আমার প্রিয় পোস্ট
- ভালো লাগা কিছু WordPress Plugin ( জানলে ভালো, না জানলে আরো ভালো মার্কা পোস্ট ) - উণ্মাদ তন্ময়
- কিভাবে একা থাকা অবস্থায় হার্ট এ্যাটাক হলে নিজেকে রক্ষা করবেন? - ওসমাণ
- দেখুন ৮০র দশকের ভয়াবহ রকম অশ্লীল বাংলা ছায়াছবির কিছু চরম অশ্লীল গান (১৮++ দের জন্য) - কবি ও কাব্য
- ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, সংসদে বক্তব্য এবং আমাদের রাজনীতি...... - অবলা পুরুষ
- Undergraduate এ CGPA যদি খুব কম থাকে, আপনি কি সত্যি-ই USA-Canada তে MS- PhD করার জন্যে ফান্ডিং পাবেন - ফার্মাসিস্ট
- যে সকল উদ্ভাবকদের আবিস্কারের স্বীকৃতি দেয়া নিয়ে বিতর্কের জন্ম নিয়েছিল - রামন
- Filmmaking - আসুন শিখে ফেলি কিভাবে আস্ত একটা সিনেমা বানিয়ে ফেলা যায় - সবগুলো অধ্যায়ের লিঙ্ক - মাস্টার
- এন্ড্রয়েড সমগ্র (আপডেটেড ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১২ পর্যন্ত) - রায়হান কবীর
- জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা। - হাসান41554
- দ্বাদশ পর্ব - ফটুক তোলা শিখতে চাইলে আমার শিষ্যত্ব গ্রহন করো.... - পাঙ্খাবাবা
- খুব কাজের কিছু ওয়েবসাইট যা আমরা ব্যবহার করি কম...
- মামুন হতভাগা
- এন্ড্রয়েডে বাংলা লিখার সহজ তরিকা - ভবঘুরে যোম্বি
- প্রয়োজনীয় কিছু Android Applications . - ই মানব

হাবিজাবি---
মজা পাবি
১৮পিলাচ মাইনাস
- স্বর্পরাজ
- ২০ টি কাজের এবং মজার ছবি এডিটিং ওয়েবসাইট অবশ্যই দেখুন - অণুজীব
- কার গাইড (Car guide) -০৭ - রাজীব
- গল্প: তাহলে কে এসেছিল - ইমন জুবায়ের
- নিজে নিজেই এ্যানিমেশন কার্টুন বানিয়ে নিন মাত্র ৫ মিনিটে। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে, তাই না। বাট ইট্স ট্রু - কক

বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর এলাকার সবচেয়ে সুন্দর জায়াগাগুলিতে ঘোরার জন্য আপনার জন্যই প্যাকেজ পোস্ট!!!এক পোস্টে সব পাবেন।:D
- ঢাকারআশিক
- আবারও মিছা ইব্রাহিমের ২ নাম্বারী - আন্ডা মিয়া
- আমরা শিশুদের কি শিখাচ্ছি বা অন্যভাবে বললে শিশুরা আমাদের থেকে কি শিখছে? - বেঙ্গল মাসুদ
- অনুবীক্ষন যন্ত্রের মাধ্যমে তোলা আমাদের দেহের ভিতরের কলকব্জার অসাধারন সব ছবি - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- টেক্সটাইল ইঞ্জিঃ এর কিছু ব্লগ এর লিঙ্ক - প্রামানিক
- ক্যামেরা বিষয়ক পোস্টের ডিকশনারী (আপডেট) - রাজসোহান
- ছবি এডিট করা এত সহজ! এখন থেকে এক তুড়িতেই নিজের ছবি প্রফেশনালদের মতো এডিট করুন!!

- হাসান জোবায়ের
- একদিন, শাহ আবদুল করিম - ইমন জুবায়ের
- বুফে : ঢাকায় বুফের হালচাল এবং আমার অভিজ্ঞতা থেকে ঢাকার বিখ্যাত বুফে রেস্টুরেন্ট(বিস্তারিত) - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- বিনোদন জগতের কয়েকটি পরিচিত মুখ সমাচার - আদিত্য আরাফাত
- মাত্র দুটি প্রশ্নই আপনাকে বুঝিয়ে দেবে কোন কোন এমএলএম/ডিরেক্ট সেলিং কোম্পানি অবৈধ!!! - ডি-টু-কে
- এই লজ্জা রাখি কোথায়? (প্রসংঙ্গঃ ইন্টার্নী ডাক্তারদের গ্রামে এক বছর ইন্টার্নী করতে হবে) - ডাঃ নিয়াজ
- ইন্ডিয়ান মিউজিশিয়ানদের জোচ্চুরি
(আসুন কিছু হিন্দি গানের অর্জিনাল ভার্সন শুনি) - আলআমিন মিরাজ
- ইচ্ছা মতো আপনার ছবির বেকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করুন আর দেখুন কত মজা! - হাসান জোবায়ের
- আপনার ইচ্ছা মতো ছবিতে হাসি,দুঃখ এবং ফানি এক্সপ্রেশন ফুটিয়ে তুলুন! (ছবিতো মনের কথাই বলে)
- হাসান জোবায়ের
- কিছু জোক্স !!! হাসাতে পারলাম না তাই দুঃখিত! - আভাস রশিদ
- মধ্যরাতের হাসাহাসি -- এটি একটি তেব্র ১৮+ প্লাস পোষ্ট - কুঁড়ের বাদশা
- বলিউডি সিনেমা- হলিউডি কাহিনী - ইহতিশাম আহমদ
- মুজিব বাহিনী: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে রহস্যময় অধ্যায় - গিনিপিগ
- কয়েকটি লিংক ; আপনার কাজে লাগতে পারে। - আজাদ আল্-আমীন
- ডেটাবেজ থেকে পরিবর্তন করবেন ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের ইউজার পাসওয়ার্ড - রানা পাটোয়ারী
- ~::~ শ্যাডো আর্ট ~::~ [ না দেখলে মিসাইবেন
] - আসিফ আহমেদ মামুন
- নকল!নকল!!নকল!!!নকল হইতে সাবধান - পাগলমন২০১১
- ট্রাভেল গাইড::বান্দরবান:: কি ভাবে যাবেন,কি দেখবেন? কত খরচ? - মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী
- আসেন দেখি আমাদের প্রিয় পৃথিবী আমরা কোথায় কিভাবে রয়েছি - ফাহিম আহমদ
- আমার ব্যাখ্যাতীত দুঃস্বপ্নগুলোঃ কেউ কি যৌক্তিক কোন ব্যাখ্য দিতে এগিয়ে আসবেন? - মাহমুদহাসান
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- বিদেশে উচ্চশিক্ষা: অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কথা (পর্ব-১)
- মেঘলা মানুষ
