নারী দাসী বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে নারী রানীও বটে।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মধ্যবর্তিনী)।
বিশ্বকবি রবীঠাকুরের সমস্ত রচনাবলীতে এমনইসব "গোল্ডেন ওর্য়াড" ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। যা সূর্যের মত সত্য, তেজোদীপ্ত এবং অলঙ্ঘনীয়া।
বোধোদয় থেকেই অসংখ্যবার রবীন্দ্রনাথ পড়েছি। যতই পড়েছি, ততই বিস্মিত হয়েছি। এমন প্রতিভাধর কবি, সাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, গল্পকার, অভিনেতা, শিল্পী, পিতা এই উপমহাদেশে দ্বিতীয়টা জন্মাবে কিনা জানিনা। বিশ্বকবির যে সকল লেখা এযাবত আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে সেগুলো থেকে পাওয়া কিছু অভিব্যক্তি আমি এই লেখনীতে উপস্থাপন করার দুঃসাহস দেখালাম। আশাকরি আপনাদের ভাল লাগবে।
**********০*********
যে লোক পরের দুঃখকে কিছুই মনে করে না তাহার সুখের জন্য ভগবান ঘরের মধ্যে এত স্নেহের আয়োজন কেন রাখিবেন।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (দুর্বুদ্ধি)।
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমস্যাপূরণ)।
হঠাৎ একদিন পূর্নিমার রাত্রে জীবনে যখন জোয়ার আসে, তখন যে একটা বৃহৎ প্রতিজ্ঞা করিয়া বসে জীবনের সুদীর্ঘ ভাটার সময় সে প্রতিজ্ঞা রক্ষা করিতে তাহার সমস্ত প্রাণে টান পড়ে।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মধ্যবর্তিনী)।
নারী দাসী বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে নারী রানীও বটে।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মধ্যবর্তিনী)।
মনে যখন একটা প্রবল আনন্দ একটা বৃহৎ প্রেমের সঞ্চার হয় তখন মানুষ মনে করে, ‘আমি সব পারি’। তখন হঠাৎ আত্নবিসর্জনের ইচ্ছা বলবতী হইয়া ওঠে।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মধ্যবর্তিনী)।
সংসারের কোন কাজেই যে হতভাগ্যের বুদ্ধি খেলে না, সে নিশ্চয়ই ভাল বই লিখিবে।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(সম্পাদক)।
যে ছেলে চাবামাত্রই পায়, চাবার পুর্বেই যার অভাব মোচন হতে থাকে; সে নিতান্ত দুর্ভাগা। ইচ্ছা দমন করতে না শিখে কেউ কোনকালে সুখী হতে পারেনা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (কর্মফল)।
সামনে একটা পাথর পড়লে যে লোক ঘুরে না গিয়ে সেটা ডিঙ্গিয়ে পথ সংক্ষেপ করতে চায়-বিলম্ব তারই অদৃষ্টে আছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (কর্মফল)।
বিধাতা আমাদের বুদ্ধি দেননি কিন্তু স্ত্রী দিয়েছেন, আর তোমাদের বুদ্ধি দিয়েছেন; তেমনি সঙ্গে সঙ্গে নির্বোধ স্বামীগুলোকেও তোমাদের হাতে সমর্পন করেছেন।- আমাদেরই জিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (কর্মফল)।
বিয়ে করলে মানুষকে মেনে নিতে হয়, তখন আর গড়ে নেবার ফাঁক পাওয়া যায় না।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(শেষের কবিতা)।
লোকে ভুলে যায় দাম্পত্যটা একটা আর্ট, প্রতিদিন ওকে নতুন করে সৃষ্টি করা চাই।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(শেষের কবিতা)।
পূর্ন প্রাণে যাবার যাহা
রিক্ত হাতে চাসনে তারে,
সিক্ত চোখে যাসনে দ্বারে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শেষের কবিতা)।
সোহাগের সঙ্গে রাগ না মিশিলে ভালবাসার স্বাদ থাকেনা- তরকারীতে লঙ্কামরিচের মত।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (চোখের বালি)।
সাধারনত স্ত্রীজাতি কাঁচা আম, ঝাল লন্কা এবং কড়া স্বামীই ভালোবাসে। যে দুর্ভাগ্য পুরুষ নিজের স্ত্রীর ভালোবাসা হইতে বঞ্চিত সে-যে কুশ্রী অথবা নির্ধন তাহা নহে; সে নিতান্ত নিরীহ।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মনিহারা)।
যারে তুমি নিচে ফেল সে তোমাকে বাঁধিবে যে নিচে।
পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
মনেরে আজ কহযে,
ভালমন্দ যাহাই আসুক, সত্যেরে লও সহজে।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (বোঝাপড়া-কবিতা)।
আশাকে ত্যাগ করলেও সে প্রগলভতা নারীর মত বারবার ফিরে আসে।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
দূঃখের বরষায় চক্ষের জল যেই নামল
বক্ষের দরজায় বন্ধুর রথ সেই থামল।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
আমার অন্যান্য পোষ্টসমূহ....
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় + তসলিমা নাসরিনের ঝুলি থেকে!
সমরেশ মজুমদারের ঝুলি থেকে!
একগুচ্ছ হুমায়ুন আহমেদ!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



