আমার প্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশ নিয়ে ভাবনা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার সংগ্রহমালা

জামাতী চিন্তাধারার দেউলিয়াত্ব:

০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৬ রাত ১:৩৬

                       

(আড্ডার ইংরেজী ভার্সনে প্রকাশিত হয় সেপ্টেম্বর 25, 2005)
আড্ডার আসরে আমার ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক কোন এজেন্ডা নেই। বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী চিন্তাধারায় যে অসংগতি ও দেউলিয়াত্ব বিরাজ করছে তা তুলে ধরাই হচ্ছে আমার লেখার পটভূমি। মৌলবাদী ও চরমপন্থী দল হিসেবে জামাতী ইসলামীর অপকর্ম ,ইসলামী বিশ্বাস ও অনুশীলনের অপব্যাখ্যা আমাদের ধর্ম বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতার সবচেয়ে বেশী ক্ষতিসাধন করেছে।

জামাত তার ইসলামী আন্দোলনের উৎস ও প্রেরণা লাভ করেছে পাকিস্তানী কথা সাহিত্যিক মওদুদীর (1903-1979) লেখা থেকে। ইসলাম সম্পর্কে মওদুদীর কোন একাডেমিক যোগ্যতা নেই। কিন্তু তার লেখার মধ্যে রয়েছে উগ্র উদ্দীপনা ও উন্মাদনার উৎস। বিশেষতঃ জামাতীরা মওদুদীর লেখা পবিএ কোরআনের অনুবাদ "তাফহীমুল কোরআন' কে পাঠ্যবই হিসেবে পড়ে থাকে ও গবেষণার জন্য তথ্যসূএ হিসেবে ব্যবহার করে। এই উপমহাদেশের অধিকাংশ ইসলামী চিন্তাবিদ মওদুদীর লেখাকে ভ্রান্ত ও ইসলামবিরোধী হিসেবে মত দিয়েছেন। যে কোন শিক্ষিত মানুষ এসব ব্যাপার নিয়ে লেখা যথেস্ট বই পএ বাজারে পাবেন, কারণ মওদুদীর লেখা বই পএ ইসলামে নবুয়ত ও রাসুলুল্লাহ'র (সাঃ) প্রদর্শিত পথ নিয়ে অহেতুক বিতর্কের অবতারণা করেছে। মওদুদী ও তার শিষ্য গোলাম আজম উভয়ই কোন রকম ধমীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই কেবল সংকীণ ধর্মীয় বিশ্লেষণ ও মোহাচ্ছন্ন লেখার কৌশল দিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা ও বিভ্রান্তির জন্ম দিয়েছেন। বিশেষত: জামাতী ও শিবির কমর্ীরা এসব লেখা পাঠ্য হিসেবে তোতা পাখির মতো আওড়ায় যা জন্ম দেয় ধমর্ান্ধতা ও উগ্রতার যার সাথে প্রকৃত ইসলামী বিশ্বাস ও অনুশীলনের কোন সম্পর্ক নেই।

দার্শনিকভাবে, মওদুদী চিন্তাধারা গড়ে উঠেছে ইবনে তাইমিয়ার কট্টর ইসলামী চিন্তাধারার উপর। বর্তমানে সৌদী আরব ও বেশ কিছু আরবদেশে তাইমিয়ার ধারণার সূএ ধরে ইসলামী মৌলবাদের জন্ম নেয়। তাইমিয়া ওয়াহাবী আন্দোলনের পথপ্রদর্শক ও ইসলামী বিশ্বাসে অপ্রয়োজনীয় নতুনত্বের (বিদায়াত) সূচক। আমাদের ধর্মে ইসলামী রাজনৈতিক দল বলে কোন আলাদা ধমর্ীয় বিধান নেই যার এই উপমহাদেশীয় সূচক হচ্ছেন মওদুদী ও তার উওরসূরী গোলাম আজম ও জামাতী দল।

জামাতীরা 'রাজনৈতিক ইসলামকে' ধমর্ীয় বিশ্বাসের মূল শেকড় বলে বিশ্বাস করে যেখানে ধর্মীয় উগ্রতা ও জঙ্গীপনা তাদের চিন্তা ও আচরণকে চালিত করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একবার কিছূ অন্ধলোককে হাতী স্পর্শ করে তার বিবরণ দিতে বললে প্রত্যেক অন্ধ হাতীর যে অঙ্গকে স্পর্শ করেছে, হাতীকে দেখতে সেই অঙ্গের মতো বলে বর্ণনা করে। জামাতীরা হচ্ছে সেসব অন্ধের মতো যারা ইসলামকে কেবল উগ্র রাজনৈতিক ইসলাম হিসেবে চালিয়ে দিতে চেয়েছে যা ইসলামের শান্তিপূর্ণও সহনশীল চিএকে কালিমালিপ্ত করে। ইসলাম শিখায় শান্তি, এখানে হানাহানির কোন স্থান নেই।

বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও অগ্রসর চিন্তার জনগোষ্ঠী জামাতীদেরকে বাংলাদেশে পাকিস্তানী ঘাতকদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এর বাইরে তারা আর কোন ঐক্যবদ্ধ সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে যারা এদেশে ধমর্ীয়ভাবে জামাতী চিন্তার অন্তঃসারশূণ্যতা প্রমাণ করেছেন তারা তাদের লেখাকে সহজবোধ্যভাবে বৃহওর জনগোষ্ঠীর কাছে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। এই দুই মেরুর অভিন্ন পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থতার সুযোগের সদ্ব্যবহার করে জামাতীরা পরগাছার মতো আমাদের জাতীয় জীবনে নীরবে স্থান করে নিয়েছে। স্বাধীনতাপ্রেমী বাংলাদেশীরা কখনো দীর্ঘদিন প্রতারিত হয়নি। জনগণ বিপথগামী জামাতীদেরকে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে ছুঁেড় ফেলতে অবশ্যই এগিয়ে আসবে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মৌলবাদ ও ধর্মান্ধতা  বিভাগে ।

 

  • ২৮ টি মন্তব্য
  • ১১২১বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: ব্লেসিড বি উর টাং। চমৎকার।
২. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৩:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনি ইসলামের কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এই লেখা পোস্ট করলেন এইটাতো তাহলে আড্ডা মতবাদ। আর তারা কোন জায়গায় রাসূল ( সাঃ) এর নবূয়াত নিয়ে বিতর্কিত করলো। আসলে বাংলাদেশের মানুষরা পৈত্রিকভাবে ইসলাম ধর্ম পেয়ে এসেছে। কোরআন শুধু হেফজ আর মাদ্রাসা পর্যন্ত নয়। একটি মানুষে জীবনের প্রতিটি মহূর্তে কোরআন। আপনার মতো পৈত্রিক ভাবে ইসলাম পাওয়া মানুষরা কোরআন হাদীস পড়েনা আর যার ফলে তাদের কোরআন এবং হাদীস সম্পর্কে ধারনা কম এবং যার ফলে আপনার মতো তথাকতিতো ব্লগার এবং নিরপেক্ষর ধ্বজধারীরা সুবিধা আদায় করছেন। এসকল উত্তেজনাকর লেখা লেখে সবের্্বাচ্চ ব্লগারের খেতাব ঠিকিই পাওয়া যায় কিন্তু জামাত শিবিরকে দমিয়ে রাখতে পারবেননা। আর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার কথা বলেছেন আমাদের নবী করিম (সাঃ) কি কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহন করেছিলেন? তার পরেও তিনি সর্বোকালের সর্বশ্রেষ্ট মানব হয়েছিলে। আর আমাদের সবের্্বাত্তম আদর্শ রাসূল (সাঃ)। তাই বলে ভাববেননা আমি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিরোধী। আমরা শিবিররা হচ্ছি শিশা ঢালা প্রাচিরের ন্যায় যতই ঝড় তুফান আসুক আমাদের ব্রাদারহুডকে কিছুই করতে পারবেন না। নিজেদের তথকোতিতো রাজনৈতিক বন্ধুদের দেখুন উত্তরটা আরো সহয হবে। জামাতিরা শুধু রাজনৈতিক ইসলামে বিশ্বাসী বলেছেন কথাটা কি তাবলিক জামাতকে বললে ঠিক হতোনা। জামাত কোরআনকে পূর্নাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে নিয়েছে পক্ষন্তরে তাবলীগ জামাত নামাজ পড়ার জন্য আবশ্যক 18টি সূরা পড়া পর্যন্ত শেষ। তারপরেও তাবলীগ ভালো কাজ করছে যে সাধারন মানুষকে নামায পড়া শিখাচ্ছে কিন্তু আপনি কি করছেন দিনে কয় ওয়াক্ত নামায পড়েন, কয় আয়াত কোরআন পড়েন, কয়টি হাদিস পড়েন। মুহাম্মদ (সাঃ0 এর জীবন এবং কোরআন শরীফকে আপব্যাখ্যা দিবেননা। জামাত শিবিরের গোষ্ঠী উদ্ধার না করে পারলে ইসলাম িদল বানান, আপনার সাথে থাকবো ইনশাল্লা। আর যারা কোরআন পড়ে এবং বুঝে তাদের দিকে তাকান শিবিরকে না হয় বাদই দিলাম আপনি কানাড ও ইংল্যান্ডের ইয়াং মুসলিম ওরগানাইজেশন এর দিকে তাকান আমেরিকার ইসনা এবং ইকনার দিকে তাকান তারাতো মওদূদী এবং গোরাম আযমকে চিনেনা কিন্তু তাদের সাথে শিবিরের আইডিওলজির মিল কেন। নাকি এখন বলবেন এগুলোও জামাতের অংগ সংগঠন।

