[রং=ৎবফ][গাঢ়]..... জান্নাতের হুর .....[/গাঢ়] [/রং]
২৯ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ২:১২
জান্নাতে তাদের জন্য সত্তরটি সুসজ্জিত পালংক এবং প্রতিটি পালংকে একজন করে হুর থাকবে। তাদের প্রত্যেকের দেহে সত্তর ধরণের অলংকার থাকবে। সে অলংকারের ভিতর দিয়ে তাদের হাড় ও হাড়ের মগজ দৃষ্টিগোচর হবে।
হুরদের মাথার একটি কেশও যদি এ দুনিয়ায় এসে পড়ত, তবে তার আলোতে দুনিয়াবাসী আলোকিত হয়ে যেত। হুরদের সাথে যতই যৌন মিলন করা হবে ততই তাদেরকে নবতর কুমারীর ন্যায় অনুভূত হবে।
হুযুর পুর নূর (ছ
এরশাদ করেন- সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ হুরদের মুখমন্ডল লাল, সাদা, সবুজ ও হলুদ বর্ণের সংমিশ্রণে এবং দেহ মেশ্ক, জাফরান ও কাফুর দিয়া তৈরী করেছেন। মাথার কেশরাজী লমঙ্গ দিয়ে, পদতল থেকে হাঁটু পর্যন্ত সুগন্ধি জাফরান দিয়া, বক্ষস্থল থেকে ঘাড় পর্যন্ত মেশক আম্বর দিয়ে এবং ঘাড় থেকে উপরাংশ বিশুদ্ধ কাফুর দিয়া তৈরী করেছেন। তাদের কেউ যদি দুনিয়ায় মাত্র এক ফোঁটা থুথু ফেলত, তবে সারা দুনিয়া মেশ্কের সুবাসে মোহিত হয়ে পড়ত।
এসব হুরের বক্ষস্থলে তাদের নিজ নিজ স্বামীর নাম এবং আল্লাহ পাকের নাম অন্কিত থাকবে। তাদের বক্ষস্থল দৈর্ঘ ও প্রস্থে এক ক্রোশ পর্যন্ত প্রশস্ত হবে।
--------------------------------------------------------------------------
সূত্র ঃ দাকায়েকুল আখ্বার ।। ইমাম গায্যালী (রহঃ)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
হুরের বক্ষদেশে কয়েকটি বিশালকায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করিয়া মনের আনন্দে ক্রিকেট খেলিবার আয়োজন করা যাইবে বুঝিয়া বড়ই প্রীত হইলাম। হুরোষ্টেডিয়ামে মোল্ললাদের দাপট থাকিয়া যাইবে কিন্তু খেলা তো খেলাই।
অতিথি বলেছেন:
সেইটাও আমার চিন্তা , ঐখানে কি ফুটবল ক্রিকেট অিাসব খেলন লাগবো নি!
অতিথি বলেছেন:
কেমনে কি?
অতিথি বলেছেন:
দ্্বিতীয় প্যারার শেষ লাইনটা খিয়াল কইরা @ যীশূ
অতিথি বলেছেন:
এই যে হুরের বর্ণনা,এই যে বেহেশতের বর্ণনা,
এই যে জি্বনসকল আর আলাহর দরবারের বর্ণনা,
এই নি:স্ব রিক্ত, দরিদ্র মানুষদেরকে ইহকালে কিছু না থাকার বিনিময়ে পরকালে সব পাইয়ে দেয়ার অসীম আশ্বাস....
কতটা বুদ্ধি হলে মানুষ বুঝে যে, এসব ছেলেভুলানো রূপকথা!!!!!!!!!!!!
অমনিবাস বলেছেন:
আচ্ছা কেউ কি কইতে পারেন নীচের দিকের কথা কি বলা আছে? সাতার কাটা যাইব?
