিংবা প্রতিবাদের অধিকারকেও আইনসিদ্ধ করা হয়। রাষ্ট্র বাধ্য হয় করতে। অনুমোদনে স্বভাবত:ই ম্যানিপুলেশন থাকে। তখন লড়াই হয় তার বিরুদ্ধেও। লড়াই করতেই হয়। কারণ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যতটুকু আইনের বইতে লেখা থাকে তার পুরোটাই লড়াই করে আদায় করা। সেটা কোন অবস্থাতেই প্রাপ্তি না, অধিকার। সুতরাং বাস্তব জীবনে বিভিন্নভাবে নিজের কথা বলতে বাধা পওয়া মানুষ অবিরাম পথ খুঁজতে থাকে। চায়ের দোকান থেকে বিতাড়িত হয়ে খোলা মাঠে তারপর খোলা মাঠেও যখন রাষ্ট্রের কুচকাওয়াজে কোনঠাসা হয়ে পড়ে তখন ভাচুর্য়াল জগতে এসে পড়ে। এই জগতটিতে আসার ন্যুনতম ক্ষমতা নিম্ন-মধ্যবিত্তের নীচে সম্ভব নয়। বিশ্বায়নের কালোয়াতিতে এই শ্রেণীটিও কোনঠাসা মানুষের কাতারে পড়ে গেছে। বিশ্বজুড়ে ব্লগিং এর জনপ্রিয়তার এটাই সম্ভবত সবচাইতে বড় কারণ। জেবতিক আরিফের মতো আমিও কম্পুকানা, তাই অন্যান্য গূঢ় কারণগুলো জানা নেই।

জানামতে সামহোয়ার ইন ব্লগই প্রথম আদ্যপ্রান্ত বাংলা ব্লগ। যেসব ইংরেজী ব্লগে বাংলায় লেখা সম্ভব ছিল সেগুলোকে কিভাবে বাংলা ব্লগ বলা যায় তা বলতে পারবো না; সেটা জানতে হাবিব মহাজনের শরণাপন্ন হতে হবে। বাংলা ব্লগে স্বভাবত:ই বাঙালীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে। তাদের মধ্যে আবার পশ্চিমবঙ্গের কিছু ব্লগার বাদে দুই তৃতীয়াংশের বেশী বাংলাদেশের নাগরিক। সুতরাং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনসমাজে চলতে থাকা বহুমাত্রিক দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষের উপস্থিতি সেখানে অবশ্যম্ভাবী। প্রান্তিক জনসমাজ সর্বাত্মক শোষণের কারণে তার তাবৎ চৈতন্য জুড়ে লড়াই ক্রিয়াশীল থাকে। ব্লগের খোলা মাঠে তার প্রকাশ ঘটবেই। প্রকাশ আটকে দেওয়া হলে নতুন মাঠের সন্ধানে যেতে হবে। অথবা লাঠিয়ালের সাথে লড়াই চলবে। গায়ে আঁচড় না লাগা সুশীলের কাছে দৃষ্টিকটু হলেও বিষয়টা এরকমই।

বাংলাদেশ সশস্ত্র সংগ্রামে স্বাধীন হয়েছে। সেই স্বাধীনতা সংগ্রাম উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রামের ধারাবাহিকতা বলে তার সশস্ত্ররূপে বিরতি এলেও সংগ্রাম পরিবর্তিত চেহারায় বর্তমান। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ৩৬ বছরের রাজনৈতিক মতলববাজী মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের রাষ্ট্রের আইনে হালাল ঘোষনা দিলেও যুদ্ধের স্মৃতি গণচৈতন্যে বর্তমান। ভোটের রাজনীতির ফাটকাবাজীতে এই চৈতন্যের দেখা পাওয়া মুশকিল। জনগণের বিশেষত: প্রান্তিক জনগোষ্ঠির স্বত:স্ফুর্ত সংগঠিত প্রতিরোধের চেতনাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। এখানে আঘাত এলে প্রতিবাদ হবেই। সেই প্রতিবাদে তীব্রতাও দেখা দেবে বিভিন্ন চেহারায়। ব্লগ কথা বলার জায়গা। এখানে কথার প্রতিবাদ কথায় হয়। রাজনৈতিক মতলববাজীতে মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের উপস্থিতি এবং মতপ্রকাশ হালাল বলে তারাও এখানে লেখেন। তাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা তারা ব্যবহার করেন পূর্ণমাত্রায়। আক্রমণও করেন যথেচ্ছ। এই আক্রমণের জবাব আরো আক্রমণাত্মক না হওয়াটাই অস্বাভাবিক। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে এই অধিকারে যদি হস্তক্ষেপ হয় সুশীল আচরণের মায়াকান্না কেঁদে তাহলে সেই মায়াকান্নার মুখোশেও জনগণের হাত চলে যাবে এ আর বিচিত্র কি?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28708424 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28708424 2007-04-30 02:24:30
হাতে রইলো পেন্সিল
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারণাটি এসেছিল নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে। বাংলাদেশের প্রথম দুটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল গণঅভ্যুত্থানের ফলাফল। অসাধারণ দক্ষতায় তারা কাজ করেছেন। ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ এর নির্বাচন নিয়ে পরাজিত পক্ষ দূর্বল আপত্তি তুলেও পরে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। ২০০১ এর তত্ত্বাবাধায়ক সরকার আগের দুবারের তুলনায় কিছুটা নড়বড়ে মনে হলেও তারাও শেষ পর্যন্ত সক্ষম হয়েছেন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে। ২০০১ এ পরাজিত পক্ষের আপত্তি কিছুটা জোরালো হলেও নির্বাচনের ফলাফল সাধারণভাবে জনগণের কাছে অপ্রত্যাশিত মনে হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিরোধীদল সংসদে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছেন। ২০০৬ এ প্রথমবারের মতো প্রবল বিতর্ক দেখা গেল তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত যে নির্বাচনকেও আটকে দেবে এতটা আশঙ্কা না করলেও খটকা লাগতে শুরু করে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধাণ হবার ঘোষনা থেকে। বিচারপতি কে.এ.হাসানের পরে জেষ্ঠ্যতা অনুসারে যারা আসেন তাদেরকে সংবিধান মোতাবেক প্রস্তাব না পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতি হঠাৎ করেই প্রধাণ উপদেষ্টা হবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। তারপরের ঘটনাবলীর মধ্যে গত ১১ জানুয়ারী ইয়াজুদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ এবং ফকরুদ্দিন আহমেদের শপথগ্রহণ পর্যন্ত একধরণের জৈবিক ধারাবাহিকতা দেখা যায়। ২৮ অক্টোবর থেকে ১১ জানয়ারী সময়ে কখনোই মনে হয়নি বাংলাদেশ ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইয়াজউদ্দিন আহমেদের একতরফা চারদলমূখী অবস্থান এবং বিরোধীদের লাগতার প্রতিরোধকে নির্ভরশীল রাষ্ট্রে সামরিক স্বৈরাচারের প্রেক্ষিত-নির্মাণ প্রক্রিয়া বলে মনে হয়েছে।

ফকরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রথমেই নিবার্চন কমিশনের সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠাণের অঙ্গীকার করেছিলেন। জরুরী অবস্থা ঘোষনা এবং দূর্নীতিদমন অভিযানকে সেই অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই স্বাগত জানানো হয়েছে। দুটি প্রধাণ দলের রুই কাতলাদের ধরা পড়তে দেখে জনগণ উল্লসিত হয়েছে। সমস্যা দেখা দিতে শুরু করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার যখন গণপ্রতিনিধিদের করণীয় বিষয়গুলো নিজের কাঁধে তুলে নিতে শুরু করলেন। সমুদ্রবন্দর ইজারা দেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যচুক্তি সম্পাদন, অবশিষ্ট রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠাণগুলোর কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা, সেখানে বকেয়া বেতনের দাবীদার শ্রমিকদের উপর গুলি ছোড়া ইত্যাদি বিষয় বেশ তড়িঘড়ি ঘটতে শুরু করলো। পোস্ট কলোনিয়াল সমাজের রাজনৈতিক শ্রেণীকে সাম্রাজ্যবাদ ঔপনিবেশিক শাসনামলে খুব যত্ন করে তৈরী করেছেন। তারা তর্কাতীতভাবেই করণকারক। কর্তার ইচ্ছায় কর্মসম্পাদনের বাইরে যেতে হলে গ্রামাটোলজিতে পরিবর্তন ছাড়া গতি নেই। নির্বাচনে ক্ষমতায়ও বসবেন তারাই। সুতরাং এই কাজগুলোর কোনটাই নির্বাচিত সরকারের অসাধ্য নয়। পার্থক্য হতো যে নির্বাচিত সরকার দমন নীতি গ্রহণ করলে যে গণপ্রতিরোধের, যে প্রকাশ্য সমালোচনার মুখে পড়তেন জরুরি অবস্থার অধীনে অনির্বাচিত সরকারকে তার মুখোমুখি হতে হচ্ছে না। অবশ্য সমালোচনার মুখে পড়লেই যে পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্তের অন্যথা হয় সেটা সবসময় সত্য নয়। তবুও তাতে ন্যুনতম ঝুঁকি থাকে। একচেটিয়া বাজারে যে কারণে সরাসরি আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ববাদ স্পন্সর করা হয়েছে।

সে যা ই হোক। রাষ্ট্রবিজ্ঞান যাই বলুক। বর্তমান সরকার আমলাতান্ত্রিক-কর্তৃত্ববাদী নন। তারা নির্বাচন অনুষ্ঠাণে অঙ্গীকারাবদ্ধ অন্ত:বর্তীকালিন সরকার। সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং জরুরি অবস্থা দুটোরই বিধান রয়েছে। সামরিক শাসন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধান মতে রাষ্ট্রদ্রোহীতার পর্যায়ে পড়ে। ২০০৪ সালে সুপ্রীম কোর্ট ৫ম সংশোধনী সহ অতীতের সকল সামরিক সরকারকে অবৈধ বলে ঘোষনা করেছে। বর্তমান সরকার সংবিধান স্থগিত করেননি সুতরাং তাকে অসাংবিধানিক বলা যাচ্ছে না। প্রশ্ন সেখানে নয় । কথা হচ্ছে দূর্নীতির অভিযোগ থেকে থাকলে অন্যসকলের মতো দুই নেত্রীকেও গ্রেফতার করা হোক। গণশত্রুদের বিষয়ে জনগণ আগুন আবিস্কারের আগে থেকেই নিষ্ঠুর। সুতরাং দূর্নীতির অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হলে তাতে বরং জনগণ খুশীই হবেন। অথচ গত মাসখানেকের ঘটনা প্রবাহ অন্যরকম। বিচারের মুখোমুখি করার বদলে দেশত্যাগে বাধ্য করা কিংবা দেশে প্রবেশে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। সেই সঙ্গে উঠে আসছে সমুদ্রবন্দর ইজারা কিংবা বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে সিদ্ধান্তগুলোও। সেনা প্রধাণ ঘন ঘন প্রকাশ্য বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে যাকে স্বাভাবিক বলা কঠিণ। প্রধাণ উপদেষ্টার ঘোষনা মতে ১৮ মাস পরে নির্বাচন করতে জরুরী অবস্থাকে দীর্ঘয়িত করতে হবে। তা হোক। গণদাবীর প্রেক্ষিতে সংবিধান পরিবর্তিত করা কোন সমস্যা নয় বরং সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু জরুরি অবস্থা চলাকালীন সরকারের কার্যক্রমে যদি জনগণ সরকারের প্রতি আস্থা হারায় তাহলে পরিস্থিতি কি দাড়াবে? কে নেবে তার দায়?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28707391 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28707391 2007-04-22 17:21:54