- একটি নিঃস্বার্থ বিজ্ঞাপন(ব্লগার রিভিউ)। আপডেট সহ। - অ্যামাটার
- ওয়েবসাইটচন্দ্র লিংকসাগর : কিছু অতি জরুরী ওয়েবসাইট , না জানলে পস্তাবেন - জাফর সািদক রুমী
- যা কিছু পছন্দের........ মিউজিক! - স্বাধীনতার বার্তা
- কিছু কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের ফ্রি আল্টারনেটিভ - অজানা এক পথিক
- শিক্ষার ক্ষেত্রে অন্তত যৌক্তিক হউন, প্লিজ প্লিজ প্লিজ - দুরের পাখি
- হলিউড থেকে কপি করা হিন্দি মুভি - দিপ
- ঈদের ছুটিতে সিলেট ঘুরে আসুন (সিলেটের পর্যটন স্পটগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা) ১ম পর্ব - আমরা সোচ্চার
- বাংলা সাহিত্যের কিছু আলোচিত উদ্ধৃতি ও রচয়িতা - কাউসার আলম
- ব্লগ লিখে আয় করুন। - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- আমার প্রিয় কিছু মোবাইল সফটওয়্যার - মাহমুদ সিএসই
- কিছু interview questions.. প্রস্তুতি শুরু হোক এখনি।।

- ওমর হািবব
- সাবধান, ভুলেও যাবেন না, গেলে ক্ষতি না লাভ পরে বুঝবেন (৪র্থ ও শেষ পর্ব)। - মাহফুজ৩১৮
- ইমোটিক গপ্প - ঠাট্টা
- ১০০ রসিকতা । হাসতে হবেনা ঠোট বাঁকালেই চলবে !!.....চামে একটা চরম ১৮+ ফাউ - ছোট মামা
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ের আমার অদ্ভুত কিছু স্মৃতি- copy - রণতরী বাংলাদেশ
- কী চমৎকার দেখা গেল-১!!!!!নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হইতেছে.... - অসামাজিক ০০৭০০৭
- ফটোশপে পাসপোর্ট এবং স্ট্যাম্প সাইজের ছবি (পাসপোর্ট প্রতি ছবি প্রিন্টের খরচ ১ টাকা ১৬পয়সা এবং স্ট্যাম্প ২৯ পয়সা !!) - রিডার ওয়ান
- শেয়ার ব্যবসা-৬: যে ভাবে ঘোষিত হতে যাওয়া ডিভিডেন্ট হিসাব করবেন - ওরাকল
- ইংরেজীর মজা - িক
- গিগা পিক্সেল ছবির জগতে আসুন - সালাহউদ্দীন আহমদ
- পদ্মা রিসোর্ট, লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ - আনিসুজ্জামান রাসেল
- DOI : ২ টি মেসেজ , নাম মুজিবের , ব্যক্তিটি কে ? - দাসত্ব
- বাংলার ভাবান্দোলনঃ জালালগীতিকা পাঠ - সেলিম তাহের
- অসাধারন কিছু ওয়েব-পেজ এর [সংক্ষিপ্ত]বর্ননাসহ লিংক (প্রতিটি পেজের গ্যারান্টি আছে [ওয়ারেন্টি না], ভাল না লাগলে বদলায়া দেব) - নাজমুস
- ওরে বাপস এইডা মিলা নি - আমি কুমিল্লার পোলা
- বিনামূল্যে পড়ুন MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে - আলামিনস্টাইন
- আমার যত প্রিয় বল্গারস পর্ব ৪ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- সঠিক পথে গাড়ী চালানোর লাইসেন্স পেতে যা করতে হবে... - মেসবাহ য়াযাদ
- আজকের আকাশে অনেক তারা... - দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- মাঝরাতের বাড্ডেপোস্ট: শুভজন্মদিন পাগলা! - আমড়া কাঠের ঢেকি
- ফটুক ব্লগ ...মেরিল প্রথম আলো এওয়ার্ড ) (১৮ + হৈতেও পারে -পর্ব ২) - দূর্যোধনের হাত
- আইপিএল নাইট, আইপিএল ফ্যাশন সো, আইপিএল গ্যালারি, বলিউড + আইপিএল। (১৮+) - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শুরু করবেন যেভাবে : সংকলিত - হাসমত০০৯
- অনলাইনে জিডি করতে পারবেন রাজধানীবাসী - াহো
- দেহ ঘড়ির কিছু মাইক্রস্কোপিক ছবি - আমার জন্য লেখা
- জুমলা টিউটোরিয়াল: সম্পূর্ণ - গৌতম রায়
- ফুওয়াং ক্লাবের ডিসকোতে অশ্লীল নৃত্য : অবৈধ মদের রমরমা ব্যবসা {১৮++} - স্পাইডার
- হাৱলঃ মহাবিশ্বের ১০টি বিষ্ময়কর ছবি - ক্লান্ত দুচোখ
- গল্প: শেষবেলার নানারকম আলো - ইমন জুবায়ের
- লোল সন্তানরা দেখুন ও কিছু শিখুন অমিতাভ রেজার কাছ থেকে
- নাফিস ইফতেখার
- ইন্টারনেটের বিশাল তথ্যভান্ডার থেকে আপনার কাঙ্খিত তথ্যটি খুঁজে পাওয়ার কয়েকটি সহজ এবং ইউসফুল ট্রিক্স। - হোরাস্
- তারা আসলে লুল !! (ট্রাকভর্তি নারীবাদী ডায়লগে ভর্তি)


- আকাশ_পাগলা
- ছবি ব্লগ : যে যুদ্ধটা একাত্তরে শেষ হয়নি - অমি রহমান পিয়াল
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- যেকোন মুভির জন্য 字幕 --> Subtitle কিভাবে ব্যবহার করবেন? - বিডি আইডল
- বারকোড তৈরি করুন আপনার নিজের নামে !!!
- তারেকবিডি
- ক্রিয়েটিভ কমনস্ বিষয়ে কিছু তথ্য.. - আশাবাদী!!
- গুগলের কাছ থেকে ফ্রি হোস্টিং নিয়ে চলুন এবার একটি ফ্রি ওয়েবসাইট বানাই নিজের জন্য... - পান্থ বিহোস
- আমাদের লুঙ্গীহীন ফরহাদ্দা (দাদা অর্থে) - রাজীব আহমেদ
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- ব্লগের ভাইয়া আর দুলাভাইয়াদের জন্য ঈদ স্পেশাল
- অসূর্য স্পর্শী
- ঈদের ব্লগীয় যাত্রপালা - বিবাহিত পাগ্লা

- শ্রাবনের ফুল
- জন্মযুদ্ধ '৭১ : আমাদের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছিলো তিব্বতীরাও! - অমি রহমান পিয়াল
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- ওরেএএ!!! কত অজানারে!!!!
