আমার প্রিয় পোস্ট

যায় উড়ে যায় অনেক দূর...............

পুরনো জমাট বাঁধা রোজনামচা

২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৪

শেয়ারঃ
0 0 0

দো'তলা বাসের উপর তলার একদম সামনের সীটটা পেয়েছি আজকে। আমাদের প্রিয় সীট। এখানে বসলেই কেমন যেন মনে হয় টুরিস্ট বাসে করে শহর দেখতে বের হয়েছি। বেশ একটা মজার অনুভূতি। যাক, ভালই হল!

বাসটা যাচ্ছে তো যাচ্ছেই।

অবশ্য যাবারই কথা। লাস্ট স্টপ সেই হাউগাং। আমাদেরই নেমে পড়ার কথা ছিল বুগিস এর কাছে কোথাও। কিন্তু নামা হল না। এখন বাসের এরকম অবিরাম চলতে থাকা নিয়ে ভাবনাটাই অবান্তর। ইদানীং সবকিছুতেই বেশ একটা ফিলোসফিকাল ভাব চলে আসে। তাই মনে হয় এমন মনে হল।

'কি রে, কি ভাবছিস?' - তোর হঠাৎ প্রশ্নে ঘোর কাটল।

'বাসটা কেমন চলছে তো চলছেই, দেখলি?' - আমি বেশ একটা ভাব নিয়ে বলি।

'বাস তো চলবেই! আর একনাগাড়ে কই চলল? মাঝে-মাঝেই তো থামছে আর রোবটের মত মানুষ উঠছে-নামছে। তুই ঠিক আছিস?'

'কি জানি!'

তুই আর কথা বাড়ালি না। আমার ঠিক থাকার ঠিক কথা না। হাতে সময় কমে আসছে খুব দ্রুত। ঠিক থাকলে বুগিস ছাড়িয়ে এখন ল্যাভেন্ডার ক্রস করে এতদূর চলে আসতাম না হয়তো কোন কারণ ছাড়া। যেখানে নামার কথা ছিল, সেখানে বাসের বেল বাজানোর আগে আগে হয় তো বলে বসতাম না, 'চল না আজকে হাউগাং পর্যন্ত চলে যাই!' তুই-ও কি ঠিক আছিস? মনে হচ্ছে না। ঠিক থাকলে তখনই বাসের বেল বাজিয়ে দিতি। আমরা তাহলে আর এখন হাউগাঙের পথে থাকতাম না। হয়তো এতক্ষণে বুগিসের রাস্তায় হেঁটে বেড়াতাম বা উঠে যেতাম অন্য কোন অচেনা বাসে।

হাতে সময় কমে আসতে থাকলেই বোধ হয় এরকম পাগলামী মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে হুট করে। আমার এক বন্ধুর একটা লাইন মনে পড়ে গেল - 'পাগলামী, ঘুরে ফিরে'।

যা হোক, গল্প করার এমন সুযোগ হাতছাড়া করার কোন মানে হয় না। সেটা আমার 'বকরবাজ' স্বভাববিরুদ্ধ। রেপুটেশান বলে কথা! আমার তাই পুরনো-নতুন নানান গল্প মনে পড়ে যেতে থাকে, মুখ নিশপিশ করতে থাকে, যেন এগুলো এই বাসযাত্রায় না শেয়ার করলেই না! তাছাড়া হাতে সময়ও খুব কম। আবার কবে দেখা হয়!

'জানিস, এক দিন কি হয়েছে? আমরা পুরনো বন্ধুরা সব আড্ডা দিচ্ছি, হঠাৎ আমার ইয়া লম্বা পাগলাটে বন্ধু তূর্য এসে কখন যে পিছন থেকে আমার মাথায় সিগারেটের ছাই ফেলে চলে গেছে, আমি টেরই পাইনি! আশে-পাশের সবার হাসি শুনে পরে টের পেলাম। এই রকম বাটু হওয়াই বিপদ! কি একটা বেইজ্জতি, বল!'

