পাঠকের মতামত আহ্বান: সরকারের পদত্যাগ ও আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ করা উচিত কিনা?
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৪১
কোন উল্লেখযোগ্য অভিযোগ ছাড়া সরকার কর্তৃক হিজবুত তাহরীকে (ব্যক্তিগত ভাবে আমি অপছন্দ করলেও) নিষিদ্ধ করা ও এর প্রধান ঢাবির শিক্ষক প্রফেসর মহিউদ্দিন আহমেদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ কোয়ার্টারে দিনের পর দিন গৃহবন্দী করে রাখা যদি বৈধ হয়, তবে সচেতন জনগনের প্রশ্ন তবে এর চেয়েও বড় ও সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ, সরকারের পদত্যাগ ও শেখ হাসিনাকে গৃহবন্দী করা হবে না?
আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নিত্য সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সাথে সম্প্রতি যা যুক্ত হয়েছে তা হচ্ছে এর মহিলা নেত্রীদের বোরখার আড়ালে মানুষ হত্যা, অস্ত্র ব্যবসা, চরমপন্হীদের সাথে সম্পর্ক ও সীমান্তে চোরাচালান ব্যবসা। সম্প্রতি কুষ্টিয়া আওয়ামী লীগের এক নেত্রী ও চরমপন্হী গণ মুক্তি ফৌজের সদস্যসহ ৫ জন আটক হয়েছে। গত সমেবার রাতে অভিযানে পূলিশ একে-৪৭ রাইফলে ও শটগানসহ বেশ কিছু গুলি উদ্ধার করেছে।
গ্রেফতার করা হয়,
১) তাসলিমা খান ওরফে আঁখি (কুষ্টিয়া পৌর মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও গণমুক্তি ফৌজের নেতা)।
২) রানী আক্তার (গণমুক্তি ফৌজের নেতা)।
৩) দৌলতপুর উপজেলার অস্ত্র ব্যবসায়ী আক্কাস আলী (গণমুক্তি ফৌজের নেতা),
৪) আব্দুর রাজ্জাক (গণমুক্তি ফৌজের নেতা)
৫) শাহীন আলী (মাইক্রোবাস চালক)
প্রথমআলো লেখে, গ্রেফতারকৃতদের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। আমাদেরসময় লেখে, আঁখির স্বামী কোহিনুর খান সাবেক পৌর কমিশনার ও ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার রশিদুজ্জামান খান দুদু এমপির সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে তাকে দেখা যায়। আঁখি নিজেও দুদুকে দুলাভাই পরিচয় দেন এবং নিজেকে শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা বলে দাবি করেন। তাকে দলীয় কর্মকাণ্ডে সব সময় অগ্রভাগেও দেখা যায়। এদিকে গ্রেফতার রানী আক্তারের স্বামী গণমুক্তি ফৌজের ক্যাডার সোহেল বছর খানেক আগে এনকাউন্টারে নিহত হন। এরপর থেকে তিনি জড়িয়ে পড়েন চরমপন্থি কর্মকাণ্ডে। বেশ কয়েকটি অপারেশনেও তিনি অংশ নেন। অনেকটা দূর্ধর্ষ প্রকৃতির এই রানীকে গ্রেফতারের পরেও বিচলিত মনে হয়নি। ধরা পড়ার পর তিনি নিজেকে অবিবাহিত বলে পুলিশকে জানান। রানীর ব্যাগেই তলস্নাশি করে পাওয়া যায় দুটি ম্যাগজিন, ৬৭ রাউন্ড রাইফেলের গুলি ও ১৬ রাউন্ড শর্টগানের গুলি।
বিস্তারিত দেখুন: প্রথমআলো ও আমাদেরসময়।
অনেকে বলছেন, জঙ্গীদের দেশবিরোধী কর্মকান্ডে সবসময় সোচ্চার দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবিরা আজ কোথায়? কেন তাঁদের কলমের কালি আজ শুকিয়ে গেছে? তাঁরা যদি দেশপ্রেমিক হন এবং দেশের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত হন তবে আজ তাঁদের অবশ্যই জনগণকে সচেতন করার মানসে কলম ধরা উচিত। নতুবা মানুষ তাঁদের সততা সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন বৈকি!
এনিয়ে পাঠকের মতামত জানাতে আহ্বান জানাচ্ছি।
দ্রষ্টব্য: পাঠকদের জ্ঞাতার্থে, এই পোস্ট কোনভাবেই হিজবুত তাহরী বা যেকোন ইসলামী দলের পৃষ্টপোষকের জন্য নয়, বরং সরকার ও আওয়ামীলীগের দ্বিমুখী নীতির প্রতিবাদে ভূমিকায় হিজবুত তাহরীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০০
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
আপনে নিষিদ্ধ শব্দটার মানে বুঝেন বলে মনে হয়না।
লেখক বলেছেন: দয়া করে একটু বুঝিয়ে দিন
লেখক বলেছেন: হয়ত: তাই!
