আমার প্রিয় পোস্ট

কত কিছু যে করতে চাই, তবুও কিছু করতে না পারার দায়ে মাথা খুঁটে মরি ।

কমেডি নাকি ট্রাজেডি !!! :-/:-/:-//:)/:):P

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৭

শেয়ারঃ
0 1 0

এডভেঞ্চারের শুরু

শীতটা একটু জাঁকিয়ে বসতেই আমি আর আমার দোস্ত ঠিক করলাম হেব্বি একটা জোসিলা মাফলার আর জ্যাকেট কিনতে হবে। এখন, সেই হেব্বি জ্যাকেট আর মাফলারের খোঁজে ভার্সিটি এলাকা চইসা ফালাইছি। কিন্তু যখনই জ্যাকেট আর মাফলারে “হেব্বি” ভাবটা আসেB-), তখনই সেটার দাম এমন হুহু করে বাড়তে থাকে যে, আমরা টাশকিত হয়ে পিঁছু হটি:((
দাম শুনে অবস্থা এমন যে, আমরা ঠিক করলাম দুজনে দুটা জ্যাকেট না নিয়ে শেয়ারে একটাই কিনে নিয়ে যাই। একদিন ও পড়বে আরেকদিন আমি। কিন্তু শরীরের মাপজোকে বিশেষ পার্থক্য থাকায়, এই অভূতপূর্ব প্ল্যান সংসদে পাশ হল না।/:)
মনে বহুত আশা ছিল, এই সব কিনার পরেও ২টা এনিমেশন মুভির ডিভিডি কিন্যা বাড়ি যামু। কিন্তু, দাম শুনে মনে হচ্ছিল, উলটা মানিব্যাগটাই বেঁচে দিয়ে যেতে হবে।/:)

যা হওয়ার তাই হল, গরীবের একসময়ের ভরসা(পাস্ট টেন্স) নিউমার্কেটে খোঁজ নেবার জন্য রওনা হলাম। তখন বাজে চারটা। পৌঁছে দেখি বাজে ৫ টা। এটা দেখি, সেটা দেখি। তেমন একটা ভাল লাগে না, আবার ভাল হলে সাইজ হয় না, আবার সব মিললে দাম মিলে নাX((

সব কিছু মিলিয়ে পর্যদুস্ত। মাথামুথা ঘুরায়া গেছে অতক্ষণে। নিউমার্কেট থেকে বের হয়ে দেখি সাতটা বেজে গেছে। ভাবলাম শেষ ভরসা হিসেবে গাউছিয়া খুঁজে দেখি। যেদিকে তাকাই শুধু নারী জাতির পোশাক, জ্যাকেট আর তেমন চোখে পড়ে না। ত ভাবলাম, সামনের দিকে হয়ত আরও অনেক দোকান পাব।
ওদিকে রাত হয়ে যাচ্ছে। সড়ে আটটার পরে আবার বাস নাই।
তাড়াতাড়ি চোখ বুলাচ্ছি চারিদিকে।
আমার দোস্ত আমাকে টান মারল মার্কেটের ভিতর। আমাদের প্ল্যান ছিল ফুটপাতের ভীড় এড়িয়ে মার্কেট গুলোর ভেতর দিয়ে একটা শর্টকাট মারার, যেন সামনের দিকের দোকান গুলোয় তাড়াতাড়ি যাওয়া যায়।

এইটাই শেষমেষ হয়ে দাঁড়ালো কাহিনী। :((/:)/:)

এডভেঞ্চারের পর্যায়পথ

এইটা আসলে শর্টকাট ছিল না রে ভাই। এইটা ছিল ইয়ে গলি। মানে, এইখানে শুধু লাখ লাখ কোটি কোটি ইয়ে বিক্রী হচ্ছে। ইয়ে মানে হল, সংস্কৃতে বক্ষবন্ধনী আর বাংলায় ব্রেসিয়ার (বাংলায় চাপা মাইরা পাশ করসি আজীবন)। আমি আর আমার দোস্ত ত পুরা হতবাক। বাপরে এত এত দোকান, ডিসপ্লে ত শুধু এই সব। আমাদের নাক কান সব লাল হয়ে গেছে।:P

