ঘটনা ১
ভার্সিটিতে ঢুকার রাস্তা দিয়ে এগুচ্ছিলাম।
হঠাত করেই মনে হল, মরার পর যদি বেহেশতে যাই হুর পরী বোধহয় ৬৯ টা পাব। কারণ, ৭০ টার মধ্যে একটা ত আমার সামনে
আহা, আহা।
ঘটনা এখানে শেষ না।ঘটনা হল, মেয়েটা আমাদের ভার্সিটির দিকে এগুতে থাকে
মেয়েটা আগায়। আমিও আগাই। মেয়েটা ভার্সিটির দিকেই আগায়। আমি খুশি হই
আহা আহা। আসলেই বিশাল ব্যাপার।
আমি চিন্তা করতে থাকি, কো-অর্ডিনেটর স্যারের কাছে কী বলে মেয়েটার রুম নাম্বার জানা যাবে !
মেয়েটা মেইন গেটে চলে গেছে। খুশিতে আমি আধমরা।
মেয়েটা হালকা একটু ঘুরে একটা গাড়িতে বসল। গাড়িটা হুশ করে আমার সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেল।
শেষটা আকস্মিক। আমার শত স্বপ্ন কল্পনার অবসান। মেয়েটা এখানে পড়ে না, শুধু তার গাড়িটা রাস্তার সামনে পার্ক করা ছিল।
প্রকৃতি প্রদত্ত সৌন্দর্য দিয়ে মেয়েরা প্রত্যেকদিন কত নিষ্পাপ(হে হে, আমি আসলে আমাকে বুঝাচ্ছি
ঘটনা ২
রাস্তায় দেখি এক পোলা মহা ভাব নিয়ে হাঁটতেছে।
দিঝুষ
বেচারার আন্ডারওয়্যার দেখা যাচ্ছে
তাকিয়ে দেখি, দুইটা মেয়ে ওই ছেলের অবস্থা দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে
তাদের সৌন্দর্যে অভিভূত হয়ে, আমি দাঁতগুলো বের করে দিলাম
আমার ক্লাসের দুইটা ছেলে আবার সবাইকে আঙ্গুল দিয়ে দেখাচ্ছে যে আমি মেয়েদের দিকে দাঁত বের করে হাসতেছি
সবাই হাসতেছে এটা টের পেয়ে দেখি ওই ছেঁড়া প্যান্টের ছেলেও কিছু না বুঝেই হাসতেছে
ঘটনা ৩
এইটা আমার সবচেয়ে প্রিয়।
আমার বাসার সামনেই একটা সরকারী কলেজ। নাম হল মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। এখানে গত এক বছর মেইন গেটে একটা ব্যানার টানিয়ে রাখা হয়। ওখানে লেখা ছিল,
“ রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস। শুভেচ্ছায় ছাত্রদল।
[ যেহেতু এই সিরিজে সব বাস্তব কাহিনী, তাই দম ফাঁটানো হাসির কৌতুক আশা না করাই ভাল।]
অতিসম্প্রতি ব্যানারটা কারা যেন ছিঁড়ে ফেলেছে।
প্রথম পর্ব Click This Link
দ্বিতীয় পর্ব Click This Link
তৃতীয় পর্ব Click This Link
পঞ্চম পর্ব Click This Link
© আকাশ_পাগলা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