'হুমমম...এইটা এর আগেও একবার বলেছিস।' - তোর গলায় স্পষ্ট বিরক্তি আর হাল ছেড়ে দেবার সুর।

'মাত্র একবার শুনেছিস? গুড। তাহলে আরো কয়েকবার বলা যাবে এখনো।' - আমার উৎসাহে কোন ভাটা পড়ে না।

তোর একটা দীর্ঘশ্বাসের শব্দ পেলাম। কিন্তু সেটায় বিচলিত হবার প্রশ্নই আসেনা। না শোনার ভান করে আবার নতুন উদ্যমে শুরু করলাম।

'জানিস, আরেকবার কি হয়েছিল? ক্যান্টিনের সামনে বসে আছি আমি আর আমার দুই পুরনো বন্ধু। তিনজনে বসে খুব আয়েশ করে চটপটি খাচ্ছিলাম। আহা! শহীদ ভাইয়ের হাত ছিল মাশ'আল্লাহ একখান! ঢাকার বেস্ট চটপটি বানাতেন। তো সেদিন কি হল শোন -'

'আচ্ছা, তোর সেই বন্ধুগুলো তখনো কি 'পুরনো' ছিল?' - আমাকে মাঝপথে থামিয়ে হঠাৎ তোর প্রশ্ন।

মুহূর্তের জন্য মনে হল বাসটা যেন দুলে উঠল। আমি কি বলব বুঝতে পারলাম না। খুব কম সময়ই আমার মত কোন চ্যাটারবক্স বাকরুদ্ধ হয়ে যায় এমনভাবে। আজকে দিনটাই কেমন যেন। সবকিছুতেই অন্য রকম একটা ভাবের ভাব।

'না, ছিল না। তখন ওরাই শুধু বন্ধু ছিল। ওদের ঘিরেই ছিল গোটা দুনিয়া।' - একটু সময় নিয়ে উত্তর দিলাম।

'এই এখন যেমন আমরা বন্ধু? আমাদের নিয়েই আমাদের পৃথিবী? এরকম ছিল?' - তুই হঠাৎ কেমন যেন ক্ষ্যাপাটে হয়ে গেলি।

এর উত্তর আমি কী দেব? হুট করে তুই কেন এসব বাজে বকা শুরু করলি? কী লাভ? কিন্তু আজকে দিনটাই পাগলাটে আর সময়টাও বিটকেলে ভাবে তাড়াতাড়ি করে কই যেন চলে যাচ্ছে। এরকম সময়ে এরকমই হয় হয়তো।

'আচ্ছা, তুই এই যে সারাদিন তোর পুরনো বন্ধুদের গল্প করিস, ক'দিন পরে আমাকে নিয়েও এমন গল্প করবি, না? তোর অন্য কোন 'নতুন' বন্ধুর কাছে? তখন আমিও তোর 'পুরনো' বন্ধু হয়ে যাব, না?'

বাসটা চলতেই থাকে। মাঝখানে শুধু হঠাৎ হঠাৎ করে কারো কারো নেমে যাবার প্রয়োজন পড়ে। বেল বেজে ওঠে, সাথে স্ক্রীনে লেখা ওঠে 'BUS STOPPING'। আমাদের পাশ কাটিয়ে কেউ কেউ নেমে চলে যায় তাদের গন্তব্যে। আবার দূর থেকে হাত বাড়িয়ে থাকা কেউ কেউ তড়িঘড়ি বাসে উঠে পড়ে আমাদের পাশ কাটিয়েই বসে পড়ে কোথাও বা দাঁড়িয়ে যায়, যেমন আমরাও করি প্রতিদিন। কিন্তু আজকের দিনটা অন্যরকম। আজ সময় নেই একদম। আরো একটা বাস দাঁড়িয়ে আছে অপেক্ষায়। তাই সময়টাকে ধরে রাখার যাবতীয় চেষ্টা চলতে থাকে ক্রমাগত। হঠাৎ করেই বুকের জমাট বাঁধা উথাল-পাথাল কষ্ট বের হয়ে আসতে চায়। আর সময় দ্রুত শেষ হয়ে আসে। তবে হাউগাং এখনো অনেক দূর।




[প্রিয় নজমুল আলবাব ভাইয়ের ছোট গল্প পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে।]

 

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১১:৪১
নজমুল আলবাব বলেছেন: একটানে পড়লাম। আর শেষে এস লজ্জা পেলাম। এত ভাল গল্প তার লেজে আমার নাম কেন?