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
লেখক আগে কেন কাউকে শাস্তিবদেওয়া হয় আর কাউকে নিষিদ্ধ করা হয় সেইটা আগে বুঝার চেষ্টা করেন, তাইলেই অনেক পরিষ্কার বুঝবেন
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
আপনার মতই যুক্তি ধরে বলা যায়----বিশ্ববিদ্যালয়ে খালি চাদাবাজী, দলবাজী, রুম দখলবাজী, আর টেন্ডারবাজি হয়--তাই বিশ্ববিদ্যালয় নিষিদ্ধ হোক। কাজটা কি ঠিক হবে?
লেখক বলেছেন: আপনার উত্তরটা যুৎসই হয়নি।
তারপরও, হিজবুত তাহরী বা জেএমবি নিষিদ্ধ যদি করা হলে, আওয়ামীলীগ কেন নিষিদ্ধ করা হবে না, বুঝিয়ে বলবেন কি?
লেখক বলেছেন: more specifically, tell us on what grounds hijbut tahri was banned and how AL is free from those grounds.
লেখক বলেছেন: - ব্যাপার না!
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
আগে বলেন, হিজবুতকে কেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে? তারপর আলোচনা সামনে নেয়া যায়।
লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা আমি করেছি।
আমার জানামতে সরকার কোন সুস্পষ্ট অভিযোগ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতে মামলা বা আপীল করার সুযোগও দেয়নি।
আপনাকে সরকার সমর্থক মনে হচ্ছে, বিষয়টি আপনিই আমাদের জানিয়ে দিন। ধন্যবাদ।
হিটলারের সাগরেদ বলেছেন:
আওয়ামী লীগ তো ৭৫ এর পরই নিষিদ্ধ করা উচিত ছিল। এখন বুঝেন নিষিদ্ধ না করার পরিনতি। সময়ের এক ফোড় অসময়ের দশ ফোড়। সাথে সাথে চরমপন্থি লালনকারী জাসদ, আর মহাজোটের ১২ দল নিষিদ্ধ করা উচিত।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
আমি তো শুনলাম, হিজবুত ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী না, তারা সব দেশ ভেঙ্গে (বাংলাদেশ সহ) সব মুসলিম একসাথে নিয়া খিলাফাহ পুন:প্রতিষ্ঠা করতে চায়!
এইটা যদি ঠিক হয়, তাহলে তাদের কি বাংলাদেশে বসেই বাংলাদেশ ভাঙ্গার রাজনীতি করতে দিতে চান?
লেখক বলেছেন: আমরাতো শুনলাম, আওয়ামীলীগ এপার বাংলা, ওপার বাংলা এক করতে চায়!
এসব শোনা কথায় কোন আইনগত বৈধতা নেই।
এজন্য এটা কোন অজুহাত নয়।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
হাহাহা!!! এইটা শোনা কথা কে বলল?? তাদের সংবিধানএই আছে!Click This Link
এইটা বাংলাদেশ হিজবুতের পেইজ, পইড়া দেখেন। তারপর উইকি পড়েন। তারপর আবার আইসেন।
লেখক বলেছেন: বললাম তো, এরকম জামাতের সংবিধানেও আছে, ওরা আল্লাহর সার্বভৌমত্ত্বে বিশ্বাসী এবং এটা বাংলাদেশ সংবিধান বিরোধী। বিএনপির সাথে চীনের, জামাতের সাথে পাকিদের সম্পর্ক আছে বলে আমরা জানি। একটা সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার জন্য এসব কোন অজুহাত নয়।
আর যদি তাই সঠিক হয়, তাহলে সরকার এটা বললনা কেন, এইসব কারনে ওদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে বা কেনইবা তাদেরকে মামলা করার সুযোগ দিলনা। কোর্টে প্রমাণ হয়ে যেত - তাদের কোন বৈধতা নেই।
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
আওয়ামীলীগের গায়ের জোর যতটুকুনা বেশী তার চেয়ে অনেক অনেক বেশী ওদের চাপার জোয়ার। গতকালের ঘটনা নিয়ে দেখবেন আজই নেতা নেত্রীদের চাপাবাজি শুরু হয়ে যাবে। এটা দেশ ও আওয়ামীলীগের বিরুদ্বে বিরাট ষড়যন্ত্র এমনটাই চাপাবাজিতে উঠে আসবে। মিথ্যাকে সত্য আর সত্য কে মিথ্যা বানানোতে আওয়ামীলীগের জুড়ি নাই, আর এটাকে আস্তে করে চেপে যাবে আমাদের জাতির বিবেক(!!!) মিডিয়া, অতএব সাধু সাবধান!!!!!!!নৈতিকতার দিক দিয়ে হিজবুত তাহরী আওয়মীলীগের থেকে অনেক অনেক এগিয়ে অতএব হিজবুত তাহরীর আগেই আ. লী কে নিষিদ্ব করা উচিত ছিল এবং সাথে সাথে চরমপন্থি লালনকারী জাসদ কেও নিষিদ্ব করা উচিত।
লেখক বলেছেন: একমত, ধন্যবাদ।
রাতমজুর বলেছেন:
তালগাছের ইংলিশ কি?
