আমার প্রিয় পোস্ট
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- ধুমপায়ীরা আসলে কি খান? - ছায়ার আলো
- @ নবী-রাসূলদের সাথে তাঁদের জাতির লোকদের বিবাদ-সংঘাতের মূল বিষয়: তাওহীদ বা একত্ববাদ(২) - ফজলে এলাহি
- নারী নির্যাতন : একটি দুঃখজনক বাস্তবতা - আশরাফ রহমান
- ইসলামি উত্তারাধিকার আইন সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা - আওরঙ্গজেব
- নবীজি সা: অমর্যাদাকারীরা কেন মানবতার শত্রু - মাহিরাহি
- তুমি যে তোমারই তুলনা (উৎসর্গ - ইসলামের এক বীর সৈনিককে) - উম্মু আবদুল্লাহ
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- জ্বিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ফযীলত ও করণীয় @ ড.যাকারিয়া - ফজলে এলাহি
- একটি ছোট্ট পরিবার আর এক বখাটের কাহিনী। - মাহিরাহি
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- এই আমার দেশ! বাংলাদেশ - প্রশ্নোত্তর
- যুদ্ধাপরাধ কি, কারা যুদ্ধাপরাধী? - আবূসামীহা
- ৬৬ জালান সেনতোসা ... (পর্বঃ ৩) - আইরিন সুলতানা
- জীবনের প্রয়োজনে জীবন যেখানে পরাজিত।(চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- @তাওহীদুর্ রুবুবিয়্যাহর তাৎপর্য অনুধাবন (এক) - ফজলে এলাহি
- বাংলাদেশী ‘ডিয়াসপোরা’ ও জাতিসংঘে আমাদের পরিচয় উপস্থাপনা - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- ভুলতে পারি না সেই ২৮ অক্টোবরের কথা! - নতুন পৃথিবী
- ম্যাকে বাংলা লিখা এবং দেখা - নুর হাসান মুহাম্মদ তানভীর
- ব্লগানাস্তিক ও ব্লগাসেক্যুলারদের চিনে নিন - আওরঙ্গজেব
- বদর দিবস - মিজু
- সালাতের ফ্লোচার্ট
- এক পশলা বৃষ্টি
- আল্লাহর কাছে দোয়া করুন আল্লাহরই শেখানো ভাষায় - এক পশলা বৃষ্টি
- এ জার্নি টু দ্যা ট্রুথ - রাইয়ান
- উত্তম কাজের বিবিধ পন্থা বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের শিক্ষা - বইপাগল
- বাংলাদেশবিরোধী নানামুখী অপপ্রচার - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- আযানঃ অকল্পনীয় কিন্তু সত্য - আশফাকুর রহমান
- আমরা সভ্য হয়ে উঠছি কি? - অন্যরকম
- @কবরবাসীর পূজা কিংবা কবরের উপর প্রাসাদ নির্মাণ করা হারাম! (৩) - ফজলে এলাহি
- জীবনের শেষভাগে বেশী বেশী উত্তম কাজ করার প্রতি উত্সাহদানে কোরআন ও হাদীসের শিক্ষা - বইপাগল
- মুজাহাদা বা সাধনা সম্পর্কিত কোরআনের আয়াত ও হাদীসের শিক্ষা - বইপাগল
- শবে বরাত - ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১ম কিস্তি) - আব্দুর রহমান রাযীন
- আমার দাবীতে কোন অন্তঃসারশূন্যতা নেই, আমি আত্মপ্রবঞ্চকও নই -১ - মিজু
- আমার দাবীতে কোন অন্তঃসারশূন্যতা নেই, আমি আত্মপ্রবঞ্চকও নই -২ - মিজু
- ফ্রি মাস্টার ডাওনলোডার - নাজিরুল হক
পৃথিবীর দিকে দিকে আজ মানবতার অবমাননা! এসো চোখ, কান ও হৃদয় উন্মুক্ত করি মানবতার মর্যাদার জন্য!

যুদ্ধাপরাধ কি, কারা যুদ্ধাপরাধী?