মাশীদের জন্য অনেক উল্লাস।
এভাবে আমরা আমাদের তারুন্যে বন্ধুদের শুভেচ্ছা জানাতাম।
২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১১:৫৫
অতিথি বলেছেন: জব্বর লিখছিস। নস্টালজিয়া জেঁকে বসেছে একেবারে।
৩. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:২৫
অতিথি বলেছেন: মেয়ে তুমি মানুষ ভালো না। মন খারাপ করায়ে দাও।
৪. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১:৪৪
ফরিদ বলেছেন: এইটা সিঙ্গা নাকি? দেখতে বিল্ডিং বাদ দিলে লন্দন লন্দন লাগে
৫. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:০৪
অতিথি বলেছেন: 1.
দোস্ত তুই মাইর খাবি। বহুত দিন লাথথি খাস নাই, এইটার পাশর্্ব প্রতিক্রিয়া এই পোস্ট।

তুই তো মহাঅপরাধে অপরাধী।

প্রথম অপরাধ হইলো সেই দিনকার সময়গুলারে 'পুরান' বানায়ে দিসস।

দ্্বিতীয় অপরাধ হইলো, টাটকা রোজনামচারে কস 'জমাট বাধাঁ'।

নাহ ইন্দ্রর খেপে ওঠার যথেষ্ট কারন বুঝি। বিচক্ষন ছেলে! আগেই টের পাইছে!!

2.
ইদানিং তোর সব কিছুতে ফিলোসফিক্যাল ভাব চলে আসার লক্ষন তো সুবিধার না। কয়েকদিন বিটার গ্রাউড নাইলে করলা রাইন্ধা খা, টানা!

3.
আজকে সকালে এমআরটি চেপে এক্সপোতে আসতে আসতে মিনি কুপারের শো রুমের সামনে দিয়া আসতে গিয়া কার কথা যেন মনে হইলো! কে যেন বলতো কুপার গাড়ি তার খুব পছন্দের!!
৬. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:০৫
অতিথি বলেছেন: 4.
বলতেই ভুলে গেলাম কচু! রোজনামচা ভালো লাগছে।
৮. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: চমৎকার লেখা! 5 দিলাম।
৯. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:২৯
মাশীদ বলেছেন: ধন্যবাদ অপুভাই, আপনার যে কোন ছোট গল্প পড়েই খুব ইচ্ছে করে তেমন কিছু লিখতে। [লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/ঘধলসঁষঅষনধননষড়ম/ঢ়ড়ংঃ/28703722বেলাদিকে[/লিংক] নিয়ে লেখা পোস্টটা পড়ে সে ভাবনা আকাশ ছুঁয়ে গেল। চেষ্টা করলাম নিজের মত একটা ছোট গল্প লিখতে। অনেক ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য, ভাইয়া।

সুমন, স্বরহীন, ফরিদ, কনফুকে অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য।

আনোয়ার সাদাত শিমুল ভাইকেও অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য। আপনার সব লেখা এখনো পড়িনি। জমিয়ে রাখি কোন ক্ষরার জন্য। যেগুলো পড়েছি, সেগুলো পড়েও খুব লোভ হয়েছিল লিখবার। ভাল থাকবেন।

