somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উন্মাদনার যোগজীকরণ – ৬ (সাথে বোনাস কিছু গান)

০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলা আন্ডারগ্রাউন্ড

বাংলা আন্ডারগ্রাউন্ড বাংলা গানের খুব শক্তিশালী একটা দিক। বিগত কয়েক বছরে আমাদের দেশে প্রচুর জনপ্রিয় ব্যান্ড এসেছে আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে। ব্ল্যাক, যাত্রী, আর্টসেল, ক্রিপটিক ফেইট, মেটাল মেইজ সহ আরও অনেক ব্যান্ড আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে উঠে এসেছে। প্রিয়গুলার নামই বললাম।

আমি হালকা পাতলা কিছু জানি। যেমন যতটুকু জানি তা হল,আন্ডারগ্রাউন্ড নিয়ে বড় মাপের প্রথম প্রজেক্ট হয় আধার। ২ পর্বের। স্বাভাবিক ভাবেই সেই সময় জনপ্রিয়তা পায় নি।তবে, সবচেয়ে সফল প্রজেক্ট করেন বেইজ বাবা তথা অর্থহীনের সুমন। ৩ পর্বের আগুন্তক। আগুন্তক খুব গোপনে দেশের গানের ধারার একটা পরিবর্তন আনছিল।

সুমনকে বলা হয় আন্ডারগ্রাউন্ডের এবিসি’র জনক। এ তে আর্টসেল, বি তে ব্ল্যাক আর সি তে ক্রিপ্টিক ফেইট এই তিনটাই তার পৃষ্ঠপোষকতায় মেইনফ্রন্টে আসে। আগুন্তক ১ এই এদেরকে প্রথম সামনে আনেন তিনি।
এরপর, ব্ল্যাকের ড্রামার টনি আরেকটা প্রজেক্ট করেন ৩ পর্বের স্বপ্নচূড়া। এ যাবত কালের সবচেয়ে জনপ্রিয় আন্ডারগ্রাউন্ড মিক্সড। সেখান থেকেই উঠে আসে যাত্রী। নাম শুনলেই মনে আসে অসাধারণ কিছু ব্যান্ডের কথা।
স্টেইনটোরিয়ান
ফেইক প্লাস্টিক সুপার হিরো’স
হাইওয়ে

আরেকটা প্রজেক্ট হয় লোকায়ত। হিট করেনি তেমন। যদিও ওখানকার প্রত্যেকটা ব্যান্ডের যথেষ্ট ক্ষমতা ছিল হিট হবার। খুব সম্ভবত প্রচারবিমুখতা আর টাইমিং এর ভুল।

ফুয়াদকে বোধহয় প্রথম পাই আগুন্তক থেকেই। কোন একটা পর্বের ৭ নাম্বার ট্র্যাক। দেশাত্মবোধক একটা গান নিয়ে নামে। ফুয়াদ, উপল আর আনীলার ব্যান্ড ছিল ওটা। এখন ডেড। ব্যান্ডের নাম বোধ হয় যেফায়ার ছিল।

আমাদের দেশে এখন অসাধারণ মেটাল হয়, মেটালিক রকও দারুণ জমে। উপমাহাদেশের অন্যান্য দেশগুলোর দিকে এখন বৈচিত্রে বাংলাদেশের গান এগিয়ে যাছে দ্রুত। ১৪ কোটি মানুষের অভাবী দেশে খুব একটা মানুষ এসব গান শোনে না। খুব কয়জন এসব বোঝেও না। আমাদের দেশে এখনও গান বলতে হারমোনিয়াম। স্টাফ নোটেশনে গিটার পোলাপান বুঝেনা।

নেমেসিসি এখন চুপ। আইকনস ভাঙ্গা। স্টেইনটরিয়ান এলাকায় মারপিট করে নাকি। শুনলাম মিরপুর ১২ তে নাকি এক মেয়ের সাথে টাংকি মারতে যেয়ে মাইর খাইছে। ডি মাইনর হারিয়ে গেছে।

স্টেনটোরিয়ান একটা এলবাম করেছিল, প্রতি মুহূর্তে। অসাধারন একটা প্রজেক্ট। ঠান্ডা গানের পাশাপাশি লিড গিটারের কাজ আর প্রয়োগটা ছিল দারুণ। হিট হয়নি।

নেমেসিসের মত অসাধারণ লিরিক বাংলাদেশে কয়জন লেখে। আর তাছাড়া, আইকনসের মত গাওয়ার স্টাইল কয়জনের ! আর্বোভাইরাস থেমে গেছে, তবে ওদের ভোকাল শুভ এখনও অনেক জায়গায় গান গায়।
ক্রিপটিক ফেইট, ওয়াটসন ব্রাদার্স কোথায় এখন কে জানে।