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২১
এই ব্লগে এবং বাংলাদেশের রাজনীতির সাম্প্রতিক একটা বিষয় হল যুদ্ধাপরাধ। একদল মানুষকে অহড়হ যুদ্ধাপরাধ নিয়ে কথা বলতে দেখা যায়। তাঁরা সব সময় একবার অমুককে আরেকবার তমুককে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। কেউ কেউ তাদের বিচারের দাবী করেন, যার সাথে আমি নিজেও একমত পোষণ করি। কারণ যুদ্ধাপরাধ মানবতাবিরোধী অপরাধ। এ ছাড়াও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার একবার হয়ে গেলে তখন আর ময়দানে এ বিষয়টা নিয়ে হাউ-কাউ করাও বন্ধ হবে, যা স্থিতিশীল সমাজের জন্য খুবই জ়রূরী। একবার বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে গেলে তখন স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক শিকারীরা তা আর ময়দান ঘোলা করার কাজে ব্যবহার করতে পারবেনা।
আবার কিছু মানুষ আছেন - যারা ফ্যাসিস্ট চরিত্রের অধিকারী - তারা কোন বিচারের দাবী-টাবী করেননা। তাদের অবস্থা হলো কিছু মানুষকে তারা নিজেরা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিহিত করবেন অথবা কোথাও কিছু মানুষ সম্পর্কে পড়েছেন যেখানে তাদেরকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারপর পারলে নিজেরা গিয়েই এদের হত্যা করে আসেন। আসলেই কেউ যুদ্ধাপরাধী কিনা এটা জানা এরা প্রয়োজন বোধ করেন না, এবং বিচার শালিসের দরকারও তাদের অভিধানে নেই। কারন এরা মনাব সভ্যতাকে পিছনের দিকে চালানোর আকাঙ্খী অসভ্য। তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাউকে যুদ্ধাপরাধের তকমা লাগিয়ে নিজেরাই রায় দিয়ে দেন, অপরাধ প্রমাণের কোন প্রয়োজনীয়তা এদের নেই। এ পক্ষটা যুদ্ধাপরাধীদের চেয়েও ক্ষতিকর, কারণ এরা সমাজে ঘৃণা-এবং বিদ্বেষ জিইয়ে রেখে তাকে শতগুনে বাড়াতে সাহায্য করে। সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করে দেয়।
যার যা মত থাকুকনা কেন এ ব্যাপারে কতগুলো বিষয় জানা দরকার সবার। যুদ্ধাপরাধ কি? যুদ্ধে শুধু কোন একটা পক্ষে অংশ নিলেই কি কেউ যুদ্ধাপরাধী হয়ে যায়? যুদ্ধাপরাধী কি শুধু বিজিতদের মধ্যে থাকে, নাকি বিজয়ীদের মাঝেও যুদ্ধাপরাধী থাকতে পারে? এছাড়াও যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবী করেন তারা আসলেই তা আন্তরিকতার সাথে করেন না ময়দান ঘোলা করার জন্য করেন? তারা কি সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার চান? তাদের এই বিচার চাওয়া কি মানবতার ও সুবিচারের স্বার্থে নাকি শুধু তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে?
যুদ্ধাপরাধ কি?
যুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক যুদ্ধের নীতিমালা লংঘন করাই হল সংক্ষেপে যুদ্ধাপরাধ। যুদ্ধের নীতিমালা হল যুদ্ধ সংক্রান্ত ঐ সমস্ত আন্তর্জাতিক আইন যা জেনেভা কনভেনশন সমুহের মাধ্যমে বিশ্বের জাতিসমূহ গ্রহন করতে সম্মত হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হল যুদ্ধবন্দী হত্যা, বেসামরিক জনগন হত্যা, ধর্ষণ, আত্মসমর্পনকারী শত্রু সৈন্য হত্যা, গণহত্যা, ইত্যাদি।
যুদ্ধাপরাধী কে?
যে কেউ যুদ্ধকালীন সময়ে উপরোক্ত অপরাধগুলো করবে সেই যুদ্ধাপরাধী।
যুদ্ধে কোন একটা পক্ষে অংশ নিলেই কি কেউ যুদ্ধাপরাধী হয়ে যান বা যুদ্ধাপরাধ থেকে মুক্ত হয়ে যান?