- কাঙাল মামা
- প্রকৌশল শিক্ষা গ্রহণ এবং তার পরবর্তী চাকরী বাজারে যেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন... - ড়ৎশড়
- রাগের নাম: ভৈরবী - ইমন জুবায়ের
- শাকিরার গান ... গোয়া আমার সত্যবাদী - ঠুকেমারি
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- বিয়ে ভালবাসার দ্বিতীয় অধ্যায়................!!! (অবিবাহিতদের জন্য) - সিটিজি৪বিডি
- ছফা'র বর্ণনায় হুমায়ূন আজাদ-১: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - সাদাত হাসান
- বিজ্ঞানের থিওরী এবং টাইম মেশিনের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য (নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর) - আকাশ_পাগলা
- মানুষ-পাখির গান (উৎসর্গ: আকাশ-পাগলা) - ইমন জুবায়ের
- একের অধিক Yahoo Messenger এক সংগে ব্যবহার করা! - ম রহমান
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ভড়কে যান ভড়কে দিন(নোটপ্যাড এর কারিশমা) - আলামিনস্টাইন
- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাঃএর কিছু দালিলিক প্রমাণ,আশা করি বিভ্রান্তি এবার দূর হবে - যাযাবর রাজিব
- যারা ইয়ে করে বিয়ে করতে যাচ্ছেন, পালিয়ে (আইনী পরামর্শমূলক) - প্রজন্ম একুশ
- গো. আ সাহেবের একাত্তর নামা (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) - লাল দরজা
- Hack-Cracks Computers, Messenger Passwords, saved Passwords, With 96 Hacking Tools - বিপ্লব কান্তি
- ৬৭৬টা ই-বুকের ডাউনলোড লিংক.... (ফর ডামিস সিরিজের) - মারুফ হায়দার নিপু
- অন্যের কম্পিউটারের তথ্য জেনে নিতে ইউজ করুন LANguard Network Scanner v.2.0 - বিপ্লব কান্তি
- বিজয় কী বোর্ডের রহস্য!?!! নিজেই দেখুন - আর আপনার মতামত দিন - বজ্রাহত
- ৭১ এর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রকাশিত দৈনিক আজাদী এর সেই কপি.. - অনির্বান
- সুফিয়ার কবর চাঁদার টাকায়ঃ ইউনূসের হাতে নোবেল - বিডি আইডল
- আইপি বের করুন ই-মেইল সেন্ডারের....! - তাজুল ইসলাম মুন্না
- পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তথাকথিত শিক্ষকদের নোংরামি কোথায় এবং কিভাবে - রিয়াজুল ইসলাম
- প্রকৃতির খেলা ১ - অপরিচিত_আবির
- কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ওয়েবসার্ভারে ইনস্টল করবেন? - হাসান
- SOME EXCLUSSIVE PHOTO- ইতিহাস - হিটলারের সাগরেদ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গনহত্যার ভিডিও দেখুন - অমি রহমান পিয়াল
- ফ্রীতে নিজের একটা ওয়েবসাইট তৈরি করুন !!

- ইসানুর
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- ১৮+ পোস্টঃ চড়ক! - সৌম্য
- সহজে Favicon তৈরী করুন - প্যান্ট ঢিলা মাস্তান
ন্যাশনাল আইডি কার্ডের চিট-শিট - নারিকেল-জিন্জিরা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল - মাহবুব আলম পলাশ
- ফেসবুকে gift অথবা quiz এপলিকেশন তৈরি করুন এক্কারে সহজে......
- গিফার
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ৭১ এর গোপন দলিল: মন্ত্রী নিজামী, মুজাহিদ মুক্তিযুদ্ধ প্রতিহত করতে ততপর ছিলেন - লায়ওনো
- রাজাকারদের পুত্র কন্যারা কোথায় লেখাপড়া করেছে? - রুহুল্লাহ
- গণহত্যার ছবি : নূরুল উলা - হাসিব
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- আমার ও বউয়ের বিয়া হইছিলো একই দিনে, আইজ সেই দিন
- শওকত হোসেন মাসুম
- প্রিয় রুদ্র - তসলিমা নাসরিন - বইপাগল
- আইপি ট্রেস , হু ইজ অনলাইন নাও, কেম ফ্রম, ইত্যাদি , ইত্যাদি জানিবার চাইলে, ঢুইকা পড়েন - ভেংচুক
- মোবাইল নিয়ে কিছু জানা ও অজানা - দুঃখবিলাস
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (৪) - ত্রিভুজ
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
গল্পঃ সাধাসিধে অলৌকিকতা
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

আকমল সাহেবের দিকে সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। উনি কাউকেই কিছু বললেন না। পরিচিত একজন মাথা ঘুরিয়ে তাকিয়ে আছে। উনাকে একেবারে কিছু না বলে গেলে ব্যাপারটা হয়ত খারাপ দেখায়। তাই আস্তে করে উনাকে বললেন, “ ভাই হঠাৎ মনে হল প্রেশারটা বেড়ে গেছে। যে কোন সময় পড়ে যাবো হয়ত। তাই চলে যাই বরং। ”
ইয়া বড় মাঠ। মাঠটা স্কুলের। মাঠার চারপাশ ঘিরে বড় বড় সাইকাস গাছ। মাঠটা পুরোটাই সিমেন্টে বাঁধানো। ঢাকা শহরের বড় বড় স্কুলগুলোর মধ্যে গণনা করা হলে এর অবস্থান সামনের দিকেই হয়ত থাকবে। প্রতিবছর এখানেই ঈদের নামায পড়ানো হয়। পাশের মসজিদেও ঈদের নামায পড়ায়, তবে এখানেই বেশি লোকেয় জমায়েত। কারণ জায়গাটাও বেশি আর ঈদগাহ হিসেবে জাকজমকটাও এখানে ভালই হয়। এবারের ঈদের জৌলুসটা যেন আরও একটু বেশি। সিটি কর্পোরেশন থেকে কিছু বরাদ্দ পেয়েছে ব্যবস্থাপনা কমিটি।
