somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অভিনন্দন সাইমুম ভাই ! সাইমুম ভাইয়ের পুরস্কার পাওয়া রিপোর্টটি ছাপা হয়েছিল দৈনিক যায় যায় দিন পত্রিকায়। পরে ; বাংলা একাডেমীর অভিধান: ভুলের সাথে বসবাস' শিরোনামের সেই প্রতিবেদন তুলে দিয়েছিলেন এই ব্লগেও।
ঢু মেরে দেখে আসতে পারেন - [wjsK= http://www.somewhereinblog.net/blog/saimumblog ]
সম্মানের সঙ্গে ভাল অংকের টাকাও পাবেন সাইমুম ভাই। তাই দেরি না করে চলেন খাওয়া আদায় করি উনার কাছ থেকে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28747926 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28747926 2007-11-27 15:00:50
সঞ্জীব দ্যা আগের দিন রাতে নাকি প্রচন্ড মাথা ব্যাথা করছিল। বাসায় চিকিৎসা চলেছে। পরে অবস্থা অবনতির দিকে গেলে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।
আপডেট: ১৭ নভেম্বর রাত ১০টা
এখনও অচেতনভাবে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন তিনি। চোখ মেলছেন না। ডাক্তারদের বেধে দেয়া ৭২ ঘন্টা সময়ের ২৪ ঘন্টা কেটে গেছে। আশাবাদী হওয়ার মতো কিছুই শোনাতে পারছেন না কেউ। সঞ্জীব দ্যার তিন বছর বয়সী মেয়ে কিংবদন্তীর জন্য মনটা হুহ করে উঠছে!
আপডেট: ১৮ নভেম্বর সকাল ১০টা
আজও লাইফ সাপোর্ট দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে সঞ্জীব দ্যাকে। তিনি যে অবস্থাতে আছেন, সেখান থেকে একমাত্র মিরাকল হলেই নাকি ফেরা সম্ভব। তাই যেন হয়। আবার সেই সঞ্জীব চৌধুরীকে ফিরে পেতে চাই আমরা।
আপডেট ১৮ নভেম্বর: রাত ৮টা
এক জন বলছিলেন কাল সকালেই নাকি শুনতে হবে না শুনতে চাওয়া সেই খবর। খুলে ফেলা হবে ওই ভেন্টিলেটর! এপোলো থেকে আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে ট্রান্সফার করার কথা ভাবা হচ্ছে । ভাল লাগছে না কিছুই!
আপডেট ১৮ নভেম্বর: রাত ১২ টা
স্যাটালাইট টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলায় সঞ্জীব চৌধুরীর জন্য সাহায্যের আবেদন করা হয়েছে । স্বপ্নবাজ এই মানুষটির পাশে এসে দাড়াতে পারেন আপনিও।
বন্ধুরা টাকা পাঠাতে পারেন এই অ্কাউন্টে
শুভাশীষ মজুমদার বাপ্পা
স্ট্যাণ্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
সঞ্চয়ী হিসাব নং:১৮-১৩৬০৪০৩০-০১]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28745941 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28745941 2007-11-17 13:30:59
কারফিউ পাস কিন্তু সাংবাদিকরা এখন বাসায় ফেরার সুযোগও হয়তো ভাবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কারফিউ পাস না হলে তো বাসায় ফেরার সুযোগ নেই। কারফিউর প্রথম দিন ঢাকার বেশ কয়েকজন সাংবাদিকেরই বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছে।
যেখানে প্রতিটি পত্রিকায় একশ থেকে দেড়শর মতো স্টাফ সেখানে কাল কারফিউ পাস পাওয়া গেছে মাত্র ৪০টি। এরচেয়ে বেশি সরবারহ করা হয়নি।
এখন ভাবছি আজ বাসায় ফিরবো কী করে? রাতটা কি অফিসেই কাটাতে হবে? জানিনা কি হচ্ছে এসব!
নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছে খুব । দেখি আরেকটু চেস্টা করে একটা কারফিউ পাস সংগ্রহ করা যায় কীনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28727420 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28727420 2007-08-23 22:38:21
দম বন্ধ হয়ে আসছে ! কারফিউর কয়েক ঘন্টায় জিনিস পত্রের দাম এক লাফে বেড়ে গেছে। রাতের খাবার খেয়ে এইতো ১১ তলায় আবারো উঠলাম।
কিছুই ভালো লাগছে না। খাচায় বন্ধী পাখির মতো মনে হচ্ছে নিজেকে। বাসায় ফিরতে মন চাইছে, অথচ ফিরতে পারছি না!
আবার অফিসেও কাজ খুব একটা নেই।
আগামীকালের পত্রিকায় খুব বেশি চমক দেখার সুযোগ নেই। '‌দেশ ও দশের কল্যানে অনেক কথাই অজানা রাখতে হচ্ছে।'
এতো কিছু জানি না আমি এখন বাসায় ফিরতে চাই। বাসায় নিশ্চয়ই আমার ছোট ভাইটা আমার অপেক্ষায় আছে। তারচেয়েও চিন্তিত নিশ্চিত আমার মা। আমি বাসায় না ফিরলে রাতটা নির্ঘুমই কাটবে তাদের।
যা হবার হবে ; এখনই বাসায় ফিরবো ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28727284 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28727284 2007-08-23 00:49:24
ব্লগার বিপ্লব রহমানের মুক্তি চাই !
এনিয়ে বিডি নিউজের রিপোর্ট পড়ুন-
দায়িত্বপালন শেষে ঘরে ফেরার সময় বুধবার রাতে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে আটক করেছে সেনা সদস্যরা। তারা কয়েকজনকে বেদম মারধরও করে। বিডিনিউজ এর সাংবাদিক লিটন হায়দার, বিপ্লব রহমান ও আসিফ আহমেদ রম্যকে রাত সোয়া ১০টার দিকে ২৭ নম্বর রোডের অদূরেই শংকরের কাছে সংবাদপত্রের গাড়ি থামিয়ে ধরে নিয়ে যায় সেনা সদস্যরা। তাদেরকে পরে মোহাম্মদপুর থানায় সোপর্দ করা হয়। এসময় তারা আইডি কার্ড দেখিয়ে নিজেদের পরিচয় দিলেও সেনাসদস্যরা বলে, "আমরা এসব বুঝিনা। তোমরা জানো না, আজ কি হ"েছ দেশে?" ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28727275 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28727275 2007-08-22 23:40:14
বাসায় ফিরতে পারছিনা ! প্রেস কার্ড সঙ্গে আছে, তারপরও আতংকের মধ্যে আছি! কারফিউ পাস নেই। এখন বাসায় ফেরাটা কি ঠিক হবে? বুঝতে পারছি না। ঝুকি নেয়াটা ঠিক হবে কিনা ভাবছি।
এদিকে নেট ওয়ার্ক নেই বাসায়ও যোগাযোগ করতে পারছি না।
জানি না কি আছে আজ কপালে ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28727260 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28727260 2007-08-22 22:36:05
তসলিমাকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত ভারত তো ছাড়তে চানই তসলিমা নাসরিন। ফিরে আসতে চান প্রিয় স্বদেশে; যেখানকার আলো বাতাসে বেড়ে উঠেছেন।যেখানে অনেক স্মৃতি জমে আছে তার। কিন্তু সে সুযোগ তার জন্য নেই।
তসলিমার অপরাধ? আমাদের তথাকথিত মৌলবাদীদের ঠুনকো ধর্মানুভুতিতে আঘাত হেনেছেন! ধর্মের বড় ক্ষতি করে ফেলেছেন! তাকে দেশে ফিরতে দিলে সর্বনাশ হয়ে যাবে! হাস্যকর সব যুক্তি।
কিন্তু যাদের প্রনোদণায় হয়ে উঠেছেন আজকের এই তসলিমা নাসরিন, তারাও নিশ্চুপ। ক' প্রকাশের পর তাদের মুখও বন্ধ। তাকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত এই কথা এখন খুব কম মানুষই বলছেন।
আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি তসলিমা নাসরিনকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত। তার লেখার জবাবটা লেখা দিয়েই হওয়া উচিত। আর ধর্ম তো আর এতো ছোট বিষয় নয় যে একজন তসলিমা নাসরিন ভুল ধরলেই তাতে পচন লেগে যাবে! এভাবে কারো দেশে ফেরার অধিকারটুকু কেড়ে নেয়ার কোন মানেই হয়না।
.................
তসলিমা নাসরিনের কলামের কিছু অংশ তুলে ধরা দিলাম-

