আমার প্রিয় পোস্ট

কল্যাণের কথা বলি, কল্যাণের পথে চলি।

কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৫৯

শেয়ারঃ
0 3 0

১. কুর'আন
কুরআন আল্লাহ্‌র কিতাব। এর রয়েছে নিজস্ব বাচনভঙ্গী যা মানবীয় বাচনভঙ্গী থেকে আলাদা। তাই এ কিতাব বার বার চ্যালেঞ্জ দিয়েছে এর অস্বীকারকারীদেরকে এরকম একটা কিতাব তৈরী করে আনতে। না পুরো কিতাব নয়, শুধু একটি সূরা। আর এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ ছাড়া সব সাহায্যকারীর সাহায্য গ্রহন করতে বলা হয়েছে এর অস্বীকারকারীদের। আবার কুর'আনই বলে দিয়েছে এটা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। "আমরা আমাদের বান্দার উপর যা নাজ়িল করেছি সে ব্যাপারে যদি তোমরা সন্দেহে ভোগ তাহলে নিয়ে এস এর সূরাগুলোর মত একটি, আর এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ ছাড়া তোমাদের আর সব সাহায্যকারীকে ডেকে নাও; যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক। যদি তোমরা তা না পার, আর তোমরা কখনোই তা পারবেনা, তবে সে আগুনকে ভয় কর যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর। একে (আগুন) তৈরী করা হয়েছে সত্য অস্বীকারকারীদের জন্য।" [2/23-24] এটা অননুকরণীয় এক কিতাব। কুর'আন পৃথিবীর আর কোন কিতাবের সাথে কোন সাজুয্য রাখেনা। এমনকি আরবীতে লিখা অন্য সব কিতাব থেকে এর বাচনভঙ্গী সম্পূর্ণ আলাদা। এর বর্ণনার ধরণ হাদীসের ভাষা থেকেও ভিন্ন। যারা আরবী ভাষা জানেন তারা এ পার্থক্যটা খুব সহজেই ধরতে পারেন।

কুর'আনের শব্দাবলী বিশ্বজাহানের স্রষ্টা নিজে চয়ন করেছেন। এজন্য মানবীয় ভাষায় এর অনুবাদে সবসময় থাকে সীমাবদ্ধতা। যার জন্য মুসলিমরা কখনোই অনুবাদকে কুর'আন মনে করেননা। কুর'আন হচ্ছে তা যা পড়া হয় আরবীতে। অনুবাদ্গুলো আমাদের মানবীয় প্রচেষ্টা কুর'আন বুঝার নিমিত্তে। এজন্য কুর'আনের কোন অনুবাদই পরিপূর্ণ নয়। অনেক অনুবাদ আবার ভাবানুবাদ, শাব্দিক নয়। কুর'আনের বাণী বুঝার জন্য আরো দরকার ক্লাসিক্যাল আরবী ভাষার উপর দক্ষতা। এজন্য ক্লাসিক্যাল আরবীর যথার্থ জ্ঞান ব্যতিরেকে শুধু অনুবাদের উপর নির্ভর করে কুর'আনের সমালোচনা করা মূর্খতাপূর্ণ পণ্ডিতি ছাড়া আর কিছুই নয়।

কুর'আনের সমালোচনার জন্য অন্য আরেকটি বিষয় পাঠককে জানতে হবে। তা হলো কুর'আনের আয়াতগুলো নাজ়িল হয়ার প্রেক্ষাপট। সাধারণত আমরা লিখিত কিতাবগুলোকে সুচী ও বিষয় অনুযায়ী অধ্যায় ও অনুচ্ছেদে বিভক্ত ধারাবাহিকরূপে সাজানো দেখতে পাই। কিন্তু কুর'আন কোন লিখিত কিতাব হিসেবে একসাথে মুহাম্মদকে (আল্লাহ্‌র করুণা ও শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর) দেয়া হয়নি। বরং এটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থান ও পাত্রের উপলক্ষে নাজ়িল করা এক ভাষণের সমষ্টি। এজন্য প্রচলিত কিতাবের (বইয়ের) ধারণা এখানে পাওয়া যাবেনা। এর ভাষণগুলোর একটি সাধারণ প্রয়োগ থাকলেও এর প্রতিটি ভাষণের বিশেষ প্রয়োগও রয়েছে নাজ়িলের প্রেক্ষাপটের আলোকে।

২. নারী ও শস্যক্ষেত্র
কুর'আনের কিছু আয়াত উদ্ধৃত করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন কিছু ব্লগার। এরকম একটি কাজ করেছেন সম্প্রতি "সুশীল সমাজ" নিকধারী এক ব্লগার তাঁর এক পোস্টে। তিনি কুর'আনের সূরা আল-বাকারার ২২৩ নং আয়াতটির নিন্মোক্ত অনুবাদ ইঙ্গিতপূর্ণভাবে ব্লগে তুলে ধরেছেনঃ "তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর। আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্খা কর এবং আল্লাহ্কে ভয় করতে থাক। আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে| আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।" তাঁর বোল্ড করা অংশগুলোই তাঁর ইঙ্গিতের স্বরূপ। অনুবাদটি মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের অনুদিত মা'আরেফুল কুর'আনেও এভাবেই দেয়া হয়েছে। তিনি হয়তো প্রেক্ষাপট জানতেন বলে তাঁর কাছে এখানে কোন অসুন্দর ইঙ্গিত ধরা পড়েনি। এবার আসুন আমি একটি অনুবাদ পেশ করি। "তোমাদের স্ত্রীরা হল তোমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তোমরা যখন ও যেভাবে ইচ্ছা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যাও। আর নিজেদের জন্য ভবিষ্যতের ব্যবস্থা কর ও আল্লাহ্‌কে ভয় কর............।"

"ফা'তু হারসাকুম আন্না শি'তুম" এর অনুবাদ করা হয়েছে "তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর"। অথচ ফা'তু মানে "অতএব তোমরা গমন কর", হারসাকুম মানে "তোমাদের শস্যক্ষেত্র" আর আন্না শি'তুম মানে "তোমরা যেভাবে ইচ্ছা কর বা যখন ইচ্ছা কর।" যারা আয়াতটির পেছনের কারণ জানেন তাদের কাছে "তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর" অনুবাদটি শাব্দিকভাবে যথাযথ নাহলেও ভাবার্থের দিক দিয়ে মিলবে এবং তারা এতে কোন অস্বস্তিকর কিছু পাবেননা। কিন্তু যারা পুরো ব্যাপারটা জানেননা তারা এটাকে চরম অপমানকর একটা কথা মনে করবেন।