ফ্রান্সের প্রতি বছর নাকি অনেক ছেলে মেয়ে ন্যুড ফটোগ্রাফির প্রতিযোগিতায় মডেল হতে আসে। হয়ত, টিভিতে মডেল হতেই। যাই হোক, আমাদের দেশের সুশীলরা সেইটাকে বলেন শিল্প। তারা মেটাল গান বুঝেন না, সেইখানে শিল্প পান না। হায়রে সুশীল সমাজ।
যাদের মেটাল ভাল লাগে না, তাদের বলার কিছু নাই। হাই পিচ অনেকেরই ভাল লাগে না। কিন্তু, যারা ফ্রান্সের পোলাপানের ন্যুডে শিল্প বুঝেন, তারা যখন মেটাল আর হাই পিচে শিল্প পান না, তখন অবাক হই।
কেউ খেয়াল করেছে কী না জানি না, দেশের গান এখন আবারও বাণিজ্যক। দেশে একবারে ২ বছরের মধ্যে কমপক্ষে ভাল ১০ টা জনপ্রিয় ব্যন্ড আসছে। পরবর্তী ১ বছরে একটাও না। নেমেসিস, স্টেইনটোরিয়ান কিন্তু এসেছিল শখে।

আমাদের দেশের সুশীল সমাজ ন্যুড ছাড়া শিল্প খুঁজে পান না। মেটালে , মেটালিক রকে , হাই পিচে নাকি লিরিক জমেনা।

“আবার মুখোমুখি হলে কি হবে,
কী লিখে স্বপ্ন সাজাবে?
এরচেয়ে চল দুজনে চুপচাপ থাকি।
যেন ডানাভাঙ্গা দুটি পাখি।
আমার ভেতরে বৃষ্টির শব্দ শুনি
বৃষ্টির ডাকে পাখিরা কোথায় থাকে
জান নাকি তুমি কোথা লুকায় তারা।
তাহলে উড়ে যাইনা কেন?
এভাবে ডানা ভেঙ্গে বসে থাকা কেন?”

ব্লাকের একটা গান। আমার খুব বেশি প্রিয়।
কিন্তু এখানে শুশীলেরা শিল্প পায় না। লিরিক এখানে বোনাস। সুরের কাজটাই এখানে মুখ্য। যদি এইটাই ফ্রান্সে ছাড়ত, অশ্লীল শব্দ থাকত, এটার বিপক্ষে আমরা কয়জন বলতাম, এত বড় ব্যান্ড এসব না বললে কী হয়? কেন বলে?না বলে কী হয় না? এসব বলতাম। তখন সুশীল সমাজ লাফায়া পড়ত ঘাড়ে।

এইসব গান আমেরিকায় বের হলে সুশীলরা বলত, "আহা! আহা! কী গান! শূকরের মাংস না খেয়ে এই গান গাওয়া যায় না। ফ্রী লাইফ ছাড়া এই গান গাওয়া সম্ভব না।"

বাংলাদেশের গান হওয়ায় এখন এর দাম নাই। ট্রিশা ইয়ারউডের সামনে এলিটা, আনীলারা দাঁড়াতে পারবেনা জানি। তাই বলে, ব্যাকস্ট্রিট বয়েজের চেয়ে অর্থহীন পিছিয়ে থাকবে কেন? একসময় ট্রিসা বা এলিসন ক্রসের সামনে দাঁড়ানোর মত ছেলে মেয়েও আসবে ঠিকই। হয়ত দেশে এমন অনেকই গুণী শিল্পী আছেন। কণকচাঁপা বাংলা ছবির প্লেব্যাক দেন। যেহেতু এরা এই লাইনের না, তাই তুলনা হয় না।

বাংলা ভাষায় গান গাইলেই তা ইংরেজীর পরে যাবে কেন? ডীপ পার্পল শুনেছি সবাই, পডের অলওয়েজ শুনে হেডব্যাং দিতে যেয়ে ঘাড় মচকায়ে ফেলছি। এম এল টি আর শুনে এর কারুকাজে আভিভূত। কিন্তু, ওয়াটসন ব্রাদার্সের রঙ শুনি নাই। স্টেইনটোরিয়ান অসমাপ্ত শুনি নাই। বাংলাদেশের ‘লাইভ নাও’ এর শেষ ট্র্যাকের র্যানপ থেকে যে আমির খানের ‘তারে জামিন পার’ এর কাহিনী কপি করা কয়জন জানে?

