আমার প্রিয় পোস্ট

ফ্রম দ্যা হার্ট অফ ডার্কনেস

হো চি মি'নের দেশে-১

০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩২

শেয়ারঃ
0 0 0



চিলেকোঠায় আমার ফ্লাটের সামনে একটুকরো খোলা ছাদ। ষষ্ঠতল সেই ছাদে দাড়িয়ে হ্যানয় শহরের অনেকটুকুই চোখে পড়ে।চারিদিকে যতদুর দৃষ্টি যায় সার সার অজস্র লাল কিংবা খয়েরি টালির ছাদ।তারই ফাঁকে ফাঁকে বহুতল ভবনসমুহের ক্রমবর্ধমান প্রজনন জানান দেয় পুঁজির উপস্থিতি কিংবা তার ক্রমবর্ধিষ্নু প্রভাব ও প্রতিপত্তির।

তৃতীয় বিশ্বের লাখো মানুষকে সাম্যবাদের স্বপ্নে উজ্জ্বীবিতকারী আংকেল হো'র মৃত্যত্তর ভিয়েতনাম কোন অর্থেই আর সাম্যবাদী রাষ্ট্র নয়।অদ্ভুত চীনা কায়দায় পরিচালিত এক বাজার অর্থনীতির দেশ।এই পথ বেঠিক না সঠিক ইতিহাসই একদিন তার মুল্যয়ন করবে।

ঝুলন্ত ছাদের নীচে আমাদের মফস্বল শহরের কায়দায় সরু সরু পিচঢালা পথ।সেই পথে চলে বেড়ায় হাজারে-হাজারে, লাখে-লাখে কিংবা অযুত-অযুতে যান্ত্রিক সাইকেল।আক্ষরিকার্থেই দিজ ইজ এ সিটি অফ বাইক; ৬৫ লাখের শহরে চল্লিশ লক্ষাধিক মোটর সাইকেল! ভাবা যায়।

মোটরসাইকেলের এই বিশাল ওয়াগনে নিতান্তই হয়ে সংখ্যালঘু হয়ে থাকে আমাদের শৈশব-কৈশোরের নিত্যসংগী সেই অযান্ত্রিক(অধুনা পরিবেশ বান্ধব খেতাবপ্রাপ্ত!) দ্বিচক্রযান; ৭০ দশকের সমাজতান্ত্রিক শহরের প্রতীক।স্কুলগামী কিশোরী, শ্রমজীবি তরুন, ভারাক্রান্ত বৃদ্ধ প্যাডল মেরে চলছেন যান্ত্রিকগতির সাথে পাল্লায় দিয়ে; আধুনিক মানুষদের গতিক্রান্ত জীবন-জগত-সংসারকে তাচ্ছিল্য করে।

ওল্ড হ্যানয়ের অলিগলি চিরপরিচিত রিকশার দেখা মেলে।প্যাডেল টানা রিকশা নয়, ঠেলা রিকশা।বিশালদেহী মেদবহুল সাদাচামড়ার টুরিষ্টদের ঠেলে নিয়ে চলেছে শীর্নকায় ভিয়েতনামিজ।

সহযাত্রী এক ছোটভাই বললো "ভাইয়া, উঠবেন নাকি"?

দ্ররিদ্রতর দেশের মানুষ আমি।তবু ভালো, রিকশাকে এখানে তারা অন্ত:ত ভ্রমনবাহন হিসেবে দাঁড় করাতে পেরেছে আর আমরা!

রিকশা আমাদের ওখানে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।ঘাম চিকচিকে পিঠে রিকশাচালক বয়ে নিয়ে চলেছে পায়ের উপর পায়ে ঝুলিয়ে বসা রিকশাআরোহীকে। দুচার টাকা বেশি চাইলেও আমাদের রক্তুচক্ষু গরম হয়ে ওঠে, কেউ কেউ তো স্বউদ্যেগে তাদের পুলিশী শিক্ষারও ব্যবস্থা করেন।

মধ্যযুগীয় দাস-প্রভুর সম্পর্কের এক ক্লাসিক উদাহরন!