উত্তর হচ্ছে না। শুধুমাত্র কোন একটা পক্ষে যুদ্ধে অংশগ্রহন করলেই কেউ যুদ্ধাপরাধী হয়ে যায়না। সুস্পষ্ট ভাবে চিহ্নিত অপরাধ করা ব্যতিরেকে কাউকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত করা যেতে পারেনা। আবার কোন একটা পক্ষে থাকলে তাকে যুদ্ধাপরাধ করার পরও নিরপরাধ বলা যেতে পারেনা। যুদ্ধাপরাধী যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী সব দল বা গোষ্ঠির মাঝে থাকতে পারে।
স্বাধীনতা বিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী কি এক?
না! শুধুমাত্র স্বাধীনতা বিরোধিতা যুদ্ধাপরাধ নয়। আবার স্বাধীনতার পক্ষে থাকা মানেই যুদ্ধাপরাধ মুক্ত থাকা নয়। যুদ্ধের নীতিমালা লংঘন করে যে যুদ্ধ করেছে সেই যুদ্ধাপরাধী।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া উচিত কিনা?
হ্যাঁ। কারন এতে করে মানবতা বিরোধী অপরাধের শাস্তি বিধান করা যাবে এবং এধরণের অপরাধ প্রবণদের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করা যাবে। এ বিচার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য নয়, বরং নিতান্তই মানবতা ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে।
এ বিচার কি শুধু এক পক্ষের যুদ্ধাপরাধীদের করতে হবে?
না। সব পক্ষের যুদ্ধাপরাধীরাই সমান অপরাধী। তাদের অপরাধের ধরণের উপর ভিত্তি করে তাদের সবার শাস্তি নির্ধারিত করা উচিত। তারা কোন পক্ষে যুদ্ধ করেছিল এটা বিবেচ্য বিষয় নয়, অপরাধ করেছিল সেটাই বিবেচ্য।
বিঃদ্রঃ যারা মন্তব্য করবেন তাদের জন্য - আমি কোন ধরণের অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য বরদাশ্ত করতে পারিনা। ব্যক্তি আক্রমন আর গালাগালির অভ্যেস যাদের আছে তারা এ ব্লগে অনাকাংখিত।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যুদ্ধাপরাধ?, যুদ্ধাপরাধ? ;
প্রকাশ করা হয়েছে: দেশ-বাংলা বিভাগে ।
আবূসামীহা বলেছেন:
অপ্রাসংগিক মন্তব্যের জন্য আরণ্যকের মন্তব্য মুছে দেয়া হলো।
আবূসামীহা বলেছেন:
আওরঙ্গজেব ও জেনারেলকে ধন্যবাদ।
দিগন্ত বলেছেন:
লেখা একদম সুন্দর, ঝরঝরে। আপনি এর সাথে জেনেভা কনভেনশনের লিঙ্কটা যোগ করে দিলে আরো ভাল হয়।
সুনাগরিক বলেছেন:
স্বাধীনতা বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধ একসূত্রে গাঁথা বলে মনে হয়। তাই কেবল একটি মাত্র শব্দ, যেমন যুদ্ধাপরাধ নিয়ে চিন্তা করলে ব্যাপারটাকে যেকোনদিকেই নেয়া সম্ভব। আসল কথা হলো ১৯৭১ সনে যারা এদেশের মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করেছে, যারা পাকবাহিনীর কাছে এদেশের মা বোনদের পৌঁছে দিয়েছে, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ধান দিয়েছে, ক্ষেত্রবিশেষে তাদের ধরে এনেছে নির্বিচারে নিরস্ত্র মানুষ হত্যায় ইন্ধন দিয়েছে, নিরস্ত্র বুদ্ধিজীবিসহ ছাত্র-যুবক-জনতাকে ধরে এনে হত্যা করেছে তাদের সবার বিচার হওয়া উচিত।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধ না করলে শান্তিবাহিনী দিয়ে 'শান্তি অপরাধ' করেছে।যে নামেই ডাকা হোক না কেন তার বিচার হবে।
প্রশাসন বলেছেন:
আবূসামীহা আপনার পোষ্ট চমতকার ও যুক্তি সংগত হয়েছে। এজন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
আবূসামীহা বলেছেন:
নীচে উইকিপিডিয়া থেকে কিছু যুদ্ধাপরাধের তালিকা পেশ করা হল।Definition