ভারতে থাকার অনুমতি না পেলে আমি কোথায় যাব, আমি জানি না। দূরে কোথাও কোনও বরফের দেশে আবারও আমাকে আশ্রয় খুঁজতে হবে- এরকম ভাবা আর মৃত্যুর কথা ভাবা আমার কাছে অনেকটা একই রকম। আমি তো আর একটি দেশে ফিরতে পারতাম, যে দেশটি এখন আমার প্রতিবেশী দেশ! কিন' ফিরব কী করে, সে দেশে আর যে-কারওরই অধিকার থাকুক পা দেবার, আমার নেই। আমি যেন দেশটির ভীষণ শত্রু, আমার জন্য দরজা চিরকালের মতো বন্ধ। মানবতার কথা বলা বা সমানাধিকারের দাবি করাকে তো অন্যায় হিসেবে জানি না কোনও দিন। শাসকের চোখে, কট্টরপন্থী, সাম্প্রদায়িক, ধর্মান্ধদের চোখে তা ভীষণ অন্যায়। আমাকে নির্বাসন দণ্ড দেয়া হয়েছে সেই কবে, যুগ পেরিয়ে গেল। যাবজ্জীবনেরও তো একটা শেষ থাকে। আমার এই দণ্ডের কোনও শেষ নেই। সম্ভব মৃত্যু ছাড়া এই নির্বাসন থেকে মুক্তি নেই আমার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28717662 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28717662 2007-06-25 14:53:04
সামহোয়ার ইনের পেছনে কারা? সময় যতো যাচ্ছে প্রশ্নটার উত্তর এমনিতেই বেরিয়ে আসছে। খুব বেশি মাথা ঘামানোর প্রয়োজনও পড়েনি, পড়ছে না।
আসলে এমন একটা প্লাটফর্মের সঙ্গে জড়াতে না পারলে অনেকে কিছুই অজানা থেকে যেতো আমার! অনেক কিছুই।
জানতাম না যে দেশের বাইরে, দেশের ভিতরে প্রচার বিমুখ কিছু মানুষ আছেন, যারা সিরিয়াসলি লেখালেখির পেশা বেছে নিলে এখানেও অনেক দূর যেতে পারতেন। তাদের সাবলীল গদ্য-পদ্য দেখে অনেক সময় ঈর্ষাও হয় আমার। ইদানিং এ কারণেই মুগ্ধ পাঠক হয়ে পড়ে যাচ্ছি তাদের লেখা।
আরেকটি জিনিস জানতামই না যে রাজাকারদের ছানাপোনারা তাদের বাবা, চাচা, মামা, খালু, দাদাদের চেয়েও বেশি সক্রিয়।
অনেক সময় তো এই সামহোয়ার ইনের পৃষ্ঠাগুলোকে আমার গো. আজম কিংবা নিজামীদের বাড়ির অঙিনা-ড্রইং রুমের মতোই মনে হয়। কি আয়েশে ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজাকারদের উত্তরসূরিরা।
এ নিয়ে কোনো ক্ষোভ নেই। বাড়িটাতো তাদেরই।
প্রিয় সামহোয়ার ইন কর্তৃপক্ষ- আপনাদের কাছে এটা জানতে চাইছি না যে একজন গোলাম আজমকে আপনারা রাজাকার নাকি দেশপ্রেমিক মনে করেন? সেটা জানতে চাওয়াটা বোধহয় ঠিকও হবে না।
লেখাটাকে টেনে অনেক লম্বা করা যেতো। সেটা করছি না। আমাদের বিনা পয়সায় ব্লগিং করতে দেয়াদের বলছি- গলির মোড় থেকে ঘেউ ঘেউ শব্দ আসলে আমি ধরে নেই কুকুর ডাকছে। আর সামহোয়ার ইনে যা চলছে তাতে....
আপনাদের চেনা হয়ে গেছে আমার!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28714709 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28714709 2007-06-05 14:27:05
বব ডিলানের জন্মদিনে..... আজকের এই দিনে জন্ম নিয়েছিলেন গুরু। পা দিলেন ৬৭ বছরে।
কথা বাদ- চলেন গান শুনি! আরো একটা দিন মাতি বব ডিলানে...
http://www.youtube.com/watch?v=]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28712349 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28712349 2007-05-24 14:26:30
ভাই জারীর আমারে ব্যান করলেন ক্যান? আসসালামু ওয়ালাইকুম
মজলুম জনগনের কথা বললাম। আপনার সঙ্গে জেহাদ করার ঘোষনা দিলাম আর আপিনি সেই ‌‌'সাথী ' ভাইকে ব্যান করলেন? বড়ই কষ্ট পাইলাম ভাই জারীর।
আমি জানি সব মন্দ লোকের প্ররোচনা। আমার কি দোষ- সেটা বলেন? আমারে আপনার ব্লগে ব্যান করলেন ক্যান?
ঠিকাছে নীরবে আমি আপনার সাহিত্য কর্ম পড়ে যাবো।
কি আর করা মনোকষ্ট নিয়াই চোখের দুই ফোটা পানি ফেললাম। উপর ওয়ালা নিশ্চয়ই সব দেখছেন।
আল্লাহ আপনাকে উত্তম জাঝা উপহার দিন । আমিন...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28710900 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28710900 2007-05-16 16:11:23
অ্যাডভেঞ্চার বাংলা চ্যানেল অথবা জীবনের অন্যরকম মানে সি ট্রাক ইগলে বসে বন্ধু, সহকমর্ী, আত্মীয়দের একের পর এক ফোন, কণ্ঠে উৎকণ্ঠা_ 'ভালো আছ তো তুমি? টিভিতে দেখছি তোমাদের এনটিভি, আরটিভি, আমার দেশ পুড়ে যাচ্ছে। হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার করা হচ্ছে ভবনে আটকে পড়া মানুষদের। 11 তলার ছাদের ওপর আটকে আছে অনেকে। তুমি কোথায়? বিল্ডিং থেকে বেরিয়েছ তো?'
এমন প্রশ্নের জবাবে একটা কথাই রোবটের মতো বলে গেছি বারবার_ আমি ভালো আছি। কিন্তু আমরা ভালো নেই!
..............................