ব্ল্যাক এখন অনেক হিট। আসল ভক্ত সামান্যই। বাকি সব হুজুগে মাতাল। ভাইব হালকা একটা নাড়া দিয়ে গেছে। আগুন্তক ১ এই প্রথম এদের পাই। মানুষের মুখে শুনি এরা নাকি নতুন। বললে আবার বিশ্বাস করেনা।
আন্ডারগ্রাউন্ড যার ভাল লাগেনা, তার লাগেনা। তার উপর জোর নাই। কিন্তু, সুশীলরা এখানে শিল্প পায় না কেন? এভাবে অসাধারণ ব্যান্ডগুলো হারিয়ে যাচ্ছে কেন? মেটাল মেইজের গীটারে এখন পেন্টাগনের গান বাযে। সম্ভবত, আলিফের সাথে বিয়েই হয়ে গেছে ওদের গীটারিস্টের। আগেই হয়েছে। আমি বোধহয় পরে শুনেছি। সেই গীটারে এখন ক্লাবসং বাজে।

রাগা’র মতন সুর কয়টা ব্যান্ডের আছে ? এটা ত লো পীচ। তাও তেমন মানুষ শুনে নাই। আমার অনেক বন্ধু শুনছে। দোকানেও বাজছে সে সময়। রাস্তায় বের হন, দেখেন কতজন শোনে নাই। আসিফের গান যারা শোনে তারা নাহয় না শুনল,যেসব ভদ্রলোক সারাদিন ইংরেজি গান শুনে তারা বাংলা গান এড়িয়ে যায় কেন?বাংলাদেশী গান না? সুশীলেরা এখানে শিল্প পাবে কীভাবে ?

গুণীর গুণের সম্মান দিতে না পারায়, এসব এখন হারিয়ে গেছে। এখন সব বাণিজ্য। বালাম , মিলা, তিশমা, তাওসীফ, হাবীব। এদের সব গান খারাপ না। কিন্তু, সবই বাণিজ্যিক। ক্রিয়েটিভিটি এখন নেই। যেটা চলে শুধু সেটাই বানায়। নতুন বাজার হবে কি হব না, সেই রিস্ক দেয়ার মত মন মানসিকতা নাই।

হার্ডডিস্কে আন্ডারগ্রাউন্ড খুঁজলাম অনেক। হাবিবের আর বালামের ভীড়ে কিছু পাওয়া যাচ্ছে না।

যে কয়টা মনে নাম মনে আছে দিয়ে দিলাম। অপরিচিত গুলাই দিলাম। যেগুলার গান শুনি না বহুদিন।
ডি-মাইনর, ইন্টার ফেইজ, শাসক, ক্রিমসন, বৃত, এলাক্সায়ার , পয়জন গ্রীন, ত্রিকাল, ফেইক প্লাস্টিক সুপার হিরো’স, ডিউ ড্রপ্স, ক্রণিক, ডেথ রো, ব্রীচ, করপোফিলা, ফ্যাক্টরস, ডি এন এ, কল্পলোক, বিরোধ, ‘৭১। আরো অনেক। RAP ব্যান্ড পুরা বাদই দিছি।

আর মোটামুটি পরিচিত, অন্তত এলবাম বের করেছে এমন কিছু বলি।
নেমেসিস, আইকনস, রাগা, দূরবীন, ওয়াটসন ব্রাদার্স আরও কিছু।
আন্ডারগ্রাউন্ড হিট বলতে, আঁধারে অপ্সরী, ভাইব, ক্রিপটিক ফেইট আর নাম মনে আসতেছে না। আসলে এডিট করে দিব।
আর, আর্টসেল, ব্ল্যাক, মেটাল মেইজ, যাত্রী এদের কথা বাদই দিলাম।

আচ্ছা, রক স্টার্টার কথা কারও মনে পড়ে ??

পুরোনো কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড গানের লিংক দিলাম। স্টেন্টোরিয়ানের দুটা আর ওয়াটসন ব্রাদার্সের একটা। লিংক গুলা হল ---

রঙ

অসমাপ্ত

মনে পড়ে না
ভেরিয়াস আর্টিস্টস

আন্ডারগ্রাউন্ড কোন গানের ধারা না। ব্যান্ডের ধারা। আন্ডারগ্রাউন্ড বলতে বোঝায় অল্টারনেটিভ মেটাল।আর অল্টারনেটিভ রক। মেটালের বিকল্প। এখানে উল্লেখ করা কিছু ব্যান্ড হয়ত এই ফরম্যাটে গায় না। কিন্তু, এদের প্লাটফর্মটা একই বলে নামগুলো উল্লেখ করছি।

অনেক দিন পরে আবার এই সিরিজটা লিখলাম। কেন যেন চিন্তাভাবনা এলোমেলো হয়ে আছে। কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

পরের পর্বের জন্য Click This Link

©আকাশ_পাগলা
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১১
৩৩টি মন্তব্য ২৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×