সাদিক্যা,
1. আমার এতদিনের একটা সমস্যা ছিল যে যা-ই লিখি সেটা পারসোনাল হয়ে যায়। এই কারণে ছোট গল্প লিখব ভেবেও লেখার কিছু পাইনি বহুদিন। এই প্রথম কিছু বাস্তব আর কিছু বাস্তব ঘ্যাষা কল্পনা মিলিয়ে একটা লিখলাম। মুহম্মদ জাফর ইকবালের একটা বইয়ে একবার পড়েছিলাম - চাপা মারতে হয় সত্যের কাছাকাছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তুই পুরোটাই লিটরেলি নিলি। তুই যে কেন এত বেশি বুঝিস? শালা মদন! আমার মনটাই খারাপ হয়ে গেল। তুই বুঝতেই পারলি না যে পুরো গল্পটা লেখার অনুভূতিটা হয়তো একদিনের না, কোন 'একটা' ফেলে আসা সময়ের জন্য না, বা একজন ফেলে আসা বন্ধুর সাথে কথোপোকথন থেকে না। কম বন্ধুকে তো আর বিদায় দেইনি এ জীবনে! এ গল্পটার কিছু কথা হয়তো বানানো, বাকিটার কিছু হয়তো হয়েছিল দেশে ফেলে আসা কোন বন্ধুর সাথে, কিছুটা হয়তো সিঙ্গাপুরে, কিছুটা হয়তো যাদের ফেলে এসেছি তাদের সাথে, আবার বাকিটা হয়তো যারা আমায় ফেলে গেছে তাদের সাথে। যারা চলে গেল, সেই চলে যাবার সময়েও 'সময়' তো আমার চলে যাবার মতই কম ছিল। ডায়ালগগুলোর কিছু হয়তো বানানো, কিছু আসলেই হয়েছিল বাংলায়, আর কিছু হয়তো অন্য ভাষায় (যেমন - তোদের সাথে কিছু কথা বাংলায় আবার টিনাকে বিদায় দেবার আগে-আগে এখানের কিছু কথা হয়তো ইংলিশে হয়েছিল, তোকে চোখে আঙুল দিয়ে না বললে তো আবার বুঝিস না বা বেশি বুঝিস)। তাই কিছু রোজনামচা টাটকা, কিন্তু তাতে আছে ফেলে আসা পুরনো রোজনামচার একই বেদনার পূর্বাভাস।

2. তুই মাইর আসলেই খাবি। আমি দূরে থাকলেও অনেক চ্যালা-চামুন্ডা ফেলে আসছি ভুলে যাস না। ব্যাটা, সারাদিন ধারে-পাশে বসে 'সুফি' 'স্পিরিচুয়াল' 'ফিলোসাফিকাল' আলোচনা চালিয়ে এসে এখন বলিস লক্ষণ ভাল না। তুই আসলেই একটা ভন্ড!

3. সাত-সকালে এক্সপোতে কি করিস? এত কথা না বাড়ায় একটা মিনি কুপার কিনে দে না? তুই না আমার পুরনো-নতুন-অল-টাইম বন্ধু?

4. ধন্যবাদ।

১০. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৩৫
মাশীদ বলেছেন: ধন্যবাদ অপুভাই, আপনার যে কোন ছোট গল্প পড়েই খুব ইচ্ছে করে তেমন কিছু লিখতে। [link|http://www.somewhereinblog.net/NajmulAlbabblog/post/28703722|
১১. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:২৭
আলী বলেছেন: বহমান জীবনের চলমান ছবি
১২. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৩১
আলী বলেছেন: অনেকদিন যাবত ব্লগ জমতাসে না [link|http://www.somewhereinblog.net/TMSblog/post/28703941|Avgvi GB
১৩. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৫২
মাশীদ বলেছেন: হঁ্যা, দেখেছি। ঠিক অজানা পাঁচ মুডে নাই এখন আর। কিন্তু ব্লগ অনেকদিন ধরে জমছে না কই? আমার তো বেশ লাগছে আজকাল। মাঝে-মাঝেই খুব ভাল কবিতা/ছোট গল্প থাকে। তোর কপি-পেস্টও আগের চেয়ে অনেক কম। এই তো চাই !

ভাল থাকিস।
১৪. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:২৪
অতিথি বলেছেন: বাংলায় ডায়েরী সাহিত্য খুব বেশি পরিচিত না মধ্যবিত্তের গোপন গোপন খেলাধুলার লেইগা...আমি নিজে ডায়েরী সাহিত্য ভালোবাসি...

ভালো লাগলো...
১৫. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:২৮
অঃরঃপিঃ বলেছেন: হাজার দূয়ারীর কবিতাটা পড়ার পর আবার এই ছোট গল্প। অসাধারণ আত্মকথণ। আমি তোর এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির পুরাপুরি সমর্থক। একদম ভিতর থিক্যা টান দিয়া বাইর কইরা আনতেছে লেখা। কিপ ইট আপ সিস
১৬. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:১৯
নজমুল আলবাব বলেছেন: জা.ভা. কি বল্লেন এইটা!......... গোপন গোপন খেলাধুলা। এইটা কি শুধুই আমাদের এইখানের নাকী? অন্য কোনখানে এমনটা নাই! তসলিমার মত কি আর কেউ হাটে হাড়ি ভাংতে পারছে?
১৭. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:২৩
মাশীদ বলেছেন: হা হা হা@আলবাব ভাই।