অাঁচ করতে পারছিলাম সবকিছু। কয়েকজন সহকমর্ীর সঙ্গে কথা বলে যেটুকু বুঝেছি, তা হলো আবারো আমাদের শূন্য থেকে শুরু করতে হবে। আমার দেশ-এর সব কিছুই শেষ। এসব ভাবতে ভাবতেই 26 ফেব্রুয়ারি দুপুরে আমরা পেঁৗছে গেলাম সেন্ট মার্টিনে, ভূ-স্বর্গে!
বাংলাদেশের একমাত্র ছোট এই প্রবাল দ্বীপে পা দিয়েই মনটা ভালো হয়ে গেল। আমার দেশ ভবনে আগুন লেগেছে_বিষয়টা ভুলে গেলাম ওই মুহূর্তে। চারদিকে সবুজ আর সমুদ্রের নীল জল। যে কারণে এই দ্বীপে আসা সেই শার্ক ক্রসিং বাংলা চ্যানেল এক্সপিডিশনের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বেঞ্চ মার্কের মিডিয়া ম্যানেজার মোস্তফা কামাল অরু দেখালেন_ ওই যে মানুষগুলো দেখছেন, সবাই আমাদের অভ্যর্থনা জানাতে দাঁড়িয়ে আছে। যারা উত্তাল বঙ্গোপসাগরের বুকে সাঁতরাবে সেই ঢাকা বেজ ক্যাম্পের উপদেষ্টা, প্রশিক হামিদুল হকের উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে আমরা রওনা দিলাম 'সীমানা পেরিয়ে'র দিকে। সমুদ্রের ঠিক তীরের এই রিসোর্টই নারকেল জিনজিরায় আমাদের ঠিকানা।
আশপাশ দেখবো কি, ঢাকা থেকে যাওয়া আমাদের মিডিয়া টিমের সবার চোখেই তখন রাজ্যের ঘুম। সি ফাইভের বড় রুমটিতে আমার সঙ্গী আমাদের দুই ফটো সাংবাদিক আলিম ও রেকু ভাই এবং প্রথম আলোর শামসুল হক টেংকু।
..............................

সমুদ্রের গর্জনে ঘুম ভাঙল বিকেলে। যুগান্তরের সাংবাদিক তিতাশ ভাই বললেন, সময়টা কাজে লাগানো উচিত। ইন্ডিপেন্ডেটের সবুজ ভাইয়ের প্রস্তাব_ চলো ছেড়াদ্বীপে ঘুরে আসি। সেন্ট মার্টিনে এসে ছেড়াদ্বীপে যাব না, তা কি হয়? সঙ্গে যোগ দিলেন সাপ্তাহিক 2000-এর কনক, নীলয় এবং বাংলাভিশনের প্রদীপ, জনকণ্ঠের সোহেল।
বেঞ্চ মার্কের অ্যাকাউন্টস অফিসার রাজীব সব কাজেই বেশ তৎপর। দ্রুত দরদাম চুকিয়ে ঠিক করে ফেললেন একটা ট্রলার। আমরা রওনা হলাম জনবসতিশূন্য দ্বীপে। পেঁৗছতে পেঁৗছতে 40 মিনিটের মতো লেগে গেল। সেখানে পেঁৗছে আমাদের সঙ্গে থাকা ফটো সাংবাদিক টেংকু ভাই, রেকু ভাই, আলিম ভাই আর মেহদি (ফোকাস বাংলা) মহা খুশি। সূর্যাস্তের এমন আবীর রাঙানো সূর্যকে ফ্রেমে বন্দি করার সুযোগ কমই মেলে। প্রবাল জমে ছেড়াদ্বীপও বড় হচ্ছে প্রতিদিন। কে জানে সেন্ট মার্টিনের মতো একসময় এখানেও হয়তো গড়ে উঠবে জনবসতি।
নিঝুম চুপচাপ দ্বীপটাকেই ভালো লাগল আমার। পড়ন্তবেলায় আমরা কয়েকজন ঘুরে বেড়ালাম। আর গোধূলিবেলায় ফিরলাম অন্যরকম এক ভালোলাগা নিয়ে।
ছেড়াদ্বীপে যাওয়া হয়নি বলে, আেেপর শেষ নেই রেডিও টুডের সাংবাদিক রোকসানা আমিনের। তার কারণে সমুদ্রপারের সুন্দর একটা বিকেল দেখা হয়নি যায়যায়দিনের সাংবাদিক হাসিবা আলী বর্নারও।
..............................

26 ফেব্রুয়ারি রাতের বেলা ঘুমুতে যাওয়ার আগেই অরু জানিয়ে গেলেন পরের দিনের ভ্রমণ সূচি_
ট্রেকিংয়ে এসে ঘুমিয়ে থাকার কোনো মানে হয় না। ভোর 5টা 30 মিনিটেই উঠে গেলাম। স্কাউটদের মতো কোয়ার্টার মাইল হেঁটে সেন্ট মার্টিন বন্দরে পেঁৗছার পর জানলাম, এখন গন্তব্য শাহপুরী দ্বীপ। টেকনাফের কাছাকাছি এই দ্বীপ থেকেই শুরু হবে শার্ক ক্রসিং বাংলা চ্যানেল এক্সপিডিশন, সাগরের উত্তাল জলের বুকে সাঁতার! আয়োজকদের একজন যখন ট্রলার খুঁজতে ব্যস্ত, তখন আমাদের চোখ পুবাকাশে। কমলা রংয়ের আভা ছড়িয়ে সমুদ্র থেকে উঠে আসছে সূর্য। সেন্ট মার্টিনে সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত সবকিছুই ঘটে যায় চোখের পলকে। এ কারনেই ওই দৃশ্য হয়তো এতোটা চোখ জুড়ানো!
ছোট ট্রলারটিতে উঠে বসার পরই সবার হাতে তুলে দেয়া হলো লাইফ জ্যাকেট। প্রথম আলোর সাংবাদিক পিয়াস যখন সেটা গায়ে দিতে যাবেন, মাঝি রমজান বলে উঠলেন_ 'এইসব গায়ে দিয়া লাভ নাই; সমুদ্র টাইনা নিলে কেউ ধরে রাখতে পারবে না। একটানে চইল্যা যাবেন পানির নিচে।'
অাঁতকে ওঠার মতোই কথা। কিন্তু ওই 10 সাঁতারু_ লিপটন, সিনা, সালমান, সামিউল, রশিদ, রুবেল, বিপু, সেলিম, হোসেইন আর নূর মোহাম্মদের কথা ভেবে স্বস্তি পেলাম। তাদের কাছে তো এই লাইফ জ্যাকেটও নেই। উত্তাল জলের বুকে সাঁতার কাটতে হবে তাদের। আমাদের পেঁৗছানোর আগেই সেখানে চলে গিয়েছিলেন সাঁতারুরা। সকাল 7টা থেকে শুরু হয় তাদের স্নোকার্ল সুইমিং। চোখেমুখে যাতে নোনাজল যেতে না পারে, সেজন্য ছিল বিশেষ মাস্ক। নিঃশ্বাস নিয়েছেন বিশেষ নল দিয়ে। এভাবেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভেসে থেকেছেন জলে। সুযোগ বুঝে এগিয়ে গেছেন সামনে। আমরা ট্রলারে বসে দেখছিলাম তাদের সাঁতার। বঙ্গোপসাগরের সেই উত্তাল সমুদ্রে ট্রলারে বসেও আমরা যখন প্রতি মুহূর্তে ডুবে যাওয়ার শঙ্কায়, তখনো নির্বিকার ভাবে সাঁতরে গেছেন তারা। এতদিন টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছি উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে সার্ফিং। আমাদের নিজেদের ট্রলারটিকেই মনে হচ্ছিল যেন, সার্ফিং বোট। দুলছিল ক্রমাগত! মনে হচ্ছিল এই বুঝি ডুবে যাচ্ছে!!!
পেশাগত দায়িত্ব বলে কথা_ ওই সাগর বুক থেকেই সরাসরি রিপোর্ট করলেন রেডিও টুডের সাংবাদিক রোকসানা আমিন। ঝুঁকি নিয়েই ভিডিওতে সাঁতারের দৃশ্যগুলো ধারণ করলেন চ্যানেল আই-এর নাঈম ভাই। আর এসব কিছু স্পিডবোট দিয়ে ঘুরে ঘুরে পর্যবেণ করেছেন ঢাকা বেইজ ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা এই অ্যাডভেঞ্চারের উদ্যোক্তা হামিদুল হক। সঙ্গে ছিল কামাল আনোয়ার বাবুদের সাপোর্টিং টিম।
রোদের উত্তাপ যত বাড়তে থাকল, ঢেউও উত্তাল হতে থাকলো আরো। কিন্তু হার মানলেন না সাঁতারুরা। জিংক ওয়াটারে গলা ভিজিয়ে সাঁতরে গেছেন, আর জীবন হাতের মুঠোয় রেখে আমরা সাী হয়েছি অন্যরকম অ্যাডভেঞ্চারের, যা শুধু এতদিন সিনেমার পর্দাতেই দেখতাম।
একসময় এমন হার মানলাম আমরাও। টেংকু ভাই বললেন, তীরে চলো, আর পারছি না!
..............................