War crimes are defined in the statute that established the International Criminal Court, which includes:
1. Grave breaches of the Geneva Conventions, such as:
1. Willful killing, or causing great suffering or serious injury to body or health
2. Torture or inhumane treatment
3. Unlawful wanton destruction or appropriation of property
4. Forcing a prisoner of war to serve in the forces of a hostile power
5. Depriving a prisoner of war of a fair trial
6. Unlawful deportation, confinement or transfer
7. Taking hostages
2. The following acts as part of an international conflict:
1. Directing attacks against civilians
2. Directing attacks against humanitarian workers or UN peacekeepers
3. Killing a surrendered combatant
4. Misusing a flag of truce
5. Settlement of occupied territory
6. Deportation of inhabitants of occupied territory
7. Using poison weapons
8. Using civilians as shields
9. Using child soldiers
3. The following acts as part of a non-international conflict:
1. Murder, cruel or degrading treatment and torture
2. Directing attacks against civilians, humanitarian workers or UN peacekeepers
3. Taking hostages
4. Summary execution
5. Pillage
6. Rape, sexual slavery, forced prostitution or forced pregnancy
আবূসামীহা বলেছেন:
ধন্যবাদ প্রশাসন
আবূসামীহা বলেছেন:
উম্মু আব্দুল্লাহ্
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
বিশ্লেষনধর্মী লেখা। ধন্যবাদ, ৫
আবূসামীহা বলেছেন:
@ নাজিম ও সুনাগরিকঅপরাধ হলে তার বিচার করতে হবে, সে যেই করুক।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
আবূসামীহা বলেছেন:
ধন্যবাদ @ মেসবাহ যায়াদ
আবূসামীহা বলেছেন:
@আলীআপনার মন্তব্য সুন্দর। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। তবে প্রসঙ্গ বহির্ভুত বলে আলোচনা ভিন্ন খাতে চলে যেতে পারে। তাই মুছে দিলাম। দুঃখিত এজন্য। পোস্টের শেষে এবং আমার ব্লগ পরিচিতিতে তা উল্লেখ করেছি।
অন্যরকম বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাই আবু সামিহা! পোস্ট ভাল হইছে.... কিন্তু আমার কিছু ভিন্ন রকম বা অন্যরকম চিন্তা ছিল এই বিষয়ে.....http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28742334এইখানে পাবেন!
অন্যরকম বলেছেন:
৫ কিন্তু আগেই দিছি!
ফজলে এলাহি বলেছেন:
আবূ সামীহাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটি পোষ্টের জন্য।এখন সময় 'হ্যামিলনের বাঁশীওয়ালা'দের ষড়যন্ত্রের সুর থেকে দেশবাসীকে সতর্ক করা; যার পরিণতিতে সেই 'শিশুদের হারিয়ে যাওয়া'র মত হারিয়ে যেতে পারে আমাদের নিজস্ব সত্তাগত পরিচয়! আল্লাহ্ হেফাযত করুন।
রাশেদ বলেছেন:
সালাম।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@আ.সা."স্বাধীনতা বিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী কি এক?" চমতকার প্রশ্ন যুক্তিপূর্ণ উত্তর। ৫।
লেখাটা আরো ভাল হতো যদি বাস্তব কয়েকটা যুদ্ধাপরাধীর উদাহরণ দিয়ে দিতেন। তাতে আপনার সত্য প্রকাশে এবং স্বীকারে আপনার অবস্থানও পরিষ্কার হতো!