লেখক বলেছেন: এটা কেন দরকার ভাই? তাল পাকার দিন তো শেষ!
অাল অামীন বলেছেন:
কোন দলকে নিষিদ্ধ করার অর্থ, তাদেরকে আরো সহিংসতার দিকে ঠেলে দেয়া। আন্ডারগ্রাউন্ডের যে কোন শক্তি প্রকাশ্য শক্তির চেয়ে ভয়ংকর। হিজবুত তাহরীর যদি এমন সহিংস কোন পথ বেছে নেয়, চরমপন্থী কিংবা জেএমবি'র মত ধ্বংসাত্বক পথে এগোয়, তাহলে এর কী প্রতিকার আছে। আমাদের পুলিশ কিংবা RAB ভাইরা কয়জনকে ক্রস ফায়ারে দিবেন? পরিস্থিতি তখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। আর হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করণের প্রশ্ন আসাটা অবান্তর। গত চার যুগ ধরে যে দলটি দেশের স্বাধীনতা অর্জন, রক্ষা ও গণতন্ত্র পূণরূদ্দ্ধারের লড়াইয়ে সাবার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনার কারণে সেই দলটিকে ব্যান্ড করার প্রশ্ন শুধু অবান্তরই নয়, হাস্যকরও। তবে ক্ষতাসীন দলগুলো যে সন্ত্রাস লালন করে তার যথেষ্ট নজীর জাতির সামনে রয়েছে। আর এই সন্ত্রাসই যে তাদের পতনের কারণ, তার স্বাক্ষীও পেছনের দুই দশকে ভুড়ি ভুড়ি রয়েছে।
আসুন আমরা ইতিবাচক কিছু ভাবি। ........................................
লেখক বলেছেন: আপনার জবাবটা খুব পছন্দ হয়েছে। আওয়ামীলীগের অবদান কম নয়। কিন্তু মাঝে মধ্যে এদের কাজকর্মে মনে হয়, দেশটাকে এরা পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে। দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজের ও দলের স্বার্থটা বড় এদের কাছে।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
প্রথমদিকে লাইনেই ছিলেন, পরে আবার উল্টাপাল্টা বলা শুরু করলেন কেন? আপনারে দেখায়া দিলাম যে তাদের মূলনীতিতেই আছে এই জিনিস---এখন সেইটা নাদেখার ভান কইরা চীন পাকি টাইপ শোনা কথা আনতেছেন।"জামায়াতের সংবিধান কি আসলেই বাংলাদেশের সংবিধান বিরোধী কিনা সেইটা একে বারেই অন্য টপিক---কিনতু তারা বাংলাদেশ ভাইঙ্গা খিলাফত করতে চায়--এই টাইপ কিছু নাই বইলাই জানি।
খামাখাই ত্যানা প্যাচাইতেছেন।
লেখক বলেছেন: অন্ধ আওয়ামীর সাথে তর্ক বাড়াতে চাই না। ধন্যবাদ আলোচনার জন্য।
ডিজিটালভূত বলেছেন:
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে প্রথম আওয়ামী লীগারদের সব সংগঠন নিষিদ্ধ করা উচিত।তবে এমন দাবী করার আগে ভাইজান আপনি ভাবী বাচ্চাদের থেকে বিদায় নিয়া রাইখেন।
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন।
লেখক বলেছেন: শাবনুরের লগে একখান চভি বানালে কেমন হয়?
তাজা কলম বলেছেন:
হিজবুত তাহরী বিশ্বে অনেক মুসলিম দেশে নিশিদ্ধ আছে। মূলত: দলটি খেলাফত প্রতিষ্ঠার নামে মুসলিম জঙ্গিবাদদের মদত যোগায়। আল কায়েদার থিংক ট্যান্ক এ দলটি নিষিদ্ধ করায় দেশের শান্তিকামী মুসলিম জনতা আশ্বস্ত। আলহামদুল্লাহ। আওয়ামী লীগ, বিএনপি রাজনীতিতে অনেক ভুল, অনাচার করতে পারে। কিন্তু তারা ইসলামের নাম করে জঙ্গীবাদের বিষবাষ্প ছড়াচেছ না। তাই আওয়ামী লীগ কিংবা, বিএনপি কখনো হিজবুত তাহরির সঙ্গে তুলনীয নয়।
লেখক বলেছেন: Bangladeshe dolti emon kaj koreche bole sorkar ba keu proman dite pareni.