দঃখিত বেশী কথা বলার জন্য। মানুষের পোস্ট এর দৌড়ে আপনার ব্লগটি আরো উপরে উঠবে এবং আপনি আপনার শুভাকাংখিদের কাছ থেকে কিছু সুবিধা আদায় করতে পারবেন তাতে আপনার পেট ভরবে কিন্তু আমি পোস্টটার উপর কমেন্টস করলে আমার মন ভরবে যে যাই বলুক আমার মন আজকে সাড়াদিনে খারাপ হবেনা। পেট ভরার জন্য লিখবেননা মনভরার জন্য লিখুন। নিজের মনটাও ভরবে এবং জাতি লাভবান হবে।
৩. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার লেখাতে আপনার প্রশ্নের উওর আছে। দিল খুলে ও মওদুদীর আফিমের নেশা থেকে বের হয়ে পড়লেই বুঝতে পারবেন। ।ইসলামে রাজনৈতিক দল বিদায়াত। ইসলাম সবার, দল করে ভাগ করার বিধান আপনাদের কে দিল? কারও ধর্মবিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন করার মতো ইসলামী বিধান আপনি কোথায় পেলেন? দেখাতে পারবেন কোরআন-হাদীসের আলোকে। ধর্মব্যবসা ও পেট্রোডলারে ওয়াহাবী-মওদুদী ইসলাম প্রচারের দিন যে ফুরিয়ে এসেছে। আপনি না বুঝলেও অন্যরা বুঝবে যাদের বুঝা অনেক বেশী দরকার।
৪. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০১
comment by: ওয়ালী বলেছেন: ভাই আড্ডাবাজ ও সাচ্চা রাজাকার ভাই আপনারা দুইজনই দুই দিককার মৌলবাদী এটা পরিস্কার হলো তবে এটাও পরিস্কার হলো আপনারা দুইজনই কমবেশী কিছু জানেন। তবে কিছু প্রশ্ন

1। ইসলামে রাজনৈতিক দল বিদাত এ কথা আড্ডাবাজ ভাই কোথায় পেলেন?
2। সাচ্চা রাজাকার ভাইকে বলছি ইয়াং মুসলিম, ইসনা এবং ইকনা নতুন প্রজন্মের সময়ের দাবী শিবির কি এই দাবী পূরন করতে পারছে?
2। আড্ডাবাজ ভাইকে বলছি জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ ও শিবির কোন ধর্ম বিশ্বাসের উপর প্রশ্ন করছে জানলে খুশি হতাম?