আসলে প্রকৃত ব্যাপারটা কী? ঘটনা হচ্ছে স্ত্রীদের সাথে সঙ্গমের আসন নিয়ে লোকেরা দ্বিধাদন্দ্বে পরে গিয়েছিল বিভিন্ন প্রচলিত আচারের কারণে। মদীনায় আসার পর মুসলমানদের মধ্যে এ নিয়ে বিভিন্ন সংশয়ের সৃষ্টি হয়। মক্কাবাসীরা সাধারণত তাদের স্ত্রীদের মুখোমুখি হয়ে মিলিত হত। মদীনাবাসী আনসাররা তাদের স্ত্রীদেরকে উপুর করে নিয়ে মিলিত হতেন। ওদিকে মদীনার ইহুদীরা এগুলো নিয়ে বলত যে এরকম হলে সন্তান বিকলাঙ্গ হবে। এ ছাড়াও তারা ঋতুকালীন সময়ে স্ত্রীদের থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকত, এমনকি তাদেরকে স্পর্শ পর্যন্ত করতনা। এ অবস্থায় লোকেরা প্রশ্ন করলে আল্লাহ্‌ তা'আলা এ আয়াতের মাধ্যমে এ সম্পর্কে সব ভুল ধারণার অবসান করেন। স্ত্রীদেরকে শস্যক্ষেত্রের সাথে তুলনা করে এবং তাদের কাছে যেভাবে ইচ্ছা যাওয়ার কথা বলে আল্লাহ্‌ তা'আলা যৌন সঙ্গমের সব আসনকে বৈধতা দিলেন এবং শুধুমাত্র স্ত্রীর যোনীতে সঙ্গমকে এলাউ করলেন। কারণ কৃষক বীজ জমিতেই বপন করে একে চাষ করে। এছাড়াও যৌন সঙ্গমের উদ্দেশ্য যে নিজের জন্য ভবিষ্যত প্রজন্ম রেখে যাওয়া তাও বলে দেয়া হয়েছে। আর স্ত্রীদের কাছে সবসময় যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ঋতুকালীন সময়ে তাদেরকে ত্যাগ করে থাকতে বলা হয়নি যেমন করত ইয়াহুদীরা। তবে তাদের সাথে সে সময়ে সঙ্গম করাকে হারাম করা হয়েছে যা এর আগের আয়াতে (২/২২২) উল্লেখ করা হয়েছে। এবং আল্লাহ্‌কে ভয় করতে বলে সেদিকেই মূলতঃ ইঙ্গিত করা হয়েছে।

কুর'আনে স্ত্রী-পুরূষের সম্পর্ক শুধু এ আয়াতেই বর্ণনা করা হয়নি। আমরা আরো দু'টি আয়াত দেখি। মহান আল্লাহ্‌ স্ত্রী-পুরূষের সম্পর্কঅকে অত্যন্ত অন্তরঙ্গ সম্পর্ক হিসেবেই উল্লেখ করেছেন। সূরা বাকারাহ্‌র ১৮৭ নং আয়াতে তিনি এ অন্তরঙ্গ সম্পর্কের পরিচয় পেশ করেছেন এভাবেঃ "তারা তোমাদের পরিচ্ছদ স্বরূপ আর তোমরাও তাদের পরিচ্ছদ স্বরূপ।" তারা পারস্পরিক প্রেম-ভালবাসার মূর্ত প্রতীক তাও আল্লাহ্‌ আমাদের জানিয়েছেন এভাবে, "আর তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে (একটি হলো এই যে) তিনি তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য জুড়ি (স্বামী/স্ত্রী) সৃষ্টি করেছেন যাতে করে তোমরা তার কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পার। আর তিনি তোমাদের পরস্পরের মাঝে প্রেম-ভালবাসা ও দয়া-মমতা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই এর মাঝে রয়েছে চিন্তাশীল ব্যক্তিদের জন্য বিরাট নিদর্শন।"(৩০/২১)। এরচেয়েও সুন্দর করে কি আর কোথাও স্ত্রী-পুরূষের সম্পর্ককে বিবৃত করা হয়েছে?

৩. ইসলাম বিদ্বেষ
প্রিয় পাঠক, তাই বিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত ভাবে কুর'আনের আয়াত নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সাবধান হতে হবে। কুর'আনকে তার পূর্নাঙ্গরূপে নিয়েই অধ্যয়ন করতে হবে। তাহলে আপনার মনের সন্দেহ দূর হয়ে যাবে। কুর'আনকে একটি পূর্ণাঙ্গ বানী (Total Messege) হিসেবে নিতে হবে। তাহলে আর বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবেনা। কিন্তু বিদ্বেষ সৃষ্টিকারীরা বসে থাকবেনা। তারা কোনকালেই বসে ছিলনা। এই ব্লগে এর আগেও "নাস্তিকের ধর্মকথা" ও "ক্যাচাল" নিকধারী দু'ব্লগার বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছিলেন। আমার এক পোস্টে আমি নাস্তিকের ধর্মকথার আল্লাহ্‌র লিঙ্গ নিয়ে সৃষ্টি করা বিভ্রান্তির জবাব দিয়েছি আর ক্যাচালের ব্যাপারেও সাবধান করেছি। আরা কুর'আনএর আয়াতের অসঙ্গতি নিয়ে ক্যাচালের পোস্টের জবাব দিয়েছেন দ্বীপবালক। এরা অন্ধ বিদ্বেষী। কুর'আনকে ওরা নিরপেক্ষ মন নিয়ে পড়েনা। পড়ে নিজেদের পূর্ব ধারণার উপাদান খুঁজতে। এজন্য এর সম্পূর্ণ মেসেজ না নিয়ে তারা ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্তভাবে কুর'আনের আয়াতগুলোকে কনটেক্সটের বাইরে নিয়ে উদ্ধৃত করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায়। তাদের ছড়ানো বিভ্রান্তি থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে নিজে উদ্যোগী হয়ে কুর'আন পড়তে হবে।