ফালতু মিয়া বলেছেন:
কৃষ্ণের (ক্ষমতাসীন দল) বেলায় লীলা খেলা, দোষ হয় শুধু আমার বেলা (বিম্পি-জামাত, জঙ্গী আরও অনেকে)।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
আলোচনা না বাড়াইতে চান, অক্কে। ভুয়া যুক্তি ধরায়া আইনের শাস্তির বদলে যখন সোজা নিষিদ্ধ করতে চান, তখন কিনতু আমি আপনারে "কানা বিএনপি" বা "খোঁড়া হিজবুত্তি" বলি নাই,আপনার জানার ভুল ধরায়া দিছি মাত্র, তাও রেফারেন্স দিয়া, যেটা আপনে না দেখার ভান করলেন।
যাউগ্গা, দাবী চালায়া যান, গুড লাক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
তাজা কলম বলেছেন:
হিজবুত তাহরির মুসলিম দেশ যেমন তুরস্ক, কুয়েত, আরব আমিরাতে কেন নিষিদ্ধ বলবেন কি?
দলটি ইসরামে কথিত জ্বেহাদকে ধর্ম যুদ্ধ হিসেবে চিহ্তি করে। জ্বেহাদ মূলত: অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ নয়। বরং আল্লাহ-র রাস্তায় থাকার জন্য নিজের সংগে যুদ্ধ করা, নিজের নফসকে শাসন করা। ইসলামে জ্বেহাদ বলতে একেই বুঝায়।
লেখক বলেছেন: এটা নিয়ে বিতর্ক আছে।
ধীবর বলেছেন:
১৫ নং কমেন্টের কিছু উদ্ধৃতি"... গত চার যুগ ধরে যে দলটি দেশের স্বাধীনতা অর্জন, রক্ষা ও গণতন্ত্র পূণরূদ্দ্ধারের লড়াইয়ে সাবার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনার কারণে ..."
১। দেশ স্বাধীন হয়েছে ৩৮ বছর, এই চার দশক আসলো কি করে? দেশ স্বাধীন করার একক কৃতিত্ব আঃ লিগের নয়।
২। স্বাধীনতা রক্ষার নমুনা হলো, ২৫ বছরের গোলামি চুক্তি করা, ফারাক্কা বাধ দেবার অনুমতি, বেরুবাড়ি দিয়ে দেয়া, বাংলাদেশের ছিটমহল পুরনুদ্ধারে বিফলতা, টিপাইমুখ বাধ চালুর অনুমতি, সীমান্ত উন্মুক্তকরন করে ভারতীয় পণ্য দিয়ে দেশ সয়লাভ করে দেয়া, পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্নতাবাদের দিকে ঠেলে দেয়া।
৩। গণতন্ত্র পুরনুদ্ধারের নমুনা হলো বাকশাল গঠন করে গণতন্ত্রকে হত্যা, এরশাদের সামরিক শাসনকে সমর্থন, ৮৮ সালে নির্বাচনে অংশগ্রহনের মাধ্যমে নিজেদের ঘোষিত জাতিয় বেঈমান খেতাব গলঃধরণ, ৯১ এবং ২০০১ সালে নির্বাচনে পরাজিত হয়ে লাগাতার হরতাল, অবরোধ, ভাংচুর, হরতাল বিমুখ মানুষদের দিগম্বর করন - আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, ৯৬ সালে ক্ষমতারোহনের পর দলের গডফাদারদের মাধ্যমে বিরোধিদের উপর হত্যা দমন পীড়ন নির্যাতন, ১/১১ এর বিদেশি দালালদের ক্ষমতারোহনে পুর্ণ সমর্থন, এবং ২০০৮ সালে ক্ষমতা পেয়ে এখন বাকশালের দিকে ধাবমান।
এখন ১৫ নং মন্তব্যদাতা বলুন, এই বাস্তব চিত্রের সাথে আপনার দাবির মিল কতটুকু?