উপদেশঃ অন্য ধর্মের বিশ্বাসী বাই বোনদের বলছি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকল ধর্মেই এক ইশ্বরবাদ রয়েছে। অন্য কিছু মুসলমানদের সাথে না মনেন কিন্তু আপনাদের ধর্মগ্রন্থ আনুযায়ী এবং মুসলমানদের মতো এক ইশ্বরবাদ মেনে নিন।
৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৬ রাত ১০:০১
comment by: সদালাপী বলেছেন: সাচ্চা রাজাকারকে বলছি, আপনাদের এখানেই সমস্যা, আপনারা মওদুদীর মত একজন গনহত্যার নায়ক(তিনি পাকিস্থারে একটি গন হত্যার সাথে জড়িত) কে রাসুলুল্লহ (সঃ) এর সাথে জড়িয়ে রাসুল (সঃ) কে অপমানিত করছেন। আপনি কি জানে, রাসুল (সঃ) এর শিক্ষক ছিলেন সয়ং আল্লহ তাবারক তালা নিজে? আর আপনি যে জামাত শিবিরের কথা বলছেন তার একটি ছোট্র উদাহরন আমি তুলেধরছি। আমার একজন রুমমেট আছেন যিনি আগে শিবিরের সাথি ছিলেন (টংগি কলেজে), এখন জামাত করেন। তিনি ঢাকার একটি নাম করা স্কুলের শিক্ষক। তিনি মানুষকে দওয়াত দেন আল্লাহর আর পর্ন সিডি এনে আমারই কম্পিউটারে বসে দেখেন। আর আল্লাহর ডাকে আল্লাহর ঘরে যেতে সময় পান না, রুমে নামজ পড়তেই তিনি বেশি সচ্ছন্দ বোধ করেন। যদিও মসজিদের ইমাম জামাত পন্থী। তাকে অনেক বার অনুরোধ করেছি আমার কম্পিউটারে পর্ন দেখবেন না। তিনি তা শুনেন না। আর একটি মজার ব্যপার হচ্ছে তিনি পাকিস্থানী অর্ধনগ্ন গান বেশি পছন্দ করেন। এসব কারনে আমরা তাকে "3এক্স" মালআনা (মওলানা) বলেই ডাকি। এই হচ্ছে জামাত শিবিরের চরিত্র!!!!!!!!!!!!!!!! আচ্ছা বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ , সেই দেশে, শএু বাহিনীর দেশের প্রতিষ্ঠাকরা একটি উগ্র ধর্মান্ধ দল থাকে কেন? আপনাদের মি. আলি আহসান মুজাহিদের নির্বাচনের আগের মাথার টুপি গেল কই? আমার মনেহয় তার টুপিটি ফরিদপুরের যৌন পল্লীতে তিনি ভুলে ফেলে এসেছেন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! তাবলিগ জামাতিরা শুধু 18টি সূরা পড়ে? এই কথার মাধ্যমে আবার ও প্রমান করলেন আপনার ঞ্জানের গভিরতা!!!!!!!!!!!! একটি কথা মনেরাখবেন জয়মাত (জামাত) ইসলামী এই দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শুধুমাএ পাকিস্থান স্বার্থ রক্ষার জন্য। আপনার জন্য অনুরোধ হচ্ছে মওলানা সমসুল হক ফরিদপুরী (রঃ) এর লেখা ভুল সংসোধন বই টি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আর একটি অনুরোধ হচ্ছে মি. মওদুদীর তাফহিমুল কুরআন না পড়ে, মারেফুল কুরআন পড়বেন। আমি এখানে সত্য কথাগুলো কলার চেষ্টা তরেছি।কথার মধ্যে কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
৬. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৬ রাত ১২:০১
comment by: ওয়ালী বলেছেন: সদালিপিকে বলছিঃ আপনার একজন রূমমেটকে নিয়ে জামাত শিবির বিচার করলে চলবেনা। তাহলেতো শেখ হাসিনাকে দেখে আওয়ামী লগিকে বিচার করতে হবে, তারেক রহমানকে দেখে বি.এন.পি এবং এরশাদকে দেখ জাতীয় পার্টি. আমরা সকলেই মানুষ আমারা ফেরেশতা নই। আর খারাপ কাজ, ভূল, হিংসা, বিদ্্বেস, লোভ সবকিছুই মানবিয় গুনাবলি। এখন আমি যদি বলি আমি মিথ্যা কথা বলিনা তবে এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা। তবে যেটা চেষ্টা করি তা হলো কম কথা বলা যেন মিথ্যাটা বলতে না হয়। আশা করি আপনি বুঝতে পারছেন। আর আল্লাম মওদূদী জামাত শিবিরের আদর্শ নয় তাহলে আমরা হয়তো উনার মতো দাড়ি টুপি রাখতাম এবং শেরওয়ানী পড়তাম বর্তমানে আওয়ামী লীগ যেটা করছেন প্রয়াত শেখ মুজিবের আদলে কোট পাঞ্জাবী পরে যা রীতিমতো হাস্যকর লাগে আমার প্রজন্মের কাছে। আমাদের আদর্শ হচ্ছে মুহাম্মদ (সাঃ)। কোন ব্যাক্তি দিয়ে দল বিচার করা কি ঠিক হবে?
৭. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ২:০১
comment by: সদালাপী বলেছেন: ওয়ালীকে বলছি ঃ
আচ্ছা আপনি কি বলতে পারেন ? মওদুদীর প্রতিষ্ঠা করা জামাত ইসলাম নামক দলটির পকিস্থানে কি নামে পরিচিত? সেখানেও জয়মাত ইসলাম নামে পরিচিত!!!!!!!!!!!!!! এই জয়মাত ইসলাম প্রতিষ্ঠাহয়েছে পকিস্থানে আর স্বাধিনতার 34/35 বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও মি. মওদুদীর দলটি স্বাধীন বাংলাদেশে এখনও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আপনি বলেছেন একজন লোক কে দিয়ে দল বিচার করার কথা!!!!! আচ্ছা বাদদিলাম একজন লোকের কথা। কথা বলছি আপনাদের দলের নীতি নির্ধারক পর্যায়ে বসে থাকা ধর্ষক, রাজাকার দের নিয়ে। আমার ব্রাক্ষনবাড়িয়ার এক বন্ধুর বাবার সাথে আলাপচারিতায় জানতে পারলাম মি. গোলাবারুদ আজম তারই পাশের গ্রামের লোক। তার সচোক্ষে দেখা তিনি রাজাকার ছিলেন। মতিউর রহমান নিজামীও একই অভিযোগে অভিযুক্ত। আলি আহসান মুজাহিদ, আঃ কাদের মোল্লা তো আমার এলাকারই লোক, তাদের ব্যপারে আর কি বলব, তারাতো আমাদের এলাকার বিখাত্য রাজাকার ছিলেন। আমার চাচাত ভাইয়ের নানা রাজাকার ছিলেন, আর এখন জয়মাত ইসলামের উচু পর্যায়ের নেতা। এইরকম আরও অনেক তথ্য আমার কাছে রয়েছে। তো এখন বলেন এই রাজাকার যে দ