৪. আমার বিশেষ জ্ঞান
সুশীল সমাজ প্রশ্ন রেখেছিলেন "আবূসামীহা কি কোরান হাদিস রিসার্চ সেন্টার থেকে বেশী জ্ঞানী?" আমি কখনো বলিনি আমি সেরকম। আমি শুধু তাদেরকে অবজ্ঞা করেছি যারা আরবী ভাষার জ্ঞান ছাড়া ও কুর'আনের আয়াতগুলোর প্রেক্ষাপট জানা ব্যতিরেকে কুর'আনের বিরুদ্ধে অবজ্ঞা ছড়ানোর ধৃষ্টতা দেখায়। আমি বিশেষ কোন জ্ঞানী ব্যক্তি নই। তবে আলাহ্‌র কিতাবের পাঠক ও তাঁর অনুগ্রহের ফকীর।

প্রিয় মুসলিম বোন ও ভাইয়েরা! কুর'আনকে নিজে থেকে জানার উদ্যোগ গ্রহন করুন। তাহলে আপনাকে কেউ আর বিভ্রান্ত করতে পারবেনা। এ জন্য ভাল কিছু তাফসীরের সাহায্য গ্রহন করুন। এ ক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করবে হাফিয ইমাদুদ্দীন ইবনে কাসীরের যুগান্তকারী তাফসীর যা "তাফসীরে ইবনে কাসীর" হিসেবে পরিচিত। এটি বাংলায় অনুদিত হয়েছে। অনুবাদ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ডঃ মুজীবুর রহমান। এছাড়া আমাদের সময়কালের দু'টো তাফসীর আপনার কুর'আন বুঝার সহায়ক হবে, যেগুলো হলঃ সাইয়েদ কুতুবের (শহীদ) "ফী জিলালিল কুর'আন" ও সাইয়েদ মওদূদীর "তাফহীমূল কুর'আন।" আসুন নিজেদের ঈমান হিফাজত করি, কুর'আনের পথে চলি আর আমাদের মহামহিম প্রভূর সন্তোষের লক্ষ্যে দ্রুত ধাবিত হই।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নারী ও শস্যক্ষেত্রনারী ও শস্যক্ষেত্রনারী ও শস্যক্ষেত্র নারী ও শস্যক্ষেত্রনারী ও শস্যক্ষেত্র নারী ও শস্যক্ষেত্র নারী ও শস্যক্ষেত্র নারী ও শস্যক্ষেত্রনারী ও শস্যক্ষেত্র নারী ও শস্যক্ষেত্র নারী ও শস্যক্ষেত্র নারী ও শস্যক্ষেত্র নারী ও শস্যক্ষ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইসলাম-কুরআন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৪
চতুরভূজ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আবূসামীহা ভাই। এরকম একটি পোষ্টের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিলাম। বিশেষ করে গত দুদিন ধরে যা চলছিল তার প্রেক্ষিতে।
সেদিন ইসলাম বিদ্বেষীদের পোষ্ট গুলো পড়ে ভেবেছিলাম কেউ এগিয়ে আসুক যিনি সুন্দরভাবে সবকিছু গুছিয়ে বলতে পারবেন। আমি এ বিষয়ে অনেকটাই মূর্খ এবং সময়ের অভাবও আছে তাই পোষ্ট দিতে পারিনি। আপনার আজকের পোষ্ট এবং অবিশ্বাসীদের পোষ্টের জবাবে আরও যারা সুন্দর এবং চমৎকার দিয়েছেন সেগুলোর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।
ওদের পোষ্টে গিয়ে সময় নষ্ট না করে, নিজেরা এভাবে দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে।

ধন্যবাদ।
+
প্রিয় পোষ্ট।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ওদের ব্লগে সময় নষ্ট না করে তাদের উত্থাপিত ব্যাপারগুলোর আলাদা জাবাবী পোস্ট দেয়াই উত্তম।
আপনাকে ধন্যবাদ।

৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
মিরাজ,
দেখুন, হাদীসটির কথা যেটি উল্লেখ করলেন, সেটিও জানি। আপনি খুব খুশি ঐ হাদীসীয় ব্যাখ্যায়!!!!
আপনি মনে করছেন- এর মধ্য দিয়ে কুসংস্কারের জবাব দেয়া হয়ে গেল। কি চমতকার!!!!!!!!!!!

ঘটনাটি কি?
মুহাম্মদ সা. একজন পুরুষ। তাঁর সাহাবীরা পুরুষ।
সে সময় কেন তারও আগে থেকেই যৌন-ক্রিয়ায় নানা কাম-কেলি প্রচলিত ছিল, এবং সেসম্পর্কিত নানাবিধ প্রশ্নও ছিল। তারমধ্যে একটি যৌন-সংগমের সময় নারীকে পশ্চাত দিক থেকে (পায়ুপথে না) সংগমের বিষয়টি। সেসময়ের সেখানকার অনেকের মধ্যেই এ প্রক্রিয়ায় যৌনক্রিয়ার মাধ্যমে যৌন-পরিতৃপ্তি লাভে আকাঙ্খা যেমন ছিল, এর বিরুদ্ধে কিছু প্রচারণাও ছিল। কিন্তু- সে প্রচারণা সত্বেও বড় অংশের পুরুষরা এই পদ্ধতি পরিহার কিন্তু করেননি- এবং তারা এ প্রচারণাকে আগে থেকেই সংস্কার বলেই উড়িয়ে দিত।

মুহাম্মাদ সা. এর পুরুষ সাহাবীরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন- এভাবে তারা যৌনক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে কি-না। জবাবে মুহাম্মদ সা. এই কোরআনের আয়াত শুনিয়ে দেন।

এখন, কোরআনের আয়াত- শুধু একটি ইতিহাস গ্রন্থ হিসাবে পঠিত হলে কথা ছিল না, আমরা জানতাম সে সময়ে মুহাম্মদ সা. বিভিন্ন ঘটনায় বিভিন্ন বিষয়ে কিভাবে উত্তর দিয়েছিলেন-

কিন্তু কোরআন তো তা নয়- এটা সমগ্র মানব সমাজের জন্য কেয়ামতের আগ পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা।

এই জীবন ব্যবস্থা টা কেমন??
পুরুষতান্ত্রিক সমাজের একটি দলিল- যেখানে নারী একটি পুরুষের মনোরঞ্জনের সামগ্রী বই কিছুই নয়!!!!!

