somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অন্তরীণ বিক্ষিপ্ত স্বপ্নেরা মোমের নরম আলোয়
সুরভী ছড়াতে চায় প্রচ্ছন্ন শিহরণে
তারার তুলিতে খচিত মোহময়ী নীল চাঁদোয়ার ঘোমটা সরিয়ে
উঁকি দিয়ে যায় সহসা
মুনির অভিশাপে নিদ্রামগ্ন এক দুরন্ত চপলা কিশোরী মুখ
যার উচ্ছলতা নির্বাসিত তন্দ্রালোকে,
বেদনায় গড়া কোন অনুকল্প শিল্পাচার
নির্বাক বিমূ্ঢ় জন্মভূমি জননী আমার।

ধ্যান স্পর্শক প্রেরণার বাহক হয়ে
অনন্ত আশায় তপস্যা নিয়ে তোমার পাশে উপবিস্ঠ হোক
কোন এক মাহাথীর কিংবা চে
তার কঠোর ধ্যানে, জ্ঞানের আলোকে জাগাক তোমার প্রানে স্পন্দন
বসন্তের যুবরাজ প্রগাঢ় প্রেমের আলেখ্যে রূপান্তরিত করুক তোমার হৃদয়
পৃথিবীর মানচিত্রে আবারো চিত্রিত হও অগ্নিশিখায় প্রজ্বলিত জীবন্ত প্রচ্ছদে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/29274542 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/29274542 2010-11-19 22:07:07
সুবর্ণ প্রহর ছিল সোনারঙ মেঘে স্মৃতির দুয়ার খুলে আনমনে
একা একা হেঁটে গেছি দুর বহু দুর
বিষন্ন নির্জন দুপুরে কোকিলের একটানা কুহু সুরে
আজো শুনি তোমার অন্তিম আক্ষেপ,
নিজের মতো করে পৃথিবীটা হলো না দেখা
হাতে হাত রেখে কাটানো সুবর্ণ প্রহর।

একদিন সুখ ছিল সোনারং মেঘে মেঘে
বালিয়ারী তটে ফেলে যুগল পদচিহ্ন
হাসি গানে ভরে ছিল মধুর লগন
নবীন যৌবনের সাথী ছিল
রঙ্গিন স্বপ্নে মাখা নওল ভুবন।

এখনো প্রহরের বুকে আঁকি জোছনার ছায়া
স্মৃতির কুয়াশা সরিয়ে খুঁজে ফিরি আজো দয়িত তোমায়
তারা হয়ে আছো জানি আকাশের গায়
মেঘ হতে চায় মন ছোঁব বলে তোমার নিলয়
অনন্ত প্রতীক্ষায় কাটে বিবর্ণ বেলা, হায়!
রংধনু ডিঙ্গা বেয়ে ফেরা আর হলো না তোমার।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/29169574 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/29169574 2010-06-03 22:40:57
সফটওয়্যারের নিশ্চিত মান নিয়ন্ত্রণ
আইটি (সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট) কোম্পানিতে সফটওয়্যার কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স/কোয়ালিটি কট্রোল-এর ভূমিকা অপরিসীম। সফটওয়্যারের ত্রুটি, সফটওয়্যারের ফাংশনালিটিগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, চাহিদা অনুযায়ী সফটওয়্যারটি তৈরি হয়েছে কি না, কোয়ালিটি মেইনটেইন, পুরো সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রসেস মনিটরিং, প্রসেস ইমপ্রুভমেন্ট এবং আইটি অর্গানাইজেশন স্ট্যান্ডার্ড প্রসেস অনুসরণ করছে কি না, প্রভৃতি বিষয়গুলো দেখার দায়িত্ব হচ্ছে কিউএ এবং কিউসি ডিপার্টমেন্টের। কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স/কোয়ালিটি কন্ট্রোল একই অর্থে ভাবা হলেও এর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।

কিউএ এবং কিউসি’র পার্থক্য

কিউএ প্রসেস অ্যাস্টাবলিস্টমেন্ট, প্রসেস ইভ্যালুয়েটিং, প্রসেসের দুর্বলতা, প্রসেস ইমপ্রুভমেন্ট এবং অর্গানাইজেশনের পুরো লাইফসাইকেলের জন্য প্রযোজ্য। এটা মূলত ম্যানেজমেন্ট লেভেলের প্রফেশনালদের দায়িত্ব এবং পুরো প্রোডাক্টের জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু কিউসি শুধু স্বতন্ত্র প্রোডাক্টের জন্য প্রযোজ্য। কিউএ হচ্ছে প্রসেস অরিয়েন্টেড, আর কিউসি হচ্ছে প্রোডাক্ট অরিয়েন্টেড। কিউসি সফটওয়্যারের ত্রুটি খুঁজে বের করে ত্রুটিমুক্ত করার জন্য রিপোর্ট দেয়। কিউএ সফটওয়্যারে যাতে ত্রুটি না পাওয়া যায়, সে লক্ষ্যে কাজ করে। কিউএ যেহেতু প্রসেস অরিয়েন্টেড, সেহেতু সবচেয়ে জনপ্রিয় আইটি ম্যানেজমেন্ট প্রসেসগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো।

CMMI- Capability Maturity Model Integration

ITIL- Information Technology Infrastructure Library

COBIT- Control Objective for Information Technology

সাধারণত আইটি ম্যানেজমেন্ট প্রসেসগুলোর যেকোনো একটি আইটি অর্গানাইজেশন অনুসরণ করে থাকে, তবে তা নির্ভর করে অর্গানাইজেশনের কাঠামো, ব্যবসায়ের ধরন ও ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্তের ওপর।

কিউএ ডিপার্টমেন্টের পজিশনের স্তরগুলো

সাধারণত নিম্নলিখিত পজিশনগুলো কিউএ ডিপার্টমেন্টে বিদ্যমান।

সফটওয়্যার কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স টেস্টার
V
সফটওয়্যার কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স অ্যানালিস্ট
V
সফটওয়্যার কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স লিড
V
সফটওয়্যার কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কো-অর্ডিনেটর (বড় অর্গানাইজেশনের জন্য প্রযোজ্য)
V
সফটওয়্যার কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ম্যানেজার
V
সফটওয়্যার কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ডিরেক্টর (বড় অর্গানাইজেশনের জন্য প্রযোজ্য)

এর পরের পজিশনগুলো হচ্ছে পুরো কোম্পানির দায়িত্ব সম্পর্কিত। যেমন : চিফ টেকনোলজি অফিসার।

চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার

উল্লেখ্য, কিউএ লিড/সিনিয়র কিউএ হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতার পর বিজনেস অ্যানালিস্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ থাকে। আবার যারা সফটওয়্যার প্রোগ্রামিংয়ে ভালো, তারা অটোমেশন টেস্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকেন।

উল্লেখযোগ্য কিছু সফটওয়্যার ত্রুটি

কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সঠিকভাবে করা না হলে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি সফটওয়্যারে থেকে যায়। যার ফলে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এসব কারণে কিউএ’র গুরুত্ব অপরিসীম।


২০০৫ সালে হাইব্রিড গাড়ি তৈরির কোম্পানিকে সফটওয়্যারের ত্রুটির জন্য ২০০ কোটি থেকে ৩০০ কোটি ডলার খরচ করতে হয়েছে। যদি সঠিকভাবে কিউএ করা হতো তাহলে ২০ লাখ থেকে ৩০ লাখ ডলারের বেশি খরচ হতো না এবং কোম্পানির শত শত কোটি ডলারের চেয়েও বেশি সাশ্রয় হতো।



জানুয়ারি ২০০৫ সালে আমেরিকার ১৭ কোটি ডলারের আইটি প্রকল্প মার্চ ২০০৫ সালে বন্ধ করা হয়েছিল। এর অন্যতম কারণ ছিল সফটওয়্যারের প্রচুর ত্রুটি।

সফটওয়্যারের ত্রুটির ফলে ২০০৩ সালে উত্তর আমেরিকার ৫ কোটি লোক পুরো ১ দিনের জন্য বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত ছিল। ১০০ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এ কারণে ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৬০০ কোটি ডলার। ওইদিন মানুষের ভোগান্তি ছিল চরমে। কয়েক লাখ কোড পর্যালোচনার পর সফটওয়্যারের ত্রুটি খুঁজে বের করে তা ফিক্সড করা হয়েছিল। সঠিকভবে কিউএ হলে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের সময়ই এই ত্রুটি ধরা পড়ত, সেক্ষেত্রে হয়ত ৬০ কোটি ডলারের বেশি খরচ হতো না অর্থাৎ ৫৪০ কোটি ডলার সাশ্রয় হতো এবং কোটি কোটি মানুষ চরম ভোগান্তি থেকে বাঁচত।



এবার বাংলাদেশের দুয়েকটি ওয়েবসাইটের কথা তুলে ধরা যাক। বেশ কয়েক বছর আগে প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় লিঙ্কের মধ্যে ঘটক পাখি ভাইয়ের ওয়েবসাইটের ঠিকানা ছিল। যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পর তারা ব্যবস্থা নিয়েছিল। বেসরকারি এবং সরকারি অনেক ওয়েবসাইটের মান এবং তথ্য নিয়ে বিচার করলে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্সের ছাপ খুব একটা দেখা যায় না। এসব ওয়েবসাইট যথাযথ কিউএ’র অভাবে ত্রুটিপূর্ণ।

কিউএ ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব

সাধারণত কিউএ/কিউসি যেসব দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করে থাকে তার মধ্যে আছে : বিজনেস রিকোয়ারমেন্ট এবং সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট বোঝা, টেস্ট প্ল্যান লেখা, টেস্ট কেস লেখা, টেস্ট কেস এক্সিকিউট করা, ডিফেক্ট লগ করা, টেস্টিং স্ট্যাটাসের রিপোর্ট জানানো, বিভিন্ন ধরনের টেস্ট এক্সিকিউট করা। যেমন- ইউনিট, ইন্টিগ্রেশন, সিস্টেম, ইউএটি, লোড, পারফরমেন্স, স্ট্রেচ, সিকিউরিটি, ব্যাকএন্ড, হোয়াইট বক্স প্রভৃতি। কিউএ প্রক্রিয়াগুলো বোঝা এবং সে অনুযায়ী অডিট করা, বিজনেস ও সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট অ্যানালাইজ করা এবং এতে ত্রুটি থাকলে তা জানিয়ে দেয়া। ফ্লোচার্ট ভেরিফাই করা, ডিফেক্ট ট্র্যাকিং লাইফ সাইকেল, সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট অনুসরণ করা এবং কনফিগারেশন ম্যানেজমেন্ট, রিসোর্স অ্যালোকেশন, ডিপার্টমেন্টের লক্ষ্য নির্ধারণ করা, অ্যাপ্রেইজাল, প্রশিক্ষণ প্রভৃতি এই ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব। ডিপ্লোমেটিক উপায়ে কিউএ’র প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করা ও ত্রুটি-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কঠোর মনোভাব পোষণ করে পণ্যের সর্বোচ্চ মান ঠিক রাখা হচ্ছে কিউএ’র অন্যতম দায়িত্ব।

বেতন কাঠামো

উন্নত বিশ্বে সাধারণত কিউএ’র বেতন ডেভেলপারদের চেয়ে বেশি। নিচে কয়েকটি দেশে কিউএ’র বার্ষিক বেতন উল্লেখ করা হলো।

আমেরিকা :
০-১ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ডলার, ১-৪ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ৩৬ হাজার থেকে ৬০ হাজার ডলার, ৫-৯ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ৭০ হাজার থেকে ১১০ হাজার ডলার এবং ১০-১৯ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ৯৬ হাজার থেকে ২ লাখ ডলার পর্যন্ত বেতন দেয়া হয়ে থাকে। নিচে গড় বেতনের চার্ট দেয়া হলো।

ভারত :
০-১ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ৯৬ হাজার থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার রুপি, ১-৪ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ১ লাখ ৯৬ হাজার থেকে ৩ লাখ ৪০ হাজার রুপি, ৫-৯ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ৩ লাখ ৭১ হাজার থেকে ৬ লাখ ২৭ হাজার রুপি, ১০-১৯ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ৪ লাখ ২১ হাজার থেকে ৯ লাখ ৬ হাজার রুপি বেতন দেয়া হয়ে থাকে, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর বেশিও বেতন দেয়া হয়।

বাংলাদেশ :
০-১ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ১-৪ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ১ লাখ ৪৪ হাজার থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ৫-৯ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ২ লাখ ৮ হাজার থেকে ৬ লাখ টাকা, ১০-১৯ বছরের অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে ৬ লাখ থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত বেতন দেয়া হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কিউএ পেশাজীবী পাওয়া সহজ নয়।

উল্লেখ্য, বেতন কাঠামো শুধু কয়েক বছরের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই নয় বরং বিভিন্ন টেকনোলজি, টুলস, অ্যাপ্লিকেশন, বড় এবং আদর্শ মানের প্রতিষ্ঠানের কাজের অভিজ্ঞতা, স্পেশাল সার্টিফিকেশন, কমিউনিকেশন প্রভৃতি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে তারতম্য হয়। সেক্ষেত্রে উপরোল্লিখিত বেতন কাঠামোর ধারণা ১০০ শতাংশ ঠিক বলা যায় না, তবে গড়পড়তা ধারণা দেয়ার জন্য যথেষ্ট। এই পেশায় দেশে কয়েক বছর চাকরি করে অভিজ্ঞতা অর্জন করে উন্নত দেশে চাকরি নিলে অনেকগুণ বেশি বেতন পাওয়া যায়। আমাদের দেশে কিউএ পেশাজীবী ফ্রিল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং প্রজেক্ট করে অনেক টাকা উপার্জন করে থাকেন। এ ব্যাপারে ফ্রিল্যান্সার প্রজেক্টের ওয়েবসাইটগুলো সহায়ক।