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
স্বাধীনতার বিরোধীদের বিচার চাই
ইসলাম বিরোধী হওয়া চাই না
ধর্মব্যবসায়ীদেরকেও প্রশ্রয় দেয়া চাই না
৫
আবূসামীহা বলেছেন:
@এস্কিমোমন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
তবে প্রসঙ্গান্তরে যাবার জন্য মন্তব্যটা মুছে দিলাম।
আবূসামীহা বলেছেন:
@প্রশ্নোত্তরধন্যবাদ মন্তব্যের ও পরামর্শের জন্য। আমি লিখার কলেবর বাড়াতে চাইনি। আর যুদ্ধাপরাধ নিয়ে গবেষণাও আমি করিনা। কিন্তু যুদ্ধাপরাধের প্লাবনে ব্লগ ভেসে যেতে দেখে লিখলাম একটু। যুদ্ধাপরাধ কি তা না জেনেই যাকে তাকে যুদ্ধাপরাধী বলার যে জোশ দেখলাম তাতেই এতটুকু লিখলাম।
যদি উদাহরণের কথা বলেন তাহলে নাৎসী যুদ্ধাপরাধী এবং সাম্প্রতিক বলকান অঞ্চলের যুদ্ধে অভিযুক্তদের কথা বলা যেতে পারে।
নাৎসী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে এবং শাস্তি হয়েছে সেজন্য তাদের সম্পর্কে জানি। আর বলকানের ঘটনাতো আমাদের সময়ের। যদি বাংলাদেশের কোন যুদ্ধাপরাধীর উদাহরণ দিতে বলেন তাহলে আমি পারবনা। কারণ আমি স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি। আর আমার বড় হয়ে উঠার সময়ে এব্যাপারে দেশে কোন কথা শুনিনি। এছাড়াও এখন পর্যন্ত বিচার করে কাউকে দেশে দোষী সাব্যস্তও করা হয়নি।
নাৎসী এবং বলকানের ব্যাপারে একটু দৃষ্টি ফিরাতে বলি আপনাকে। দেখবেন দ্বীতিয় বিশ্বযুদ্ধের পর গোটা জার্মান সেনাবাহিনীকে কিন্তু যুদ্ধাপরাধী সাব্যস্ত করা হয়নি। নাৎসী পার্টির সব সদস্যকেও না। শুধু যারা ব্যক্তিগতভাবে অপরাধ সংগঠনে সংশ্লিষ্ট তাদেরই বিচার করে শাস্তি দেয়া হয়েছে। গণ হারে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি সেখানে।
অন্যদিকে সাপ্রতিক বলকান যুদ্ধগুলোতে (সাবেক যুগোস্লাভিয়ার বসনিয়া ও কসোভো) হানাদার এবং মুক্তিযোদ্ধা দুই পক্ষকেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই যুদ্ধগুলোতে সার্বরা হল আগ্রাসী। তাদের মধ্য থেকে যুদ্দধাপরাধীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে বসনিয়ান এবং কসোভো-আলবেনিয়ানরা নিজেদের মুক্তির জন্য লড়াই করছিল। এখন যুদ্ধকালীন বসনিয়ান আর্মির অধিনায়ক জেনারেল রাসিম দেলিচ ও কসোভোর যুদ্ধোত্তর প্রধানমন্ত্রী রামুশ হারাদিনায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের হুলিয়া নিয়ে ঘুরছেন।
এজন্য ব্যাপারটা কোন হুজুগে ব্যাপার নয়, যেভাবে ব্লগে এবং অন্য মিডিয়াগুলোতে আলোচনা হচ্ছে। বরং এটা একটা সিরিয়াস বিষয়।
আবূসামীহা বলেছেন:
@সারওয়ার ভাই - সহমত।সাথে ইসলামী রাজনীতির কথা বললে ধর্মব্যবসায়ী আখ্যা দেয়ার যে হুজুগ তারও বিরোধিতা করি এবং তাদেরকেও ধিক্কার দিই যারা ইসলাম বিরোধীদের কাছে নিজেদের গ্রহনযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য মুসলমানদের পেছন থেকে কুড়াল মারে।
আবূসামীহা বলেছেন:
ধন্যবাদ, ইছামতীর পাড়ে।
নাভদ বলেছেন:
১
দ্বীপবালক বলেছেন:
মাথায় যাদের ঘিলু নাই তারা এই পোস্ট বুঝবোনা। এইখানেতো মনে হয় কিছু তথ্য দেওয়া হইছে যা আন্তর্জাতিক কমিউনিটি দ্বারা স্বীকৃত। এইটারে এক দেয় কোন পাগলে।আমি ৫ দিলাম।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
অনেক ভাল লেখা । অনেক কিছু পরিষ্কার হল । ৫ ।
নরাধম বলেছেন:
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতাবিরোধীদের আপনি বিচার চান কিনা?