লর নেতা যারা মা-বোনের ইজ্জত হরনকরী, যারা লুণ্ঠন কারী, মিথ্যাবাদী, যারা পাকিস্থানের স্পাই, যারা নরপশু, যারা চেয়েছে এই দেশ স্বাধীন না হোক, যারা মুক্তি বাহিনীর সদস্য বলে নিজের ভাইকে মেরেছে, যার হিন্দু দের মেরে বা তাড়িয়ে দিয়ে তাদের জমির ভোগ দখল নিয়েছে সর্বপরি যারা বাংলাদেশে জন্মগ্রহরন করেও নিজেদের মনে প্রানে পকিস্থানী মনেকরে তারা যদি বলে আমাদের আদর্শ হচ্ছে মুহাম্মদ (সঃ), তবে সেই দাবি হাস্যকর নয়কি? মওদুদী আদর্শ নয় কথাটা ঠিক কিন্তু তিনি প্রবর্তক অবশ্যই!!!!! যিনি প্রবর্তক তিনি যদি হন কোন গনহত্যার নায়ক, তাহলে কেমন হয়? আপনার ঞ্জাতার্থে জানিয়ে রাখি, জামাত মানেই রাজাকার, ধর্ষক, ধর্মের নামে ব্যবসায়ী ................ ইত্যাদি।
৮. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৫:০১
comment by: ওয়ালী বলেছেন: জামায়াত ইসলামী পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে নয় জামায়াতে ইসলামী হিন্দও আছে ভারতে। মূলত জামায়াতে ইসলামী একটি উপমহাদেশ ভিত্তিক সংগঠন তবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারত তিনটি দেশেই সাতন্ত্রভাবে রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।
আর আপনার চাচাতো ভাইয়ের নানা মানলাম রাজাকার ছিলেন উনি কি ধর্ষক ছিলেন নাকি এই ব্যাপারে আপনি মুখ খুললেনান। আর জামায়তের যে সব নেতাদের নাম উল্ল্যেখ করলেন আজ পর্যন্ত তাদের বিরূদ্ধে বাংলাদেশের কোন স্থানে কোন কেস আছে এবং কেস করে কি আপনি আপনার অভিযোগ প্রমান করতে পারবেন। শুধু সংবাদপত্রের পাতা দিয়ে কোন আভিযোগ প্রমানের চেষ্ঠা করা কি যুক্তিসংঙ্গত কাজ। আপনার কষ্ট আমি বুঝতে পারছি। আপনি যদি বলেন তারা রাজাকার ছিলেন সেটা আমার কাছে গুরূত্বপূর্ণ নয় কিন্তু যখন বলেন তারা ধর্ষক এবং খুনী তখন আমার গায়ে বাধবে। আপনাকে একটি চ্ছোট্ট উদাহরণ দেই নেলসন মেন্ডলার দিকে তাকান তাকে যখন সন্ত্রসী এবং দাঙ্গাবাজ বলে 34 বছরের জন্য নির্বাসন দেয়া হলো তখন সবাই তাকে দাঙ্গাবাজ এবং সন্ত্রসী হিসেবে ট্রিট করে ছিলেন। কেউ তাকে ভাল হিসেবে মেনে নেননি। কিন্তু যখন তিনি ফিরে আসলেন তখন তাকে বিপুল সংর্বধনা দেয়া হলো তাকে প্রেসিডেন্ট বানানো হলো এমন কি তাকে নোবেল প্রাইজ পর্যন্ত দেয়া হলো। একবার চিন্তা করূনতো তিনি তার নীতি পালিটয়ে ছিলেন। যে জনগন তাকে পরবির্তীতে সম্মান দিলো তারা কি পালিটয়ে ছিলো। না মেন্ডেলা তার নীতি পালটায়নি বরং জনগন স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে মেন্ডলা এবং তার নীতি সঠিক ছিলো। একই মানুষের দুটি ভিন্ন গ্রহোনযোগত্যা। জামায়ত নেতাদের আপনি যদি এই ভাবে দেখেন তাহলে বিষয়টি একটু পরিস্কার হবে আপনার কাছে। এখন আপনি পার্বত্য চ্ট্টগ্রমের অধিবাসী এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাধীনতার বিরোধীতা করে বাংলাদেশ সরকারকে সাহায্য করেন তাহলে আপনি পার্বত্য চট্টগ্রমে রাজাকার হিসেবেই পরিচিতি পাবেন এবং বাংলাদেশের হিরো হিসেবেই বিবেচিত হবেন। তাই বলে ভববেননা পার্বত্য চট্টগ্রমে আমি ধর্ষণ এবং খুন করতে বলছি। যদি জামাত নেতারা কোন একটি হত্যা এবং ধর্ষণের সাথে যুক্ত থাকেন তাহলে আবশ্যই বিচার হওয়া উচিৎ। কিন্তু স্বাধীনতার 35 বছর পার হয়ে গেল একটি অভিযোগ সত্য প্রমান করতে পেরেছে কেউ। আপনি শিক্ষিত একজন আপনার কি কোন বিচার ছাড়া একজন মানুষকে শুধু প্রমান ছাড়া কথার উপর আভিযুক্ত করা শোভা পায়। আর আপনি কি মনে করেন ভিত্তিহীনভাবে রাজাকারের আভিযোগ করে জামাত নেতাদের মেরে ফেললে বা দেশ ত্যাগে বাধ্য করলে কি বাংলাদেশকে ঘুষমুক্ত করতে পারবেন, দূনীতি মুক্ত করতে পারবেন, দলীয়করন মুক্ত করতে পারবেন। হিংসা বিদ্্বেশ হানাহানী বন্ধ করতে পারবেন?
৯. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৬ রাত ১০:০১
comment by: শরীফ বলেছেন: জামায়াতে ইসলামী একটি অর্দশভিত্তিক দল। দলীয় কোন সদস্য দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করলে দলই তার বিরূদ্ধে আইনানূগ ব্যবস্থ করে বলে জানি। যদিও আমি জামায়াতের সাথে যুক্ত নই, তবুও আমি তাদের কর্মসূচী এবং আদর্শ সম্পর্কে অবগত। ধর্ষণ হারাম আমি এটাই জানি জামায়তী আর্দশ অধিকন্ত জামায়াতী রাজনৈতিক লক্ষ্য আল্লাহর বিধানের বাস্তবায়ন এবং সবের্্বাচ্চ নাগরিক সুবিধা প্রদানের উপায় উপকরনের আশ্রয় গ্রহন এবং বাস্তবায়ন। সে ক্ষেত্রে একজন সজাগ আথচ আমজনতা হিসেবে আমি কি ভাবে ভাবতে পারি যে জামায়াত ইসলামের নেতৃবর্গের মধ্যে ধর্ষক রয়েছেন। শুধু আমি কেন এক অর্বাচীনও জ্ঞানোত এ কথা বিশ্বাস করবে কোন যুক্তিতে? সুতরাং হয় জামায়াত ইসলামী ইসতেহার সম্পর্কে আপনার সাম্মক জানা নেই অথবা ইসলাম িআদর্শ সমর্্পকে সমাজের প্রচলিত ধারনা সঠিক নয়। এই দুটির ধারনার কোনটি সঠিক তা আপনারি বিবেচ্য। অনুরোধ করবো খোলা মন নিয়ে প্রকাশিত ইসতেহার সমূহ মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিতে------ নচেত আপনার উপস্থাপিত মন্তব্য সমূহে আমার মতো অর্ধ শিক্ষিত মানুষ জ্ঞান অহরনের পরিবর্তে জ্ঞানানদ্ধ ও বিভ্রন্ত হবার সম্ভবনাই অপরিহার্য। অতএব আসুন মন্তব্য করি কান কথা শুনে নয় জেনে বুঝে পড়া লেখা করে যুক্তির নিরীখে বাস্তব সম্মত উপায়ে। যা কিনা আপনার আমার নয় সমাজের আনেকেই আপনার মন্তব্য পড়ে উপক্রত হবে।
১০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০১
comment by: ভূত বলেছেন: দিদার, মিথু্যককে মিথ্যা বলার জন্য বাহবা দেয়া পাপীকে খারাপ কাজে উৎসাহ দেয়ার সামিল।
১১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০১
comment by: ভূত বলেছেন: আড্ডাবাজকে মিথু্যক বলবো না মূর্খ বলবো বুঝতে পারছিনা। রাজনৈতিকভাবে জামাত-শিবিরের বিরোধীতা করার অধিকার সবার আছে। কিন্তু এর জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে গুনাহগার হবারতো কোনো প্রয়োজন দেখিনা!
১২. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ৯:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: জামাতের নেতা মওদুদীর জীবন চরিতটা আবারও লেখা শুরু করতে হবে। বৃটিশদের আর নিজামের দালাল হিসেবে তার কীর্তিকলাপগুলো সাজিয়ে লেখার খুব দরকার। কারণ, এখানে মওদুদী ফেরকা নিয়ে খামাখাই যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে । ধন্যবাদ।
১৩. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ১০:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: লিখা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন দেখেন, বস্তার পর বস্তা ওই মাল আসতেছে। ওখানে আমার দু'একটা সাদামাটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে উনারা ব্যস্ত আছেন। উত্তর খুঁজতে মওদুদির রূহ মোবারক উনাদের সহায় হউন।
১৪. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ১১:১৬
comment by: হযবরল বলেছেন: ব্লগ কি আবার গরম করে দিলেন ?
১৫. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ১১:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: যা বলার সবাই তাই বলে দিয়েছে। তবে ইবনে তাইমিয়া কে নিয়ে মন্তব্য পড়ে হাসি পাইল সত্যি। ভাইজান, আপনে কি জানেন ইবনে তাইমিয়া কে? প্রায় এক হাজার বছর আগের একজন মনিষী, ওনার ভাবধারায় জামাত অনুপ্রানিত? হা হা হা। সেদিন একটা সুফী বইয়ে ইবনে তাইমিয়ার কোটেশন দেখছিলাম, সো চানসেস আর, আপনাদের সাদিক মিয়াও ইবনে তাইমিয়ারে ভাল পায়। আবার তাবলিগীদের জিগান, ওনারাও ভাল পায়। ইবনে তাইমিয়া একজন অসাধারণ মনিষী ছিলেন। সমস্যা হল, তোতা পাখির মত কথা আপনিই আওড়াচ্ছেন, অন্ধের হাতি আপনিই দেখাতে চাইছেন। বুঝতে পারছেন না।