অতিথি বলেছেন:
[গাঢ়]সর্বনাশ!!![/গাঢ়]
অতিথি বলেছেন:
আর কইয়েন না অ. বাঙালী- তাইলে দাড়ি রাইখা হুজুর হইয়া ওয়াজ করা শুরু কইরা দিতে পারি!
অতিথি বলেছেন:
আচ্ছা এমন কোনো সিস্টেম কি থাকব যে বেহেশতের 70টা হুর না নিয়া আমি যদি পৃথিবী থেকে 70টা নারী আমার পছন্দমতো বাছতে পারি।
অতিথি বলেছেন:
সাকিব, আমার কথা আপনার বেস-লেস মনে হলো।আর হুরের এই আশ্বাস, মরার পর মরদেহ জিন্দা হয়ে বেহেশতে উড়াল দিয়ে আপনি ভোগ করতে পারবেন, এটা বেস-লেস মনে হলো না?
আপনার বেসটা কী?
রবিনহুড বলেছেন:
এক ক্রোশ তো আমার হাতে বেড় আসে না... তাই চিন্তাই আছি... কি করমু.... বুদ্্বি পাইছি... বক্ষের উপরে উইঠা পাড়াইতে থাকমু.... দেখেন না .. বেকারীতে বেশী ময়দা কি ভাবে মাখায়...
অংকন বলেছেন:
বড়ই সৌন্দর্য
অতিথি বলেছেন:
যত্তোসব!!!
অতিথি বলেছেন:
কি যত্তোসব ? @ স. উ . ত
অতিথি বলেছেন:
আল্লাহ তো হুর দেরকে এজন্য বানাবেন না যে, বেহেশত বাসীরা বিপদে পড়ে যাবে, আপনার বর্ণনা একটু হলেও ভয়ঙ্কর। আর আমি হুর নিয়ে যতো কুরআন হাদিস পড়েছি তাতে "এক ক্রোশ বক্ষ" এর মতো কিছু পাই নাই।
অতিথি বলেছেন:
জনাব স.উ. তরঙ্গ,এটা আমার বর্ণনা না , ইমাম গাযযালি (র
শমশের আলম বলেছেন:
বক্ষস্থল এক ক্রোশ খাইছে। নিপল সাইজ কেমন হইব, পাব্লিকে তো হাতাইয়া মজা পাইব না
আন্ধার রাত বলেছেন:
প্প্বপ্প্বেষপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্বঙ্প্প্ব্ত্র প্প্বগ্গপ্প্ব্লপ্প্ম েপ্প্ব্তপ্প্মপ্প্বেজ্জ.................
এখনও গল্প লিখি বলেছেন:
@সে অলংকারের ভিতর দিয়ে তাদের হাড় ও হাড়ের মগজ দৃষ্টিগোচর হবে।এটা তো ভয়ংকর । সুন্দর কোথায়?
অবজারভার বলেছেন:
ভণ্ডামিরও একটা সীমা থাকা দরকার।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
বিশাল বক্ষ (এক ক্রোশ!!!)
জামালiiuc বলেছেন:
দ
জামালiiuc বলেছেন:
ব্লগে বসে এসব অর্থবদের সাথে সময় ব্যয় করাটা এই লেখাটা এবং এর মন্তব্যগুলো পড়ে অনর্থক মনে হল। তাই ব্লগ থেকে বিদায়।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
" বক্ষস্থল দৈর্ঘ ও প্রস্থে এক ক্রোশ পর্যন্ত প্রশস্ত হবে। "
... এলিয়েন মনে হৈতাসে
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















বক্ষ যদি এক ক্রোশ পর্যন্ত প্রশস্থ হয় তবে ঘটনা ঘটিবে কেমন করিয়া, এবং আমাদের আলেম সমাজ উহা সামলাইবে কেমন করিয়?
কামের কাম নাই, আকামের দোকানদারী। ওই মিয়া মাওলানাগো এই সকল কথায় ইসলামের বারোটা বাজানোর জন্য যথেষ্ট নয় কি?