পরের ঘটনা আরও ভয়াবহ। চারিদিকে শুধু নারী জাতি। খুকি, বয়স্কা, আপু, ইয়ে, আন্টি সব শুধু নারী জাতি। য়ার সবাই আমাদেরকে দেখতেছে । না জানি ওরা কী মনে করতেছিল। উহাদের ধারণা, “ এই ছেলেগুলি বখাটে তস্কর ব্যতীত আর কিছুই নহে। উহারা এখানে এসব ইয়ে কিনিয়া কোন মেয়েকে গিফট দিতে ইচ্ছুক,তাহা নির্ণয় ন জানি।”/:)/:)
আমরা ত লজ্জায় ঘামায়া গেছি।
বের হওয়ার জন্য এ গলিতে যাই, সেদিকে ঘুরি, কিন্তু সবখানেই সেইম অবস্থা। কোথাও বের হওয়ার পথ নেই। কোন দিক দিয়ে ঢুকছিলাম, মনে নাই। দোকানদাররা আবার মাঝে মাঝে ডাকতেছিল, “ আপারা নিয়া যান।সব কম দাম। ” আমি আর আমার দোস্ত ডরাইয়া গেসি পুরা।:|

পরে অবশেষে এক ভদ্রলোকের দেখা। সম্ভবত, উনার স্ত্রী (অথবা যেই হোক) পাশের কোন দোকানে ইয়ে চয়েস করতেছিলেন:((। আমরা উনার কাছে জানতে চাইলাম যে 'বের হবার রাস্তা' কোনটা? উনি চোখমুখ কুঁচকে উত্তর দিলেন,”পেছন দিকে।”:P দোস্তের কান লাল হয়ে গেসে আরও। আমি ঢোঁক গিললাম। বললাম, “ ইয়ে,সেইটা ত জানি:P। কিন্তু পিছনে ত অনেক গলি, কোনটাতে যেতে হবে?” দোস্তও যোগ দিল, “ ভাই বের হবার রাস্তাটা একট্য পরিষ্কার করবেন? ” :-/লোকটা নাক মুখ কুঁচকে ফেলল:D। বলল, “ যেদিক দিয়ে ঢুকেছেন, তার নিচে দিয়েই বের হবার রাস্তা। একদম মেইন রোডে পৌঁছাবেন। ” এখন মনে হল, এইটাও ত জানি। কিন্তু কান নাক সহ এতক্ষণে হাত পাও লাল হয়ে গেছে।:D
এই ব্যাটার সাথে কথা বলে আর লাভ নাই। বুঝা শেষ। উনি “বের হবার পথ” পরিষ্কার করার আগ্রহ দেখালেন না। উলটা ঘুরে চলে গেলেন।

এক দোকানদারের কাছে যেতেই এমন এক অর্থপূর্ণ হাসি দিল সে, যে জীবনটাই অর্থশূন্য হয়ে গেল। মানুষ আমাদের এমন ভাবে !! এই ব্যাটাকে আর কিছু জিজ্ঞাসা করার মানে হয় না।/:):|:((

আমার অবস্থা এমন যে, মনে হচ্ছিল যেন কেঁদেই ফেলব। প্রযুক্তির যতই উন্নতি হোক, গুগল ম্যাপ, গুগল আর্থ যাই –ই থাকুক, আমাদের এই চিপাগলির গোলক ধাধা থেকে বের করার জন্য কোন প্রযুক্তিই আমাদের সাহায্য করতে পারল না।

বিভিন্ন দোকানের ডিসপ্লে, দরদাম(এইসব ইয়েরও এত ভয়ংকর দাম শুনে জ্যাকেট কিনতে না পারার দুঃখ চলে গেসিল), আর দোকানকার এবং উপস্থিত নারী জনতার ভ্রুকুটি তে হাত পা লাল হওয়া শেষ করে পায়ের আঙ্গুলও লাল হওয়া শুরু করেছে।:P

পরে সমস্ত লজ্জার মাথা খেয়ে দরদাম করা এক সুন্দরী আপুর কাছে যেয়ে মাথা চুলকে ডাক দিলাম, “ আপু, প্লিজ লাগে, প্লিজ, আমাদের একটা কথা শুনেন। আপনি ব্যস্ত বুঝতে পারছি, আর বিরক্তও করতে চাই না। আসলে, আমরা বের হতে চাই। বের হবার পথ কষ্ট করে দেখাতে হবে না, মুখে বললেই আমরা বুঝতে পারব। ” :D:D/:)

মেয়েটা আসলেই মনে হয় বিরক্ত হল। কারণ, আমরা অতক্ষণ ঘুরে ফিরে আসলে বের হওয়ার রাস্তার খুব কাছাকাছি এসে গিয়েছিলাম। মেয়েটা ডান দিক দেখি বলল, “ এদিকে একটু এগুলেই সিঁড়ি পাবেন, নিচে নেমে সোজা যাবেন। ”