আঃ লিগ এবং তার অঙ্গ সঙ্গগঠনগুলি যে হারে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে, সেটা বাংলাদেশের যে কোন সংগঠনের চেয়ে শতগুণ বেশি। তাই নিষিদ্ধ করতে হলে, আঃ লিগ এবং তার জ্ঞাতি গুস্টির সবাইকেই নিষদ্ধ করা উচিত। এর পর একই অভিযোগে অন্যরা।
লেখক বলেছেন: আপনার কথায় যুক্তি অনস্বীকার্য। তবে আওয়ামীলীগের অবদান ও স্মরনীয়। দেশের স্বার্থে যেকোন দলের খারাপ কাজকে 'না' বলার যোগ্যতা আমাদের থাকতে হবে, ধন্যবাদ।
হিজবুত তাহরীরকে অনেক মুসলিম অধ্যুষিত দেশেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেন করেছে তারাই ভাল বলতে পারবে। হতে পারে, আমাদের দেশের মতই 'জননিরাপত্তার হুমকি'-এই অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু এই দলটি কোথাও আন্ডারগ্রাউন্ডে গিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শুরু করেছে, এমন কখনো শুনিনি। যদি তাই হত, আমেরিকা-বৃটেন-অস্ট্রেলিয়াই আগে নিষিদ্ধ করত। আল-কায়েদাকে নিশ্চয়ই আমেরিকা-বৃটেন তাদের দেশে প্রকাশ্যে কাজ করতে দিবে না।
হিজবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ করায় আওয়ামী লীগ ও তাদের প্রভুদের নৈতিক পরাজয় ঘটেছে। মানুষ দেখেছে সরকারের কাছে গ্রহনযোগ্য কোন যুক্তি নেই। ফলে তারা গলা চিপে মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। সরকারের অন্ধ সমর্থকরা যেসব যুক্তি দেন, সরকার নিজেও তো তার ধার-কাছ দিয়ে যায় নি। গর্দভগুলো এটা বোঝে না যে, বাংলাদেশ সাম্রাজ্যবাদের রাডারের মধ্যে পরে গিয়েছে। বামপন্থীরা যতই লাফালাফি করুক, জনমানুষকে ঐক্যবধ্য করার ক্ষমতা তাদের নেই। এর কারন মূলত দুটি। এক, নাস্তিক্যবাদ কখনই এদেশের মানুষের আত্মার খোরাক দিতে পারবে না। দুই, ক্ষমতার অংশীদার হয়ে যাওয়ায় সত্য বলার সাহসটা তারা হারিয়ে ফেলেছে। ইসলামী দলগুলোর মধ্যে একমাত্র হিজবুত তাহরীরই সাম্রাজ্যবাদের সরাসরি বিরোধিতা করেছে । এবং গনমানুষকে ঐক্যবধ্য করার ক্ষমতাও তাদের রয়েছে। তাই পথের কাটা দূর করতে তাবেদার আওয়ামী সরকার দিয়ে তাদের নিষিদ্ধ করেছে। মনে রাখা দরকার, পলাশীর যুদ্ধের মধ্য দিয়ে মীরজাফর ক্ষমতায় গেলেও আমরা স্বাধীনতা হারিয়েছিলাম।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রথমদিকের কথাগুলো যুক্তিসংগত, তবে হিজবুত তাহরীর ব্যাপারে আপনার মতামত পাঠকদের বিবেচনাদিন।
আমি ব্যক্তিগতভাবে এই সংগঠন পছন্দ করি না।
লেখক বলেছেন: পত্রিকায় এমনটি দেখেছি।
নীল লাল সবুজ বলেছেন:
এদের কাজকর্মে মনে হয়, দেশটাকে এরা পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে।
লেখক বলেছেন: ঠিক তাই।
লেখক বলেছেন: ভাই লিন্কতো খুঁজতে হবে। তবে সম্ভবত: প্রথমআলো বা আমাদের সময়ে যেদিন সরকার নিষিদ্ধ করেছে, পরের দিন দেখেছি, কয়েকটি দেশে অলরেডি নিষিদ্ধ। আমার ভুল না হলে যুক্তরাজ্য বা বৃটেন দেখেছি বলে মনে হয়। তবে এখন মনে পড়ছে, ২/১ দিন পরে বৃটেনে সংগঠনটি সংবাদ সম্মলেন করেছে। নিষিদ্ধ হলে সম্মেলন কিভাবে করল - তাই তো।
তাজা কলমের বক্তব্য আশা করছি।
শয়তান বলেছেন:
দি ফিউরিয়াস ওয়ানরে জাঝা
তাজা কলম বলেছেন:
যুক্তরাজ্যে হিজবুত তাহরির ব্যান হয়েছিল ২০০৫ সালে সন্ত্রাসী দলের সাথে যোগাযোগ থাবার কারণে। লিংকে সে সময়কার কথা আছে।
Click This Link
হিযবুত তাহরির, ইউকের ওয়েব সাইটও একারণে অকেজো।
লেখক বলেছেন: but it made a conference against bangladesh govt action in last week. how?
স্বপ্নকথক বলেছেন:
দুনিয়ার হিজচুতিয়া এক হও। হিজবুত তাহরীরের ফান্ডের উৎস কি জানেন?
হিজবুতদের মূলমন্ত্র জানেন?
মনেহয় জানেন। নাহলে পক্ষ টেনে কথা বলতেন না।
আমি যখন লালন ভাষ্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে মানব বন্ধন করি, তখন বোমা হামলার হুমকি দিয়েছিলো কারা? হিজচুতিয়া।
প্রগতিশীল দৈনিক বন্ধে আন্দোলন, মারামারি করেছিলো কারা? হিজচুতিয়া।
কাদের ফাউন্ডারের মাথার দাম কয়েক লক্ষ ডলার? হিজচুতিয়া।
@ধীবর...এরশাদের সামরিক শাসনকে সমর্থন...নূর হোসেন তাহলে সমর্থন দিতে গিয়ে গুলি খেয়ে মারা গেছেন, তাইনা?