১৬. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ১১:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: আস্তা, তোমার ব্লগে কিছু মন্তব্য করছিলাম। উত্তর দেও না ক্যা?
১৭. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ১১:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: কবে, কখন, কোথায়?
১৮. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ১১:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: শিল্পচর্চা - 3
১৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:১৬
comment by: উৎস বলেছেন: আড্ডাবাজ লিখুন আপনিও, দুই পক্ষের কথাই জানা দরকার।
২০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৩
comment by: কায়সার বলেছেন: কোরআন-হদীসই সকল বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে পারে। ইসলাম পৈএিক সম্পদ নয়। নামাজ পরুন কোরআন পরুন তারপরই ইসলাম নিয়ে কথা বলুন।
২১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৬
comment by: অতিথি বলেছেন: কায়ছার তুমি নামাজ পড়োনি ? পড়লে ইসলাম নিয়া একটু কথা বলো শুনি
২২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: উৎস,
অবশ্যই লিখব । প্রথমেই শুরু করবো তাইমিয়াকে নিয়ে । কারণ, মওদুদী ও সৌদী ওয়াহাবী আর জামাতীদের গুরু হচ্ছে তাইমিয়া। কাজেই, তাকে নিয়েই প্রথমে লিখতে হবে। মৌলবাদের আদর্শের ধমর্ীয় ভিওি বুঝার জন্য এর দরকার আছে। ধন্যবাদ।
২৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২৬
comment by: পরশ পাথর বলেছেন: সদালাপী বলেছেন: সাচ্চা রাজাকারকে বলছি, আপনাদের এখানেই সমস্যা, আপনারা মওদুদীর মত একজন গনহত্যার নায়ক(তিনি পাকিস্থারে একটি গন হত্যার সাথে জড়িত) কে রাসুলুল্লহ (সঃ) এর সাথে জড়িয়ে রাসুল (সঃ) কে অপমানিত করছেন। আপনি কি জানে, রাসুল (সঃ) এর শিক্ষক ছিলেন সয়ং আল্লহ তাবারক তালা নিজে? আর আপনি যে জামাত শিবিরের কথা বলছেন তার একটি ছোট্র উদাহরন আমি তুলেধরছি। আমার একজন রুমমেট আছেন যিনি আগে শিবিরের সাথি ছিলেন (টংগি কলেজে), এখন জামাত করেন। তিনি ঢাকার একটি নাম করা স্কুলের শিক্ষক। তিনি মানুষকে দওয়াত দেন আল্লাহর আর পর্ন সিডি এনে আমারই কম্পিউটারে বসে দেখেন। আর আল্লাহর ডাকে আল্লাহর ঘরে যেতে সময় পান না, রুমে নামজ পড়তেই তিনি বেশি সচ্ছন্দ বোধ করেন। যদিও মসজিদের ইমাম জামাত পন্থী। তাকে অনেক বার অনুরোধ করেছি আমার কম্পিউটারে পর্ন দেখবেন না। তিনি তা শুনেন না। আর একটি মজার ব্যপার হচ্ছে তিনি পাকিস্থানী অর্ধনগ্ন গান বেশি পছন্দ করেন। এসব কারনে আমরা তাকে "3এক্স" মালআনা (মওলানা) বলেই ডাকি। এই হচ্ছে জামাত শিবিরের চরিত্র!!!!!!!!!!!!!!!! আচ্ছা বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ , সেই দেশে, শএু বাহিনীর দেশের প্রতিষ্ঠাকরা একটি উগ্র ধর্মান্ধ দল থাকে কেন? আপনাদের মি. আলি আহসান মুজাহিদের নির্বাচনের আগের মাথার টুপি গেল কই? আমার মনেহয় তার টুপিটি ফরিদপুরের যৌন পল্লীতে তিনি ভুলে ফেলে এসেছেন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! তাবলিগ জামাতিরা শুধু 18টি সূরা পড়ে? এই কথার মাধ্যমে আবার ও প্রমান করলেন আপনার ঞ্জানের গভিরতা!!!!!!!!!!!! একটি কথা মনেরাখবেন জয়মাত (জামাত) ইসলামী এই দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শুধুমাএ পাকিস্থান স্বার্থ রক্ষার জন্য। আপনার জন্য অনুরোধ হচ্ছে মওলানা সমসুল হক ফরিদপুরী (রঃ) এর লেখা ভুল সংসোধন বই টি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আর একটি অনুরোধ হচ্ছে মি. মওদুদীর তাফহিমুল কুরআন না পড়ে, মারেফুল কুরআন পড়বেন। আমি এখানে সত্য কথাগুলো কলার চেষ্টা তরেছি।কথার মধ্যে কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।