উত্তাল বঙ্গোপসাগরের বুকে 14 কিলোমিটার সাঁতরে প্রথম তীরে উঠেন লিপটন সরকার। গতবারও সবাইকে টপকে গিয়েছিলেন তিনি। তীরে বেইজ ক্যাম্পের কমর্ীরা তাকে দিয়েছেন অন্যরকম এক সংবর্ধনা। অবশ্য এতটাই কান্ত ছিলেন যে, গা এলিয়ে দিলেন সি বিচের বালিতে।
এরপর একে একে বাংলা চ্যানেল অতিক্রম করে এসেছেন বাকি সাঁতারুরা। বাংলা চ্যানেল নামটা নতুন মনে হচ্ছে? হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা, টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিনের ওই সমুদ্র পথের নাম 'বাংলা চ্যানেল' দিয়েছেন হামিদুল হক। স্বপ্ন দেখছেন এই নাম একসময় ছড়িয়ে পড়বে সারা বিশ্বে। এই স্নোকার্ল সুইমিংকে জনপ্রিয় করে তোলাই লক্ষ্য তার।
..............................

এতসব রোমাঞ্চ আর আনন্দ কিছুই যেন আমাদের কয়েকজনকে টানতে পারছে না। ঢাকা থেকে সাড়ে 500 কিলোমিটার দূরে থেকেও বুঝতে পারছিলাম, ঢাকায় হয়তো অপো করছে খারাপ কোনো খবর।
সমুদ্রের পাড়ে বন ফায়ার, অ্যালকোহল, সমুদ্রস্নান, চাঁদের আলোয় বেইজ ক্যাম্পের খসরু ভাইয়ের অসাধারণ সব গান কিছুতেই সান্ত্বনার অনুষঙ্গ পাচ্ছিলাম না আমি, রেকু ভাই, আলিম ভাই আর চয়ন।
যার যায়, কষ্টটা তো তাকেই ছোঁয়।
..............................

ঠিক করছিলাম 27 ফেব্রুয়ারি রাতেই ধরব ঢাকার পথ। কিন্তু শার্কের সেলস ম্যানেজার তোফাজ্জল হোসেন জানিয়ে দিলেন কাল, মানে 28 ফেব্রুয়ারি তিনটার আগে কোনো লঞ্চ নেই। কী আর করা!
..............................

পর দিন সকালে লেখক হুমায়ূন আহমদের বাড়ি 'সমুদ্র বিলাস' দেখে রিসোর্টে ফিরেই দেখলাম দারুচিনি দ্বীপের নায়িকারা হাজির। তৌকীর আহমেদের পরিচালনায় হুমায়ূন আহমেদের লেখা দারুচিনি দ্বীপের শুটিং হবে সেন্ট মার্টিনে।
তৌকীর আর তার সঙ্গে আসা সুন্দরী মেয়েদের জন্য রুম ছেড়ে দিতে হলো। অবশ্য সময়ও হয়ে এসেছে লঞ্চের। তিন দিনেই কেমন যেন মায়া পড়ে গেছে সবকিছুর ওপর। লঞ্চ কেয়ারি সিন্দবাদে উঠে মনটা হু হু করে উঠল আমার! সাগরের নোনা জল চোখে উঠে আসলো কেন?
কে জানে পুড়ে যাওয়া অফিস আর প্রিয় সহকমর্ীদের জন্যই হয়তো!