আমি যথেষ্টই ভোগবাদী তবে নিত্য ব্যবহার্যের জিনিসকে "নেভার সিন বিফোর" এর ভান করে গদগদ ট্যুরিষ্ট- এতোটা "ঢং ধরা" বোধহয় সম্ভব নয়।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যাপিত জীবনভিয়েতনামযাপিত জীবনভিয়েতনাম ;
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: এত ছোট কেন?? আমি তো ভাবলাম আরো অনেক কিছু পড়ব...।। যাইহোক, পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম...
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হিমালয়।

পরের পর্ব যে কবে লিখতে পারবো তার কোন ঠিকঠিকানা নাই।

২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
শাহিন০৩ বলেছেন: শিমুল ভাই আপনারে ব্যক্তিগতভাবে চিনি, আপনার পেশা কি সেটাও জানি।

তারই ফাঁকে ফাঁকে বহুতল ভবনসমুহের ক্রমবর্ধমান প্রজনন জানান দেয় পুঁজির উপস্থিতি কিংবা তার ক্রমবর্ধিষ্নু প্রভাব ও প্রতিপত্তির।
মধ্যযুগীয় দাস-প্রভুর সম্পর্কের এক ক্লাসিক উদাহরন!

আমি যথেষ্টই ভোগবাদী তবে নিত্য ব্যবহার্যের জিনিসকে "নেভার সিন বিফোর" এর ভান করে গদগদ ট্যুরিষ্ট- এতোটা "ঢং ধরা" বোধহয় সম্ভব নয়।

এসব কথা আপনার কীবোর্ড থেকে কেন যেন চরম বেখাপ্পা লাগে।
পুঁজির আদর্শে লালিত হচ্ছেন, হন।
প্লীজ ডবল ষ্ট্যান্ডার্ড দেখাইয়েন না।
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: আমাকে ব্যাক্তিগতভাবে চেনেন যেন খুশি হলাম।ভোগবাদী মানুষমাত্রই আপোষকামী এবং দৈতসত্বাধারী।

কিন্তু আমার ডাবল স্ট্যান্ডার্ড দেখাইলাম ঠিক কোন পয়েন্টে বুঝিয়ে বললে খুশি হইতাম।নিজেকে শোধরানোর এখটা সুযোগ তো দিবেন। নাকি!

৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: Thanks a lot. Aj farhan k bolchilam j vietnam er recent obostha khub i kom jani. Apnake likhte bolbo. Vabte na vabtei peye gelam
০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব।

দেখা যাক কতটুকু জানাতে পারি।অন্যদের জানানোর আগে নিজে জানাটা পরিস্কার হইতে হবে নইলে বিপদ।

ভুল-ভাল তথ্য দিয়ে শেষে হলুদ ব্লগিংয়ের দায়ে লোকজন না আবার আমারে বর্জন করা শুরু করে!

০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: ভিয়েতনামের রাষ্ট্রীয় নাম "সোশালিষ্ট রিপাবলিক অফ ভিয়েতনাম"।চীনে যেমনটা এখানেও তেমনি এক পার্টি শাসনব্যবস্থা, কিন্তু অর্থনীতি বাজার ভিত্তিক।


মানুষের ব্যাক্তিগত সম্পত্তির অনুমোদন আছে, প্রাইভেট কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ক্রমেই অংশীদ্বারিত্ব বাড়াচ্ছে।

ইকোনমির অনেকটুকুই প্রোডাকশন বেসড,তবে বেশিরভাগই বাইরের ইনভেস্টমেন্ট । কোরিয়া, জাপান এমন অনেকদেশের প্লান্ট আছে এখানে।

৫. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২০
ফারজানা ববি বলেছেন: ধ্যযুগীয় দাস-প্রভুর সম্পর্কের এক ক্লাসিক উদাহরন। ভালো
_
০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৩৯
অলৌকিক হাসান বলেছেন: জোশ। নিয়মিত পড়ব কিন্তু ... বড় বড় করে লেখেন। বিল্ডিং কিংবা দর্শনীয় জায়গার কথা না, মানুষের কথা জানেত চাই।
০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।আমার ব্লগে এইটা সম্ভবত আপনার প্রথম মন্তব্য।