দেশ স্বাধীন করার একক কৃতিত্ব আঃ লিগের নয়।...ইতিহাসকে পাতিহাস বানিয়েন না। পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৭০ এর নির্বাচনে ৩০০ আসনে ২৯৮ আসন কারা পেয়েছিলো?
আঃ লিগ এবং তার অঙ্গ সঙ্গগঠনগুলি যে হারে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে, সেটা বাংলাদেশের যে কোন সংগঠনের চেয়ে শতগুণ বেশি। তাই নিষিদ্ধ করতে হলে, আঃ লিগ এবং তার জ্ঞাতি গুস্টির সবাইকেই নিষদ্ধ করা উচিত। এর পর একই অভিযোগে অন্যরা। তাহলে আপনি বলছেন সব রাজনৈতিক দলই নিষিদ্ধ ঘোষনা করতে হবে? তাহলে দেশ চালাবে কে? আপনি? নাকি পাকিস্থান?? যত্তসব গাঁজাখুরে বুলি!!
টিপাইমুখ বাধ চালুর অনুমতি ???!!!!??? কবে দিলো?? কে দিলো??
একটা কথা বলতে চাই, মানুষের মাঝে যেমন ভালো মন্দ আছে; প্রতিটি দলের মাঝেও ভালো মন্দ আছে। তবে ভালোর পরিমান ও খারাপের পরিমানের তারতম্যের কারণে কোন দলকে অধিকতর ভালো বলা যেতে পারে। আ. লীগের প্রচুর দোষ, বিএনপির ও প্রচুর দোষ। ভালো খারাপ মানুষ বিচার করবে।
জেএমবির উত্থানের কথা মনে আছে নিশ্চয়ই? সারা দেশে বোমা হামলার পর জেএমবি হয়ে যায় খারাপ, তার আগ পর্যন্ত ছিলো ভালো!!
এটাই কি আপনারা চেয়েছিলেন যে হিজবুত জেএমবির মতো নাশকতা মূলক কাজ করার পর ব্যান করা হোক?? আমার-আপনার মতো মানুষেরা না মরা পর্যন্ত তারা ফেরেস্তা থাকুক??
@ হিটলারের সাগরেদ...৮নং কমেন্ট....
হ্যাঁ,৭৫ এ পরেই আ.লীগ নিষিদ্ধ করার দরকার ছিলো।তাহলে,আপনার জামায়াত এত দিনে দেশ টা কে রসাতলে নিয়ে যেতে পারত।
আর জাসদ বা মহাজোটের ১২ বামপন্থী দল চরমপন্থা লালন করে,এটার কি কোন প্রমাণ আছে???
বরং,বাংলা ভাই দের সাথে আপনার দল এবং আপনার পেয়ারা বিএনপির নেতাদের হট লিংক ছিলো।
নুজামী ত মিডিয়ার সৃষ্টি বলে আড়াল করে রাখতে চেয়েছিলো।
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন:
যত যাই হউক হিজবুল তাহরীর সাথে আওয়ামী লীগকে কেমনে মিলানো যায়?
লেখক বলেছেন: মিলানো নয়, আওয়ামীলীগের অপকর্মের জন্য দলটির বিরুদ্ধে অনুরূপ একশন এখন সময়ের দাবী।
টনি ব্লেয়ার নিষিদ্ধ করতে চাইছিল, কিন্তু আইনে কুলায় নাই। এমনটাই আমি জানি।
অাল অামীন বলেছেন:
@ধীবর: আপনাকে বলছি: >>>>>>>>>>>>>আওয়ামীলীগের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পূণরূদ্ধারের সংগ্রাম মাত্র চার দশকের না, আরও অনেক বেশী সময়ের। আমি বরং অনেকখানি কমিয়েই বলেছি। (চার দশক হতে ৩৮ বছেরের পর আর কত বছর অপেক্ষা করতে হবে ভাইজান?)