----********-----

কৃতজ্ঞতা অথবা যে কথা না বলেই নয়

আসলে এটা কাটপেস্ট। লেখাটি ছাপা হয়েছিল আমাদের পত্রিকায়। তাও মাসখানেক হয়ে গেছে! আগুনের ওই ধাক্কা আমরা প্রায় সামলে উঠেছি। লেখার আবেদন কেমন থাকলো কে জানে?
ধন্যবাদ আলীম আর টেংকু ভাইকে, ট্রেকিংয়ের এই ছবিগুলোর বেশিরভাগই তাদের দুজনের তোলা। বেঞ্চ মার্কের অরু ভাইকে এবং ঢাকা বেইজ ক্যাম্পের কর্তাদেরও ধন্যবাদ। এই টু্যরের আমন্ত্রণটা তো তাদেরই!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28704762 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28704762 2007-04-03 08:03:40
আমাদের- শুভ'র ব্ল্লগিং... মুখবন্ধ বা মুখখোলায় যেটুকু জানলাম_ অবলীলায় যে কেউ যেন তার ভাল_ মন্দ লাগা শেয়ার করতে পারেন, এজন্য 'ছদ্মবেশ' নিয়েছিলেন তিনি! জানলাম কিছু দিন আগে কেন নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন ব্লগ থেকে। সাথে একটা শংকাও তৈরি হলো আমার মনে! শুভ ভাই কি এখন আমাদের এই ব্লগ ছেড়ে চলে যাবেন? উনার লেখায় এমন একটা ইংগিত থাকলেও আমি সেটা বিশ্বাস করিনা। আমাদের 'মমতায় বাড়িয়ে দেয়া হাত', আর ভালবাসাকে অবজ্ঞা করবেন কিভাবে?
এবারের একুশের বই জাগৃতি থেকে বাজারে আসা শুভর'র ব্লগিং বইটি নিয়ে আসলে খুব বেশি কিছু বলার নেই। এখানে ছাপা হওয়া বেশিরভাগ লেখাই
ব্ল্লগে পড়েছি! তবে অনলাইনের চেয়ে ছাপার অক্ষরের আবেদনই তো অন্যরকম। আলী মাহমেদের শুভ'র প্রতিটি লেখাই মনে হচ্ছে নতুন! নতুন করে আবারো জানছি আমাদের আশপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনার অন্যরকম বিশ্লেষন। ব্লগে তুমুল আলোচিত, বিতর্কিত হয়ে উঠা 'আমার আনন্দ বেদনার অপকিচ্ছা'র 4 টি পর্বও স্থান পেয়েছে বইটিতে। বইটি তিনি উৎসর্গ করেছেন 2004-5 অর্থবছরের শীর্ষ করদাতা অসিত পালকে।
ভাল লেগেছে; ভাল হয়েছে এসব কথা বলতে ভাল লাগেনা! শুভ'র লেখার মুগ্ধ পাঠক আমি তো অনেক দিন ধরেই! ভাল লাগছে, এই ভেবে যে বাংলা ভাষার ইতিহাসে ব্লগিং নিয়ে লেখা প্রথম বইটি এখন আমার সংগ্রহেও আছে! এজন্য বইটির প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন ভাইকে ধন্যবাদ!
আর শুভ ভাইকে উনার কথাটাই ফিরিয়ে দিচ্ছি_ ভাল থাকবেন, পানির মতো টলটলে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28697981 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28697981 2007-02-12 04:13:38
!!! ভালবাসায় ভালবাসা !!! চমকে উঠি শিউরে উঠি স্পর্শ যখন কায়ায়
ছায়া-কায়ার রসায়নে জমকালো এক মায়ায়
আমার এবং তোমার নিবাস কামজ প্রচ্ছায়ায়!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28697744 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28697744 2007-02-10 02:23:04
লেখাটা ত্রিভুজের জন্য, সবার জন্যও... এটা তিনি কেন, যে কেউ করতে পারেন। আমার বাড়িতে আমি কাকে ঢুকতে দেবো সে অধিকার তো আমারই। ত্রিভুজ (নামের শেষে রিফাত হোসেনের মতো সাহেব লাগাতে ইচ্ছে করছে) হয়তো তেমনটাই মনে করেছেন। না হলে ব্যান করবেনই বা কেন?
কিন্তু ব্যান হওয়ার মতো কোন মন্তব্য কি উনার পোস্টে করেছি? আমার মনে হয় না। উনার ওই পোস্টে আমার মন্তব্যটা ছিল এরকম_
পড়লাম
আপনার এবং আপনাদের এসব লেখা কেন জানি বিনোদন হিসেবে নিতে ইচ্ছে করছে! শুধু বিনোদন।
অর্থ খুজতে মন চায় না। জানি না কেন?
বিশ্বাস করেন, কিছু ব্যাপারে আমি সিরিয়াস টাইপের মানুষ, তারপরও।
আপনাকে কষ্ট দেয়ার জন্য কথাগুলো বলিনি। মনের সত্য কথাটাই বলেছি শুধু। ক্ষমা করবেন।
............
এর জবাবে কিছু উপদেশ দিয়েছেন তিন ভুবনের বাসিন্দা মহা জাগতিক পথচারী ত্রিভুজ। উনার উপদেশ গুলো একটুও মিথ্যে নয়, আসলেই সবার সব আলোচনায় অংশ নেয়ার যোগ্যতা থাকে না।
আমি নিজেও আপনার কথাটির সঙ্গে একমত। আমার আসলে আপনার মতো এমন জ্ঞানগর্ভ পোস্ট দেয়ার যোগ্যতা নাই। যোগ্যতা নাই এইসব বোঝার। পরম করুনাময় আপনার মতো এতো বিশাল জ্ঞান ভান্ডার দিয়ে তো আর সবাইকে পাঠাননি।
আসলে আমি কিন্তু আপনার পোস্টে সেই কথাটাই বলতে চেয়েছিলাম। তাতে কোন ব্যাক্তিগত আক্রমন ছিলনা। বোঝাতে পারিনি সে ব্যর্থতা আমারই।
আপনার সমস্যা কোথায় সেসব জানানোর জন্য এই পোস্ট না। সেই সাহসও আমার নেই।
শুধু আপনার এমন আচরন দেখে একটু দ্বিধায় পড়ে যাচ্ছি।
ইসলামি রাস্ট্র হলে আপনাদের মতো টেক মোল্লারা কি এভাবেই অগনতান্ত্রিক কভাবে আমাদের ওপর কিছু চাপিয়ে দেয়ার চেস্টা করবে? কারো কথা পছন্দ না হলেই কি তাকে কাঠগড়ায় দাড় করাবে? নাস্তিক _আস্তিক নিয়ে ঘন্টায় ঘন্টায় ফতোয়া দেবে? মুরতাদ বলে কেটে নিতে চাইবে মাথা?
আপনার নীতি কখাগুলো অন্যরকম মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে সবই লোক দেখানো। ক্ষমতা পেলে অনেক কিছু্বই করতে পারেন আপনি! এমন একটা মন্তব্য যে সহ্য করতে পারলেন না!!!!
থাক এসব, আপনাকে- আপনার লেখার আর মন্তব্যের মাধ্যমেই বেশ চিনে গেছি! বুঝেও গেছি আপনার সাথে কিছু ব্যাপারে আলোচনা করে লাভ নেই। আগে থেকেই সিদান্ত নিয়ে আলোচনায় আসেন আপনি। শেখার জন্য নয়। ছোট অনুরোধ দম ফাটানো হাসির খোরাক যোগাচ্ছেন, একটু দমও নিন...
ভবিষ্যতে আপনার মুখে শালীনতার সংজ্ঞা শুনলে অবাকই হবো। রাসেল ভাই আর চোরকে শালীনতার শেখানোর আগে কষ্ট করে নিজেকেই দেখে নেবেন আপনি কতোটা শালীন। শুধু চ রেটেড শব্দ ব্যবহার করলেই সেটা অশালীন আর অশ্নীল হয়ে উঠে না। সেটা বুঝতে হলে বোঝার মতো ইচ্ছে চাই।
আপনার একটা কথাই আপনাকে ফিরিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে_ সব কিছু সবাইকে দিয়ে হয়না।
সময় যতো যাবে, আপনি সেসব বুঝবেন, সে আশা করি না! কেননা, শেখার আর জানার ইচ্ছে আপনার কখনো ছিল বলে আমার মনে হয়নি।
মুখফোড়ের কাছে ক্ষমা চাইছি। কিছুদিন আগে উনাকে একটা খোলা চিঠি লিখেছিলাম। সেটা ভুল ছিল। ইউটার্ন করতে একটুও কষ্ট হচ্ছে না। সমর্থন থাকলো।
অনেক কথাই লেখার ছিল। কিছুই করার নেই আমার সময় আর জ্ঞান দুটোই সীমিত! তবে ত্রিভুজ আপনাকে নিয়ে আমার সত্যিই সন্দেহ হচ্ছে। কি সন্দেহ হচ্ছে- সেটা নাই বা বললাম।
সন্দেহটা ভুল হলেই ভালো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28693404 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/28693404 2007-01-10 04:52:47
আজ সেই অভিশপ্ত দিন: লেননকে শ্রদ্্বা কিছুদুর এগুতেই ' মি. লেনন' বলে একজন ডেকে উঠায় পেছন ফিরে তাকান। লোকটাকে চিনতে ভুল হয়নি। এইতো সকালে এই ভক্তটিকে অটোগ্রাফসহ একটা অ্যালবাম দিয়েছিলেন। আবার কেন ডাকছে, এই ভেবে হাসি দিয়ে তার দিকে যখন এগুতে যাবেন ঠিক তখন সেই ফ্যান মার্ক চ্যাপম্যান পিস্তল তাক করেন লেননের দিকে। কিছু বুঝে উঠার আগেই একে একে 5টা বুলেট.....! সবগুলোই এসে লাগে শেষ রক এন্ড রোল গ্রেট লেননের বুকে। মাটিতে পড়ে গিয়ে দুবার শুধু বলেছিলেন ' আমি গুলি খেয়েছি, আমি গুলি খেয়েছি....। '
হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল, লাভ হয়নি! লেনন ততোক্ষনে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। সেই অভিশপ্ত দিন আজ । 1980 সালের 8 ডিসেম্বর ঠিক এই দিনটিতেই মার্ক চ্যাপম্যান কেড়ে নিয়েছিলেন লেননের প্রান। কেন যে বারবার ঘুরে ঘুরে এই দিনটা আসে!
কিন্তু সব মুতু্য তো আর মুতু্য নয়। প্রান কেড়ে নিলেও তার গান নিয়ে উন্মাদনা শেষ হয়নি এখনো। হবেও না আর। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জনপ্রিয় হয়েই থাকবে তার গান....
লিজেন্ডকে শ্রদ্্বা!
Imagine there's no heaven
It's easy if you try
No hell below us
Above us only sky
Imagine all the people
Living for today...

Imagine there's no countries
It isn't hard to do
Nothing to kill or die for
And no religion too
Imagine all the people
Living life in peace...

You may say I'm a dreamer
But I'm not the only one
I hope someday you'll join us
And the world will be as one

Imagine no possessions
I wonder if you can
No need for greed or hunger
A brotherhood of man
Imagine all the people
Sharing all the world...