শেষের কবিতা
দুটি অবুঝ বালক মধু কণ্ঠের নির্দেশ শ্রবণ করিয়া, ধীরে মাথা নাড়াইয়া, অবশেষে কামরূপ কামাক্ষা থেকে প্রাণ নিয়া বাহির হইবার পথের সন্ধান পাহিয়া, সে পথে দৃঢ় সংকল্পে পা বাড়াইলো। :|

আমাদের “ইয়ে এডভেঞ্চার” এখানেই সমাপ্তি।

অশ্রুসজল উপসংহার
সবশেষে শীত চলে যাবে সামনেই, এই সব ভেবে ভেবে আগের বছরের সোয়েটার আর নতুন মাফলার নিয়েই খুশি থাকতে হয়েছে।:((

© আকাশ_পাগলা

এই ক্যাটাগরীর সব পর্বের কাহিনী সত্যি। তাই দম ফাটানো হাসির কৌতুক আশা না করাই ভাল। এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য পর্বের লিংক দিলাম। Click This Link

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কমেডিহাসিফান ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কমেডি নাকি ট্রাজেডি !!  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩১
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আমার শত্রুও যেন এই অবস্থায় না পড়ে।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: হে হে হে

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৮
ভাবের অভাব বলেছেন: "কামরুপ কামাক্ষা" নামটা অনেকদিন পরে শুনলাম। আসল নামটা বোধহয় কামরুক কামাক্ষা, সাপুড়েদের স্থান।
তাহলে জ্যাকেট কিনা আর হল না? :(
+++
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: আমি ত শুনছি এটা এমন একটা জায়গা যেখানে পুরুষ নাই।
সেখানে শুধু মেয়ে আর মেয়ে।
আর, তারা পুরুষ খুঁজে।

পরে, ওখানে পুরুষ গেলেই অনেক কিছু করতে হয়। তাদেরকে জোরও করানো হয়, এভাবে এসব করতে করতেই মেরে ফেলা হয়।

সেই জন্যে বলা "কাম" "রূপ" , কামে খেন্ত কামাক্ষা।

আপনি বোধহয় ছোটদের বইয়ে সাপুড়েদের কথা পড়সেন ;)

পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।
জ্যাকেট আর কিনা হইলো না রে ভাই।
আগের বছরের সোয়েটার গুলাই ভরসা।

৩. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫২
অপরিচিত_আবির বলেছেন: ইস এই চান্স!! লুলামির এমন স্বর্ণ সুযোগ পাইয়া গেসিলা!!

জ্যাকেট কিনতে বঙ্গতে না গিয়ে গাউছিয়ার পথ মারানো যথেষ্ট সন্দেহজন্ক ;)
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: গাউছিয়া আমাদের প্ল্যানে ছিলো না।
নিউমার্কেট থেকে মীরপুরে ফিরে আসার পথেই এইটা পড়ে। তাই ভাবছিলাম, একটু দেখতে দেখতে আগাই।

লুলামী আর কী করুম!! আমার ধারণা সবাই ভাবতেসিলো, আমরা এই সব কিনতে আসছি, কাউরে গিফট দেয়ার জন্য। কী দূরবস্থা। একেকজন এমন ভাবে তাকাচ্ছিল যে, মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছা করতেছিল।

তয়, বের হয়ে আসার পরে এই শান্তিটা পাইছি, আহারে !! কেন যে মানুষ এডভেঞ্চারে যায়, এতদিনে বুঝলাম।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
খবর নাই অনেক দিন আপনার, কেমন আছেন?

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: তোমাকে ম্যাসেঞ্জারে ম্যাসেজ দিসি। দেখো মিয়া।

পড়ার জন্য ধইন্যা।

৫. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৬
জুনায়েদ হাসান বলেছেন: You say it tragedy, but every time always wait to get you new real life "Comedy" post. I love it...... always.

Note: Sorry for typing English.
৬. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৬
জুনায়েদ হাসান বলেছেন: You say it tragedy, but every time I always wait to get you new real life "Comedy" post. I love it...... always.

Note: Sorry for typing English.
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: ইংলিশ টাইপিং দোষের কিছু না।
মোবাইল থেকে ঢুকছিলেন নাকি?
ব্যাপার না।

যাউক, আপনার পোস্ট পছন্দ করার জন্য আর এর জন্য অপেক্ষা করে থাকার আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

ভাল থাকবেন।

৭. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩
অপ্‌সরা বলেছেন: আহারে ভাইয়াটা!!!