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু আর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের "একক" নেতৃত্বেই দেশ স্বাধীন হয়েছিল। তখন জামাতী রাজাকাররা যেমন স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিল, তেমনি কিছু বাম রাজনৈতিক দল ভিন্ন চিন্তা-ধারার কারণে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে ছিলনা।
আর স্বৈরতন্ত্রের প্রশবজাত বিএনপি, জাতীয় পার্টির ভ্রুণও তখন কল্পনাতীত ছিল। তারা কিভাবে স্বাধীনতার কৃতিত্ব দাবী করবে? হ্যা, কোন মহান যোদ্ধা যদি আওয়ামীলীগ ব্যতীত ভিন্ন কোন দলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকেন, তার কৃতিত্ব কেন স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জন্ম নেয়া দলগুলো দাবী করবে।
কোন আওয়ামীলীগ বন্দনা কিংবা অন্য কোন দলের প্রতি বিদ্বেষমূলক মানষিকতা থেকে বলছিনা, দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীর প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষ সমর্থন আছে যে দলটির প্রতি, তাদেরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার কথা যারা বলে, তারা আর যাই হোক বাংলাদেশের গণমানুষের চিন্তা ও চেতনার বিপরীত স্রোতে চলছে।
দেশের বৃহত্তম দলটির দীর্ঘ সময়ের রাজনীতিতে ভাঙ্গা-গড়া, ভুল-শুদ্ধের অনেক ইতিহাস রয়েছে, তাই বলে একটি মৌলবাদী দলের সঙ্গে এর তুলনা কোন ক্রমেই চলেনা।
আর জনাব, আপনি কিন্তু মুল পোষ্টের আলোচ্য বিষয় থেকে সরে এসে বাংরাদেশ আওয়ামীলীগ এর লেজ কামড়াতে শুরু করেছেন। যদি এতটাই দেশ প্রেমিক হয়ে থাকেন, তাহলে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিস্কার করে হিজবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ করা এবং এর পরবর্তী সংকট সম্পর্কে গঠনমূলক মতামত উস্থাপন করুন।
তাজা কলম বলেছেন:
@ আ হক
আমি যুক্তরাজ্যে বহুদিন ছিলাম এবং ওখানকার স্থানীয় রাজনীতির সাথেও জড়িত ছিলাম। যুক্তরাজ্য-র আইনে যে কোন ফোরামের নামে সভা আয়োজন করতে পারে। খোঁজ নিয়ে দেখেন অন্যকোন সংগঠনের ছত্রছায়ায় (সম্ভবত দাওয়াতী ইসলাম, যুক্তরাজ্য)-র আওতায় হিজবুত সম্মেলন করে থাকে।
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন:
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলে তো বিভিন্নভাবে অন্য দলগুলোও নিষিদ্ধের যোগ্য হবে। তাতে দেশ চলবে কিভাবে?
স্বপ্নকথক বলেছেন:
@লেখক...উত্তর দেন দয়া করে...আপনার কথা শোনার অপেক্ষায় আছি।
লুথা বলেছেন:
জননেত্রী আঁখি আপার বিরুদ্ধে আইন শৃংখলা বাহিনীর ষড়যন্ত্র দেশ ও জাতি মেনে নিবে না। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে যে ইহা প্রতিপক্ষের "সাজানো ষড়যন্ত্র" !
------------------------------------------------------------
সন্ত্রাসী দেরকে ক্রসফায়ারে দেখতে চাই
Click This Link
ইকরু বলেছেন:
আিখ আপার চরিত্র বোেমর মত পবিত্র
আপনার কথামত খোজ নিলাম। তারা তো নিজেদের নামেই সভা সম্মেলন করছে। ইউটিউবের লিন্ক।
Click This Link
Click This Link
সুধাসদন বলেছেন:
কোন দলকে নিষিদ্ধ করার জন্য যে সব গুনাবলী (!) থাকা দরকার তার সবগুলোই আওয়ামী লীগের আছে। কিন্তু তারপর্ও দলটিকে নিষিদ্ধ করা হবে না। ভারত তা হতে দেবে না।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আব্দুল হাক ভাইয়ের আরেক নিক মনে হয়!
স্বপ্নকথক বলেছেন:
হা! উত্তর দেয়ার সাহসটাও হলোনা?
জর্জিস বলেছেন:
সুধাসদন বলেছেন: কোন দলকে নিষিদ্ধ করার জন্য যে সব গুনাবলী (!) থাকা দরকার তার সবগুলোই আওয়ামী লীগের আছে। কিন্তু তারপর্ও দলটিকে নিষিদ্ধ করা হবে না। ভারত তা হতে দেবে না।
নিউজকাস্টার বলেছেন:
৫ম সংশোধনী যদি বাতিল হয়, তাহলে অনিবার্যভাবেই চতুর্থ সংশোধনী বলবত হবে। সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগসহ সব দল নিষিদ্ধ হয়ে একদলীয় বাকশাল কায়েম হবে।
এস বাসার বলেছেন:
নিজামী-খালেদারে আবার ক্ষমতায় চান নাকি?