ঈমাম সাহেব বয়ান করছিলেন, “ আল্লাহর নবী ইব্রাহীম (আ) তখন তার সবচেয়ে প্রিয় বস্তু, তার ছেলে , নূরানী চেহারার ছেলেকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরবানী দেয়ার নিয়্যাত করলেন। বলেন সুবহানাল্লাহ। ” সামনের মুসল্লীরা সমস্বরে বলে উঠলেন, “ সুবহানাল্লাহ। ” আকমল সাহেব তখন থেকেই কেমন যেন উসখুশ করছিলেন। ইমাম সাহেব দাড়িতে হাত বুলিয়ে সবাইকে দেখে আবার শুরু করলেন, “ আল্লাহপাক বলেছেন উনাকে, উনার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস কুরবানী দিতে। আল্লাহর আদেশ উনি পালন করতে গেছেন। আর উনার ছেলেও রাজী। ভেবে দেখেন একবার, কেমন আল্লাহভক্ত ছেলে ! ছেলেকে উলটা করে শোয়ালেন তিনি। আর গলায় ছুড়ি চালালেন। ” ইমাম সাহেব আরেকটু থেকে আবার বলতে লাগলেন, “ আকাশ বাতাস সমস্ত সৃষ্টি হায় হায় করতে লাগল। ছুরি আর চলে না। কোন কিছু কাটে না। ছেলে ইসমাইল(আ) বললেন উনাকে যেন ছুরি আরও ধার করে। দেখেন কেমন আল্লাহভক্ত ছেলে ! এই ছেলে ইব্রাহীম(আ) জন্ম দিয়েছেন সেই বুড়ো বয়সে। একটা শিশুর জন্য অনেক দুয়ার পরে উনাকে পেয়েছিলেন। আজ আকাশ বাতাস মাটি আর আল্লাহপাকের সমস্ত সৃষ্টি এই শিশুর দুঃখে কেঁদে উঠতে লাগল। আল্লাহর কাছে এই শিশুর জন্য দুয়া করতে লাগল। বলেন সুবহানাল্লাহ। ”
সমস্যাটা হল এখানেই। হঠাৎ করে আকমল সাহেব উঠে দাঁড়ালেন। আসলে এসবের কোন মানে হয় না, আর এসব কথার মাঝে বসে থাকাও সম্ভব না। এখন ঈদের নামায পড়তে এসে নামায না পড়ে সবার মাঝে থেকে উঠে চলে যেতে কেমন যেন লাগে। তাছাড়া ইমাম সাহেবও উনাকে কী মনে করবে ! তাও আকমল সাহেব উঠ চলে এলেন। ভাবছিলেন বড়ো ভাইয়ের বাসায় একবার যাবেন নাকি ! তিনি আর তার বড় ভাই মিলে একটা গরু দিচ্ছেন এবার। ঘরে যপতদিন খান, বড় ভাইয়ের ঘরেই খাওয়া হয়। নিজের ফ্লাটটাও খুব দূরে না। এখন সেদিকেই আগাচ্ছেন।
উনার ফ্লাটটা এখন অবশ্য খালিই পড়ে থাকে। মানে উনি শুধু রাতের বেলা যেয়ে ঘুমান। আর সারাদিন অফিস আর অফিস শেষে অফিসার্স ক্লাবে একটু বসেন। মাঝে মাঝে পাগলা পানিও চলে কয়েক গ্লাস। আসলে আকমল সাহেবের মত ছাপোষা মানুষকে কিন্তু এসবে মানায় না। উনি খুব যে আহামরী ধনী তাও না। কিন্তু টাকা খরচ করতে উনার টান লাগে না কোন। ছাপোষা ভদ্রলোক বলেই হয়ত অল্পতেই টাল হয়ে যান। তখন নাকি কান্নাকাটি করেন। মাঝে মাঝে চুপি চুপি কখনও বা হাউমাউ করে।কিন্তু টাল মাটাল হয়ে কেউ কখনও তাকে হাসতে দেখেনি। মানুষ এসময় কাছাকাছি খুব একটা আসে না। কেউ কাছে আসলে তার হাত ধরে বলতে থাকেন, “ ছেলেটার হার্টের অসুখ ছিল। না জানি তখন কত ভয় পাইছে। ”
ভদ্রলোককে আসলে এসবের পর আর কেউ ঘাটায় না। উনার স্ত্রী আর একটা মাত্র ছেলে বাস এক্সিডেন্টে মারা যায়। বছর দুয়েক আগে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন সপরিবারে। অফিসের কাজে উনি দুইদিন আগেই ঢাকায় এসে পড়েন। ছেলে আর স্ত্রী রওনা দেন পরে। নরসিংদি থেকে আসার সময় একটা খাদে উলটে পড়ে যায় বাস। খাদের নিচে খালের পাড়ে প্রচুর কাঁদা থাকায় বাসটা ভেঙ্গে যেয়ে ব্লাস্ট হয় নি। একেবারে অক্ষতই ছিল। কিন্তু অর্ধেক পানিতে আর অর্ধেক কাঁদার নিচে একেবারে ডেবে যায়। নয়ঘণ্টা পড়ে সেই বাস উদ্ধার করার চেষ্টা করে উদ্ধারকারী দল। আকমল সাহেব এসে পৌঁছান এক্সিডেন্টের তের ঘণ্টা পর। ৩০ জনের মাঝে ২ জন শুধু বেঁচে গিয়েছিল। কাঁদার দিকে যারা ছিল তারা বড় কষ্টে মারা গেছে। এই মৃত্যু বড় কষ্ট। আসলে মৃত্যুরও সময়ে কত শত রকমফের দেখা দেয়। আকমল সাহেবের স্ত্রী আর ছেলে ছিল বাসের যেটুকু কাঁদায় পড়েছিল তার শেষ অংশে। ছেলেটা ছিল বাসের শেষ সিটে। এই সন্তান আলমল সাহেবের অনেক বেশি বয়সের সন্তান। অনেক সাধ্য সাধনার পরে সাত বছর আগে উনার বাচ্চা হয়। সৌম্য। সৌম্য আর তার মা মারা যায় এই এক্সিডেন্টে। আকমল দম্পতির বেশি বয়সের সন্তান বলেই হয়ত সন্তানের কিছুটা দৈহিক অপূর্ণতা রয়ে গিয়েছিল। সৌম্যের ছোট বেলা থেকেই হার্টের সমস্যা। আর, বেশ ভাল সমস্যা, খুব ভোগাত ছোট বেলায়। যদিও পাঁচ বছর বয়সের পরে ভোগানোর মাত্রা একটু কমেছিল কিন্তু ছেলেটা মাঝে মাঝে বেশ কষ্টে পড়ে যেত।
সেই বাসের হেল্পার বেঁচে গিয়েছিল। একমাস নাকি কোমায় ছিল। এরপর একদিন হঠাৎ হাসপাতাল থেকে হারিয়ে যায়, ডাক্তারদের ভাষায় পালিয়ে যায়। আকমল সাহেবের খুব ইচ্ছা উনি সেই হেল্পারকে একটা ব্লাঙ্ক চেক দেবেন আর বলবেন, “তোর গালটা এগিয়ে দে। মনে সুখে শুধু একটা থাপ্পড় মারি।“ চিন্তাটা এত সুশীল পর্যায়ে থেমে থাকে না নিশ্চয়ই। প্রায়ই এটা গড়ায় মনে মনে সেই হেল্পারকে খুন করে ফেলার প্ল্যান পর্যন্ত।
উনার কল্পনায় শুধু ভাসে উনার ছেলের চোখ ভরা আকুতি। ছেলেটার হার্টের অসুখ ছিল। ছেলেটা হয়ত মার হাত ধরে বাবাকে ডেকেছে অনেক্ষণ। সেসময় তার মা কী বেঁচেছিল? তার জীবিত মায়ের হাত ধরে বাবাকে ডেকেছে নাকি মৃত মায়ের হাত ধরে? ছেলেটা কী বাবার উপর রাগ করেনি তখন? কতটুকু অসহায় ছিল সে?