বিবেক সত্যি বলেছেন:
গুড !!একটা ভালো ও তথ্যবহুল পোষ্ট টপে উঠলো, মানুষেরা সচেতন হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে...
আবূসামীহা বলেছেন:
@নরাধমকোন প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়ে দেশটির স্বাধীনতার বিরোধিতা করা সে দেশের আইনে বিশ্বাসঘাতকতা বা High Treason হিসেবে বিবেচিত। এবং এটা মারাত্মক দণ্ডযোগ্য অপরাধ দুনিয়ার প্রায় সব ক'টি দেশেই। এরকম কাজ যারা করবে তাদের বিচার করাই স্বাভাবিক। কিন্তু কোন প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন দেশের একটা অংশ যদি স্বাধীনতা চায় আর সে ক্ষেত্রে সেই অংশের কিছু লোক সে দাবীর বিরোধিতা করে তাহলে তা কোন আইনে অপরাধ কিনা আমার জানা নেই। কিন্তু স্বাধীনতা পেয়ে যাওয়ার পরও যদি কেউ সে স্বাধীনতা স্বীকার না করে তাহলে তার সে দেশের নাগরিক অধিকার থাকার কথা নয় এবং High Treason এর অপরাধে বিচার হওয়া উচিত। আর যদি সে স্বাধীনতাকে স্বীকার করে নিয়ে অনুগত নাগরিকের জীবন যাপন করে তাহলেও কোন সমস্যা থাকার কথা নয়।
অবশ্য স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যারাই যুদ্ধের নিয়ম লংঘন করে যুদ্ধ করেছে মানে যুদ্ধাপরাধ করেছে তাদের সবার বিচার হওয়া উচিত।
আবূসামীহা বলেছেন:
@ সোনার বাংলা, মাহিরাহি, বিবেক সত্যি ও মেহরাব শাহরিয়ারআপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাই আবূসামীহাকে......সুন্দর পোস্ট... আরও সুন্দর হয়েছে পোস্টটি টপে উঠাতে।
আবূসামীহা বলেছেন:
মাহ্মুদ ভাই, আপনাকেও ধন্যবাদ।
প্রশ্ন কত বলেছেন:
খুবই প্রাসঙ্গিক তথ্যবহুল লেখা।
আবূসামীহা বলেছেন:
ধন্যবাদ @ প্রশ্ন কত
অজানা অচেনা বলেছেন:
৫! চমতকার তথ্যবহুল লেখা। শুধু এই পোস্টে রেট + কমেন্ট করার জন্য লগ ইন করলাম।
আবূসামীহা বলেছেন:
ধন্যবাদ @ অজানা অচেনা
প্রকৃত যুদ্ধপরাধীদের বিচার চাই। তবে সেই উসিলায় নির্দোষ মানুষের অকারণ হয়রানী চাই না।
৫
চতুরভূজ বলেছেন:
আবূসামীহা ভাই,আগেই পড়েছি, রেটিং দিয়েছি, কমেন্ট করার মত একটাই কথা ছিল- ওদের কান তব্দ হয়ে গিয়েছে, বাজ পড়লেও শুনতে পাবেনা!
মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কে নিচের লিংকগুলি দেখতে পারেন--!@@!2219036 !@@!2219037 !@@!2219038 !@@!2219039 !@@!2219040 !@@!2219041-!@@!2219042
!@@!2219043 !@@!2219044 !@@!2219045 !@@!2219046 !@@!2219047 !@@!2219048-!@@!2219049
!@@!2219050 !@@!2219051 !@@!2219052 !@@!2219053 !@@!2219054 !@@!2219055-!@@!2219056
!@@!2219057 !@@!2219058 !@@!2219059 !@@!2219060 !@@!2219061 !@@!2219062-!@@!2219063
দ্বীপবালক বলেছেন:
@আকন্দ ভ্রাতা আপনার পোস্টগুলি আইন-কানুন সম্পর্কিত মনে হইতেছে। আপনার ব্লগে গিয়া পাঠ করিব। এইস্থানে সংযোগ দান করিয়া উত্তম কর্ম করিয়াছেন। এই ব্লগখানা পাঠ করিতে আসিয়া আপনার লিখাগুলির সংযোগ অতিরিক্ত পাওয়া হইয়া গেল। আপনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিতেছি।
জেনারেল বলেছেন:
দেখে বেশ আমোদ পেলাম। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্ররা যখন প্রথম বানান করতে শিখে তখন ওরা সব কিছুই বানান করে পড়ে এবং বেশ আনন্দ পায়। ঠিক তেমন অবস্থা হয়েছে বাংলাদেশের জামাতিদের। এর প্রভাব দেখি ব্লগেও। গত তিন শতক ধরে একবার এর কাঁধে একবার ওর বুটের নীচে বা কারো শাড়ির আঁচোলের নীচে বেশ নিরাপদেই ছিল ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীরা। এখন এরা সঠিক করতে পারছেনা কোন দিকে যাবে - কার কোল নিরাপদ। তা ছাড়া গত তিন দশকের বিনিয়োগের কথা বিবেচনা করে একটা বাজার যাচাই করার জন্যে "দেশে যুদ্ধাপরাধী নেই", "মুক্তিযুদ্ধ না গৃহযুদ্ধ হয়েছে" বা "মুক্তিযুদ্ধে গেছে সুন্দরী নারীর লোভে" বলে একটা বিতর্ক তৈরী করে একটু ভাব দেখার চেষ্টা করে যখন দেখে ভাব খারাপ। এখন সবাই গর্তে ঢুকে গেছে। কিন্তু সমর্থকরা সবাই গর্তে না গিয়ে কেউ কেউ পরিস্থিতির মোড় ঘুড়ানোর জন্যে বলছে - আসুন আমরা অন্য বিষয়ে আলোচনা করি। তবে একদল বেশ বিজ্ঞের মতো আমাদের যুদ্ধাপরাধীর নিয়ে নবলদ্ধ জ্ঞানসহ যোগে লেখালেখি করে পাঠকদের বিভ্রান্ত করা চেষ্টা চালাচ্ছে।যুদ্ধাপরাধীর সরলীকৃত সংজ্ঞা শুনে আমরা বেশ প্রীত হলাম। নতুন জ্ঞান বেশ সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্যে বেশ পিঠ চাপড়ানিও পেলেন। কিন্তু আমি একটা কমেন্ট করার পর ধন্যবাদসহ কমেন্ট মুছে দিয়েছেন। কারন উনি তা "বরদাশ্ত" করতে পারেন নি।
এবার আসুন আমরা দেখি - উপরে সংজ্ঞায় যাদের কথা বলা হয়েছে তা আসলে কি? জেনেভা কনভেনশান হলো যুদ্ধকালীন বিবাদমান পক্ষের জন্যে সাধারন কিছু নিয়মকানুন। সেই নিয়মের অধীনে ৯০ হাজার পাকিস্থানী সৈন্যসহ জেনারেল নিয়াজী মিত্রবাহিনীর কাছে আত্নসমর্পন করার পর তাদের যথাযথ নিরাপত্তাসহ বিহারীদের নিরাপত্তা দেয় ভারতীয় বাহিনী। সেই সময় দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজাকাররা ভারতীয় বাহিনীর কাছ থেকে নিরাপত্তা চেয়েছে এবং পেয়েছেও। সেটা জেনেভা কনভেনশানের পুরোপুরি অনসরন করেই করা হয়েছে।
তাহলে কি লোকজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেল? এরা কেন যুদ্ধাপরাধীর বিচার চায়?