You may say I'm a dreamer
But I'm not the only one
I hope someday you'll join us
And the world will live as one

[link|http://youtube.com/results?search_query=john+lennon|Rb ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/27402 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/27402 2006-12-08 09:31:37
এরশাদকেও ছাড়িয়ে গেছেন আজিজ মিয়া! এখন মায়া হচ্ছে এরশাদ চাচার জন্য! তাকেও তো এবার ছাড়িয়ে গেছেন আজিজ মিয়া। বেহায়ার সংজ্ঞাটা নতুন করেই হয়তো আবার লিখতে হবে বাংলা একাডেমির বাংলা অভিধানের সম্পাদকদের। এরশাদ চাচাও দেখলাম আজ বললেন বেহায়ার দিক থেকে আমাকে ছাড়িয়ে গেছেন সিইসি আজিজ ।
ছাড়িয়ে যাবেন না কেন_ এই মানুষটার বিবেক,বুদ্ধি, লজ্জাশরম বলতে কিছু নেই!
গতকাল অভিনব এক আলটিমেটাম দেয়া হয়েছে আজিজ মিয়াকে_
শনিবারের মধ্যে তিনি স্বেচ্চায় সরে না দাড়ালে
*তার বাসায় ডাল_ চাল, তেল নুন, বেকারী সামগ্রী, এমনকি তরিতরকারীসহ সব ধরনের ভোগপন্য সরবারহ বন্ধ করে দেবেন ব্যবসায়ীরা।
* দেশের কোন রেস্টুরেন্ট থেকেও খাবার দেয়া হবে না আজিজকে।
* তার বাসায় এবং নির্বাচন কমিশন অফিসে চিঠিত্র পৌছে দেবে না কোন কুরিয়ার সার্ভিস।
* তার কাপড় ইস্ত্রি এবং ওয়াশ করে দেবে না কোন ধোপা!
এখানেই শেষ নয়, ব্যবসায়ীরা তার স্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন যেন স্বেচ্ছায় সরে দাড়ানোর কথা বলেন। শুক্রবার তার পদত্যাগ চেয়ে মসজিদে মসজিদে মোনাজাত করা হবে!
এই মুতু্য, অবরোধ দেশের ক্ষতি কোন কিছুই ছুতে পারছে না তাকে। শুধু একটা মানুষের জন্য সাধারন মানুষের এই ভোগান্তি! কিন্তু আজিজ মিয়া নির্বিকার আগের মতোই। বলছেন কোন সমস্যা নাই। আলহামদুলি্লাহ ...ভালো আছি...। বেহায়া আর কাকে বলে!!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/24501 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/24501 2006-11-15 04:09:55
মুখফোড়কে খোলা চিঠি ছাগল মানুষের দেয়া নাম। মানুষও মানুষের দেয়া নাম। মানুষের নাম ছাগল হতে পারতো , আবার ছাগলের নাম হতে পারতো মানুষ! ছাগলকে ছাগল বললে সমস্যা নাই। কিন্তু মানুষকে ছাগল বললেই সমস্যা! ছাগলের সাথে অনেক মিলই হয়তো আছে মানুষের! তারপরও সমস্যা!
মুখফোড় মহাশয় সালাম নিবেন। আপনার আমন্তনে সাড়া না দিয়ে পারলাম না। ছাগল দিবসে ছাগল নিয়ে লিখতে বসে গেলাম। আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি_ ভুল হলে মার্জনা করবেন। উলটা- পালটা কথা বলে আমি আমি আপনার কৃপা দৃস্টি হারাতে চাইনা। চাইনা বলেই ভয়ে ভয়ে লিখতে বসেছি...।
কথা হচ্ছিল ছাগল নিয়ে। তার মধ্যে আমাদের আরেক ব্লগার ত্রিভুজের নাম এসে গেছে। এসে যাচ্ছে!
কেন? _ সেই গবেষনা করতে মন চাইছে না। আর ব্লগে আমি তেমন পুরনো আর নিয়মিতও নই। অনেক কিছুই এড়িয়ে যায় আমার চোখে। তবে বিশেষ ঘটনাগুলো থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে চাই না । চাইনা বলেই ত্রিভুজের আস্তিক আর নাস্তিক বিষয়ক পোস্টগুলো দেখেছি! কেন জানি বিষয়গুলোকে বেশ হাস্যকর মনে হয়েছে। এর বেশি কিছু নয়।কারন কে আস্তিক আর কে নাস্তিক সেটার সার্টিফিকেট দেয়ার মতো কেউ নই আমরা। যার যার বিশ্বাস তার কাছে! সেই বিশ্বাস যতো অন্ধ আর মুক্ত হোক তাতে আমাদের কি?
জীবন তো একটাই! সেখানে নিজের মতো সবাই তার পৃথীবি গড়ূক। এখানে হুট করে কাউকে নাস্তিকের সার্টিফিকেট দেয়ার আমি টা কে? আমি থাকবো আমার বিশ্বাস নিয়ে। আপনি আপনারটা।
কিছুদিন আগে 25 ছোয়া ত্রিভুজ হয়তো আরো কিছু বসন্তের দেখা পেলে এসব বুঝবেন! আশা করছি বুঝবেনই।
এবার বিনীত শ্রদ্ধা নিয়ে একটা কথা বলি_ শ্রদ্ধেয় মূখফোড় আপনি যা করছেন সেটাও আমার কাছে হাস্যকর মনে হচ্ছে! সাথে একটা দুঃখবোধও ছড়িয়ে যাচ্ছে নিজের মধ্যে। আপনি তো পরিনত। বিচক্ষন। বুদ্ধিমান। জ্ঞানী। মুক্ত মনের অসাধারন একজন মানুষ। সাথে লেখেনও দুদর্ান্ত। আপনি কেন এমন ছেলে মানুষিতে নিজেকে জড়াবেন? কেন ওই আস্তিক _ নাস্তি ক প্রসঙটার মতোই ছাগল- মানুষ বলে নিজেদের মধ্যেই একটা দেয়াল দাড় করিয়ে দেবেন?
নাস্তিক প্রসঙটা বাদে ত্রিভুজের অন্য পোস্টগুলো আমি দেখেছি। খারাপ কিছু মনে হয়নি। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ব নিয়ে তিনি কোন বাজে মন্তব্য করেছেন দেখিনি। রাজাকারদের হয়ে সাফাই গেয়েছেন এমনটাও দেখিনি।
ত্রিভুজের ভিতরে গতিটা দেখেছি। অনেক সময় বুঝে না বুঝে তার পাগলামিটাও দেখেছি। এটার পজেটিভ- নেগেটিভ দুটো কিই আছে।
কোন ত্বাত্তিক জ্ঞান আমার নাই। তবে এটুকু বুঝি কেউ ভুল করলে তার ভুল না ধরিয়ে দিয়ে সেটা নিয়ে হাস্যরস করলে জল ঘোলা হয়। উল্টো ভুল করা মানুষগুলো চলে যায় আরো ভুল পথে। এখন তো তাই হতে চলছে। ছাগল দিবসে কাদা ছুড়াছুড়ি জমে উঠছে!
এসব দেখে কেন জানি খুব খারাপ লাগছে। প্রভিবানদের এই আকালের যুগে প্রতিভার এতো অপচয় দেখতে ভাল লাগে বলুন? লাগেনা বলেই কষ্ট পাচ্ছি!
অনেক দিন পর খুব সিরিয়াস কিছু কথা বললাম। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারকদের মতো বেশ বিব্রত বোধ করছি।
আমি জানি, বুঝতে পারি মুখফোড় নামের আড়ালে রয়েছেন একজন অসাধারন মানুষ। যাকে মানায় মানবতার সব মিছিলে। সব সরিয়ে ছোট অনুরোধ _ আলোর পথটা দেখান। ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
ভাল থাকবেন। যতোটা ভালো থাকা যায়। আপনার সুস্থআর দীর্ঘ জীবন কামনা করছি । ছোট্ট জীবনটা উপভোগ করুন....
ইতি আপনার গুনমুগ্ধ
আপন তারিক
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/23406 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/23406 2006-11-04 09:25:03
আমিও গ্রামে ফিরছি... ইদ মোবারক... শহরে থেকে থেকে হাপিয়ে উঠেছিলাম। এবার কিছু দিনের জন্য রেহাই মিলবে।এই ব্যস্ততা, গাড়ির শব্দ, জানজটে হাপিয়ে উঠেছি....। নিজেকে ফ্রেশ করে নেয়ার সুযোগটা মিলছে এবার।
একটু পরই আমাদের গ্রামের উদ্দেশ্যে পা বাড়াবো। বিজলি বাতি সেখানে চমকালে ইন্টারনেট সুবিধা সেখানে এখনো পৌছেনি। এর অর্থ আপনাদের সাথে ইদের আগে এটাই শেষ দেখা।(আম্মাআআ)
ভাল থাকবেন। ইদের পর আবার ফ্রেশ হয়ে ফ্রেশ মুডে আসছি।
ইদ মোবারক....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/22157 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/22157 2006-10-22 03:35:40
কাক কবিতা কিছু কথা.... ......................
হাইকুমতোন