যদি ধরেও নেই- কুসংস্কারের জবাব দেয়া আল্লাহর ইচ্ছা ছিল- তবে তাঁর ভাষা এমন পুরুষ-তান্ত্রিক বা পুরুষদের কেন্দ্র করে হবে কেন?????
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৮

লেখক বলেছেন: এখানে মিরাজ আসল কোত্থেকে?

আর কুর'আন নারী পুরূষের সম্পর্ককে কীভাবে বিবৃত করেছে সে ব্যাপারে বোধহয় আর কোন আয়াত নাই?

"তারা তোমাদের পরিচ্ছদ স্বরূপ আর তোমরাও তাদের পরিচ্ছদ স্বরূপ।"(2/187)

"আর তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে (একটি হলো এই যে) তিনি তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য জুড়ি (স্বামী/স্ত্রী) সৃষ্টি করেছেন যাতে করে তোমরা তার কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পার। আর তিনি তোমাদের পরস্পরের মাঝে প্রেম-ভালবাসা ও দয়া-মমতা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই এর মাঝে রয়েছে চিন্তাশীল বিক্তিদের জন্য বিরাট নিদর্শন।" [৩০/২১]

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: আর মুহাম্মদের (সঃ) সাহাবীরা শুধু পুরূষ ছিলেননা। তাঁর (সঃ) মহিলা সাহাবীও ছিল।

৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
উন্মনা রহমান বলেছেন:
'তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র'- এধরণের কথাই তো অশ্লীল। কোরানে নারীকে পুরুষের সমানাধিকার দেয়া হয়নি। তবে এসব তর্ক উঠিয়ে তেমন লাভ নেই। অন্ধবিশ্বাসীরা কখনই যুক্তিসংতভাবে ভাবতে পারে না। ধর্ম সভ্যতাকে পিছিয়ে দিয়েছে, হামাহানি, খুনাখুনি, যুদ্ধ আর অত্যাচারের কারণ হয়েছে। বিষয়গুলি স্পষ্ট হলেও তা বোঝার মত বুদ্ধি আর সংস্কারমুক্ত মন কোন কালেই খুব বেশী লোকের ছিল না।

মানুষ অন্ধ থাকতে ভালবাসে।
সে ভাবতে পছন্দ করে কোন লিডার বা সুপ্রিম পাওয়ার আছে মাথার ওপর, যার কাছে আশ্রয় আর সাহায্য পাওয়া যাবে। মরে গেলেই সব শেষ- এমনটা সে মানতে পারে না।

কিছু ধূর্ত ব্যক্তি মানুষের এই পরনির্ভরতা প্রবনতার সুযোগ নেয়- তোরা পরকালে খাইস, আমাদের এখন খাইতে দে! এই দুনিয়া হইল পরী্ক্ষা, এখানে দু:খ পাইলেও অনন্ত জীবনে পরম সুখ ভোগ করবি।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: উন্মনা রহমানের কথার জবাব এখানে দেয়া হয়েছেঃ

"ফা'তু হারসাকুম আন্না শি'তুম" এর অনুবাদ করা হয়েছে "তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর"। অথচ ফা'তু মানে "অতএব তোমরা গমন কর", হারসাকুম মানে "তোমাদের শস্যক্ষেত্র" আর আন্না শি'তুম মানে "তোমরা যেভাবে ইচ্ছা কর বা যখন ইচ্ছা কর।" যারা আয়াতটির পেছনের কারণ জানেন তাদের কাছে "তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর" অনুবাদটি শাব্দিকভাবে যথাযথ নাহলেও ভাবার্থের দিক দিয়ে মিলবে এবং তারা এতে কোন অস্বস্তিকর কিছু পাবেননা। কিন্তু যারা পুরো ব্যাপারটা জানেননা তারা এটাকে চরম অপমানকর একটা কথা মনে করবেন।

আর মানুষের সমাজ কোন একটা তান্ত্রিকতো হবেই এখানে শৃংখলার স্বার্থেই। আপনি পুরূষ হয়ে যদি নারী হয়ে যেতে চান তাতে মুসলুমানরা আপনাকে কিছু করতে পারবেনা। একই ভাবে বিপরীত করতে চাইলেও ইসলামের কিছু করার নাই। ইসলাম নারী এবং পুরূষকে তার যথাযথ স্থানে রেখেই সম্মান দিতে চায়।

৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে। showcase এ তুলে রাখলাম
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্তির দেবদূত। আশা করি ব্লগে আপনার মাধ্যমে শান্তি আসবে।

৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৭
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: আবার পরলাম প্লাস শোকেইস এ রেখে দিলাম
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আপনাকে আবারো ধন্যবাদ

৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
আওরঙ্গজেব বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ। ইসলাম-বিদ্বেষীদের জন্য আপনার এই লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ জবাব।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: ওদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহ্‌র নূর নিভে যাবেনা, ইনশা'আল্লাহ্‌
ধন্যবাদ।

৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৩
নাবিক বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ, সুন্দর পোষ্ট। যারা কুরআনের বিরোধিতা করেন তাদের অনুরোধ করবো কপি পেষ্ট না মাইরা কুরআনকে বুঝার চেষ্টা করুন।

আল্লাহ আমাদেরকে কুরআন বুঝার তৌফিক দিন। আমীন।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: সেটাই! খোলা মন নিয়ে কুর'আন বুঝার চেষ্টা করলে সমস্যার সমাধান হত সহজেই।
আর আপনার দু'আর সাথে আমীন!

৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৬
বিবেক সত্যি বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য...

