সর্বকালের সেরা কম্পিউটার ইন্টারফেস
০৪ ঠা মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮
সম্প্রতি বষ্টনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কম্পিউটার হিউম্যান ইন্টারেকশান ২০০৯ কনফারেন্স। সারা বিশ্বের কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের মিলনমেলা জমেছিল বেশ। আর এখানেই জানা গেল মাল্টিটাচ স্ক্রীন ইন্টারফেসের খবরটি। সেই ১৯৫০ সালে কমান্ডলাইন ইন্টারফেস দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। তারপর এসেছে মাউস, জয়স্টিক সবশেষে টাচপ্যাড, টাচস্ক্রীন। আর এখন এপেলের আইফোন, মাইক্রোসফটের সারফেস নিয়ে এল মাল্টিটাচস্ক্রীন। ম্যাকবুক ও উইন্ডোজ ৭ এর জন্যও এই প্রযুক্তির কথা ভাবা হচ্ছে এখন। আবার অনেক সেলফোন নির্মাতারাও এই সুবিধা দিতে যাচ্ছে। এতে কম্পিউটারের ব্যবহার আরো সহজ হবে, সবার জন্য খুলে যাবে নতুন দিগন্ত।
মাল্টিটাচস্ক্রীনঃ
এটা এমন একটা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কম্পিউটার ইউজাররা একসাথে একাধিক আঙ্গুল দিয়ে গ্রাফিকাল এপ্লিকেশন কন্ট্রোল করতে পারবে। এরজন্য দরকার হয় টাচস্ক্রীন বা টাচপ্যাড, একাধিক সিমুলেশন টাচপয়েন্ট নির্ধারণ করতে পারে ও সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারে এমন সফটওয়্যার। এই পদ্ধতিতে একসাথে অনেকগুলো টাচপয়েন্ট রেকগনাইজ করতে পারে কম্পিউটার। এটা অনেকগুলো মাধ্যমথেকে মাল্টিটাচ সনাক্ত করতে পারে যেমন- আঘাত, আঙ্গুলের ছোঁয়া, উচ্চ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা, ইনফ্রারেড রশ্নি, অপটিক ক্যাপচার, টিউনড ইলেক্ট্রোমেগনেটিক ইনডাকশন, আলট্রাসনিক রিসিভার, লেজার রেন্জফাইন্ডার ও স্যাডো কেপচার।
এরজন্য অনেক এপ্লিকেশন আছে যেমন- এপেলের আইফোন, আইপড টাচ। এপেলের ম্যাকবুক ও ম্যাকবুক প্রো, মাইক্রোসফট সারফেস, আসুস ইইই পিসি ও মেইজু এমএইট। আধুনিক মাল্টিটাচস্ক্রীন সিঙ্গেল ও মাল্টিটাচ দুটোই সাপোর্ট করে। এর মাধ্যমে মোবাইলে ভিডিওগেম খেলা যায় আবার একাধিক জায়গার জন্য জিপিএস কি ইউজ করা যায়।
সুত্রঃ টেকনোলজি রিভিউ।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে...ধন্যবাদ
লংকার রাজা বলেছেন:
এই নতুন ইন্টারফেসে কবিতা পড়ার মজাই আলাদা।
লেখক বলেছেন: কবিতার কথা বলতে পারবো না তবে গেম খেলার মজাই আলাদা...ধন্যবাদ
দিগন্ত বলেছেন:
সারফেস বেরোনোর সময় থেকেই এটা নিয়ে অনেক হইচই হচ্ছে, দেখি আমাদের গুণধর কোম্পানী কত পয়সা আনতে পারে এ থেকে।
লেখক বলেছেন: হুমমম
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না..
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
সর্বনাশ। আপনি যে ছবিটা দিলেন, মাথা তো পুরা আউলায়া গেলো। কী জিনিষ রে ভাই, কি জিনিষ। কতকিছু দেখবো মরার আগে, ভাবলে মাথা ঘোরায়। জীবনে ভাবি নাই কম্পিউটার দেখবো।
লেখক বলেছেন: কালে কালে আরো কত কি যে দেখবেন... ধন্যবাদ
ভাবারূ বলেছেন:
মাল্টিটাচ্ প্রযুক্তির কিছুটা মজা অবশ্য আমরা বছর খানেক আগে থেকেই নেওয়া শরু করে দিয়েছি । "আইপড টাচ্" এর মাধ্যমেই এই প্রযুক্তিটি বানিজ্যিকভাবে বাজারে আসে।বর্তমানে গুগল আর্থ এবং যেকোন ছবি জুম করা সহ আইপড টাচ্ এর বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনস এবং গেমস্ -এ এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন...ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আসলেই বিস্ময়কর...ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
শরীফ উদ্দীন বলেছেন:
গুড পোষ্ট। আমি এখনো এটার বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। কাল একটা ইনকোর্স এক্সাম আছে। তারপর দেখি খোজ খবর নিয়ে। বিষয় টা জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: Thanks
সিনথিয়া জামান বলেছেন:
এটা এখন অনেক পুরনো প্রযুক্তি। বছর দুই আগে এম এস সারফেস প্রথম এই প্রযুক্তি এনেছিলো বাজারে। এরপর আইপড টাচ ও আইফোনে সেটার ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়। এখন এটাকে কিছুতেই নতুন বলা যায় না। আর সর্বকালের সেরা কথাটাও ভুল। নর্দাম্পটন ভার্সিটির একদল বিজ্ঞান গবেষক এমন একটি পর্দা আবিস্কার করেছেন যেটা বাতাসে ভেসে থাকতে পারে। স্ক্রিীনের ভেতর দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দেয়া যায়। আমি আপনার জাগায় হলে সেটাকেই বরং সর্বকালের সেরা বলতাম।
লেখক বলেছেন: দারুন তো..ধন্যবাদ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