এ পেশায় যোগ্যতা

ন্যূনতম যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি তবে কমপিউটার সায়েন্স বা কমপিউটার ইনফরমেশন সিস্টেম হলে খুবই ভালো হয়। এর পর কিউএ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নিলে এ পেশায় চাকরি লাভ করা খুবই সহজ। যারা কমপিউটার সায়েন্স ছাড়া অন্যান্য বিষয়ের ওপর মাস্টার্স করেছেন তারাও কিউএ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এ পেশায় যুক্ত হতে পারেন। উন্নত দেশে কিউএ টেস্টার/ইঞ্জিনিয়ার পাওয়া যায়, যাদের ব্যাকগ্রাউন্ড কমপিউটার সায়েন্স নয়, অথচ সঠিক ট্রেনিং নিয়ে এবং তাদের একান্ত প্রচেষ্টায় এই পেশায় অনেক কমপিউটার বিজ্ঞান জানা লোকদের চেয়ে ভাল করছেন। একজন সফটওয়ার টেস্টার বা কিউএ অ্যানালিস্ট হতে গেলে যেসব বিষয়ের ওপর জ্ঞান থাকা আবশ্যক সেগুলোর মধ্যে আছে : ইংরেজি ভাষা, বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব প্রযুক্তি, প্রোগ্রামিংয়ের মৌলিক বিষয় এবং যেকোনো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে কোডিংয়ের অভিজ্ঞতা, রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, কিউএ’র বিভিন্ন টুলস, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড আইটি অর্গানাইজেশনের স্ট্রাকচার, আইটি অর্গানাইজেশনের প্রতিটি পদের দায়িত্ব-কর্তব্য বোঝা, টেস্টিং মেথোডলজি, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট লাইফসাইকেল, ডিফেক্ট ট্র্যাকিং লাইফসাইকেল, বিভিন্ন ধরনের টেস্টিং এবং অটোমেশন টেস্টিং টুলস ইত্যাদি বিষয়ে জানা।

ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অতিপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো হলো : ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা, কার্যকর যোগাযোগ, কার্যকর ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা টুলস ইত্যাদি সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান।

সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিতে সফটওয়্যার টেস্টার বা কিউএ হচ্ছে একটি সহজ প্রবেশক্ষেত্র। প্রথমে এই পেশায় ঢুকে পরে দক্ষতা অনুযায়ী বিভাগ পরিবর্তন করা যায়। কাজের ধরনের ওপর নির্ভর করে বিশ্বব্যাপী মহিলাদের কিউএ পেশায় বেশি অংশ নিতে দেখা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমাদের দেশের মহিলাদের জন্য এই পেশা হতে পারে একটি সুবর্ণ সুযোগ।

আমাদের দেশে কিউএ’র অবস্থান

দেশে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিউএ’র ওপরে ধারণা দেয়া হলেও তা মোটেই যথেষ্ট নয়। দুয়েকটি কোম্পানিতে ইটার্নশিপের ব্যবস্থা থাকলেও যথেষ্ট প্রশিক্ষণের অভাবে সফল নয়। এছাড়া কোনো কিউএ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম নেই। এর ফলে আমাদের দেশে কিউএ বিশেষজ্ঞ তৈরি হচ্ছে না এবং কিউএ’র গুরুত্ব অনেকটা সীমিত অবস্থায় রয়েছে। ওয়াইটুকে সমস্যার সময় মূলত কিউএ’র চাহিদা ছিল অকল্পনীয়। আজ থেকে অনেক বছর আগে আমেরিকাতে কিউএ’র কাজ তাদেরকে দেয়া হতো, যাদের অন্তত বেশ কয়েক বছরের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের অভিজ্ঞতা ছিল। সেক্ষেত্রে কিউএ পেশাজীবীদের গুরুত্ব অনেক বেশি ছিল। পরে চাহিদার সাথে সাপ্লাইয়ের সামঞ্জস্য না হওয়ায় ইটার্নশিপ এবং ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে এ পেশায় অনভিজ্ঞ লোক নেয়া হচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বেশ কিছু আউটসোর্সিং প্রকল্পের কাজ চলছে। নতুন কিছু সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি এবং শুধু কিউএ কোম্পানিও গঠন হচ্ছে। মূলত বহির্বিশ্বের কাজের অর্ডারের ওপর নির্ভর করে এই নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকাশ ঘটছে। সম্প্রতি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল সোর্সিং ফোরাম এবং এক্সপো’র কনফারেন্সে অনেক বিদেশী কোম্পানি বাংলাদেশে প্রজেক্ট করানোর মনোভাব ব্যক্ত করেছে। কেননা, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে প্রোডাকশনের খরচ কম পড়বে। শুধু কিউএ’র ওপর অনেক আউটসোর্সিং প্রকল্পের কাজ বাংলাদেশে হচ্ছে এবং প্রচুর কাজ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে অনেক দক্ষ কিউএ প্রয়োজন। দক্ষ কিউএ পেশাজীবী তৈরির জন্য কিউএ ইনস্টিটিউট খুব প্রয়োজন। সরকার আর্থিক সহায়তা দিলে মানসম্মত কিউএ ইনস্টিটিউট গড়ে উঠতে সময় লাগবে না। তাছাড়া দেশে বেসরকারিভাবে কিউএ ইনস্টিটিউট করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। দেশে দক্ষ কিউএ পেশাজীবী তৈরি হলে অনেক বেশি প্রকল্প পাওয়া যাবে এবং বিদেশে দক্ষ কিউএ পেশাজীবীদের কাজের সুযোগও বাড়বে। সেক্ষেত্রে উভয় দিক বিবেচনা করলে আমাদের দেশ বছরে কোটি কোটি ডলার আয় করতে সক্ষম হবে। সর্বোপরি, আমাদের দেশে কিউএ’র কার্যক্রমের ব্যাপকতা, প্রয়োজনীয়তা ও এর সম্প্রসারণ ঘটবে রেনেসাঁর মত.

লেখকের নাম: মো: মানিকুজ্জামান
For QA Training:
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/29135691 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/29135691 2010-04-15 23:51:33
অগ্নিস্নাতা
বিনিদ্র রাত শেষে জেগে ওঠে আর একটা বিবর্ণ ভোর
রাতের ক্যানভাসে হয়না আঁকা কোন মধুর স্বপন
নিঠুর মরুর বুকে ক্ষতচিহ্ন বয় জীবনের জলছবি
সিডরের প্রমত্ত জলরাশি আছড়ে পড়ে হৃদয়তটে
চূর্ণ বিচূর্ণ আমি আবার গড়তে বসি নিস্তব্ধ আমাকে।

গ্রহনের কাল শেষে পরাভূত রবির মতোন
আছে আমার উদ্যমের বিপুল সম্ভার
শত বাঁধা ভেঙ্গে করি বিস্তার দূর্বার আকাঙ্খায়
অস্তিত্ব প্রকাশিত হোক অগ্নিস্নাত রুদ্র অক্ষরে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/29089610 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/29089610 2010-02-01 19:17:58
বিশ্বের সকল বাবাকে শ্রদ্ধা "কোলের পরে ধরে কবে দেখতো আমায় চেয়ে
সেই চাহনি ফেলে গেছে সারা আকাশ ছেয়ে।"
আজ বিশ্ব বাবাদিবস। পৃথিবীর সকল বাবাকে জানাই শ্রদ্ধা। উনাদের আন্তরিক প্রচেস্টা ও সাধনার ফসল আজকের দিনের সুনাগরিক এই আমরা। কত যে ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে উঠে এক একটি সুসন্তান নিজে বাবা মা না হলে বুঝা যায়না। আমি এখন বুঝি পৃথিবীর স্বর্গ হলেন বাবা মা। আমাদের একটু সুখে রাখার জন্য আমার বাবার সেকি অক্লান্ত পরিশ্রম। অসুখ করলে এমনকি সামান্য একটু জ্বর হলেও বাবা সারারাত ঘুমাতেন না..্যদি জ্বর বেড়ে গিয়ে ব্রেনে এ্যফেক্ট করে সেই ভয়ে। এখন আমিও বিনিদ্র প্রহর কাটাইা অসুস্থ্য সন্তানের শয্যাপাশে, আর বাবা কত কস্ট করতেন ভেবে চোখে জলের ধারা নামে। আমার প্রিয় বাবাকে আর কোনদিন উপহার দেয়া হবেনা বাবা দিবসে। সেই হাসিমুখ আর দেখা যাবেনা। বাবাহারা এই আমি নিস্বঃ লাগে, অসহায় লাগে। বিপদে কাছে পাবার কেউ নেই এখন। রোজ ৬টা বাজলেই অফিসে ফোন করা শুরু হত..এখনি চলে আস..দেরী করোনা..ইত্যাদি। দুই বছর হয়ে গেল..কত দেরী করে বাসায় ফিরি কেউ একটা ফোনও করেনা..আমাকে নিয়ে চিন্তা করার কেউ আর নেই। বাবা তোমাকে মিস করি খুব।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28967429 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28967429 2009-06-21 12:02:22
বনপাহাড়ের মেয়ে
আজ রবিবার স্কুল ছুটি। খুব ভোরে উঠেই ফুল কুড়াতে ছুটল দুভাইবোন মিশু আর খোকন। মিশুর বয়স সাত আর খোকনের পাঁচ বছর। দুটিতে একেবারে মানিকজোড়। ওরা থাকে পাহাড় জঙ্গলে ঘেরা মফস্বল শহরে। মা ব্যস্ত ঘরের কাজে। আঁকাবাঁকা পথের পাশে পাহাড়ি টিলায় মানুষের বাড়ীর আঙ্গিনায় লাগানো নানা রকমের ফুলের গাছ করবী, জবা, হাস্নাহেনা, রঙ্গন, গোলাপ আরো কত যে ফুলগাছ। নানারকম ফুলে ভরে গেল ফুলের সাজি। তারপর হঠাৎ মনে পড়ল বিলের ধারে কৃষ্ণচূড়া গাছের সারি। চলল দুজন বিলের ধারে।
দুজনের চক্ষু চড়কগাছ, বিলের বুকে অজস্র ভেলা। পাহাড় থেকে বাঁশ কেটে নিয়ে আসছে চাঁনমিয়া তার দলবলসহ। সে এক অপরূপ দৃশ্য। মাইলেখানেক জায়গা জুড়ে শুধুই বাঁশের ভেলা। কোনটাতে আবার রান্নাও হচ্ছে। নিমেষেই খুশির ঢেউ বয়ে গেল দুজনের মনে। আজ সকালে নাস্তার সাথে দইচিড়া চলবে। ফের ছুটল বাড়ীর দিকে। হাতমুখ ধুয়ে পড়তে বসে গেল। ঘন্টাখানেক পড়ার পরে খেতে ডাকলেন মা।
টিলার উপরে থাকত চাঁনমিয়া। বাঁশের ব্যবসা ছিল তার। দুর পাহাড়ের উপড় থেকে বাঁশ কেটে স্তুপ করে ভেলার মত একসাথে বাঁধত। উপড়ে নৌকার মত ছাউনী দিত। একে বাঁশের ভুর বলা হত। যখন নদীপথে নেমে আসত মাইলখানেক জুড়ে শুধু ভুরের ভর দেখা যেত। মহিষের দুধ বাঁশের চোঙায় ভরে নদীর পানিতে বেশিরভাগটা ডুবিয়ে রাখত। তিন চারদিন পরে যখন শহরের ঘাটে এসে ভিড়ত ৪/৫ কেজি মিস্টিদই বাড়ীতে দিয়ে যেত। উপড়ে ঘিয়ের স্তর আর মাখনের মত নরম দই খেতে কিযে অপূর্ব স্বাদ। মনে পড়লেই জিভে জল এসে যায়।সারাদিন ধরে ভাইবোন মিলে সেই দই খাওয়া হত।
আবার মাও ঘরে দই বসাতেন। ৮-১০ সের গরুর দুধ কিনে জ্বাল দিয়ে ৫ সের হলে চিনি দিয়ে আবার জ্বাল দিয়ে টকদই মাখানো মাটির হাঁড়িতে ঢেলে দিতেন। উপরেও কিছু টকদই ছড়িয়ে দেন মা। মিশু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখে। পরদিন দুপুরেই তৈরী হত ঘরে পাতা দই।
নাস্তা শেষে চলল বাগানে। টুনটুনি পাখির বাসা ছিল বাড়ীর পিছনের ঝোঁপে। দুটো পাতা সেলাই করে তার ভিতরে তুলা দিয়ে তৈরী হত বাসা। রোজ সেখানে হানা দিয়ে ডিমের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করত দুজন। আর জল্পনা কল্পনা চলত কবে ডিম থেকে ছানা বেরুবে। তারপর পাশাপাশি ঠায় দাড়িয়ে থাকা পেয়ারা গাছে উঠে দুলতে শুরু করল দুজন। হঠাৎ লাফ দিয়ে মিশু খোকনের গাছে আর খোকন মিশুর গাছে চলে আসে। পড়ে গেলে হাত পা ভাঙ্গতে পারে সে ধারণাই নেই কারো। এটা ওদের একটা মজার খেলা। দস্যিপনা আর কাকে বলে।
কখনো ছোটে বিলের ধারে। জোঁকের ভয়ে পানিতে নামা হতনা। অন্যরা শাপলা শালুক তুলে দিত ওদের। সারাদিন বনবাদাড়ে দাবড়িয়ে বেড়ায় দুজন। কি সুন্দর মুক্ত স্বাধীন জীবন। মেলা থেকে ছুরি কিনে কোমড়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। সাথে লবন মরিচের গুড়া মেশানো পুঁটলি। গাছে উঠেই আম, জাম পেড়ে লবন মরিচ মাখিয়ে যত্ত খুশি খাও।
স্কুল খোলা থাকলে নাস্তা করে বই খাতা হাতে নিয়ে খালি পায়ে স্কুলে যাওয়া। স্কুলে কারো পায়েই জুতা ছিল না। জুতা শুধু বেড়াতে যেতে পরা হত। রাতে হারিকেনের আলোয় পড়ালেখা চলত। বাল্যশিক্ষা, ধারাপাত এইসব আরকি। ক্লাস ৫/৬ এ উঠার পর চার পাঁচজন মিলে স্কুলের লাইব্রেরী থেকে গল্পের বই এনে পাল্টাপাল্টি করে পড়া হত। টুকরা কাপড়, মাটি দিয়ে নিজেরাই পুতুল বানিয়ে জুতার বাক্সে ঘর বানিয়ে খেলত মিশু। মেলা থেকে মাটির হাঁড়ি পাতিল কিনে সারাবছর রান্নাবান্নার কাজ চলে যেত। খোকন বৃষ্টি নামলেই বন্ধুদের সাথে জাম্বুরা দিয়ে ফুটবল খেলত।