+
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২১
এখন ক্ষনিকের অতিথী বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ, সুন্দর পোষ্ট
১১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২৬
চতুরভূজ বলেছেন: @মাথামোটা,
আপনি সেদিন আমার পোষ্টে মাথাগলানোর ল পেয়েছিলেন সাথে সাথে, এখন ক্ষনিকের অতিথী হয়ে গিয়েছেন। তাই বলছি ভাল হয়ে যান। আর সুন্দর পোষ্ট বলে মাইনাস ক্লীক করা বাদ দিন, ওটা মোনাফেকের চরিত্র।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: হআ, হা, হা। ওরা ওরকমই।

১২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪১
মাহমুদ রহমান বলেছেন: চমৎকার জবাব হয়েছে। ভাল লাগল।

যারা বুঝতে চান না তারাই প্রকৃত সত্যকে স্বীকার করতে চান না। উল্টো অন্যদের দোষ দেয়ার মানে কি? কেবলমাত্র ইসলামপন্থী লোকেরাই মুক্তচিন্তার চর্চা করতে পারে এবং অন্যের মতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে পারে।

ইসলাম, দ্যা সল্যূশন ফর হিউম্যানিটি। নো ডাউট এবাউট দ্যাট। আজ হোক কাল হোক সবাই এ সত্য উপলব্ধি করবে।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। যত তারাতারি মানুষ ইসলামের প্রয়োজনীয়তা বুঝবে ততই তাদের জন্য মঙ্গল।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ব্লুজ।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জনাব।

১৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭
সুপ্ত সবুজ বলেছেন: যে যাই বলুক, আপনার লেখাটা সুন্দর ভাষায় এক ধরনের প্রতিবাদ এবং এরকম প্রতিবাদ করা উচিত। তবে সেই সাথে এটাও বুঝা গেল আপনি কোরআন স্টাডি করেছেন ভালভাবে। এরকম আরো জবাব আপনার কাছ থেকে আশা করছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এবং আরো ধন্যবাদ।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: আপনার আশার জবাবে লিখার চেষ্টা থাকবে। তবে সময় থাকেনা হাতে। ধন্যবাদ।

১৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭
আবূসামীহা বলেছেন: ইসলামী কিছু পরিভাষাকে বিকৃত করায় gonder এর মন্তব্য মুছে দেয়া হল।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
আবূসামীহা বলেছেন: স্নোবল। এই পোস্ট একটা বিষয়কে ঘোলাটে করার অপচেষ্টাকে ক্লিয়ার করতে লিখা হয়েছে। সেজন্য আপনার মন্তব্যকে মুছে দেয়া হল আলোচনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য।
১৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০১
স্নোবল বলেছেন: উ আর অয়েল্কাম।
২০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
চতুরভূজ বলেছেন: @মাথামোটা,
............................... আর সুন্দর পোষ্ট বলে মাইনাস ক্লীক করা বাদ দিন, ওটা মোনাফেকের চরিত্র।

লেখক বলেছেন: হআ, হা, হা। ওরা ওরকমই।
...............................>

এইসব মোল্লাদের কাজই হলো ধর্মকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা। নিজের স্বার্থে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে এরা যেকোন ফতোয়া দিতেই পিছপা হয় না। এনারা মোনাফেকি কে কোন জায়গায় নামিয়েছে দেখুন!!!! এনাদের পোস্টে প্লাস/মাইনাস রেটিং এর সাথে মোনাফেকির সম্পর্ক দেখে মনে হয়- এনাদের পোস্ট যেন- ঐশী কোন বানী- মানে স্বয়ং আল্লাহ এসব পোস্টাইছেন (নাউজুবিল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ)!!!


যেমন করে জামাত ভোট আসলে শ্লোগান দেয়- "ভোট দিলে পাল্লায়- খুশী হবেন আল্লায়"- যেন আল্লাহ জামাতে ইসলামীর সোল এজেন্ট (নাউজুবিল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ)!!!!!!


২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রয়োজনীয়। এখানে কোন রাজনৈতিক দল নিয়ে কথা হচ্ছেনা।

২১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০২
gonder বলেছেন:


ইয়া হাবিব আবু সামিহা বেরাদার একতা যেনুইন জিগগাসা ছিল। নাসারাগো দেশে থাকি , আশে পাশে কুনো আলেমও নাই যে জিগসেস করবো, আমার প্রশ্নটি আপনার এই পোস্টের বিষয বসতু রিলেটেড,
যদি অভয় দেন তো প্রশ্নটা করতাম।

এখনও ব্লকড না করার জন্য ধন্যবাদ, আপনাকে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দান করিন, আমিন
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি মুফতি নই। এই পোস্টের উদ্দেশ্য হচ্ছে কুর'আনের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর জবাব। ফতোয়া দিতে এটা লিখাও হয়নি। আপনি অনলাইনে অনেক ফতোয়ার ওয়েবসাইট পাবেন। সেখান থেকে জেনে নিতে পারবেন। আমার লিঙ্কসে এরকম দু'টো আছে।
islamqa.com
islamonline.net

আবারো ধন্যবাদ।

২২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
সুপ্ত সবুজ বলেছেন: আরেকটা কথা না লিখতে ভুলে গিয়েছিলাম। যখন ইসলাম বিদ্বেষীদের প্রশ্নের জবাব দেবেন তখন দয়া করে সেটা আলাদাভাবে পোস্ট করে দিবেন। যিনি ইসলাম বিদ্বেষী লেখা লিখেছে তার পোস্টে মন্তব্য করবেন না। তাহলে হয়তো আমাদের কাছে আপনার জবাবটা পঠিত নাও হতে পারে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। আলাদা করেই দেব ইনশা'আল্লাহ্‌।

২৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১১
gonder বলেছেন:
জনাব আবু সামিহা আমি ইঙরেজিতে অততনতো দুরবল, ওইসব আঙরেজি ওয়েপ সাইটে যেতে আমার ভয় লাগে , ওখান তেকে কিছু বুঝা আমার জন্য অসমভব তাই আপনি যদি একতু হেল্প কর্তেন
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: আমি দুঃখিত। নাসারাগো দেষে থাকলেতো ইংরেজী ভালই পারার কথা।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: দেষে নয় দেশে হবে, দুঃখিত

২৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭
gonder বলেছেন:
একজন মুসলিম ভাইয়ের বিপদে আরএকজন মুসলিম ভাইয়ের এগিয়ে আসা দায়িত্ব, এভাবে দায়িত্বে অবহেলা করে আমারে বিপদে ফেলে রেখে এড়িয়ে চলে যাবেন না জনাব।

সব নাসারাগো দেশেই যে আঙরেজি ভাষা চলেনা তাতো আপনি জানেন, তাই মুই আঙরেজিতে একাবারে দুববল
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯

লেখক বলেছেন: আপনি মুসলিম(!) জেনে ভাল লাগল। এখন মুফতি খোঁজেন গিয়ে। আর কোন কথা নয়।

২৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯
gonder বলেছেন:
আমি মুসলিম না, বলে কেন মনে করে ছিলেন জনাব। দিলে বড়ো কস্ট পাইলাম, মুর্খ মানূস জানার জন্য বিগ্গ আলেম , উলামা দের প্রশ্ন করি , উনারা উততরতো দেনইনা বড়ঙ মুসলিম কিনা এই নিয়াই সনদেহ প্রকাশ করেন,
বড়ই তকলিফে আছি , কেউ প্রশ্নের উততর দেইনা
২৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
দিগন্ত বলেছেন: "আর মানুষের সমাজ কোন একটা তান্ত্রিকতো হবেই এখানে শৃংখলার স্বার্থেই। "
- ভাল ভাল। চলেন এখন সবাই আমেরিকার সাথে বন্ধুত্ব পাতাই। শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। আপনি কি বলেন?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: দিগন্ত, আমি আপনাকে বিবেচক মানুষ হিসেবেই জানি। আপনি এখানে আমেরিকার সাথে বন্ধুত্ব পাতানোর ব্যাপারটা কীভাবে নিয়ে এলেন?
বলা হচ্ছে পুরূষতান্ত্রিক সমাজের কথা। আমি বলেছি সমাজতো একটা তান্ত্রিক হবেই। Patriarchal না হলে Matriarchal হবেই। কোন একটা সিস্টেমেতো সমাজ চলবেই। এর ভাল এবং খারাপ দিক থাকতেই পারে। কিছু মানুষ সবসময় একটা কথা মুখস্ত উচ্চারণ করে অভ্যস্থ হয়ে গেছে। পুরূষতান্ত্রিক! এতে কী হল? আমরা কি নারী আর পুরূষদের পরস্পরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিতে চাই?

ইসলাম নারী ও পুরূষকে পরস্পরের পরিপূরক হিসেবেই পেষ করেছে এবং পুরূষকে একটু বেশী দায়িত্ব দিয়েছে এই যা। কিন্তু যুগে যুগে মানুষ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। তাই বলে সিস্টেম ভেঙ্গে এনার্কি সৃষ্টি করা কোন কাজের কাজ হতে পারেনা। সিস্টেমের সংস্কারের প্রয়োজন থাকে সবসময়। কিন্তু তা তাকে ধ্বংস করা নয়।

"তারা তোমাদের পরিচ্ছদ স্বরূপ আর তোমরাও তাদের পরিচ্ছদ স্বরূপ।"(2/187) "আর তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে (একটি হলো এই যে) তিনি তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য জুড়ি (স্বামী/স্ত্রী) সৃষ্টি করেছেন যাতে করে তোমরা তার কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পার। আর তিনি তোমাদের পরস্পরের মাঝে প্রেম-ভালবাসা ও দয়া-মমতা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই এর মাঝে রয়েছে চিন্তাশীল বিক্তিদের জন্য বিরাট নিদর্শন।" (৩০/২১)

২৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৫
রুকনুজ্জামান বলেছেন: অসাধরন লিখেছেন।আমরা এর পর আপনার কাছ থেকে আরো মৌলিক লেখা আশা করবো।এবং আপনি অবশ্যই কোনো অবিশ্বাসীর জবাব তার ব্লগে না দিয়ে তা পোষ্ট আকারে দিবেন তাহলে আমরা তা জানতে পারবো।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই রুকনুজ্জামান।

২৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৫
শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন: আমার দেখা ব্লগের অন্যতম সেরা লেখা এটা। আবু সামিহা আল্রাহ আপনাকে উত্তম জাযা দান করুন।

আর একটা অনুরোধ, নিয়মিতভারে বিষয় ভিত্তিক কোরআন হাদীসের আলোকে কিছু লিখলে আমরা সবাই উপকৃত হবো।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে। ধন্যবাদ

২৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
সাম্প্রতিক বলেছেন: গতকালই একটা পোষ্ট পড়লাম।
আপনারাও পড়ুন এখানে
ওমর (রা.) ইসলামকে ধ্বংস করতে এসে নিজেই মুসলমান হয়ে গেছে।
বর্তমান যুগে ড. মরিচ বুকাইলির উদাহরনও দেয়া যায়।
ইসলাম বুঝা হয়ে গেলে পাগলের মতো সবাই ইসলামকে গ্রহন করে।
তার আগে হাজারো বিরোধীতা। তাই সকল বিরোধীতাকারীদের একটু চিন্তা করার আহবান জানাচ্ছি।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ঐ পোস্টটা পড়েছি। ধন্যবাদ

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: কী বলেছেন?

৩১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২০
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


গুড পোস্ট।+


উল্লেখ্য কোরআনের এক সূরার আয়াত বা আয়াত সমস্টির সাথে অন্য সূরার আয়াত বা আয়াত সমস্টির লিংক আছে। কেউ তাই কেউ একটি আয়াতের অর্থ দেখেই বুঝার চেষ্টা করলে ভুল হবেই।

তাই কোরআনের কোন আয়াত বুঝতে হলে দরকারঃ

১- এ সম্পর্কিত অন্যান্য আয়াত
২- এ সম্পর্কিত হাদীস
৩- এ সম্পর্কে স্কলারদের মতামত
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: সারওয়ার ভাই, সংযুক্তির জন্য ধন্যবাদ।

৩২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
বিবেক সত্যি বলেছেন: অবশ্যই এই পোষ্ট ব্লগের অন্যতম সেরা পোষ্ট ।
৩৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬
সুশীল সমাজ বলেছেন: আগুন পোস্ট। আপনাকে ধন্যবাদ। '' হাদিস কোরান রিসার্চ সেন্টার'' গুলারে ভুল অনুবাদের জন্য ব্যান করা উচিত।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ভাইজান তারা ভাবানুবাদ করেছেন কারণ তাদের মূল তাফসীরে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণও ছিল। তাই সেটাতে ভুল ধারণা হওয়ার সম্ভাবনা ছিলনা। কিন্তু আপনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজ করেছেন।

৩৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬
প্রশাসন বলেছেন: ভাল লাগল . আপনার পোষ্ট বরাবরই ভাল লাগে । এমন পোষ্ট এর জণ্য ধণ্যবাদ! আল্লাহ আপনাকে আরো মৌলিক লেখা পোষ্ট করার তাওফিক দান করুন।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: দু'আর সাথে আমীন! আর আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট। তবে ছোট ছোট করে দিলে আরও উপভোগ্য হত।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। এটা মূলতঃ একটা পোস্টের জবাব কেন্দ্রিক পোস্ট। তাই ছোট ছোট করে দিলে মূল বক্তব্য উদ্ধার করা কঠিন হয়ে যেত।

৩৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৬
আশরাফ রহমান বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে এড করলাম।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৮
স্নোবল বলেছেন: কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট। তবে ছোট ছোট করে দিলে আরও উপভোগ্য হত।
৩৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০০
রোকন বলেছেন: শস্যক্ষেত্র অর্থ কি?
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৫

লেখক বলেছেন: কী মনে হয় আপনার কাছে?