তাহসিন আলম বলেছেন:
হিজবুত তাহরীত এখন আন্ডার গ্রাউন্ড থেকে সন্ত্রাসী (তাদের ভাষায় জিহাদ) শুরু করবে। জেএমবিএর মত। এটা টাকা পায় ইসরাইলে মোশাদ আর ভারতের র থেকে। এটা আগে ভাবা দরকার ছিল। যে অভিযোগে হিজবু নিষিদ্ধ করা হল সেই একই অভিযোগে আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ করা উচিৎ। কারণ হিজবুর চেয়ে ১০গুণ বেশি সন্ত্রাস করেছে লীগ।
ধীবর বলেছেন:
স্বপ্নকথক... এরশাদের ব্যাপারে আপনি অর্ধেক কথা কেন বললেন? এরশাদের সামরিক শাসন জারির পর, কে তাকে সমর্থন করেছিল? ৮৮ এর নির্বাচনে কেউ নির্বাচনে অংশ নিলে, সে হবে জাতিয় বেঈমান, এ ধরণের কথা বলে কে এরশাদের দেয়া নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল? ছাত্রদের চাপেই হাসিনা আর আঃ লিগ শেষ সময়ে এসে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। নুর হোসেনের মারা যাওয়া সেই সময়েই ঘটেছিল। তাই নুর হোসেনের সাথে এরশাদ বিরোধীতার তুলনাটা হাস্যকর।
রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে সেক্ষেত্রে আঃ লিগ এর কৃতিত্ব দাবি করতে পারতো। কিন্তু যে সশস্র মুক্তি সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যুদয়, সেখানে অংশগ্রহন ছাত্র যুবক তরুন বৃদ্ধ চাষি মজুর শ্রমিকদের। যদি আওয়ামী লিগের কথাতেই যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তো, তাহলে ৭ই মার্চই আমরা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তাম।
যেখানে সেখানে কারণে অকারণে পাকিস্তানকে টেনে আনা, একটি বিশেষ প্রজাতির অসুস্থতার লক্ষণ। ব্লগ একটি মুক্ত বুদ্ধি চর্চার যায়গা। সেখানে এধরণের অসুস্থতা নিন্দনীয়। টিপাইমুখ নিয়ে সংসদে আলোচনা করে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। নিজেদের লুঙ্গির কোছা খুলে যাবার ভয়ে, আঃ লিগ আর তার দোসর মিডিয়া এব্যাপারে চুপটি করে আছে।
তাছাড়া, যে সব অভিযোগে হিজবুতকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সে সবই হাস্যপদ এবং সেই সব উপাদান প্রতিটি দলের মধ্যেই বিদ্যমান। তাই অভিযোগটি ধোপে টেকে না।
একটু খোজ খবর রাখলে এমন আলকপটা মন্তব্য করতেন না।
@আল আমিন,
মুখস্থ বিদ্যা না ঝেড়ে, ইতিহাস পড়ুন তাদের মুখে, যারা শুধু দেশের টানে প্রাণের ভয় তুচ্ছ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের ফসল আমাদের এই স্বাধীনতার একক কৃতিত্ব দাবি করে আঃ লিগের তারাই, যারা স্বাধীনতার পর ক্ষমতায় মসনদে বসে লুটপাট করে নিজেদের ভাগ্য গড়েছিল। দেশকে গোল্লায় নিয়ে গিয়ে, শেষ পর্যন্ত নিজেদের বাচাতে বাকশাল পর্যন্ত গড়েছিল।
আপনাদের সমস্যা হলো, দলবাজি করতে গিয়ে সব চেয়ে বড় জিনিসটাই এড়িয়ে গেছেন। সেটা হলো সাধারণ মানুষ। আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা কোন দলবাজ ছিলেন না। তাই তাদের জোর করে আওয়ামী তক্তা জুড়ে দেয়াটা একটা কুযুক্তি। রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে সেক্ষেত্রে আঃ লিগ এর কৃতিত্ব দাবি করতে পারতো। সেটা যখন হয়নি, তাহলে বুঝে দেখুন, আঃ লিগের একক কৃতিত্ব দাবি করে আপনি কতটা ভুল করেছেন।
স্বাধীনতার পর তো আঃ লিগ রাজনৈতিকভাবে নিরংকুশ জনসমর্থনের অধিকারি ছিল। কিন্ত তার সেটা শুণ্যের কোঠায় নামতে বেশিদিন সময় নিয়েছিল কি? বিগত নির্বাচনের পরেও আঃ লিগ নিরংকুশ ক্ষমতার অধিকারি। কিন্তু ক্ষমতার একের পর এক অপব্যাবহার ঘটিয়ে তারা খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। কেননা অনেকে আঃ লিগকে ভোট দিলেও, তাদের কুকর্মের দায়ভার নিজের ঘাড়ে নেবেন না। তাই আঃ লিগকে নিষিদ্ধ করার দাবি, জনগণের চেতনার বিপরীত স্রোতে বহমান নয়।
যদি ভবিষ্যতের সন্ত্রাস বন্ধেই হিজবুতকে নিষিদ্ধ করার নিমিত্ত হয়, তাহলে একই নিমিত্তে কেন আঃ লিগকে নিষিদ্ধ করা যাবে না, সেই প্রশ্নটি আপনার কাছে করলাম।


