বাসা পরিস্থতি আপডেট
ইউনি খুলছে গত সোমবার। সাবিনা হলে উঠছে তার সপ্তাহ ২ আগে। আইসাই সে সোফিয়ার যাবতিয় ডেকোরেশন সরাইয়া ফালাইছে রান্নাঘর থিকা। আর ব্যপক সংস্কার শুরু করছে কারো মতামত না নিয়াই। এই নিয়া সোফিয়া আগের থিকাই চ্যাতা ছিল। আমি বিষয়টা বন্ধের মধ্যে টের পাইলেও সাবিনারে কিছু বলি নাই কারণ ডেকোরেশন বিষয়ে আমার বরাবরই কোন অবদান বা আগ্রহ ছিল না। কালকে ঝগড়া শুরু হইলো প্রথমে গোসলখানা নিয়া। সাবিনার মতে সপ্তাহে ৪ বার গোসলখানা এবং টয়লেট ১০০% জীবাণুমুক্ত করতে হবে। যদিও সপ্তাহে ২ বার ইউনিভার্সিটির বেতন করা লোক আসে সাফসুতরো করতে। সোফিয়ার মতে (এবং আমার মতেও ) এইটা বাড়াবাড়ি। আর ঘরবাড়ি পরিস্কার করা ছাড়াও আমাগো অন্য কাজ আছে। এই নিয়া কথা কাটাকাটি শুরু হইয়া সোফিয়ার পুরানা রাগ মাথাচাড়া দিয়া উঠলো। আমি একবার থামাই আবার ২ মিনিট পরে লাগে। এরমধ্যে সাবিনা কয় টয়লেটের জন্য আলাদা কইরা ২ কার্টুন টয়লেট পেপার কেনা লাগবে। "ছেলেরা" নাকি বেশী খরচ করে। আমি যাই কই তখন? শাপলুর মতো কইরা মাথায় প্রশ্নও আসলো বেশী পেপার খরচ করা কি খারাপ? সাবিনা আর থামেই না। যত চ্যাতে তত অভিনব আইডিয়া বাইর হয়। সোফিয়াও ছাড়ে না। একপর্যায়ে সাবিনা কয় আমি যামুগা। সোফিয়া গুট কইয়া ঘরে গেলগা।
এর মধ্যে কাসিয়া ভুদাই হইয়া বইসা ছিল । জিগায় : whats going on here? কাঁধে হাত দিয়া আশ্বস্ত করলাম। এগুলা কিছুনা। সামনে আরো নাটক আছে। সাবিনা ধুমধাম নিজের ঘরে গেলগা। এট্টু পরে আইসা যা যা সে আনছিল এক এক কইরা নেওয়া শুরু করল। আমি ভুদাই হইয়া নিজের ঘরে আইসা ব্লগে বইলাম। এট্টু পরে আইসা কয় , "আমি আসার পর থিকাই সোফিয়া তোমার নামে একের পর এক কম্প্লেইন দিছে...এখন সে সব দোষ আমার ঘাড়ে চাপায় ইত্যাদি.." কইয়া কান্দাকাটি কইরা কয় আমি যামুগা..আমি কি কমু আসলেই খু্‌ইজা পাইতেছিলামনা। কইলাম সোফিয়ার সাথে এট্টু পরে আবার কথা কইয়া তারপর সিদ্ধান্ত নিও। এরপর মন দিলাম বাংলাদেশের খেলায়। আশরাফুল আউট হওয়ার পরে খেলা দেখা বাদ দিলাম। রান্না ঘরে গিয়া দেখি সোফিয়া স্পাগেটি রান্না করে। আমারে কয় তোমার রান্না না থাকলে আসো একলগে খাই । আমি এট্টু ভদ্রতা কইরা রাজী। খাইতে কাইতে কয় আরে সাবিনা আইছে থিকা তোমার নামে এইটা ওইটা লাগাইয়াই রাখছে। ওর মাথায় সমস্যা।

এই হইলো বর্তমান পরিস্থিতি। সাবিনা সেই যে কালকে বিকালে গেলগা আর আসে নাই। অআসবেও না হয়তো। অআমার খালি একটাই ভয় ...আবার কোন মুডো আইবো না তো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28707161 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28707161 2007-04-21 02:30:55
খাইছে!!! http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28706947 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaggatabashblog/28706947 2007-04-19 17:46:10