জ্যাকেট কিনতে হবেনা। শীত আর কদিন থাকে বলো?
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: সেটাই।
নিজেকে এইটাই বুঝাই।

তবে, মাফলার হইছে একটা।
সেটা দেখতেও ভালই।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপু।

৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৮
কালীদাস বলেছেন: গত সপ্তাহে ঠান্ডা যখন সবচেয়ে বেশি পড়েছিল, তখন রোজ কোন মার্কেটে যেতাম জ্যাকেটের দাম দেখতে। কয়েক দোকান ঘুরলেই কেমন জানি গরম গরম লাগত!

আপনিও আগামী বছর এই বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন;)
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: তাইলে লোটা কম্বল নিয়ে বসুন্ধরায় শুয়ে থাকলেই সব চেয়ে বেশি লাভ হবে মনে হচ্ছে।

ভাই, ভালো একটা বুদ্ধি দেবার জন্য ধন্যবাদ।

৯. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৭
অলস ছেলে বলেছেন: =p~ =p~ =p~ টেনশন কৈরা লাভ নাই, বরং আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাও ;)
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: হ রে ভাই, সেইটাই।

পড়ার জন্য ধইন্যা।

১০. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৩
ফিরোজ-২ বলেছেন: আমার শত্রুও যেন এই অবস্থায় না পড়ে।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: হে হে হে

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৮
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: ব্যাপক! অনেকদিন পর পেলাম পর্বটা... নিজেকে ঐ জায়গায় চিন্তাইতে জটিল ভয় লাগতেসে...

আমিও জ্যাকেট একটা কিনবো ভাবসিলাম, হইল না বোধহয়...
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৭

লেখক বলেছেন: নতুন প্রোফাইল পিকটা দারূন লাগতেছে।

আমি এখন ৫ম সেমিস্টার মিয়া, আর ১ সেমিস্টার খাড়াও। তোমার জ্যাকেট আমিই বানায়া দিতাসি। অলরেডি এপারেল ম্যানুফেকচারিং টেকনোলজি নিয়া বইসা গেসি।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১০
সলিল বলেছেন: পুরাই ট্র্যাজিক কমেডি =p~ =p~
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আপনার নামটা কি আমাকে একটু ই-মেইলে জানাবেন দয়াকরে ।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: কোথায় মেইল করব ভাই?

আমার নাম রিজভান হাসান।
তবে, আমার ডাক নাম আকাশ।

কেন?

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
অপরবাস্তব - ৪ এর জন্য আপনার গল্পের মনোনয়ন গেছে , আপনার কি কোন আপত্তি আছে ?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: আমি ত জানতামই না।
বলেন কী?

কোন গল্প?

আমার কোনই আপত্তি নেই।
শুনে ভাল লাগছে।
যদি লাগে, তাহ্লে আমার নাম হিসেবে "রিজভান হাসান" দিলে খুশি হব।

১৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৯
এরশাদ বাদশা বলেছেন: বড়োই দুঃখজনক কমেডি।

এইটার সাংকেতিক নাম হওন উচিত- লালগপ্পো!!
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন: ভালই নাম দিসেন।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৭
এন এইচ আর বলেছেন: বক্ষবন্ধনী নিয়ে পুরনো আমলের জোক অনুসারে কান টুপি হিসেবে খারাপ হতো না কিন্তু ;) ;)
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: হে হে হে

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২১. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৭
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: ওই মিয়া কই তুমি? পোষ্ট নাই কেন?
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: মাথায় কিছু নাই রে ভাই।
মাথা পুরা খালি হয়ে গেছে।

ইদানীং কিছুই ভাল্লাগে না।

২২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৯
লালসালু বলেছেন: সেইফ হইলে কমেন্ট করুম। এখন জেনারেল অবস্থায় আছি।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৫

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।

ভাল থাকবেন।
কবিতা ছাড়েন, আশা করি সেইফ করে নিবে।

২৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০০
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: আরে মিয়া কও কি! এই ভাবে হার্ডকোর ব্লগাররা শহীদ হতে থাকলে তো খবর আছে!
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: কী করব বল?
মাথায় কিছু না আসলে ত কিছু করার নাই, তাই না?

২৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৭
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: সেটাই! যাই হোক, অফলাইন তো বের হইল।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: হমমমম।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৮

লেখক বলেছেন: ;) ;)

২৭. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৫০
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: দোকানদাররা আবার মাঝে মাঝে ডাকতেছিল, “ আপারা নিয়া যান।সব কম দাম।


খেক খেক

আবারও নিজেরে মাইনাস :(
০২ রা জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক

০২ রা জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: থ্যানক্স।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৪৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি রিজভান হাসান। ডাক নাম আকাশ আর ব্লগ নিক আকাশ_পাগলা নিয়ে চলছি বেশ কিছু বছর। আমার স্থায়ী ঠিকানা হল http://wings.rizvanhasan.com...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