৩৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:০৯
এম.এ.হামিদ বলেছেন: আপনার এ পোষ্তটি একটি ম্যাগনা কার্তা একটি গেটিস বার্গ এড্রেস।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২০

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা।

৪০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:১১
দৃষ্টির ছায়া বলেছেন: "প্রিয় মুসলিম বোন ও ভাইয়েরা! কুর'আনকে নিজে থেকে জানার উদ্যোগ গ্রহন করুন। তাহলে আপনাকে কেউ আর বিভ্রান্ত করতে পারবেনা। এ জন্য ভাল কিছু তাফসীরের সাহায্য গ্রহন করুন।"

জাযাকাল্লাহ্ আবূসামীহা। এমন একটি পোষ্টের প্রয়োজন ছিল এ সময়ে।

সেদিন এ সম্পর্কিত পোষ্টটি দেখে তাফসীরে ইবনে কাসীরে আসা ব্যাখ্যাগুলো পড়লাম। হাদীস ও ঐতিহাসিক দলীল দিয়ে দিয়ে কি চমৎকার ভাবেই না বুঝিয়েছেন মুফাসসির। আমার কাছে যে অনুবাদটি আছে, তা প্রকাশ করেছে "ইসলামিক ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ" আর অনুবাদ করেছেন "আখতার ফারূক"।

আমিও অনুরোধ করবো যে, এ আয়াতে যে বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে সেসব বিষয়গুলো এ ধরনের প্রকাশ্য সম্মিলনে আলোচনা না করাই শ্রেয়। কেননা, এখানে একই সাথে বাবা ও বালক বয়সী ছেলে ব্লগায়, চাচা ও ভাস্তে ব্লগায়, বড় ভাই ছোট ভাই ব্লগায়। সুতরাং অনুরোধ যে, পোষ্টে বেশ কিছু তাফসীরের উল্লেখ এসেছে, আপনারা পড়ুন এ সম্পর্কে এবং বিভ্রান্তকারীদের বিভ্রান্তি থেকে নিজেদেরকে হেফাযত করুন।

আর হাঁ, যাদের লজ্জা নেই, তারা যা ইচ্ছে তাই করতে ও বলতে পারে।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৪

লেখক বলেছেন: "আমিও অনুরোধ করবো যে, এ আয়াতে যে বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে সেসব বিষয়গুলো এ ধরনের প্রকাশ্য সম্মিলনে আলোচনা না করাই শ্রেয়।"

এখানে আসলে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়নি। বিরুদ্ধবাদীরা যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছিল তা দূর করতে সর্বনিম্ন যা করা দরকার তার বাইরে কিছুই করা হয়নি। আর সে বিষয়টিও এসেছে ভেতরে অল্প করে।

ধন্যবাদ ও জাজ়াকাল্লাহু খায়রান।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: আখতার ফারূকের অনুবাদটা আমার কাছে নেই।

৪১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩২
সোনার বাংলা বলেছেন: অসাধারন পোষ্ট.........

অনেক অনেক ধন্যবাদ।
+
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫৬
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। এরকম পোষ্টের খুবই দরকার ছিল। আপনি আবারো আপনার প্রজ্ঞার স্বাক্ষর রাখলেন। আল্লাহ আপনার যোগ্যতাকে আরও বাড়িয়ে দিন।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন: আমীন! আপনাকে ধন্যবাদ।

৪৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০৮
উম্মে হানী বলেছেন: বিভ্রান্তি দূর করতে কার্যকরী পোস্ট। ধন্যবাদ আপনাকে
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪৪. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চমৎকার পোস্ট
ধন্যবাদ
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৬. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪২
বৃত্ত বলেছেন: অনেকদিন পরে পড়ার অপরাধ মাফ করবেন। আরও একটা অপরাধ করে ফেলেছি। সেটা হল, অনেক্ষণ ব্লগিং করতে করতে ক্লান্ত হয়ে হাঁটুতে ভর দিয়ে মাউসটা ধরে ছিলাম। রেটিং এর কাছে এসে মাইনাসে ক্লিক পড়ে গেছে সম্ভবত। সেটাতে প্লাস ধরে নেবেন!

আর একটা অপরাধ: শোকেসে রাখলাম।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: প্লাস/মাইনাস কোন ব্যাপার নয়। কথাগুলো হৃদয়ঙ্গম করাটাই আসল কথা। আল্লাহ্‌র দীনের শত্রুরা এই দীনকে নিয়ে তামাশা শুরু করেছিল। Naive কোন মুসলিম যাতে বিভ্রান্ত না হন সেজন্যই আমার এ প্রচেষ্টা ছিল।
আপনার শোকেশ দেখলাম। ওখানেতো এটা নেই।
ধন্যবাদ।

৪৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৫
স্বপ্নকর বলেছেন: সত্যিই দারুন লিখেছেন। কারো সমালোচনায় এ লেখা থামবার নয়। যুগ যুগ ধরে অনেক মানুষ ইসলামের বিরোধিতা করেছে। তাদের অনেকে এখন নেই, যারা আছে তারাও থাকবেনা। কিন্তু ইসলাম ছিল, থাকবে চিরকাল।

সত্যি কথা কি আমি নিজেও বিশ্বাস করি যে, দুনিয়ার জীবন খুব বেশি হলে ৬০ - ৭০ বছর। তারপর??? তারপর তো অনন্ত জীবনের শুরু। সুতরাং ৬০ - ৭০ বছর নিয়ে এত লাফালাফি না করে অনন্ত জীবন নিয়ে চিন্তা করাই তো বুদ্ধিমানের কাজ। তাই নয় কি?
০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আপনার মত করে ভাবতে পারলে ামাদের সমাজের অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।

০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আপনার মত করে ভাবতে পারলে আমাদের সমাজের অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।

৪৯. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:৪৬
সিন-লাম-মীম বলেছেন: শুধুমাত্র স্ত্রীর যোনীতে সঙ্গমকে এলাউ করলেন - কিভাবে বা কোথায়? বরং যখন যেভাবে ইচ্ছা করার অনুমতি দিয়েছে! আয়াতের অর্থ যেভাবেই উপস্থাপন করেওন না কেন - ব্যাপারটা কিন্তু যে কোন নারীর জন্য চরম অপমানকর। কাছের কোন নারীকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

আর আপনার উল্লেখিত আনসারদের এই ইতিহাসের সোর্স কী?