মাইলের পর মাইল ছিল আনারস কমলার আম কাঁঠালের বাগান। আরো কত রকমের ফলই না ছিল বাগানে। ভাইবোন সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে সারাদিন বাগানে পড়ে থাকত। দিনের মধ্যে কতবার যে পুকুরে সাতাঁর কাটত মা ভাবতেও পারতেন না। আজ এই ৬০ বছর বয়সে এসে ছেলেবেলার নানারঙের সেই দিনগুলির কথাই কেবল মনে পড়ছে মিশুর। এতগুলি বছর ধরে ইটসিমেন্টের এই শহরে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছেন তিনি। নাতি নাতনিদের দিকে তাকালে বুকটা হুহু করে উঠে। ওদের কোন শৈশব বলে কিছুই নেই। স্কুল বাসা আর টিভি কম্পিউটার গেম। স্বাধীন জীবন কাকে বলে ওরা জানলোই না। এতকাল এসব কথা ভাবার সময় পাননি। স্বামী মারা যাবার পর বড্ড একা লাগে। ছেলেবেলার কথা কেবলই মনে পড়ে যায়। বুক চিরে একটা দীর্ঘনিশ্বাস বের হয়ে আসে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28955838 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28955838 2009-05-26 09:31:53
আইফোনে এখন থেকে স্কাইপ ব্যবহার করা যাবে
স্কাইপ বলেছে যে আইফোন ইউজাররা ওয়াই ফাই এর মাধ্যমে এর ইন্টারনেট টেলিফোনি সার্ভিস দিয়ে কল করতে পারবে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার না করেই। স্কাইপের ভিওআইপি এপ্লিকেশন এপেলের আইটিউন ষ্টোর থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এই সার্ভিস স্কাইপ ইউজারদের কাছে বিনামূল্যে কল করতে দিবে কিন্ত অন্যরা যারা স্কাইপে ইউজার না তাদের কাছে কল করতে টাকা লাগবে। তাদের ট্রুফোন £২৫ মাসিক পে'র মাধ্যমে আনলিমিটেড ভিওআইপি কল করতে পারবে মোবাইলে ও ল্যান্ডলাইনে ৬৪টি দেশে। ভয়েসগুলো ডাটা হিসাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠানো হবে।
সুত্রঃ বিবিসি নিউজ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28947395 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28947395 2009-05-07 10:17:50
৬০ টি ফ্রি এএসপি.নেট ইউজার ইন্টারফেস কন্ট্রোল
এএসপি.নেট ডেভেলপারদের জন্য সুখবর। ৬০ টি ফ্রি এএসপি.নেট ইউজার ইন্টারফেস কন্ট্রোল পাওয়া যাচ্ছে ডেভএক্সপ্রেস.কম ওয়েবসাইটে। রেজিস্ট্রার করার পরে কনফার্মেশন লেটার অনুযায়ী আপনার একাউন্ট টি একটিভ করতে হবে। তারপরেই আপনি বিভিন্ন কন্ট্রোল, টুলস ডাউনলোড করে ইন্স্টল করতে পারবেন প্রোজেক্টে ব্যবহার করার জন্য।
লিন্ক: http://www.devexpress.com/Products ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28946539 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28946539 2009-05-05 09:09:54
সর্বকালের সেরা কম্পিউটার ইন্টারফেস
সম্প্রতি বষ্টনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কম্পিউটার হিউম্যান ইন্টারেকশান ২০০৯ কনফারেন্স। সারা বিশ্বের কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের মিলনমেলা জমেছিল বেশ। আর এখানেই জানা গেল মাল্টিটাচ স্ক্রীন ইন্টারফেসের খবরটি। সেই ১৯৫০ সালে কমান্ডলাইন ইন্টারফেস দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। তারপর এসেছে মাউস, জয়স্টিক সবশেষে টাচপ্যাড, টাচস্ক্রীন। আর এখন এপেলের আইফোন, মাইক্রোসফটের সারফেস নিয়ে এল মাল্টিটাচস্ক্রীন। ম্যাকবুক ও উইন্ডোজ ৭ এর জন্যও এই প্র‍যুক্তির কথা ভাবা হচ্ছে এখন। আবার অনেক সেলফোন নির্মাতারাও এই সুবিধা দিতে যাচ্ছে। এতে কম্পিউটারের ব্যবহার আরো সহজ হবে, সবার জন্য খুলে যাবে নতুন দিগন্ত।
মাল্টিটাচস্ক্রীনঃ

এটা এমন একটা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কম্পিউটার ইউজাররা একসাথে একাধিক আঙ্গুল দিয়ে গ্রাফিকাল এপ্লিকেশন কন্ট্রোল করতে পারবে। এরজন্য দরকার হয় টাচস্ক্রীন বা টাচপ্যাড, একাধিক সিমুলেশন টাচপয়েন্ট নির্ধারণ করতে পারে ও সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারে এমন সফটওয়্যার। এই পদ্ধতিতে একসাথে অনেকগুলো টাচপয়েন্ট রেকগনাইজ করতে পারে কম্পিউটার। এটা অনেকগুলো মাধ্যমথেকে মাল্টিটাচ সনাক্ত করতে পারে যেমন- আঘাত, আঙ্গুলের ছোঁয়া, উচ্চ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা, ইনফ্রারেড রশ্নি, অপটিক ক্যাপচার, টিউনড ইলেক্ট্রোমেগনেটিক ইনডাকশন, আলট্রাসনিক রিসিভার, লেজার রেন্জফাইন্ডার ও স্যাডো কেপচার।
এরজন্য অনেক এপ্লিকেশন আছে যেমন- এপেলের আইফোন, আইপড টাচ। এপেলের ম্যাকবুক ও ম্যাকবুক প্রো, মাইক্রোসফট সারফেস, আসুস ইইই পিসি ও মেইজু এমএইট। আধুনিক মাল্টিটাচস্ক্রীন সিঙ্গেল ও মাল্টিটাচ দুটোই সাপোর্ট করে। এর মাধ্যমে মোবাইলে ভিডিওগেম খেলা যায় আবার একাধিক জায়গার জন্য জিপিএস কি ইউজ করা যায়।

সুত্রঃ টেকনোলজি রিভিউ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28946123 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28946123 2009-05-04 10:58:08
মাছরাঙা
প্রখর সুর্যালোকে ছড়াও রূপের আগুন
রঙধনুর রঙের আবির মাখা তোমার পালকে
দুচোখে কাজল আঁকে ভোরের শিশির
তোমার অনন্ত প্রাণচন্চল দেহে চির ফাল্গুন।

যখন সভ্যতার শীর্ষদেশে আছড়ে পড়ে উর্মীদল
জলপরীদের অন্তরের গহীনে জ্বালাও বাসনা প্রদীপ
অনাদিকালের বিস্মিত সুখ আঁকো ঠোঁটের উপর
হৃদয়ের গোপন ভাঁজে লুকাও সাত সাগরের জল।

শতবছরের ধ্যানমগ্ন সন্ন্যাসীর মতো একাগ্রচিত্ত
দৃষ্টির প্রান্তসীমায় আলোড়িত বর্ণিল মাছ
রক্তে বান ডাকে সুনীল অতল জলের আহবান
হাতছানি দিয়ে ডাকে ঢেউয়ের কারুকাজ।

অকুতোভয় যোদ্ধার মতো কঠোর সংগ্রামী জীবন
বিক্ষুব্দ ঢেউয়ের বুক চিরে করো খাদ্যের সন্ধান
শত প্রতিকূলতায় অনুপ্রেরণা যোগাও টিকে থাকার
স্বীয় মাধুর্যে সর্বদাই থাকো চির অম্লান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28946109 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28946109 2009-05-04 09:52:56
সোনালী প্রভাত
জ্যোতির্ময় ঈন্দ্রজালে সমর্পিয়া প্রাণ
রবির কিরণ যেন শিখা অনির্বাণ
জীবনের জয়গান আঁকো অনন্ত তিমিরে
অফুরন্ত আনন্দের নিস্তব্ধ গভীরে।

সুনীল আকাশে শুভ্রস্রোত বলাকার
পদচিহ্ন রেখে গেল সুদূর যাত্রার
নিশার স্বপন টুটে পাখীদের গানে
মৃদুমন্দ বায় আর নদীর কলতানে।

অরুন আলোয় ধরা উজ্জ্বল বিন্যাসে
মূর্তি লভি অমূর্তের অপূর্ব উদ্ভাসে
সত্যের দ্বীপ্তিতে ঘুচে অমানিশার অন্ধকার
হতাশার শৃংখল ভাঙ্গি অন্যায়ের প্রতিকার।

শতপুস্প প্রস্ফুটিত সূর্য-স্নেহ-করে
অপরূপ চিত্রখানি অনন্ত অম্বরে
নৈশব্দের অবগুন্ঠন খুলি হয়ে আত্মহারা
ছড়ালে অগম্যের দিব্য রশ্নিধারা।

শান্তির বারতা লয়ে আলোক-গন্ধার সুরভীস্নাত
রৌদ্রকরোজ্জ্বল হে সোনালী প্রভাত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28945753 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28945753 2009-05-03 11:43:18
বিমুগ্ধ গোধুলী
এলো গোধুলী রাঙিয়ে ধরণী ঘন আবিরের রাগে
সূর্যাস্তের পথটি বেয়ে কৃষ্ণচূড়া শাল পিয়ালের বাগে
কালপুরুষের সিংহদ্বারের ওপার থেকে
'ফুরাবে বেলা এমনিতরো সাঙ্গ হবে খেলা'
অস্তাচলের রবির কিরণ বলছে আমায় ডেকে।

দিগন্ত রেখায় মর্মরিয়া কাঁপে অব্যক্তের রোদন
সৃষ্টির অপার রহস্যলোক করি অন্বেষণ
বর্ণিল পুস্পের সুগন্ধে করে ত্রিভুবন মাতাল
গভীর চৈতন্যলোকে রচে আপন ঈন্দ্রজাল
কিভুলে এতকাল স্রষ্টা তোমারে রয়েছি ভুলে
অন্তরতল মন্থন করি বিস্মরণের কুলে।

রক্তিম অবগুন্ঠনে ধরণী পড়িছে ঢাকা
জীবন সায়াহ্নের বিমূর্ত চিত্র আঁকা
তীব্র অনুভবে গ্রাসে বোধহীন ক্ষণ
সেই রুক্ষ বিলাস হীন কষ্টের লগন
সফলতা ব্যর্থতার হিসাবের খাতা খুলে
জাগিল শন্কা বাজিল ডন্কা বক্ষহিন্দোলে।

শব্দার্থ:
রাগে=রঙে, বাগে = বাগানে, বনে। কালপুরুষ = আকাশের কিছু তারা মিলে মানুষের আকারে দেখা যায় বলে একে কালপুরুষ বলে।
সিংহদ্বার = প্রধান ফটক। মর্মরিয়া কাঁপে = মর্মর শব্দে কাঁপে, অব্যক্তের = যা বলা হয়নি। রোদন = কান্না। অন্বেষণ = খোঁজা । বর্ণিল = নানা রঙে রঙিন। চৈতন্যলোক = চেতনার বা মনের জগৎ।
ঈন্দ্রজাল = মায়াজাল। অন্তরতল = মনের গভীরে। মন্থন = সেঁচে। বিস্মরণের = ভুলে যাওয়া স্মৃতি। কুলে = তীরে। ধরণী = পৃথিবী। অবগুন্ঠনে = ঘোমটার আড়ালে। জীবন সায়ান্হে = জীবনের শেষ সময়ে। বিমর্ত = যা প্রকাশ পায়নি এমন। গ্রাসে = ছিনিয়ে নেয়। লগন = সময়, কাল। শন্কা = ভয়। ডন্কা= ঢাকের শব্দ। বক্ষহিন্দোল = বুকের মাঝে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28945452 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28945452 2009-05-02 18:05:19
উইন্ডোজ এক্সপিতে ভার্চুয়াল মেমরী সমস্যার সমাধান ১. প্রথমে সমস্যাটা কোথায় সেটা খুঁজে বের করুন-
Control-Alt-Delete চেপে টাস্ক ম্যানেজার এ যান। এখন প্রোসেস ট্যাব এ ক্লিক করুন। এখানে বর্তমানে চলছে এমন সব এপ্লিকেশনের লিস্ট দেখতে পাবেন। কোন প্রোগ্রাম কত মেমরি ইউজ করছে তা দেখতে পাবেন। ভিউ মেনুতে গিয়ে কলাম সিলেক্ট করুন।

'ভার্চুয়াল মেমরী সাইজ' চেকবক্সে ক্লিক করে চেক দিন।

এখন টাস্ক ম্যানেজারে ভিমসাইজ কলাম দেখতে পাবেন।

ভিএমসাইজ কলামের উপরে ক্লিক করলে বড় থেকে ছোট সাইজ আকারে দেখা যাবে। বেশী মেমরী ইউজ করছে এমন কম প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিন। এরপর সেই প্রোগ্রাম আনইন্স্টল করে আবার রিইন্স্টল করতে পারেন যদি দরকারী প্রোগ্রাম হয়, তাদের অনলাইন ভেন্ডরের সাথেও কথা বলে দেখতে পারেন। এবার উইন্ডোজ রিস্টার্ট করুন।

২. টেম্পরারি ফাইল ডিলিট করে দেখতে পারেন:
* স্টার্টে যান ও 'অল প্রোগ্রাম' সিলেক্ট করুন