আমি উঠে যাচ্ছিলাম 70 তলায়
বসুন্ধরায়
কিছুটা সিড়িতে, কিছুটা লিফটে, কিছু
এলিভেটরে
হাতে সর্বশেষ প্রসেসর এক তিল
সারা পথ আমার পিছু পিছু
শ্বব্দ করে
ব্যাঙ ডাকছিল
..................
কবিতাটা আমার লেখা না। এতো জ্ঞানী কবিতা লেখার মতো জ্ঞান আমার নাই। লিখেছেন দেশের প্রধান কবিদের একজন আলতাফ হোসেন। এইতো কিছুদিন আগেই সাময়িকীগুলোতে দেখেছি শামসুর রাহমান আর আবুল হোসেনের পরই উনার কবিতা। কে লিখেছেন সেটা আসলে এখানে ঘটনা না। বড় পত্রিকার সাহিত্য পাতায় গুরুত্ব দিয়েই ছাপা হয়েছে এটি। কবিতাটার অর্থ আবিস্কার করতে পারছিলাম না বলেই এখানে তুলে ধরলাম। এখনকার অনেক কবিতাই বুঝিনা। তারপরও পড়ে যাই রাইসু ভাই আর তার ভাইবেরাদের কবিতা।

এবার জীবনানন্দের কবিতা প্রসঙ্গে আসি। আমি তখন হাই স্কুলে মাত্র ভর্তি হয়েছি। তাতে কি? কবিতা- টবিতা লেখা শুরু করে দিয়েছি। সুকান্তর অনুকরনে কলম- কাগজ এমন কোন জিনিস নাই যা নিয়ে কবিতা লেখার চেস্টা করিনি। এরইমধ্যে একদিন আমার বড় বোন একটা কবিতা দেখিয়ে বললো_ আমি লিখেছি, পড়ে দেখ- কেমন হয়েছে। বিজ্ঞের মতো কবিতা পড়ে বললাম ভাল হয় নাই, সাধু আর চলিত ভাষার মিশ্রনে কবিতার বারোটা বাজিয়েছিস। কেটেকুটে আমি ঠিক করার পর শুনলাম এটা জীবনানন্দ দাসের কবিতা !!! জিহবায় কামড় দিয়েছি এরপর থেকে কবিতা নিয়ে আর কপচাই না।
অনেক কথা হয়েছে আরেকটা কবিতা শুনেন
...............................................
জন্তুর কান্না
জন্তুর কান্না
রক্তের অশ্রু
রক্তের অশ্রু
জন্তুর কান্না
রক্তের অশ্রু
রক্তের অশ্রু
জন্তুর কান্না
...........................
এইটার লেখক সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ। কোথায় যেন শোনলাম নকল করে নাকি এই কবিতা দুনিয়াতে এনেছেন তিনি। সেই তর্কে যাওয়ার ইচ্ছে নাই। তবে এইসব দেখে ইদানিং আমারো মনে হচ্ছে কবিতা লেখা আসলেই সহজ!
কিন্তু কথা হলো এইসব কি আসলেই কবিতা? কবিতার কি কোন অর্থ থাকবে না? লিখে দিলেই হলো! উত্তরাধুনিক আর অ্যাবসার্ড বলে একটা কিছু লিখে দিলেই হলো!
আসলে সবচেয়ে ভাল উত্তর আসলে দিতে পারবেন আমাদের পত্রিকাগুলোর সাহিত্য সাময়িকীর সম্পাদকরা। পাঠক হিসেবে আমরা আর কী করতে পারি...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/22110 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/22110 2006-10-21 10:12:06
মহীনের ঘোড়াগুলি মহীনের ঘোড়াগুলির গানও ঠিক তেমন। আমার ভাই শুনেছে। আমি শুনছি। আমার ছোট ভাইটিও তাদের গানের মায়াজালে পড়েছে । গৌতমদের সেই গান অবশ্য এখন নতুন করে কলকাতার অনেক ব্যান্ড গাইছে। আমার মুগ্ধতাতো ওই লিরিকে। এ কারনে যারাই করুক খারাপ লাগছে না। তার ওপর - ভুমি, ক্যাকটাস, চন্দ্রবিন্দুর গানও দারুন লাগে। তাদের সঙ্গে ক্রসউন্ডসও এখন নতুন করে গাইছে মহীনের ঘোড়াগুলির গান। এই ব্যান্ডগুলোর মৌলিকগানগুলোও দুদর্ান্ত! লিরিক নির্ভর গানের সুরও হদয় ছুয়ে যায়!
আমাদের ব্যান্ড ইতিহাসটাও একেবারে নতুন নয়। কিন্তু রেঁনেসা আর সোলস ছাড়া লিরিক নির্ভর গান খুব একটা উপহার দিতে পারেনি! এল আর বি'র আইয়ুব বাচ্ছুর একটা গান শোনলাম ওইদিন - লিরিকটা এরকম তুমি যদি আমার লাইলি হও . আমি হবো বন্ধু মজনু তোমার .... দুজনে হাত ধরাধরি এসে প্রেম করি!!! বাচ্ছু ভাইয়ের মতো একজন বস পাবলিকের মুখে এমন সস্তা গান শুনে হতাশ না হয়ে পারা যায় ? খুব বেশি কমার্শিয়াল হয়ে গেছে আমাদের ব্যান্ডগুলো। এ নিয়ে আরেক দিন ।
এখন চলুন শুনি মহীনের ঘোড়াগুলির গান। অনলাইনে তাদের গান শুনতে চাইলে লগ ইন করুন এই তিনটি লিংকে
evsjv wgDwRK-1
evsjv wgDwRK-2
Ggwc-3
সঙ্গে অনলাইন থেকে পাওয়া মহীনের ঘোড়াগুিলকে নিয়ে অসাধারন একটা লেখা, ইমেজ ফাইল করে তা তুলে দিলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/19410 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/19410 2006-09-19 06:53:40
কবিকে দেখে এলাম....
যখন পেঁৗছলাম, তখন শহীদ মিনারের আশপাশ সত্যিকার অর্থেই লোকে লোকারণ্য। বাংলা ভাষার সৈনিক, দেশের প্রধান কবি শামসুর রাহমান শহীদ মিনারে এসেছেন সকাল 10টা 25 মিনিটের দিকে। তার আগেই হাজির হয়ে গিয়েছিলেন কবির ভক্তরা। সময় যতো গেছে, রোদের প্রখরতা যতো বেড়েছে, বেড়েছে মানুষের ভিড়ও। গণিত ভবনের দিক থেকে ঢুকতে গিয়েই দেখলাম একটা টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। বলছিলেন কবির সঙ্গে তার নানা স্মৃতির কথা।