তাহফিমূল কোরা'আন প্রবলভাবে কন্ট্রোভার্সিয়াল একটা জিনিস - এটা কিভাবে সাজেস্ট করলেন!

প্রচেষ্টার জন্য +
যদিও প্রচেষ্টা নিদারুনভাবে ব্যর্থ।
৫০. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৪৬
শান্তির দেবদূত বলেছেন: কান ও তুলা কাঠির গল্প ----- আমার এই লেখাটা এই পোষ্টের সাথে প্রাসংগিক মনে হওয়ার লিংকটা রেখে গেলাম, সময় হলে পড়ে দেখবেন ....... ধন্যবাদ :)
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: পড়লাম। অনেক ধন্যবাদ।

৫১. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৯
কেএসআমীন বলেছেন: ভাল লেখার চেষ্টা করেছেন, ধন্যবাদ
৫৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৩৭
হুসাইন আহমদ বলেছেন:
প্রথমে লেখকের বক্তব্য থেকে কিছু বিষয় উল্লেখ করে আমার জিজ্ঞাসা তুলে ধরব-

১. এর রয়েছে নিজস্ব বাচনভঙ্গী যা মানবীয় বাচনভঙ্গী থেকে আলাদা।
২. কুর'আনের শব্দাবলী বিশ্বজাহানের স্রষ্টা নিজে চয়ন করেছেন। এজন্য মানবীয় ভাষায় এর অনুবাদে সবসময় থাকে সীমাবদ্ধতা। যার জন্য মুসলিমরা কখনোই অনুবাদকে কুর'আন মনে করেননা।
৩. এজন্য ক্লাসিক্যাল আরবীর যথার্থ জ্ঞান ব্যতিরেকে শুধু অনুবাদের উপর নির্ভর করে কুর'আনের সমালোচনা করা মূর্খতাপূর্ণ পণ্ডিতি ছাড়া আর কিছুই নয়।
৪. তা হলো কুর'আনের আয়াতগুলো নাজ়িল হয়ার প্রেক্ষাপট।
৫. কুর'আনকে একটি পূর্ণাঙ্গ বাণী (Total Messege) হিসেবে নিতে হবে।


কিছু জিজ্ঞাসা-

১. মানুষ ছাড়া আর কোন কিছুর পক্ষে বচন দেওয়ার ক্ষমতা আছে কি না আমার জানা নেই, লেখক বা কেউ জানলে দয়া করে জানাবেন। লেখকের ভাষ্যমতে কুরআনের ভাষা অমানবীয়, আরবী অমানবীয় ভাষা এবং আরবীর বিভিন্ন বাচনভঙ্গিতে যারা কথা বলেন তার মানব নন বা অতি মানব। এবং তারা অন্তত ভাষার দিক থেকে হলেও কুরআন নাজিলকারী শক্তির সমকক্ষ নয় কি?
২. অনুবাদ মাত্রই মূল ভাষার তুলনায় ভাবপ্রকাশে সীমাবদ্ধ। এক্ষেত্রে কুরআনের আলাদা কোন বৈশিষ্ট আছে কি? আর অনুবাদ তো অনুবাদ-ই, অনুবাদকে কি কেউ মূল রচনা আখ্যা দেয়?
৩. সমালোচনা নির্ভর করে কোন বিষয় স্পষ্টভাবে বুঝার উপর। নিজের না থাকলেও, ক্লাসিক্যাল আরবীর যথার্থ জ্ঞান ওয়ালা কোন ব্যক্তির অনুবাদ পড়ে কেউ কুরআন সম্পর্কে সমালোচনা করলে তাতে দোষ কি?
৪. কোন বিষয়কে বুঝতে হলে যদি প্রেক্ষাপটের মুখাপেক্ষী হতে হয় তার অর্থ কি এই দাঁড়ায় না সে বিষয়ের বাস্তবায়নযোগ্যতা সীমাবদ্ধ?
৫. একটি নির্দিষ্ট ভাষার, যা কিনা আবার অমানবীয়, এবং নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট একটি গ্রন্থ কি করে সমগ্র ভাষার মানুষের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাণী হতে পারে?
৬. কুরআন যদি নারী-পুরুষের মানবিক সমমর্যাদা দিয়েই থাকে তাহলে কেন যৌন সঙ্গমের ক্ষেত্রে পূরুষের যখন-তখন, যেমন-তেমন ইচ্ছাকেই একমাত্র গুরুত্ব দেওয়া হল। এবং একজনকে চাষী (মানুষ), অন্যজনকে শষ্যক্ষেত্র (নিষ্প্রাণ ভূমি)- এই রূপক ব্যবহারের মধ্য দিয়েই কি তা প্রমাণিত হয় না? তাছাড়া সম্পিত্তর বণ্টনে নারীর জন্য পূরুষের অর্ধেক সম্পত্তির বিধানের মধ্য দিয়েও কি বৈষম্য টিকিয়ে রাখা হয়নি?




















৫৫. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: লেখা পছন্দ হয়েছে।
দেরীতে হলেও পড়লাম।
৫৬. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪২
সুবিদ্ বলেছেন: ভালো লাগলো.........
৫৭. ২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩১
আমি অতি সাধারণ বলেছেন: হাফ সেঞ্চুরি ! হাফ সেঞ্চুরি ! ৫০ তম ভাল লাগা দিলাম !!
++++++++++++++++++++++++++++++++
৫৮. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩১
দূর্বার বলেছেন: ৫১ তম ভাল লাগা দিলাম !!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার ব্লগে এখন থেকে শুধু প্রাসঙ্গিক মন্তব্যকে স্বাগত জানানো হবে। কেউ মন্তব্য করতে চাইলে লেখার বিষয় সম্পর্কে করবেন। অহেতুক ও...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