খুব মজা পাইচি পইড়া।
২৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩১
comment by: নরাধম বলেছেন: জামাতের নেতা মওদুদীর জীবন চরিতটা আবারও লেখা শুরু করতে হবে। বৃটিশদের আর নিজামের দালাল হিসেবে তার কীর্তিকলাপগুলো সাজিয়ে লেখার খুব দরকার। কারণ, এখানে মওদুদী ফেরকা নিয়ে খামাখাই যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে । ধন্যবাদ।
২৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩২
comment by: নরাধম বলেছেন: সদালাপী বলেছেন: সাচ্চা রাজাকারকে বলছি, আপনাদের এখানেই সমস্যা, আপনারা মওদুদীর মত একজন গনহত্যার নায়ক(তিনি পাকিস্থারে একটি গন হত্যার সাথে জড়িত) কে রাসুলুল্লহ (সঃ) এর সাথে জড়িয়ে রাসুল (সঃ) কে অপমানিত করছেন। আপনি কি জানে, রাসুল (সঃ) এর শিক্ষক ছিলেন সয়ং আল্লহ তাবারক তালা নিজে? আর আপনি যে জামাত শিবিরের কথা বলছেন তার একটি ছোট্র উদাহরন আমি তুলেধরছি। আমার একজন রুমমেট আছেন যিনি আগে শিবিরের সাথি ছিলেন (টংগি কলেজে), এখন জামাত করেন। তিনি ঢাকার একটি নাম করা স্কুলের শিক্ষক। তিনি মানুষকে দওয়াত দেন আল্লাহর আর পর্ন সিডি এনে আমারই কম্পিউটারে বসে দেখেন। আর আল্লাহর ডাকে আল্লাহর ঘরে যেতে সময় পান না, রুমে নামজ পড়তেই তিনি বেশি সচ্ছন্দ বোধ করেন। যদিও মসজিদের ইমাম জামাত পন্থী। তাকে অনেক বার অনুরোধ করেছি আমার কম্পিউটারে পর্ন দেখবেন না। তিনি তা শুনেন না। আর একটি মজার ব্যপার হচ্ছে তিনি পাকিস্থানী অর্ধনগ্ন গান বেশি পছন্দ করেন। এসব কারনে আমরা তাকে "3এক্স" মালআনা (মওলানা) বলেই ডাকি। এই হচ্ছে জামাত শিবিরের চরিত্র!!!!!!!!!!!!!!!! আচ্ছা বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ , সেই দেশে, শএু বাহিনীর দেশের প্রতিষ্ঠাকরা একটি উগ্র ধর্মান্ধ দল থাকে কেন? আপনাদের মি. আলি আহসান মুজাহিদের নির্বাচনের আগের মাথার টুপি গেল কই? আমার মনেহয় তার টুপিটি ফরিদপুরের যৌন পল্লীতে তিনি ভুলে ফেলে এসেছেন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! তাবলিগ জামাতিরা শুধু 18টি সূরা পড়ে? এই কথার মাধ্যমে আবার ও প্রমান করলেন আপনার ঞ্জানের গভিরতা!!!!!!!!!!!! একটি কথা মনেরাখবেন জয়মাত (জামাত) ইসলামী এই দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শুধুমাএ পাকিস্থান স্বার্থ রক্ষার জন্য। আপনার জন্য অনুরোধ হচ্ছে মওলানা সমসুল হক ফরিদপুরী (রঃ) এর লেখা ভুল সংসোধন বই টি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আর একটি অনুরোধ হচ্ছে মি. মওদুদীর তাফহিমুল কুরআন না পড়ে, মারেফুল কুরআন পড়বেন। আমি এখানে সত্য কথাগুলো কলার চেষ্টা তরেছি।কথার মধ্যে কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।


খুব মজা পাইচি পইড়া।
২৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১০
comment by: রাজনীতি বলেছেন: অড্ডাবাজন ইসলাম বুঝে মন্তব্য করা উচিত।আর ইবনে তাইমিয়া মুসলিম মিল্লাতের সর্বশ্রদ্ধেয় ব্যাক্তি।আর কারো সম্পর্কে মন্তব্য করার জন্য বাস্তব সাক্ষি থাকা প্রয়োজন।অনুমান কিংবা শোনা কথায় কান দেওয়া কাউকে দোষারোপ করা কি কোন সুস্থ মস্তিস্কের পরিচায়ক?
২৭. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮
comment by: মুকুল বলেছেন:
দেরিতে হলেও পড়লাম।
*****
২৮. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১
comment by: পরশ পাথর বলেছেন: ++++++++++++

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১০১৫০২