যাহোক, আপনার উৎসাহ পেয়ে ভালো লাগলো।

৮. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৪৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: সময় করে লিখেন বস,এদের অবস্থাটা জানতে চাই।
শাহিন০৩ যদি নিজেরে ভোগবাদী হিসাবে দাবী করেন(অবশ্যই তিনি তাই,কোন শালা ভোগবাদী না?),তাইলে আরেকজনের স্ট্যান্ডার্ড নিয়া প্রশ্ন তোলা মনে হয় ঠিক না,অন্যের স্ট্যান্ডার্ড নিয়েকথা বলার আগে নিজে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে সেইটা জেনে নেয়া দরকার। প্রশ্নটা আসলে অনেকদিনের আমার,আসলেই কারো পক্ষে ১০০ ভাগ সমাজতান্ত্রিক হওয়া সম্ভব কিনা। বাংলালিংকে চাকরি করে পুঁজিবাদের গুষ্ঠী উদ্ধার করে সমাজতন্ত্রের জয়গান করে আর রেডিক্যাল মার্ক্সিস্ট প্রোফাইল নিয়ে কর্পোরেট প্রথম আলোর উঁচু পদে আছেন এমন মানুষের অভাব নেই এই ব্লগেই,আর সেজন্য দোষ দিবো সেইটাও পারি না,সবাইকেই কিছু না কিছু করে খেয়েপরে বাঁচা লাগবে।
৯. ০৬ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: ৬৫ লাখের শহরে চল্লিশ লক্ষাধিক মোটর সাইকেল!

রাজশাহীতে সাইকেলের অনুপাতটা এতো না হৈলেও কাছাকাছি মনে হয়। পরের পর্ব'র অপেক্ষায়
০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: তাই কি?

আমি তো দেখি উল্টা; ঢাকা শহর থেকে অনেক আগেই এখন বাংলাদেশের মফস্বল শহর থেকে সাইকেল ক্রমেই উধাও।

আমরা স্কুলে যাইতাম সাইকেল চালিয়ে আর এখন বাবা-মা নিজে গাড়িতে কিংবা রিক্সায় ছাত্রদের স্কুলে নামিয়ে দিয়ে আসেন।

সাইকেল আমাদের কাছে যেমন চরম এক রোমান্টিক বাহন ছিলো এখন কি তা আছে? মনে হয়না।

যাইহোক, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১০. ০৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এসএসসি এর পর সাইকেল কিনেছিলাম খুব শখ করে । আমি একা না , ফ্রেন্ড সার্কেলের ৫ জন কিনেছিলাম । সেসময়টায় খুব সাহসীও ছিলাম । গলিতে চালাতে চালাতে হঠাৎ করেই বনশ্রী থেকে নটরডেম কলেজ চলে গেলাম । এরপর কলেজে সাইকেল নিয়ে গিয়েছি আরও বেশ কিছু দিন ।

ইন্টারমিডিয়েটের মডেল টেস্ট দিতে শান্তিনগর , শাহজাহানপুর যেতাম সাইকেলে চড়ে । এখন মনে হয় অনেক রিস্ক নিয়ে ফেলেছিলাম , কিন্তু এটাও সত্য যে সাইকেল আমাকে যে প্রবল স্বাধীনতা দিয়েছিল সেটা না পেলে ঐ মূল্যবান সময়টা পড়াশোনার পেছনে ভাল করে ব্যবহার করা সম্ভব ছিল না ।

সাইকেল সত্যিই আমাকে অনেক নস্টালজিক করে দেয় .... ঢাকার রাস্তায় সাইকেল খুব মিস করি ....
১১. ০৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আমার সাইকেল চালানোর ইতিহাস অনেক পুরনো।ক্লাস ওয়ান কি টু-তে পড়তেই সাইকেল চালানো শিখি।আব্বার একটা পুরাতন প্রিন্স সাইকেল ছিলো সেটা দিয়ে হাতেখড়ি।উপর থেকে না, নীচে সাইকেলের রডের দুপাশে ঝুলে কোনভাবে হ্যান্ডেলটা ধরে চালাইতাম।

একবার চালাইতে গিয়ে পুকুরে ঝপাৎ, পড়ে গিয়েছিলাম।

তারপর ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত প্রায় একটানা।

যেখানেই সাইকেল দেখি কেমন জানি একটা টান অনুভব করি;
আপন-আপন লাগে।
১২. ০৭ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: অনেক দিন ব্লগে ছিলাম না, কিছুই জানি না দেখি।
যাহোক নতুন গন্তব্য তাহলে ভিয়েতনাম। শুভকামনা। আপ্নিও দেখি অনেকদিন অনিয়মিত অনেকটা। লেখা চাই , যাই হোক না কেন?