* সিলেক্ট Accessories->System Tools ->Disk Cleanup। যদি ড্রাইভ সিলেক্ট করতে বলে তাহলে 'সি' ড্রাইভ সিলেক্ট করুন।
* ডিস্ক ক্লিনআপ উইন্ডো আসবে ও টেম্পরারি ফাইল মুছে দিলে কতটুকু জায়গা খালি হবে সেটা দেখাবে। সব ধরণের টেম্পরারি ফাইলের বক্সে চেক করুন ও 'ওকে' বাটনে ক্লিক করুন:

ভিউ ফাইলস বাটনে ক্লিক করে আপনি সব টেম্পরারি ফাইল দেখতে পাবেন। যেগুলো মুছতে চান না সেগুলো রাইট ক্লিক করে আনচেক করতে পারবেন। ডিস্ক ক্লিনআপ উইন্ডো জানতে চাইবে আপনি সত্যিই ক্লিন করবেন কিনা। ইয়েস বাটনে ক্লিক করুন। সব ফাইল মুছা শেষ হলে উইন্ডোটি নিজ থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে।

৩. উইনডোজ যখন রান কবে তখন সে আপনার রেম এর সাথে সি ড্রাইভের একটা নিদিষ্ট অংশ কে ভাচুয়াল ম্যমোরি হিসাবে ব্যবহার করে যা আপনার পিসিকে রাম এর উপর চাপ কমিয়ে পিসিকে গতিশিল রাখে। আপনার সমস্যা সমাধানে সি ড্রাইভে কিছু যাযগা খালি করুন এবং My Computer রাইট ক্লিক করে Properties এ জান এখান থেকে Advance>Perfomance> Seting>advance>Virtual Memori> Change Customize Size ok করে বেরিয়ে আসুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28944471 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28944471 2009-04-30 10:32:22
শব্দ বিভ্রাট রেখে গেল ভান্ডারেতে শব্দ অফুরান,
তাঁদের দয়ায় আজকে মোরা শব্দ নিয়ে খেলি
সাহিত্যেরই অঙ্গনেতে ফেলছি পদধুলি।

শব্দ দিয়ে বানাই ছড়া, ছন্দে মালা গাঁথি
কাব্য নিয়ে হাস্যরসে উঠি সবাই মাতি,
সৃষ্টিসুখের উন্মাদনায় উচ্ছাসে উঠে কাঁপি
তাইতো আমি বসব এবার খুলে কথার ঝাঁপি।

শব্দ দিয়ে কাব্য গড়া নয়তো সহজ কাজ
লিখতে গিয়ে ভাবছি বুঝি মাথায় পড়ে বাজ,
মনের ভিতর উথালপাথাল ভাবনা এলো কতো
অবশেষে কবিতাটি হল মনের মতো,
ছন্দবৃত্তের বাইরে এসে গদ্যভাব মিলিয়ে ঠিক
পদ্যখানি আমার হলো যেন আধুনিক।

খুশীমনে যেইনা আমি কবিতাটি ছাপি
লাগলো ভালো অনেকেরই আমার কথার ঝাঁপি,
মনের সুখে কেউ উঠল হেসে, কেউবা ফোঁসে রুদ্ররোষে
র্ভৎসনা আর তিরস্কারে লজ্জা দিল বারেবারে।

আমি তখন,
পা পিছলে গভীর জলে-সমুদ্দুরের অতল তলে
কোত্থেকে ভাই কিযে হল, চোখদুটি তাই ছলছল
ভাবছি বসে,
কাব্য করা নয়তো সোজা, অপবাদের বিরাট বোঝা
চেপে বসবে অমনি ঘাড়ে, লজ্জা পাবে বারেবারে।

হৃদয় যতোই হোকনা ব্যকুল, ছন্দে ভরুক মন
আশংকাতে বুকের ভিতর ডংকা বাজবেই অনুক্ষণ,
নাইবা থাকুক হাতে সময়, ছন্দ শব্দ ভালকরে দেখ মিলিয়ে
নইলে অপবাদের ঢেঁকি তোমায় দেবেই গিলিয়ে।

বাংলাভাষার শব্দগুলো নয়তো তোমার একার
রুদ্ররোষে কেউ ফোঁসার আগে তাই দরকার মিলিয়ে দেখার,
নইলে এসে চেপে ধরবে টুঁটি
সাধ্য কি আর এ জন্মে আমার ছন্দের পাপড়ি মেলে ফুটি!
স্বাধীন দেশের লোকযে মোরা মেধা মননে
সংকীর্ণতাই কেনই হারাই, কেনইবা পুড়ি আত্মদহনে,
খুলতে হবে অন্ধকারের বন্ধ কপাট, দুর হোক যত শব্দবিভ্রাট।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28912390 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28912390 2009-02-17 12:49:41
প্যালেস্টাইনে বিপন্ন মানবতা
ভূ-মধ্য-সাগরের তীর জুড়ে থাকা
হে প্যালেস্টাইন,
বহুকালের নির্মম পড়ন্ত সূর্যের অতৃপ্ত ছায়া ঠেলে
আনতে চেয়েছ ভাগ্যাকাশে নতুন ভোরের সূর্যোদয়
ভাগ্যে জোটেনি কভু স্থির নীরব সুশান্ত সময়
হিংস্র শ্বাপদেরা করে ক্ষতবিক্ষত তোমার আলয়।

মানবতা আজ লান্ছিত, বিপন্ন তোমার কোলে
দূর্বৃত্তেরা ছিনিয়ে ভূমি রক্তের হোলি খেলে
বহুবার হয়েছ ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতায় আক্রান্ত
তবুও কখনো মানসিক বৈপরীত্যের ছিলনা বিভেদ
ইসলামের শান্তির পতাকাতলে ছিলে সবাই এক
ইতিহাসের দীর্ঘ পরম্পরায় নবী-রাসূলদের আবাস
ফুলে ফলে ভরা খুবই সমৃদ্ধ একটি দেশ।

ইসলামের ঝান্ডা উড়িয়ে বিশ্বকে আলোকিত করার জন্য
চিরকালের পূণ্যভূমি তুমি নবী-রাসূলদের স্মৃতি ধন্য
ইবরাহীম, ইসমাইল, ইয়াকুব, ইউসুফ, জাকারিয়া,
লুত, দাউদ, সোলাইমান, সালেহ, ইসা (আ.) ও ইয়াহইয়া,
একদা তাঁদের পদ-ভারে মুখরিত ছিলে অবিরল
এখনো সেই পূণ্যস্মৃতি বিশ্বমাঝে অম্লান সমুজ্জ্বল
হে প্যালেস্টাইন আজও নবীদের পুন্যভূমি
আজও বিশ্বে মুসলিম উম্মাহর আছে
তোমার ভূমির সাথে নিবিড় আত্মিক সম্পর্ক।

আজ এ ভূমির বৈধ ও একমাত্র উত্তরাধিকারীর দাবীদার
হতে চায় ইহুদি জাতি তথা বনী ইসরাইল
কেড়ে নেয় ভূমি, নতুন নামকরণ করে ইসরাইল
আরম্ভ করেছে খুন ও আর রক্তের উন্মত্ত হোলি খেলা
বর্ণবাদী দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য করছে লড়াই।
ফিলিস্তিন আজ শুধু জীবন রক্ষার তাগিদে দিচ্ছে পাল্টা জবাব
ইসরায়েলী স্নাইপাররা ঠান্ডা মাথায় করছে ফিলিস্তিনি শিশুদের হত্যা
তাই শুরু হয়েছে পুরো পৃথিবী থেকে যুদ্ধবিরোধী লং মার্চের
মানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসুন... টার্গেট ১ মিলিয়ন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28896288 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28896288 2009-01-12 07:42:29
বাংলাদেশ এক নতুন সূর্যোদয়ের প্রতীক্ষায়
বাংলাদেশ এখন এক নতুন সূর্যোদয়ের প্রতিক্ষায় উৎসবমুখর। এই উৎসব পরিবর্তনের, একটি সুখী সমৃদ্ধশালী দেশকে পাবার আশা আকাংখার। সারা দেশে এখন নির্বাচনী হাওয়া। আমরা উত্তাল নির্বাচন নিয়ে। নির্বাচনের আর মাত্র দুইদিন বাকি। নির্বাচন নিয়ে নানা মেরুকরণ সবসময়ই হয়। এবারও হচ্ছে? চারদিকে চলছে প্রতিশ্রুতির পালা। প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দুয়ারে ভোট প্রার্থনা করতে। যারা কখনই এসব নেতাকে দেখেনি, তারা দেখছে­ এই তাদের সম্ভাব্য প্রতিনিধি। তবে এবার কিছু ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। মানুষ এবার অন্যান্য বারের চেয়ে অনেক বেশী সচেতন প্রার্থী নির্বাচনে। সবাই এবার প্রার্থী সম্পর্কে জেনেবুঝে ভোট দিতে চায় তাদের যারা তাদের হয়ে কাজ করবে। গেল দুবছর একটি ব্যাতিক্রমি সরকার আমাদের দেশ পরিচালনা করেছে। সেখানে আমাদের অনেক আশা ছিল, ছিল অনেক পরিবর্তনের আশ্বাস। তারাও যাথাসাধ্য চেস্টা করেছেন তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে। এবারের নির্বাচনে আমরা তাই উপহার পাচ্ছি একটি সুস্ট সুন্দর পরিবেশ।
১. এবারই প্রথম ভোটার আইডিকার্ড করা হয়েছে জাল ভোট বন্ধ করার লক্ষ্যে। সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশে ভোট দেয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে তাই আশা করা যায় ব্যালেটবাক্স ছিনতাই, জালভোট ও ভোটচুরি হবে না। জনগনের ভোটে সঠিক সরকারই নির্বাচিত করা যাবে।
২. মিডিয়ার প্রশংশা এখন সকল স্তর থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন মিডিয়াগুলি এবার অনেক নির্ভীক নির্বাচনী রিপোর্ট প্রকাশ করছে। বিভিন্ন টকশোতে দেখলাম সরাসরি রাজনৈতিক নেতাদের লোকজনের নানাবিধ প্রশ্নের জবাব দিতে। অনেকসময় তাদের অপ্রস্তুত অবস্হায় পড়তে হয়েছে কিছু বাস্তবস্মত উত্তর খুঁজে পেতে। এছাড়া দুদকের কল্যানে মানুষ নেতাদের প্রকৃত স্বরূপ প্রত্যক্ষ করেছে গত দুবছর ধরে। কারা কি কারণে জেলে গেছেন এখন সবাই সেটা জানে।
৩. সুজনের(সুশাসনের জন্য নাগরিক) পক্ষ থেকে সমস্ত প্রার্থীদের বিশদ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাদের বৈধ, অবৈধ সম্পদের হিসাব, ভাল মন্দ সবধরণের কাজের বিস্তারিত বিবরণ(যা বিভিন্ন দৈনিক সংবাদ পত্র থেকে সংগৃহীত) সহ যা লোকজনকে সঠিক ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে সহায়তা করবে।
৪. বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি আধুনিক তথ্যবহুল ওয়েবসাইট তৈরী করেছে। বর্তমান সবচেয়ে আলোচিত বিষয় আসন্ন সংসদ নির্বাচন এবং নির্বাচন কমিশন নিয়ে প্রায় সকল প্রকার তথ্য পাবেন এই ওয়েবসাইটটিতে। (http://www.ecs.gov.bd)। নির্বাচন কশিনের নির্বাচন বিষয়ে সর্বশেষ আপডেট পাওয়া যাবে এখানে এবং এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত আপডেট করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আসন অনুয়ায়ী প্রার্থীর নাম, প্রার্থীর দলের নাম, নির্বাচনী প্রতীক, ভোটার সংখ্যা, ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা সমস্ত পাবেন এই ওয়েবসাইটটিতে। পাবেন প্রার্থীদের ব্যাক্তিগত তথ্যসমূহও। ভোটার আইডি কার্ড সম্পর্কে যাবতীয় তথ্যসমূহ পাবেন এখানে।
৫. এবারই প্রথম “না” ভোটের প্রচলন হয়েছে। বন্ধ হয়েছে ভোটচেয়ে দেয়াল লিখন। আশা করা যায় এবার সুশৃংখলভাবে ভোট দেয়া যাবে সুন্দর পরিবেশে। এজন্য সরকার বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে।
৬. দিন বদলাচ্ছে, শিক্ষিতের পাশাপাশি অর্ধশিক্ষিত বা অশিক্ষিত জনগণ সবাইকে এবার দেখছি অনেক সজাগ। ৩৭ বছরের ইতিহাস থেকে বিচার বিশ্লেষণ করে ঠিক করবে কাকে ভোট দেবেন আর কাকে দেবে না, কে দেশ চালাবে আর কাকে নেতৃত্ব থেকে অব্যহতি দেওয়া উচিত।
৭. এবার রাজারমুক্ত সংসদ দেখতে চায় সবাই। তাই স্বাধীনতা বিরোধীদের বিপক্ষে অবস্হান সকলের। দেশকে জঙ্গিবাদীদের কবলথেকে মুক্ত করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়। এবার আসুন আমরা শপথ নেই মৌলবাদমুক্ত, জঙ্গিবাদমুক্ত, রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার।