আকমল সাহেব আর ভাবতে পারেন না। কূল কিনারা নেই এসব ভাবনার। শুধু শুধু ভেবে ভেবে কষ্ট পাওয়া । কিছু বলার নেই। টাকা জমিয়ে উনার কোন লাভ নেই। যা হাতে আসে, উড়িয়ে দেন। এলকোহল ধরেছেন। রাত পর্যন্ত যাদের সাথে থাকেন তারা ক্লাব থেকে বের হয়ে প্রমোদবালার দিকে আগায় আর উনি ঘরে ফেরেন। শূণ্য ঘর। হঠাৎ রাগে টেলিভিশনটা ভেঙে ফেলেছেন কয়েকদিন আগে। এখন ভাঙা অবস্থাতেই ওটা পড়ে আছে। কিছু কাঁচ হয়ত এখনও কার্পেটের ওদিকে পড়ে আছে। আকমল সাহেব দেখেন আর ভাবেন, “ হু কেয়ারস! ” খাওয়া দাওয়া বাইরেই করেন। কখনও আগে এসে পড়লে বড় ভাইয়ের বাসায় খেতে যান। এই ত, পাশেই উনার বাসা।
আকমল সাহেবের আরও একটা হালকা পরিবর্তন এসেছে। উনি এখন আর কিছুর পরোয়া করেন না। আগেও তেমন ধার্মিক ছিলেন না। এটা এখন আরও প্রকট। উনার স্ত্রী একটা সন্তানের আশায় এই পীর সেই পীরের কাছে গেলেও উনি এসবকে পাত্তা দিতেন না সেসময়তেও। তখনও বলতেন, “ এই যুগে অলৌকিক কিছু হয় না। যখন টেলিফোন ছিল না শুধু তখনই সব অলৌকিক জিনিস ঘটে শেষ হয়ে গেছে। হা হা হা ।” এখন উনি এই ব্যাপারটা বেশ শক্তভাবে বিশ্বাস করেন।
সিরাজ সাহেবের সাথে এসব নিয়ে উনার একটু ঝগড়ামত হল সেদিন। সিরাজ সাহেব বেশ ধার্মিক লোক। আদিবাস নোয়াখালী আর লক্ষিপুরের মাঝামাঝি। পাঞ্জাবী আর গোড়ালীর উপর প্যান্ট পড়ে অফিসে আসেন। মাঝে মাঝে অবশ্য তাকে ক্লাবেও দেখা যায়। সে যাই হোক, সিরাজ সাহেব যুক্তি দেখাচ্ছিলেন, “ জানেন মিয়া সেদিন আমি একটা ট্রাকের থেকে অল্পের জন্য বেঁচে গেছিলাম। আল্লাহ খোদা না থাকলে আমারে বাঁচাইলো ক্যাডা? আমার ফুপাত ভাইয়ের গাড়ি এক্সিডেন্ট হইছিল মিয়া সে সহ আর মাত্র ৩ জন বাঁচছে। বুঝেন? খোদা যদি কিছু নাই করত, তাইলে হেদের বাঁচাইছে ক্যাডা? আমার এক আত্মীয় দুইবার লটারী পাইছে, বুঝলেন মিয়া? ”
এসব উলটাপালটা কথায় আজমল সাহেব বড়ই বিরক্ত হন। এমন এক মূর্খ আর উনি একই পোস্টে চাকরী করেন ভেবে হীনমন্যতায় ভুগতে থাকেন তখন। আকমল সাহেব আর কথা বাড়ান না, সিরাজ সাহেবকে টানতে থাকেন, “ খোঁচাখোঁচি করে লাভ নাই ভাই। চলেন ক্লাবে যাই, কিছু গলায় ঢালি। আজকে খরচ আমার। ” সবসময় যে চুপ করে থাকেন তা না, মাঝে মাঝে উত্তরও দেন। “ এমন মাথা গরম যেই ট্রাক ড্রাইভার সেই ট্রাকের হাত থেকে সেদিন আরও ১০ জন বাঁচছে। এত অলৌকিক রাস্তায় রাস্তায় হয়? একজন হয়ত মারা গেছে, সেই বেচারার কী দোষ ছিল?অলৌকিক ভাবে ট্রাকের থেকে ১০ জন না বেঁচে ১১ জন বাঁচলে কী হত? আর, যে কোন এক্সিডেন্টে যেকোন দুই তিনজন বাঁচতেই পারে। যারা বাঁচছে তাদের কাছে অলৌকিক লাগবেই। এসব র্যান্ডম চয়েস ছাড়া কিছু না। ” সিরাজ সাহেব তাও অনেক কথা বলতে থাকেন। আকমল সাহেব উত্তর দেন না। তবে, পাকস্থলীতে কিছু এলকোহল যাবার পর উনি সিরাজ সাহেবের কানে ফিসসিস করে বলতে থাকেন, “ ইব্রাহীম নবীর ছেলের গলায় যখন ছুরি চলছিল স্রষ্টার সমস্ত সৃষ্টি তার জন্য কাঁদছিল। পরে সেই ছেলের যায়গায় একটা দুম্বা কুরবানী হয়ে গেল। আমার এত রিএকটিভ স্রষ্টা কেন আমার ছেলের জায়গায় আমাকে নিল না? কেন আমার ছেলের জন্য সমস্ত সৃষ্টি কাঁদে না, শুধু আমি কাঁদি? পিতার দোষ নাকি পুত্রের কাঁধে আসে না, এটা ত আয়াতেই আছে। তাহলে সৌম্য এখন আমার কোলে নেই কেন? আমি ঈদের নামায পড়তে পারলাম না এবার। উঠে আসছি। আমার আর ভাল লাগে না এসব। অলৌকিক বলে কিছু নেই। কখনও হয় না আর হয়ও নি। কেউ বেঁচে গেলে বাই চান্স র্যান্ডমলি বাঁচে আর মরে গেলে সেটাই ত স্বাভাবিক। আমার ছেলেটার হার্টের অসুখ ছিল, বাসায় আসছিলেন না? দেখছিলেন? ছেলেটা কত ভয় পাইছিল বোঝেন? ”
উনার কল্পনায় আবারও ভাসে উনার ছেলের চোখ ভরা আকুতি। ছেলেটার হার্টের অসুখ ছিল। ছেলেটা হয়ত মার হাত ধরে বাবাকে ডেকেছে অনেক্ষণ। সেসময় তার মা কী বেঁচেছিল? তার জীবিত মায়ের হাত ধরে বাবাকে ডেকেছে নাকি মৃত মায়ের হাত ধরে? ছেলেটা কী বাবার উপর রাগ করেনি তখন? কতটুকু অসহায় ছিল সে?
