নেট থেকে কুড়ানো হয়েছে সুতরাং কমন পড়ার নিশ্চয়তা ১০০%!!!
১।মাঝরাতে পাবলিক লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ানের কাছে ফোন এল,
হ্যালো, লাইব্রেরি কয়টায় খোলে?
আপনি কি এই কথা জানার জন্য আমাকে এত রাতে ফোন করলেন?
আহা! বলুন না লাইব্রেরি কয়টায় খোলে?
সকাল নয়টায়
তার আগে খুলবে না?
না।
কোনোভাবেই খুলবে না?
না,কেন, কী করবেন এত সকালে লাইব্রেরিতে এসে?
আমি আসব কে বলল আপনাকে? আমি তো বেরোব!
২।টিচার : ছেলেরা, বুঝতে পারলে তো, মশা কেমন করে আমাদের মাঝে রোগ ছড়ায়?
ছাত্ররা : জি স্যার!
টিচার : কাজেই মশাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করতে হবে...
এক ছাত্র : হি-হি-হি...
টিচার : এই ছেলে, তুমি হাসলে কেন?
ঐ ছাত্র : স্যার, এতো ছোট ছোট কনডম বানাবেন কেমন করে?
৩।একবার এক রোগী হাসপাতালে গিয়ে দেখে যে, তার মতো আরেক রোগী বসে বসে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে।
দেখে তো সে অবাক, তাকে জিজ্ঞেস করল কি হইছে তোমার কান্দ ক্যান?
১ম জন কাঁদতে কাঁদতে জবাব দিল, আমি আইছিলাম রক্ত পরীক্ষা করাইতে, হেরা জোর কইরা আমার আঙ্গুল ফুটা কইরা দিছে।
শুনে তো ২য় জন জোরে জোরে কাঁদতে আরম্ভ করল।
১ম জন অবাক!! আরে ভাই আঙ্গুল কাটছেতো আমার, তুমি কান্দ ক্যান??
২য় জন ভয়ে ভয়ে: আমি তো পরছাব পরীক্ষা করাইতে আইছি, তাইলে কি হেরা আমার ....... ভ্যাঁ.......অ্যাঁ................
৪।স্বামী: তোমার জ্বালায় আর ভালো লাগে না। চললাম আমি নদীতে ঝাঁপ দিতে।
স্ত্রী: কিন্তু তুমি তো সাঁতার জান না।
স্বামী: রাগের সময় এসব মনে করিয়ে দাও কেন?
৫।প্রচণ্ড অলস এক লোক বড়শিতে মাছ তুলে বসে আছে।
পাশ দিয়ে একজনকে যেতে দেখে কোমল স্বরে বললেন, ভাই মাছটা একটু খুলে দেবেন?
একটু বিরক্ত হয়েও মাছটা খুলে দিলেন লোকটি। তারপর বললেন, এত অলস আপনি! এক কাজ করেন- একটা বিয়ে করেন। ছেলেপেলে হলে আপনাকে কাজে সাহায্য করতে পারবে।
উত্তর এলোঃ ভাই, আপনার জানাশোনা কোনো গর্ভবতী মেয়ে আছে?
৬।চতুর্থ বিয়ের পর টিনা গেছে হানিমুনে।
প্রথম রাতে স্বামীকে বলছে সে, প্লিজ, ধীরে, আমি কিন্তু এখনো কুমারী।
টিনার স্বামী ঘাবড়ে গিয়ে বললো, কিন্তু তুমি তো আগে তিনবার বিয়ে করেছো!
টিনা বললো, হ্যাঁ। কিন্তু শোনোই না। আমার প্রথম স্বামী ছিলেন একজন গাইনোকলজিস্ট, আর তিনি শুধু ওখানে তাকিয়ে থাকতে পছন্দ করতেন। দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন একজন সাইকিয়াট্রিস্ট, তিনি শুধু ওখানকার ব্যাপারে কথা বলতে পছন্দ করতেন। আর আমার তৃতীয় স্বামী ছিলেন একজন স্ট্যাম্প কালেক্টর ওফ, আমি ওঁকে খুবই মিস করি!
৭।কখনও মহিলা পুলিশকে চুমু দিও না,
কারন সে বলবে - হ্যান্ডস আপ।
কখনও মহিলা ডাক্তারকে চুমু দিওনা,
কারন সে বলবে - পরের জন এসো।
একজন শিক্ষীকাকে চুমু দিও,
কারন সে বলবে - এইকাজ আরো ৫ বার করো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