সবমিলিয়ে পাওয়া এই সুবর্ণ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পটভূমি এই মুহুর্তে পরিবর্তন করা সম্ভব। একবার যদি সুস্হ ধারার রাজনীতি দেশে প্রতিস্ঠত করা যায়, তবে অনেক সুযোগ্য নাগরিক আসবে এদেশের রাজনীতিতে এবং যারা রাজনীতিটাকে তাদের ব্যাবসানীতি বানিয়েছিল তারাও হয়তো সে পথ থেকে সরে আসবে। এবার তারা বুঝবে জনগণই সকল ক্ষমতার অধিকারী এবং জনগণের কাছে একদিন জবাবদিহিতা করতে হবে। আসুন এবার নির্বাচনে আমরা সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচন করি যারা দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত করে শান্তি স্হাপন করবে, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করবে। আমরা খুঁজে পেতে চাই আর একজন মাহাথিরকে যিনি দেশ গড়ার কঠিন মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বাংলাদেশের জন্য সত্যিকার অর্থে নিয়ে আসবেন গনতন্ত্রের এক নতুন সূর্যোদয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28888313 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28888313 2008-12-26 19:04:29
আইফোনের জন্য মিউজিক ভিডিও ডাউনলোড
বর্তমান বিশ্বে আইফোন খুবই জনপ্রিয়। সবধরনের মাল্টিমিডিয়া ডিভাইসের সুবিধা একসাথে পাওয়া যায় এই সেলফোনে। আইফোনের জন্য মিউজিক ভিডিও ডাউনলোড করতে আপনার একটা কম্পিউটার থাকতে হবে ভিডিওফাইল হ্যান্ডেল করার জন্য, ভাল স্পিডের নেট কানেকশান থাকলে দ্রুত ডাউনলোড করতে পারবেন। ডায়ালআপ কানেকশান থেকে ডাউনলোড স্লো হবে। আইফোন এমপি৪ ফরম্যাট ইউজ করে তাই ভিডিও এমপি৪ ফরম্যাটে ডাউনলোড করতে হবে। একটা বড় সমস্যা হল নির্ভর‍যোগ্য লিন্ক খুঁজে পাওয়া যেখান থেকে আইফোনের জন্য ভিডিওফাইল ডাউনলোড করা যাবে। সাবধানে থাকতে হবে যেন ডাউনলোড করার সময় কোন স্পাইওয়্যার বা ভাইরাস পিসির কোন ক্ষতি করতে না পারে।
সুখবর হল এর জন্য নির্ভর‍যোগ্য কিছু ওয়েবসাইট পাওয়া গেছে। এগুলিতে জয়েন করার জন্য সামান্য কিছু প্রারম্ভিক ফি দিতে হবে। এরপর আপনি ইচ্ছামতো মিউজিক ভিডিওফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন আপনার আইফোনের জন্য। তারা তাদের রিসোর্স নিয়মিত আপডেট করে থাকে।
১. আইফোন ডাউনলোড রিভিউয়ার্স
২. রাইট স্প্রাইট এর এনিমোটো ভিডিও
৩. গশোনের আইফোনের জন্য তৈরী করা ফ্রি মিউজিক এলবাম
যাদের হাতে ইতিমধ্যে আইফোন এসে গেছে তারা উপভোগ করতে পারবেন মিউজিক ভিডিওগুলো। শুভ বড়দিন...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28887920 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28887920 2008-12-25 21:09:16
থ্রিজির পর এবার লং টার্ম ইভাল্যুশান(এলটিই)
থ্রিজির পর এবার নতুন টেকনোলজি এসেছে লং টার্ম ইভাল্যুশান(এলটিই)। বর্তমানে সেল ফোন ও সহজে বহনযোগ্য ছোট ডিভাইসগুলি মিনি মিডিয়া সেন্টার হিসাবে কাজ করে যেমন গান শোনা, ফটো, ভিডিও, গেম খেলাসহ আরও নানা ধরনের হাজারটা কাজ করে থাকে। এবার সেলুলার সার্ভিসের আরো এক ধাপ উন্নতি হল, লং টার্ম ইভাল্যুশান(এলটিই) নিয়ে এল বর্তমানের চেয়ে ৮০% বেশী হাইস্পিড ডাটা রেট। এর ডাউনলোড স্পিড হবে ১০০এমবিপিএস ও আপলিন্ক স্পিড ৫০ এমবিপিএস। এলটিইর বিশাল ডাটা পাইপ এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন তা ডেক্সটপের মতোই যে কোন কাজ মোবাইল ফোন থেকে করতে পারে। এর নেটওয়ার্কও হবে অনেক বেশী শক্তিশালী এখনকার থ্রীজি নেটওয়ার্ক থেকে। মানুষ তাদের মোবাইল আরো অনেক বেশী সময় ধরে বেশী কাজের জন্য ব্যাবহার করতে পারবে। কারণ এলটিই হল থ্রীজিপিপি স্ট্যান্ডার্ড।
এলটিই প্রধান সুবিধাগুলো হল:
১. আলট্রা এফিসিয়েন্ট প্রসেসরটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে এলটিই ডাটা ফ্লোর চাহিদা মিটানোল জন্য।
২. ১.২৫ মেগাহার্জ থেকে ২০ মেগাহার্জ স্কেলেবিলিটি নেটওয়ার্ক অপারেটরদের এলটিই ক্ষমতার পুরোপুরি সুবিধা দিবে।
৩. মাল্টিমডেল ট্রান্সমিটার অল্পখরচে ফোরজি কন্ট্রোল করতে পারবে।
৪. বেজ স্টেশন মার্কেটে ডিএসপি সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যাবহার করে এলটিই'র বিশাল ডাটা রেটের চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

ফ্রিস্কেল মোবাইলে ৫টা এলটিইর সুবিধা দিচ্ছে:
১. বেসব্যান্ড
২. এ-টু-ডি ও ডি-টু-এ ওয়াইব্যান্ড কনর্ভাটার
৩. ফ্রন্টএন্ড কনর্ভাটার যুক্ত করছে
৪. সফটওয়্যার এক্সপার্টিস
৫. আরএফ এর ভিতরে পাওয়ার এম্প্লিফায়ার এফিসিয়েন্সি
সূত্র: নেট থেকে সংগৃহীত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28887478 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28887478 2008-12-24 23:25:23
ইজিডায়াগ্রাম-এএসপি.নেট ডেভেলপারদের জন্য ওপেনসোর্স ডায়াগ্রাম কন্ট্রোল
ইজিডায়াগ্রাম.নেট হল একটি ফ্রি আজাক্সনির্ভর ওপেনসোর্স ডায়াগ্রাম কন্ট্রোল যা এএসপি.নেট এর জন্য তৈরী করা হয়েছে। এটি খুবই নির্ভর‍যোগ্য ডায়াগ্রাম ইন্জিন যা দ্রুতগতির, সহজে ব্যাবহার করা যায় ও অন্যান্য ডায়াগ্রাম কম্পোনেন্টের পরিপূরক। ইউজারকে এজন্য কোন প্লাগিন ব্যাবহার করতে হবে না। আজাক্স ও জাভাস্কৃপ্টের সাহায্যে এটি তৈরী করা হয়েছে যাতে একেবারেই নতুন ইউজারও খুব সহজেই এটি ব্যাবহার করতে পারে। ডায়াগ্রাম ফিচারগুলি হল:
১. ডাটাবেজ স্কিমা ও ইউএমএল মডেলিং উদাহরণসমূহ
২. বিশাল নোড লকিং ও গ্রুপিং ক্ষমতা
৩. সহজেই টেনে সরানো ও মুছা যায়
৪. সরাসরি আঁকা যায় ও অর্থগোনাল মুড আছে
৫. নোড সেট করা খুব সোজা
৬. লাইন ও নোড কাষ্টমাইজ করা যায়
৭. নোড ষ্ট্যাটাস আপডেট করা যায়]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28886886 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28886886 2008-12-23 21:18:19
ঈদ মোবারক
ব্লগের সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। ভাল থাকবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28880009 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28880009 2008-12-08 10:28:15
কিভাবে ওয়াপ বা মোবাইলের জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করবেন
মোবাইল ওয়েবসাইটগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয় মোবাইল ফোনের মত ডিভাইসে দেখানোর জন্য। আপনি সম্পূর্ন নতুন ওয়েবসাইট বানাতে পারেন আবার আপনার যে নিজস্ব ওয়েবসাইটটি আছে সেটিকে মোবাইল ওয়েবে দেখানোর ব্যবস্হা করতে পারেন। এজন্য কিছু মোবাইল ওয়েবসাইট বিল্ডার আছে যেগুলো আপনাকে এই কাজে সাহায্য করবে। নীচে সংক্ষেপে এগুলো আলোচনা করা হল:
১. মোবিসাইটগ্লোরি : এটা ওয়েব নির্ভর একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বিল্ডার যা একজন নতুন ইউজারকেও দ্রুত ও সহজেই একটা ফুলফিচার্ড ওয়েবসাইট বানাতে সাহায্য করবে। মোবিসাইটগ্লোরির মাধ্যমে ইউজাররা কোনরকম টেকনিক্যাল নলেজ ছাড়াই, ওয়েবসাইট তৈরীর কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া মোবাইল ওয়েবসাইট বানাতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা হল এ জন্য তাকে কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড বা ইন্স্টল করতে হবেনা। মোবিসাইটগ্লোরি ইউজারদের পেপাল, গুগল চেকআউট ও বেঙ্গোর মাধ্যমে মোবাইল কমার্সের সুযোগ দেয়। এটি ইউজারদের তাদের সাইটের ট্রাফিক পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেয় গুগল এডসেন্সের সহায়তায়।
২. ওয়্যারনোড : এটা একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বানানোর টুলস। ওয়্যারনোডের সাহায্যে ইউজার যে কোন ওয়েবসাইটকে ৫ মিনিটের মধ্যেই মোবাইল ভার্সনে পরিনত করতে পারে। ইউজারকে শুধু আরএসএস ফিড নির্বাচন করে প্লাগিনের মতো ইউজ করে নাম পরিবর্তন করে পাবলিস করে দিতে হবে। এটা ব্যবহার করে আপনি অনেকগুলো পেজের সাইট তৈরী করতে পারবেন, ছবি সেট করতে পারবেন, গুগল থেকে সার্চ দিয়ে ছবি নিয়েও সাইটে লাগাতে পারবেন, টেবিল অফ কন্টেন্ট ও সাধারণ টাইপের উইডগেট সেট করতে পারবেন আপনার সাইটে।
৩. মাস্টারিং গ্রেইলস : এটা আধুনিক ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক যা জাভা টেকনোলজির সাথে যুক্ত। মাস্টারিং গ্রেইলস দিয়েও মোবাইল ওয়েবসাইট তৈরী করা সম্ভব।
৪. টিউটোরিয়াল : এটা আপনাকে বলে দিবে কিভাবে ৫ মিনিটের মধ্যেই মোবাইল ওয়েবসাইট বানাবেন বা আপনার ওয়েবসাইট, ব্লগ বা ফোরামটিকে ওয়াপ সাইটে রূপান্তরিত করবেন।
৫. ওয়াপেল কেনভাস টিএম জেস্ট: এটা একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বানানোর টুল যা ৩১শে মার্চ ২০০৮ এ উন্মোক্ত করা হয় সবার জন্য। ওয়াপেল কেনভাস টিএম জেস্ট ব্যবসায়ী, মোবাইল কমার্স, মোবাইল স্টোর, খবর, তথ্য আদান প্রদান এবং মোবাইল এডভার্টইজমেন্টের জন্য উপযোগী।
এবার আপনি পছন্দসই যে কোন একটির সাহায্যে আপনার মোবাইল ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন খুব সহজেই।
সূত্র: নেট থেকে সংগৃহীত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28876884 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28876884 2008-12-01 20:07:07
অনলাইন ব্যাংকিং - নিরাপত্তার কিছু দিক
অনলাইন ব্যাংকিং আপনার আর্থিক লেনদেনকে অনেক সহজ করে দেয়। আপনি আপনার ব্যাংকের ওয়েবসাইটে গিয়ে লগইন করবেন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজগুলো অফিসে বা ঘরে বসেই সারতে পারবেন। এতে আপনার সময় বাঁচবে ও ঝামেলা কমে যাবে। ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও এড়ানো যায় সহজেই। আপনি স্ট্যানডিং অর্ডারগুলো সেটআপ করতে পারবেন, ব্যাবসায়িক লেনদেনের জন্য অন্য লোকের একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন, চেকবুকে অর্ডার করতে পারবেন। এমনকি সাধারণ লেনদেনের বাইরেও কিছু বাড়তি সুবিধা দিয়ে থাকে অনলাইন ব্যাংকগুলো। এইজন্যই অনলাইন ব্যাংকগুলো সারা পৃথিবীতে এত জনপ্রিয়। বিশ্বজুড়ে ক্রিমিনালদের আক্রমনের প্রধান লক্ষ্যবস্তও এটি। আমরা আজকে কিছু প্রধান ক্রিমিনাল এ্যাটাক ও কিভাবে প্রতিহত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করব।
১. ফিসিং পদ্ধতি- আপনার ব্যাংকে ক্রিমিনালদের একাউন্ট থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে কিন্তু এরা আপনাকে এই মর্মে ব্যাংক থেকে চিঠি পাঠাবে যেন আপনার একাউন্টের নিরাপত্তার জন্য জরুরী আপনার ব্যাংকিং ডিটেইলস আপডেট করা প্রয়োজন। এরা আপনাকে ভয় দেখিয়ে কাজ উদ্ধার করতে চাবে। ডিটেইল তথ্য হাতে পাওয়ে মাত্র এরা আপনার সব টাকা উঠিয়ে নিয়ে যাবে।
২. ডিটেইল আপডেট করার জন্য মেইল আসবে তাতে আপনার ব্যাংকের ঠিকানার মতো কাছাকাছি ঠিকানা দেয়া থাকবে। যেমন - http://www.theweebank.com হল আপনার ব্যাংক এড্রেস কিন্তু ওরা কাছাকাছি এড্রেস পাঠাবে যেটি দেখতে হুবহু একই রকম http://www.thevveebank.com। এখানে w' র পরিবর্তে দুটো ভি বসানো আছে যা হঠাৎ করে চোখে পড়বে না।
৩. থার্ডপার্টি কোন সফটওয়্যার পিসির কন্ট্রোল নিয়ে নিতে পারে।
৪. ভাইরাস, স্পাম, স্পাইওয়্যার প্রভৃতি পিসির ক্ষতি করতে পারে।
৫. কম্পিউটার হ্যাক হতে পারে।
৬. ফ্রেমিং - কনফিডেনসিয়াল একসেস কোড চুরি করার এটা আরেক উপায়। এটা ইউজারকে ভুল সারভারে রিডাইরেক্ট করে দেয়। আপনার পিসির হস্ট ফাইল থেকে ডোমেইন নাম চুরি করতে পারে এরা, বা ডোমেইনের নাম রেজ্যুলুশন আছে এমন ডিএনএস সার্ভারে ম্যানিপুলেট করতে পারে।

কাস্টমার রা যখন অনলাইনে নিয়মিত তাদের ব্যালেন্স চেক করেন, নেটে থাকেন তখন সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ অনলাইন ব্যাংকিংয়ের জন্য কি করবেন:
১. সিকিউরিটি সফটওয়্যার ইন্সটল করুন ও নিয়মিত আপডেট করে পিসি স্ক্যান করুন। পার্সোনাল ফায়ারওয়াল আপনার পিসিকে অধিক সুরক্ষিত রাখবে। ভাল এন্টিভাইরাস, এন্টস্পাইওয়্যার ব্যবহার করুন।
২. সেনসিটিভ ডাটা কোথাও পাঠাতে হলে প্রোটেক্ট করে পাঠান। আপনার পিন নাম্বার ও দরকারী তথ্য তখনই দিবেন যখন আপনি নিশ্চত যে আপনি ব্যাংকের নিরাপদ ও সুরক্ষিত পেজে আছেন। সেইসাথে ইন্টারনেটে ব্যাংকের ঠিকানাটা ভালভাবে চেক করে নিন।
৩. কার সাথে যোগাযোগ করছেন নিশ্চিত হয়ে নেবেন কোন লেনদেন করার আগে। ব্যাংকের ঠিকানা এড্রেসবারে ভালমতো বানান চেক করে নিন। ব্রাউজার প্রেরিত সিকিউরিটি তথ্য যেমন সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন চেক করুন। ইন্টারনেট সাইটের নাম ও সিকিউরিটি সার্টিফিকেটে দেয়া নাম একই আছে কিনা যাচাই করে নিন। বিশ্বস্ত সার্টিফিকেশন অথরিটি সম্পর্কে ব্যাংকে খোঁজ খবর নিন। যে কোন ধরনের ফিসিং বা পাসওয়ার্ড ফিসিং পরিহার করুন। ফ্রেমিং পরিহার করুন। আপডেটেড এন্টিভাইরাস ও ফায়ারওয়াল আপনাকে এই কাজে সাহায্য করবে। তাই ফায়ারওয়াল, পপআপ ব্লকার ও স্পাইওয়্যার ডিটেকটর ইন্স্টল ও ব্যাবহার করতে হবে।
৪. সেনসিটিভ ডাটা ও একসেস মিডিয়া সম্পর্কে সচেতন থাকুন। অবান্ছিত একসেস থেকে পিন, চিপকার্ড প্রোটেক্ট করুন। অনলাইন মানি সার্ভিস বা শপিং করার সময় সতর্ক থাকুন এধরনের ডাটার ব্যাপারে। আপনার হার্ডড্রাইভে পিন নাম্বার, একসেস কোড বা ক্রেডিট কার্ড নাম্বার সংরক্ষণ করবেন না। শুধুমাত্র ব্যাংকের সাথে লানদেনের সময় পিন, একসেস কোড ইউজ করুন। আপনার একাউন্ট লেনদেনের সময় কোন কারনে ব্লক হয়ে গেলে ব্যাংকে তাড়াতাড়ি জানান।
৫. সবসময় সেফ, সিকিউর ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করুন। ভাল পাসওয়ার্ড ৬ থেকে ৮ কেরেক্টারের হয় ও অক্ষর আর নাম্বারের কম্বিনেশন হয় যাতে সহজে কেউ আন্দাজ করতে না পারে।
৬. ইমেইল ফিল্টার ব্যাবহার করতে হবে স্পাম ব্লক করার জন্য।
৭. না বুঝে কোন সফটওয়্যার বা ইমেইল এটাচমেন্ট ডাউনলোড করা যাবেনা।
৮. আপটুডেট প্রোগ্রাম ভার্সন ব্যবহার করুন। সফটওয়্যার ম্যানুফেকচাররা বাগ ফিক্সিং ও প্যাচেস তৈরী করে নিরাপত্তার জন্য। এগুলো ঠিকমতো ও নিয়মিত ইন্সটল করুন।
৯. আপনার পিসিতে নিয়মিত সিকিউরিটি চেক রান করুন।
১০. ব্রাউজারের সিকিউরিটি সেটিংস এক্টিভেট করুন।
১১. আপনার বর্তমান একাউন্ট টি বাজে বা ভুল লেনদেনের জন্য ইউজ করবেন না।
কিভাবে জরুরী অবস্হা মোকাবেলা করবেন সেটা জেনে নিন:
*কোনরকম সন্দেহ হলে অনলাইন শপিং, ব্যাংকিং ও অন্যান্য বিষয় যেগুলোতে ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড ও অন্যান্য সেনসিটিভ তথ্য দিতে হয় সব বন্ধ করে দিন।
*সিকিউরিটি সফটওয়্যার আপডেট করে কম্পিউটার স্কেন করুন। অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে দিন। তারপর পিসি রিস্টার্ট করুন।
*সত্যি বড় ধরনের কোন ঝামেলা হয়ে গেলে এক্সপার্ট কারো সাহায্য নিতে হবে ডাটা পুনরুদ্ধারের জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28875435 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28875435 2008-11-28 17:57:41
উইন্ডোজ ভিসতায় 'স্লিপ' অপশনকে কিভাবে 'সাটডাউন' এ পরিবর্তন করবেন সম্প্রতি আমার ছোটবোন একটা ল্যাপি গিফট পেয়েছে ডিফল্ট উইন্ডোজ ভিসতা ইন্স্টল করা। তো সেখানে 'সাটডাউন' ডায়লগ বক্সে 'স্লিপ' লেখা দেখে তো ওর মাথা গরম হয়ে গেছে। আমাকে ডেকে পাঠালো ঠিক করে দিতে। আমি নেট ঘেটে এর সমাধান বের করে 'সাটডাউন' লেখাটা বসিয়ে দিলাম। কিভাবে সেটা নীচে দেখুন:
১. কন্ট্রোল পেনেলে গিয়ে 'পাওয়ার অপশনস' ওপেন করুন। বাঁ পাশের কলামের 'চেন্জ হোয়েন দা কম্পিউটার স্লিপস' এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডতে 'চেন্জ এডভান্স পাওয়ার সেটিংস' এ ক্লিক করলে এডভান্স পাওয়ার সেটিংস বক্স আসবে। এখানে 'পাওয়ার বাটন এন্ড লিড' এক্সপান্ড করুন।
২. এবার স্টার্ট মেনু পাওয়ার বাটন এক্সপান্ড করলে আপনি নীচের সেটিংস দেখতে পাবেন:
On battery : Sleep
Plugged in : Sleep
দুটোরই 'Sleep' এ ক্লিক করলে যে ড্রপডাউন বক্স আসবে সেখানে 'সাটডাউন' সিলেক্ট করুন। এখন দেখাবে
On battery : Shut down
Plugged in : Shut down
৩. ওকে বাটনে ক্লিক করুন। টপ রাইট কর্ণারের ক্রস বাটনে ক্লিক করে সব অপেন বক্স বন্ধ করে দিন। স্টার্ট এ গিয়ে সাটডাউনে ক্লিক করলেই দেখবেন যে 'স্লিপ' বদলে গিয়ে সেখানে 'সাটডাউন' লেখা দেখাচ্ছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28873986 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28873986 2008-11-25 15:46:15
নিবেদন
মনিহার আজ পরাব গলে
তাই যদি হয় প্রিয়,
মনি নয় সে যে অশ্রু মুকুতা
বরণ করে নিও।

শুভ্র শেফালি লুটায়ে যে কাঁদে
তব স্নিগ্ধ পরশ তরে,
মালা হয়ে তব মাগিছে পরশ
দুলিতে কন্ঠপরে।

তাই ফুল হয়ে আজি ফুটেছি প্রিয়
কেমনে ভুলিবে তুমি,
মালা হয়ে তব বক্ষে রহিব
সুখ স্বপন রচিব আমি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28873868 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28873868 2008-11-25 11:49:14
ভিসি++ এপ্লিকেশনে ফ্লাশ এনিমেশন যোগ করা ১. ভিজ্যুয়াল সি++ উইজার্ড স্টার্ট করুন। নতুন এমএফসি এপ্লিকেশন প্রোজেক্টের জন্য এপ্লিকেশন টাইপ নির্বাচন করুন ও নাম 'ফ্লাশ ভিউয়ার' দিন টেক্সট বক্সে।
২. 'ডায়লগ বেজড' প্রোজেক্ট টাইপ নির্বাচন করে 'নেক্সট' বাটনে ক্লিক করলে পরের পাতাটি দেখাবে।
৩. এবাউটবক্স, থ্রীডি কন্ট্রোল ও একটিভএক্স কন্ট্রোলস সিলেক্ট করে ফিনিশ বাটনে ক্লিক করলেই নতুন প্রোজেক্ট তৈরী হবে ও সংক্ষেপে কিছু তথ্য দেখাবে প্রোজেক্ট টি সম্পর্কে। এখন ওকে বাটনে ক্লিক করলেই ভিসি++ আইডিই(ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট এনভারমেন্ট) এ প্রোজেক্ট টি ওপেন হবে। এখন আমাদেরকে এপ্লিকেশনটিতে ফ্লাশ ফাইল দেখানোর জন্য কন্ট্রোল টুলবারে 'শকওয়েভ একটিভএক্স কন্ট্রোল' এড করতে হবে।
৪. প্রোজেক্ট মেনুতে গিয়ে 'এড টু প্রোজেক্ট' সাবমেনু সিলেক্ট করতে হবে। এবার 'কম্পোনেনটস এন্ড কন্ট্রোলস' এ ক্লিক করলেই এর গ্যালারিটি দেখতে পাবেন।
এই ডায়লগ বক্সের 'রেজিস্ট্রার্ড একটিভএক্স কন্ট্রোল' এ ক্লিক করলেই একটিভএক্স কন্ট্রোলের লিস্ট দেখাবে।
৫. 'শকওয়েভ ফ্লাশ অবজেক্ট' নামের একটিভএক্স কন্ট্রোলটি খুঁজে বের করে সিলেক্ট করুন ও 'ইনসার্ট' বাটনে ক্লিক করলেই এটি কন্ট্রোল টুলবারে গিয়ে যোগ হবে। এই কন্ট্রোলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ভিসি একটা সি++ ক্লাশ তৈরী করবে। ওকে বাটনে ক্লিক করলেই নতুন 'সিশকওয়েভফ্লাশ' ক্লাশ তৈরী হবে সাথে শকওয়েভফ্লাশ.সিপিপি এবং শকওয়েভফ্লাশ.এইচ ফাইল সহ।
৬. এখন কন্ট্রোল টুলবারে শকওয়েভ ফ্লাশ অবজেক্টটি দেখা যাবে। শকওয়েভ ফ্লাশ অবজেক্ট আইকনে ক্লিক করলে এপ্লিকেশনে এটি ইন্সার্ট করবেন কিনা জানতে চেয়ে একটা ডায়লগবক্স আসবে। ওকে বাটনে ক্লিক করলেই নতুন কন্ট্রোল আপনার এপ্লিকেশনে এড হবে।
৭. আমরা এখন ডায়লগ ক্লাশ মেমবার এড করবো এই কন্ট্রোলটাকে হ্যানডেল করার জন্য। ডায়লগে রাইটক্লিক করে 'ক্লাশ উইজার্ড' সিলেক্ট করলেই উইজার্ড আসবে। মেমবার ভেরিয়েবলস টেব সিলেক্ট করে 'এড ভেরিয়েবল' বাটনে ক্লিক করলে ডায়লগবক্স আসবে। নতুন ভেরিয়েবলের নাম দিন m_FlashPlayer এবং ওকে বাটনে ক্লিক করুন। কেটাগরী হবে কন্ট্রোল ও ভেরিয়েবলটাইপ দেখাবে সিশকওয়েভফ্লাশ।
৮. এখন ওকে বাটনে ক্লিক করলেই ক্লাস উইজার্ডটি বন্ধ হয়ে যাবে।
৯. এখন আমরা কোড লিখব “nightFall.swf” ফাইলটা লোড করার জন্য। ডায়লগে রাইটক্লিক করে 'ইভেন্ট...' সিলেক্ট করলে ইভেন্ট ডায়লগ আসবে। WM_INITDIALOG কেপশনে সিলেক্ট ও ডাবলক্লিক করলেই কোড এডিটরটি আসবে। CDisplayFlashDlg::OnInitDialog() ফাংশানটির ভিতরে আমরা কোড লিখব ফ্লাশ ফাইলটা দেখানোর জন্য। // TODO: Add extra initialization here: এই লেখাটির নীচে লিখুন: m_FlashPlayer.SetMovie(”c:\NightFall.swf”);
১০. এবার F5 বাটন প্রেস করুন বা বিল্ড মেনু ব্যবহার করে এপ্লিকেশনটা রান করুন। দেখুন কি ষুন্দরভাবে NightFall.SWF এনিমেশন মুভি ফাইলটা দেখাচ্ছে শকওয়েভ ফ্লাশ অবজেক্ট একটিভএক্স কন্ট্রোলের সাহায্যে।

দেখলেনতো কত সহজেই কাজ শেষ হয়ে গেল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28872459 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28872459 2008-11-22 06:20:59
কিভাবে উইন্ডো রেজিস্ট্রি ক্লিন করবেন * Registrar Registry Manager Lite
* Wise Registry Cleaner
* Comodo Registry Cleaner
এছাড়াও আপনি ম্যানুয়ালি উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি ক্লিন করতে পারবেন।
১. উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি এডিটর অপেন করুন - স্টার্ট বাটনে ক্লিক করে 'রান' সিলেক্ট করুন। এবার টেক্সট বক্সের ভিতরে regedit টাইপ করে ওকে বাটনে ক্লিক করুন।
২. ব্যাকআপ রাখুন - কিছু পরিবর্তন করার আগে বর্তমান রেজিস্ট্রির ব্যাকআপ নিন। ফাইল মেনুতে গিয়ে এক্সপোর্ট সিলেক্ট করুন। এক্সপোর্ট রেন্জ পেনেলে গিয়ে 'অল' সিলেক্ট করুন। ব্যাকআপ লোকেশন সিলেক্ট করে এটির নাম দিন। এবার 'সেভ' বাটনে ক্লিক করুন।
৩. এখন পুরানো এপ্লিকেশন যেগুলো আনইন্সটল করা হয়েছে সেগুলো খুজে বের করে মুছতে হবে। এজন্য আপনাকে "HKEY_CURRENT_USER" কি এক্সপান্ড করতে হবে এর পাশের (+) চিহ্নে ক্লিক করে। সফটওয়্যার কি খুলুন। এপ্লিকেশনের নাম ও ডেভেলপারের নাম লেখা কিগুলি খুজে বের করুন। একটাকরে কি সিলেক্ট করে "Del" বাটন চেপে মুছুন। আপনি কিগুলো নাম দিয়ে সার্চ করেও মুছে ফেলতে পারেন। "Ctrl" ও "f" বাটন একসাথে চেপে ধরুন। ফাইন্ড ডায়লগবক্স এলে এপ্লিকেশনের নাম দিয়ে খুজুন ও ডেল বাটনে ক্লিক করে মুছে ফেলুন।
৪. স্টার্টআপ মেনু থেকে বাড়তি আইটেম মুছুন। এজন্য My Computer\ HKEY_LOCAL_MACHINE\ SOFTWARE\ Microsoft\ Windows\ Current Version কি খুলুন। 'রান' কি সিলেক্ট করুন। বাপাশে এক্সিকিউটেবল ফাইলের সর্টকাট দেখা যাবে। যেটা দরকার সিলেক্ট করে ডেলেট করুন।
৫. HKEY_CURRENT_USER এ গিয়েও আবার সেইফাইলগুলো মুছুন। কাজ শেষ হলে রেজিস্ট্রি এডিটরটি বন্ধ করে দিন। দরকারী কোন ফাইল ভুল করে মুছে গেলে ব্যাকআপ থেকে রিস্টোর করতে পারবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28871596 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28871596 2008-11-20 10:57:22
পিসির পারফরমেন্স কিভাবে বাড়াবেন
অফিস বা বাসা যেখানেই থাকুন না কেন আপনার কম্পিউটারটি সদা প্রয়োজন। আপনি চান একটা স্মার্ট স্পিডি কম্পিউটার যাতে এটি ঝটপট আপনার সব কাজ করে দিবে। অথচ আপনি হঠাৎ করে সমস্যায় পড়ে গেলেন- সেটি এতো স্লো হয়ে গেল যে কোন প্রোগ্রাম লোড করতে বা কোন পেজ ব্রাউজ করতে গিয়ে মনে হচ্ছে সারাদিন লেগে যাবে, জরুরী অফিসিয়াল চিঠি লিখতে গিয়ে মাঝপথে কম্পিউটার ফ্রিজ হয়ে গেল যার জন্য সেটি রিস্টার্ট দিতে হল। সারাবেলাটাই মাটি করে দিল, পিছিয়ে দিল সব কাজ। আমরা একটু সচেতন হলেই এধরনের সমস্যা এড়াতে পারি। কিভাবে তা নীচে আলোচনা করা হল:
১. শুধুমাত্র দরকারী প্রোগ্রাম ও উইন্ডো অপেন রাখুন - আপনি যদি একসাথে অনেক ইন্টারনেট উইন্ডো খোলা রাখেন বা অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালান তবে আপনার কম্পিউটার স্লো করে দিবে। ভাল স্পিড পেতে হলে শুধুমাত্র দরকারী প্রোগ্রাম বা ইন্টারনেট উইন্ডো অপেন রাখবেন।
২. কোন সন্দেহ হলে পিসি রিবুট করুন - কোন অস্বাভাবেক কিছু সন্দেহ হলে রিস্টার্ট দিন। আর সাটডাউন করার আগে সব কাজ সেভ করুন।
৩. রেজিস্ট্রি ক্লিনার ব্যবহার করুন - আপনি যতই সতর্ক থাকুন না কেন অনেকদিন ধরে রেজিস্ট্রিত অযাচিত এন্ট্রি, এরর, ক্লাটার প্রভৃতি জমে যায়। কাজেই নিয়মিত রেজিস্ট্রি ক্লিনার ব্যবহার করুন।
৪. যথেস্ট পরিমানে রেম(RAM Random Access Memory) আছে কিনা চেক করুন। এটা পিসি স্লো করার অন্যতম কারণ।
৫. ডেলেট টেম্পোরারি ফাইল - কিছুদিন পরপর টেম্পোরারি ফাইল জমে যায় তাই নিয়মিত টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করুন।
* My Computer->লোকাল ড্রাইভ সিলেক্ট করুন :\C->Windows ফোল্ডার->“Temp” ফোল্ডারে রাইট ক্লিক করুন->“View”->“Details”
* এবার পুরানো ফাইল ডিলিট করুন সিফট ও ডিলিট কি একসাথে চেপে ধরে।
৬. হার্ডডিস্কে পর্যাপ্ত পরিমানে খালি জায়গা আছে কিনা চেক করুন।
৭. হার্ডডিস্ক ডিফ্রেগমেন্ট করুন নিয়মিত- প্রথমে Start->programs-> Accessories->System Tools এ যান। Disk Defragmenter সিলেক্ট করুন। এবার “Defragment” বাটনে ক্লিক করলেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।
৮. রিসাইকেল বিন নিয়মিত খালি করুন।
৯. উইন্ডোজ ডিস্ক ক্লিনার দিয়ে অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলুন।
১০. অপারেটিং সিস্টেমের ক্রিটিকাল আপডেট নিয়মিত চেক করুন।
১১. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার চেক করুন।
১২. মেইলবক্স নিয়মিত ক্লিনআপ করুন।
১৩. হার্ডড্রাইভের ব্যাকআপ রাখুন।
১৪. নিয়মিত ডিফ্রেগমেন্ট চালান বিশেষ করে প্রচুর ফাইল ডিলেট করার পরে।
১৫. ডাইরেক্ট মেমরি একসেস এনাবল কিনা চেক করুন।
* Start বাটনে ক্লিক করে “Control Panel” ওপেন করুন।
* সিস্টেম আইকনে ক্লিক করে এটি ওপেন করুন।
* হার্ডওয়্যার ট্যাব সিলেক্ট করে ডিভাইস ম্যানেজার অপশন বেছে নিন।
* ATA/ATAPI অপশন লিস্টে যান পাশের + আইকনে ক্লিক করে।
* “Primary IDE Channel” অপশন সিলেক্ট করুন।
* “Primary IDE Properties” উইন্ডোতে গিয়ে “Advanced Settings” টেব সিলেক্ট করুন।
* “Transfer Mode” চেক করুন “Device 0” এনাবল আছে কিনা DMA'র জন্য.
* “Transfer Mode” চেক করুন “Device 1” এনাবল আছে কিনা DMA'র জন্য.
* চেন্জ কনফার্ম করার জন্য ওকে বাটনে ক্লিক করুন।
* এরপর “Secondary IDE Channel”এ ক্লিক করুন।
* “Secondary IDE Properties” এ গিয়ে “Advanced Settings” tab সিলেক্ট করুন।
* “Transfer Mode” চেক করুন “Device 0” এনাবল আছে কিনা DMA'র জন্য.
* “Transfer Mode” চেক করুন “Device 1” এনাবল আছে কিনা DMA'র জন্য.
* এবার ওকে বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস কাজ শেষ হয়ে গেল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28870731 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28870731 2008-11-18 16:16:14
মাউস ঠিকমতো কাজ না করলে কি করবেন নোট: সব ওপেন প্রোগ্রাম বন্ধ করুন মাউস পরিস্কার করার আগে।

মাউসের নীচের দিকে দেখুন ছোট্ট গোল কভার আছে যার পিছনে রাবার বলটি আছে। কোনদিকে ঘুরালে কভারটি খুলবে তীরচিহ্ন দিয়ে দেখানো আছে। আবার লাগানোর সময় উল্টাদিকে ঘুরিয়ে লাগাতে হবে। দুই আন্গুলে ঘুরিয়ে ঢাকনাটি খুললে বল ও কভার খুলে নীচে আপনার হাতে পড়বে।

ধুলাময়লা সাবধানে মুছে বলটি ও ভিতরের দিকে পরিস্কার করুন। কভার ও বল দুটৈ ভালভাবে পরিস্কার করা হয়ে গেলে ভিতরে ঢুকিয়ে আবার আগের জায়গায় সেট করুন। কভারটাকে স্টেন্ড হিসাবে ব্যবহার করুন যাতে বলটি না ঘুরে যায়(উপরের ছবির মতো)। রাবার বলটির যেন কোন ক্ষতি না হয় সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে। মাউসের ভিতরে তিনটা রোলার স্পেস আছে নীচের ছবির মতো।