একটু এগোতেই দেখলাম শিল্পী হাশেম খানকেই। তিনি বলছিলেন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে কবির ভূমিকার কথা। আর তখন লাইনে দাঁড়িয়ে গেছেন কবির ভক্তরা। উদ্দেশ্য চিরনিদ্রায় শায়িত কবিকে এক নজর দেখা। সেই লম্বা লাইন একেবেঁকে এতো লম্বা হয়ে যায় এক মাথা থেকে আরেক মাথা দেখা যাচ্ছিল না। কিছুক্ষণ পর অবশ্য লাইন আর একটা থাকেনি। স্রোতের মতো মানুষ এসেছে...।

আসলে সেই মানুষের স্রোতে কে ছিলেন না? সৈয়দ হক, শাহরিয়ার কবির, জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী থেকে শুরু করে পুরনো ঢাকার ঘুরি ওড়ানো ফেডারেশন, আদিবাসী সংগঠন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা কবি আর সর্বসাধারণ, রাজনীতিবিদ সবাই দাঁড়িয়েছেন লাইনে। চোখের জল ফেলে শামসুর রাহমানকে জানিয়েছেন ফুলেল শ্রদ্ধা। এসেছিলেন কবির গ্রাম পাহাড়তলীর কিছু তরুণও।
আসলে সব মত যেন এক হয়ে মিশেছিল আজ শহীদ মিনারে। মঞ্চে তখন রামেন্দু মজুমদার বলে যাচ্ছিলেন কবির তো আসলে মৃতু্য হয়নি; কবির মৃতু্য হয় না। 80টির বেশি কাব্যগ্রন্থদিয়েই বেঁচে থাকবেন তিনি।
শুধু কি কবিতাতেই সীমাবদব্দ ছিলেন তিনি? আরেকটু যোগ করলেন লেখক শাহরিয়ার কবির, 'এতো কম কথা বলা একটা মানুষ ছিলেন তিনি, কখনোই কথা বলে বোঝা যায়নি তার ভেতরে এতো আগুন! কবিতার মধ্য দিয়েই সেই আগুন ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। আমাদের প্রতিটি আন্দোলনে আমরা পেয়েছি তাকে। স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণঅভু্যত্থান, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন কোথায় ছিলেন না তিনি?'
সত্যিই আরেকটা শামসুর রাহমান আর হয়তো পাবো না আমরা।
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি 12টা 35 মিনিট। কবি কিছুক্ষণ পরই শেষবারের মতো ছাড়বেন শহীদ মিনার। লাইনে দাঁড়িয়ে গেলাম। দেখলাম সাদা কাফনে জড়ানো কবিকে। কবি ঘুমিয়ে আছেন!
এরপর ঘুমন্ত কবি উঠে এলেন ভক্তদের কাঁধে। কাঁধে চড়েই তিনি গেলেন প্রিয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। আমাদের কৃষ্ণপক্ষে রেখে কবি তখনও ঘুমে!
কবিকে রেখে চলে এলাম...হাঁটা ধরলাম শাহবাগের দিকে। মনটা কেমন যেন বিষাদে ভরে আছে। গলার কাছে কস্ট আটকে গেছে। আমি কিছুতেই তা এড়াতে পারছি না। বলেও বোঝাতে পারছিনা! কবি আমার কি হন? রক্তের কেউ? না তো। তাহলে?
চারুকলার সামনে এসেই নিজের মন থেকে উত্তর পেলাম শামসুর রাহমান তো স্বজনের চেয়েও বেশি কিছু।
সত্যিই এটা মৃতু্য নয়, এমন মরণেরও অন্য মানে আছে...

.................................
শুক্রবার, দুপুর 2.40 মিনিট।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/16779 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/16779 2006-08-18 06:03:06
শামসুর রাহমান আর নেই http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/16717 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/16717 2006-08-17 08:49:46 অনেক দিন পর..... লেখা হয়ে যায় আমাদের রুপকথা
আমরা দুজন চেয়ে থাকি অপলকে
দুজনের দিকে ; চারদিকে নীরবতা।
............................................................
অনেক দিন পর আবার পোস্ট করলাম। ব্লগেই ছিলাম। কিন্তুকোন কিছু পোস্ট করিনি । করতে পারিনি অনেক দিন হলো। না লিখতে লিখতে মরিচা পড়ে গেছে!!! অনেকগুলো বিষয় মাথায় ঘুরছে.... এবার দেখি লেখা যায় কিনা।
'''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
আজ রাতে আমরা ঘুমাবো না
স্বপ্নের বৃস্টিতে ভিজবো
আজ রাতে আমরা জেগে থাকবো
স্বপ্নের ঠিকানা খুজবো....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/15297 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/15297 2006-08-03 04:58:52
অভিমান পর্ব-1 হুমকি মোরে দিছ ?
কেডা তোমায় মানা করে
চইল্যা যাওনা..... হ্যাচ্চো

আরে আরে ঠাট্টা.... সেও
সেও সত্যি ধইরা নিছ?
আচ্ছা বাবা কান ধইরাছি
আর কবো না..... হ্যাচ্চো]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12808 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12808 2006-07-02 04:01:09
প্রিয় দল বাদ পড়ার সুবিধা তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই । কেননা, এখন মন দিয়ে বিশ্বকাপ উপভোগ করা যাবে।আর ইংল্যান্ড তো আছেই !!
আবার এই বিশ্বকাপ খেকে আর্জেন্টিনার অর্জনও কম নয় ! সবচেয়ে বড় অর্জন মেসি ........ আগামী বিশ্বকাপে আসতাছে এই নতুন ম্যারাডোনা .. অপেক্ষায় থাকলাম !!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12705 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12705 2006-06-30 14:11:09
চলো যাই... ..............................
এ-শহরে তোমার আমার জন্যে কোথাও ফাক নেই
একটু সবুজ কিংবা পাখির একটু উদাস ডাক নেই
এ- শহরে ফুলের আশা ? হায় দুরাশা ! কন্যা,
তারচে' চলো যাই, যেখানে লাল- সবুজের বন্যা !]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12572 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12572 2006-06-28 12:45:31
কথায় কথায়.... কিছু কথা রেখে দেবো হাতের মুঠোয়
তারপর একদিন সুযোগ পেলে
তৃষ্ণার লাল রেনু নিজের ঠোটে
মেখে নিয়ে ছাপ দেবো তোমার দুটোয়...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12504 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12504 2006-06-27 15:07:11
বয়সের পিছুটান নেই ... প্রেম করবার, হাত ধরবার
বয়সের পরে আর পারবে না
আহারে বয়স ! বয়সের পিছু টান নেই !]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12457 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12457 2006-06-27 05:16:11
মধ্যরাতের কবিতা.... হয় সিস্টেমে
ফাক হচ্ছে
আর ভাইরাস ছড়াচ্ছে ....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12432 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12432 2006-06-26 16:16:10
স্বপ্নযাত্রা.... আমি নিজেও এরমধ্যে কোন অর্থ খুজতে রাজী নই !!!
.................................................................................
1.
তারপর ও আমি দেখছি, বুনছি স্বপ্ন
2.
উড়ছি হাওয়ায় ,বলছি ভাল আছি
3.
চাওয়া গুলো শেষ, স্বপ্ন নিশ্বেষ
4.
বেদনা বুকের ভেতর, স্বপ্নেরা কাতর
5.
চলছি আমি একা , চেনা পথ আকা বাকা
6.
কথায় কথায় এতো দুর, হবেনা হয়তো ভোর
7.
স্বপ্নডানায় ভেসে, যাচ্ছি অচিন দেশে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12348 http://www.somewhereinblog.net/blog/aaponblog/12348 2006-06-25 16:28:01