আকমল সাহেব ভাবেন আর মনে মনে জানতে চান মাটি কাঁপেনি তখন? ছেলেটার জন্য তখন আর কেউ কাঁদে নি? আকমল সাহেব বসে থাকেন। অনেক্ষণ যেন অনন্তকাল।
আকমল সাহেব আর সিরাজ সাহেব মাতাল অবস্থায় দুজনেই কাঁদেন। সিরাজ সাহেবও আকমল সাহেবের মতন করে কাঁদেন। কেন কাঁদেন মাঝে মাঝে উনি মনে করতে পারেন না। তাও কাঁদেন, পাশে কেউ একজন এমন আকুল হয়ে কাঁদছে, তিনি হাসবেন কেন ! আকমল সাহেবকে খোঁচা দেন উনি। “ আপনার উত্তর আমার কাছে নেই। হয়ত আপনি আপনার উত্তর একদিন পাবেন অথবা হয়ত পাবেন না। এতে স্রষ্টার কী যায় আসে ! ” আকমল সাহেব উত্তর দেন না। আহামরি কোন অলৌকিক কিছু কখনও শোনেন নি বাস্তবে আর বিশ্বাসও করেন না। মাঝে মাঝে এক গরুর দুই মাথা থাকে বা এক ছেলে ছোট থাকতেই অংক পারে এসব ছাড়া আর কোন অলৌকিক শোনা যায় না কখনও। এসবকে গুরুত্ব না দেয়ারও যথেষ্ট কারণ আছে উনার।
গত ঈদ থেকে এই ঈদের এই তিনমাসে উনার আরও একটা পরিবর্তন এসেছে। এখন উনি মাঝে মাঝে নিজে নিজেই হাসেন। এমনি। ভাবেন সৌম্য বড় হয়ে গেছে। তাকে নিয়ে কল্পনা করেন। মধ্যবয়স্কা স্ত্রীকে নিয়ে মাঝে মাঝে খুব কষ্ট লাগে উনার কিন্তু এই ব্যাপারটা কেন যেন চেপে রাখেন। এমনকি এলকোহল গলাতে ঢালার পরেও। যখন স্ত্রী বেঁচে ছিল তখনও কেন যেন স্ত্রীকে সহজে বলতে পারতেন না তার প্রতি কতটা টান উনার আছে। স্ত্রীর মৃত্যুর পর ভদ্রলোক এখনও যেন লজ্জা পান।
ছয় বছর পরের এক সকাল।
উনার অফিসটা মতিঝিল এলাকায়। সোনালী ব্যাংকের চাকরী। সিনিয়ার অফিসার। বিশাল ট্রাফিক জ্যাম পাড়ি দিয়ে এগুতে হয়। একটা গাড়ি কেনার স্বপ্ন ছিল একসময়। এখন আর টাকা জমান না। রিটায়ারের খুব বেশি বাকিও নেই আর। বাসেই যাতায়াত। উনার সাথে এক ভদ্রলোক যান, উনার পাশেই আরেক অফিসে আছেন তিনি। জনতা ব্যাংকে। মেরাত সাহেব নেহায়েত ভদ্রলোক। উনার সাথে গল্প গুজব আর উনার এই আত্মপোলব্ধি বোঝাতে বোঝাতে ট্রাফিক জ্যামের সময়গুলো পার করেন আকমল সাহেব। আর সবকয়টা দিনও তেমনই যাচ্ছিল।
হঠাত করেই জানালার বাইরে তাকিয়ে চোখ আটকে যায় তার। একটা অতি পরিচিত চেহারা। খুব পরিচিত। মনে করার চেষ্টা করতে থাকেন আকমল সাহেব। হাজার পাতার স্মৃতি হাতরাতে হাতরাতে যখন ক্লান্ত ঠিক তখন মনে পড়ে সৌম্যদের বাসের হেল্পার ছিল এক লোক। সেই চেহারা, সেই চোখ। মুখটা কুঁচকে আছে সে রোদ চোখে পড়ার কারণে যেমন তার সামনে স্ট্রেচারে শুয়ে সেদিন ব্যাথায় চোখমুখ কুঁচকে ছিল । পেপারে এর ছবি ছিল। সামনে থেকেও একে হাসপাতালে নিতে দেখেছিলেন উনি।
আর কিছু ভাবার সুযোগ নেই। আর আকমল সাহেব নিজেও জানেন যে কীভাবে কী করেছেন। জ্যামের কারণে সবকিছুই ছিল স্থীর। সবকিছু ছাপিয়ে উঠছিল হেল্পারদের চিৎকার আর আকমল সাহেবের হৃৎপিণ্ডের শব্দ। সেই হেল্পারকে উনি জাপটে ধরেছিলেন। সম্ভবত এরপরেই উনি স্ট্রোক করেন। পাবলিক কিছু না বুঝে সেই হেল্পারকে গণধোলাই দেয়। হয়ত ভেবেছিল এ বেয়াদবী করেছে বা আঘাত করেছে এই ভদ্রলোককে। হাসপাতালের পাশাপাশি রুমে জায়গা হয় দুজনের।আকমল সাহেবের কেবিনে আর হেল্পারের জেনারেল ওয়ার্ডে।
আকমল সাহেব দেয়াল ধরে চলা ফেরা করার মত অবস্থা হবার সাথে সাথেই হেল্পারের রুমে যান আবার। একগাদা অভাবী মানুষ সেখানে শুয়ে আছে। আলাদা করে আসলে কাউকেই বোঝা যায় না। হাসপাতালের বেডে শোয়া ছেলেটাকে দেখে হঠাৎ অবাক হলেন। না খাওয়া গরীব আর দুর্বল একটা মানুষ। আর কিছু না, আসলে তার পরিচয় এটাই। একে হয়ত কিছুর জন্যে দায়ী করা যায় না। হয়ত যে কারও অনিচ্ছাকৃত ভুলেই আকমল সাহেবের জীবনটা আজ এমন।
হেল্পারের বেডের পাশে রাখা চেয়ারটায় ধপ করে বসলেন উনি। ওর বোধহয় ঘুম ভেঙে গেল। কেন যেন এখন আর এর উপরে রাগ করতে পারছেন না। খপ করে কী ছেলেটার গলা দাবিয়ে দেয়া উচিত হবে ! আকমল সাহেব ভাবতে থাকেন ।
ছেলেটা চোখ মেলে। “ স্যার আপনি আমারে মাইরা ফালান। আপনার আত্মীয়রা আমার বেডের পাশে দিয়াও গেছে। হেদের থেকেই জানলাম বাসে আপনার ছেলে ছিল। কেউ জানত না আমাকে ধরতে যেয়ে আপনি ঢইলা পড়ছেন। হেরা মনে করসে অন্য কেইস। আমি শুধু বুঝতে পারছি যে আপনি আমারে চিনসেন। আমারে মাইরা ফালান, তাও যদি আপনার শখ মিটে। ” আকমল সাহেব কিছু বলেন না। এসব বাংলা ছবির ডায়লগে উনার মাঝে বিরক্ত হবার ভাবটা আস্তে আস্তে ফিরে আসছে আবার। আর ছেলেটা খুব নাজুক একটা ব্যাপার নিয়ে কথা বলছে। ওর মুখে এসব শুনতে ইচ্ছা করছে না। হেল্পার বলতে থাকে, “ স্যার আমরা কেউ কিছু জানি না। আৎকা এক মহিলা এক পোলারে নিয়া কাইন্দা উঠল। এক্কেরে হাউমাউ কান্দন। হের পোলা নাকি বুকের ব্যাথায় ফিট। আমরা সাথে সাথে বাস থামাইলাম। আর সবাই দৌড় দিয়া ঐ পোলারে ধরলাম। পিছনের সিটের সারি খালি করে হেরে শোয়াইলাম। একটু পরে কেমনে যেন বাস না ট্রাক মোড় ঘুরে কী যেন আমাদের ধাক্কা দিল। পুরা বাস গড়ায়া গেল। আমি জানালার দিকে লাফ দিলাম। ”