আপনার আন্গুলের নখের সাহায্যে প্রতিটা রোলারের মাঝখান থেকে ময়লা সরিয়ে নিন। এই ময়লাগুলোই মাউসকে ঠিকমতো কাজ করতে দিচ্ছিলো না। আস্তে আস্তে ঘুরিয়ে ভিতরের সব ময়লা পরিস্কার করুন। তৃতীয় স্পেসে স্প্রিং লাগানো আছে, এটি খুব সাবধানে পরিস্কার করতে হবে। কিছুতেই যেন ভিতরের স্প্রিং বা অন্যকিছু নস্ট না হয় সেটা ভালভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। আস্তে করে ঝাকান যেন ভিতরের ময়লা বের হয়ে আসে। এবার বলটা ভিতরে ঢুকিয়ে ঢাকনাটা উল্টোদিকে ঘুরিয়ে বন্ধ করে দিন। মাউসপ্যাড সহ সবকিছু ঠিকমতো পরিস্কার হয়েছে কিনা লক্ষ্য করুন। এবার দেখুন পরিস্কার মাউসটি কিভাবে আগের মতো কাজ করে। আপনি যেখানে কার্সার নিতে চাবেন সেখানেই সেটি যাবে। এরপরও যদি মাউস কাজ না করে তাহলে আরেকটা নতুন মাউস কিনতে হবে। লেজার মাউস হলে পরিস্কার করার কোন ঝামেলা নাই। নস্ট হয়ে গেলে আরেকটা কিনতে হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28870584 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28870584 2008-11-18 10:41:49
ফায়ারওয়াল - ইন্টারনেটে নিরাপত্তার প্রথম সোপান
আমরা জানি যে ইন্টারনেট হল দ্রুত যোগাযোগের, ব্যাবসায় বানিজ্যের, বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহের, এন্টারটেইনমেন্টের একটা ভাল মাধ্যম। কাজেই দিন দিন এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে। অন্য সবকিছুর মত এরও কিছু খারাপ দিক আছে- ভাইরাস ছড়ানো, স্পাইওয়্যার, স্পাম প্রভৃতি। নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির জন্য সাধারনত আমরা ফায়ারওয়াল ব্যবহার করে থাকি। কোন ব্যাক্তিগত পিসি যেটিতে ইন্টারনেট সংযোগ আছে কিন্তু ফায়ারওয়াল নাই যেকোন সময় হাইজ্যাক হতে পারে বা বাজে লোকের পাল্লায় পড়তে পারে।
ফায়ারওয়াল কি?
ফায়ারওয়াল হল এমন একটা ডিভাইস বা সফটওয়্যার যা অন্য কম্পিউটারে চলছে সেই কম্পিউটারটির মাধ্যমে পরিচালিত নেটওয়ার্ক ট্রাফিকগুলো পরীক্ষাকরে দেখার জন্য, কতগুলো নিয়মকানুনের ভিত্তিতে তার প্যাসেজগুলোকে চালু ও বন্ধ করছে। আমরা বলতে পারি যে, এটা এমন একটা সিস্টেম যা নিরাপত্তা রক্ষাকারী কিছু বিষয়ের সমন্নয়ে গঠিত ও নেটওয়ার্ক কম্পিউটার সিস্টেমে অনুমোদনহীন ইলেক্ট্রনিক এক্সেসকে প্রতিহত করার জন্য তৈরী করা হয়েছে। এটা হতে পারে একটা ডিভাইস বা একসেট ডিভাইসের সমন্নয় যেগুলো কনফিগার করা হয়েছে বিভিন্ন সিকিউরিটি ডোমেইনের সব কম্পিউটার ট্রাফিকগুলোকে পারমিশন দেয়ার, বাতিল করার, এনক্রিপ্ট, ডিক্রিপ্ট বা প্রক্সি দেয়ার জন্য কিছু নিয়মকানুনের ভিত্তিতে।
আমরা ফায়ারওয়াল পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে পারি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার দুটোর উপরেই। ইন্ট্রানেটের সব মেসেজই যা ঢুকে ও বের হয়ে যায় ফায়ারওয়ালের মাধ্যমে আসাযাওয়া করে, ফায়ারওয়াল পর্যবেক্ষণ করে প্রতিটা মেসেজ সিকিউরিটির নিয়মকানুনগুলো মেনে চলছে কিনা। কয়েক ধরনের ফায়ারওয়াল টেকনিক আছে-
১. প্যাকেট ফিল্টার - প্রতিটা প্যাকেটের দিকেই লক্ষ্য রাখে নেটওয়ার্কে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় এবং এক্সেপ্ট বা রিজেক্ট করে ইউজারের দেয়া নিয়মকানুনের ভিত্তিতে। এডমিনিস্ট্রেটর নিয়মকানুন নির্ধারন করে দিতে পারেন বা ডিফল্ট রুলগুলো মেনে চলতে পারেন। প্যাকেট ফিল্টারিং স্বচ্ছ ও কার্যকরী কিন্তু কনফিগার করা কঠিন। এছাড়া এটা আইপি স্পুফিংয়ের উপরও নির্ভর করে।
২. এপ্লিকেশন গেটওয়ে - এফটিপি ও টেলনেট সার্ভারের মতো এপ্লিকেশনের উপর সিকিউরিটি মেকানিজম প্রয়োগ করে। অপ্রয়জনীয় ও বাজে কনটেন্টগুলো পর্যবেক্ষণ করে ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্কে কম্পিউটার ওয়র্ম ও ট্রোজানের ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়া রোধ করে। এটা খুবই কার্যকর কিন্তু পিসির পার্ফমেন্স কমিয়ে দেয় বিভিন্ন ধরনের এপ্লিকেশনের উপর একসাথে কাজ করতে গিয়ে।
৩. সার্কিট লেভেল গেটওয়ে - এটা যখন টিসিপি বা ইউডিপি কানেকশান স্হাপিত হয় তখন সিকিউরিটি মেকানিজম প্রয়োগ করে। যখন কানেকশান তৈরী হয়ে যায় প্যাকেটগুলি হস্টের মধ্যে ইচ্ছামতো আসাযাওয়া করতে পারে কোন চেকিং ছাড়াই।
৪. প্রক্সি সার্ভার - এটি নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় প্রতিটা মেসেজ চেক করে। প্রক্সি সার্ভার সত্যিকারের নেটওয়ার্কের ঠিকানা নিখুতভাবে লুকাতে পারে।
বাস্তবে আমরা দেখি যে, বেশীরভাগ ফায়ারওয়ালই দুই বা ততোধিক পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে নিরাপত্তার খাতিরে। ফায়ারওয়ালকে আমরা বলতে পারি ব্যাক্তিগত তথ্য সংরক্ষণের জন্য নিরাপত্তার প্রথম সোপান। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চত করার জন্য ডাটা এনক্রিপ্ট করা হয়।
আমাদের বাসার কম্পিউটার গুলোর ১০০% নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে পার্সোনাল ফায়ারওয়াল ও এন্টিমেলওয়ার সফটওয়্যার ইন্সটল করা ও আপটুডেট করা থাকতে হবে ভাইরাস, স্পাইওয়্যার, স্পাম, ট্রোজান ও অন্যান্য মেলওয়্যার প্রতিহত করার জন্য। বাসার নেটওয়ার্কে তার বা তারবিহীন যেটাই হোক না কেন ফায়ারওয়াল ফিচারগুলো বাড়তি নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।
পার্সোনাল ফায়ারওয়াল বেছে নিন:
১.মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল - ভিসতা ও এক্সপি সার্ভিসপ্যাক ২ অপারেটিং সিস্টেমে বিল্টইন ফায়ারওয়াল ইন্টল করা থাকে ইন্টারনেট থেকে থ্রেড ব্লক করার জন্য।
২. টুওয়ে থার্ডপার্টি পার্সোনাল ফায়ারওয়াল সফটওয়্যার - এগুলো সব ধরনের প্রবেশ ও বের হওয়া থ্রেড ব্লক করতে পারে। কোন কম্পিউটারে আউটগোয়িং থ্রেড থাকতে পারে যদি এটি ভাইরাস, স্পাইওয়্যার বা ট্রোজানহর্স দ্বারা পূর্বেই আক্রান্ত থাকে। আমরা নীচের প্রোডাক্টগুলো ব্যবহার করতে পারি:
* চেকপয়েন্ট জোন এলার্ম প্রো
* সানবেল্ট পার্সোনাল ফায়ারওয়াল
* টেলএমু অনলাইন-আরমর
* কোমোডো ফায়ারওয়াল প্রো
৩. ইন্টারনেট সিকিউরিটি সফটওয়্যার সুইটস - এই সফওয়্যারগুলো দুই বা ততোধিক সিকিউরিটি ফিচার যেমন ফায়ারওয়াল, এন্টিভাইরাস, এন্টিস্পাইওয়্যার প্রভৃতি ব্যবহার করে থাকে।
* নর্টন ইন্টেরনেট সিকিউরিটি
* জোন এলার্ম ইন্টারনেট সিকিউরিটি সুইট
* কেসপারস্কাই ইন্টারনেট সিকিউরিটি
৪. হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়ালস - এটা একটা ছোট বাক্স যা মডেম এবং কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কের মাঝখানে সেট করা হয়। ফায়ারওয়ালটি হয় "নেটওয়ার্ক এড্রেস ট্রান্সলেশন(NAT) " যা আপনার কম্পিউটারটিকে নেটওয়ার্ক থেকে লুকিয়ে রাখে বা NAT প্লাস "স্টেটফুল প্যাকেট ইন্সপেকশন (SPI) " অধিকতর প্রোটেকশন দেয়ার জন্য। এটি তিন ধরনের হয় - ওয়্যারলেস রাউটার, ওয়্যারড রাউটার ও ব্রডবেন্ড গেটওয়ে। নীচের ব্রডবেন্ড গেটওয়ে প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে পারেন:
* D-Link DIR-655 Extreme N Wireless Router
* ZoneAlarm Secure Wireless Route
৫.সাইবারোম ফায়ারওয়াল - সব সুবিধা একসাথে পেতে হলে ইউনিফাইড থ্রেড ম্যানেজমেন্ট সংক্ষেপে UTM ব্যবহার করতে পারেন। Cyberoam firewall হল সেরকম একটা ফায়ারওয়াল। এটি একমাত্র ফায়ারওয়াল ইউজার আইডেনটিটি এমবেড করে ফায়ারওয়াল নিরমকানুনের সাথে, এন্টারপ্রাইজগুলোকে তাদের পলিসি কনফিগার করতে দেয়, শুধুমাত্র আইপি ঠিকানার পরিবর্তে ইউজারকে তার নাম দিয়েও চিনতে পারে। এর শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল দেয় নিশ্ছিদ্র প্যাকেট পর্যবেক্ষণ, প্রবেশ নিয়ন্ত্রন, ইউজার অথেনটিকেশন, নেটওয়ার্ক ও এপ্লিকেশন লেভেল নিরাপত্তা। আইসিএসএ সার্টিফাইড সাইবারোম ফায়ারওয়ালের সাথে থাকছে ভিপিএন, গেটওয়ে এন্টিভাইরাস, গেটওয়ে এন্টস্পাম, ইন্টুশান প্রতিরোধ ব্যবস্হা, কনটেন্ট ফিল্টারিং, বেন্ডউইথ ও মাল্টিলিংক ম্যানেজমেন্ট। এটি ছোট, মাঝারি ও বড় সব ধরনের এন্টারপ্রাইজগুলিকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিয়ে থাকে দুরের ও কাছের সব অফিসের জন্যই। সাইবারোম হল চেকমার্ক লেভেল ৫ ইউটিএম সল্যুশান।
এর কি ফিচারগুলো হলো:
১. নিশ্ছিদ্র প্যাকেট পর্যবেক্ষণ।
২. বহুমূখী নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যবস্হাপনা।
৩. ইউজার সনাক্তকরণ প্রক্রিয়াকে নিয়মকানুন মিলেছেকিনা তার ক্রাইটেরিয়ার সাথে যুক্ত করে দেয়।
৪. বহুমূখী জোনের নিরাপত্তা ব্যবস্হা।
৫. কঠিন আইএম, পিটুপি কন্ট্রোল।
৬. আইসিএসএ সার্টিফাইড।
বি:দ্র: কখনো একসাথে দুটো পার্সোনাল ফায়ারওয়াল ব্যবহার করতে যাবেন না। আরেকটা ইন্সটল করার আগে পূর্বেরটা সম্পূর্নভাবে আনইন্সটল করে নিন কম্পাটিবিলিটি সমস্যা এড়ানোর জন্য। ইন্সটল করার পরে 'সিকিউরিটি স্পেস' এর মতো অনলাইন সার্ভিসের সাহায্যে পরীক্ষা করা নিতে ভুলবেন না এটি ঠিকভাবে কনফিগার করা হয়েছে কিনা যাচাই করার জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28870331 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28870331 2008-11-17 18:28:50
টেনশন
আর্থ-সামাজিক, মানসিক ও পরিবেশগত কারণেই টেনশন তৈরী হয়। টেনশন থেকে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের রোগ, সেরিব্রাল স্ট্রোক, কিডনী রোগ প্রভৃতি হতে পারে। সারাক্ষণ টেনশনে থাকলে প্রথমেই এর প্রভাব পড়ে নর-নারীর স্বাভাবিক সম্পর্কের উপর। এছাড়া হাসিঠিট্টা, মজাকরা ইত্যাদিতে ভাটা পড়ে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। টেনশনের ফলে মনের ভাবের আদান প্রদান তো হয়ই না, বরং যেটুকু কথাবার্তা হয় তারমধ্যেই মিশেথাকে উদ্বেগ, শন্কা ও বিরক্তি। দিনের পর দিন এভাবে চললে সম্পর্কে ফাটল ধরে। ভাব বিনিময়ের অভাবে বহু তথ্যই অজানা থেকে যায়, ফলে ভুল বুঝাবুঝির অবকাশ থেকে যায়। সম্পর্কে ঘুণ ধরে।
টেনশনের উপশম:
টেনশনের উপশম দুভাবে হয় - টেনশনের কারণগুলিকে ধ্বংস করা ও বেশ কিছু সদভ্যাস গড়ে তোলা যা টেনশনকে অংকুরেই বিনস্ট করে দেবে।
টেনশনের কারণগুলিকে ধ্বংস করা
১. সময়ের সদ্ব্যবহার- সুচিন্তিতভাবে পরিকল্পণা মাফিক কাজগুলোকে সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। সময় ভাগ করে আগের কাজ আগে করুন এবং রোজকার কাজ নির্দস্ট সময়ে করুন। কেন সময় নস্ট হচ্ছে ভাবুন ও প্রতিকার করুন। কাজ সবাইকে ভাগ করে দিন। কাজের ফাকে ফাকে বিশ্রাম নেয়ার অভ্যাস করুন।
২. নিয়ম মতো কাজ- যদি নিজেই একটা নিয়ম নিজের জন্য তৈরী করে নিয়ে তা নিষ্ঠার সাথে পালন করা যায় তবে কাজগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন হয় ও টেনশন থাকেনা।
৩. বাস্তবতাকে মেনে নেয়া- যা ঘটতে পারে বা যা ঘটে গেছে তা নিয়ে অনেক সময় টেনশন হয়ে ওঠে সীমাহীন। এক্ষেত্রে টেনশন কমানোর সবচেয়ে বড় উপায় হল বাস্তবকে মেনে নেয়া। জীবনে বড় দুর্ঘটনা যা শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে একেবারে ধ্বসিয়ে দেবে, তা খুব স্বাভাবিকভাবে মেনে নিয়ে মনে কোন টেনশন তৈরী হতে না দেয়া। এই ঘটনায় যারা খুব বেশী সহানুভূতি জানাতে চান তাদের খুব সাবলীলভাবেই থামিয়ে দিতে হয়। যাতে অতিরিক্ত সহানুভূতি মনে কোন বাড়তি টেনশন জন্ম দিতে না পারে। বাস্তবকে মেনে নিয়ে বিপদের মুখোমুখি হয়ে তা জয় করার চেষ্টা করা উচিত।
৪. স্বাস্হ্যই সকল সুখের মূল- তাই স্বাস্হ্য ভাল করুন। নিয়মিত স্বাস্হ্য পরীক্ষা করে নিরোগ থাকলে অন্য বিষয়েও তার টেনশন কম হয়।
৫. খুলে বলা- কোন গোপন কষ্ট আপনজনের সাথে ভাগ করে নিন। কিছু না পাওয়া, ভুল বা অন্যায় করে ফেলার পাপবোধ, গোপন দু:খের ভার এই সবই মানুষের মনকে কন্টকিত করে। এ থেকে মুক্তির উপায় হল কোন একজনকে সব খুলে বলা, তার সাথে ভাগ করে নেয়া সব গোপন কষ্ট। এভাবে জীবনে অনেক বয়ে যাওয়া ঝড়ঝাপ্টা সত্বেও স্বাভাবিক থাকা যায়। নিজের ভেতর কোন কথাই চেপে না রেখে কারো কাছে অকপটে সব কথা খুলে বলেও হালকা হতে পারেন।

কিছু সদাভ্যস
১. রোজ দুবেলা গোসল করা। শাওয়ারের বর্ষণটা ঘাড়ের উপর নেয়া। নানা রকম সুগন্ধী - সাবান, পাউডার, কোলন, পারফিউম ইত্যাদি ব্যবহার করুন।
২. সর্বদা মনকে প্রফুল্ল রাখুন।
৩. মানসিক চিন্তা থেকে উদ্ভুত টেনশন নির্মুল করার জন্য দরকার কায়িক পরিশ্রমের।
৪. জরুরী এপয়েন্টমেন্ট বা কথা ভুলে যাবার সম্ভাবনা থাকলে তা লিখে রাখুন।
৫. অনেক কাজের ভিড় থেকে একটু ছুটি নিয়ে বিশ্রাম নেয়া খুবই স্বাস্হ্যকর অভ্যাস।
৬. বেশী মসলাদার খাবার,চিনি ও নুন, ক্যাফিন ও নিকোটিন এড়িয়ে চলুন।
৭. রোজ কিছুক্ষণ ব্যায়াম ও যোগব্যায়াম করুন।
৮. অন্যের উপর ভরসা না করে নিজের কাজ নিজে করুন।
৯. অদৃষ্টের দোহাই দিয়ে নির্লিপ্ত থাকুন। 'যা ঘটেছে তা অদৃষ্টে ছিল' বা 'যা অদৃষ্টে আছে তা ঘটবেই' ভাবুন।
১০. বড় বড় গভীর শ্বাস নেয়ার অভ্যাস করুন। এটি টেনশন কমিয়ে দেয়।
১১. বছরে একবার ছুটিতে দুরে কোথাও বেড়াতে যান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28869660 http://www.somewhereinblog.net/blog/afruj/28869660 2008-11-16 08:43:49