@শাহিন০৩ঃ

নির্দিষ্ট স্থানে না দাঁড়িয়ে আপনি কখনোই বুঝবেন না। যেমন আমি নিজেও কর্পোরেট মাল্টিন্যাশ্নালের কামলা খেটে পেটের ভাত (প্লাস পরিবার) জোগাড় করি, তাই বলে পুঁজিবাদ কর্পোরেট ধান্দাবাজী সরকার এইগুলা নিয়া কথা বলা কি আমার হারাম হয়ে যাবে।
প্রফেশান আর আমার ব্যাক্তিগত দর্শন ভিন্ন হইতে পারে, আমি আমার জায়গায় দাঁড়িয়ে কিছু বলতে পারবো না?
০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: গন্তব্য এখন পুরাতন হয়ে গেছে।অবস্থানের সময়সীমা ২ মাসাধিক কাল পেরিয়ে গেছে।

শাহিন০৩ সাহেবের অবস্থানটা আমি ঠিক বুঝি নাই।উনার আপত্তিটা কি প্রফেশান আর ব্যাক্তিগত দর্শনের ভিন্ন অবস্থান নাকি অন্যকোথাও!

সিরিজ নাম দিয়ে বিসমিল্লাহ্‌ করছি, দেখি কতদুর টানতে পারি?

আপনি তো একেবারেই অফ গেলেন দেখি।জলদি কিছু লিখুন, আমাদের খাতিরে হলেও।

১৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
দিনমজুর বলেছেন: শাহীন০৩ সাহেব নিজে কি করেন জানার ইচ্ছা রইল!

যাহোক, আপনি এদের কথা কানে নিয়েন না। ভিয়েতনাম নিয়া যেইটা শরু করছেন, সেইটা চালায়া যান।

ছবি টা কি আপনার তোলা? গতি ব্যাপারটা খুব ভালো ভাবে এসেছে.. কিন্তু পরিপ্রেক্ষিত ব্যাকগ্রাউন্ড আবার নেই হয়ে গেছে...

যে বহুতল ভবনের কথা বললেন, যে শীর্ণকায় রিকশা চালকদের কথা বললেন তাদের ছবি সহ আরো লিখলে খুব ভালো হয়!

১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: না, ছবিটা আমার তোলা না।নেট থেকে সংগৃহিত।

ভিয়েতনামের সামাজিক জীবন, সংস্কৃতি(যতটুকু বুঝেছি), ব্যাক্তিবাদের চর্চা সবকিছুই এক প্রচন্ড গতিতে ট্রান্সফর্ম হচ্ছে, আমার এমনটাই মনে হয়েছে।

তাই গতির ব্যাপারটা বুঝাতে ছবিটি ব্যবহার করেছি।

শহরের কিছু ছবি তুলেছি।প্রাসংগিক মনে না হওয়ায় দেয়নি।লেখার ইচ্ছে তো আছে, দেখা যাক আলস্য কাটিয়ে উঠতে পারি কিনা।

১৫. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪
নাজিম উদদীন বলেছেন: ওদের এট মটর সাইকেল চালানোর ঘটনাটা কি?
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: শহরের রাস্তাঘাট খুব সংকীর্ণ।তাছাড়া প্রাইভেট কার খুব দামী।বাস সার্ভিস আছে কিন্তু পর্যাপ্ত না।

ট্যাক্সি সংখ্যা পর্যাপ্ত হলেও খুব ব্যয়বহুল।মোজেরিটি ভিয়েতনামিজরা তাই প্রয়োজনমোতাবেক মোটরসাইকেল বেছে নিয়েছে।

ঐতিহ্যগত ভাবেই চায়নার মতোই তাঁরা সাইকেল ব্যবহার করতো এখন সেটাতে শুধু গতির সন্চার হয়েছে।

১৬. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩০
জোবাইর বলেছেন: চালিয়ে যান। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬১৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সীমিত কিছু মানুষ ব্যাতিত আমি কিংবা আমরা সবাই এক-একটা বিক্রয়যোগ্য কমোডিটি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই