somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বোনের অভিযোগ:
বোনের অভিযোগনামা নিয়ে কথার মধ্যে আমার গুণধর ভাগ্নে এসে বলল, "মামা, ফোন লাইন টানা হোক আবার, কিন্তু তাতে লাইভ ইলেকট্রিক তার পেচিয়ে রাখা হোক, হেরোইনখোর চোর যদি আবারও লাইনের তার চুরি করতে আসে, তাহলে মজার শিক্ষা পাবে"? ভাগ্নের বুদ্ধির বহর দেখে আমরাও টাস্কি খেলাম। আমি মনে মনে ভাবি, লাইভ ইলেকট্রিক তার লাগিয়ে চোরের যথাবিহিত শাস্তির ব্যবস্থা তাহলে অনেক জায়গায় শুরু করা যায়। কারও বাসার ফোনের লাইন, কারও পকেট, কারও ব্লগ, কারও মন চোরের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য "লাইভ ইলেকট্রিক শকের ব্যবস্থা" জুতা আবিস্কারের মতো অভিনব ও চমকপ্রদ মনে হলো। ভাগ্নের বুদ্ধিতে মুগ্ধ এক মামার আর কি বলার কিছু থাকতে পারে(ক্লোজআপহাসি) ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28718800 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28718800 2007-07-01 19:21:41
কেমন কাটছে দিনগুলো:
হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা..কে কোথায় হারিয়ে যায়, কে রাখে তার খোঁজ? বন্ধুরা জেঁকে ধরল, জানতে চাইল জার্মানী ভ্রমন কেমন হলো? আমি কিছু বলি না, হাসি। হাসলেও বিপদ। হাসতেও মানা। যাদের সাথে যোগাযোগ হলো তারাই বলুক কেমন বেড়ালাম। এর আগেরবার রাপা প্লাজায় এক সন্ধ্যাবেলার লেখা নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটে গেল। এধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। সুপ্রিয় সুমনের সৌজন্যে চোখ উল্টাতে মন চাইল না। সুমন চৌধুরীর রুমমেট নিয়ে ঝামেলা সংক্রান্ড অডিও/ভিডিও ফাইল অনেকে দেখতে চাইল। কেউ বলল, দিলে বিপদ আছে। কেউ বলল, সবার আই কিউ তো আর কুড়ির নীচে নামেনি যে দিলেই লোকজন খাবে। আর স্বয়ং সুমন চৌধুরী এধরণের ফাইলের কথা চোখের মাথা খেয়ে চেপে গিয়ে বলল, কোন পার্টি হয়নি, অডিও ভিডিও ফাইল কোত্থেকে হবে? আমি বললাম, যুদ্ধে যাওয়ার দরকার নেই। ভ্রমন কড়চারও দরকার নেই। নীরবতা সম্মতির লক্ষণ। ইউটিটউবে যে খাওয়া দাওয়ার ছবি দেখেছি তাতে জার্মানীতে বাঙালী খাবারের চাহিদা সর্ব বর্ণের লোকদের মধ্যে বাড়ছে তাতে সন্দেহ নেই। ভোজনরসিক আড্ডাবাজদের বিজয় সর্বত্রই। তাই ক্ষুধা (আত্মিক না দৈহিক) জগতকে সত্যি শাসন করে, বুঝিয়ে দেয় কতো চালে কতো ভাত হয়!!!

জার্মান ব্লগারদের অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের অপূর্ব আতিথেয়তার জন্য খাটো করব না। ধুসর গোধুলি মেট্রো ট্রেন থেকে উদ্ধার না করলে স্বপ্ন সংক্রামিত হয়ে অন্য কোন গন্তব্যে শেষ পরিণতি হতো। রসিক ব্লগার চোরের বাসার ও মোবাইল ফোন সবসময় খুব কাজে লেগেছে। হাসিবের সাথে দেখা হয়নি বলে একটু কস্ট হয়েছে। তবে অন্য কোন বার দেখা হবে। একটা কথা বেশ পোক্ত হয়েছে, রক্তের বন্ধনের চেয়ে আত্মার বন্ধন অনেক জোরালো হয়। তাই, উতফুল্ল হই, প্রশান্ত হই যখন চারপাশে খুঁজে পাই আত্মিক সহচরদের। সহমতের সহযাত্রী পেলে দীর্ঘ পথচলাও যে অনেক সহজ হয় তা কি আবারও বলতে হবে? নিজের কন্ঠে উচ্চারিত হতে থাকে:

"অনেক গড়ার চেস্টা ব্যর্থ হল, ব্যর্থ বহু উদ্যম আমার,
নদীতে জেলেরা ব্যর্থ, তাঁতী ঘরে, নি:শব্দ কামার,
অর্ধেক প্রাসাদ তৈরী, বন্ধ ছাদ-পেটানোর গান,
চাষীর লাঙল ব্যর্থ, মাঠে নেই পরিপূর্ণ ধান।
যতবার গড়ে তুলি,ততবার চকিত বনায়।
উদ্যত সৃস্টিকে ভাঙে পৃথিবীতে অবাধ অন্যায়।
বার বার ব্যর্থ, তাই আজ মনে এসেছে বিদ্রোহ..."

বাকী পংক্তিগুলো নতুন করে সাজাবার জন্য সুকান্তকে ডেকে পাঠানোর বড্ডো দরকার। কবি ফিরে আসো নতুন পংক্তিমালা সাজিয়ে....।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28718735 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28718735 2007-07-01 11:33:03
যাচ্ছি জার্মানীতে:
ইউরোপ যেতে হয় গরমে। শীতে দর্শনীয় জিনিস কম থাকে। তারিখ ফেলেছি ১৪ই জুন। দেখি কি করে কি হয়? টিকেট আজকাল দেখি ই-টিকেট। সমস্যা নেই, ঝামেলাও নেই। পয়সা দিলেই জায়গামতো টিকেট হাজির। আহা, কি যে শান্তি!!!! যাব জার্মানী, দেখি ঠেকায় কে?




... (মাগার টিকেটের পয়সা পাব কই?)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714910 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714910 2007-06-06 21:34:15
বাজেট নিয়ে ভাবনা-১
বাংলাদেশের বাজেটে সবচেয়ে রহস্যমূলক অধ্যায় হচ্ছে প্রতিরক্ষা বাজেট। প্রতিরক্ষা খাতে বেশ বড়ো ধরণের বরাদ্দ ও অন্য মন্ত্রণালয়ে অলিখিত বরাদ্দ থাকলেও তা বাজেটে কখনো ধরা যায় না। দেশের উন্নয়নের জন্য প্রতিরক্ষা খাতে বাজেটের বরাদ্দ কি শুভঙ্করের ফাঁকি? এ ব্যাপারটা খুব কি সংবেদনশীল? সম্প্রতি দেশের সামরিক কর্তাদের তারকা বৃদ্ধি করা হয়েছে? বছর শেষে হঠাত এই পদোন্নতির ব্যয় সঙ্কুলান কিভাবে হলো? সবই অজানা থেকে যায়। সামরিক বাহিনী দেশের মুখ উজ্জল করছে-সন্দেহ নেই। কিন্তু তার জন্য কতো খরচ খেটে খাওয়া মানুষদের গুণতে হচ্ছে? যদি সবাইকে জবাবদিহি করতে হয়, তাহলে কাওকে বাদ দেওয়া কি ঠিক হবে? সকল ক্ষেত্রেই দরকার যুক্তিযুক্ত ব্যয় বরাদ্দ। এব্যাপারে রাখঢাকের দরকার নেই। দরকার বস্তুনিষ্ঠ আলাপ-আলোচনা। অপেক্ষায় রইলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714893 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714893 2007-06-06 17:36:10
খালেদা-নিজামী যুগলকে বাঁচান: http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714773 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714773 2007-06-05 21:17:46 ধর্মভিততিক পোস্ট প্রথম পাতায় নিষিদ্ধ করা হোক: " style="border:0;" /> বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

মানুষ ধর্মের আবরণ লাগিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী অপকর্ম করেছে। ধর্ম নিয়ে যুদ্ধ ও রক্তক্ষয় হয়েছে সবচেয়ে বেশী। সামহোয়্যার ইনে সবচেয়ে বেশী ক্যাঁচাল হয়েছে এই ধর্ম জপে। তাই, আমার অনুরোধ, ধর্মভিততিক লেখাগুলো প্রথম পাতার থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য। যারা ধর্ম প্রচার করবেন তারা নিজেদের ঘরে ও ব্লগে বসে করেন। যারা শুনবেন বা পড়বেন তারা তাদের ইচ্ছেমতো পড়বেন। না হলে, হয়তো একজন এসে দাবী করবেন তার ধর্মীয় অধিকারে আঘাত হেনেছে। সামহোয়্যার ইনের পক্ষে সম্ভব না সবাইকে সন্তুস্ট রাখা।

তাই, যারা ধর্মভিততিক পোস্ট দিতে চান তারা ডিসক্লেইমার সাইন করে নিজস্ব ব্লগ মেইনট্যাইন করতে পারেন যা কখনও প্রথম পাতায় আসবে না। আশা করি, বিষয়টি নিয়ে সবাই ভেবে দেখবেন। ধর্ম আবেগের বিষয়। বিশ্বাসের বিষয়। কিন্তু চাপিয়ে দেওয়ার বা জোর করে আদায় করার বিষয় নয়। আশা করি, আপনারা আমার সাথে একমত হবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714579 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714579 2007-06-04 20:42:03
জামাতীদের সাথে সৌদী ওহাবী কানেকশন: ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714426 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714426 2007-06-04 00:22:02 জামাতীগো কীর্তি: ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714410 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714410 2007-06-03 23:51:46 রাজাকার নিজামীর দোস্তদের ছবি: http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714397 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714397 2007-06-03 23:26:53 রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা নেই: http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714389 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714389 2007-06-03 23:02:54 রাজাকার জামাতীদের ধান্ধা: http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714385 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714385 2007-06-03 22:51:51 ঘাতক নিজামীর ভবিষ্যত পরিণতি: http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714380 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714380 2007-06-03 22:28:18 কি অপরাধ ছিল এসব শহীদদের? http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714371 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714371 2007-06-03 22:07:30 গণঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714367 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714367 2007-06-03 21:56:36 ৬০০তম পোস্ট রাজাকার জামাত শিবিরের প্রতি ঘৃণা: ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714361 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714361 2007-06-03 21:45:16 চলে যাবেন কোথায়?
এটা শূণ্য শ্মশানভূমি হবে আর কিছু শেয়ালেরা হুয়াক্কাহুয়া দিয়ে মৌলবাদীদের চারণভূমি বানাবে, আর কিছু উদ্ধত শকুন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্যবচ্ছেদ করবে, এটা ভাবলে বলব দিবাস্বপ্ন দেখছে এসব নির্বোধের দল। এখানেই থাকব। প্রবলভাবেই থাকব। দরকার হলে একাই থাকব। থাকব যতক্ষণ এই শরীরে রক্তের উষ্ণতা প্রবাহিত হতে থাকে। তাই, চাই যুধিস্থিরদের। মৌলবাদী দেশদ্রোহী গণঘাতক রাজাকার জামাত-শিবির ও তাদের সহানুভূতিশীলদের বিরুদ্ধে আমার আর আমাদের সংগ্রাম চলবে এই হৃদপিন্ডের স্পন্দন যতক্ষন থাকে।

"...এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান,
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসসতূপ-পিঠে
চলে যেতে হবে আমাদের।

চলে যাব-তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপনে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি্ত
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।

অবশেষে সব কাজ সেরে
আমার দেহের রক্তে নতুন শিশুকে
করে যাব আশীর্বাদ,
তারপর হবো ইতিহাস"।

ছাড়পএ, সুকান্ত ভট্রাচার্য
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714340 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714340 2007-06-03 20:05:01
আড্ডায় শতকের বক্তৃতাসমগ্র:
যারা আড্ডায় শতকের বক্তৃতাগুলো এক জায়গায় দেখতে চান তাদের জন্য বিশেষভাবে এই আয়োজন। তাহলে আবারও চোখ বুলিয়ে দেখে নিন কি লিখেছি আগে, আর কি লিখতে পারি আগামীতে।
(১) ১০০তম বক্তৃতা: ফেব্রুয়ারী ২০, ২০০৬
(২) ২০০তম বক্তৃতা: জুন ৬, ২০০৬
(৩) ৩০০তম বক্তৃতা: ডিসেম্বর ২, ২০০৬।
(৪) ৪০০তম বক্তৃতা: ফেব্রুয়ারী ৪, ২০০৭।
(৫) ৫০০তম বক্তৃতা: এপ্রিল ৯, ২০০৭।
(৬) ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714098 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714098 2007-06-03 11:15:57
বিএনপি-জামাত-ঐক্যজোট-নিয়ে কৌতুক
জামাতে ইসলামী, বিএনপি আর ঐক্যজোটের তিন কর্মী মদ্যপান করা অবস্থায় সৌদী আরবে ধরা পড়ে। সৌদী আরবে যেহেতু মদ্যপানের অপরাধ অত্যন্ত গুরুতর, তাই সেখানে এর শাস্তি হচ্ছে চাবুকের বিশ দোররা বাড়ি। আরবের শেখ যখন এই তিন কর্মীকে শাস্তির জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন, "আজ আমার প্রথম বউয়ের জন্মদিন, তাই আমি তোমাদের প্রত্যেককে চাবুক মারার আগে একটা করে ইচ্ছা জানাবার অনুমতি দিলাম এবং তোমাদের আর্জি মঞ্জুর করা হবে"।

লাইনের প্রথমে দাঁড়ানো ঐক্যজোটের কর্মী বলল, "শেখ তুমি যদি চাবুক মারার আগে পিঠের সাথে একটা বালিশ বেঁধে দিতে"। তার আর্জি মোতাবেক বালিশ বেঁধে চাবুক মারা শুরু হলো। বালিশ চাবুকের বাড়ি ১০ টা পর্যন্ত নিল, তারপর বালিশ গেল ফেটে। ব্যথায় কুঁচকে রক্তাত্ব অবস্থায় তাকে সরানো হলো বিশ দোররার পরে।

এর পরে লাইনে ছিল বিএনপি'র কর্মী। সে ঐক্যজোটের কমর্ীর বেহাল অবস্থা দেখে আর্জি জানাল দু'টা বালিশ বাঁধার। তার আর্জি মোতাবেক ২টা বালিশ বেঁধে চাবুক মারা শুরু হলো। বালিশ চাবুকের বাড়ি ১৫ টা পর্যন্ত নিতে পারল, তার পর ব্যথায় কুঁচকে গোঙ্গানো অবস্থায় বিএনপি'র কর্মীকে সরানো হলো বিশ দোররার পরে।

সবার শেষে লাইনে ছিল জামাত কর্মী। সে কোন কিছু বলার আগেই শেখ জামাত কর্মীকে বলল, "তুমি হচ্ছো গোলাম আযমের দলের লোক। তাই তুমি ২টা আর্জি রাখতে পার"। জামাতী কমর্ী খুশীতে গদগদ হয়ে বলল, "হুযুর, আমি নাদানের মতো কাজ করেছি, তাই তুমি আমাকে চাবুকের ২০ দোররা না, ১০০ দোররা মার। শেখের চোখ আনন্দে জ্বলজল করে উঠল। বলল, "তার পরের আর্জিটা"? জামাত কমর্ী ব্যথায় কুঁকড়ানো বিএনপি কর্মীর দিকে আঙ্গুলের ইশারা দিয়ে বলল, "বালিশ টালিশ না, তুমি ঐ ব্যাটারে আমার (বিএনপি'র কর্মী) পিঠের সাথে বাইন্ধা দাও"।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714016 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28714016 2007-06-02 19:11:07
মহীউদ্দীন আপডেট-৫
এছাড়া, মার্কিন কর্তৃপক্ষকে এটা স্পস্ট করে জানাবার দরকার যে প্রমানিত ঘাতককে ফেরত না পাঠালে এটা মার্কিনীদের জন্য বাজে নজির হয়ে থাকবে। কানাডার পত্রিকায় মহীউদ্দীনের কন্যার আকুল আবেদন ছাপানো হয়েছে। অথচ সরকার কি কানাডীয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে তাকে আশ্রয় না দেওয়ার জন্য। খুনী আর ঘাতক মহীউদ্দীনকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য দরকার এ ব্যাপারে ব্যাপক জনসংযোগ। এ ব্যাপারে রহস্যজনক নীরবতা কেবল প্রশ্নের জন্ম দিবে। এর অবসান ঘটাবে না। আশা করি, মহীউদ্দীনকে অনতিবিলম্বে ফেরত এনে বিচারের সম্মুখীন করে সরকার তার শুভবুদ্ধির পরিচয় দিবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28713968 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28713968 2007-06-02 10:37:42
গরমে ছাগলরা কেমন আছে (ভিডিও)? ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28713886 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28713886 2007-06-01 22:26:40 ছুটির দিনের কড়চা: কক্সবাজার ভ্রমন
ভাল লাগল বান্দরবন আর কক্সবাজার নিয়ে এই ভিডিওটি। চেখে দেখতে পারেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28713824 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28713824 2007-06-01 10:12:38
অস্ট্রেলিয়ায় জামাতীদের উপর খড়গ: দৈনিক জনকন্ঠের মূল প্রতিবেদনটি।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712821 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712821 2007-05-27 11:41:03 দোষ অণৃন্যের: রোমান্টিক ছবি http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712661 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712661 2007-05-26 19:26:55 ফেরদৌস কোরেশীকে স্বাগত:
তার সাক্ষাতকারে খুব আশার সাথেই বললেন, সব দল থেকেই লোকজন এসে যোগ দিবে তার নতুন দলে। সবুর করো আর ক'টা দিন, দিকে দিকে রশুন বুনা হচ্ছে। ক্ষমতার কলকাঠি বড়ই শক্তিশালী। দল ভাঙ্গবে নদী ভাঙ্গার মতো। তারপর রাজনৈতিক ভিটেহারারা যোগ দিবে নতুন রাজনৈতিক বস্তিতে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই ধারা নতুন কিছু না। বিশেষত: জাতীয়তাবাদী রাজনীতির পচন প্রক্রিয়া এতো গভীর যে পাচকের পক্ষে তা রান্না করে পরিবেশন করা সম্ভব না। তাই, এখন নতুন করে মাছ ধরা হচ্ছে। অপেক্ষা করুন জাল তোলা পর্যন্ত। বড়ো মাছ, ছোট মাছ সহ পাঁচমিশালী মাছের চমতকার চর্চরি জাতির উদ্দেশ্যে উতসর্গ করা হবে। তারপর হারিছ চৌধুরীসমতে সকল খাটা আখাটা হাজতবাসী দুর্দান্তভাবে সুশাসন বইয়ে দিবে। বড়ো অভাগা দেশ। ফেরদৌস কোরেশীদেরকে ক্ষমতার মঞ্চ সাজাবার জন্য পেছনের দরজা দিয়ে আসতে হয়। অনেকে যা এক্সিট প্ল্যান বলছেন। আমার কাছে মনে হচ্ছে নতুন দলের জন্য শুরু হয়েছে জাতির প্রসব ব্যথা। ডেলিভারী নর্মাল হবে, না সার্জারী করে হবে তার জন্যই জনগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712584 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712584 2007-05-26 10:57:09
ছুটির দিনের কড়চা: আমার কৈফিয়ত
"...বন্ধুগো আর বলিতে পারি না, বড় বিষ-জ্বালা এই বুকে!
দেখিয়া শুনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়াছি, তাই যাহা আসে কই মুখে।
রক্ত ঝরাতে পারি না ত একা,
তাই লিখে যাই এ রক্ত-লেখা,
বড় কথা বড় ভাব আসে না ক' মাথায়, বন্ধু, বড় দু:খে!
অমর কাব্য তোমরা লিখিও, বন্ধু, যাহারা আছ সুখে!..."

আমার কৈফিয়তের শেষ পংক্তিতে লেখা কবির ভাবনা, সোনার শত ছেলেরা এসে দেশকে বদলে দেবে। বড়ই অভাগা আমরা। সময় বয়ে যায়, দেশ তো আর বদলায় না। কবির স্বপ্নকে এখনও লালন করতে হয় কবিতার পংক্তিতে। অবিচারের বিরুদ্ধে ঘৃণা আর অভিশাপ ছাড়া আর কোন সর্বনাশ ডেকে আনতে পারি না।
"প্রার্থনা ক'রো - যারা কেড়ে খায় তেত্রিশ কোটি মুখের গ্রাস,
যেন লেখা হয় আমার রক্ত-লেখায় তাদের সর্বনাশ"।

আমি নিজে একজন পাঠক। ঘটনার বাহক। কস্ট ধারণ করি বুকে। বিদ্রোহী হয়ে উঠা হয় না। নিজস্ব কস্ট ও শব্দের সংঘর্ষে আগুণ জ্বালাতে পারি না। তাই, নিজেই নিজেকে দহন করি একান্ত ভাবনায়। কস্টের দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে যখন দেখি কবির এই দেশের মাটি সোনার চেয়েও খাঁটি হলেও মানুষগুলো নয়। এতো কিছুর পরও একটু আশার আলো দেখি যখন আশেপাশে দেখি কিছু সাহসী মানুষের বিচরণ। আশায় বুক বাঁধি যখন দেখি কবি নজরুলকে নিয়ে সরকারী উদ্যোগের চেয়ে একজন ড: মোহাম্মদ ওমর ফারুকের উদ্যোগ নজরুল ডট অর্গ সফল হচ্ছে। যখন ভয়েস অব আমেরিকাতে শুনি একজন প্রবাসী ড: আবু মো: জাকারিয়া জার্মান ভাষায় নজরুলকে পরিচিত করে দিচ্ছেন তখন প্রত্যাশার কয়েকটি ফোঁটা জমতে থাকে হতাশার গহবরে। আজকের সকালে আমার কৈফিয়তের মধ্যে সান্ত্বনা খুঁজে পাই না, পথ যে এখনও অনেক বাকী।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712455 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712455 2007-05-25 09:37:33
ফিরে দেখো ১৯৭১-কে:
"তোমরা রয়েছ, আমরা রয়েছি, দুর্জয় দুর্বার,
পদাঘাতে পদাঘাতেই ভাঙ্গব মুক্তির শেষ দ্বার।
আবার জ্বালব বাতি,
হাজার সেলাম তাই নাও আজ, শেষযুদ্ধের সাথী"।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712286 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712286 2007-05-24 08:13:27
সংস্কার প্রস্তাবে জামাতের আপততি:
দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী এবং তারা বিশেষভাবে অবহেলিত। মহিলা ভোটাররা তাদের ন্যায্য নাগরিক সুবিধা সচরাচর পায় না আর তার সাথে রয়েছে তাদের প্রতি সামাজিক ও ধর্মীয় বৈষম্য। সেখানে নারীদের অধিকতর অংশগ্রহণ আগামী দিনের গণতন্ত্র ও সামাজিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। সেক্ষেত্রে জামাতীদের বিরোধিতা মৌলবাদী রাজনীতির আসল চেহারা তুলে ধরে। জামাতের কেন্দ্রীয় নেতারা নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবকে উদ্ভট বলে আখ্যায়িত করে। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় কমিটিতে এক তৃতীয়াংশ নারীসদস্য রাখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে নারীদের রাজনীতিতে বাধ্য করা। এথেকেই বোঝা যায়, জামাতীদের সুবিধাবাদী চরিত্র। প্রয়োজনে নিজেদের স্বার্থে তারা নারী নেতৃত্ব মেনে নিতে রাজী, কিন্তু নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে তার সুফল পৌঁছে দিতে তারা অপারগ।

বাংলাদেশের নাগরিকরা বিশেষত: মহিলা ভোটারদেরকে এজন্যই জামাতী মৌলবাদীদের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। এমনকি ইসলামী ঐক্যজোট নারী নেতৃত্বের ব্যাপারে তাদের আপততি জানিয়েছে। ধর্মভিততিক রাজনীতির সুবিধাবাদী চরিত্র রাজনৈতিক সংস্কারের এই নতুন উদ্যোগের কারণে উন্মোচিত হয়েছে। অথচ ধর্মীয় বিধানে কিন্তু নারীকে গৃহবন্দী করে রাখার কথা বলা হয়নি। নবীর যুগে মহিলারাও যোগ দিয়েছিলেন যুদ্ধে। আর আজকের ধর্মব্যবসায়ীরা নারীদের ঘরের বাইরে অংশগ্রহণকে তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি মনে করে। কি নিমর্ম পরিহাস!!! তারপরেও মৌলবাদী রাজনীতির প্রতি কিছু মানুষের দরদ কি কমবে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712238 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712238 2007-05-23 22:01:41
জামাতের আমলনামা:
এটা কারও অজানা নয় যে, জামাত যতোই গণতন্ত্রের জন্য মায়াকান্না দেখাক না কেন তারা সবসময়ই সামরিক ও রাজনৈতিক স্বৈরাচারী শক্তির আশ্রয়ে বিকশিত হয়েছে। জামাতকে প্রতিহত করতে হলে তাদের অতীত ও বর্তমানকে সমানভাবে তুলে ধরতে হবে। তাদেরকে মোকাবেলা করতে হবে ধর্মীয়ভাবে, রাজনৈতিকভাবে ও আইনগতভাবে। ক'দিন আগে ঘাতকদের জন্য প্রমাণপঞ্জী নিয়ে পোস্টে তুলে ধরেছিলাম একটি বুকলেট। এধরণের প্রামাণ্য দলিল ও তথ্যসূত্র রাজাকার জামাত শিবিরের মুখের উপর ছুঁড়ে দিয়ে বলতে হবে কেন স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে ধর্মভিততিক রাজনীতির কোন সুযোগ নেই। ধর্ম নিয়ে তাদের বেচাকেনার হিসেব তুলে ধরতে হবে। ইসলাম ধর্ম কারও ব্যক্তিগত সম্পততি নয়, তাই ইসলাম নিয়ে দলীয় রাজনীতিরও কোন অবকাশ নেই।

জামাতের ধর্মভিততিক মুখোশ খুলে দিতে সবচেয়ে বেশী প্রামাণ্যতথ্য তুলে ধরেছে বাংলার ইসলাম ওয়েবসাইটটি। তবে রাজনৈতিকভাবে তাদের মোকাবেলার জন্য পড়ুন একাততরের ঘাতক জামাতে ইসলামীর অতীত ও বর্তমান বুকলেটটি। মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্রের উদ্যোগে প্রকাশিত এই বুকলেটটি জামাতের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঘৃণ্য ভূমিকার কথা আমাদের সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেয়। বইটি পড়ুন এবং প্রচার করুন। চেতনা ৭১'এর সৌজন্যে এই বুকলেটটি পিডিএফ ফরম্যাটে আপনাদের জন্য দেওয়া হলো।

এই বুকলেটটি স্বাধীনতা পূর্ব বাংলাদেশে আর স্বাধীনতার পরবর্তীতে ঘাতক জামাতীদের কার্যক্রম ও বক্তব্য প্রমাণসহ তুলে ধরেছে। ১৯৭১এর ১৪ই আগস্ট গোলাম আযম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘোষণা দেন মুক্তিযোদ্ধাদের দেশের শত্রু হিসেবে। খুব গর্বের সাথে বলেছিলেন, "বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য শান্তি কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে"। দেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু ঘাতকের গর্ব বিন্দুমাত্র খর্ব হয়নি। তাদের বিচারের বিষয়টি হারিয়েছে রাজনীতির ডামাডোলে। বাংলাদেশের স্থিতি, শান্তি ও সকল শহীদদের ত্যাগের ঋণশোধের জন্য রাজাকারদের বিচারের কোন বিকল্প নেই।

১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরের ১ তারিখে গোলাম আযম করাচীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "কোন ভাল মুসলমানই তথাকথিত বাংলাদেশ আন্দোলনের সমর্থক হতে পারে না"। একই সময় ২৩শে সেপ্টেম্বর নিজামী বলেন, "যারা ইসলামকে ভালবাসে শুধুমাত্র তারাই পাকিস্তানকে ভালবাসে"। তাই স্বাধীন বাংলাদেশে এসব বেহায়ারা আবার মুসলমান হিসেবে দাবী করে নিজেদের ঈমানের সাথেই বেঈমানীর প্রমাণ দিচ্ছে। তাদের পাকিস্তানপ্রীতি বদলায়নি, শুধু বদলে গেছি আমরা এসব ঘাতকদের পাশে বসার সুযোগ করে দিয়ে। যুদ্ধাপরাধী জামাতীদের রাজনৈতিকভাবে পূনর্বাসিত করে বেঈমানী করছি তিরিশ লাখ শহীদের রক্তের সাথে।

এ কারণেই ১৯৮৬ সালের ১৪ই জানুয়ারী জামাত নেতা আব্বাস আলী খান যখন করাচীতে ঘোষণা দিয়ে আসেন, "বাংলাদেশের জনগণ এখন পাকিস্তানের সাথে তাদের বিচ্ছেদের কারণে অনুতপ্ত" তখন তার বিরুদ্ধে রাস্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ আসে না। ভুলেই গেলাম ছিয়াশি সালে কারা যেন ক্ষমতায় ছিল? অথচ সেদিনও পাকিস্তানী সিনেটর খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের জন্য পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে। না, তারপরেও জামাত-শিবিরের মধ্যে কোন অপরাধবোধ জাগবে না।

কাওকে অনুতপ্ত করার নিষ্ফল চেস্টার জন্য এই লেখা নয়। সেই আশা বড্ডো অমূলক। ১৯৭১ সালের রাজাকার যুদ্ধাপরাধী জামাতীদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবার কোন বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের নিত্যকারের সংগ্রামের সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সম্পৃক্ত করতে হবে। মৌলবাদের বিষক্রিয়া যখন দেশকে দূষিত করছে তখন মৌলবাদী রাজনীতির ধারক-বাহক-পৃষ্ঠপোষক জামাত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার কোন বিকল্প নেই। ঘাতক যখন আশ্রয় পায়, আর পৃষ্ঠপোষকতা পায় রাজনৈতিকভাবে ও রাস্ট্রীয়ভাবে, তখন সে স্পর্ধা তো দেখাবেই বিচারের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে। কোন ক্রোধ, হিংসা বা দ্বেষ দিয়ে নয়, বরং যুদ্ধাপরাধী জামাতীদের বিচারের লক্ষ্যে সামাজিক ও আইনগত আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমেই সম্ভব তাদের এই নির্লজ্জ স্পর্ধাকে গুঁড়িয়ে দেওয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712114 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712114 2007-05-23 10:02:53
যাত্রা শুরু হলো সিডনী থেকে:
দৈনিক জনকন্ঠ মে মাসের ২২ তারিখের প্রতিবেদনে জানাচ্ছে, "একাততরের গণহত্যার দায়ে গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামীসহ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে অস্ট্রেলিয়ার হাইকোর্টে মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছে সিডনীর ফেডারেল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত"। বাংলাদেশের গণহত্যার বিচারের পরে রাস্ট্রীয় নীরবতা, রাজনৈতিক অসচেতনতা ও বিভ্রান্তি যখন প্রবলভাবে বিদ্যমান তখন সিডনীতে শুরু হয়েছে এই ব্যতিক্রমী আইনগত প্রক্রিয়া।

গণহত্যার বিচারের ব্যাপার কোন তর্কের বিষয় নয়। এটা রাজনীতির মাঠ গরম করার ইস্যুও নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গণে শুরু হলেও রাস্ট্রীয়ভাবে আমরা আমাদের ভূমিকা স্পস্ট করতে পারি না। যেমনটা সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধুর ঘাতক মহীউদ্দীনকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সরকারী উদ্যোগ থমকে থাকা। সেজন্যই গণসচেতনতার প্রয়োজন। সচেতন জনতার সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজন। জনগণ একবার প্রতারিত হতে পারে, কিন্তু বারবার নয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712104 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712104 2007-05-23 07:24:48
তেলে জলে কি মেশে? ।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712065 http://www.somewhereinblog.net/blog/adda/28712065 2007-05-22 20:43:36