ভাস্করদা আর অমি ভাইজানকে অনেক ধন্যবাদ।
১৮. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:২০
অতিথি বলেছেন: আমার মাঝে মাঝে মনে হয় আমি একটা দ্রুতগামী ট্রেইনে চলছি। কত মানুষ একই ট্রেইনের যাত্রী হয়, আবার নেমে যায়। আমিও কি সুন্দর বিদায় দিয়ে দেই, ট্রেইন থেকে নেমে যাই না কারো সাথে। 'পুরানো'কে খুব অাঁকড়ে ধরতে চাই কিন্তু নতুনের কাছে ছুটে যাই! আপনার লেখা পড়ে মনে হলো, আরে এই কথাগুলো তো আমার বলার কথা ছিল! এত সুন্দর করে লিখতে পারতাম না বলেই আপনি লিখে ফেললেন। খুব ভালো লাগার মত একটা লেখা। অনেক ধন্যবাদ মাশীদ আপু।
১৯. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:৩০
অতিথি বলেছেন: গো এহেড... সুন্দর প্রাণবন্ত বর্ণনা। ভালো লেগেছে।
২০. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:৪৫
কালপুরুষ বলেছেন: মুগ্ধ চিত্তে পাঠ করলাম। এক কথায় ৎকার। দারুন ভাল লাগলো।
২১. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:৫৯
কালপুরুষ বলেছেন: "চম" আবার চামে থেইকা কই উধাও হইল? কেউ কী ফুৎকার দিয়া চমৎকাররে "ৎকার" বানায়া দিল নাকি? নাকি লেখা ভাললাগার অতি আবেগে কিছু ফালায়া গেলাম।
২২. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৪:২৭
অতিথি বলেছেন: তোরে বলি রেগুলার লেখ, শুনস তো না। জাতি লেখক হইলি তুই। চালায়া যা!
২৩. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০২
অতিথি বলেছেন: আমার নামের শেষে আবার 'ভাই' কেনো? বুঝছি - আপনাকে এখন থেকে মাশীদ আপু বলতে হবে!!
ফেভারিট লিংকে আমি! অনেক ধন্যবাদ!!!
২৪. ৩০ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:৪২
মাশীদ বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি, অন্ধকার ও কালপুরুষদাকে অনেক ধন্যবাদ।

গোধু, তুই মাইর খাবি।

আ সা শি, যান মিয়া, 'ভাই' বাদ দিলাম। অবশ্য 'আপু' ডাকে তেমন আপত্তি নেই । ইন ফ্যাক্ট ও নামেই বেশি পরিচিত ছিলাম চেনা গন্ডিতে এককালে। কই জানি একবার ভুলে নামও সাইন করে ফেলেছিলাম 'মাশীদ আপু'!
২৬. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ১০:৫২
অতিথি বলেছেন: দারুণ লিখছিস !
২৭. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১১:৫৬
অতিথি বলেছেন: রাত 4টা বাজে, অযথা ব্লগের পাতা উলটাচ্ছি...চোখ ছোট হয়ে আসছে, জোর করে টেনে রেখে পড়েই যাচ্ছি...তোমার কথা মনে হলো ক্যান জানি, পড়লাম। ....অনার্স ফাইনাল শেষ করে ফেললাম, ইউনিভার্সিটি ছাড়ার সময় কেমনে জানি দুম করে চলে এলো সামনে...আবার ছাড়তে হবে বন্ধুদের, এত্তগুলা বছরের আত্মার আত্মীয়দের...কেমন যেন ভাবতেও পারি না জানো?....মন-মাথা-জীবন সব আউলা লাগে, এই সময় তুমি এইটা কি লিখসো????
২৮. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:১৮
মাবরুকা তোয়াহা বলেছেন: একটুও বিরক্ত না হয়ে এত লম্বা লেখা খুব কম পড়েছি।
২৯. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩৯
মাশীদ বলেছেন: ধন্যবাদ প্রজাপতি আর মাবরুকাকে।
৩০. ২৫ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:২৫
অমিত আহমেদ বলেছেন: "সময়"... সবচেয়ে বড় বেইমান

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার সবকিছুই আবোল-তাবোল। কাজের থেকে অকাজের দিকেই বেশি ঝোঁক।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