নব জ্ঞান লব্দ ব্লগারের সংজ্ঞাকে সঠিক এবং নিয়ামক ধরি - তা হলে যে কোন যুদ্ধই ঠিক আছে এবং যুদ্ধের সময় মানুষ মারা ছাড়া বিশেষ কিছু কাজ করা যাবে না। সেটাই কিন্তু ব্লগার মহোদয় আমাদের বলতে চেয়েছেন? সেটাই হলো উনার মুল লক্ষ্য। ১৯৭১ সালে যারা বাঙ্গালীদের মেরেছে, যারা দেশের ভিতরে ত্রাস করেছে, যারা গনহত্যা করেছে, এরা সবাই ঠিক কাজই করেছে, তা হলে যুদ্ধাপরাধী বলতে কিছুই নেই। যা পক্ষান্তরে রাজাকার মুজাহিদের বক্তব্যকে সমর্থন করাই হয়।
আসলে - উনি যি বক্তব্যটা দিয়েছে তা হলো যুদ্ধাপরাধীর প্রকৃত সংজ্ঞার একটা ক্ষুদ্রাংশ মাত্র। প্রকৃত সংজ্ঞাটা বিরাট। উনি সরল সংজ্ঞা থেকে যে অংশ টা বাদ দিয়েছেন - তা হলোঃ
However the court only has jurisdiction over these crimes where they are "part of a plan or policy or as part of a large-scale commission of such crimes"
আর আইন হলো এমন - যা প্রতিনিয়ত পরিবর্তন এবং পরিবর্ধন করা হয়। তেমনি জেনেভা কনভেনশান কোন আইন না। প্রকৃত যুদ্ধাপরাধী আইন প্রনীত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পর সবাই উপলদ্বি করে যে - যুদ্ধই একটা অপরাধ। তাই ১৮৫৭ সালের হেগ চার্টারকে আরো আধুনিকায়ন করে প্রনীত হয় লন্ডন চার্টার তারই আলোকে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহাসিক নুরেনবার্গ ট্রাইবুনাল।তারপর বিভিন্ন দেশ তাদের নিজেদের দেশের যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তিদানের জন্যে নিজস্ব আইন তৈরী করে।
তারপর পরিবর্তিত আইনে চলছে বসনিয়া গনহত্যা, রুয়ান্ডা গনহত্যাসহ আরো অনেক গুলো যুদ্ধাপরাধের বিচার।
বিস্তারিত দেখুন এখানে
বর্তমানে বিচারের জন্যে গৃহিত যুদ্ধাপরাধী ( স্লাভাধোন মিলোসোভিচ, চালর্স টেইলর বা রুয়ান্ডার শাসকদের) অপরাধ নির্ধারনে এখন যে তিনটা বিষয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে - তা হলো
১) যুদ্ধাপরাধ।
২) মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
৩) শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ।
একটা বিষয়ে আমাদের পরিষ্কার ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে - বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে ২৬শে মার্চ ১৯৭১ সালে। সেই দিন থেকে যে সকল বিদেশী সৈন্য এবং তাদের দেশী সহযোগীরা দেশে যুদ্ধ, হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষন এবং ত্রাশ সৃষ্টি করেছে -সবাই লন্ডন চার্টার অনুসারে যুদ্ধাপরাধী হিসাবে গন্য হবে। তা ছাড়াও, একটা শান্তিপূর্ন জনগোস্ঠীর উপর সামরিক অভিযানের (উদাহরন - অপারেশন সার্চ লাইট) পুরোটাই যুদ্ধাপরাধ হিসাবে গন্য হবে। সেই সময়ে সক্রিয় বেসামরিক লোকজনের উপর আক্রমন, হুমকী, ত্রাস সৃষ্টি করে শান্তি নষ্ট করে তারাও (রাজাকার, আল-বদর এবং আল-শামস) যুদ্ধাপোরাধী হিসাবে গন্য হবে।
সার্বিক

















এমন সুন্দর পোস্টের জন্য ৫ এর বেশী দেয়া দরকার।
এনিয়ে আমার এনিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের প্রতিবাদ জানাই' লেখাটি পড়ার অনুরোধ করছি।