আকমল সাহেবের মুখে ততক্ষণে একটা ভয় ধরে গেছে। বুকের ব্যাথা ? বাচ্চাটা কত বড়? হেল্পার আবার বলছে। এতক্ষণ কথা বলে এখন বোধহয় তার কথা ব্লতে কষ্ট হচ্ছে। সে বলল, “ কি জানি, সাত আট হইবো হয়ত ! হের মা চিল্লাইতাছিল সুমু কইয়া। ”
আকমল সাহেবের হাত পা ঠান্ডা হয়ে এসেছে এতক্ষণে।
তাহলে তার ছেলে বাস এক্সিডেন্টের আগেই অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল? এক্সিডেন্টের মৃত্যুময় বিভীষিকার তাহলে কিছুই সে টের পায় নি ! আকমল সাহেবের কী এখন স্বস্তি অনুভব করা উচিত ? আকমল সাহেব কাঁদতে থাকেন। এক্সিডেন্টের আগেই যদি তার ছেলেটা অজ্ঞান হয়ে যায়, তাহলে সেটা অলৌকিক কিছুই বটে। বাচ্চাটা হয়ত ব্যাথা পায় নি। তার কল্পনা করা দৃশ্যগুলো তাহলে হয়ত শুধুই কল্পনা।
আসলে সাতশ’ কোটি মানুষের পৃথিবীতে কয়টা অলৌকিক হওয়া উচিত? কয়টার খবর আমরা পাই? এক গরুর দুই মাথা বা আকাশ থেকে রুই মাছ পড়া বা ইমাম সাহেবের স্বপ্নে পাওয়া ঔষধ না, সত্যিকার অলৌকিক ঘটনা শুধু ঘটে বিশেষ কারও জন্য। যারটা শুধু সেই বোধহয় বোঝে। স্রষ্টা যখন সত্যিকারের অলৌকিক কিছু ঘটান তখন সেটা পেপারে দেয়ার জন্য না হয়ত কারও প্রতি করুণা থেকে শুধু তার জন্যেই ঘটান। আকমল সাহেব কনফিউশনে ভুগছেন। ইব্রাহীম নবীর ছেলের মত ছুরির ধার থেকে বেঁচে যাওয়া না শুধু, হয়ত মৃত্যুর মাঝেও অলৌকিকতা আছে। হয়ত উনার ছেলের সাথে তাই ঘটেছে।
আকমল সাহেব কান্না থামিয়ে ভাবতে বসেন। এই ভাবনার কোন কূল কিনারা নেই। উনি অনেকক্ষণ ধরেই চুপচাপ বসে থাকেন। এটাও হয়ত অলৌকিক কিছু, শেষ সময়ে কিছু ভুল ভাঙল অথবা হয়ত শুধুই ভাবনার নতুন খোরাক।
© আকাশ_পাগলা
[কোন একদিন কোন উপন্যাস হয়ত লিখতে পারব, সেই আশায় এক্সারসাইজ করলাম। এই পর্যন্ত আমার সবচেয়ে বড় লেখা সম্ভবত এটাই। এত কষ্ট করে যারা পড়লেন তাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।]
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উপলব্ধি ;
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
বিশাল... ভুই পাইছি.. লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
সাব্বির হোসেন শুভ বলেছেন:
অনেক ভালো লাগল লেখাটা। চেষ্টা করে যান। উপন্যাস একদিন লিখেই ফেলবেন একটা।সুন্দর লেখাটার জন্য প্লাস।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই।
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন:
মনযোগ দিয়ে পড়লাম। মন খারাপ করে দিছেন।আসলে বাবার কাছে ছেলে যেমন খুব আদরের ধন, তেমনি স্ৃষ্টকর্তার কাছে আমরা। বাবা ছেলের জন্য যতটুকু ভাবে, স্ৃষ্টকর্তা তারচেয়ে বেশী ভাবেন।
আমি সবসময় একটা কথা খুব বলি,(যদিও কস্ট কমে না) আল্লাহ যা করে ভালর জন্যই করে।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আমিও তাই বলি, যদিও মনের কষ্ট যায় না।
পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মুরুববী বলেছেন:
"এই পর্যন্ত আমার সবচেয়ে বড় লেখা সম্ভবত এটা।"
আমিও মনে করতে পারতেছিনা লাস্ট কবে এতবড় লেখা পুরাটা পড়ছিলাম, ধৈর্য্য না হারায়া....।
+
লেখক বলেছেন: ধৈর্য্য না হারানোর কারণে অনেক ধন্যবাদ।
আসলে লেখাগুলো এমন যে কয়েকটা পর্ব আকারেও দেয়া যায় না। আবার এক পর্বে দিতে গেলে অনেক বড় হয়ে যায়।
কি আর করা !!
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
লালসালু বলেছেন:
ব্লগের বেশিরভাগ বড় লেখা পড়ি না। যাদের বড় লেখা পড়ি তাদের মধ্যে আপনি একজন। আমার শোকেসে আপনার দুইটি লেখা আছে। এটা শোকেসে রাখার মত না হলেও অনেক ভাল হয়েছে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
শুনে খুব খুব খুশি হলাম।
এমন কমেন্ট আসলে প্রেরণা।
বজ্রনিনাদ বলেছেন:
তোমার অনেক কিছু আমার পছন্দ না, কিন্তু এটা ভাল হয়েছে। প্লাস।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লালসালু বলেছেন:
শুধু আপনার লেখা না আপনাকেও প্রিয়তে রাখলাম (লিংকে রাখলাম)।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
কৃতজ্ঞতা রইলো।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
সবটা পইড়া ফালাইসি ...
লেখক বলেছেন: বাহ !
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
মুসাফির... বলেছেন:
লেখা সুন্দর হয়েছে: আমি আবেগাপ্লুত।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু।
কেমন আছেন?
পিচ্চীগুলির খবর কী?
পাপন বলেছেন:
জটিল লিখছেন ভাই.........আরো লেখা চাই
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
কী খবর?
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
এস বাসার বলেছেন:
পাগলা, তোমাকে দিয়ে হবে। লেগে থাকো।ভাল লিখছো। আমার নিজে একটা ভয়ংকর একসিডেন্ট এ পড়েছিলাম, অনেকেই ভেবেছিলো ইন্নালিল্লাহ....... কিন্তু এখনো যে বেচে আছি তাতো বুঝতেই পারছো।
তোমার গল্প আমার একসসিডেন্ট কে মনে করিয়ে দিলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস।
আপনার এক্সিডেন্ট নিয়ে একটা পোস্ট দেন।
ঘটনা জানতে মঞ্চায়।
পারভেজ বলেছেন:
চমৎকার ; অনেক ম্যাচিউর, পরিশীলিত একটা লেখা।শব্দের ব্যবহার, আবেগের পরিমিত বাছাই এই গল্পকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে। আমার মতে তোমার সেরা লেখাগুলির একটি
লেখক বলেছেন: এভাবে বললে লজ্জা লাগে ভাই।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: যাক শুনে ভাল্লাগলো।
লেখক বলেছেন: শুনে ভাল্লাগলো।
মিরপুরে আসেন আবার।
পিচ্চীগুলার সাথে এবার খাতির করব।
অসম্ভব রকমের একটা ভাল-খারাপ মেশানো অনুভূতিতে আক্রান্ত হলাম।
হ্যাটস্ অফ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
এস বাসার বলেছেন:
অন্য প্রসংগ:তুমি কি আমাকে প্রাইভেটে ফার্মাসী পড়া যায়, মান ভালো এবং খরচপাতি কেমন এ সম্পর্কে তথ্য দিতে পারবে? জরুরী।
উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: ফার্মাসী সম্পর্কে খুব বেশি বোধহয় বলতে পারব না।
তবে, সাবজেক্ট হিসেবে ফার্মাসীর তুলনা হয় না।
ব্র্যাকে দেখেন। পড়াশোনার মান, পরিবেশ, ফ্যাকাল্টি আর ফ্যাসিলিটিজ এর দিক থেকে যে কোন প্রাইভেট ভার্সিটির চাইতে ওরা অনেক এগিয়ে। ওরা এমন অনেক সুযোগ আর সুবিধা দেয় যেগুলা শুধু মানুষ পাবলিকেই এক্সপেক্ট করে। অর্থাৎ পড়াশোনা ছাড়াও এ সংক্রান্ত সকল সুযোগ দেয় ওরা।
একারণে বোধহয় টাকাও বেশি লাগে। যত টাকা প্রথমে দেখায় শেষমেষ তার চেয়ে বেশিই লাগে।
এরপরে ইস্টওয়েস্ট দেখতে পারেন। এদের ফার্মাসী ভাল বলেই শুনেছি। ফ্যাকাল্টি খুব ভাল ভাল। ব্র্যাকের তুলনায় টাকা কম (সম্ভবত)।
বাকি ভার্সিটিগুলোতে কমন অবস্থা। ফার্মাসী নিয়ে বিশেষ কিছু জানি না। নর্থসাউথের ফার্মাসীর বোধহয় সরকারী পারমিশন নাই। এখন নতুন দিছে কী না জানি না। বোধহয় না। বাকি যা আছে গড় পড়তা। আমার এক কাজিন আছে সাউথইস্টে ফার্মাসী পড়ে। এখন পর্যন্ত টোটালি ফ্রী পড়তেছে। ও সব সেমিস্টারে এ প্লাস পায়, তাই ওর ফ্রী। সামনের বছরের শেষের দিকে ওর কোর্স শেষ হবে। ওখানেই হয়ত টিচার হিসেবে জয়েন করবে। ওর থেকে ভাল কথাই শুনলাম। দেখতে পারেন।
ভার্সিটিগুলার ওয়েবসাইটে দেখাটাই ভাল হবে। ক্রেডিট যেন একটু বেশি থাকে দেইখা নিয়েন।
লেখক বলেছেন: শেষমেষ সাহস হয় না।
সবকিছু গুছিয়ে ওঠা যায় না।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
পাগলা, বেশী ব্যস্ত থাক নাকি? লেখাটা পড়লে ক্লান্ত হয়ে যাব।তবে বস না বলে পারলাম না। ~=p
লেখক বলেছেন: এই ত।
দ্রুত সময় যাচ্ছে।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
কী খবর?
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অসাধারন হয়েছে.......একেবারে প্রফেশনাল লেখা। হেটস অফ ........
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
অনেকদিন পরে আপনাকে দেখলাম।
কেমন আছেন??
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
এইটা পাগলা নাকি অন্য কেউ! সিরাম লেখা হৈছে বিশেষ কইরা লাস্টের দিকে... প্রফেশনালিজম এর ক্যাটেগরিতে এখন পর্যন্ত তোমার বেস্ট গল্প।মোরাল টাও চ্রম
ফেভারিটে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বস।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
অসাধারণ! সিম্পলি গ্রেট!!!
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ইমন ভাই।
পাপী বলেছেন:
পুরাটা পড়লাম। ভালোই লিখছেন!
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইজান।
কী খবর?
লেখক বলেছেন: এলাকাতেই আছি বস।
কিন্তু হয় নিজের রুম নইলে ভার্সিটির ক্লাস রুম।
এ ছাড়া আর কোথাও আমার ছায়া নাই।
আপনার খবর কী? একদিন ডাক দ্যান আবার।
জাকি ফারহান বলেছেন:
অনেক পছন্দ হয়েছে, এবং পড়তে মোটেও কষ্ট হয় নাই কেমন আছেন, বহুদিন কথা হয় নাই.....
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবা।
ফেসবুকে দেখি ত প্রায়ই। আসলে কিছু মিলিয়ে সময় হয়ে ওঠে না। এই ত ব্লগেই দেখা হবে কথা হবে।
কী খবর?
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
ভালো হয়েছে
লেখক বলেছেন: অনেকদিন পরে আপনাকে দেখলাম।
কমেন্ট করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ভালো লাগলো। বেশ ঝরঝরে এবং ম্যাচিওরড লেখা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বস।
খবর কী?
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
হু। ভালো। এক্সারসাইজ ভালোই হইলো। এই বার একটা ধারাবাহিক বড় গল্প লেখা শুরু করেণ। এক্সারসাইজ জমবো।
আরো কয়েকবার পইড়া দেহি কোন কড়া/নরম মন্তব্য করা যায় কি না।
লেখক বলেছেন: কড়া মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
নষ্ট কবি বলেছেন:
মনে করতে পারতেছিনা লাস্ট কবে এতবড় লেখা পুরাটা পড়ছিলাম, ধৈর্য্য না হারায়া....।সহমত
লেখক বলেছেন: এত বড় গল্প পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
মেঘলা মানুষ বলেছেন:
অনেকদিন পরে হলেও পড়লাম। চমৎকার
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















